Wednesday, September 15, 2021
গল্প- অদরকারি by মোহাম্মদ কামরুজ্জামান

বাস্তব
জগতে যখন কিছু ঘটে, তখন তা ঘটতে যা যা লাগে তার সবকিছু নিয়েই সে ঘটে –
যেমন আসমান থেকে জমিনে বৃষ্টি পড়তে পানি লাগে, আসমান লাগে আর জমিন লাগে।
তিনটে জিনিসের উপস্থিতিতেই কেবল ‘গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা’ হয়। মুশকিল হচ্ছে,
যা লাগে না তা-ও থাকে, যেমন সুলতাদের ঘিনঘিনে কানাচে একটি আত্মজ্বালা
মানকচু গাছ – অঝোর বৃষ্টিধারায় ওর পাতা কেবল নুয়ে নুয়ে পড়ে।
বাসে বাসে গুঁতোগুঁতি লাগার সময় দুটো বাস, দুই বাসের দুই চালক, আর একটা রাস্তা হলেই হয়; গুঁতোগুঁতির কাজে সাহায্যের জন্য বড়জোর দুই বাসের দুই হেলপার লাগতে পারে, কিন্তু রাস্তার পাশে যে শিরীষ গাছটা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাতাস টানছিল, ওটার নিশ্চয় দরকার ছিল না। কিন্তু সেদিন টাল সামলাতে না পেরে, পেছনের বাসটা গিয়ে ওটার সঙ্গেই দ্বিতীয় গোত্তাটা খেল, পেছনের দুই চাকা একবার শূন্যে তুলে দিয়ে মুখ ভচকে দাঁড়িয়ে পড়ল, যাওয়ার সময় সামনের বাসের হেলপারের কাঁধ থেকে বাঁ-হাত আর ধড় থেকে মাথা ছিঁড়ে নিয়ে গেল। ওই প্রকা- শিরীষ গাছের ডালপাতার ফাঁকে ফাঁকে যে অতগুলো কাকদুপুরে বিশ্রাম করছিল, সেটা বোঝা গেল, যখন বিকট দানবীয় শব্দ শুনে তারা কা-কা করতে করতে ডানা ঝাপটে ত্রস্তস্রস্ত বেরিয়ে এলো। অবশ্য তারপর মানবীয় চিৎকার শুরু হলে তারা একে একে আবার পাশের গাছে গিয়ে বসেছিল।
সামনের ডানপাশের বাসটা পশ্চাদ্দেশ দুলিয়ে যখন গোঁ-গোঁ করে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছিল, তখন বাঁপাশ থেকে ওই হতভাগা বাসটি মাথা গুঁজে ওটার পেছনে পেছনে আসছিল। দুই হেলপার পরস্পরের দিকে দুবার চোখ গোল করে তাকিয়েছিল। পেছনের চালক তার পান-খাওয়া ঠোঁটে রাঙা হাসি দেখিয়েছিল সামনের হেলপারকে, ও যখন পেছনের ওস্তাদের সঙ্গে তামাশা করার জন্য ঘাড় ঘুরিয়েছিল। ওস্তাদের রস বোধহয় একটু বেশিই বেরিয়ে গিয়েছিল – বাঁ-হাতের চেটোর উলটো পিঠ দিয়ে ঘষে ঠোঁট মুছে নিয়েছিল। সামনেরটার চালক যখন টের পেল পরকীয়া চলছে, তখন বাঁয়ে কাত হয়ে পেছনেরটাকে বেমক্কা চাপ দিলো। পেছনেরটা তাড়া খেয়ে সরে না গিয়ে ঝাড়া দিয়ে মাথা এগিয়ে দিলো। সে-মাথা গিয়ে সামনেরটার দরজা গলে ঢুকে পড়ল, তারপর খানিক কড়কড়-ক্যাঁচক্যাঁচ ঝনাৎ-ঝনাৎ আওয়াজ করে অবশেষে ঘোঁতঘোঁত করে বেরিয়ে এলো। আসার সময় হামানদিস্তার মতো ছেঁচে বের করে আনল হেলপারের শরীরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ – মুখে করে নিয়ে বেগতিক ছুটল শিরীষ গাছটির দিকে। প্রকা- শিরীষ গাছের কা- সেঁধিয়ে গেল বাসের নাক বরাবর – গাছের বাকলের সঙ্গে বাসের মুখ ভাঁজ হয়ে লেপটে গেল। মুহূর্তে বাসের সামনের অর্ধেকটা বালকের শিশ্নের মতো কুঁচকে গেল।
