Saturday, January 20, 2018
পাঁচ দশকের দীর্ঘ লড়াই by বিল্লাল হোসেন রবিন

এই দ্বন্দ্বের জেরটা আরো জোরালো হয় ১৯৮০ সালে। এবার বিরোধের বিষয় জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। প্রতিযোগী সেই শামসুজ্জোহা ও চুনকা। এবার সরাসরি শামসুজ্জোহাকে হারিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন চুনকা। মাঝে কয়েক বছর বিরতি দিয়ে দুই পরিবারের বিরোধ সামনে আসে নারায়ণগঞ্জ নগর পিতার আসনটি নিয়ে। ২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন চেয়েছিলেন চুনকা কন্যা আইভী। কিন্তু সেই সমর্থন পেয়েছিলেন শামসুজ্জোহা পুত্র শামীম ওসমান। ফল সেই আগের মতোই। আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম ওসমানকে বিপুল ভোটে হারিয়ে নগরভবনে যান আইভী। মাঝে মিইয়ে থাকা দুই পরিবারের বিরোধটা এবার তুঙ্গে ওঠে। নানা ঘটনা আর শামীম-আইভীর বাকযুদ্ধ উত্তপ্ত রাখে জেলা রাজনীতিকে। আইভী দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হওয়ার ক্ষেত্রে দৃশ্যত বাধা ছিল না ওসমান পরিবার। কিন্তু জেলার লোকজন বলছেন, আদতে ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে লড়েই দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হন আইভী। দীর্ঘ পাঁচ দশকে দুই পরিবারের রাজনৈতিক বিরোধ এতদিন বাকযুদ্ধ আর আলোচনার মধ্যেই ছিল। দলের নেতারা কাছে ডেকে বিরোধ মিটিয়ে দিয়েছেন দফায় দফায়।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার তা রাজপথে গড়ায়। শামীম-আইভীর সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা উত্তাপ ছড়ায় রাজনীতির ময়দানে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব। বিব্রত দলের নেতারা। বিরোধ মেটাতে বরাবরের মতোই নেতারা উদ্যোগ নিচ্ছেন এমন আলোচনা হচ্ছে।
যেখান থেকে দ্বন্দ্বের শুরু: শুরুটা স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌর নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নকে কেন্দ্র করে। সে সময় পৌর চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য আলী আহাম্মদ চুনকা নিজের দল আওয়ামী লীগের সমর্থন চেয়েও পাননি, সমর্থন পান মহিউদ্দিন আহম্মেদ খোকা ওরফে খোকা মহিউদ্দিন। খোকার এই সমর্থন পাওয়ার পেছনে প্রত্যক্ষ শক্তি ছিলেন ওসমান পরিবারের একেএম শামসুজ্জোহা। চুনকা মনোনয়নের জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বারস্থ হওয়ার পরও সমর্থন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হন। এর পর থেকে চুনকা পরিবার ও ওসমান পরিবারের মধ্যে শীতল দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ১৯৮০ সালে জেলা আওয়ামী লীগ সম্মেলনে শামসুজ্জোহা ও চুনকা সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চুনকা জয়ী হন। ১৯৮৪ সালে আলী আহাম্মদ চুনকার মৃত্যুর পর ৮৫ সালে তার মেয়ে সেলিনা হায়াৎ আইভী বিদেশে পড়তে গেলে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির মাঠে একক কর্তৃত্বের দাবিদার হয়ে উঠে ওসমান পরিবার। তবে ওই সময়ে শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপিকা নাজমা রহমানের নেতৃত্বে সংগঠিত থাকে চুনকার নেতাকর্মীরা। ১৯৮৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে নৌকা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচন করেন নাজমা রহমান। কিন্তু শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম ওসমান ও তার ভাই জাতীয় পার্টির মনোনীত নাসিম ওসমানের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে শামীম ওসমানের সঙ্গে দূরুত্ব তৈরি হয় নাজমা রহমানের। শহরের উত্তর-দক্ষিণের রাজনীতি নাজমা রহমানের মাধ্যমে জিইয়ে থাকে অনেক দিন। ১৯৯২ সালে চুনকা কন্যা আইভী দেশে ফিরে শহর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হন। অল্প সময়ে ব্যবধানে তিনি আবার বিদেশে ফিরে যান। পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জ পৌর নির্বাচনের কয়েকদিন আগে দেশে ফিরে নির্বাচন করে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এই দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছায় ২০১১ সালের ৩০শে অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ৩৭ বছর আগের ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি ঘটে। সেইবার প্রতিদ্বন্দ্বী চুনকা কন্যা আইভী ও জোহা পুত্র শামীম ওসমান। তখনও আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন মেলেনি চুনকা পরিবারের, তবে জয় ছিনিয়ে নেন চুনকা কন্যা আইভী। শামীম ওসমানকে এক লাখের বেশি ভোটে পরাজিত করেন আইভী। জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের হোঁচট খান শামীম ওসমান। ওই নির্বাচন ঘিরে শামীম-আইভি একে অপরকে দোষারোপ ও বাক বিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন প্রকাশ্যেই। এরপর থেকে আরো নানান ঘটনায় দুই পরিবারের দু’জনেই পরস্পরকে দোষাদোষী করতে দেখেছে দেশের মানুষ। এমনকি আলোচিত ত্বকী হত্যা ও সাত খুনের ঘটনায়ও দোষাদোষী চলে সমান তালে। একে অপরকে খুন, গুম, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকারও অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। টেলিভিশনে সরাসরি সমপ্রচারিত টক-শোতেও শামীম ওসমান ও আইভীর মারমুখী বাক্য বিনিময় ও শক্তি প্রদর্শনের চ্যালেঞ্জ করতে দেখা গেছে। এমনকি সিটি করপোরেশনের ময়লা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করা হয়েছে। আইভীকে কোণঠাসা করতে শামীম ওসমানের লোকজন অশ্লীল লেখা ও আইভীর বিকৃতি ছবি দিয়ে ব্যানার, পোস্টার, বিলবোর্ড বানিয়ে সারা শহর ছেয়ে দিয়েছেন। মানববন্ধন, সভা-সমাবেশ করে বিষোদগার করেছেন। এমন পরিস্থিতি চলমান থাকে বিগত ৫ বছর।
এবারের সিটি নির্বাচনেও প্রথম থেকেই ওসমান পরিবার চুনকা কন্যা আইভীর বিপক্ষে অবস্থান নেন। এমনকি তৃণমূল থেকে প্রার্থী হিসাবে যে তিন জনের নাম কেন্দ্রের কাছে মনোনয়নের জন্য পাঠানো হয়েছিল সেখানেও ছিল না আইভীর নাম। এর পেছনেও ওসমান পরিবার কলকাঠি নেড়েছিল বলে মনে করেন আইভীর ঘনিষ্ঠজনরা। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগ আইভীকেই চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়। কেন্দ্রের নেতারা আইভী-শামীমের বিরোধ নিরসনে ব্যর্থ হলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মধ্যস্থতা করেন। তারপর চলে নানা নাটকীয়তা। আইভীর সমর্থনে সংবাদ সম্মেলন করেন ও আইভিকে উপহার পাঠান শামীম ওসমান। এমনকি নৌকায় ভোট দিয়েছেন তা প্রমাণ করতে তিনি মিডিয়ার সামনে ব্যালট পেপার প্রদর্শন করেন নির্বাচনী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে। নির্বাচনে বিজয়ী হন আইভী। প্রথম বাজেটের দিন ওসমান পরিবারের মেজ ছেলে সেলিম ওসমান ঘোষণা দিয়ে আইভীর পাশে বসেন। বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে নেন উপস্থিত সবাই। সেখানে সেলিম ওসমান মেয়রকে নগরের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। মেয়রও তার কাছে সহযোগিতা চান। এবং যৌথ উদ্যোগে নিতাইগঞ্জ থেকে দীর্ঘদিনের অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ড উচ্ছেদ হয়। কিছু দিন ভালোই চলছিল সব কিছু। কিন্তু নগরবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ফুটপাথ হকার মুক্ত করতে বার বার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছেন মেয়র। কিন্তু সকালে উচ্ছেদ হলে বিকালেই অদৃশ্য ইশারায় হকাররা যে যার মত বসে পড়ে। মোট কথা ইঁদুর বিড়াল খেলা চলতে থাকে হকার উচ্ছেদ নিয়ে। এজন্য মেয়র প্রশাসনের অসহযোগিতাকে দায়ী করেন। একপর্যায়ে ২৫শে ডিসেম্বর থেকে প্রশাসন শহরের ফুটপাথ থেকে হকার উচ্ছেদ শুরু করে। ২৯শে ডিসেম্বর হকাররা ছুটে যান এমপি শামীম ওসমানের কাছে। তিনি হকারদের উদ্দেশে বলেন, মেয়র আইভীর নির্দেশে হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে। এই সমস্যার