Monday, June 30, 2014
উদ্যোগ প্রশংসনীয়, তবে- by আলী ইদ্রিস
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমি মেসি নেইমার দু’জনেরই ভক্ত- অপু বিশ্বাস
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইসল্যান্ডে রোজা ২১.৫৭ ঘণ্টা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাতে ক্রসফায়ার দিনে পুরস্কার
গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহত জাবেদের বোন রুনা বেগম দাবি করেন, ‘তার ভাই রায়েরবাগের দোতলা মসজিদের পাশে স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় ওই বাসা থেকে জাবেদের বন্ধু খোকন তাকে ডেকে নিয়ে যায়। এর ১ ঘণ্টা আগে জাবেদকে খোকনের বান্ধবী রূপা ফোন দেয়। রূপার সঙ্গে জাবেদের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে প্রায় মোবাইলে কথা হতো। এ নিয়ে তার ভাবি ঝর্ণা তার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিকাল বেলায় বের হওয়ার পর থেকেই জাবেদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দিন গড়িয়ে সারারাত তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। রুপার ফোন পেয়ে জাবেদ মতিঝিলের টিঅ্যান্ডটি এলাকায় যায়। ওই বাসায় আগে থেকেই সায়েদাবাদের শ্রমিক লীগ নেতা খাইরুল ও বাবু ছিল। ওই বাসায় যাওয়া মাত্রই খাইরুল ও বাবু ডিবি পুলিশকে ফোন করে জাবেদকে তাদের হাতে তুলে দেয়। পরে খাইরুল, খোকন ও বাবুর প্ররোচনায় ডিবি পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যা করে। রুনার দাবি, তার ভাইকে হত্যায় ডিবি পুলিশ মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছে। রুনা জানান, টেলিভিশনের স্ক্রলে ডিবি পুলিশের ক্রসফায়ারে দু’জন মারা যাওয়ার খবর পেয়ে তারা হাসপাতালের মর্গে গিয়ে ভাইকে শনাক্ত করেন।
জাবেদের স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝর্না বলেন, ‘সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল মালিক ও শ্রমিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তার স্বামী। কাঁচপুর, দাউদকান্দি ও হোমনা রোডের প্রধান লাইনম্যান ছিলেন তিনি। সমিতির সভাপতি খায়রুল হক ও তার দুই সহযোগী বাবু ও খোকন টাকার ভাগ চাইতেন। ভাগ না দেয়ায় তারা একবার জাভেদকে মারধরও করে। এ কারণেই তারা ডিবি পুলিশকে ভাড়া করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তাকে ডেকে নিতে রূপাকে ব্যবহার করা হয়। তিনি রূপাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। বলেন, রূপাকে গ্রেপ্তার করলে এটা ক্রসফায়ার না হত্যাকাণ্ড তা বেরিয়ে আসবে। ছিনতাইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার স্বামী একজন ধার্মিক ছিলেন। ডিবি পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যা করে এখন ছিনতাইকারী বানাচ্ছে। আমার স্বামী যদি আইনের চোখে কোন অপরাধ করতো তাহলে পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে বিচার করতো। কিন্তু তাকে কেন এভাবে হত্যা করা হলো। আমি যে এখন বিধবা হলাম। কিছুদিন পর আমার এইচএসসির রেজাল্ট। আমার কি হবে? আমি খুনি ও খুনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবো।
নিহত জাবেদের নারায়ণগঞ্জের মৌচাক এলাকায় বিসমিল্লাহ ফার্নিচার নামে একটি দোকান রয়েছে। পার্টসের ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। শ্যামপুরের দোলাইরপাড় এলাকায় একটি অফিসে বসতেন। তার পিতার নাম আবদুল মান্নান। গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানার নুনেরটেক এলাকায়। আট ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ।
অন্যদিকে জাকির হোসেন আকমলের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান, শনিবার সকালে অন্যান্য দিনের মতোই জাকির তাদের ডেমরার বাসা থেকে বেরিয়ে যান। দুপুরের পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ ছিল। সকালে তিনিও টেলিভিশন দেখে হাসপাতালে গিয়ে স্বামীর লাশ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, আমার স্বামীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। আমার স্বামীর মতো ভালমানুষ পৃথিবীতে আর একটিও নেই। স্বামী জাকির ডেমরা এলাকায় কাপড় ব্যবসা করতেন জানিয়ে তিনি বলেন, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে তার যাতায়াত ছিল। তিনি শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি ছিনতাই করতে পারেন না। তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। নিহত জাকিরের পিতার নাম হারুন মৃধা। তানিম নামে ছয় বছরের একটি সন্তান রয়েছে তার। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালীর কাউন্দিয়ায়।

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুদণ্ড দেশে বিদেশে যুগে যুগে- ধর্মীয় মতামত বিতর্ক ও নতুন ধারা by শফিক রেহমান
বৌদ্ধ ধর্ম
খৃষ্টপূর্ব ৫২৮-এ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার শুরু করেছিলেন নেপালের রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতম। তার এই ধর্ম ৫০০ খৃষ্টাব্দ অবদি শুধু ইনডিয়ান সমাজে নয়, মধ্য ও পূর্ব এশিয়াতেও প্রভাব বিস্তার করেছিল।
বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ পঞ্চশিলাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জীবননাশ থেকে বিরত থাকতে। এতে লেখা হয়েছে, প্রত্যেকেই শাস্তিকে ভয় পায়। প্রত্যেকেই মৃত্যুকে ভয় পায়। ঠিক তোমারই মতো। সুতরাং তুমি কাউকে হত্যা করবে না অথবা এমন কিছু করবে না যার ফলে কেউ নিহত হতে পারে।
বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থে আরো লেখা হয়েছে, তাকেই আমি ব্রাহ্মণ বলব যে অস্ত্র ছেড়ে দিয়েছে এবং সকল প্রাণীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ছেড়ে দিয়েছে। সে কাউকে হত্যা করে না। সে অন্য কোনো ব্যক্তিকে হত্যায় সাহায্য করে না।