থানা থেকে লোকজন এসে বাস কাটতে আরম্ভ করল। তখন দেড়টা বাজে। গনগনে রোদ। কাকের কা-কা। মাঝেমধ্যে খয়েরি-সাদা বিষ্ঠা ঝরে পড়ছে শিরীষ গাছগুলো থেকে। ক্রেনের কমলা রঙের বিশাল বাহুর ধীর ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। বাসের সামনের দিক থেকে শুরু করল উদ্ধারকাজ। প্রথমে একটা একটা করে দুটো হাত বেরোল – একটা কাঁধ থেকে ছেঁড়া, আরেকটা কনুই থেকে। দুটোই বাঁহাত। ইন্সপেক্টর তপন ছোট্ট করে বললেন, ‘ড্রাইভার মরেছে।’ কেউ শুনতে পেল না। লোকজনের চেঁচামেচি, বাঁশির ফুঁকাফুঁকি, ওয়াকিটকির টুঁত-টুঁত, পুলিশভ্যানের হর্ন, দমকল গাড়ির সাইরেন – সবকিছুর সমবেত পরিবেশনার মাঝে ব্যক্তিবিশেষকে নিয়ে কারো কোনো আগ্রহ নেই। যে-লোকটা বলেছিল ড্রাইভার পালিয়েছে, তাকেও আর দেখা যাচ্ছে না, এতক্ষণে সমষ্টির মাঝে মিশে গেছে সে। হয়তো এত মানুষের কোলাহলে সে ভুলেও গেছে, কাকে সে ‘কালপ্রিট’ বলে গালি দিয়েছিল। ব্যক্তির অপরাধ সমষ্টির ঔৎসুক্যে মিশে গেছে – কিন্তু শোক মেশেনি; শোক মেশে না – শোক ব্যক্তির, সমষ্টির না। সেই ব্যক্তিরা এখনো অকুস্থলে এসে পৌঁছায়নি।
সকালে আতোয়ার সাহেব কাজে বেরিয়েছিলেন। দুটো বাসে গুঁতোগুঁতি ঘটার জন্য আতোয়ার সাহেবকে কি প্রয়োজন ছিল? – না, ছিল না। কিন্তু তিনি ছিলেন – পেছনের বাসটাতে ছিলেন – পুরো ঘটনার সাক্ষী। তার দরকার না থাকলেও মাঝেমধ্যে তিনি অনেক জায়গায়ই থাকেন। যেমন তার শ্যালিকার গায়ে হলুদে তাকে দাওয়াত দেওয়া হলো না, শুধু বিয়ের অনুষ্ঠানের দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল, অথচ গায়েহলুদের দিন সকালবেলায়ই তিনি পাঞ্জাবি-পাজামা পরে ড্রইংরুমে বসে হাঁক দিচ্ছিলেন, ‘কই, তোমার হলো? যেতে যেতে তো সবাই ওরা চলে যাবে। নতুন আত্মীয়রা আসবে, ওদের সঙ্গে একটু মোয়ামেলাদ না করলে কেমন হয়?’ ‘এই হলো’, বলে জোহরা রান্নাঘরে ঢুকল। সিংকে ছরছর করে পানি ছেড়ে মাজুনি দিয়ে পরিষ্কার করতে শুরু করে দিলো। আবার হাঁক দিলে, বালিশের কভারগুলো খুলে নতুন কভার লাগাতে বসল। কিন্তু শাড়ি পরছিল না, সাজগোজ করছিল না। আর আতোয়ার সাহেব কেবল ক্ষেপে যাচ্ছিলেন।
