Sunday, March 29, 2015
দুই শিবিরেই নানা হিসাব by কাফি কামাল
শঙ্কায় আওয়ামী লীগ। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোট অংশ নেয়ায় কিছুটা শঙ্কায় পড়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। এ কারণে জীবনপণ লড়াই মানসিকতা নিয়ে অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকরা। গত শুক্রবার গণভবনে আয়োজিত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে এসব প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। বৈঠকে কাউন্সিলর পদে অংশ নিতে আগ্রহী কয়েকজন প্রার্থী বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেয়ার বার্তা পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু সেই বার্তা ভুল প্রমাণ করে তারা অংশ নিচ্ছে। দলীয়ভাবে বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকলেও প্রার্থী দেয়ার ক্ষেত্রে তারা কম প্রার্থী দিচ্ছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান, সূত্রাপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী, সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ ও ওয়ার্ড পর্যায় থেকে আবদুস সালাম ও আসলাম মাস্টার বক্তব্য রাখেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে, নিজেদের মধ্যে নানা বিভেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করেন নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীন সময়ে মাঠ পর্যায়ের নেতারা শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী দল-সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন বলে দলীয় সভানেত্রীকে আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী মহানগর নেতাদের কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থী দেয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে একটি কমিটি করে দেয়া হয়েছে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এ কমিটি প্রার্থী ঠিক করবে।
ভোটারদের ওপর ভরসা বিএনপির
গ্রেপ্তার ও পুলিশি হয়রানির ভয়ে আত্মগোপনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। গ্রেপ্তার আতঙ্কে এলাকাছাড়া তৃণমূল নেতাকর্মীরাও। ঘাড়ের ওপর ডজন ডজন মামলার খড়গ। তাই প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণার সুযোগ নেই তাদের। সক্রিয় সমর্থকরাও নেই স্বস্তিতে। প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী সম্ভাব্য মেয়র ও কমিশনার প্রার্থীরা। এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের কাছে ২০ দলীয় জোট ও জাতীয়তাবাদী ঘরনার বিশিষ্ট নাগরিকদের তরফে কিছু পরামর্শ এবং দাবি জানানো হলেও তার ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং সরকারদলীয় নেতাদের বক্তব্যেও সেসব দাবির ব্যাপারে আশাবাদী হতে পারছে না বিরোধী জোট। ইতিমধ্যে প্রশাসনের অবস্থান পরিষ্কার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘প্রার্থী আসামি হলে ছাড় দেয়া হবে না।’ তবু সিটি করপোরেশন নির্বাচনের লড়াইয়ে থাকছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দল। সক্রিয় নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের ব্যাপারে যেখানে ন্যূনতম নিশ্চয়তা নেই সেখানে কেন আন্দোলন কর্মসূচি শিথিল করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ? এমন প্রশ্ন ও আলোচনা-পর্যালোচনায় মুখর এখন বিরোধী কর্মী-সমর্থকরা। প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে বিরোধী জোট কিভাবে ফলাফল নিজেদের অনুকূলে আনবে এমন কৌতূহল নানা মহলে। কিন্তু বিএনপির শীর্ষ নেতারা এবার হাঁটছেন নতুন কৌশলে। দলের নেতাকর্মীদের চেয়ে এবার সাধারণ সমর্থক এবং ভোটারদের ওপরই বেশি ভরসা করতে চান তারা। বিএনপি ও জোটের একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা এমন দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে সরকারের নানা অনিয়ম, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং মৌলিক অধিকার বঞ্চিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ। তার ওপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে না পারার ক্ষোভও রয়েছে। সুষ্ঠু পরিবেশ পেলে সিটি নির্বাচনের ফলাফলে তার প্রতিফলন দেখা যাবে। নেতারা জানান, ঢাকা সিটিতে বিরোধী নেতাকর্মীরা একেবারেই কোণঠাসা অবস্থানে। সবার ওপর মামলা ঝুলছে। বাড়িতে বাড়িতে পুলিশি তল্লাশি চলছে। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেও নির্বাচনের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে বিএনপি। কারণ এবার কর্মীদের চেয়ে ভোটারদের নীরব ভূমিকার ওপর বেশি আস্থা রাখতে চায় শীর্ষ নেতৃত্ব। ভোটারদের ওপর ভরসা করার প্রাথমিক ইঙ্গিত হিসেবে ঢাকায় নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তৎপরতা শুরু করেছেন বিশিষ্ট নাগরিকদের সংগঠন ‘শত নাগরিক’। চট্টগ্রামে ‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলন’-এর মতো ঢাকায় সুনির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন ঘোষণা দিতে পারে ‘শত নাগরিক’। নাগরিক সমাজের ব্যানারে নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে বিশিষ্ট নাগরিকদের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা হবে। নেতারা জানান, নির্বাচনী পরিবেশের ওপরই সর্বাধিক জোর দেবে ২০ দল। এ নিয়ে শিগগিরই জোটের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু দাবিও তুলে ধরার সম্ভাবনা রয়েছে। শত নাগরিক-এর সদস্য সচিব আবদুল হাই শিকদার বলেন, নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আমাদের সাক্ষাতে আলোচ্য বিষয়গুলো বিএনপি চেয়ারপারসনকে অবহিত করা হয়েছে। ওনার কথা-বার্তায় মনে হয়েছে, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আচরণ পর্যবেক্ষণ করছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন দিয়ে সরকারই ফাঁদে পড়েছে। যে মুহূর্তে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেবে, জনগণ ঢাকা ও চট্টগ্রামের রাস্তায় নেমে আসবে। জেল-জুলুম-গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ হবে না। গ্রেপ্তার করে বিএনপি প্রার্থীদের পরাজিত করা যাবে না। বিএনপিকে ভোট থেকে বিরতও রাখা যাবে না। দলের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচন ও আন্দোলন একই সঙ্গে চলবে। দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানও আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন। সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি না হলে সিটি নির্বাচন বয়কট করবে বিএনপি। এমন সিদ্ধান্ত বিবেচনায় রেখেই নির্বাচনী ট্র্যাকে ছুটতে শুরু করেছে দলটি। সরকার ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া এবং পদক্ষেপ দেখে তারপরই দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনে থাকা না-থাকার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি। বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের চেয়ে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ পাবে কিনা তার ওপরই নির্ভর করবে বিএনপির চূড়ান্ত অংশগ্রহণ বা সরে দাঁড়ানো। এদিকে বিএনপিপন্থি পেশাজীবী নেতারা জানান, এবার সিটি নির্বাচনে কমিশনার প্রার্থীরা একটি বিরাট ফ্যাক্টর হবেন। কারণ প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক সরকার দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থী থাকতে পারে। আর সেটা হলে কেন্দ্রে ভোট কারচুপির সম্ভাবনাও কমবে। যার সুফল পাবে জনসমর্থিত প্রার্থীরা।
নেতারা জানান, ২০ দলীয় জোটের চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার এবং বিরোধী জোটের মধ্যে একটি আস্থার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তৎপর রয়েছেন আন্তর্জাতিক মহলসহ কূটনীতিকরা। আন্দোলনে নানা নৈরাজ্যের ঘটনার দায় বিরোধী দলের ওপর চাপিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে একটি প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে সরকার। সেখানে বিএনপিকে অগণতান্ত্রিক, নির্বাচনবিমুখ এবং জঙ্গি মনোভাবের দল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের সে প্রচারণাকে ভুল প্রমাণ করতে চায় বিএনপি। বিএনপি নেতারা মনে করেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক মহলের সতর্ক পর্যবেক্ষণে থাকবে। এক্ষেত্রে পরিবেশ পেলে ফলাফল নিজেদের অনুকূলে এনে বিএনপি তাদের পক্ষে জনসমর্থনের বিষয়টি প্রমাণের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে তীব্র প্রতিকূল পরিবেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হলে সেক্ষেত্রে আন্দোলনের যৌক্তিক ভিত্তিও সুদৃঢ় হবে। বিএনপি ও জোটের নেতারা জানান, নানামুখী বিচার-বিশ্লেষণের পর সিটি নির্বাচনে ইতিবাচক মনোভাবের বার্তা দিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দল। অবরোধ-হরতালের সমন্বয়ে চলমান আন্দোলন কর্মসূচি থেকে কিছুটা বেরিয়ে এসেছে বিরোধী জোট। অনির্দিষ্টকালের অবরোধের পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে দু’দফায় ৫দিন করে হরতালের যে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছিল ২০ দল সেখান থেকে সরে এসেছে। গত সপ্তাহের শেষ দুদিনের পর চলতি সপ্তাহেও নতুন করে হরতালের ঘোষণা আসেনি ২০ দলের তরফে। নেতারা আশা করেন, হরতাল কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে আসার মাধ্যমে যে ইতিবাচক বার্তা দেয়া হয়েছে সরকার সেটাকে নিশ্চয়ই গুরুত্বের সঙ্গেই নেবে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ, রাজনীতি ও নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নিশ্চয়ই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