অনেক বৌদ্ধ, বিশেষত পশ্চিমে, মনে করেন, শুধু বাক্যে বোঝানো হয়েছে, কোনো আইনগত পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিরোধী তাদের ধর্ম। তবে পুরাকালের বইয়ের ব্যাখ্যা প্রায়ই বিতর্কের সৃষ্টি করে। এই ব্যাখ্যাও বৌদ্ধ ধর্মে বিতর্কিত হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দেশগুলোর মধ্যে বেশির ভাগ দেশে কিছু অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ৮১৮ খৃষ্টাব্দে জাপানের সম্রাট সাগা মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করেছিলেন। তা সত্ত্বেও কিছু জমিদার তাদের এলাকায় মৃত্যুদণ্ড চালু রেখেছিলেন। ১১৬৫ খৃষ্টাব্দে জাপানে আবার মৃত্যুদণ্ড চালু হয়। এখনো তাই।
অবশ্য সম্প্রতি কিছু বিচারক মৃত্যুদণ্ড সই করতে রাজি হননি। এ ক্ষেত্রে যুক্তিস্বরূপ তারা নিজেদের ধর্মবিশ্বাসের উল্লেখ করেছেন। অন্যান্য বৌদ্ধপ্রধান দেশগুলোর মধ্যে ভুটান ও মঙ্গোলিয়া মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ করেছে। শ্রীলংকা এক সময়ে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করলেও আবার সেটা চালু করেছে। থাইল্যান্ডে মৃত্যুদণ্ড বরাবরই চালু ছিল এবং আছে। তবে থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারকদের মতে এ বিষয়ে মতভিন্নতা আছে।
বুদ্ধ তার বাণী দিয়ে খুনি এবং অপরাধীদের যে সংশোধিত করেছিলেন সে বিষয়ে বৌদ্ধ পুরাণে অনেক কাহিনী আছে। যেমন, আঙ্গুলিশালা ৯৯৯ জনকে হত্যার পর নিজের মা এবং বুদ্ধকে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বুদ্ধের প্রভাবে তিনি অনুতপ্ত হন এবং বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন।
ইনডিয়াতে বৌদ্ধ সম্রাট অশোক (৩০৪-২৩২ খৃষ্টপূর্ব) শাসন আমলে মৃত্যুদণ্ড ছিল। কিন্তু জীবন রক্ষার জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের আপিল করার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল। সব পশুপ্রাণী হত্যা সম্রাট অশোক নিষিদ্ধ করেছিলেন এবং তিনি চেয়েছিলেন মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে।
এক শ্রেণীর বৌদ্ধ পণ্ডিত মনে করেন, কোনো রকম সহিংসতার সাথে বৌদ্ধ ধর্মের সহ-অবস্থান সম্ভব নয়। বিশেষত যুদ্ধ এবং মৃত্যুদণ্ড বৌদ্ধ ধর্মের মূলনীতিবিরোধী।
তারা একটি কাহিনীর উল্লেখ করেন।
এক চোর ধরা পড়ার পর রাজার সামনে দুটি বিকল্প ছিল। এক. তাকে ক্ষমা করে দিয়ে সংশোধনের পথে নিয়ে আসতে সচেষ্ট হওয়া এবং সেজন্য তাকে অর্থসাহায্য করা। দুই. তাকে শাস্তি দিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে বধ্যভূমিতে নিয়ে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা, যেন সাধারণ মানুষ ভয় পেয়ে চুরি করা থেকে বিরত থাকে।
রাজা দ্বিতীয় বিকল্পটি বেছে নেন।
কিন্তু এতে বিপরীত ফল হয়।
চোররা যখন বুঝল ধরা পড়লে তাদের মৃত্যুদণ্ড হবে তখন তারা যে ব্যক্তির কাছ থেকে চুরি করছে তাকে এবং ঘটনার সকল সাক্ষীকে হত্যা শুরু করে। এভাবে ওই রাজার রাজত্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরির সাথে হত্যার সংখ্যা দ্রুত অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তার ফলে ওই রাজত্বে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়েছিল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, বৃটিশ পুলিশ নেহায়েতই বাধ্য না হলে অপরাধীদের মোকাবেলায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে না। ফলে বৃটেনে অপরাধ সংশ্লিষ্ট নিহতের সংখ্যা কম থাকে। অন্য দিকে আমেরিকান পুলিশ তুলনামূলকভাবে আগেই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। ফলে আমেরিকায় পুলিশি অভিযানে হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়।
ক্যাথলিক কৃশ্চিয়ান
মৃত্যুদণ্ড বিষয়ে কৃশ্চিয়ান ধর্মে বহু রকমের মতামত আছে। কেউ মনে করেন, যিশু যে ক্ষমার বাণী প্রচার করেছিলেন তার সম্পূর্ণ বিরোধী মৃত্যুদণ্ড, কারণ এটি প্রতিহিংসার বাস্তবায়ন। সুতরাং এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ হওয়া উচিত।
আবার কেউ মনে করেন, ওল্ড টেস্টামেন্ট আইন অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত।
মৃত্যুদণ্ডবিরোধীরা মনে করিয়ে দেন, যিশু বলেছিলেন, এক গালে চড় খেলে আরেক গাল বাড়িয়ে দিতে। তারা মনে করিয়ে দেন, পরকীয় প্রেমে অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত এক নারীকে যখন পাথর ছুড়ে মারা হচ্ছিল তখন যিশু সেটা বন্ধ করেন। মৃত্যুদণ্ডবিরোধীরা বলেন, এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয়, শারীরিকভাবে প্রতিশোধ নেওয়ার বিপক্ষে ছিলেন যিশু।
কিন্তু মৃত্যুদণ্ডের পক্ষেও কৃশ্চিয়ানরা আছেন।
আবার কিছু কৃশ্চিয়ান আছেন, যারা সম্পূর্ণভাবে মৃত্যুদণ্ডবিরোধী অসম মৃত্যুদণ্ডের পক্ষেও নন।
রোমান ক্যাথলিক চার্চের সেইন্ট টমাস একুইনসে মৃত্যুদণ্ডকে সমর্থন করেছিলেন অপরাধ সংখ্যা কমানোর পন্থা রূপে- প্রতিশোধ রূপে নয়।
পোপ দ্বিতীয় জন পল বলেছিলেন, সাধারণত মৃত্যুদণ্ড দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। তবে, সমাজকে রক্ষা করার জন্য কোনো দুর্বৃত্তের মৃত্যুই যদি একমাত্র উপায় হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
ক্যাথলিক এনসাইকোপিডিয়া (১৯১১ সংস্করণ) বলেছে, ক্যাথলিক চার্চের নীতিমালাবিরোধী নয় মৃত্যুদণ্ড। অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা এবং ঐশ্বরিক অনুমোদন রাষ্ট্রের আছে।
প্রটেস্টান্ট কৃশ্চিয়ান
আমেরিকায় সকল ধরনের মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা যারা সবচেয়ে আগে করেছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন প্রটেস্টান্ট কৃশ্চিয়ানদের একটি শাখা, দি রিলিজিয়াস সোসাইটি অব ফ্রেন্ডস বা কোয়েকার (Quaker) চার্চ।
সাদার্ন ব্যাপটিস্টরা খুন ও দেশদ্রোহিতার দায়ে দণ্ডিতদের মৃত্যুদণ্ড সমর্থন করলেও তারা বলেন, সেখানে যেন কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা অথবা রাষ্ট্রীয় বৈষম্য না থাকে।
বৃটেনে ১৯৮৮-তে অ্যাংলিকান বিশপদের ল্যামবেথ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়, যেসব সরকার মৃত্যুদণ্ড দেয় তাদের বিরুদ্ধে চার্চ বলে... প্রতিটি মানুষের ঐশ্বরিক সম্মান যেন রক্ষা হয়... ন্যায়বিচারও করতে হবে... সুতরাং মৃত্যুদণ্ডের বিকল্প ব্যবস্থা বের করতে হবে।