জোহরা কী করে বোঝায়, ওদের বাড়ির লোকজন আতোয়ারকে যেতে বলেনি, শুধু জোহরাকে যেতে বলেছে। জোহরা গটগট করে ড্রইংরুমে ঢুকল, হাতের মুঠোয় পর্দার কোনা ধরে দাঁড়াল, সোফায় পা-তুলে বসা আতোয়ার সাহেবকে সোজা জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কাপড় পরেছ কেন, তোমাকে তো যেতে বলেনি?’ আতোয়ার সাহেব বললেন, ‘এসব প্রোগ্রামে আবার বলা লাগে নাকি? হাজার হলেও শালির গায়েহলুদ, না গেলে ও খুব মাইন্ড করবে।’ ‘না, করবে না’, জোহরার কণ্ঠে শাসনের সুর, কিন্তু চোখে অভিমানের অশ্রু। ‘এটা পুরুষদের প্রোগ্রাম নয়, মহিলাদের’, জোহরা অন্যদিকে তাকিয়ে কথাটা বাতাসে ছেড়ে দিলো। আতোয়ার সাহেবের কানে পৌঁছালে তিনি সোফা থেকে পা নামিয়ে ঝাঁকুনি দিয়ে বসলেন, ‘কেন? ফরিদ যাচ্ছে না? ওর সাথে আমার এই একটু আগেই কথা হলো।’ জোহরা চুপ। জবাবে কী বলবে, সঙ্গে সঙ্গে ওর মনে এলো না – একটু দেরি হলো। ও কেবল বলতে যাচ্ছিল, ‘যাচ্ছে, ও সাবিনাকে দিয়ে চলে আসবে’, কিন্তু বলতে পারল না, ততক্ষণে আতোয়ার সাহেব একটার পর একটা পুরুষ মানুষের নাম আওড়াতে শুরু করে দিয়েছেন, ‘ছোটকাকা, বড় দুলাভাই, মিমের আব্বা, মাহতাবভাই, মিজান, মারুফ, মতিন … শাড়ি পরো, শাড়ি পরো। বাসন্তিটা পরো …।’ ‘তাহলে, তুমি যাও। আমি যাব না।’ জোহরা বলল।
‘তা কী করে হয়? তোমার ছোটবোন, আর তুমি যাবে না? ওরা কী ভাববে, বলো তো?’
জোহরা মনে করিয়ে দিতে চেয়েছিল যে, শাকিলা ওর কাজিন, ছোটবোন নয়। কিন্তু কথাটা আটকে গেল। শাকিলা এ-বাসায় এতবার এসেছে, আর আতোয়ারকে নিয়ে ও ওদের বাসায় এতবার গিয়েছে যে, আপন-পরের পার্থক্য ওরা অনেক আগেই ভুলে গেছে। এত আগে ভুলেছে যে, এতদিন পরে তা মনে করিয়ে দিলেও মনে পড়বে না। আর মনে পড়লেও তাতে কোনো কাজ হবে বলে মনে হলো না। জোহরা যে উদ্দেশ্যে কথাটা বলতে চাচ্ছিল, সে উদ্দেশ্য সাধন হবে না – আতোয়ার সাহেব শাকিলার কপালে হলুদ লাগাবেনই।
মাসদুই আগে শাকিলাকে পাত্রপক্ষ যেদিন দেখতে এসেছিল, কাছের মানুষ হিসেবেই হোক আর কাজের মানুষ হিসেবেই হোক, আতোয়ার-জোহরারা সেখানে ছিলেন। জোহরা সারাদিন পাটায় মরিচ বেটেছে, টিকিয়ার মাংস ছেঁচেছে, খুঁটে খুঁটে রাজহাঁসের পশম তুলেছে, গরুর ভুঁড়ি সিদ্ধ করে পর্দা ছাড়িয়েছে, পাটায় পিষে ফলি মাছের কাঁটা বের করেছে। শাকিলার মা বারবার বলেছেন, ‘দোয়া কর, যেন ওই বাড়িতে বিয়ে না হয়, তাহলে মেয়ে দুইটাই পাঠাতে হবে।’
‘ক্যান চাচি?’ জোহরা পাটার ওপরে নোড়া ঘষতে ঘষতে বলেছিল।
‘তুই না গেলে শাকিলা একদিনও ও বাড়িতে টিকতে পারবে না, ওদের যে খাওয়ার মুখ।’ শাকিলার মা হেসে গড়িয়ে পড়ছিলেন। জোহরা দুই কাঁধ তুলে নোড়া দিয়ে পাটার ওপর জোরে জোরে দুই ঘষা দিয়ে দম নিল। হাসিতে যোগ দিতে গিয়েও থেমে গেল। শাকিলার মা জোহরার দিকে তাকিয়ে নেই, আনমনে পাত্রপক্ষের গাড়িবাড়ি শান-শওকত নিয়ে ব্যঙ্গ করতে শুরু করেছে। জোহরা আবার একমনে নোড়া ঘষতে লাগল।