সমাধান আমার জানা নাই। আপনারা তার কাছে যান। তিনি আপনাদের ব্যবস্থা করবেন। না করলে আমি দেখবো। এরপর ৩১শে ডিসেম্বর হকাররা স্মারকরিপি নিয়ে মেয়র আইভীর কাছে যান। মেয়র তাদের পরিষ্কার জানিয়ে দেন, ৫ লাখ নগরবাসীর ভোগান্তি সৃষ্টি করে ফুটপাথে হকার বসতে দিতে পারি না। আমি হকার্স মার্কেট করে দিয়েছি সেখানে বসেন। প্রয়োজনে শুক্রবার, শনিবার শহরের ৪টি পয়েন্টে বসেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সড়কে হকার বসতে দেয়া হবে না। ৩রা জানুয়ারি হকাররা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনিও মেয়রের ভাষায় কথা বলেন এবং বৈধ হকারদের তালিকা তার কাছে জমা দিতে বলেন। পরে ১৩ই জানুয়ারি হকাররা যান নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি সেলিম ওসমানের কাছে। তিনিও আইভীর প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে হকারদের বিকল্প ৪টি জায়গায় বসার পরামর্শ দেন। হকাররা তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এদিকে ১৩ই জানুয়ারি রাতে সেলিম ওসমান হকারদের পক্ষে সুপারিশ করে মেয়রকে চিঠি দেন। ১৪ই জানুয়ারি বিকালে মেয়র চিঠির জবাব দেন। জবাবে মেয়র সেলিম ওসমানের কিছু প্রস্তাব নাকচ করে বাকিগুলোর সঙ্গে আরো যুক্ত করেন। সেলিম ওসমান মেয়রকে চিঠির জবাব দেয়ায় ধন্যবাদ দেন। এবং প্রস্তাবিত জায়গায় হকার বসা নিয়ে তিনি বিদেশ থেকে এসে আলোচনা করবেন বলে জানান প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে।
এদিকে ১৪ই জানুয়ারি হকাররা নিয়মিত সমাবেশের একপর্যায়ে বলেন, এবার আমরা গরিবের বন্ধু এমপি শামীম ওসমানের কাছে যাবো। তিনি আমাদের গরিবের নেতা। তিনিই সব সমাধান করবেন। ১৫ই জানুয়ারি বিকালে চাষাড়া পৌর মার্কেটের সামনে সমাবেশে করেন হকাররা। সেখানে শামীম ওসমান উপস্থিত হয়ে বলেন, আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে হকার বসবে। এটা আমার অনুরোধ নয়, নির্দেশ। আমি শহীদ মিনারে উপস্থিত থাকবো, আপনাদের কেউ মারলে আপনারা মার খাবেন। কিভাবে পাল্টা মাইর দিতে হয় আমার জানা আছে। শামীম ওসমানের এই বক্তব্যে অবাক হন সিটি মেয়র। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন। বঙ্গবন্ধু সড়কে হকার বসবে না। হকারদের জন্য প্রয়োজনে আরো বিকল্প জায়গা করে সেখানে পুনর্বাসন করবেন। একথাগুলো ১৬ই জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে মিডিয়ার সামনে বলবেন। সেই মতে তিনি নগরভবন থেকে পায়ে হেঁটে রওনা হন। এদিকে পূর্ব ঘোষণা মতে দুপুরের পর থেকে হকাররা ফুটপাথে বসার জন্য শহীদ মিনারে জড়ো হতে থাকেন। শামীম ওসমানের লোকজন শহীদ মিনারে অবস্থান নেয়। যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। রাজপথে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দেয় সন্ত্রাসীরা। ওই সংঘর্ষে আইভী নিজেও আহত হন। ঘটনার আগে ও পরে শামীম-আইভী অভিযোগের আঙ্গুল তোলেন একে অন্যের বিরুদ্ধে।
ওসমান পরিবার: বিভিন্ন সময়ে চমকপ্রদ অনেক খবরের শিরোনাম হওয়া শামীম ওসমানের পূর্ববর্তী তিন পুরুষের রাজনৈতিক ইতিহাস অনেক বৈচিত্র্যময়। ওসমান পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতিষ্ঠাতা খান সাহেব ওসমান আলী ১৯০০ সালে তৎকালীন বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দিতে জন্মগ্রহণ করেন। ত্রিশের দশকে তিনি নারায়ণগঞ্জে পাটের ব্যবসা শুরু করেন। এরপর নারায়ণগঞ্জেই স্থায়ী হন। খান সাহেব ওসমান আলীর রাজনৈতিক জীবনের শুরু ১৯৪৬ সালে তৎকালীন ঢাকার নবাব হাবিবুল্লাহর জামানত বাজেয়াপ্ত করে এমএলএ নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৩৫ সালে খান সাহেব ওসমান আলী নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া রেললাইন সংলগ্ন স্থানে গড়ে তোলেন ঐতিহাসিক বায়তুল আমান। বিভিন্ন সময়ে ওসমান পরিবার দাবি করে যে বঙ্গবন্ধুর পদচারণায় এই বায়তুল আমানে ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ। এরপর রাজনীতির মাঠে আসেন ওসমান পরিবারের দ্বিতীয় প্রজন্ম খান সাহেব ওসমান আলীর ছেলে একেএম শামছুজ্জোহা। ৭০-এর প্রাদেশিক সরকারের নির্বাচনে তিনি পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে খান সাহেব ওসমান আলী মৃত্যুবরণ করেন। এই পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ১৯৭৩ সালে শামছুজ্জোহা জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ অবদান রাখায় ২০১২ সালে তাকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়। একেএম শামছুজ্জোহার তিন ছেলে- নাসিম ওসমান, সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমান। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে নাসিম ওসমান জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। তিনিও তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার মৃত্যুর পর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত সেলিম ওসমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ৯৬ সালের নির্বাচনে জ্জোহা পুত্র শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমান সংসদেও তিনি এই আসনের এমপি।
চুনকা পরিবার: ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন আলী আহম্মদ চুনকা। স্বাধীনতার পর তিনি আওয়ামী লীগের পাশাপাশি শ্রমিক রাজনীতি করতেন। দিন দিন নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন চুনকা। তিনি নারায়ণগঞ্জের প্রথম নির্বাচিত পৌর চেয়ারম্যান। দুবার নারায়ণগঞ্জের পৌর চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রতিদ্বন্দ্বী ওসমান পরিবারের একেএম শামছুজ্জোহাকে হারিয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আলী আহম্মদ চুনকার পাঁচ সন্তানের মধ্যে প্রথম সন্তান সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি পেশায় চিকিৎসক। ১৯৮৪ সালে চুনকার মৃত্যুর পর ১৯৮৬ সালে তিনি বৃত্তি নিয়ে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ওদেসা নগরের পিরাগভ মেডিকেল ইন্সটিটিউটে পড়তে যান। পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে আইভী রাজনীতির মাঠে যোগ দেন ১৯৯২ সালে নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়ে। ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ শহরের পৌর মেয়রের পদে ছিলেন আইভী। এরপর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। তিনিই দেশের প্রথম নারী সিটি মেয়র।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের ১ বছর- গুড, ব্যাড অ্যান্ড আগলি by রব ক্রিস্টি

দ্য গুড
ডনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের পর থেকেই আমেরিকার অর্থনীতি যেন ফুলেফেঁপে উঠেছে। এই এক বছরে নতুন ২১ লাখ কর্মসংস্থান হয়েছে। অপরদিকে বেকারত্ব ৪.১%।
যুক্তরাষ্ট্রে এই হার ১৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। আফ্রিকান-আমেরিকান জনগোষ্ঠীর মধ্যে বেকারত্বের হার বর্তমানে ৬.৮ শতাংশ। ৪৫ বছর আগে যখন কর্মসংস্থান ও বেকারত্বের পরিসংখ্যান রাখার চর্চা শুরু হয়, তার পর থেকে কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে বেকারত্বের হার এত কম কখনই ছিল না। আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমেরিকার ইতিহাসে কৃষ্ণাঙ্গদের বেকারত্বের হার ৭ শতাংশের নিচে এর আগে কখনই নামেনি।
পাশাপাশি, ভোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। অবৈধ অভিবাসন কমেছে। ধারাবাহিক ৩ শতাংশ জাতীয় প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে শক্ত অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। তারপরও, শিগগিরই অনুষ্ঠেয় মধ্যকালীন (মিড-টার্ম) নির্বাচনে ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান দল কংগ্রেসের একটি অথবা উভয় কক্ষ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।
অর্থনীতি এত ভালো করা সত্ত্বেও কেন ভরাডুবির আশঙ্কা?