ইউনাইটেড মেথডিস্ট চার্চ এবং অন্যান্য মেথডিস্ট চার্চও মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী। তারা বলেন, সামাজিক প্রতিশোধ নিতে কোনো মানুষকে মেরে ফেলা উচিত নয়। মেথডিস্ট চার্চ আরো বলে, মৃত্যুদণ্ডের শিকার হয় অসমভাবে গরিব, অশিক্ষিত, সংখ্যালঘু এবং মানসিক রোগাক্রান্ত অথবা আবেগপ্রবণ মানুষরা। ইউনাইটেড মেথডিস্ট চার্চের সম্মেলন সকল সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা যেন অবিলম্বে সকল মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করে।
মেথডিস্ট চার্চ ঠিকই বলেছিল। বাংলাদেশে যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে তাদের অধিকাংশই গরিব অথবা নিম্নশ্রেণীর। বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত ও উচ্চশ্রেণীর মানুষের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে হাতেগোনা, যেমন- রিমা হত্যা মামলায় মনির-এর এবং রাষ্ট্রপতি জিয়া হত্যা মামলায় সামরিক অফিসারদের।
আরেকটি প্রটেস্টান্ট সম্প্রদায় ইএমসিএ ১৯৯১-এ তাদের নীতিমালা ঘোষণায় বলে, মৃত্যুদণ্ডের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রতিশোধ নেওয়া। কিন্তু শুধু অনুশোচনা ও ক্ষমার মধ্য দিয়েই শান্তি আসতে পারে- সামাজিক ক্ষত সারাতে পারে।
কমিউনিটি অব ক্রাইস্ট নামে আরেক প্রটেস্টান্ট সম্প্রদায় ২০০০-এ তাদের বিশ্ব সম্মেলনে ঘোষণা করে, শান্তির চার্চ রূপে আমরা মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী। ন্যায়বিচার ও ক্ষত সারানোর জন্য বিকল্প পথ আমরা খুঁজতে চাই... আমাদের চার্চের সবাইকে অনুরোধ করছি, তারা যেন তাদের নিজেদের দেশে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করেন।
মেননাইট কৃশ্চিয়ানরাও (চার্চ অব বৃপরেন অ্যান্ড ফ্রেন্ডস) তাদের প্রতিষ্ঠার সূচনা থেকে মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করেছেন।
মরমোন কৃশ্চিয়ান
মরমোন কৃশ্চিয়ানরা (দি চার্চ অব জিসাস ক্রাইস্ট অব ল্যাটার ডে সেইন্টস) মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে না- মৃত্যুদণ্ড উৎসাহিতও করে না। মরমোনরা বলেন, দেশের আইনের ওপর সেটা নির্ভর করবে।
হিন্দু ধর্ম
হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন শিক্ষাগ্রন্থে মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে এবং বিপক্ষে বলা হয়েছে। হিন্দু ধর্মে অহিংসার বাণী প্রচারিত হয়েছে যেখানে দাবি করা হয়েছে আত্মা অবিনশ্বর... মৃত্যু কেবল দৈহিকভাবে হতে পারে। কিন্তু ধর্মশাস্ত্রে বলা হয়েছে, খুনের কারণে এবং ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধের সময়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
ইসলাম ধর্ম
মৃত্যুদণ্ড বিষয়ে মুসলিম জ্ঞানীজনদের মধ্যে কিছু বিতর্ক আছে। প্রায় সব মুসলিম দেশে মৃত্যুদণ্ডের বিধান আছে। তবে সেটা কার্যকরের পন্থা হয় ভিন্ন। যেমন- ইরান ও ইরাকে ফাঁসি দিয়ে। সৌদি আরবে শিরশ্ছেদ করে। কিছু মুসলিম দেশে পাথর ছুড়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি ছিল।
কিছু মুসলিম দেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ-এর (দিয়া) মাধ্যমে বাচতে পারেন। অতি সম্প্রতি এই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে ইরানে, যেখানে শেষমুহূর্তের ঠিক আগে নিহত ব্যক্তির আত্মীয় ক্ষমা করে দেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তকে।
মৃত্যুদণ্ড বিষয়ে মুসলিমরা প্রায়ই কুরআনের একটি বাণী (৫:৩২) উল্লেখ করেন। সেটা হলো :
খুনের জন্য অথবা দেশে অনিষ্ট ছড়ানোর জন্য (রাষ্ট্র কর্তৃক) মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়া, কেউ যদি কোনো ব্যক্তিকে খুন করে তাহলে সেটা হবে সকল ব্যক্তিকে খুন করার মতো (অপরাধ) এবং কেউ যদি কোনো ব্যক্তির প্রাণ রক্ষা করে তাহলে সেটা হবে সকল ব্যক্তির প্রাণ রক্ষা করার মতো (কাজ)।
If anyone kills person- unless it be (a punishment) for murder or for spreading mischief in the land- it would be as if he killed all people. An if anyone saves a life, it would be as if he saved the life of all people. (Quran 5:32)
মুসলিম জ্ঞানীজনরা বলেন, দেশে অনিষ্টের (Mischief in the land) মানে হতে পারে এমন সব কর্মকাণ্ড যার ফলে সারা দেশ অথবা জাতির গভীর ক্ষতি হতে পারে। দুর্নীতি, যুদ্ধ প্রভৃতি কারণে এই ধরনের ক্ষতি হতে পারে। মুসলিম দেশগুলোতে মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে যথাযথ তথ্যপ্রমাণ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দেয়া হয়।
বর্তমান যুগে অধিকাংশ কৃশ্চিয়ান যেমন মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন তেমনটা মুসলিমরা করেননি। তদুপরি কিছু মুসলিম দেশে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় এবং সেই ছবি পত্রিকা ও ইন্টারনেটে প্রকাশ করায় মুসলিমরা সাধারণত চিত্রিত হয়েছেন মৃত্যুদণ্ডের পক্ষপাতী এবং প্রাচীনপন্থী রূপে।
ইহুদি ধর্ম
ইহুদি ধর্মে নীতিগতভাবে মৃত্যুদণ্ডকে সমর্থন করা হয়। তবে সেই দণ্ড দেওয়ার আগে সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সকল সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি নির্দেশে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডের মামলায় তিনজন নয়- অন্ততপক্ষে ২৩ জন বিচারককে থাকতে হবে।
দ্বাদশ শতাব্দীর ইহুদি জ্ঞানী ব্যক্তি মুসা ইবনে মায়মুন বলেন, একজন নিরপরাধের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চাইতে এক হাজার অপরাধীকে ছেড়ে দেওয়া শ্রেয়।
মুসা বিন মায়মুন (Maimonides) যুক্তি দেন, সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত না হয়ে একজন অভিযুক্তকে মেরে ফেললে আমরা একটা পিচ্ছিল পথে পড়ে যাবো এবং শেষ পর্যন্ত বিচারকের অভিরুচি মোতাবেক দণ্ড হবে।
It is better and more satisfactory to acquit a thousand guilty persons than to put a single innocent one to death... that executing a defendant on anything less than absolute certainly would lead to a slippery slope of decreasing burdens of proof, until we would be convicting merely, according to the judges caprice.
