Wednesday, May 25, 2016

ফুটপাতের হোটেলে চেটেপুটে নিশিভোজ

দেখে পানীয় আর খাবারে মনোযোগী মনে হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট
বারাক ওবামা আসলে ‘জনগণমন’ কূটনীতিতে ব্যস্ত। একসময়
মার্কিন বোমার আঘাতে তছনছ হয়ে গিয়েছিল ভিয়েতনাম।
এবার তাদেরকেই নিজেদের অস্ত্রে সজ্জিত করার প্রতিশ্রুতি
দিয়েছেন ওবামা। সে উপলক্ষ্যেই কিঞ্চিত জলপান! সোমবার
রাতে ভিয়েতনামের রাস্তার এই চিত্রটি মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে বিবিসি
হ্যানয়ের রাস্তায় বসে রাতের খাবার খেলের মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তারপর চুমুক দিলেন স্থানীয় বিয়ারে। করলেন উচ্ছ্বসিত প্রশংসা। প্রোটকলের হাকডাক নেই। হুটহাট ঘটে গেল ঘটনাটা। বিখ্যাত ভিয়েতনামি পাঁচক অ্যান্থনি বোর্দাইন মঙ্গলবার এমন কিছু স্থিরচিত্র পোস্ট করেন নিজের টুইটার এবং ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে। নতুন নতুন স্ট্রিটফুডের উদ্ভাবক হিসেবে নিজেকে কিংবদন্তির পর্যায়ে নিয়ে গেছেন অ্যান্থনি। তার সঙ্গেই সোমবার রাতের বেলা ঘুরতে বেরোন ওবামা। দিনের আলোয় ভিয়েতনামের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে রাতেই চেখে দেখলেন সেখানকার আহারের স্বাদ। এ সময় ন্যুডলস, সবজি এবং শূকর ভাজা খান তিনি। তবে এ উপলক্ষে আলাদা কোনো আয়োজন ছিল না সেখানে। প্লাস্টিকের এক সাধারণ টুলে বসেই আহারপর্ব সারেন ওবামা। খাওয়া শেষে পরিশোধ করেন ৬ ডলারের বিল।
এ ব্যাপারে রেস্তোরাঁ মালিক থাই লিয়ের বলেন, ‘আমি জানতাম একজন অতিথি আসবেন। তবে তিনি যে ওবামা হবেন তা জানতাম না।’ ওবামার চপস্টিক ব্যবহারের কায়দাকানুন দেখে রীতিমতো মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন তিনি। এত নম্র এবং আলতোভাবে স্টিক ব্যবহার করে ওবামাকে খানা খেতে দেখে অবাক হয়েছেন তিনি। ওবামার এই সফরের মধ্যদিয়ে সম্প্রতি দীর্ঘদিনের শত্রু থেকে বাণিক বন্ধুতে পরিণত হয়েছে রাষ্ট্র দুটি। দুষ্টলোকরা বলছে-৪ এমন পরিস্থিতিতে জনগণমন জয়ে ওবামাই শুধু ওবামার জুড়ি! তবে ডিনার শেষে চলে যাওয়ার সময় উৎসুক মানুষের সঙ্গে হাত মেলান ওবামা। ওবামার এই খাপছাড়া খামখেয়ালিপনা দূরদর্শী কূটনীতিরই একটা অংশ। আর সে প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আপাদত যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা শেষ। এবার শুরু বন্ধু বন্ধু মেলা। দক্ষিণ চীন সাগরে প্রভাব বিস্তারে ভিয়েতনামকে কতটা কাজে লাগাতে পারেন ওবামা- সেটাই এখন দেখার বিষয়। ওবামার এই ‘জনগণমন’ কূটনীতি কতটা সফল হবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন। তবে হ্যাঁ, স্ট্রিট ডিনারের ভিডিওটা সেপ্টেম্বরে সম্প্রচার করা হবে বলে হোয়াইট হাউস প্রতিনিধির বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি।