সন্ধ্যায় পাত্রপক্ষ শাকিলাকে দেখতে এলে আতোয়ার সাহেবের সারামুখে অনুনয়-বিনয় গলে গলে পড়ছিল – কাকে কী বলে, কাকে কোথায় বসতে দেয়, কার কী লাগে, কে কখন টয়লেটে যায়। পাত্রপক্ষ আর কথা কী বলবে, বলার আগেই তিনি সব উত্তর দিয়ে দিচ্ছিলেন। মেয়ে যে হীরের টুকরো সে-কথা বিশ^াস করাতে যতরকম প্রমাণ হাজির করতে হয়, তার সব তিনি গড়গড় করে হাজির করছিলেন। পাত্রের বাবা তো দূরের কথা, শাকিলার বাবাও দুকথা বলার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে পাত্রের মামা চোয়াল শক্ত করে জিজ্ঞাসা করে বসল, ‘তিনি কে?’ আতোয়ার সাহেব নিজেই সে-প্রশ্নের উত্তর দিতে আরম্ভ করলে শাকিলার ছোটকাকা বিষয়টা সামলালেন। তাতেই সর্বনাশ ঘটল। ছোটকাকা যা বলেছিলেন তাতে কোনোভাবেই বোঝা গেল না আতোয়ার সাহেব শাকিলার কত আপনজন, শাকিলা সম্পর্কে খুঁটিনাটি কথা কেবল তিনিই বলতে পারেন, ঘনিষ্ঠতার সূত্রে শাকিলা সম্পর্কে তিনি এমন কিছু জানেন, যা তার পরিবারের কেউ জানে না; তিনি জানেন, শাকিলা একা একা বৃষ্টি দেখতে পছন্দ করে। বলতে বলতে আতোয়ার সাহেবের স্নেহবিগলিত মুখটি প্রিয়জনের সুখসম্ভাবনায় যতই প্রস্ফুটিত হতে থাকল পাত্রপক্ষের সবার চোখ ততই সরু হতে থাকল। মাঝখানে ছোটকাকা আতোয়ার সাহেবকে ডেকে আড়ালে নিয়ে না গেলে সেদিন হয়তো ওদের চোখ একেবারেই বুজে যেত। পাশের ঘর থেকে শুধু শোনা যাচ্ছিল আতোয়ার সাহেব ছোটকাকার চাপা কণ্ঠস্বর ছাপিয়ে চেঁচাচ্ছেন, ‘… আমি তো সেই কথাই বলছি … আমি তো সেই কথাই বলছি …।’
সেদিন পাত্রপক্ষের চোখ যতটুকু বুজেছিল, সেটুকু খুলতেই ছোটকাকার দুমাস লেগে গিয়েছিল। দুমাস পর, বিয়ের তারিখ দিলে, ছোটকাকা গায়ে হলুদের জন্য দুদিন আগের তারিখটা নিয়ে নিলেন। দাওয়াত দেওয়ার সময় শাকিলার মা জোহরাকে বলেছিলেন, ‘তুই আসিস। … দ্যাখ, পাত্রপক্ষ থেকে কয়েকজন হলুদ দিতে আসবে …।’
মানুষের যে-কোনো খুঁটিনাটি বিষয়ের প্রতিই আতোয়ার সাহেবের অতি আগ্রহ; কারোর সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে দুপক্ষের আগ্রহ তিনি একাই দেখিয়ে দেন, দেখানোর জন্য অন্যপক্ষের আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। বাইরে সবার ব্যাপারে যার সীমাহীন আগ্রহ সেই আতোয়ার সাহেব ঘরে জোহরার গুরুতর ব্যাপারগুলোতে কোনো আগ্রহই দেখান না। আজ সকালে বেরোনোর আগে চায়ের কাপ হাতে দিয়ে জোহরা যখন বলল, ‘তুমি কী ভাবছ, আইভিএফ করাবে না?’ আতোয়ার সাহেব কিছু বললেন না। প্রসঙ্গ এড়িয়ে যেতে চাইলেন। জোহরা বলল, ‘অনেকেই তো এভাবে বাচ্চা নিচ্ছে।’ আতোয়ার সাহেব জানেন, জোহরার আর বাচ্চা হবে না – ডাক্তার অনেক আগেই পরিষ্কার বলে দিয়েছেন। আর জোহরা জানে আইভিএফ করালেই ওর বাচ্চা হবে – একবারে না হলে দুবারে হবে, কিন্তু হবে। জোহরা জানে, ওর হাজব্যান্ড রাজি হচ্ছে না বলেই ওদের বাচ্চা হচ্ছে না; আর আতোয়ার সাহেব জানেন, জোহরার ওভারি ড্যামেজড, যে-কথা তিনি ওকে কোনোদিনই বলবেন না, ওর মুখ ছোট হয়ে যাবে, ও আর ঝগড়া করতে পারবে না। ও যেন ঝগড়া করতে পারে, তাই ওকে আতোয়ার সাহেব বলেছেন, তিনি আইভিএফ পছন্দ করেন না, ওনার শুচিবায়ু আছে, সন্তানের প্রতি অশুচিবোধ নিয়ে উনি স্বাভাবিক থাকতে পারবেন না – এসব। এ নিয়ে জোহরা রোজ ঝগড়া করে, হাজব্যান্ডকে বোঝায়, আইভিএফে তার শরীরের উপাদানই কীভাবে প্রসেস করা হয়, আর তাতে তারই পুরোপুরি সম্পৃক্ততা, অন্য কারো নয়। আতোয়ার সাহেব বোঝেন, কথাগুলো জোহরার, কিন্তু শব্দগুলো জোহরার নয় – ওর কোনো বান্ধবী ওকে বুঝিয়েছে। জোহরা কঠিন শব্দ মনে রাখতে পারে না। জোর করে মনে রাখলে বলার সময় ধরা পড়ে যায় – উচ্চারণে ভুল হয় – ও ‘ফেলোপিয়ান টিউবকে’ ‘পোলাপান টিউব’ বলছিল।
জোহরা ঝগড়া করুক। যে মেয়ে ঝগড়া করে না, সে মেয়ে হতে পারে, স্ত্রী নয়। আতোয়ার সাহেবের ভালো লাগে, জোহরা যখন ঝগড়া করে, ঝগড়া করতে করতে ও যখন হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে, সত্যিমিথ্যে ভুলে যায়, অসম্ভব মিথ্যে কথা বলতে থাকে, কঠিন কঠিন মিথ্যে কথা বলতে থাকে। আর প্রতিটা মিথ্যে কথা ঢাকার জন্য আবার মিথ্যে কথা বলে। তারপর আবার। তারপর আবার। যতই এগোতে থাকে, মিথ্যে কথা তরল থেকে তরলতর হতে থাকে; শেষে হয় হাসি, না হয় কান্না, না হয় হাসিকান্না হয়ে সব একবারে বেরিয়ে যায়।
আতোয়ার সাহেব বিশ^াস করেন, স্ত্রীর মিথ্যে কথাগুলোই সত্যিকার কথা, আর নীরবতা মিথ্যে। সংসার করতে হয় সত্যিকারের কথা নিয়ে, সত্যি কথা নিয়ে সংসার করা যায় না। জোহরা সত্যিকারের কথা বলুক। সত্যিকারভাবে বেঁচে থাকুক।
যেদিন জোহরা বলেছিল, বিয়ের আগে জাফর নামে একটা ছেলের সঙ্গে ওর প্রেম হয়েছিল, ছেলেটা ওকে পাগলের মতো ভালোবাসত, ওর সঙ্গে বিয়ে হলে ও সুখী হতো, ছেলেটা জাপান থেকে বার-অ্যাট-ল করেছিল, আতোয়ার সাহেব শুনে বুঝেছিলেন, এটা স্রেফ মিথ্যে কথা। জোহরাদের এক দূরসম্পর্কের আত্মীয় জাপানে থাকে। সেই থেকে জাপানের নামটা ওর মাথায় ঢুকেছে। ওর বড়বোনের জন্য এক প্রস্তাব এসেছিল। ছেলেটা বার-অ্যাট-ল করা। সেই থেকে বার-অ্যাট-ল ওর মাথায় ঢুকে আছে। আর জাফর হচ্ছে – জাফর ইকবাল – নায়ক। বিয়ের আগে ও যখন টিভিতে সিনেমা দেখত, তখন জাফর ইকবাল ছিল ওর প্রিয় নায়ক, তার হঠাৎ মৃত্যুতে ও খুব শক্ড হয়েছিল। ওর হৃদয় অনেক গভীর। সেখানে যা ঢোকে, হারিয়ে যায়। ওর হৃদয়ের গহিনে ঠাঁই-নেওয়া এই তিনটি শব্দবিন্দুর মাঝে রেখা টেনে একটা ত্রিভুজ এঁকেছে ও – একটা প্রেমের গল্প ফেঁদেছে। ওর কল্পনাশক্তি খুবই