নয় শ বছর আগে মুসা বিন মায়মুন যা বলেছিলেন, সেটা বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে প্রায়ই ঘটতে দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক কারণে সরকার দ্বারা অনুরুদ্ধ অথবা আদিষ্ট অথবা প্রভাবিত হয়ে বিচারক তার অভিরুচি অনুযায়ী রায় দিয়েছেন।
ইহুদি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র ইসরেল-এ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে শুধু একটি কারণে। সেটি হলো : মানবতার বিরুদ্ধে কোনো নাৎসি যদি কোনো অপরাধ করে থাকেন তাহলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
ইসরেলের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত বেসামরিক আদালতে শুধু একজনেরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে কয়েক হাজার ইহুদিকে গ্যাস চেম্বারে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় জড়িত হয়েছিলেন জার্মান নাৎসি লেফটেন্যান্ট কর্নেল এডলফ আইখম্যান (Adolf Eichmann)। ১৯৪৫-এ যুদ্ধের পর তিনি আর্জেন্টিনাতে পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। ১৯৬০-এ ইসরেলি গুপ্তচর বাহিনী মোসাদ তাকে বুয়েনস এয়ার্সে খুজে বের করার পর অপহরণ করে ইসরেলে নিয়ে আসে। যুদ্ধ অপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিচার শুরু হয় ১৯৬১-তে জেরুসালেমের আদালতে। তখন আর্জেন্টিনা তীব্র আপত্তি করে বলেছিল, আইখম্যানকে অপহরণ করে ইসরেল আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করেছিল।
ইসরেলি সরকারের ঐকান্তিক ছিল বিশ্ববাসীর কাছে প্রমাণ করার যে আইখম্যানের বিচার হচ্ছে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে। বিশ্বের টপ মিডিয়া এই বিচারকাজ দেখার জন্য আমন্ত্রিত হয়েছিল এবং ৭৫০ দর্শক রিপোর্টারের আসন ছিল।
ওপরের নির্দেশ
৫৬ দিন শুনানির পরে। শত শত নথিপত্র পেশ করার পরে এবং ১১২ জন সাক্ষীর (যাদের অধিকাংশ ছিলেন গ্যাস চেম্বারে মৃত্যুর মুখ থেকে বেচে আসা) স্যা দেওয়ার পরে তিনজন বিচারক একমত হয়ে আইখম্যানের মৃত্যুদণ্ড দেন। ট্রায়ালের পুরো সময়টায় হাই সিকিউরিটির মধ্যে আইখম্যানকে আদালতে একটি বুলেটপ্রুফ গ্লাসের খাচায় রাখা হয়।
আইখম্যান তার ডিফেন্সে বলেন, তিনি ওপরের নির্দেশে কাজ করেছিলেন এবং যেহেতু তিনি ওপরের কর্তাব্যক্তিদের আদেশ মেনে চলার শপথ নিয়েছিলেন। সেহেতু তিনি সব সময়ই সেটা মানতে বাধ্য ছিলেন। আইখম্যান আরো বলেন, ইহুদিদের মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সুলার, হেইডৃচ, হিমলার এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে হিটলার।
বিচারকরা তার এই ডিফেন্স (ওপরের নির্দেশ) নাকচ করে দেন। তারা রায়ে বলেন, আইখম্যান শুধুই যে ওপরের নির্দেশ মেনে কাজ করেছিলেন তা নয়- তিনি সম্পূর্ণভাবে নাৎসি সরকারের আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং গণহত্যায় একটি প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন- গুলি চালিয়ে নয়, হত্যার আয়োজনে নিজের অফিস ডেস্কে বসে অংশ নিয়ে।
১৫ ডিসেম্বর ১৯৬১-তে আইখম্যান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। তিনি সুপৃম কোর্টে আপিল করেন। তার দণ্ড বহাল থাকে। শেষ চেষ্টায় তিনি ইসরেলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করেন। কিন্তু সেটাও নাকচ হয়ে যায়। ৩১ মে ১৯৬২-তে মধ্যরাতে ইসরেলের রামিয়া জেলখানায় ফাসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। শেষ খাবার হিসেবে কিছু খেতে চাননি আইখম্যান। তিনি এক বোতল ওয়াইন চেয়েছিলেন এবং পেয়েছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি কালো টুপি মাথায় পরতে চাননি।
চার ঘণ্টার মধ্যে একটি গোপন স্থানে আইখম্যানের দেহ পোড়ানো হয়। তারপর ইসরেলি নেভির একটি পেট্রল বোটে তার দেহভস্ম নিয়ে যাওয়া হয় ভূমধ্যসাগরে এবং সেখানে আন্তর্জাতিক পানির মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়।
এডলফ আইখম্যানের বিচার ও মৃত্যুদণ্ড থেকে দুটি বিষয় শিক্ষণীয়। এক. হত্যার অপরাধে বিচারপ্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে করা উচিত এবং দুই. উপরের নির্দেশ মেনে চলাটা হত্যার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিফেন্স হতে পারে না।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে যেসব একস্ট্রা জুডিশিয়াল মার্ডার হচ্ছে তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দ্বিতীয় শিক্ষাটি নিতে পারেন।
সাইমন ওয়েজেনথাল, অস্টৃয়ার ইহুদি যিনি আত্মনিয়োগ করেছিলেন নাৎসি অপরাধীদের খুজে বের করে তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে। তিনি আইখম্যানের মৃত্যুদণ্ডের পরে বলেন, সারা বিশ্ব এখন বুঝতে পারবে ডেস্ক মার্ডারার বলতে কি বোঝায়। এখন আমরা জানি, কাউকে খুন করতে মানসিক বিকারগ্রস্ত হতে হয় না- কোনো ব্যক্তি তার ডিউটি বা ওপরের নির্দেশ পালনের জন্য বিশ্বস্ত অনুচর ও আগ্রহী হয়েই খুন করতে পারে।
Faicbook.com/shafik Rehman Presents
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়ার্ল্ডকাপ হ্যাংওভার

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিলের কোপাকাবানায় অন্য দৃশ্য
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিডিয়া বনাম শামীম ওসমান by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

চট্টগ্রামের সাকা চৌধুরীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমানের একটা বিরাট পার্থক্যও আছে। শামীম ওসমান যুদ্ধাপরাধী নন, বরং মুক্তিযোদ্ধা এবং তার গোটা পরিবারই মুক্তিযোদ্ধা। এই পরিবারের খান সাহেব ওসমান আলী আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং শামীম ওসমানের বাবাও ছিলেন আওয়ামী লীগের সামনের কাতারের একজন নেতা এবং সংসদ সদস্য। বঙ্গবন্ধুর মতো তার কন্যা শেখ হাসিনারও এই পরিবারটির প্রতি যথেষ্ট স্নেহ-মমতা রয়েছে। শামীম ওসমানও বঙ্গবন্ধু পরিবার ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
তা সত্ত্বেও সাকা চৌধুরীর স্বভাব চরিত্রের সঙ্গে শামীম ওসমানের একটা জায়গায় মিল আছে, তা হল অশোভন ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলায় এবং অসঙ্গত কার্যকলাপে। শামীম যুদ্ধাপরাধ করেননি; কিন্তু তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ আছে। আর কথাবার্তা বলায় তার শালীনতা ও দম্ভের আগেও কোনো সীমা ছিল না। বর্তমানে তা সব সীমা অতিক্রম করেছে। তিনি ঢাকার সব মিডিয়ার সাংবাদিকদের (একটি মাত্র কাগজ ছাড়া) কুকুর আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন, এরা সবাই সংবাদপত্রের বড়লোক মালিকদের কালো টাকা পাহারা দেয়ার জন্য নিযুক্ত কুকুর। আগে তারা এই পাহারার কাজে কুকুর পুষতো, এখন সাংবাদিক পোষে।