দ্য ব্যাড
ওয়াশিংটনের পেনসিলভ্যানিয়া অ্যাভিনিউর এক প্রান্তে হোয়াইট হাউস। অপরপ্রান্তে ক্যাপিটল হিল বা কংগ্রেস। উভয় প্রান্তের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রিপাবলিকান দল। এই নিয়ন্ত্রণ এতটাই শক্তিশালী যে, ১৯২৯ সালের পর এই পর্যায়ের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দলটির কখনোই ছিল না। সেই হিসেবে যে কেউ ধরে নেবে যে, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে প্রণীত স্বাস্থ্যসেবা বিল ওবামা কেয়ার বাতিল, আয়কর হ্রাস ও ওবামা আমলের রেগুলেশন প্রত্যাহার করার যে ইচ্ছে রিপাবলিকান দলের, তা পূরণ করা সহজ হবে। কিন্তু তা ভুল।
আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শক্ত নিয়ন্ত্রণের অভাবে বিভিন্ন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে রিপাবলিকান দলের বিভিন্ন অংশ প্রকাশ্যেই একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এই কারণেই ওবামা কেয়ার বাতিলে রিপাবলিকানরা ব্যর্থ হয়েছে। রিপাবলিকান দল আয়কর কর্তনের বিল পাস করাতে পেরেছে বটে। কিন্তু এর ফলে ডেমোক্রেটরা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলটিকে ধনীদের হাতের পুতুল হিসেবে উপস্থাপন করতে পেরেছে। অনেকেরই বিশ্বাস, ট্রাম্প যদি আরো দৃঢ়তার সঙ্গে এই বিল নিয়ে দরকষাকষিতে সম্পৃক্ত থাকতেন, তাহলে আরো ভালো একটি আইন হয়তো পাস করানো যেত।
কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ২৪টি আসনে জিততে হবে ডেমোক্রেটদের। ইতিমধ্যে, ৩৮ জন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা নভেম্বরের নির্বাচনের আগেই অবসর নিয়ে নিয়েছেন। রিপাবলিকানরা যদি একবার প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিশংসন করার সম্ভাবনা বাস্তব হয়ে উঠবে।
দ্য আগলি
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিজেকে পক্ষপাতদুষ্ট গণমাধ্যমের ‘ফেক নিউজে’র শিকার বলে উপস্থাপন করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তিনি নিজেই নিজের প্রধান শত্রু। বাস্তব ও কল্পিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে জবাব দিতে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে টুইটার ব্যবহার করেন। এটি তার পদের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তার আচরণ নিয়ে বিশ্বনেতারা রাগান্বিত না হলেও, হতবিহ্বল তো বটেই। ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে কথাবার্তা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, একেই স্বাভাবিক বলে মনে হয়। কিন্তু এটি আসলে স্বাভাবিক অবস্থা নয়।
বর্ণবাদের অভিযোগ ট্রাম্পকে তাড়া করে ফিরছে। হাইতি ও আফ্রিকার গরিব দেশগুলো সম্পর্কে তিনি গত সপ্তাহে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, তাতে প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও হতাশ হয়েছেন। বর্ণবাদ-বিরোধী কৃষ্ণাঙ্গ কিংবদন্তি নেতা ড. মার্টিন লুথার কিং-এর সম্মানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমেরিকার সংবাদ মাধ্যম প্রকাশ্যেই দেশের প্রেসিডেন্ট বর্ণবাদী কিনা তা নিয়ে বিতর্ক করছে। ট্রাম্প বুঝতে পারুন, আর না-ই পারুন, আমেরিকার জন্য এসব নিদারুণ অস্বস্তিকর।
ট্রাম্প সমর্থকদের যুক্তি, তার সোজাসাপ্টা কথা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার তাকে তার সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। কিন্তু, বাস্তব কথা হলো, ট্রাম্প নির্বাচিত হয়েছেন ৩০ কোটি আমেরিকানের প্রতিনিধিত্ব করতে। এদের মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ, বাদামি, সমকামী, মুসলিম ও হিজড়ারাও আছেন।
দেশের সব গোষ্ঠীকে বাদ রেখে, শুধুমাত্র শ্বেতাঙ্গ মধ্যবিত্ত পুরুষদের সন্তুষ্ট করে দেশ চালানোর আশা করা কারও উচিত নয়। আমাদের বৈচিত্র্যই আমাদের শক্তি। ডনাল্ড ট্রাম্প কি তা বোঝেন?
দ্য ফিউচার
পরবর্তী ৩৬৫ দিন পুরোটাই প্রেসিডেন্টের হাতে। তার হাত থেকে নিয়ন্ত্রণ এখনো চলে যায়নি। যদি আমেরিকান অর্থনীতি শক্তিশালী থাকে। বিদেশে সংঘাত কমে আসে। তাহলে ২০২০ সালে পুনর্নির্বাচনের পথে তিনি সংহত অবস্থানে থাকবেন। কিন্তু যদি ‘ব্যাড’ ও ‘আগলি’ জিনিসগুলোই টিকে যায়, তাহলে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্প বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকবেন। ২০২০ সালে ডেমোক্রেট দল থেকে তো বটেই, রিপাবলিকান দল থেকেও তাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য লোকের অভাব হবে না।
(রব ক্রিস্টি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের বিশেষ সহকারী ছিলেন। তার এই লেখাটি বিবিসি থেকে অনুবাদ করেছেন: মাহমুদ ফেরদৌস।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কার্যক্রম বন্ধ

এ অবস্থায় করণীয় কি তা নিয়ে জোর তৎপরতা চলছে। এ ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের প্রতিনিধি পরিষদ, সিনেট এবং হোয়াইট হাউজ রয়েছে রিপাবলিকান দলের নিয়ন্ত্রণে। এটাই এমন কোনো সরকারের জন্য প্রথম। তবে এ জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ডেমোক্রেটদের দায়ী করেছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজ। মধ্যরাতের সামান্য আগে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স বলেছেন, শুক্রবার রাতে তারা (ডেমোক্রেট) জাতীয় নিরাপত্তা, সেনা পরিবার, বিপন্ন শিশু এবং সব মার্কিনিকে আমাদের সেবা দেয়ার সক্ষমতার ঊর্ধ্বে রেখেছেন রাজনীতিকে। আমরা অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়ে কোনো সমঝোতা করবো না। অন্যদিকে তাদের অযৌক্তিক দাবির জন্য আমাদের বৈধ নাগরিকদের জিম্মি করেছে ডেমোক্রেটরা। পরাজিতদের বাধা সৃষ্টির এমনই আচরণ। এ আচরণ কোনো রাজনীতিকের হতে পারে না। আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের বাজেট বাড়ানো নিয়ে বিলটি সিনেটে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। বিলটি স্থানীয় সময় শুক্রবার মধ্যরাতে সিনেটে ভোটে দেয়া হয়। পাস হতে প্রয়োজন ৬০টি ভোট। কিন্তু পক্ষে বা বিপক্ষে কত ভোট পড়েছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানাতে পারে নি অনলাইন সিএনএন। তবে তারা বলছে, বিলটিকে আটকে দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সিনেটর ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ বিলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। স্থানীয় সময় রাত ১২টা ১৬ মিনিটে সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যাককনেল ভোটের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। কিন্তু সিএনএন যা বলছে, তাতে বিলটি পাস হয় নি। ফলে সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যাককনেল ও সিনেট সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার সমস্যা উত্তরণের পথ খুঁজতে সিনেট চেম্বারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সেখানকার সূত্র উল্লেখ করে সিএনএন বলছে, আলোচনা চলছে। কিন্তু সেখানে যথেষ্ট মতবিরোধ রয়েছে। বিলটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ বৃহস্পতিবার রাতে ২৩০-১৯৭ ভোটে পাস করে। ওদিকে মধ্যরাতের পর সরকারি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলেও চালু থাকবে অত্যাবশ্যকীয় সেবাখাতগুলো। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা, পোস্ট, বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোর মেডিকেল সেবা, দুর্যোগ সহায়তা, কারাগার, আয়কর ও বিদ্যুত উৎপাদন খাত। বন্ধ হয়ে যাবে জাতীয় পার্ক ও স্মৃতিস্তম্ভগুলো। এর আগে এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপক জনক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। তবে ভোটের কয়েক ঘন্টা আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক টুইটে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি ডেমোক্রেট সিনেট নেতা চাক শুমারকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেখানে সঙ্কট উত্তরণের পথ খোঁজার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু তারা অভিন্ন সমাধানে আসতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর এক ঘন্টা পরে চাক শুমার সাংবাদিকদের বলেছেন, কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। তবে অনেক বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। এর আগে একই পরিণতি হয়েছিল ২০১৩ সালে এবং তা স্থায়ী হয়েছিল ১৬ দিন। এবার বিলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে রিপাবলিকান ও ডেমক্রেট সিনেটরদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ রয়েছে। এ কারণে বিলটি ভোটে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনেটরদের নেতা মিচ ম্যাককনেল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শামীম ওসমানের বক্তব্যে তোলপাড় নানা প্রশ্ন by বিল্লাল হোসেন রবিন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের ৮ মিনিটের মাথায় তিনি বলেন, গত এক বছর নির্বাচন পরিহার করার পরও কিভাবে নির্বাচন করেছি, কেমনে করেছি। প্রথমটা কি হয়েছে? দ্বিতীয়টা কি হয়েছে? শামীম ওসমান জোর দিয়ে বলেন- কোন স্টাইলে নির্বাচন হয়েছে। আমার সমস্যা হচ্ছে আমি সংগঠনটা খুব সিনসিয়ারলি করি বিধায় এই কথাগুলো বলতে পারি না।