দিনে দিনে হতাশা বাড়ছে হিলারির

ওবামার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ‘নির্ভরতার সমীক্ষা সূচক’ জরিপে শতকরা ৬৬ শতাংশ মানুষের আস্থা অর্জন করেছিল সাবেক ফার্স্টলেডি হিলারি ক্লিনটন। এমনকি ২০১৫ সালের শুরুতেও তার প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন ৫০ শতাংশ মানুষ। কিন্তু সম্প্রতি এই সুদর্শনার দিক থেকে সবাই যেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এখন ৫৭ শতাংশ মানুষ বলছেন হিলারির উপর আস্থা রাখা যায় না। ওয়াশিংটন পোস্ট এবং এবিসি নিউজের জরিপে এ তথ্য এসেছে বলে মঙ্গলবার সংবাদ প্রকাশ করেছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। এছাড়াও একই দিনের দ্য ইকোনমিক টাইমস জানাচ্ছে- দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এবং সিবিএস নিউজের জনমত জরিপেও ঠেঁসে গেছেন হিলারি। হিলারি তাদের মূল্যবোধ বোঝেন না বলে দাবি করেছে ৬০ শতাংশ মানুষ। ৬৪ শতাংশ বলছে হিলারি সততায় ঘাটতি আছে এবং তাকে বিশ্বাস করা যায় না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতিবাচক ইমেজকে পুঁজি করে সহজেই হোয়াইট হাউসে যাওয়ার যে স্বপ্ন হিলারি দেখছিলেন সে আশার গুঁড়ে এখন শুধুই বালি।
রাজনীতির ময়দানের চিত্র এখন পুরোটাই আলাদা। তুমুল জনপ্রিয় হিলারির ইমেজটাই এখন নেমে গেছে ‘নেতিবাচক’ ইমেজধারী ট্রাম্পের কাতারে। সাম্প্রতিক সময়ের জনমত জরিপে খুব পাশাপাশি অবস্থান করছেন তারা। অজনপ্রিয়তায় দু’জনেই সমান ৫৭ শতাংশ এবং জনপ্রিয়তায় ট্রাম্পের চেয়ে মাত্র ২ শতাংশ এগিয়ে- এই হল হালে হিলারির অবস্থা। জনমত জরিপে এগিয়ে থাকলেও ঝুঁকিমুক্ত নন : রিপাবলিকানদের অন্তর্দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে রাজনীতির মঞ্চে এখন অনেক শক্তিশালী হওয়ার কথা ছিল হিলারির অবস্থান। কিন্তু সেই অবস্থানে নেই তিনি। উল্টো তার অবস্থাও টালমাটাল। উদারপন্থী বলে পরিচিত আরেক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী স্যান্ডার্সের তুমুল জনপ্রিয়তাই এর কারণ। জনমত জরিপে ট্রাম্পের তুলনায় ২ শতাংশ ভোটে এগিয়ে আছেন হিলারি। তবে হিলারির সমর্থকদের ৬০ শতাংশ ব্যক্তিই জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র ট্রাম্পকে সমর্থন করবেন না বলেই তারা হিলারিকে সমর্থন করছেন। সে হিসেবে ট্রাম্পের পক্ষে স্যান্ডার্সের সমর্থন আরও বেশি বলেই ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনে জিততে চাইলে স্যান্ডার্সের ভোটারদের উপর ভরসা করতে হবে হিলারিকে।
কিন্তু সে নিশ্চয়তা তিনি সহসাই পাচ্ছেন না। পাল্টাপাল্টি অক্রমণে ডেমোক্র্যাট শিবিরে এখন জগাখিচুড়ি অবস্থা। ২০১২ সালের নির্বাচনপূর্ব জরিপে রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনীর তুলনায় ১৫ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সে তুলনায় হিলারির অবস্থা খুব একটা সুবিধাজনক না। অতি গোপনীয় চরম পেশামুখিতা হিলারির পথের কাঁটা : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে জানাচ্ছে যে- দারুণ একটা শুরুর পরেও শেষপর্যন্ত কেঁচে গিয়েছে হিলারির জনপ্রিয়তা। এক্ষেত্রে তার কর্পোরেট ইমেজ এবং জনগণ মানুষের সঙ্গে সখ্যতা না থাকার বিষয়টিতেই তুলে ধরেছে তারা। এছাড়াও হিলারির নির্বাচনী প্রচারণার ভুল কৌশলও তাকে নেতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেছে নাগরিক সমাজে। লোকজন বলছে, ‘হিলারির নির্বাচনী প্রমো দেখে তাকে কোনো মানুষ মনে হয় না। ভিনগ্রহের প্রাণী মনে হয়। চাকচিক্যে ভরপুর কিন্তু কোথাও নেই প্রাণবন্ততার ছোঁয়া।’ এছাড়াও ‘শুধুমাত্র’ সমাজের সফলশ্রেণীর সঙ্গেই হিলারি সখ্যতার বিষয়টিতেও কেউ আর ভালো চোখে দেখছে না। মানুষের অভিযোগ, অতিরিক্ত পেশাগততার আড়ালে হিলারির ব্যক্তিত্বের ব্যক্তিগততা খুঁজে পাওয়া যায় না। এছাড়াও সাধারণ নাগরিক জীবনযাত্রার সঙ্গে তার চলাফেরা একেবারেই সামঞ্জস্যহীন এবং সবকিছুই গোপনতায় ঠাঁসা বলে জরিপে উঠে এসেছে। দ্য ইকোনমিক টাইমস বলছে, ব্যয়বহুল নির্বাচনী প্রচারণাই তাকে জনমনে নেতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
ধরি মাছ না ছুঁই পানি এই হল হিলারির অবস্থা : হিলারির সামনে অবারিত সুুযোগ আছে কিন্তু তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এখন ব্যক্তিগত অবস্থানের অস্পষ্টতা। এখন পর্যন্ত তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি যে তিনি বামঘেঁষা রাষ্ট্রপতি হবেন নাকি উদারনীতির পথে হাঁটবেন। এক্ষেত্রে ডোনাল্ট ট্রাম্পের মতো একই সমস্যার সম্মুখীন তিনি। রিপাবলিকান মনোনয়নের ভোটে জিতে এলেও নিজ দলের নেতাদের আস্থা অর্জনে এখনো খাঁবি খাচ্ছেন ট্রাম্প। রক্ষণশীল রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের রক্ষণশীলতা নিয়েও সন্দীহান। দলের আদর্শ রক্ষার্থে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে রীতিমতো নিজের দলেই চাপের মুখে আছেন ট্রাম্প। হিলারিকেও আদর্শিকভাবে কট্টরপন্থী বলে অভিহিত করে নিয়মিতই আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছেন আরেক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বার্নি স্যান্ডার্স। একই সঙ্গে কয়লা নীতির প্রসঙ্গে হিলারিকে পেটি বুর্জোয়া বলতেও তিনি ছাড়ছেন না। রাষ্ট্রীয় নীতির বিষয়ে অস্পষ্টতা : অভ্যন্তরীণ নীতিতে ক্লিনটনের বামঘেষা উদারনৈতিক আদর্শ এবং সমঝোতার রাজনীতে ভর করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছেন এই সাবেক ফার্স্টলেডি। তিনি শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির পক্ষে তবে বৃদ্ধির হার সীমিত, খুব বেশি বৃদ্ধির পক্ষেও না। তিনি সম্পদের উপর কর বাড়াতে চান তবে উদারপন্থীদের দাবির মতো অত্যাধিক হারে না। তিনি ব্যাপক পরিসরে নাগরিক কর্মকাণ্ডে সরকারি অংশগ্রহণের পক্ষে তবে শুধু সেবা হিসেবে নয় বরং অর্থের বিনিময়ে সেবা দেয়ার পক্ষে। পররাষ্ট্র বিষয়েও তিনি ওবামার মতো স্থিরচিত্ত নন। বহির্বিশ্বে অধিক হস্তক্ষেপের পক্ষে তিনি। বণিক প্রীতি নীতির গ্যাঁড়াকল : ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের জন্য হিলারি পছন্দনীয় ব্যক্তি হতে পারেন। কারণ তিনি আগে থেকেই ব্যবসায়ীদের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। এই কারণে নিজের দল এবং প্রতিপক্ষ রিপাবলিকানদের দ্বারাও উপর্যুপরি আক্রমণের শিকার তিনি। দু’পক্ষই একজোট হয়ে হিলারিকে বলছেন-বণিক শ্রেণীর প্রতিনিধি।