চট্টগ্রামে মনজুর আলমের পর ঢাকায় আবদুল আউয়াল মিন্টু ও সর্বশেষ হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর জমে উঠতে শুরু করেছে নির্বাচন। এ দুজনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা কিছুটা উচ্ছ্বসিত ও আশাবাদী। তবে বিএনপি নেতারা জানান, বিকল্প চিন্তা মাথায় রেখে ঢাকার দুই সিটিতে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নির্বাচন নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মনোভাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করবে বিএনপির হাইকমান্ড। পরিস্থিতি অনুকূল না হলে কিংবা সবার জন্য সমান নির্বাচনী মাঠ তৈরি না হলে নেয়া হবে ভিন্ন কৌশল। যদি সরকার নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি না করে, বিরোধী নেতাকর্মীদের সমানভাবে প্রচার-প্রচারণার সুযোগ না দেয়, তাহলে নির্বাচন থেকে সরে এসে আন্দোলনের পথ বেছে নেবে বিএনপি। নির্বাচন থেকে সরে এলেও কৌশলে নির্বাচনে থাকবে দলটি। সেক্ষেত্রে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ঢাকা উত্তরে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক কারাবন্দি মাহমুদুর রহমান মান্না পেতে পারেন অঘোষিত সমর্থন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিকাগোতে অনুষ্ঠিত হলো জিয়াউর রহমান ডে প্যারেড -রাষ্ট্রদূত ও আওয়ামী লীগের বিরোধিতা
পূর্ব নির্ধারিত এ কর্মসূচি বাতিলে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত এম জিয়া উদ্দিন শিকাগোর মেয়রকে চিঠি দেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগও এই অনুষ্ঠানের তীব্র বিরোধীতা করে। এমন বিরোধীতার মধ্যেই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিকাগোর ডেপুটি মেয়র ও ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা অল্ডারম্যান জো মোর বলেন, গণতন্ত্রের জন্য ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ভূমিকা রেখেছেন, সংগ্রাম করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। তার প্রতি সম্মান জানাতেই আমরা এখানে আয়োজনে উপস্থিত হয়েছি। আর এই নীতিমালার ভিত্তিতেই শিকাগো সিটি জিয়াউর রহমান দিবসকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশে চলমান বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যে কোন ব্যক্তির অধিকার রয়েছে অবাধ সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পক্ষে দাঁড়ানো। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা সিটির সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা বলেন, বিএনপি ও জিয়াউর রহমানের ভাবমূর্তি বিনষ্টের জন্য সরকার যতো পদক্ষেপই গ্রহণ করুক না কেন, বাংলাদেশ নামক দেশ যতোদিন থাকবে ততোদিন কেউই জিয়াউর রহমানের নাম পৃথিবীর ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে পারবে না। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার পরই দেশবাসী মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। এটাই প্রকৃত সত্য। বিদেশের মাটিতে জিয়াউর রহমানের স্বীকৃতিতে তাই সরকার ইর্ষান্বিত হয়ে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে । খোকা বলেন, শিকাগো সিটিতে জিয়াউর রহমান ডে প্যারেড উদযাপনের স্বীকৃতি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক বর্তমান সরকারের কর্মকান্ডের কড়া সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। এরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনাশকারী। যে আশা-আকাঙক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছিল সে আশা-আকাঙক্ষা সরকার হত্যা করেছে। তিনি বলেন, এরা নিজেদের আওয়ামী লীগ বলে পরিচয় দেয়, আসলে তারা সশরীরে বাকশাল। আজকের এই আন্দোলন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন, আজকের আন্দোলন একটি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন। জেল-জুলুম যতোই চলুক না কেন এ আন্দোলন চলছে এবং চলবে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রাম যতোদিন পর্যন্ত আদায় না হবে ততোদিন পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। বাংলাদেশী কমিউনিটি অব শিকাগোল্যান্ড এর সভাপতি শাহ মোজাম্মেল নান্টুর সভাপতিত্বে প্যারেড-পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা শরাফত হোসেন বাবু, এশিয়ান হিউম্যান সার্ভিসের সভাপতি আশরাফ আলী, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, দেওয়ান আকমল চৌধুরী, সৈয়দ বদর ইসলাম, শাহ মোসাদ্দেক মিন্টু, জসিম উদ্দন প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘গণতন্ত্র ও সন্ত্রাস সহাবস্থান করে না’

ড. নিলুফার বানুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের সভাপতি একেএমএ হামিদ। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ম হামিদ, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী, স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক রঞ্জন কর্মকার, প্রিপ ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক এরোমা দত্ত, কর্মজীবী নারীর সভাপতি প্রতিমা পাল মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাহেদা আহমদ, প্রকৌশলি ড. এমএ কাশেম, নড়িয়া উন্নয়ন সমিতির নির্বাহী পরিচালক মাজেদা শওকত আলী, কৃষি, শ্রমিক অধিকার মঞ্চের সমন্বয়ক রাহেলা রব্বানী, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মোল্লা। কনভেনশন শেষে সম্মিলিত নাগরিক সমাজের ৪২ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সংগঠনের কমিটি হবে বলে নেতৃবৃন্দ জানান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হিথ্রোতে আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের হাতাহাতি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্থিতিশীলতার দ্বারপ্রান্তে by রাজা রুমি
সাম্প্রতিক অস্থিরতার শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে। সে নির্বাচন বিরোধীদের বর্জন সত্ত্বেও অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর ফলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। উল্লেখযোগ্য বিরোধী দল বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামীর দাবি ছিল, দলনিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রশাসনের অধীনেই নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে একতরফা নির্বাচনী চর্চার দিকেই এগিয়ে যান হাসিনা, যার ফলে তিনি সহজেই আরেকবার ক্ষমতায় আরোহণ করেন।
নির্বাচন থেকে অস্থিরতার দিকে: গত ৫ই জানুয়ারি ছিল ২০১৫ সালের নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূর্তি। দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দেশব্যাপী আন্দোলনের ডাক দেয় বিরোধীরা। সরকার বেশ শক্ত হাতে প্রতিক্রিয়া দেখায় বিরোধী কর্মীদের গ্রেপ্তার ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধকরণের মাধ্যমে। এর পাল্টা হিসেবে বিরোধীরা দেশব্যাপী লাগাতার অবরোধ আহ্বান করে। সেই থেকে বিরোধীদের আন্দোলন ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পাল্টা আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় নিজের কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করে রাখে সরকার। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার গতিও ত্বরান্বিত করতে শুরু করে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী নেতাদের ওপর মামলা ঝুলে আছে। এতে দলটিও রয়েছে বেকায়দায়। জানুয়ারি থেকে প্রায় ৭ হাজার বিরোধী কর্মী ও সমর্থকদের আটক করেছে পুলিশ। শতাধিক মানুষ রাজপথে সংঘর্ষে, পেট্রলবোমা হামলায় নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে প্রায় ২০ জনের মতো বিরোধী কর্মীকে বিচারবহির্ভূত উপায়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ খুবই উদ্বিগ্ন। সর্বশেষ এমন রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল ২০০৭ সালে, যখন সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ করেছিল। ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ নুরুল আমিন বলেন, উভয় শিবিরের কট্টরপন্থিরা কোন ছাড় দিতে রাজি নন। একই কথা বলছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সংস্থাটি বলছে, দলীয় স্বৈরাচারের মতো আচরণ করছেন দুই নেত্রী, যারা গোটা দেশকে দুটি যুদ্ধংদেহী শিবিরে বিভক্ত করছেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, কিছু বিরোধী দলের কর্মীর সহিংস অপরাধের দরুন সরকারের হত্যাকাণ্ড, অন্যায়ভাবে আটক ও হতাহতের ঘটনাসমূহকে যৌক্তিকতা প্রদান করে না।