কোথায় কি হয়েছে- এখনও মুখ খোলার সময় হয়নি। এক পর্যায় পর্যন্ত অপেক্ষা করবো। তারপর বলবো কিভাবে কাকে পাস করানো হয়েছে। সে বিষয়ে আমি আসতে চাই না। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই। যে একটা বছর নির্বাচন করেছি, যা কিছু করার দরকার করেছি। ধন্যবাদ পাওয়ার জন্য করিনি। আমার নেত্রী নির্দেশ দিয়েছেন নেত্রীর নির্দেশের জন্যই আমি আমার কাজ করেছি। এবং আমি আমার কাজ হান্ড্রেড পার্সেন্ট সততার সঙ্গে দলের প্রতি আনুগত্য রেখেই কাজ করেছি। আমি কোন ধন্যবাদ পাইনি। আমি তার (আইভী) ধন্যবাদ চাইও না। বিকজ আমি যা করেছি দলের জন্য এবং নৌকা মার্কার পক্ষে করেছি।
শামীম ওসমানের এই বক্তব্য রাইফেলস ক্লাবের বাইরে ছড়িয়ে পড়লে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, শামীম ওসমানের এ ধরনের বক্তব্য দেয়া ঠিক হয়নি? তার এই বক্তব্য সরাসরি দলের বিরুদ্ধে গেল। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনগুলোকে উদাহরণ হিসেবে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে সারাদেশে নারায়ণগঞ্জের নির্বাচন আলোচিত। বিভিন্ন টেলিভিশন টক শো’তেও নাসিক নির্বাচনকে একটি উদাহরণ হিসেবে নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছেন শামীম ওসমান। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। দলের একজন এমপি হয়ে তিনি এ ধরনের কথা বা বক্তব্য দিতে পারেন না।
জেলা যুবলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদির বলেন, শামীম ওসমানের বক্তব্যটি অবশ্যই দলের বিরুদ্ধে গেছে। দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তার এই বক্তব্যকে অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে এবং একটি টিম করে বক্তব্যের রেকর্ডটি শোনার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। শামীম ওসমানের এমন বক্তব্যে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, মিথ্যা বলা শামীম ওসমানের একটি পুরনো চরিত্র। যখনই কোনো ঘটনা ঘটে সে বলে আমি সব জানি। কে করেছে, কারা করেছে। সময় হলে বলবো। ত্বকী মার্ডারের সময়ও সে একই কথা বলেছিল। মোটকথা নারায়ণগঞ্জে যখন কোনো ঘটনা ঘটে তখনই শামীম ওসমান মিথ্যার জোরে তার পক্ষে সাফাই গাইতে থাকে। সে এত বেশি মিথ্যা কথা বলে যে, মুহূর্তেই বক্তব্য পরিবর্তন করতে পারে। বাংলাদেশের কোথাও মিথ্যা কথার প্রতিযোগিতা হলে শামীম ওসমান সেই প্রতিযোগিতায় প্রথম হবে।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা বলেন, উনি যদি এ ধরনের কথা বলে থাকেন, উনি দায়-দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন। এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারবো না।
মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ আনোয়ার হোসেন দলের অধীনে হওয়া নির্বাচন নিয়ে একজন সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্য নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি প্রশ্ন তুলতে পারে। তারা বলতে পারে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। দলের কর্মী হয়ে শামীম তা বলতে পারে না। এটা তো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বান্দ্বিক বক্তব্য হলো।
তিনি বলেন, প্রথম নির্বাচনটা আইভী দলের বাইরে গিয়ে করেছে। সেই নির্বাচনে আমরা সুন্দর সিটির জন্য আইভীর পক্ষে কাজ করেছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সে লাখো ভোটের ব্যবধানে শামীম ওসমানকে পরাজিত করে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও বারবার এই নির্বাচনকে উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের সুষ্ঠু রাজনীতির স্বার্থে জনগণ গত নির্বাচনে আইভীকে পুনরায় নির্বাচিত করেছে জানিয়ে আনোয়ার হোসেন বলেন, শামীমের কথা স্ববিরোধী। শামীম ওসমানের কথা আর বিএনপির কথা এক হয়ে গেলে এই দায় শামীম ওসমান নিজে নেবে। এখন প্রধানমন্ত্রী কি করেন আমরা সেই অপেক্ষায় আছি।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মানবজমিনকে জানান, এই ধরনের বক্তব্য তো দুঃখজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত। যেহেতু কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ বিষয়টি টেককেয়ার করছে, দেখা যাক কি হয়।
এদিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ শামীম ওসমানের বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যের মাধ্যমে ‘থলের বিড়াল’ বেরিয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন।
শামীম ওসমানকে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের অঘোষিত নিয়ন্ত্রক দাবি করে তিনি বলেন, তার বক্তব্যের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এই সরকার মিথ্যাবাদী সরকার এবং দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
শামীম ওসমানের বক্তব্যের পর নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দেয়ার বিএনপির দাবি আরো বেশি জোরালো হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, কথায় আছে ‘বোয়ালের ডিম বোয়ালে ভাঙে’। শামীম ওসমান তার বক্তব্যে তা-ই করেছে। শামীম ওসমানের মুখ দিয়ে বের হয়ে গেছে আওয়ামী লীগ যে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করতেছে। জাতীয় নির্বাচনে তারা যেটা করেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচনে মানুষ যে ভোট দিতে পারেনি, তারা যে মানুষের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে- এটা দিনের আলোর মতো প্রকাশ পেয়ে গেছে শামীম ওসমানের এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শরণার্থীদের আপন করে নেয়া এক দম্পতি by প্রিয়াংকা চক্রবর্ত্তী

আয়লানের মৃত্যু নাড়া দিয়েছিল বৃটিশ দম্পতি লেন ও ক্যারেনকও। লেন অ্যাব্রামস একজন ধর্ম যাজক।
পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। তার স্ত্রী ক্যারেন অ্যাব্রামস একজন লাইব্রেবিয়ান। আয়লানের মৃত্যুতে তারা এতোটাই মর্মাহত হন যে, তারা চেয়েছিলেন এইসব শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াতে। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে ইউরোপে পাড়ি জমানোর আশায় লাখ লাখ শরণার্থী বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় নামেন। যাত্রাপথে অনেকের সলীল সমাধি হয়। বাকিরা কোনমতে পৌঁছাতে সক্ষম হয় ইউরোপে। কিন্তু পৌঁছালেও তাদের দুর্দশার শেষ হয়নি। মাথাগোঁজার ঠাই ছিল না অনেকের। শরণার্থীদের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে কিছু একটা করার তাগিদ অনুভব করেন লেন ও ক্যারেন। সিদ্ধান্ত নেন অন্তত দু’-একজনকে নিজেদের ঘরে আশ্রয় দেবেন। এই আতিথেয়তা শরণার্থীদের সাহায্যের উদ্দেশ্যে ছোট্ট পদক্ষেপ বলে মনে করেন এই দম্পতি।
তারা প্রথমে আফগানিস্তানের এক মুসলিম যুবককে সাহায্য করতে এগিয়ে যান। ওই যুবক যখন বৃটেনের সারেতে পৌঁছায়, তখন একটা প্লাস্টিকের ব্যাগে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস ছাড়া তার কাছে আর কিছুই ছিল না। মুসলিম ওই যুবককে নিজেদের বাড়িতে আশ্রয় দেন লেন ও ক্যারেন। তার জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা করেন। তার নামাজ পড়ার সুবিধার্থে কেবলা নির্ণায়ক একটি অ্যাপও ডাউনলোড করেন।
আফগানিস্তানে বেড়ে ওঠার কারণে পশ্চিমা দেশগুলোকে নিয়ে ওই যুবক অনেক ভ্রান্ত ধারণাও পোষণ করতেন। কিন্তু তিনি বলেন যে, লেন এবং তার স্ত্রীর উদারতা আঠারো বছরের সকল মিথ্যা ধারণা ভুল প্রমাণ করেছে।
লেন আরও বলেন, এই ধরনের পরিবেশ থেকে যখন মানুষ আপনার বাড়িতে আসবে, তখন তাদের দৃষ্টিতে আপনি নিজের সমস্ত জিনিস দেখতে পাবেন। এসব আপনাকে নতুন করে জীবনের মূল্য বুঝাতে সাহায্য করবে। আর এসব শরনার্থীর বাড়িতে আশ্রয় দিতে পারা আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।
তাদের এই প্রথম পদক্ষেপটি ফলপ্রসূ হওয়ার পরে তারা এখন তাদের দ্বিতীয় অতিথিকে আতিথেয়তা করছেন। মালাওয়ি থেকে আসা ৩৬ বছরের গ্রেস। সদাহাস্য গ্রেস সহজেই এই পরিবারটির সঙ্গে মিশে যান। লেন ও ক্যারেনের প্রতিও তার অসম্ভব ভালোবাসা রয়েছে বলেও জানান এই দম্পতি।
গ্রেসের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ব্যাপারে ক্যারেন বলেন, দুর্বিষহ মুহূর্তেও গ্রেস এতোটা আশাবাদী এবং তার বিশ্বাস এতোটা জোরালো যে, সে অন্যদের উপর তার এই চারিত্রিক গুণের প্রভাব রাখতে পারে।
গ্রেস বলেন, আমার উপকারে আজ পর্যন্ত সকলে যা কিছু করেছেন, এই দম্পতির আতিথেয়তা তার মধ্যে সেরা। যখন আমি একা ছিলাম, সবসময় অস্থিরতা কাজ করতো। কিন্তু এখন আমার বসবাসের জায়গা আছে। আমি এখন মুক্ত। লেন এবং ক্যারেন দম্পতির সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে গ্রেস তিন মাস গৃহহীন ছিলেন। তিনি পার্কে, শপিং মলে এমনকি বাসেও ঘুমাতেন। তিনি বলেন, আমার প্রচুর বন্ধু ছিল। কিন্তু যখন আমি ঘরছাড়া হলাম, তখন তাদের আসল রূপ দেখতে পেলাম। তাদের আচরণে আমি খুবই ব্যথিত হয়েছিলাম। যে মুহূর্তে আপনি ঘর ছাড়া হবেন, আর আপনার বন্ধুরা মোবাইল বন্ধ করে রাখবে কিংবা বলবে যে তারা ব্যস্ত আছে, এটা আপনাকে সরাসরি না বলে ইঙ্গিতে বুঝানো হচ্ছে যে আপনি আর কল দিবেন না। মাঝেমধ্যে আপনাকে আসতে দেখে তারা তাদের জিনিসপত্র লুকোতে থাকবে। তারা চিন্তা করে, তাদের কাছে টাকা নেই, তারা মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করবে। কিন্তু আমি লেন এবং ক্যারেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপলব্ধি করেছিলাম তারা খুবই হৃদয়বান।