ক্ষমতাসীন দলের একজন বিশিষ্ট নেতা ও সংসদ সদস্য এবং দেশের একটি বিখ্যাত পরিবারের সন্তানের মুখে এসব কথা মানায় কি? নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডারের ঘটনা এবং সেই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আসামি নূর হোসেন কলকাতায় ধরা পড়ার পর তার কোনো কোনো জবানবন্দিকে কেন্দ্র করে ঢাকার একশ্রেণীর মিডিয়া শামীম ওসমানও এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিলেন এমন একটা সন্দেহ জনমনে সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে তা সত্য। একটা দৈনিক তা বিশেষভাবে করে চলেছে। তাকে উইচ হান্টিংও বলা চলে। কিন্তু সব কাগজ ও তাদের সাংবাদিকরা তা করেননি। শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে আগেও যে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ ছিল তাকে ভিত্তি করে কোনো কোনো মিডিয়ায় তার প্রতি সন্দেহের তীর নিক্ষেপ করা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
একটি বড় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তকারী পুলিশের মতো তদন্তকারী সাংবাদিকদেরও সবাইকে সন্দেহ করার (তা সঠিক নয়, প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত) অধিকার আছে। এক্ষেত্রে শামীম ওসমানের উচিত নিজেকে এই সন্দেহ থেকে মুক্ত করার জন্য সর্বপ্রকার তদন্ত ও অনুসন্ধানে নিজেকে খোলামেলাভাবে তুলে ধরা। যে বিশেষ সংবাদপত্রটি তার বিরুদ্ধে বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উইচ হান্টিংয়ে নেমেছে, তার মুখোশ উন্মোচিত করা। দেশের সব সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের (একটি ছাড়া) কুকুর আখ্যা দেয়ার মতো অসংযত ও অশালীন মনোভাব দেখানো নয়। অভিযোগ যতই তিক্ত এবং অসত্য হোক, তার জবাব দিতে গিয়ে রেগে গেলে বা শালীনতার সীমা ছাড়ালে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ দেখা দিতে পারে, অভিযোগটি সত্য।
শামীম ওসমান যদি তার বিদ্বিষ্ট (গোটা আওয়ামী রাজনীতির প্রতিই পত্রিকাটি বিদ্বিষ্ট) বিশেষ পত্রিকাটির প্রচারণায় শালীন জবাব দিতেন, তাহলে আপত্তির কিছু ছিল না। এই পত্রিকাটি আগেও আওয়ামী লীগ-বিদ্বেষ থেকে শামীম ওসমানের লুঙ্গির খুট ধরে টানাটানি করেছে এবং তা সীমা ছাড়িয়েছে নারায়ণগঞ্জের মেয়র নির্বাচনে সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে শামীম ওসমানের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময়। বিপুল ভোটে শামীম ওসমানের পরাজয়েও সম্ভবত এটাও একটা কারণ। তাতে শামীম ওসমানের রাগ থাকতেই পারে। কিন্তু একজন রাজনৈতিক নেতার প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা নিয়ে যদি তিনি বিষয়টি ভাবতেন তাহলে একটি পত্রিকার নীতি ও সাংবাদিক সততা নিয়েই প্রশ্ন তুলতেন; গোটা দেশের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের সম্পর্কে জঘন্য অবমাননাকর উক্তি করে তার নিজের, দলের ও পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেন না।
আমি তাকে চিনি এবং স্নেহ করি। এই পরিবারের অনেকের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা দীর্ঘদিনের। প্রয়াত বন্ধু মোস্তফা সারোয়ারের কথা আমি এখনও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। তাই শামীম ওসমানকে উপদেশ দেই, নিজেকে সংযত করুন। দেশের সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চান। একটি বিখ্যাত পরিবারের এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করুন। নিজেকে সাকা চৌধুরীর মতো এক দুর্বৃত্তের পর্যায়ে নামিয়ে আনবেন না।
নারায়ণগঞ্জে সেভেন মার্ডারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শামীম ওসমানকে নিয়ে জল্পনা-কল্পনা অস্বাভাবিক কিছু নয়। যে কোনো দেশেই এ ধরনের ঘটনায় সংবাদপত্রকে খোঁজখবর নিতে এগিয়ে আসতে হয় এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিয়ে খবর প্রকাশ তাদের কর্তব্য এবং দায়িত্ব। কোনো সংবাদপত্র এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ির এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপরায়ণতার পরিচয় দেখালে ক্ষমতাসীন সরকার সমালোচিত সন্দেহভাজন ব্যক্তির পক্ষে (তিনি দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত) অবশ্যই দাঁড়াতে পারেন। কিন্তু সরকার বা সরকার পক্ষকে সে সুযোগ না দিয়েই শামীম ওসমান যেভাবে অনবরত দায়িত্বহীন ও পরস্পরবিরোধী কথাবার্তা বলে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তোলেন, তাতে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল শামীম ওসমানকে সংযত হওয়ার এবং সাত খুনের মামলার তদন্তে আন্তরিকভাবে সহায়তাদানের পরামর্শ দেয়া।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা করেননি। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে জোর গলায় বলেছেন, তিনি শামীম ওসমানের পরিবারের পক্ষে। এই কথাটি জোর গলায় বলার কি কোনো দরকার ছিল? নারায়ণগঞ্জের মেয়র নির্বাচনের সময় জনগণের ভোট শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে এ কথা জেনেও তিনি সেলিনা হায়াৎ আইভীর পরিবর্তে তাকে দলের মনোনয়ন দিয়েছিলেন। নির্বাচনে শামীম ওসমানের বিরাট পরাজয়ের পরও তিনি গত সংসদ নির্বাচনে এ এলাকায় মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে আবার শামীম ওসমানকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এটা কি জনগণের রায় ও মনোভাবকে উপেক্ষা করার শামিল নয়? জনগণ তো জানেই, তারা না চাইলেও প্রধানমন্ত্রী শামীম ওসমানের পক্ষে থাকবেন। এটা নতুন করে ঘোষণা করার তো দরকার ছিল না। ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে জানিয়ে দিলেন, তিনি জনগণের মনোভাবকে তোয়াক্কা করেন না এবং তার সমর্থন যে কোনো অবস্থায় একটি পরিবারের পক্ষেই।
এই মনোভাব জননেত্রী শেখ হাসিনার ভাবমূর্তির সঙ্গে মানায় না। বঙ্গবন্ধু-কন্যার মানসিকতাও এটা হতে পারে না। সম্ভবত দলনেত্রী ও জননেত্রীর কাছে প্রশ্রয় পেয়েই শামীম ওসমান আরও উদ্ধত হয়েছেন এবং একজন পুলিশ অফিসারকেও ধমকাতে সাহস পেয়েছেন। তার এই ঔদ্ধত্য আরও বেড়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের আরও একটি ঘোষণায়। তিনিও প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠ অনুসরণ করে (অথবা তার নির্দেশে) বলেছেন, তারা শামীম ওসমানের পরিবারের পক্ষে। সঙ্গতভাবেই দেশে প্রশ্ন উঠেছে, দেশের সরকার যদি একটি পরিবারের পক্ষে দাঁড়ায়, তাহলে দেশের মানুষের পক্ষে দাঁড়াবে কে?
এখানে আরও একটি প্রশ্ন আছে। যেখানে একটি পরিবারের বিশিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে (সত্য মিথ্যা যা-ই হোক), সেখানে দেশের সরকারই যদি আগাম ঘোষণা দেয়, তারা ওই পরিবার অথবা অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে, তাহলে ওই অভিযুক্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনা সরকারি পুলিশ বা গোয়েন্দা বাহিনীর পক্ষে সম্ভব কি? যদি সম্ভব না হয় তাহলে বিচারের বাণী নীরবে-নিভৃতে কাঁদবে। আওয়ামী লীগের মতো দলের শাসনামলে এই ধরনের কান্না শোনার আশংকা দেশের মানুষ কখনও করেছিল কি?