সাকিব না মুস্তাফিজ আজ কার বিদায়

এবারের আইপিএলে বাংলাদেশের দুই প্রতিনিধি সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে যে কোনো একজনের ‘ছুটি’ হয়ে যাবে আজ। দুই টাইগারের তৃতীয় দ্বৈরথে যিনি হারবেন, তারই বিদায়ঘণ্টা বেজে যাবে আইপিএল থেকে। দিল্লিতে আজ বাঁচা-মরার এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি সাকিবের কলকাতা নাইটরাইডার্স ও মুস্তাফিজের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে মুস্তাফিজদের হারিয়েই শেষ চারের টিকিট কেটেছেন সাকিবরা। ওই হারে শীর্ষ দুইয়ে থেকে কোয়ালিফায়ার ওয়ানে খেলার সুযোগ হারিয়েছে হায়দরাবাদ। কোয়ালিফায়ার ওয়ানের সুবিধা হল, এ ম্যাচে জিতলেই সরাসরি ফাইনাল। আর হারলেও দ্বিতীয় সুযোগ থাকে।
কিন্তু এলমিনেটর ম্যাচে হারলেই বিদায়। আজ দিল্লিতে সাকিব ও মুস্তাফিজের লড়াইটা হবে নিজ নিজ দলের ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার। এলিমিনেটরের বিজয়ী দল খেলবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। প্রতিপক্ষ কোয়ালিফায়ার ওয়ানের পরাজিত দল। সেই দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের বিজয়ী দল যাবে ফাইনালে। টিকে থাকার লড়াইয়ে হায়দরাবাদের বড় ভরসা মুস্তাফিজই। ১৪ ম্যাচে ২২.২৫ গড়ে ১৬ উইকেট নিয়ে দলের প্রাণভোমরা হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের এই বাঁ-হাতি পেসার। সেই তুলনায় কলকাতায় জার্সি গায়ে এবারে অনেকটাই ম্লান সাকিব। ১০ ম্যাচে নিয়েছেন মাত্র ৫ উইকেট। ব্যাট হাতে ফিফটি মাত্র একটি। তবে কে জানে, সেরাটা হয়তো শেষের জন্যই তুলে রেখেছেন সাকিব!

ব্লকবাস্টারে আসছে হলিউডের আলোচিত দুই ছবি

ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের বিলাসবহুল সিনে থিয়েটার ব্লকবাস্টার সিনেমাসে মুক্তি পাচ্ছে হলিউডের আলোচিত দুই ছবি ‘টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টারটেলস : আউট অব দ্য শ্যাডো’ ও ‘নাও ইউ সি মি-২’। ৩ জুন মুক্তি পাবে ‘টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টারটেলস : আউট অব দ্য শ্যাডো’ ছবিটি। এ উপলক্ষে ২ জুন সন্ধ্যায় ব্লকবাস্টার সিনেমাসে ছবিটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ডেবিড গ্রীন। টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টারটেলস সিরিজের সর্বশেষ ছবি এটি। থ্রিডি, সাইন্সফিকশন, অ্যাকশন ও কমেডি ধাঁচের এ ছবিটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে।
এতে বিভিন্ন চরিত্রে অংশ নিয়েছেন মেগান ফক্স, স্টিফেন এমিল, উইল আরনেট, টেইলর পেরি ও ব্রিয়ান টি প্রমুখ। উল্লেখ্য, এ সিরিজের আগের সব ছবিই ব্লকবাস্টারে প্রদর্শিত হয়েছে ও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। এ ছবি ছাড়াও ১০ জুন আরেকটি আলোচিত ছবি ‘নাও ইউ সি মি টু’ মুক্তি পাবে ব্লকবাস্টারে। জন এম চো পরিচালিত এ ছবিতে অভিনয় করেছেন ড্যানিয়েল রেডক্লিফ, মার্ক রোফালো, জেসি এইসেনবার্গ ও লেভি চ্যাপলেন। ম্যাজিকের ওপর বিস্ময়কর কার্যাবলী নিয়ে এ ছবির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। মুক্তির ছবি দুটি ব্লকবাস্টার সিনেমাসে নিয়মিত প্রদর্শিত হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।