লেন জানান, আমাদের দুই সন্তান এখন আলাদা থাকে। কাজেই এতো বড় বাড়িতে শুধু আমরা দু’জন থাকি। গ্রেস আমাদের সঙ্গে থাকাতে বরং ভালোই হয়েছে। আমাকে প্রায়ই কাজের জন্য বাইরে যেতে হয়। তখন ক্যারেন অন্তত একজন সঙ্গী পান।
লেন পেশাগত কাজে বাইরে থাকলে ক্যারেন ও গ্রেসের সময়টা ভালোই কাটে। তারা মাঝে-মধ্যে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বনে হাঁটাহাঁটি করেন। লন্ডনের গ্লোব থিয়েটারেও বেড়িয়ে এসেছেন একসঙ্গে।
গ্রেস আরও বলেন, যে পরিবারটি আমাকে সাহায্য করেছে, তাদেরকে আমাকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে। কেউ কোনো অর্থ ছাড়া তাদের বাড়িতে থাকতে দিবে এটা বিশ্বাস করাটা কঠিন। কেননা এখানে খুব কম মানুষই আছে যারা তাদের বাড়ির দরজা আপনার জন্য খুলে দিবে।
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট, গার্ডিয়ান
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্নো তারকা অলিভিয়ার মৃত্যু

এ ছাড়া পান করেছিলেন এলকোহল। তার সঙ্গে অন্যান্য জিনিসের সংমিশ্রণ ঘটেছিল। সম্প্রতি এই জগতের আরো যেসব তারকা মারা গিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম ইউরি লুভ (৩১), অগাস্ট এমিস (২৩), শাইলা স্টালিজ (৩৫), অলিভিয়া নোভা (২০) উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে নিজের এপার্টমেন্টে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় অলিভিয়া নোভাকে। তার বিশেষ অঙ্গে সম্প্রতি ভয়াবহ এক সংক্রমণ দেখা দেয়। তারপরই এ অবস্থা হয় তার। ওদিকে ডিসেম্বরে রগরগে একটি দৃশ্যে অভিনয় করতে অস্বীকৃতি জানানোর পরে সামাজিক যোগাযোগ মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন অগাস্ট ইমিস। এরপরই তিনি আত্মহত্যা করেন। ওদিকে শুক্রবারে মারা যাওয়া সম্পর্কে অলিভিয়া লু’র এজেন্সি এলএ ডিরেক্ট মডেলস এক বিবৃতিতে বলেছে, আমরা জানতে পেরেছি যে, অলিভিয়া লু মারা গেছেন। তার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। একজন মুখপাত্র বলেছেন, মাদকে আসক্তির সঙ্গে লড়াই করছিলেন অলিভিয়া লু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে বেপরোয়া অর্ধশত কিশোর গ্যাং by ইব্রাহিম খলিল

এদের ছত্রছায়ায় রয়েছে নগর ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ গডফাদাররা, যা একের পর এক বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে স্কুল ছাত্রলীগের অপরপক্ষের ছুরিকাঘাতে কলেজিয়েট স্কুলের মেধাবী ছাত্র আদনান ইসফার (১৫) হত্যার পর।
আদনান ইসফার হত্যায় জড়িত আরমান, সাব্বির, মুনতাসির, মহিম ও আবু সাঈদও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কর্মী।
যারা গ্রেপ্তারের পর পুলিশকে স্কুল ছাত্রলীগের নামে প্রায় অর্ধশত কিশোর গ্যাং এর তথ্য দেন বলে জানান চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মোস্তাইন হোসাইন।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজিয়েট স্কুল, কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজ, বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, হাজেরা তজু উচ্চ বিদ্যালয়, নাসিরাবাদ সরকারি হাই স্কুলসহ সরকারি- বেসরকারি বিভিন্ন স্কুলে ‘স্কুল ছাত্রলীগের’ নামে এসব কিশোর গ্যাং গড়ে উঠে।
যারা নগরীর স্টেশন রোড, বিআরটিসি মোড়, কদমতলী, চকবাজার, মেডিকেল হোস্টেল, শিল্পকলা একাডেমি, সিআরবি, খুলশি, ফয়েস লেক, ডেবারপার, চান্দগাঁও শমসের পাড়া, ফরিদের পাড়া, আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনি, সিডিএ, ছোটপুল, হালিশহর, বন্দর কলোনি ও পতেঙ্গার বেশ কয়েকটি এলাকায় মাদক বেচাকেনাসহ মোটরসাইকেল ও সাইকেল ছিনতাই, গান-বাজনা, খেলার মাঠ, ডান্স ও ডিজে পার্টি, ক্লাবের আড্ডাসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ন্ত্রণে মরিয়া।
শুধু তাই নয়, এসব কিশোর গ্যাং চক্র মেয়েদের ভ্যানিটি ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের বেশির ভাগ ঘটনায় জড়িত। নিজ এলাকা ছাড়িয়ে অনেক সময় তারা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড চালায়। এরকম নগরীর ১৬ থানা এলাকায় প্রায় অর্ধশত কিশোর গ্যাং চক্রের তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, রাজধানীর উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের হাতে ট্রাস্ট স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান কবীর খুন হয় ২০১৭ সালের ৬ই জানুয়ারি। এর ঠিক এক বছর ১০ দিন পর গত ১৬ জানুয়ারি চট্টগ্রাম শহরের জামালখানে কিশোর গ্যাং স্টারে হাতে খুন হয় কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র আদনান ইসফার। সেও নবম শ্রেণিতে পড়ে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আবু সাঈদ ছাড়া ৪ জন নগরীর চান্দগাঁও থানার হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আর এ হত্যাকাণ্ডে ছুরিকাঘাতের মূল হোতা মঈন উদ্দিন হাজেরা তজু উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। পুলিশ এখনো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মোস্তাইন হোসাইন আরো জানান, গত এক দশকে চট্টগ্রাম শহরের জামালখান এলাকায়ও একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের উত্থান ঘটে। সামপ্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এসব গ্রুপের সদস্যরা বেপরোয়া হয়ে উঠে।
তিনি জানান, আদনান ইসফারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর গ্রেপ্তারকৃত আরমান, সাব্বির, মুনতাসির, মহিম ও আবু সাঈদ নগরীর চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রউফের চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাড়িতে আশ্রয় নেয়। আদনান হত্যায় খুনি কিশোরদের হাতে পিস্তল তুলে দেন আবদুর রউফ।
আদনান ইসফারও জামালখান এলাকার ছাত্রলীগ নেতা সাব্বিরের অনুসারি স্কুল ছাত্রলীগ নেতা। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আগে থেকেই এই দুই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে বিরোধ ছিল। সেই সূত্র ধরে সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ মাঠে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে আদনান ইসফারকে খুনের পরিকল্পনা করে মঈন উদ্দিন। এভাবে রাজনীতিক ছত্রছায়ায় নগরীর সবকটি কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষ লেগে থাকলেও আদনান ইসফার হচ্ছে প্রথম বলি।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. কামরুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক সমর্থন, বিপুল অর্থপ্রাপ্তি, এলাকায় প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে এসব কিশোর গ্যাং গ্রুপের উত্থান। এরমধ্যে কাজেম আলী স্কুল মার্কেটের মামার দোকানে জিলহস গ্রুপ, জামালখান আংকেলের দোকান ও দেবপাহাড়ে রনি, সাফায়েত ও ফাহিম গ্রুপ, জামালখানে সাব্বিরের আরো একটি গ্রুপ, মেজ্জান হাইলে আইয়্যু রেস্তরাঁর কাছে খালার দোকানভিত্তিক আলাদা কিশোর গ্যাং গ্রুপ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
তাদের বিচরণ আন্দরকিল্লা মোড় থেকে রহমতগঞ্জ হয়ে গণি বেকারি সীমানাও ছাড়িয়ে গেছে। তারা সামান্য কথা কাটাকাটিতে একজন অন্যজনকে চিৎকার করে মোবাইলে ফোন দেয়। মুহূর্তের মধ্যে সদলবলে হাজির হয়। এরপর চলে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর এমনকি দোকানপাট ভাঙচুর। কোনো এক জায়গায় বসা নিয়ে কথিত বড়ভাইদের সঙ্গে ছোটভাইদের কথা কাটাকাটি থেকেও ঘটে যায় বড় ধরনের সংঘর্ষ। তারা ফুটপাথে রাতে বিকট শব্দে আতশবাজি ফাটিয়ে জন্মদিন উদযাপন করে।
প্রায় তিন বছর আগে জামাল খান সড়কের র্যাংগস বিক্রয় ও প্রদর্শনী কেন্দ্রের পাশে শফিউল্লাহ নামের এক ব্যবসায়ীর ফটোকপির দোকান ছিল। এক কিশোর সেখানে একটি ফটোকপি করতে যায়। ফটোকপি করাকে কেন্দ্র করে শফিউল্লাহর সঙ্গে ওই কিশোরের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। কিন্তু ১০ মিনিটের মধ্যে একদল কিশোর এসে শফিউল্লাহর ওপর হামলা চালায়। তার ফটোকপির মেশিন ও দোকানের কাচ ভেঙে দেয়া হয়। শফিউল্লাহকে পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফুটপাথে ফেলে রাখা হয়। জ্ঞান ফেরার পর তাকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেয়।
ওই ঘটনার পর শফিউল্লাহ আর দোকান খুলতে পারেনি। দোকান ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় মামলা না করার জন্যও তাকে শাসিয়ে দেয়া হয়। ফলে মামলাও করেনি। কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি পোষাতে না পেরে তিনি ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত চাকরি শুরু করেন।
গত একদশকেরও কম সময়ে অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত নগরীর জামাল খান সড়কে অনেক বহুতল ভবন গড়ে ওঠে। এসব ভবনে ফ্ল্যাট কেনেন সরকারি বেসরকারি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা। অনেকে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক। এসব ব্যক্তি নিজেদের সন্তানদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। ফলে ১৪ বছর থেকে শুরু করে ১৮/২০ বছরের এসব ছেলে হয়ে ওঠে বেপরোয়া।