নিম্নমানের। ও একটা নিম্নমানের মানুষ। নিম্নমানের মিথ্যুক। একজন নিম্নমানের মিথ্যুককে নিয়ে সমস্যা হচ্ছে, এদের অবিরাম স্নেহ করে যাওয়া ছাড়া কোনো গতি নেই। প্রকৃতি এদের আশ্চর্য এক বল দিয়ে সৃষ্টি করেছে। একবার সেই বল কাউকে টানতে থাকলে, সে বলকে উপেক্ষা করতে পারে না সে, এক অপার্থিব মায়া তাকে পেয়ে বসে; যতই দিন যেতে থাকে, এক প্রশান্ত আনন্দ এসে ভর করে তার সর্বাঙ্গ জুড়ে। যে কেউ এ বলে ধরা পড়ে না। আতোয়ার সাহেবের মতো কিছু মানুষ, মানুষের ব্যাপারে যাদের অসীম আগ্রহ, কেবল তারাই এদের সন্ধান পায়।
অতএব, দুর্ঘটনার সাক্ষ্য আতোয়ার সাহেবেরই দেওয়ার কথা। দুই চালক আর দুই হেলপার – এই চারটি মানুষের মনোজগতে আর বহির্জগতে কী ঘটছিল, তা যদি কেউ অনুপুঙ্খ দেখে থাকেন, তিনি হচ্ছেন আতোয়ার সাহেব। তিনিই পরম নিরপেক্ষভাবে তাদের নিজ নিজ ভূমিকাও মূল্যায়ন করতে পারবেন। তিনি গাড়ির পেছনের দিকে বসে ছিলেন। আগ্রহ নিয়ে সবকিছু দেখছিলেন। ফাঁকে ফাঁকে কথাও বলছিলেন। কিন্তু প্রচ- ঝাঁকুনিতে তার মাথা এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। হালকা-পাতলা মানুষ, জীবনে অনেক ঝাঁকুনি খেয়ে এসেছেন, কিন্তু অত বড় ঝাঁকুনি বোধহয় কখনো খাননি। এক ধাক্কায় উড়ে গিয়ে বাসের ছাদের সঙ্গে মাথা ঠেকালেন, কপালের দুপাশ বেয়ে গলগল করে বেরোতে লাগল রক্ত। সেই রক্ত গালে মেখেই ইন্সপেক্টর তপনের কাছে ঘটনার কিছু না বলেই তিনি মর্গে চলে গেলেন, পোস্টমর্টেমের জন্য অপেক্ষা করছেন। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এগারোজন মারা গেছে। আটজন তো তার সামনেই ছেঁচে গেল – তাদের সাতজন তার বাসেই ছিল, সামনের দিকে বসে ছিল। বাসে ওঠার সময় তাদের দু-একজনের সঙ্গে তার কথাও হয়েছিল। তাদের নাম কী, গ্রামের বাড়ি কোথায়, কী করেন, অমুককে চেনেন কি না, ছেলেমেয়ে কোন ক্লাসে পড়ে – এসবই জিজ্ঞাসা করেছিলেন। প্রথমবার কথা হলো বলে এর চেয়ে বেশি কিছু জানতে চাননি।
জোহরা অপেক্ষা করছে। মাঝেমধ্যে একটু-আধটু করতে হয়। তবে আজ একটু বেশিই করতে হচ্ছে। হবে না কেন? দুই বাস মিলে মারা গেছে এগারোজন, আরো পাঁচ-ছয়জন মরবে বলে বসে আছে, বাকিরা যারা বেঁচে আছে, তাদের অনেকেই হাত-পা-চোখ-মুখ মুচলেকা দিয়ে এসেছে। এত লোকের ঝামেলা নিয়ে ডাক্তার-পুলিশের গলদঘর্ম অবস্থা। কাকে ফেলে কাকে আগে দেখবে – ব্লাড কালেকশন, সার্জিক্যাল মেডিসিন জোগাড় করা, আত্মীয়স্বজনকে খবর দেওয়া। আতোয়ার সাহেবের দেরি হয়ে যাচ্ছে।
গনগনে রোদ। শিরীষ গাছটির নিচে দাঁড়িয়ে ইন্সপেক্টর তপন বুকের বোতাম লাগিয়ে নিচ্ছিলেন। অকুস্থলে এসপি সাহেব এসেছেন। খটাস খটাস করে চারপাশ থেকে স্যালুট পড়ছে।