অর্থনৈতিক ও সরকারি দুর্দশা: বাংলাদেশের এ রাজনৈতিক হাঙ্গামার মধ্যে অবরোধ, সহিংসতা ও অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি আঘাত এসেছে প্রতি বছর ২৪০০ কোটি ডলারের পোশাকশিল্পের ওপর। ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) জানিয়েছে, পোশাকশিল্প ইতিমধ্যেই ৩৯০ কোটি ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। অন্যদিকে খুচরা খাতের ক্ষতির পরিমাণ ২১০ কোটি মার্কিন ডলার। সম্প্রতি সপ্তাহে কৃষকরা নিজেদের পণ্য অবরোধের কারণে বিভিন্ন শহরে নিয়ে যেতে পারেননি। ফলে কৃষি খাতে ক্ষতি হয়েছে ৫৩.৩ কোটি ডলার। আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং প্রতিষ্ঠান মুডিস দেশটির ক্রেডিট রেটিং কমিয়ে দিয়েছে অব্যাহত রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে। দেশটি যে অর্থনৈতিক সফলতা অর্জন করেছে, তা আংশিকভাবে হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, যদি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকে। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া বর্তমান প্রবৃদ্ধি ছোট ঘাটতির দিকে রূপান্তরিত হতে পারে। গত কয়েক মাসে পরিবহন খাত বলতে গেলে বন্ধই ছিল। এর ফলে বাধাগ্রস্ত হয়েছে বেসরকারি বিনিয়োগ ও রপ্তানি কার্যক্রমও। গত দুই দশকে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে উন্নতি করা সত্ত্বেও দেশটির রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা এখনও বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে। এটি এখনও কর্তৃত্বপরায়ণ, বংশানুক্রমিক ও ব্যক্তিচালিতই রয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই, সংসদ ও সুপ্রিম কোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের অমার্যাদাই হয়ে উঠলো ফলাফল। বিরোধীদের অভিযোগ, আদালতও আওয়ামী লীগের বিশ্বস্তদের দিয়ে পূরণ করা হয়েছে গত ছয় বছর। সত্য কথা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়ই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে কেবল নিজেদের বিশ্বস্তদেরই নিয়োগ দিয়েছে। এর ফলে আমলাতন্ত্রেও দলীয় বিভাজন ঢুকে গেছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন বড় ধরনের রাজনৈতিক ও সরকারি সংস্কার। এ ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনেও নতুন পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। এর আগেরবার সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একটি বিধান ছিল, যেটি বর্তমান সরকার বিলুপ্ত করে দিয়েছে।
এরপর কি?: গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সহিংসতার ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পদ্ধতি দুই অহংচালিত নারীর কাছে জিম্মি, যাদের রয়েছে বিপুল সমর্থক। আরেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, সামরিক বাহিনী কোন হস্তক্ষেপ ছাড়া নীরবভাবে সবকিছুর দর্শক হওয়াটাই বেছে নিয়েছে। হাসিনার প্রথম মেয়াদে সংবিধানকে ধর্মনিরপেক্ষ করা হয়েছে।
দেশটিতে রাজনৈতিক সহিংসতার ধরন সুস্পষ্ট। সাধারণত নির্বাচনের আগে আগে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সহিংসতা মাত্রা ছাড়িয়েছে। এমনকি এখন আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক কাঠামোর প্রতিও এটি হুমকিস্বরূপ। হাসিনা সমপ্রতি খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, তিনি সামরিক বাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতায় ফিরতে চান। তবে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা তিনি উড়িয়ে দেন। অন্যদিকে বিরোধী দলের অভিযোগ, সহিংস কৌশল অবলম্বন করে সামরিক বাহিনীকে হস্তক্ষেপের সুযোগ দিয়েছেন বরং হাসিনা। সরকারের কাছে যে একমাত্র অবশিষ্ট উপায়টি রয়েছে, তাহলো, রাজনৈতিক সংলাপের আয়োজন করা ও বিরোধীদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। বর্তমান শাসক দলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ভারতেরও ঢাকাকে বিরোধীদের সঙ্গে রাজনৈতিক সহাবস্থানের উপায় খোঁজার পরামর্শ দেয়া প্রয়োজন। অন্যথায় আরেকটি অচলাবস্থার সম্ভাবনা রয়েই যায়। বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার ইউরোপীয় ইউনিয়নও ঢাকার কর্তৃপক্ষকে বলতে পারে, রাজপথে লড়াইয়ের বদলে রাজনৈতিক খেলোয়াড়দের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে। বর্তমান অবস্থা থেকে পরিত্রাণে রাজনৈতিক পদক্ষেপের অনুপস্থিতি থাকলে, বাংলাদেশ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দ্বারপ্রান্তে থেকেই যাবে।
লেখক: ওয়াশিংটনভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ন্যাশনাল এনডাওমেন্ট ফর ডেমোক্রেসির একজন ভিজিটিং ফেলো এবং দ্য ফ্রাইডে টাইমসের কনসাল্টিং এডিটর। গতকাল ফরেইন পলিসি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত লেখার অনুবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৬০ ভাগ নলকূপে পানি না পাওয়ার শঙ্কা
![]() |
| খুলনায় ভূ–গর্ভস্থ পানির স্তর নামছে |
খুলনা ওয়াসা সূত্রে জানা যায়, নগরের ১৫ লাখ মানুষের প্রতিদিনের পানির চাহিদা ২৪ কোটি লিটার। এর পুরোটাই ভূ-গর্ভ থেকে উত্তোলন করা হয়। এর মধ্যে ওয়াসা ৮৩টি উৎপাদক নলকূপের মাধ্যমে প্রতিদিন ১০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করে। বাকিটা নগরবাসী হস্তচালিত নলকূপ ও নলকূপে পাম্প লাগিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে উত্তোলন করে।
চলতি মৌসুমে ওয়াসা পরিচালিত গত কয়েক মাসের জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত বছরের আগস্ট মাসে নগরে পানির গড় স্তর ছিল ১৬ থেকে ১৯ ফুটের মধ্যে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তা নেমে ১৯ থেকে ২৪ ফুটে দাঁড়ায়। আর মার্চের মাঝামাঝিতে তা কোথাও কোথাও ২৭ থেকে ২৮ ফুটে নেমেছে। ওয়াসার প্রকৌশলীরা বলছেন, এর মধ্যে বৃষ্টি না হলে আগামী এপ্রিলে কোথাও কোথাও পানির স্তর ৩০ ফুটের নিচে নেমে যেতে পারে।
পানির স্তর পরিমাপের জন্য ওয়াসার নিয়মিত জরিপ এলাকা ৭০টি। এর মধ্যে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে পরিচালিত জরিপের ফলাফল বলছে, নগরের পিটিআই মোড়, নিরালা শিশুপার্ক, সোনাডাঙা ট্রাক টার্মিনাল, খালিশপুর ও মুজগুন্নী এলাকায় পানির স্তর গড়ে ২৫ ফুটে নেমে এসেছে। ২০ থেকে ২৪ ফুটের মধ্যে রয়েছে এমন এলাকার সংখ্যা ২০টিরও বেশি।
এ বিষয়ে খুলনা ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ডি কামালউদ্দিন বলেন, সাধারণত পানির স্তর ২৬ ফুটের নিচে নামলে হস্তচালিত নলকূপ থেকে পানি ওঠে না। আর যদি তা ৩০ ফুটের নিচে নেমে যায়, তাহলে বাসা-বাড়িতে মোটর দিয়ে পানি ওঠানোও অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাঁর আশঙ্কা, বৃষ্টি না হলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে নগরের ৬০ ভাগ হস্তচালিত নলকূপ অকার্যকর হয়ে পড়বে। গত বছর এ সময়টায় বৃষ্টি না হওয়ায় নগরের ২৭টি এলাকায় পানির স্তর স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক নিচে ছিল।
নগরের শেখপাড়া এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মোটর দিয়ে এখনই তাঁরা পানি বেশি পাচ্ছেন না। পানি আসার গতিও ধীর। সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে জানা যায়, কিছু কিছু হস্তচালিত নলকূপ দিয়ে পানি আসছে না।
আসন্ন এই সংকট মোকাবিলায় স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত সময় পাম্প চালানো, ওয়াসার নিজস্ব ১০ হাজার হস্তচালিত নলকূপ মেরামত ও নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজনসহ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নতুন উৎপাদক নলকূপ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘বিষয়টিকে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে দেখছি। দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে এনে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য মধুমতী নদী থেকে পানি এনে তা পরিশোধন করে নগরবাসীর মধ্যে সরবরাহের জন্য খুলনা ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট নামের একটি প্রকল্প চলমান আছে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমরাস্ত্রে সবচেয়ে সমৃদ্ধ সৌদি সেনা
সশস্ত্র বাহিনীতে মোট সদস্য : ২ লাখ ২৭ হাজার
সেনাবাহিনী : ৭৫ হাজার
বিমান বাহিনী : ২০ হাজার
নৌ-বাহিনী : ১৩ হাজার ৫শ’
বিমান প্রতিরক্ষা : ১৬ হাজার
ক্ষেপণাস্ত্র তত্ত্বাবধান : ২৫শ’
ন্যাশনাল গার্ড : ১ লাখ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লি কুয়ানের শেষকৃত্যানুষ্ঠান আজ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মধ্যপ্রাচ্যে একনায়কতন্ত্রই কি ভালো ছিল?