দেশের সাংবাদিকদের অবমাননা করে শামীম ওসমান যে কথা বলেছেন তাতে আমিও ক্ষুব্ধ। আমিও দেশের একজন সাংবাদিক। আমি শামীম ওসমানের কাছে শুধু সাংবাদিক হিসেবে নয়, তার বড় ভাই এবং একজন শুভাকাক্সক্ষী হিসেবে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা দাবি করি। তিনি যদি তা না করেন, তাহলে দলমত নির্বিশেষে দেশের সব সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের উচিত হবে, তাকে বয়কট করা। তার কথাবার্তা সব কিছু প্রকাশ বন্ধ করা। দেশের মানুষের উচিত হবে, নারায়ণগঞ্জের সাত খুনে তার সত্যই কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তার অবাধ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার জোর দাবি জানানো। দোষী সাব্যস্ত হলে সাকা চৌধুরীর মতোই তার দণ্ড হওয়া উচিত।
এই প্রসঙ্গে বলি, দেশের একশ্রেণীর মিডিয়া, যারা নিরপেক্ষতার ভান করে তাদের পছন্দের নয় এমন রাজনীতিকদের নিয়ে চরিত্র হননের সাংবাদিকতা করেন, তারা এই অসৎ সাংবাদিকতা থেকে বিরত হোন। তাদের দুষ্ট সাংবাদিকতা দেশের সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের শুনাম ও ভাবমূর্তিতে কালিমা লেপন করে এবং শামীম ওসমানের মতো ব্যক্তিদের সাংবাদিকদের সম্পর্কে জঘন্য অবমাননামূলক উক্তি করার সাহস জোগায়। দেশের সাংবাদিকদের উচিত, একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর এই অপসাংবাদিকতা থেকে দেশের সৎ ও শুভ সাংবাদিকতাকে রক্ষা করা এবং তার সুনাম ও মর্যাদা রক্ষা করা।
আমরা অতীতেও দেখেছি, একটি পত্রিকার পছন্দের রাজনীতির লোক না হলেই কোনো কোনো প্রভাবশালী রাজনীতিকের সম্পর্কে চরিত্র হননে কখনও কৌশলী, কখনও সরাসরি প্রচারণা চালানো হয়েছে। তাদের সন্ত্রাসী সাজানো হয়েছে এবং তাদের রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দেয়া হয়েছে। এই বিশেষ দৈনিককে দেখা গেছে, শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়াতে যতটা আগ্রহী, সাকা চৌধুরীর জঘন্য অপরাধগুলো সম্পর্কে নিত্যপ্রচার চালাতে তারা ততটা আগ্রহী ছিল না।
ফেনীর জয়নাল হাজারীকে নিয়ে এই পত্রিকাটির অতি প্রচারণা এক সময় দেশে সাংবাদিকতার জগতে যথেষ্ট কালি ছিটিয়েছে। এই পত্রিকার সম্পাদক হাজারীর বিরুদ্ধে অনবরত উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা (সত্য মিথ্যা যা-ই হোক) চালানোর ফলে জয়নাল হাজারীও তার তৎকালীন সংসদ সদস্য পদের রক্ষাকবচের সুযোগ নিয়ে ওই পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে যে কুৎসিত অভিযোগ তোলেন এবং অন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে সেই কুৎসা প্রকাশ করেন, তা ওই সম্পাদকের জন্য এক চরম অবমাননাকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ফলে ওই পত্রিকার সম্পাদক দেশের অন্য সম্পাদক ও সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হন এবং তারা যুক্তভাবে হাজারীর বিরুদ্ধে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ওই সম্পাদকের সম্মান রক্ষার ব্যবস্থা করেন।
শামীম ওসমান সম্পর্কিত অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার আগেই তাকে নিয়ে একটি বা একশ্রেণীর মিডিয়ার উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণার বাড়াবাড়ি সম্পর্কেও দেশের সৎ ও প্রকৃত সাংবাদিকদের যেমন সতর্ক থাকা এবং তাদের পেশার সততার সুনাম রক্ষা করা উচিত, তেমনি একটি বা একশ্রেণীর পত্রিকার বাড়াবাড়িকে অজুহাত করে দেশের সব সাংবাদিককে গালনিন্দা করা থেকে শামীম ওসমানের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের বিরত করা ও বিরত রাখা উচিত। এ কাজটি তার দলনেত্রী শেখ হাসিনাই ভালো পারেন এবং তার পারা উচিত। শামীম ওসমানের ধৃষ্ট বক্তব্য তার নিজের, তার দলের ক্ষতি করবে এবং এমন একটি অসুস্থ পরিবেশ সৃষ্টি করবে যা দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।
লন্ডন ২৯ জুন ॥ রবিবার, ২০১৪
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোড়াতেই গলদ by শামীমুল হক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রস্তাবনাগুলো বিবেচনা করবেন কি? by সেখ সোহেল রানা
একটি পাবলিক পরীক্ষার সর্বপ্রথম ধাপ প্রশ্নপত্র তৈরি করা। ধরে নিই, প্রতিটি বিষয়ের জন্য ৫০ জন প্যানেল শিক্ষকের কাছ থেকে প্রশ্নপত্র আহ্বান করা হলো। তারা প্রশ্নপত্রের একটি করে সফট কপি একটি বিশেষ ফরম্যাটে (ধরে নিই .ীষং) আপলোড করলেন একটি শক্তিশালী সফটওয়্যার অ্যাপলিকেশনে। এই সফটওয়্যারটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যালগোরিদম ব্যবহার করে ৫০ সেট প্রশ্নপত্র থেকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি ধরনের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে সক্ষম। এই প্রশ্নপত্রগুলো Decode করে বিশেষ ধরনের Binary Signal-এ রূপান্তরিত করা হবে এবং বহুস্তরবিশিষ্ট বিশেষ একটি ডাটাবেজ সিকিউরিটি সিস্টেমে সংরক্ষিত করা হবে। ছাপানোর কয়েক সেকেন্ড আগে তথ্যগুলো Encode করা হবে।
প্লেট সিস্টেমের ছাপাপদ্ধতি বাতিল করে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রবর্তন করতে হবে। মানুষের পরিবর্তে পুরো ছাপার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করবে Microprocessor নিয়ন্ত্রিত কয়েকটি Robotics বা Automated Machine । রোবটগুলোর মধ্যে Artificial Intellegence Program Integrated থাকবে না। শুধুমাত্র একটি বা দু’টি কাজের নির্দেশিত প্রোগ্রাম সন্নিবেশিত থাকায় এগুলো তৈরির খরচ হবে অত্যন্ত কম।
প্রিন্টিং মেশিনটি একটি কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। ছাপার পরে কাটিং, প্যাকিং, সিকিউরিটি সিল- সবই একটি Automated Control System-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে। একটি বিশেষ secured রুমের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে- যেখানে থাকবে শুধুই রোবট অথবা Automated Machine। তাই তথ্য চুরির কোন আশঙ্কা থাকবে না। সিস্টেমেটিং সমস্যা হলে বাইরে থেকে Auto detection & Rescue পদ্ধতির মাধ্যমে Remote Solution দেয়া হবে। থাকবে সিসি ক্যামেরা এবং Access card এর ব্যবহারও।