দুপুরের খাবার খেতে জোহরার বড্ড বেশি দেরি হয়ে যাচ্ছে। জোহরা মনে মনে ভাবছে, ‘এতই যখন দেরি হবে, একটিবার ফোন দিয়ে জানিয়ে দিলেও তো পারত – দেবে না। আমার জন্য ওর কোনো গরজ নেই, যত গরজ শুধু হাটবাজারের লোকদের জন্য। … ও যখন দেবে না, আমিও দেব না …।’ জোহরা মনে মনে আরো ভেবে রাখল, আজ এলে ও একটা মিথ্যে কথা বলে ওকে শায়েস্তা করবে, ‘আমি খেয়েছি, তুমি খেয়ে নাও।’ তখন ও বুঝবে একা একা খাওয়ার কী যন্ত্রণা।
ডাক্তার এসে দেখে গেছে; অপেক্ষমাণ সবাইকে একবার করে পর্যবেক্ষণ করে গেছে। আতোয়ার সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে কী যেন ভেবে চোখ ফিরিয়ে নিয়েছিল সে।
আতোয়ার সাহেবের আরো দেরি হবে। আরো খানিকক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে – তার শুধু মাথা ফেটেছে বলে তার পোস্টমর্টেমটা সবার পরে হবে।
বাসে বাসে গুঁতোগুঁতি লাগার সময় দুটো বাস, দুই বাসের দুই চালক, আর একটা রাস্তা হলেই হয়; গুঁতোগুঁতির কাজে সাহায্যের জন্য বড়জোর দুই বাসের দুই হেলপার লাগতে পারে, কিন্তু রাস্তার পাশে যে শিরীষ গাছটা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাতাস টানছিল, ওটার নিশ্চয় দরকার ছিল না। কিন্তু সেদিন টাল সামলাতে না পেরে, পেছনের বাসটা গিয়ে ওটার সঙ্গেই দ্বিতীয় গোত্তাটা খেল, পেছনের দুই চাকা একবার শূন্যে তুলে দিয়ে মুখ ভচকে দাঁড়িয়ে পড়ল, যাওয়ার সময় সামনের বাসের হেলপারের কাঁধ থেকে বাঁ-হাত আর ধড় থেকে মাথা ছিঁড়ে নিয়ে গেল। ওই প্রকা- শিরীষ গাছের ডালপাতার ফাঁকে ফাঁকে যে অতগুলো কাকদুপুরে বিশ্রাম করছিল, সেটা বোঝা গেল, যখন বিকট দানবীয় শব্দ শুনে তারা কা-কা করতে করতে ডানা ঝাপটে ত্রস্তস্রস্ত বেরিয়ে এলো। অবশ্য তারপর মানবীয় চিৎকার শুরু হলে তারা একে একে আবার পাশের গাছে গিয়ে বসেছিল।
সামনের ডানপাশের বাসটা পশ্চাদ্দেশ দুলিয়ে যখন গোঁ-গোঁ করে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছিল, তখন বাঁপাশ থেকে ওই হতভাগা বাসটি মাথা গুঁজে ওটার পেছনে পেছনে আসছিল। দুই হেলপার পরস্পরের দিকে দুবার চোখ গোল করে তাকিয়েছিল। পেছনের চালক তার পান-খাওয়া ঠোঁটে রাঙা হাসি দেখিয়েছিল সামনের হেলপারকে, ও যখন পেছনের ওস্তাদের সঙ্গে তামাশা করার জন্য ঘাড় ঘুরিয়েছিল। ওস্তাদের রস বোধহয় একটু বেশিই বেরিয়ে গিয়েছিল – বাঁ-হাতের চেটোর উলটো পিঠ দিয়ে ঘষে ঠোঁট মুছে নিয়েছিল। সামনেরটার চালক যখন টের পেল পরকীয়া চলছে, তখন বাঁয়ে কাত হয়ে পেছনেরটাকে বেমক্কা চাপ দিলো। পেছনেরটা তাড়া খেয়ে সরে না গিয়ে ঝাড়া দিয়ে মাথা এগিয়ে দিলো। সে-মাথা গিয়ে সামনেরটার দরজা গলে ঢুকে পড়ল, তারপর খানিক