চট্টগ্রাম মহানগরীর অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম ও অপারেশন) সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, কিশোর অপরাধ বন্ধ করতে পারিবারিক ও সামাজিক অনুশাসন দরকার। এখন তো সামাজিক অনুশাসন বলতে কিছুই নেই। এ অবস্থায় পারিবারিক অনুশাসন বাড়াতে হবে। সামাজিক অনুশাসন যেটা চলে গেছে, তা পুনরুদ্ধার করতে হবে। কিশোর অপরাধীদের পেছনে কোনো রাজনৈতিক সহযোগিতা থাকলে তা অবশ্যই বন্ধ অথবা প্রত্যাহার করতে হবে। যেসব বড় ভাই তাদের ইন্ধন দেয়, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
তিনি বলেন, কিশোর অপরাধ দমনে অপরাধীদের নামের তালিকা ইতোমধ্যে তৈরির কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ। নগরীর ১৬টি থানার ওসিদের এ তালিকা তৈরি করে এক সপ্তাহের মধ্যে পুলিশ কমিশনার বরাবরে পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তালিকায় কোন থানায় কতজন কিশোর অপরাধী রয়েছে, তারা কখন কোথায় অবস্থান করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশ অ্যাকশনে যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাটের পুনরুজ্জীবন চাই

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থার আশঙ্কা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিম নিজের অঙ্গীকার ভুলে গেছে by জেফরি ডি স্যাক্স

অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন, স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট।
জেফরি ডি স্যাক্স: যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকসই উন্নয়নের অধ্যাপক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উচ্চঃস্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে হত্যা

নিহতের ছেলে নাসিমুল হকের বন্ধু আরিফ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ১২টার পরে ৯ তলা ভবনের ওই অ্যাপার্টমেন্টের সেক্রেটারি এফ-৫ ফ্ল্যাটের বাসিন্দা আলতাফ হোসেনের এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল। এ সময় সেখানে উচ্চস্বরে গানবাজনা হচ্ছিল। এতে ঘুমাতে পারছিলেন না একই অ্যাপার্টমেন্টের ৯ম তলার সি-৮ নং ফ্ল্যাটের বাসিন্দা অসুস্থ নাজিমুল হক (৬৫)। ইতিপূর্বে হার্টের সমস্যার কারণে তার বাইপাস সার্জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। পরে ঘুমাতে না পেরে নাজিমুল হক নিজেই গিয়ে কেয়ারটেকারকে বিষয়টি জানান। পরে অ্যাপার্টমেন্টের সেক্রেটারি আলতাফ হোসেনকে বিষয়টি জানালে তিনি নিজেই আসেন। এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদ জানান তিনি। এতে উভয়ে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি সেখানেই মিটে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আলতাফ হোসেন তার স্ত্রীসহ পরিবারের ৪ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী সদস্য নিয়ে নিচে নেমে অ্যাপার্টমেন্টের কেয়ারটেকারকে দিয়ে নাজিমুল হকের পরিবারের সদস্যদের ডাকেন। এর প্রেক্ষিতে নাজিমুল হক, তার ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা নাসিমুল হক, কলেজ শিক্ষক মেয়ে নিশি, নাসিমুল হকের স্ত্রী মাস্টারমাইন্ড স্কুলের শিক্ষক নিচে নেমে আসেন। নামার সঙ্গে সঙ্গে রাতের ঘটনা নিয়ে তারা আবারো বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে নাসিমুল হককে আলতাফ হোসেনের লোকজন মারধর শুরু করে। এ সময় তার পিতা নাজিমুল হক এগিয়ে এসে ছেলেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। পরে আলতাফ ও তার পরিবারের পুরুষ-নারী সদস্যরা নাজিমুল হককে মারপিট করতে থাকেন। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদের ওপরও চড়াও হয়। নাসিমুলের বন্ধু আরিফ জানান, তাদের পুরুষ সদস্যরা নারীদের ওপরও হামলা চালায়। এদিকে তাদের হামলায় অসুস্থ নাজিমুল হক নিস্তেজ হয়ে পড়েন। এ সময় তার ছেলে ও পরিবারের সদস্যরা নিজেদের গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য মিটফোর্ডের সলিমুল্লাহ মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে ওয়ারী থানার এসআই হারুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ওই অ্যাপার্টমেন্টের ছাদে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি হয়। পরে গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আলতাফ হোসেন নিহতের পরিবারকে ডেকে আনে। এরপর উভয় পরিবারের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে নাজিমুল হক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এতে তার মৃত্যু হয়। তিনি আরো বলেন, নাজিমুল হক আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। তাই হাতাহতির কারণে তার মৃত্যু হতে পারে। তবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করেন এসআই হারুন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘুম না এলে ঘুমের বড়ি! by তৌহিদা শিরোপা

আট ঘণ্টার ঘুমের মধ্যে ঘুমিয়ে আছে সাফল্যের সূত্র। শান্তির ঘুম মনে শান্তি আনে।
তৌহিদা শিরোপা: সাংবাদিক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপাল কারও খেলার তাস হবে না by সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফারুক ওয়াসিফ

মাধব কুমার নেপাল : নেপালের রাজনৈতিক সংস্কৃতি খুব ভালো। আমরা সবাই সামাজিক সম্পর্ক রেখে চলি। গণতন্ত্রের কিছু মূল্যবোধ ও নীতি মেনে চলি। সময়ে সময়ে যে সমস্যা আসে, কমবেশি তার সবই দেখভাল করা হয়। আমাদের রাষ্ট্র নিয়ে আমরা গর্বিত এবং প্রাচ্যের সংস্কৃতির প্রতি দায়বদ্ধ।
প্রথম আলো : সশস্ত্র গৃহযুদ্ধ, প্রাসাদ হত্যাকাণ্ড এবং দীর্ঘ অস্থিতিশীলতা সত্ত্বেও এই শান্তি ও সহযোগিতা কীভাবে অর্জিত হলো?
মাধব কুমার নেপাল : আমাদের শরিক সিপিএন (মাওবাদী) সশস্ত্র পথ নিয়েছিল। একাই জয়ী হওয়ার জন্যই তারা যুদ্ধ করেছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পরিস্থিতি তাদের পক্ষে ছিল না। একই পরিস্থিতির কারণে তাদের বলপূর্বক নির্মূল করাও ছিল অসম্ভব। পরিস্থিতির চাপেই দুই চরমপন্থার মধ্যে ভারসাম্য আনতে হয়েছিল। কোনো পক্ষই একে অন্যকে মুছে ফেলতে পারছিল না। মাওবাদীদের একদলীয় শাসন কায়েমের লক্ষ্য সঠিক না হলেও গণক্ষমতার জন্য তাদের সংগ্রাম সঠিক ছিল। সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের জন্য তারা জীবন উৎসর্গ করতে তৈরি ছিল। পূর্ণ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার যাত্রায় আমরা একই তরণির যাত্রী ছিলাম। গণতন্ত্রের স্বার্থেই বাস্তবতা উপলব্ধি করে তারা তাদের পথ ও চিন্তা বদলেছিল। আমরা দেখিয়েছিলাম, অতীতে অনেক রক্ত ঝরেছে, আর রক্তপাতের দরকার নেই। বিভিন্ন মেরুতে দাঁড়িয়ে যারা লড়াই করেছিল, গণতন্ত্রের সত্যিকার শক্তি যারা, তাদের মধ্যে সমঝোতা জরুরি। ভুল সংশোধন এবং সত্যকে রক্ষা করেই আমরা এত দূর এসেছি।
প্রথম আলো : গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনের সময় নেপালে দুই কর্তৃপক্ষ ছিল: বিদ্যমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন। দুই কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ে কোনো সমস্যা হয়নি?
মাধব কুমার নেপাল : কিছু সমস্যা হয়েছে, কিন্তু তা শুধরে নেওয়া হয়েছে। সরকার কিছু অপচেষ্টা করলেও যথাসময়ে তা এড়ানো গেছে। আমাদের নির্বাচন কমিশন সত্যিকারভাবেই স্বাধীন। আমরা কিছু পদ্ধতি, নীতি, দৃষ্টান্ত ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করেছিলাম, যার কারণে ১৯৯০ সালের পর থেকে নেপালের নির্বাচন কমিশন মোটামুটি কর্মক্ষম এবং সঠিক পথেই থেকেছে।
প্রথম আলো : নির্বাচনকালীন সরকারে আপনাদের শরিক দল মাওবাদীরাসহ আরও কয়েকটি দল ছিল। ক্ষমতাসীন নেপালি কংগ্রেসের সঙ্গে বিরোধ হয়নি তাদের?
মাধব কুমার নেপাল : নির্বাচনের সময় আসলে সরকারের তেমন কোনো ভূমিকা ছিল না। নির্বাচন কমিশন যে তহবিল ও কর্মী চেয়েছে, সরকার তা সরবরাহ করেছে। ইসিও সরকারি লোকজনকে আচরণবিধি মেনে চলতে বাধ্য করেছে। অনিয়ম হলে শাস্তি দিয়েছে।
প্রথম আলো : আপনি মাওবাদী বিদ্রোহের সামরিক সমাধানের বিপক্ষে ছিলেন। এখন সেই মাওবাদীদের সঙ্গে বাম জোট গঠনের পর এক পার্টি গড়তেও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কোন পরিস্থিতি আপনাদের এক করল?
মাধব কুমার নেপাল : আমরা আমাদের ৩০ বছর ধরে চিনি এবং একসঙ্গে কাজও করেছি। মাঝপথে মাওবাদীরা পথ বদলে সশস্ত্র পথে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে। তাদের জন্য সেটা ছিল কঠিন সময়। সরকারও তাদের প্রতি খুব কঠোর ছিল। তারপর নতুন পরিস্থিতির উদয় হলো, রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ ঘটল। রাজনৈতিক দল ও রাজতন্ত্র মুখোমুখি হয়ে গেল। সে সময় আমরা কাছাকাছি আসি। আমরা তখন থেকে টানা যোগাযোগে আছি। তাদের বুঝিয়েছি, শান্তিপূর্ণভাবে লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। এ জন্য কমিউনিস্ট পার্টিগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে হবে। আমি প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় তারা আমার সরকারকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিল, আমাকে সরাতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি টিকে গেছি এবং তারাও পরে নীতি বদলেছে।
প্রথম আলো : বাম জোট সরকারে কীভাবে ক্ষমতা ভাগাভাগি হবে?