সিকিউরিটি সিস্টেমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলোspecification। অর্থাৎ যারা এইচএসসি’র প্রশ্নপত্র ছাপার সঙ্গে জড়িত তারা শুধু এই পরীক্ষার ছাপার কাজই করবে, অন্য কোন পরীক্ষার কাজ তারা করবে না। তাতে সিকিউরিটি সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ছাপার ক্ষেত্রে wastage কপিগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৎক্ষণাৎ damping করে ফেলতে হবে। টেস্ট প্রিন্টিং হবে Decoding Language-এ। সিকিউরিটিজ সিস্টেম ডিজাইনে আরও টারমিনাল লেয়ার যোগ করা যেতে পারে। যেমন, যারা প্রিন্টিং রুমে কোর ডাটা নিয়ে কাজ করবে তাদেরকে একটি বিশেষ ধরনের লেন্সযুক্ত চশমা পরতে হবে যেটি প্রশ্নপত্রের ফন্টগুলোকে রূপান্তরিত এবং বিকৃতভাবে উপস্থাপন করবে।
যারা কোর প্রিন্টিং রুমে কাজ করবেন তারা কর্মস্থল ত্যাগ করার পূর্বমুহূর্তে ২০ থেকে ৩০ মিনিটের একটি কম্পিউটার গেইম খেলবেন। সিকিউরিটি ব্যবস্থার এই ধাপটি বেশ কার্যকর এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এই বিশেষ ধরনের কম্পিউটার গেইম মস্তিষ্কের মধ্যে সদ্য প্রবেশকৃত তথ্যের শতকরা ৯০-৯৯ ভাগ মুছে ফেলতে সক্ষম। সিকিউরিটির পরের ধাপে রয়েছে প্রেসে নেটওয়ার্ক জ্যামার বসানো। তাছাড়া, বিজি প্রেসে কর্মরত ব্যক্তিদের মোবাইল ও কমিউনিকেশন সিস্টেম যেমন মোবাইলের ওগঊ ট্র্যাকিং, ডাটা ট্র্যাকিং, গ্লোবাল পজিশনিং ইত্যাদি অটো-মনিটরিং সিস্টেমের আওতায় আনা যেতে পারে।
সিকিউরিটির সর্বশেষ স্তরে রয়েছে ইন্টারনেট ও মোবাইলে অটো স্ক্রিনিং বা ফিল্টারিং-এর ব্যবস্থা করা। ফেসবুক, টুইটারসহ বাংলাদেশে যত ইন্টারনেট পেজ লোড হচ্ছে; ইমেইলে, মোবাইলে যত তথ্য আদান-প্রদান হচ্ছে সেগুলো ফিল্টার করে, আইপি অ্যাড্রেস ডিটেক্ট করে প্রকৃত অপরাধীকে খুঁজে বের করা সম্ভব। ‘অপরাধী কম্পিউটার’কে ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে স্থায়ীভাবে disable করে দেয়া সম্ভব। কারণ ওই কম্পিউটার পরবর্তীতে আইপি অ্যাড্রেস পরিবর্তন করলেও মাদারবোর্ডের কিছু unique তথ্য থাকে যেটা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
filtering tag ব্যবহার করে মোবাইল অপারেটরগুলো অপরাধী মোবাইল সেটের IME detect করে সেগুলো মোবাইল নেটওয়ার্কে স্থায়ীভাবে disable করে দিতে পারে। এই ধরনের আর্থিক ক্ষতি অপরাধীদের অপরাধ সংঘটনের উৎসাহ কমিয়ে দিতে পারে। শিক্ষাক্ষেত্রে একটি মাল্টিলেয়ার সিকিউরিটি সিস্টেম গড়ে তোলার সময় এসেছে। প্রয়োজন ডাটা সিকিউরিটি গবেষণা কেন্দ্র। এটি অপরিহার্য এবং শিক্ষার্থীদের অধিকারও বটে। আমরা যেন একটা মেধাবী প্রজন্ম সৃষ্টি করে যেতে পারি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধ্রুপদী জ্ঞানচর্চার শেষ মুঘলের বিদায় by ড. মাহফুজ পারভেজ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন প্রেমিকের খোঁজে মনিকা বেদি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাক ও সিরিয়ায় ‘ইসলামী রাষ্ট্র’ কায়েমের ঘোষণা বিদ্রোহীদের

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবাক কাণ্ড ঘটালেন জ্যাকুলিন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্মম রিকুইজিশন by কাজী সোহাগ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আ.লীগ ৬৫ বছরে অনেক কিছু অর্জন করেনি, হারিয়েছে
![]() |
| প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ কার্যালয়ে স্বাগত জানান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে। ছবি: বাসস |
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচনের দিন সঠিক দায়িত্ব পালনের কারণে এএসপি বশিরউদ্দীন বাহবা পেয়েছেন। এই ব্যাপারে পাঠক শহীদুল ইসলাম লিখেছেন: গণতন্ত্রের কথা বলে এঁরা দেশে দানবতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছেন। বড় কষ্ট লাগে, তার পরও এঁরা গণতন্ত্রের বুলি আওড়াচ্ছেন।
মারুফ: যে শামীম ওসমানের কথা ছাড়া নারায়ণগঞ্জে নাকি একটি গাছের পাতাও নড়ে না, সেই শামীম ওসমানকে মুখের ওপর যখন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এভাবে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে অবিচল থাকতে পারেন, তাঁকে সশ্রদ্ধ সালাম জানাই।
সাইফ আল খান: এএসপি বশিরের সাহসিকতা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে দলীয় হস্তক্ষেপের সংস্কৃতি থেকে সরকার বেরিয়ে আসছে...। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ।
হিমু: এএসপি বশিরের পায়ের ধুলার যোগ্য রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কোনোটাতেই নেই।
মুজতবা জব্বার: যে দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী কিংবা প্রেসিডেন্ট ‘তারেক’ অথবা ‘জয়’ নির্ধারিত, সেই দেশে শামীম ওসমানেরাই তো নেতা হবেন। তাই হওয়া উচিত নয় কি? (ভণ্ড) নেতাদের সমালোচনা করার আগে, আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজেদের সমালোচনাটা আগে করা!
এম এইচ রহমতুল্লাহ: বিচ্ছিন্নভাবে একজন সৎ কিংবা দায়িত্বসম্পন্ন হয়ে কিছুই করতে পারে না। দুর্নীতি আর অনিয়মের শিকড় এখানে অনেক গভীরে প্রোথিত। দুর্নীতিবাজ আর চরিত্রহীনরা এখানে সংঘবদ্ধ। নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে, কয়েক বছরের মধ্যেই দেখবেন এই বশির অন্য বশির হয়ে গেছেন। এখনকার এই চমৎকার সদিচ্ছা আর দায়িত্ববোধকে তিনি নিজেই ‘অল্প বয়সের অর্বাচীনতা’ হিসেবে বিবেচনা করছেন। অনেক দেখেছিরে ভাই, এখন আর সহজে আশান্বিত হই না।
নজরুল ইসলাম: স্বাধীনতার ৪৩ বছরে অনেক পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। কোহিনুর, আকবর, হারুন, বিপ্লব, শিবলী নোমানসহ আরও অনেকে। এএসপি বশিরউদ্দীনও সংবাদ শিরোনাম হলেন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে ফেনীর জেলা প্রশাসক সোলায়মান চৌধুরীও শিরোনাম হয়েছিলেন। নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনার আগে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মনোজ কান্তিও পত্রিকায় সংবাদ হয়েছিলেন বনশ্রীর ঘটনায়। পাঠক, মিলিয়ে দেখুন তো কাদের পাশে আমাদের দাঁড়ানো উচিত?
ভারতের চোখে সুষমার ঢাকা সফর ‘চমৎকার সূচনা’
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে ভারতের নতুন সরকারের পক্ষ থেকে সুষমা স্বরাজের ঢাকা সফরকে ‘চমৎকার সূচনা’ হিসেবে দেখছে দিল্লি। এ ব্যাপারে পাঠক নীরব লিখেছেন: সেটাই হওয়া উচিত। ভারতের উচিত আমাদের সঙ্গে ভালো প্রতিবেশীসুলভ আচরণ করা। আমাদেরও তা-ই। এতে দুই দেশেরই কল্যাণ হবে।
মাহবুব নুর: মনে হচ্ছে, আমরা এখনো ব্রিটিশ উপনিবেশ যুগে আছি!! রানি এসেছেন—দলে দলে দেখা করার হিড়িক
পড়ে গেছে!!