২০১১ সালের আগে মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের চেয়ে স্থিতিশীলতা বেশি মূল্যবান ছিল। দশকের পর দশক ধরে আরব একনায়তন্ত্র সহ্য করা হয়েছে, কারণ তারা পশ্চিমাদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে দিয়েছিলেন। মিসরে হোসনি মোবরককে ইসরাইলের সঙ্গে শান্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছিল। লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফি সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও বাণিজ্যচুক্তিতে রাজি ছিলেন। সিরিয়ার বাশার আল আসাদকে গোলান হাইটস নিরাপত্তার রক্ষক বিবেচনা করা হয়েছিল। আর ইয়েমেনের আলী আবদুল্লাহ সালেহ ছিলেন আল কায়দাবিরোধী মিত্র। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ কিংবা মানবাধিকার কর্মীদের ততটা উচ্চবাচ্য ছিল না। এ অবস্থা দেখে পশ্চিমা বিশ্ব খুশি ছিল তাদের স্বার্থ অনন্তকাল নিরাপদ। বিনিময়ে আরবের একনায়করা পশ্চিমাদের আর্থিক ও সামরিক সহায়তা পেতেন। নিজেদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের নিশ্চয়তাও পেতেন। এর মধ্যে ইয়েমেন ছিল গতিশীল চুম্বক। সালেহর ব্যক্তিস্বার্থে করা নানা উচ্চাভিলাষী অপকর্মের অন্ধ সমর্থন করতেন পশ্চিমা কূটনীতিকরা। অস্ত্র চোরাকারবারি থেকে ব্যবসায়িক পার্টনারও ছিলেন তিনি। অথচ ইয়েমেনের অধিকাংশ জনগণ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। সালেহর আবেদন আরও বেড়ে যায়, যখন আরব উপদ্বীপে আল কায়দার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলা চালানোর সুযোগ দিয়েছিলেন। একনায়কতান্ত্রিক বাস্তবতা উল্টে গেল যখন আরব বসন্ত শুরু হল। পশ্চিমা বিশ্ব তা উপেক্ষা করতে পারিনি। প্রকাশ্যে তারা বিপ্লবকে সমর্থন দিল। কিন্তু একনায়কতন্ত্র পরবর্তী অবস্থা সামলানোর মতো দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ঠিক করতে পারেনি। বর্তমান অরাজকতার জন্য দায় তাই পশ্চিমাদেরই। লিবিয়াকে স্থিতিশীল করার স্পষ্ট কোনো ভিশন ছাড়াই তড়িঘড়ি করে তারা আন্তর্জাতিক সামরিক অপারেশন চালালো। যার পরিণতিতে এখন ধুঁকে ধুঁকে মরছে দেশটি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমি ভারতীয় ছবির পক্ষে নই
**মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর তোমার প্রেমে পড়েছি, মনতাজুর রহমান আকবরের আগুনের চোখে প্রেম, মাসুম পারভেজ রুবেলে মিশন সিক্স, লেলিন হায়দারের মিশন সিআইডি ছবিগুলোর শুটিং নিয়েই এ মুহূর্তে ব্যস্ত আছি। পাশাপাশি বুলবুল বিশ্বাসের রাজনীতি ও বদিউল আলম খোকনের নাম ঠিক না হওয়া একটি ছবির শুটিংয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
*সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির ফলাফল কী?
**সর্বশেষ আমার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল ‘সীমাহীন ভালোবাসা’। ছবিটি দর্শক বেশ ভালোভাবেই গ্রহণ করেছে। তবে তার চেয়ে বেশি রেসপন্স ছিল মমর সঙ্গে ‘প্রেম করবো তোমার সাথে’ ছবিতে। এ ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাকিবুল আলম রাকিব। একেবারে ব্যতিক্রমী একটি ছবি ছিল এটি। বিশেষ করে বাণিজ্যিক ছবিতে এটাই ছিল মমর প্রথম অভিনয়।
*আপনাদের হিন্দি ছবির বিরুদ্ধে আন্দোলনের খবর কী?
**আমাদের আন্দোলন ফলপ্রসূ হয়েছে। আমি বলব আমরা সাকসেস। কারণ আন্দোলনের কারণে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আমাদের ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তখন আমাদের নিশ্চিত করা হয়েছে, যে কটি (১১টি) ছবি আগে আইনের ফাঁকফোকর গলে আমদানি করা হয়েছিল সেগুলো প্রদর্শিত হওয়ার পর আর নতুন কোনো হিন্দি ছবি আমদানি করা হবে না।
*কিন্তু ভারতীয় বাংলা ছবির ক্ষেত্রে তো কোনো বাধ্যবাধকতা দেয়া হয়নি।
**ভারতীয় বাংলা ছবির ক্ষেত্রে আমরা দাবি করেছি, যৌথ প্রযোজনার ছবি হলে বাংলাদেশে চলতে পারবে। এছাড়া এককভাবে কলকাতায় নির্মিত কোনো ভারতীয় বাংলা ছবি প্রদর্শন করা যাবে না।
*আপনাদের এ দাবি কি মেনে নেয়া হয়েছে?
আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এ ব্যাপারেও আশ্বাস দেয়া হয়েছে।
*বর্তমানে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলা দিয়ে বাংলাদেশীদের মধ্যে যে ভারতবিদ্বেষী মনোভাব তৈরি হয়েছে সেটা কী ভারতের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনার ছবির ওপর প্রভাব ফেলবে না? কিংবা দর্শকরা আপনাদের বয়কট করবে না?
**দেখুন, আমি ব্যক্তিগতভাবে ভারতীয় ছবির পক্ষে নই। আমার দেশে যে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে তার ডেভেলপ করে মানসম্মত ছবিতে অভিনয় করার পক্ষপাতী আমি। অন্যের দ্বারস্থ হয়ে তারকাখ্যাতি অর্জন করার কোনো ইচ্ছে আমার আগেও ছিল না, এখনও নেই। সুতরাং যৌথ প্রযোজনার ছবি দর্শক যদি বয়কট করে তাহলে সেটা আর নির্মিত হবে না। সবকিছু সময়ের ওপর ছেড়ে দেয়া ভালো।
আনন্দনগর প্রতিবেদক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফাইনাল হবে উপভোগ্য
প্রশ্ন : বিশ্বকাপের ফাইনাল কাল। আপনি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন। অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কেও ধারণা রয়েছে আপনার। রোববারের ফাইনালে আপনি কাকে এগিয়ে রাখছেন?
সৌম্য : অস্ট্রেলিয়া সুবিধা পাবে। তবে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। নিউজিল্যান্ড জিতলে খুশি হব।
প্রশ্ন : কে ব্যবধান গড়ে দিতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
সৌম্য : অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিংয়ে অনেক ভালো। বোলিংয়েও এগিয়ে।
প্রশ্ন : নিউজিল্যান্ডের সাউদি ও বোল্টকে কেমন দেখলেন?
সৌম্য : নিঃসন্দেহে তারা ভালো। ফাইনালেও তারা ভালো করবেন আশা করি।
প্রশ্ন : মেলবোর্নের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলুন। সেখানে আপনি খেলেছেন।
সৌম্য : মেলবোর্ন অনেক বড় মাঠ। প্রায় ৯০ হাজার দর্শক হয়। ফাইনাল উপভোগ্য হবে।
প্রশ্ন : অস্ট্রেলিয়ার স্টার্ক ও জনসন ব্যবধান গড়ে দিতে পারবেন?
সৌম্য : স্টার্ক ভালো করলেও জনসন এবার খুব একটা ভালো করেননি। তবে জনসন জ্বলে উঠলে অস্ট্রেলিয়া ভালো ফল পেতেও পারে।
প্রশ্ন : অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের কনডিশনে কতটা পার্থক্য?
সৌম্য : পার্থক্য তেমন নেই। উইকেট ও আবহাওয়া প্রায় একই। তবে নিউজিল্যান্ডের উইকেটে বল মুভ করে অস্ট্রেলিয়ায় ততটা না।
প্রশ্ন : অস্ট্রেলিয়ার ওয়ার্নার এবং ম্যাক্সওয়েল নিউজিল্যান্ডের জন্য কতটা হুমকি হতে পারেন বলে মনে করেন আপনি?
সৌম্য : দু’জনই বিপজ্জনক খেলোয়াড়। তাদের মোকাবেলা করা কঠিন।
প্রশ্ন : অস্ট্রেলিয়াকে রুখতে হলে নিউজিল্যান্ডকে কী করতে হবে?
সৌম্য : ভালো বল সবসময়ই ভালো। নিউজিল্যান্ড যদি তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারে, তাহলে ফলাফল তাদের অনুকূলে যাবে।
প্রশ্ন : নিউজিল্যান্ডের ম্যাককালামের ভূমিকা কেমন হতে পারে?
সৌম্য : নিউজিল্যান্ড অবশ্যই শক্তিশালী দল। আর ম্যাককালাম তো খুবই শক্তিশালী একজন খেলোয়াড়। তিনি ভালো খেলবেন।
প্রশ্ন : নিউজিল্যান্ডের সব মাঠ ছোট। মেলবোর্ন বিশ্বের অন্যতম বড় মাঠ। এতে নিউজিল্যান্ড কি সমস্যায় পড়তে পারে?