মাধব কুমার নেপাল : ঐক্যবদ্ধভাবেই আমরা বেশি লাভবান হব, এটাই অতীতের শিক্ষা। নেপালে আপনি দুটি রাজনৈতিক প্রবণতা দেখবেন। একটি হলো বাম, অন্যটি ডান। লিবারেল বনাম র্যাডিকাল। কখনো র্যাডিকালরা টিকেছে, কখনো মধ্য বামরা জিতেছে। জনগণ শেষ পর্যন্ত মধ্যপন্থী বামদেরই সমর্থন করেছে। মাওবাদীরাও সেটা বুঝেছে। এভাবে দুই দলই বুঝতে পারল, ঐক্যের মাধ্যমেই আমরা এগোতে পারব। তা ছাড়া নেপালে কমিউনিস্ট আন্দোলন খুবই জনপ্রিয়।
প্রথম আলো : কেন?
মাধব কুমার নেপাল : গত কয়েক দশকে কমিউনিস্ট পার্টি নেপালের রাজনৈতিক বাঁকবদলের প্রতিটি ঘটনার মূল ভূমিকায় ছিল। জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার প্রশ্নে এবং বাইরের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কমিউনিস্ট পার্টি অটল ছিল। মানুষ মনে করে, কমিউনিস্ট পার্টি জনগণের অধিকারের পক্ষে থাকে। কমিউনিস্ট পার্টি তথাকথিত গণতান্ত্রিক দলগুলোর চেয়েও গণতান্ত্রিক। জনগণ দেখেছে, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও জীবনমান উন্নত করার সবচেয়ে সোচ্চার পক্ষ কমিউনিস্টরা। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বিশ্বস্ত পক্ষ আমরা। অন্যদিকে কংগ্রেসের আমলে তারা দেখেছে সর্বাত্মক দুর্নীতি এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব বিসর্জন।
প্রথম আলো : দেখতে পাচ্ছি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরও নতুন সরকার ক্ষমতাসীন হতে দেরি হচ্ছে। ক্ষমতা হস্তান্তর-প্রক্রিয়া কি অচলাবস্থায় পড়েছে?
মাধব কুমার নেপাল : নেপালি কংগ্রেস নির্বাচনে পরাজিত হয়ে খুব আহত ও হতাশ। তারা নিজেদের সব সময়ই ক্ষমতাসীন দেখতে চায়। কিন্তু জনগণ তার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। বর্তমান দুনিয়ায় নির্বাচনের ফল অস্বীকার করা সম্ভব নয়। এক মাসের মধ্যেই বাম জোটের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে কে পি অলিই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।
প্রথম আলো : আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আপনার সরকারের নীতি কী হবে?
মাধব কুমার নেপাল : ১৯৯৪-৯৫ সালে সংখ্যালঘিষ্ঠ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলাম আমি। আমিই তখন ভারতের সঙ্গে ১৯৫০ সালের চুক্তি সংস্কারের কথা বলি। এই চুক্তি বৈষম্যমূলক। কারণ, একদিকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন, অন্যদিকের স্বাক্ষর নেপালে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূতের? দুজন কি সমান? দ্বিতীয়ত, এই চুক্তির কারণে সব সময়ই আমরা কী করতে পারব কী পারব না, তা ভারতকে জিজ্ঞাসা করতে হতো। তিন কোটি জনসংখ্যার নেপাল দেড় শ কোটি জনসংখ্যার ভারতকে কীভাবে সমান সুযোগ দিতে পারবে? তৃতীয়ত, এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ৭০ বছর আগে। এর মধ্যে দুনিয়ায় অনেক কিছু ঘটে গেছে। এটা শীতলযুদ্ধের যুগ নয়, জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের সময় নয়। দক্ষিণ এশিয়ায়ও অনেক ঘটনা ঘটেছে। তাই এই চুক্তিতে নেপালি জনগণের নতুন আকাঙ্ক্ষাকে জায়গা দিতে হবে। আমাদের পূর্বপুরুষেরা এই দেশকে সব সময় স্বাধীন রেখে গেছেন, তার জন্য লড়াই করে গেছেন। আপনি যদি আপনার ঐতিহ্য নিয়ে গৌরব করতে পারেন, তাহলে কেন আমরা আমাদের ইতিহাস নিয়ে গৌরব করতে পারব না? আমাদের কী অপরাধ? বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ চাই। আমরা বলি, আমাদের হুকুম দিয়ো না। আন্তর্জাতিক চুক্তির সময় দেখি, আমাদের ওপর অন্যায্য চাপ থাকে। আমরা তা পছন্দ করি না। মুক্তবাণিজ্য ও বিশ্বায়নের এই যুগে কেন আমরা ক্ষতিকর শর্ত মেনে নেব? আমাদের তো পথ খোলা আছে। এটা তো ঔপনিবেশিক যুগ নয়। নেপাল আর ভারতকে আলোচনা করে বের করতে হবে, কোথায় কোথায় অভিন্ন স্বার্থ আছে। নেপাল স্বাধীন দেশ, একে শ্রদ্ধা করতে হবে।
প্রথম আলো : আপনারা কি আপনাদের এই অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন?
মাধব কুমার নেপাল : আমরা যদি দুর্নীতিমুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ না থাকি এবং জনগণের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নতি করতে না পারি, তাহলে আমাদের মাথা নত করতে হবে। আমাদের বিচক্ষণতা দেখাতে হবে। নিজের ঘর ঠিক রাখতে পারলে সব সামলানো সম্ভব। আমার অভিজ্ঞতা বলে, যেসব বিষয় অনেক বছর ধরে ঝুলে আছে, তা মাত্র একটি বৈঠকেই মীমাংসা করা যায়। শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আমি সমস্যা দেখি না। সমস্যা হলো আমলাতান্ত্রিক চিন্তাভাবনায়। নেতারা যখন আমলাতান্ত্রিক জটিলতার খপ্পরে পড়েন, তখনই সমস্যা হয়। সংকীর্ণ দৃষ্টির ওপরে উঠতে পারলে কিছুই সমস্যা নয়। নেপাল কারও বিরুদ্ধে কারও কার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হতে চায় না। আমরা সবার নাজুক জায়গা মেনে চলি। অন্যদেরও আমাদের স্পর্শকাতরতা আমলে নিতে হবে। নেপালের ভূমি কারও বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হবে না। নেপাল সবার সঙ্গে সমদূরত্ব ও সমবন্ধুত্ব রাখবে।
প্রথম আলো : নেপাল আর বাংলাদেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কীভাবে দেখেন? বিশেষ করে, যোগাযোগ ও পানিবিদ্যুতের বেলায়?