রুমি: গণতন্ত্রের এহেন হাহাকারের মাঝে, বুশ-তন্ত্রের আবির্ভাব দেখতে পাচ্ছি। আমার সঙ্গে (মিল) থাকলে তুমি ভালো, আমার বিপরীতে (গরমিল) গেলে তুমি খারাপ। আমাদের কী হবে? আওয়ামী লীগই পারে, আওয়ামী লীগই পারবে দলের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ লেখাটি প্রকাশ করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে পাঠক হোসেইন আহামেদ লিখেছেন: আওয়ামী লীগ ৬৫ বছরে অনেক কিছু অর্জন করেনি; বলেন, অনেক কিছু হারিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাংলার মানুষ এক হয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিল। কিন্তু আজ আপনাদের ডাকে কিছু ভাড়া করা মানুষ ছাড়া আর কেউ আসবে না। এটাই আপনাদের অর্জন।
আলী হায়দার: আ.লীগই পারে এবং আ.লীগই পারবে। আর সেখানেই বাংলার মানুষের ভয়। কী পারবে, কী পেরেছে আর কী পারছে—তা দেশের মানুষ দেখছে। দেশের মানুষ এখন যারপরনাই শঙ্কিত ভবিষ্যতে আ.লীগ আর কী কী উপহার দেবে সেই ভাবনায়।
মারুফ সাদি: মানুষের জীবনে যেমন সাফল্য-ব্যর্থতা থাকে দল হিসেবে আ.লীগেরও সাফল্য-ব্যর্থতা আছে। আশা করি, আগামী দিনগুলোতে আ.লীগ আরও বেশি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিকশিত হবে।
সাইফুল আলম: আ.লীগ পারে তা ঠিক। তবে ইদানীং যা পারছে বা করছে, তা দেখে দেশ ও দেশের মানুষ অবাক। গুম-খুন আর দুর্নীতি নিয়ে যা হচ্ছে, তা এই দলটাকে ডোবাবে একদম পুরোপুরি।
খাদ্যে ক্ষতিকর মাত্রায় ফরমালিন মেলেনি
সাতটি সরকারি সংস্থা বলছে, বাজার থেকে আমসহ বিভিন্ন ফল ও খাদ্যসামগ্রী কিনে তা পরীক্ষা করে তাতে ক্ষতিকারক মাত্রায় ফরমালিন পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে পাঠক হালিম শাহ: যাঁরা পরীক্ষা করে ফরমালিন পাননি বলে ঘোষণা করেছেন, তাঁদের বাচ্চাদের ও তাঁদের নিয়মিত সাধারণ বাজার থেকে ফল কিনে খাওয়ানো হোক। দেশে অন্যান্য শিল্পে যা দরকার, তার তিন গুণ ফরমালিন আমদানি হচ্ছে বলে পত্রিকায় এসেছে। এগুলো খাদ্যে মেশানো না হলে ফল কেন সহজে পচে না—তার একটা ব্যাখ্যা নিশ্চয় এই লোকগুলো দিতে পারবেন।
সুকান্ত: মানুষের লোভ এত বেড়ে গেছে যে, তারা এত দিন যাদের সুখের জন্য দুর্নীতি করত; এখন তাদেরই অসুস্থ বানিয়ে মৃত্যু কামনা করতেও দ্বিধা করছে না!
আউয়ুব: যদি ঘটনা সত্যি হয়, তবে এখানেও একটা ফাঁকি থাকতে পারে। কারণ অসৎ ব্যবসায়ীরা শয়তানের বন্ধু। আর শয়তান সব ধরনের অভিনয়ই করতে পারে। সুতরাং সাম্প্রতিক সাঁড়াশি অভিযানের ফলে এমনও হতে পারে যে, তারা তাদের কার্যক্রম আপাতত শিথিল করেছে! আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতকে ধন্যবাদ, তবে দীর্ঘমেয়াদি তৎপরতা চালাতে হবে আরও জোরালোভাবে, সেই অনুরোধ রাখছি।
রেদওয়ান: কিছুদিন আগেও পত্রিকায় দেখেছি, ফলমূলে অতিরিক্ত পরিমাণে ফরমালিন রয়েছে, যা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। আর এখন নতুন করে শোনা যাচ্ছে ফরমালিন কম, নাকি সরকারকে ম্যানেজ করে ফেলেছে তারা। সব কেমন যেন ঘোলা হয়ে যাচ্ছে।...খোলাসা করে বলবেন কি?
সুমিত্রা কুমার পাল: আগামীকাল হয়তো শুনব কোনো ফলেই কোনোকালে ফরমালিন ছিল না। সবই মিডিয়ার প্রপাগান্ডা।
নাসের আহমেদ: খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো হচ্ছে কি না, তা বোঝার জন্য যেকোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে পাঁচ মিনিট দাঁড়ালেই বুঝতে পারবেন। এত বেশি মানুষ অসুস্থ হচ্ছে কি এমনি এমনি?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোজার ঐতিহাসিক পটভূমি
![]() |
| সিয়াম সাধনার মাস |
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক, গবেষক ও কলাম লেখক।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির প্রথম ‘অশুভ’ হস্তক্ষেপ
![]() |
| ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভবন |
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক৷
mrkhanbd@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে হত্যাকাণ্ড বদলে দেয় বিশ্ব মানচিত্র
![]() |
| সারায়েভোতে খুন হওয়ার আগের দিন ১৯১৪ সালের ২৭ জুন ট্রেন থেকে নামছেন ফার্ডিনান্ড। এএফপি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকে মালিকির দিন শেষ?
![]() |
| নুরি আল–মালিকি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমিও লোকসভায় নতুন শিখতে হবে আমাকেও
![]() |
| নরেন্দ্র মোদি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
June
(460)
-
▼
Jun 30
(28)
- উদ্যোগ প্রশংসনীয়, তবে- by আলী ইদ্রিস
- আমি মেসি নেইমার দু’জনেরই ভক্ত- অপু বিশ্বাস
- আইসল্যান্ডে রোজা ২১.৫৭ ঘণ্টা
- রাতে ক্রসফায়ার দিনে পুরস্কার
- মৃত্যুদণ্ড দেশে বিদেশে যুগে যুগে- ধর্মীয় মতামত বিত...
- ওয়ার্ল্ডকাপ হ্যাংওভার
- ব্রাজিলের কোপাকাবানায় অন্য দৃশ্য
- মিডিয়া বনাম শামীম ওসমান by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- গোড়াতেই গলদ by শামীমুল হক
- প্রস্তাবনাগুলো বিবেচনা করবেন কি? by সেখ সোহেল রানা
- ধ্রুপদী জ্ঞানচর্চার শেষ মুঘলের বিদায় by ড. মাহফুজ ...
- নতুন প্রেমিকের খোঁজে মনিকা বেদি
- ইরাক ও সিরিয়ায় ‘ইসলামী রাষ্ট্র’ কায়েমের ঘোষণা বিদ্...
- অবাক কাণ্ড ঘটালেন জ্যাকুলিন
- নির্মম রিকুইজিশন by কাজী সোহাগ
- আ.লীগ ৬৫ বছরে অনেক কিছু অর্জন করেনি, হারিয়েছে
- রোজার ঐতিহাসিক পটভূমি
- মোদির প্রথম ‘অশুভ’ হস্তক্ষেপ
- যে হত্যাকাণ্ড বদলে দেয় বিশ্ব মানচিত্র
- ইরাকে মালিকির দিন শেষ?
- আমিও লোকসভায় নতুন শিখতে হবে আমাকেও
- দুঃসাহসিক যাত্রা
- নীতি ও আদর্শের ঘাটতিই বড় সমস্যা- রাজনীতি কাদের হাতে
- বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চাই- প্রথম...
- সুইস ব্যাংকে আমাদের যত সম্পদ by ফারুক মঈনউদ্দীন
- প্রধানমন্ত্রী যখন ক্ষমা চেয়েও নাকাল by কামাল আহমেদ
- মোদির প্রথম ‘অশুভ’ হস্তক্ষেপ by মিজানুর রহমান খান
- সুষমারা ঢাকা সফর- বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় জনগণই...
-
▼
Jun 30
(28)
-
▼
June
(460)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