সৌম্য : মেলবোর্ন বড় মাঠ বটে। খেলাও হবে উপভোগ্য। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের মাঠ ছোট বলে তারা তেমন কোনো সমস্যায় পড়বে বলে মনে হয় না। মাঠ কোনো ফ্যাক্টর নয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উচ্চশিক্ষার্থে যেখানেই যাও দেশে ফেরত এসো
![]() |
| রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী জাতীয় ইনডোর স্টেডিয়ামে গতকাল ডেইলি স্টার আয়োজিত ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন l প্রথম আলো |
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী জাতীয় ইনডোর স্টেডিয়ামে গতকাল শনিবার ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনেরা এ কথা বলেন। ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। এ নিয়ে ১৬তম বারের মতো ইংরেজি মাধ্যমের কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ডেইলি স্টার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বর্তমানে শিক্ষা ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের থেকেও এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকতে পারে কিন্তু আমাদের নতুন প্রজন্ম মেধার দিক থেকে দরিদ্র নয়। নতুন প্রজন্মকে নৈতিক মূল্যবোধ, সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের শিক্ষায় গড়ে উঠতে হবে।’
এবারের আয়োজনে ডেইলি স্টার ১ হাজার ৭৫৯ জন শিক্ষার্থীকে শ্রেষ্ঠত্বের প্রশংসাপত্র ও মেডেল দিয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।
ডেইলি স্টার-এর প্রকাশক ও সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহনশীলতা, অংশগ্রহণ, কৌতূহলের মতো কিছু গুণাবলি গড়ে তোলার দায়িত্ব পরিবারের। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে দেশেই থাকতে হবে তা নয়। বিশ্বের যেকোনো স্থানে থেকে দেশের সেবা করা যায়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, বিএএফ শাহিন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টিউটোরিয়ালস ও স্কলাসটিকা।
অনুষ্ঠানের প্রায় শেষ সময়ে মঞ্চে এলেন সাকিব। শিক্ষার্থীদের দেশের প্রতি দায়িত্ববান হওয়ার পরামর্শ দিলেন জাতীয় দলের এই সদস্য।
অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট উইনিংটন গিবসন, ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, মালয়েশিয়ার মনাশ ইউনির্ভাসিটির স্কুল অব সায়েন্সের সাদেকুর রহমান, এডেক্সেল এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক সায়মন ইয়াং, ইনডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম ওমর রহমান, মাইক্রোসফট মোবাইল ডিভাইসের এমার্জিং এশিয়ার মহাব্যবস্থাপক সন্দ্বীপ গুপ্তা বক্তব্য দেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক তৈরিতে মেরন সান অবদান রাখছে -স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল
নগরীর মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ এর চকবাজার ক্যাম্পাস-এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুুষ্ঠান গত ২৬ মার্চ প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ কর্তৃক অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পরপরই শুরু হয় ক্ষুদে শিল্পীদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। তিনদিন ব্যাপি আয়োজিত ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সমাপনী দিন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় পুলিশ কমিশনার মোহাঃ আবদুল জলিল মণ্ডল বিপিএম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মিজানুর রহমান চৌধুরী, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী) শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ, সহকারী পুলিশ কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন, বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসীন, চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আতিক আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মা, শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ- এর কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহিলা কাউন্সিলর শাহেদা কাসেম সাথী, কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক শাহনাজ পারভীন, চকবাজার ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল, চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ নুর কাসেম তালুকদার, চিফ একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর শিহাব ইকবাল প্রমুখ। আলোচনা সভার পর আমন্ত্রিত অতিথি ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে আকর্ষণীয় বেলুন ফোলানো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং অনুষ্ঠান শেষে ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে মাননীয় প্রধান অতিথি পুরস্কার তুলে দেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন- “প্রতিটি শিক্ষার্থীর লক্ষ্য হতে হবে সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠা এবং এজন্য কেবল ক্লাসে নয়, জীবনেও প্রথম হতে হবে। পিতা-মাতা ও শিক্ষককে মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে মেধা ও মননের বিকাশ ঘটাতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে, মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য অজিত হবে এবং মিশন ২০২১ এর সফল বাস্তবায়ন ঘটবে। স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক তৈরিতে মেরন সান অবদান রাখছে।” শিক্ষার্থীদের সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারে তিনি শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং নিজ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ বলেন, “শিক্ষার্থীরা যদি অন্তরে এই বিশ্বাস ধারণ করে যে, তারা পারবেই, তাদেরকে পারতেই হবে, তাহলে ব্যর্থতা কখনো তাদের জীবনে আসতে পারবে না। এই বিশ্বাসের জোরেই নিরস্ত্র বাঙালিরা সশস্ত্র পাকহানাদারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ও বিজয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছিল।” আলোচনা সভা শেষে শুরু হয় মেরন সান সাংস্কৃতিক স্কোয়াডের অংশগ্রহণে নাচ, গান, কৌতুক ইত্যাদিতে সমৃদ্ধ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন শিক্ষক পঞ্জক দাশ, শওকত ওসমান ও শিক্ষিকা স্বপ্না রাণী দত্ত। অনুষ্ঠানে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ-এর সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন। About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাপের মুখে গণমাধ্যম by সুমিত গালহোত্রা
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে হারিয়ে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় ফেরেন। এ দুই নেত্রীকে প্রায়ই গণমাধ্যমে ‘ব্যাটলিং বেগমস’ আখ্যা দেয়া হয়। ১৯৯০ সালে ১৫ বছরের সামরিক শাসনের সময়কাল সমাপ্ত হওয়ার পর থেকে তারা পালাবদল করে ক্ষমতায় এসেছেন। গত বছর হাসিনার পুনঃনির্বাচন বর্জন করে বিএনপি ও অন্যান্য দলগুলো। এটা নতুন করে রাজনৈতিক নাটকীয়তায় যোগ হয়েছে। হাসিনার প্রতিপক্ষরা দাবি করে নির্বাচনে বৈধতার অভাব ছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ করে দিতে তারা হাসিনার পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন।
অনেক সাংবাদিক আমাকে বলেছেন, এর পর থেকে রাজনৈতিক পরিবেশের অবনতি হয়েছে। বাংলাদেশের অন্যতম সর্বাধিক প্রচারিত ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘সংসদে সত্যিকারের কোন বিরোধী দল না থাকায় সরকারের ওপর সংসদের এখন কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। আর বিচার ব্যবস্থা প্রসঙ্গে বলতে গেলে, নিম্ন আদালতগুলো সরকারের আঙুলের নিচে রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সত্যিকারের কোন ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণ নেই যা হাসিনা ও খালেদাকে চরম ক্ষমতাধর করে তুলেছে। এসব ক্ষমতার লাগাম টেনে ধরতে গণমাধ্যমের টিকে থাকা।’
বিরোধী গণমাধ্যমগুলো টার্গেট করার পর এবং ক্ষমতার দৃশ্যপট থেকে রাজনৈতিক বিরোধীদের কার্যত নির্মূল করার পর হাসিনা সরকারকে চ্যালেঞ্জ এবং সমালোচনা করতে পারে এমন সর্বশেষ যেসব প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে তার মধ্যে একটি হলো স্বাধীন গণমাধ্যম। বাংলাদেশে সেটা মানুষের সামনে মূলত আসে টেলিভিশনের সংবাদ এবং সংবাদপত্রের মাধ্যমে। বিবিসির মতে বাংলাদেশে টিভি এখনও সব থেকে জনপ্রিয় মাধ্যম। আর বাংলা ভাষী পত্রিকাগুলো বড় নেতৃত্বের গৌরব করে- এসব পত্রপত্রিকাগুলো কখনও কখনও নানারকম এবং রাজনৈতিকভাবে মেরুকরণ রয়েছে। বাংলাদেশের পৌঁছুনোর প্রাক্কালে দেশটির অন্যতম প্রচারিক বাংলা দৈনিক প্রথম আলোর একটি মতামত-সম্পাদকীয়তে দেখলাম বলা হয়েছে, ‘সরকার তাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আর দায়িত্ব ছুঁড়ে ফেলেছে। এটা একটি কর্তৃত্বপরায়ণ পুলিশ রাষ্ট্রের ন্যায় আচরণ করছে। শাসকরা বিরোধীদের রাজনৈতিক অধিকার সম্পূর্ণ সঙ্কুচিত করে ফেলার মাধ্যমে তাদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলতে চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তার করছে। ঢালাওভাবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে। আর ক্রসফায়ারের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। সঙ্কট সমাধা হওয়ার পরিবর্তে আরও গভীরে পতিত হচ্ছে।’
যে দিন সকালে আমি ঢাকা পৌঁছাই বিএনপি দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয়। কয়েক দিন ধরে তা চলে। এসব হরতাল প্রায়ই শহর বা দেশের বিভিন্ন অংশ বন্ধ করে দিয়ে পালন করা হয়। এর সঙ্গে চলে সহিংস প্রতিবাদ। এ দফায় বাসে পেট্রলবোমা আর রাজপথ সহিংসতার প্রাত্যহিক খবর আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিনিদের শহরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে নিরাপদে থাকতে পরামর্শ দিয়ে সতর্কতা ইস্যু করে।