মাধব কুমার নেপাল : যাদের একই দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, একই রকম অনুভূতি যাদের, তাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব হয়। তাই নেপাল ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে। আমরা আমাদের বাজার বহুমুখী করতে পারি। নেপালে বাংলাদেশের বাজার আছে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে একটি বিকল্প নিয়ে বসে থাকা উচিত নয়। এটাই বাজারের নিয়ম। বাংলাদেশের বিদ্যুতের খুব দরকার। নেপালেরও এ খাতে বিপুল সম্ভাবনা। আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম, নেপালে আসুন, পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ করুন, বিদ্যুৎ বানান, নিজ দেশে নিয়ে যান। এ জন্য নেপালের সঙ্গে চুক্তি করুন। ভারতের সঙ্গেও চুক্তি করুন। নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যবর্তী ভারতের ১৬ কিলোমিটার করিডর দিয়ে ট্রান্সমিশন লাইন স্থাপনের চুক্তি করুন। নেপালে কৃষির আধুনিকায়ন ও বাণিজ্যিকায়নে, অবকাঠামো খাতে, সিমেন্টশিল্পে, পর্যটনের বিস্তারে বাংলাদেশ বিনিয়োগ করতে পারে। বাংলাদেশিরা নেপালে যৌথ বিনিয়োগে আসতে পারে। বাংলাদেশ ভারতকে রাজি করিয়ে নেপালের সঙ্গে রেল, সড়ক, বিদ্যুৎ কানেকটিভিটি স্থাপন করতে পারে। ভারত বিশাল দেশ, আমাদের মতো দেশের জন্য তার হৃদয় বড় করা উচিত।
প্রথম আলো : আপনাকে ধন্যবাদ।
মাধব কুমার নেপাল : আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র আবারও শ্বেতাঙ্গ রাষ্ট্র হবে? by জেমস কিউ হুইটম্যান

অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন, স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট।
জেমস কিউ হুইটম্যান: ইয়েল ল স্কুলের তুলনামূলক ও বিদেশি আইন বিভাগের অধ্যাপক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিশোর হত্যা এবং দল বড় করার রাজনীতি by অনুপম দেবাশীষ রায়

অনুপম দেবাশীষ রায়: গবেষণা সহযোগী, কেটো ইনস্টিটিউট, ওয়াশিংটন ডিসি।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এই নির্বাচন কমিশন লইয়া আমরা কী করিব?’ by সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrabhassan55@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যায় দুই ভাই গ্রেপ্তার
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলবেল চাপলেই ছুটে আসেন এসি ল্যান্ড

রানীশংকৈলের অভিজ্ঞতা
সম্প্রতি রানীশংকৈল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, পরিপাটি করে সাজানো ভূমি কার্যালয়। ভবনের বাইরে টবে নানা প্রজাতির ফুল ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ। কার্যালয়ের মুখেই বোর্ডে নাগরিক সনদ টাঙানো। তাতে জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে, খতিয়ান তুলতে কত, খাসজমি বন্দোবস্ত নিতে করণীয়, কোন বিষয়ে কার সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করতে হবে—এসব তথ্য লেখা। বোর্ডের সামনে ‘সেবা টেবিল’ নামের একটি সহায়ক ডেস্ক। সেখানে একজন কর্মচারী সেবাপ্রার্থীদের তথ্য সহায়তা দেন। পাশের বাক্সে থরে থরে সাজানো নানা আবেদন ফরম। সেখান থেকে সেবাপ্রার্থীরা বিনা খরচে ফরম নিতে পারেন। কর্মচারীদের গলায় ঝুলছে পরিচয়পত্র। প্রতিটি কক্ষে ছোট সাদা বোর্ডে তাঁদের প্রতিদিনের কাজ লেখা। দিন শেষে এসি (ল্যান্ড) সেগুলো ধরে মূল্যায়ন করেন। কার্যালয়ের পেছনে রয়েছে সেবাপ্রার্থীদের বিশ্রামের জায়গা। দূরদূরান্ত থেকে আসা লোকজন সেখানে বিশ্রাম নেন। মহেশপুর গ্রামের হুমায়ুন কবীর বলেন, গত বছর তিনি জমির নামজারি করার জন্য বহুবার এসেও কাজ সারতে পারেননি। গত ১৩ নভেম্বর তিনি আবারও আসেন। এবার কার্যালয়ের অনেক পরিবর্তন নজরে পড়ে তাঁর। চোখে পড়ে কলবেলের বোর্ড। সেটি চেপে ধরেন তিনি। মুহূর্তেই তাঁর সামনে এসে দাঁড়ান এসি ল্যান্ড। তিনি হুমায়ুনের কথা শুনলেন। সঙ্গে সঙ্গে ডিসিআর (নামজারির পর দেওয়া বিকল্প রসিদ) রসিদ কেটে দিলেন। গত বছরের ২০ মার্চ সোহাগ চন্দ্র সাহা ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার পদে যোগ দেন। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি রানীশংকৈলের ভূমি কার্যালয়ে।
‘মাটির মায়া’ থেকে শুরু
২০১৫ সালে রাজশাহীর পবা উপজেলা ভূমি আফিসের জনবান্ধব সেবা চালু করেছিলেন তৎকালীন সহকারী কমিশনার শাহাদত হোসেন। নিজের অফিসের নিচে একটি টিনের ছোট ঘর তৈরি করেছিলেন তিনি। সকালে এসে সেখানেই বসতেন, গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলতেন সরাসরি। তিনি এই ঘরের নাম দিয়েছিলেন ‘মাটির মায়া’। সমস্যা শুনে যেটার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব সেটা করে দিতেন। আর অন্যদের হাতে চিকিৎসকের মতো তুলে দিতেন একটি করে চিরকুট। তাতে তাঁর সঙ্গে পরবর্তী সাক্ষাতের তারিখ লেখা থাকত। নির্ধারিত দিনে সেবাগ্রহীতা গিয়ে সেবা পেয়ে যেতেন। ২০১৫ সালে প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায় এ নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হলে সব ভূমি অফিসে এই উদ্যোগ চালুর বিশেষ উদ্যোগ নেন তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমেদ। সেই উদ্যোগ কতটা সফলভাবে চলছে, তা জানতে দৈবচয়ন ভিত্তিতে পাঁচটি উপজেলার ভূমি অফিসগুলো সম্প্রতি ঘুরে দেখা হয়।
পাঁচ উপজেলার অভিজ্ঞতা
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সার্টিফিকেট পেশকার মকবুল হোসেন নামজারি ও বিবিধ মামলার নোটিশ বোর্ড আপডেট করছেন। হেল্প ডেস্কে বসে গেছেন মাবিয়া খাতুন। এসি (ল্যান্ড) শিমুল আকতার তাকাচ্ছেন পাশের ‘রাজস্ব আদালতের’ দিকে, কোনো সেবাগ্রহীতা এসেছেন কি না। ঈশ্বরদীর ‘রাজস্ব আদালত’-এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘মাটির ময়না’। সেদিন নামজারির কাজে এসেছিলেন মহাদেবপুর গ্রামের আকাল সরদার। তৎক্ষণাৎ বললেন, তিনি তাঁর সেবা পেয়ে খুশি। এসি (ল্যান্ড) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী পুঠিয়া উপজেলার ভূমি অফিসে যোগদান করার পর গত ১৯ অক্টোবর ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে যেকোনো সেবার জন্য সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান। গত ২২ অক্টোবর পুঠিয়া ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, এসি (ল্যান্ড) নেই। কয়েকজন মানুষ তাঁর জন্য অপেক্ষা করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি রাজশাহীতে একটি সভায় আছেন। ফিরে এসে তাঁদের কাজ করে দেবেন। এই প্রতিবেদক ফোন নম্বর দিয়ে আসেন। কাজ না হলে ফোন করে জানাতে বলেন। উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম, বালাদিয়াড় গ্রামের আনোয়ার হোসেন ও বিড়ালদহ গ্রামের আবদুর রহিম পরে ফোন করে জানান, সহকারী কমিশনার এসেই তাঁদের কাজ করে দিয়েছেন। রাজশাহীর দুর্গাপুর ভূমি অফিসে গিয়ে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভূমি অফিস থেকে দালাল দূর করতে গিয়ে তাঁদের এখন নিজের কাজ নিজেকেই করতে হচ্ছে। বাজুখলসি গ্রামের বাবলু বলেন, সব কাগজপত্র দেখে নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে হচ্ছে।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
January
(1086)
-
▼
Jan 20
(49)
- পাঁচ দশকের দীর্ঘ লড়াই by বিল্লাল হোসেন রবিন
- ট্রাম্পের ১ বছর- গুড, ব্যাড অ্যান্ড আগলি by রব ক্র...
- যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কার্যক্রম বন্ধ
- শামীম ওসমানের বক্তব্যে তোলপাড় নানা প্রশ্ন by বিল্ল...
- শরণার্থীদের আপন করে নেয়া এক দম্পতি by প্রিয়াংকা চক...
- পর্নো তারকা অলিভিয়ার মৃত্যু
- চট্টগ্রামে বেপরোয়া অর্ধশত কিশোর গ্যাং by ইব্রাহিম ...
- পাটের পুনরুজ্জীবন চাই
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থার আশঙ্কা
- পশ্চিম নিজের অঙ্গীকার ভুলে গেছে by জেফরি ডি স্যাক্স
- উচ্চঃস্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে হত্যা
- ঘুম না এলে ঘুমের বড়ি! by তৌহিদা শিরোপা
- নেপাল কারও খেলার তাস হবে না by সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ...
- যুক্তরাষ্ট্র আবারও শ্বেতাঙ্গ রাষ্ট্র হবে? by জেমস ...
- কিশোর হত্যা এবং দল বড় করার রাজনীতি by অনুপম দেবাশী...
- ‘এই নির্বাচন কমিশন লইয়া আমরা কী করিব?’ by সোহরাব হ...
- জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যায় দুই ভাই গ্রেপ্তার
- কলবেল চাপলেই ছুটে আসেন এসি ল্যান্ড
- ব্যাংকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ
- চীনে ছিল এমন ডাইনোসর!
- একজন আইভীর গল্প
- টিভি বিজ্ঞাপনে এবং অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় নারী
- প্রণব মুখোপাধ্যায়ের চট্টগ্রাম দর্শন
- সবজিতে কুয়াশার হানা
- সৌদি আরবে নারীকর্মীরা অনেক কষ্টে আছেন
- নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন মরিয়ম নওয়াজ
- নাইজারে বোকো হারামের হামলায় ৭ সৈন্য নিহত
- রুম ভাড়া না দেয়ায় পেট্রল দিয়ে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু
- অভিনব প্রস্তাব দিয়ে বিদ্রুপের শিকার ব্রিটিশ পররাষ...
- তুরস্কের সামরিক অভিযান শুরু, যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা
- আফগান সীমান্তে অভিযান, রেডিও টাওয়ার ধ্বংস করল পাকি...
- তুর্কি সেনাবাহিনী কেন সিরিয়ায় সামরিক অভিযানে যাচ্ছে?
- সামরিক শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের
- স্থগিত ডিএনসিসি নির্বাচন
- পশ্চিমবঙ্গে শিল্পক্ষেত্রে অচলাবস্থার কারণেই বাংলাদ...
- নজর এড়িয়ে ডোকলামে সেনাঘাঁটি গড়ছে চীন
- স্কার্ফ পরায় আইনজীবীকে আদালত ছাড়া করলেন ইতালির বিচারক
- আত্মহত্যার হুমকিতে কাতারের বন্দি প্রিন্সকে হাসপাতা...
- চকলেটের ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
- দুঃসাহসী অথচ সরল এক মানুষ
- যেভাবে বুঝবেন আপনার সন্তান মাদকাসক্ত
- আতঙ্কের নাম আই বি এস
- শিশুদের ফেসবুক আসক্তি কাটাতে যা করবেন
- ছুটির দিনে বাণিজ্য মেলায় উপচেপড়া ভিড়
- ডেমোক্রেটদের হাতে জিম্মি ট্রাম্প সরকার
- বিক্ষোভ ঠেকাতে টাকা ঢালে সৌদি রাজপরিবার
- আফরিনে হামলা শুরু করেছে তুরস্ক
- সারা মাসে সূর্যের দেখা ৬ মিনিট
- রক্তে মিলবে ক্যান্সারের লক্ষ্মণ
-
▼
Jan 20
(49)
-
▼
January
(1086)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...