উত্তেজনাকর এ সময়ে আমি যেসব সাংবাদিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি তারা যেসব চাপের মুখে রয়েছে সেসব কথা বলেছেন। প্রথম আলোর এক প্রতিনিধি এবং সিপিজের ২০০২ সালের ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড জয়ী টিপু সুলতান বলেন, আমাদের দেশ বিভক্ত। আওয়ামী লীগকে যারা সমর্থন করেন না তারা হুমকির মুখে রয়েছেন। প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের সঙ্গে সকালের নাস্তার টেবিলে আলোচনা হয়। তার পত্রিকার চ্যালেঞ্জগুলো তিনি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতার জন্য পরিবেশ একেবারেই বন্ধুভাবাপন্ন নয়। বর্তমান সরকার মনে করে স্বতন্ত্র গণমাধ্যম তাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে।’ তিনি দাবি করেন, তার কর্মীদের প্রায়ই গোয়েন্দারা অনুসরণ করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বিভিন্ন অংশে মতিউর রহমান এবং তার কর্মীদের বিরুদ্ধে কয়েক ডজন মামলার কাগজপত্র দেখান তিনি। এসব মামলায় মানহানি থেকে শুরু করে আদালত অবমাননার অভিযোগ রয়েছে। মি. রহমান ব্যাখ্যা করলেন, সাধারণত এসব অভিযোগের বর্ণনা প্রায়ই একইরকম হয়ে থাকে। আর মামলার বাদীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছিলেন সরকারি আইনজীবী, আওয়ামী লীগ সমর্থক বা গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য।
ঢাকাভিত্তিক বৃটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানের সাম্প্রতিক ঝঞ্ঝাটেও একই ধারা প্রতিফলিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রায়ের খবর সিপিজে প্রতিবেদনে আসে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে। বার্গম্যান আমাকে বলেন, ‘আইনি ব্যবস্থা নিতে সরকার সুযোগ খুঁজছে। সরকার এ যুক্তি দেখাতে পারে না যে তারা নয় আদালত এটা করছে। বেসরকারি ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রতিনিধি বার্গম্যান। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ওয়ার ক্রাইম ট্রাইবুন্যাল শীর্ষক একটি ব্লগ লেখেন। এতে ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া ও আদালত নিয়ে সমালোচনামূলক রিপোর্ট লেখেন তিনি। বার্গম্যান জানান, তাকে ৫০০০ টাকা জরিমানা বা ৭ দিনের কারাদণ্ড দেয় আদালত। তিনি ওই জরিমানা পরিশোধ করেন। বার্গম্যানের বিরুদ্ধে রায় নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে একটি বিবৃতিতে যেসব ব্যক্তিবর্গ, একাডেমিকস এবং পেশাদার ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন এবং আদালত অবমাননা আইনের সংস্কার আইনের আহ্বান জানিয়েছিলেন তাদের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা বা আদালতে হাজির হতে বাধ্য করা হয়। আমার সফরের সময় এ ঘটনা ঘটে। জানুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত স্বাক্ষরকারীদের কাছ থেকে তাদের বিবৃতির বিষয়বস্তুর ব্যাখ্যা চান। এপ্রিল মাসে আদালতের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হাসিনার সরকার গত দুবছর ধরে কিভাবে বিরোধী গণমাধ্যমকে নিশ্চুপ করিয়েছে সিপিজে তা নথিভুক্ত করেছে। ২০১৩ সালের এপ্রিলে বেসরকারি আমার দেশ দৈনিকের বিরোধীপন্থি সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধর্মীয় উত্তেজনা সৃষ্টিকারী মিথ্যা ও অবমাননাকর তথ্য প্রকাশের অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও আনা হয় রাষ্ট্রদোহিতা এবং বেআইনি প্রকাশনার অভিযোগ। প্রায় দুবছর ধরে কারান্তরীণ রয়েছেন তিনি। এদিকে তার বিচার চলছে। ২০১৩ সালের মে মাসে পুলিশ দিগন্ত টিভি এবং ইসলামিক টিভি স্টুডিওগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়। বিভ্রান্তকারী তথ্য সম্প্রচারের অভিযোগে চ্যানেলগুলোকে বন্ধ করে দিতে বাধ্য করা হয়। উভয় চ্যানেল তাদের কভারেজে ছিল বিরোধীপন্থি। এখনও চ্যানেল দুটি বন্ধ রয়েছে।
সরকার এছাড়াও গত বছর একটি সম্প্রচার নীতিমালা উপস্থাপন করে যেখানে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এমন কোন বিষয়বস্তু সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। একইসঙ্গে বাধ্যতামূলক করা হয় সরকারের দৃষ্টিতে জাতীয় গুরুত্ববহ অনুষ্ঠানগুলোর সম্প্রচার; উদাহরণস্বরূপ সরকারি নেতাদের বক্তব্য। নীতিমালা এখনও বাস্তবায়ন না হলেও, আমি যেসব সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি তাদের মতে এটা বার্তা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ইচ্ছার ইঙ্গিত।
জানুয়ারি মাসে বেসরকারি টিবি চ্যানেল একুশে টিভির মালিক আবদুস সালামকে গ্রেপ্তারেও সরকারে এ ইচ্ছা স্পষ্ট হয়েছে। তাকে বানোয়াট অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। খালেদা জিয়ার লন্ডনপ্রবাসী ছেলে এবং দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য সম্প্রচারের পর উত্তাপ অনুভব করতে শুরু করে চ্যানেলটি। সংবাদ প্রতিবেদনগুলো অনুযায়ী তারেক তার বক্তব্যে হাসিনা-নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাতের আহ্বান জানান।
১৮ই ফেব্রুয়ারি হাসিনা সংসদে দ্য ডেইলি স্টারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন। নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামপন্থি দল হিজবুত তাহরিরের একটি পোস্টারের ছবি প্রকাশ করার পর এ হুমকি দেন হাসিনা। ওই ছবির সঙ্গে শিরোনাম ছিল: ‘ফ্যানাটিকস রেইজ দেয়ার আগলি হেডস এগেইন’। ছবির ক্যাপশনে অংশবিশেষ হলো: দেশের রাজনৈতিক সঙ্কট ও সহিংসতার সুযোগ নিয়ে সশস্ত্রবাহিনীর মধ্যে অস্থিরতা উসকে দেয়ার প্রচেষ্টায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামি সংগঠন হিজবুত তাহরির রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পোস্টার ছেপে লাগিয়েছে।
হাসিনা অভিযোগ করেন যে ডেইলি স্টার ওই জঙ্গি গ্রুপকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে এবং তাদের বার্তা প্রচার করছে। সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয় সংসদে হাসিনা বলেন, হিজবুত তাহরিরের পোস্টার পেপারে ছাপিয়ে তাদের যারা সহায়তা করছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেব। তারা ইতিবাচকভাবে লিখেছে নাকি নেতিবাচকভাবে লিখেছে আমার কিছু এসে যায় না। কিন্তু ওই পোস্টারের ছবি ছাপিয়ে যেটা কোন মনোযোগই কাড়তো না, পত্রিকাটি জঙ্গি উদ্দেশে সহায়তা করেছে।
দুদিন পর পত্রিকাটির সম্পাদক প্রথম পাতার মতামত সম্পাদকীয়তে লিখেছেন, আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি অবিবেচনাপ্রসূত। আর যা বলা হয়েছে তা যদি বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে বাংলাদেশে কোন মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম বেঁচে থাকবে না। হাসিনার বক্তব্যের কিছু সময় পরই তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় মি. আনামের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তথ্য-প্রযুুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা জয় ফেসবুকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান। এদিকে, তথ্য মন্ত্রণালয় ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমের সরকারের হস্তক্ষেপের বিষয় প্রত্যাখ্যান করে। সজীব ওয়াজেদ মাহফুজ আনামের গ্রেপ্তার দাবির কিছু সময় আগে আমি মি. আনামের সঙ্গে কথা বলি। ঢাকায় তার কার্যালয়ে আমাদের বৈঠকে তিনি বলেন, তিনি শুধু কর্তৃপক্ষের চাপ নিয়েই উদ্বিগ্ন নন, বরং গণমাধ্যম স্বাধীনতার সার্বিক পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, ‘গত বছরে মিডিয়া সেলফ-সেন্সরশিপ ধারায় চলে গেছে। সরকার সমালোচনামূলক কণ্ঠের প্রতি সম্পূর্ণ অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে।’
এ অসহিষ্ণুতা সরকার পেরিয়ে বাইরেও বিস্তৃত হয়েছে। আমি বাংলাদেশ ছাড়ার কিছুদিন পর বাংলাদেশী-মার্কিন ব্লগার অভিজিৎ রায় এবং রাফিদা আহমেদ বন্যা অজ্ঞাত হামলাকারীদের দ্বারা হামলার শিকার হন। এতে অভিজিৎ মারা যান আর তার স্ত্রী মারাত্মক আহত হন। অভিজিৎ ইসলামী মৌলবাদ নিয়ে স্পষ্টবাদী সমালোচক ছিলেন বলে বলা হয়। আর তিনি উদারমনা, প্রগতিশীল ইস্যু নিয়ে লেখালেখি করেছেন। একমাস পেরিয়ে গেছে। তার পরিবার উদ্বেগ জানিয়েছে যে, হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনতে অগ্রগতি হয়েছে সামান্যই। ধর্ম নিয়ে মন্তব্যকারী ব্লগার আর সমালোকদের বিরুদ্ধে একটি সহিংস ধারার প্রতি ইঙ্গিত দেয় তার হত্যাকাণ্ড। মাহফুজ আনাম আমাকে বললেন, মুক্ত ও স্বাধীন সমাজের জন্য ধ্বংস্বাত্মক এক বিশ্বে আমরা বাস করছি।

(কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট, সিপিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার অনুবাদ। লেখক সুমিত গালহোত্রা সিপিজের এশিয়া কার্যক্রমের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট। অতীতে তিনি সিএনএন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কাজ করেছেন।)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫ই জানুয়ারির প্রতিশোধ জনগণ সিটি নির্বাচনে নেবে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেমে ব্যর্থ, তাই বিমান ধ্বংস?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনপ্রতিনিধি অপসারণ- আইন প্রয়োগের একচোখা নীতি পরিহার করুন
আইনের গুণাগুণ বিচারের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, সেই আইন নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রয়োগ হচ্ছে কি না। স্থানীয় সরকার সংস্থার জনপ্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে দ্বিবিধ ব্যত্যয় ঘটেছে। বিরোধী দলের সমর্থক জনপ্রতিনিধি হলে আইনের যথেচ্ছ ব্যবহার এবং সরকারি দলের সমর্থক হলে আইনের গতি থেমে যাওয়া কোনোভাবে কাম্য হতে পারে না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে। কিন্তু সেটি সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হলো না কেন? সরকারি দলের সমর্থক জনপ্রতিনিধি ছুটির দরখাস্ত দিয়ে স্বপদে বহাল থাকলেও বিরোধী দলের সমর্থক জনপ্রতিনিধিরা সেই সুযোগ থেকে কেন বঞ্চিত হবেন?
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ব্যক্তিমাত্র নন, তাঁরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান এবং এলাকাবাসীর প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই সেই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পদক্ষেপ মন্ত্রণালয় নিতে পারে না। এ ক্ষেত্রে প্রামাণ্য অভিযোগ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানিমূলক মামলার মধ্যে ফারাক থাকতে হবে। অন্তত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। সবার বেলায় সেই সুযোগ না দেওয়া আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোকে সরকার একদিকে ক্ষমতাশালী করার কথা বলবে, অন্যদিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সেগুলো অকার্যকর রাখবে—এই দ্বৈতনীতি চলতে পারে না। মন্ত্রণালয় বা প্রশাসন এভাবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিকে, তা যে স্তরেরই হোক না কেন, সরিয়ে দিতে পারে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হুমকির মুখে ভিন্নমত by গোলাম মুরশিদ
![]() |
| অমর একুশে বইমেলা থেকে বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির কাছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন ফুটপাতে খুন হন অভিজিৎ রায়। আহত হন তাঁর স্ত্রী রাফিদা আহমেদ। ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে তোলা ছবি। |
ভেড়ার মতোই মানুষও একটা জন্তু। উভয়েরই চোখ-মুখ-নাক ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আছে। কিন্তু এই মিল সত্ত্বেও মানুষ ভেড়া নয়। সে ভেড়ার মতো অন্ধভাবে চলতে পারে না। তার মৌলিক কারণ তার মন নামের একটা বস্তু আছে। সেই মন চায় স্বাধীনভাবে নিজের পথে চলতে। তা ছাড়া, মনের অন্দর মহলে আছে মনের থেকেও অদম্য আরেকটা চেতনা, সে হলো তার ‘বিবেক’। সেই বিবেক তাকে পথ দেখায়। ভালো-মন্দ বিচার-বিবেচনা করার বুদ্ধি জোগায়।
পৃথিবীতে যখন থেকে মানুষের জন্ম, ভেড়ার জন্মও হয়তো তখন থেকে। এমনকি ভেড়ার বয়স মানুষের থেকে বেশি হওয়াও অসম্ভব নয়। কিন্তু এতকাল পৃথিবীতে বাস করা সত্ত্বেও ভেড়াদের মধ্যে রাজনৈতিক, সামাজিক অথবা ধর্মভিত্তিক সম্প্রদায় গড়ে ওঠেনি। ভেড়ারা গান লেখেনি, ‘এক সূত্রে বাঁধিয়াছে সহস্র জীবন’। সাম্যের ভিত্তিতে পরম নিশ্চিন্তে তারা নিরন্তর সুখে বসবাস করে আসছে। তাদের রাজনৈতিক নেতা নেই, সামাজিক মোড়ল নেই, এমনকি ধর্মগুরু নেই।
অন্যপক্ষে, মানুষ সামাজিক জীব। তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা আছে। ব্যক্তিগত ভালো লাগা, মন্দ লাগা আছে। সে চায় নিজের মতে চলতে। অন্য মানুষের সঙ্গে আদান-প্রদান করে এবং পারস্পরিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ও নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। আত্মতৃপ্তি তার কাছে পরম মূল্যবান। নিয়মকানুন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সমাজের মধ্যেই সে যত দূর সম্ভব স্বাধীনভাবে বাস করতে চায়। সেই তার প্রধান আনন্দ ও প্রাপ্তি। কেবল পেট ভরিয়ে সে সুখী হয় না। তার সুখের মাত্রা ও সুখের ধরন নির্ভর করে সামাজিক জীব হিসেবে সে কতটা সাফল্য লাভ করেছে, কতটা গুরুত্ব লাভ করেছে, তার ওপর। তার চরম বাসনা, সে নেতা হতে চায়।
এই নেতৃত্বের লড়াইকে এককথায় বলে রাজনীতি। এখন থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে অ্যারিস্টটল বলেছিলেন, মানুষ একটা রাজনৈতিক জীব। সে রাজনীতি না করে পারে না। এক পথে রাজনীতি করা বন্ধ করা হলে সে আরেক পথ ধরে রাজনীতি করবে। মানুষের এই নেতৃত্বের লড়াই থেকেই ছোট-বড় নানা রাজনৈতিক দল এবং উপদলের সৃষ্টি হয়। অঞ্চলের ভিত্তিতে মানুষ বিভক্ত হয়ে যায়। আলাদা জাতি গড়ে ওঠে। নানা দার্শনিক আবির্ভূত হয়ে জীবনদর্শনের নানা রকমের ব্যাখ্যা দেন। এসব দার্শনিক চান তাঁদের অনুসারীরা তাঁদের মতবাদ অনুসরণ করে তাঁদের জীবনাচরণ করুক। তা-ই থেকে গড়ে ওঠে নানা আনুষ্ঠানিক ধর্ম ও উপধর্ম।
দৃষ্টান্তস্বরূপ খ্রিষ্টধর্মের কথা ধরা যাক। যিশুখ্রিষ্ট ছিলেন ইহুদি। তবে তিনি ইহুদি ধর্মের কিছু নতুন ব্যাখ্যা দেন। সেই ব্যাখ্যা মেনে নিয়েছেন তাঁর যে অনুসারীরা, তাঁদের বলা হয় খ্রিষ্টান অর্থাৎ খ্রিষ্টবাদী। তাঁর মৃত্যুর কয়েক শ বছর পরে খ্রিষ্টধর্ম পূর্ব ও পশ্চিম—এই দুই শাখায় বিভক্ত হয়—ইস্টার্ন অর্থডক্স খ্রিষ্টধর্ম আর ক্যাথলিক খ্রিষ্টধর্ম। কিন্তু সেখানেই শেষ হলো না। ষোলো শতক থেকে তিন-চার শ বছরের মধ্যে নানা ধর্মগুরুর ব্যাখ্যা ও নেতৃত্ব অনুযায়ী খ্রিষ্টধর্ম প্রোটেস্ট্যান্ট, ব্যাপটিস্ট, লুথারিয়ান, প্রেস্বেটারিয়ান, অ্যাংলিকান, মেথডিস্ট, কোয়েকার, মর্মন, ইভেনজেলিকাল, বর্ন এগেইন, যেহোবা’স উইটনেস ইত্যাদি নানা শাখায় বিভক্ত হয়েছে। প্রতিটি শাখার নেতারাই দাবি করেন যে তাঁরা ধর্মের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সে ব্যাখ্যাই অভ্রান্ত এবং তাঁদের সম্প্রদায়ই অন্যান্য সম্প্রদায়ের তুলনায় শ্রেষ্ঠ।
এভাবে হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, এমনকি ইসলামধর্মেরও নানা শাখা তৈরি হয়েছে। প্রতিটি শাখার অনুসারীরা দাবি করেন যে অন্য শাখার থেকে তাঁদের ধর্মীয় ব্যাখ্যাই শ্রেষ্ঠ। কাজেই এ ব্যাপারে নিরপেক্ষতা বলে কিছু নেই। কোনো সিদ্ধান্তই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
বস্তুত এ থেকে একটা জিনিসই প্রমাণিত হয়, সে হলো: মানুষ বুদ্ধিজীবী জীব এবং সে নিজের মতো করে চিন্তা করে। মানুষের এই স্বাধীন চিন্তাকে রোধ করার কোনো পথ নেই। অতীতকালে চেঙ্গিস খানের অথবা তৈমুরের হাতে কত লোক নিহত হয়েছে, তার সঠিক হিসাব কারও জানা নেই। কিন্তু হাল আমলে হিটলারের হাতে ৬৫ লাখ ইহুদি প্রাণ দিয়েছে। কমিউনিস্ট দেশগুলোয় ভিন্নমত পোষণ করার জন্য স্ট্যালিন, মাও, পলপটের হাতে লাখ লাখ লোক নিহত হয়েছেন। বাংলাদেশের গণহত্যা, বসনিয়ার গণহত্যা, রুয়ান্ডার গণহত্যা ইত্যাদি হত্যাকাণ্ডে লাখ লাখ লোক নিধন হয়েছে। এসব গণহত্যার কারণ ভিন্নমত ও রাজনীতি। কিন্তু এই পাইকারি হত্যা দিয়ে ভিন্নমতকে হত্যা করা যায়নি, অথবা রাজনীতিও বন্ধ করা যায়নি।
বস্তুত মতামত, ভিন্নমত ও স্বাধীন মত পোষণ করা মানুষের স্বভাব। প্রাণ দিয়েও মানুষ নিজের মতকে রক্ষা করে। মতামত ছাড়া জন্তুদের পক্ষেই বাঁচা সম্ভব, মানুষের পক্ষে নয়। কারণ, মানুষ বুদ্ধিমান ও রাজনৈতিক জীব। বেঁচে থাকার জন্য সে শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো করে চিন্তাও করে।
স্বাধীনভাবে চিন্তা করার, স্বাধীন মত পোষণ করার, স্বাধীনভাবে বিশ্বাস করার, স্বাধীনভাবে ধর্মীয় বিশ্বাস পালন করার অধিকার মানুষের জন্মগত অধিকার। ধর্মীয় বিশ্বাস বললে অবশ্য খ্রিষ্টধর্ম, হিন্দুধর্ম, ইসলাম ধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, ইহুদিধর্ম ইত্যাদি ধর্মের মতো আনুষ্ঠানিক ও বহুজন-সমর্থিত ধর্মকেই বোঝায় না। তা ব্যক্তিগত ধর্মও হতে পারে। কেউ ইচ্ছা করলে এক ধর্ম ত্যাগ করে আরেক ধর্ম পালন করতে পারে। স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকারও তার জন্মগত, যদিও প্রকাশ্যে মত প্রকাশ করে অন্যের অনুভূতিকে আঘাত করার অধিকার তার আছে কি না, তা বিতর্কের বিষয়। অন্তত অন্যের আবেগকে আহত করার উদ্দেশ্যে মত প্রকাশের অধিকার তার নেই।
একনায়ক অথবা স্বৈরাচারীকে মানুষ পছন্দ করে না। কারণ, একনায়ক অন্যদের মতামতকে গ্রাহ্য করে না। সে চায় নিজের মত অনুসারে অন্যদের চালাতে। মানুষ কেবল খেয়ে সুখী হলে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে খাবার সংগ্রহ করত না। বরং বিনা পরিশ্রমে খাওয়াদাওয়া করে কারাগারে বাস করত। অথবা একনায়কের মত অনুসারে চলে বৈষয়িক উন্নতি করত। কিন্তু মানুষ তা করে না।
কিন্তু ইদানীং জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তির দারুণ উন্নতি হলেও স্বাধীন মত পোষণ এবং পালন করার সভ্য রীতির ওপরই হুমকি এসেছে। রাজনীতি থেকে আরম্ভ করে ধর্মমত পালন করা পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ে মানুষ পরের মতের প্রতি অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। তার চেয়েও মারাত্মক কেউ ভিন্নমত পোষণ ও পালন করলে, তাকে নিজের শত্রু বলে বিবেচনা করে। নিজের মতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ না করে, বরং সে ভিন্নমতের গলা টিপে ধরে। যুক্তি দিয়ে নয় অথবা কোনো অহিংস উপায়ে নয়, প্রয়োজনবোধে সে সহিংসভাবে ভিন্নমতের কণ্ঠরোধ করতে চায়। আমাদের সমাজে সম্প্রতি কেবল ভিন্নমতকে নীরব করার প্রবণতা দেখা দেয়নি। কোনো মতকে বিপজ্জনক মনে করলে দরকার হলে, সেই মতাদর্শীকে হত্যা করতেও দ্বিধাবোধ করে না।
সম্প্রতি ভিন্নমত পোষণ করার জন্য অভিজিৎ রায়কে অজ্ঞাতনামারা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। অদূরেই বহু লোক ছিল। কেউ বাধা দেয়নি। হত্যাকারীদের কেউ ধাওয়া করে ধরার চেষ্টা করেনি। কেউ মুমূর্ষু অভিজিৎকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য এগিয়ে আসেনি। এ থেকে কয়েকটা কথা প্রমাণিত হয় ১. পরমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সহিষ্ণুতা এক দল লোকের বিবেক ও বিবেচনা থেকে একেবারে লোপ পেয়েছে, ২. পরের মতকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য এরা খুন করতেও দ্বিধাবোধ করে না, ৩. আমরা এত স্বার্থপর হয়েছি যে অন্যের বিপদ দেখলে তাকে সাহায্য করার জন্য কেউ এগিয়ে যাই না, ৪. আমাদের সংবিধানে মত পোষণ ও প্রকাশ করার যে স্বাধীনতা আছে, সে কেবল কথার কথা। এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করা কেউ দায়িত্ব বলে বিবেচনা করে না ও ৫. সভ্যতার পথ থেকে আমরা দ্রুত দূরে সরে যাচ্ছি।
গোলাম মুরশিদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক।
ghulammurshid@aol.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরের অর্ধ-বিধবা ও বাংলাদেশে গুম by মীনাক্ষী গাঙ্গুলী
(মীনাক্ষী গাঙ্গুলী মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক)
(গতকাল হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার অনুবাদ)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পঞ্চম না প্রথম by তালহা বিন নজরুল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 29
(27)
- দুই শিবিরেই নানা হিসাব by কাফি কামাল
- শিকাগোতে অনুষ্ঠিত হলো জিয়াউর রহমান ডে প্যারেড -রাষ...
- ‘গণতন্ত্র ও সন্ত্রাস সহাবস্থান করে না’
- হিথ্রোতে আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের হাতাহাতি
- অস্থিতিশীলতার দ্বারপ্রান্তে by রাজা রুমি
- ৬০ ভাগ নলকূপে পানি না পাওয়ার শঙ্কা
- সমরাস্ত্রে সবচেয়ে সমৃদ্ধ সৌদি সেনা
- লি কুয়ানের শেষকৃত্যানুষ্ঠান আজ
- মধ্যপ্রাচ্যে একনায়কতন্ত্রই কি ভালো ছিল?
- আমি ভারতীয় ছবির পক্ষে নই
- ফাইনাল হবে উপভোগ্য
- উচ্চশিক্ষার্থে যেখানেই যাও দেশে ফেরত এসো
- দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক তৈরিতে মেরন সান অবদান রাখছে ...
- চাপের মুখে গণমাধ্যম by সুমিত গালহোত্রা
- ৫ই জানুয়ারির প্রতিশোধ জনগণ সিটি নির্বাচনে নেবে
- প্রেমে ব্যর্থ, তাই বিমান ধ্বংস?
- জনপ্রতিনিধি অপসারণ- আইন প্রয়োগের একচোখা নীতি পরি...
- হুমকির মুখে ভিন্নমত by গোলাম মুরশিদ
- কাশ্মীরের অর্ধ-বিধবা ও বাংলাদেশে গুম by মীনাক্ষী গ...
- পঞ্চম না প্রথম by তালহা বিন নজরুল
- যে কারণে সিটি নির্বাচনে যাওয়া উচিত by আনিসুল হক
- যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে বলাৎকারের চেষ্টা করায় মন...
- তামাশা বললেও নির্বাচনে বিএনপি by হাবিবুর রহমান খান
- ৮৩ দিন ধরে তালাবদ্ধ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় খুল...
- ১৬শ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প by মুজিব মাসুদ ও মামুন...
- কেন অসম্ভব? by মীর আব্দুল আলীম
- স্বামীহারা তিন নারীর জীবনযুদ্ধ by আশীষ-উর-রহমান ও ...
-
▼
Mar 29
(27)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




