কড়কড়-ক্যাঁচক্যাঁচ ঝনাৎ-ঝনাৎ আওয়াজ করে অবশেষে ঘোঁতঘোঁত করে বেরিয়ে এলো। আসার সময় হামানদিস্তার মতো ছেঁচে বের করে আনল হেলপারের শরীরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ – মুখে করে নিয়ে বেগতিক ছুটল শিরীষ গাছটির দিকে। প্রকা- শিরীষ গাছের কা- সেঁধিয়ে গেল বাসের নাক বরাবর – গাছের বাকলের সঙ্গে বাসের মুখ ভাঁজ হয়ে লেপটে গেল। মুহূর্তে বাসের সামনের অর্ধেকটা বালকের শিশ্নের মতো কুঁচকে গেল।
থানা থেকে লোকজন এসে বাস কাটতে আরম্ভ করল। তখন দেড়টা বাজে। গনগনে রোদ। কাকের কা-কা। মাঝেমধ্যে খয়েরি-সাদা বিষ্ঠা ঝরে পড়ছে শিরীষ গাছগুলো থেকে। ক্রেনের কমলা রঙের বিশাল বাহুর ধীর ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। বাসের সামনের দিক থেকে শুরু করল উদ্ধারকাজ। প্রথমে একটা একটা করে দুটো হাত বেরোল – একটা কাঁধ থেকে ছেঁড়া, আরেকটা কনুই থেকে। দুটোই বাঁহাত। ইন্সপেক্টর তপন ছোট্ট করে বললেন, ‘ড্রাইভার মরেছে।’ কেউ শুনতে পেল না। লোকজনের চেঁচামেচি, বাঁশির ফুঁকাফুঁকি, ওয়াকিটকির টুঁত-টুঁত, পুলিশভ্যানের হর্ন, দমকল গাড়ির সাইরেন – সবকিছুর সমবেত পরিবেশনার মাঝে ব্যক্তিবিশেষকে নিয়ে কারো কোনো আগ্রহ নেই। যে-লোকটা বলেছিল ড্রাইভার পালিয়েছে, তাকেও আর দেখা যাচ্ছে না, এতক্ষণে সমষ্টির মাঝে মিশে গেছে সে। হয়তো এত মানুষের কোলাহলে সে ভুলেও গেছে, কাকে সে ‘কালপ্রিট’ বলে গালি দিয়েছিল। ব্যক্তির অপরাধ সমষ্টির ঔৎসুক্যে মিশে গেছে – কিন্তু শোক মেশেনি; শোক মেশে না – শোক ব্যক্তির, সমষ্টির না। সেই ব্যক্তিরা এখনো অকুস্থলে এসে পৌঁছায়নি।
সকালে আতোয়ার সাহেব কাজে বেরিয়েছিলেন। দুটো বাসে গুঁতোগুঁতি ঘটার জন্য আতোয়ার সাহেবকে কি প্রয়োজন ছিল? – না, ছিল না। কিন্তু তিনি ছিলেন – পেছনের বাসটাতে ছিলেন – পুরো ঘটনার সাক্ষী। তার দরকার না থাকলেও মাঝেমধ্যে তিনি অনেক জায়গায়ই থাকেন। যেমন তার শ্যালিকার গায়ে হলুদে তাকে দাওয়াত দেওয়া হলো না, শুধু বিয়ের অনুষ্ঠানের দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল, অথচ গায়েহলুদের দিন সকালবেলায়ই তিনি পাঞ্জাবি-পাজামা পরে ড্রইংরুমে বসে হাঁক দিচ্ছিলেন, ‘কই, তোমার হলো? যেতে যেতে তো সবাই ওরা চলে যাবে। নতুন আত্মীয়রা আসবে, ওদের সঙ্গে একটু মোয়ামেলাদ না করলে কেমন হয়?’ ‘এই হলো’, বলে জোহরা রান্নাঘরে ঢুকল। সিংকে ছরছর করে পানি ছেড়ে মাজুনি দিয়ে পরিষ্কার করতে শুরু করে দিলো। আবার হাঁক দিলে, বালিশের কভারগুলো খুলে নতুন কভার লাগাতে বসল। কিন্তু শাড়ি পরছিল না, সাজগোজ করছিল না। আর আতোয়ার সাহেব কেবল ক্ষেপে যাচ্ছিলেন।
জোহরা কী করে বোঝায়, ওদের বাড়ির লোকজন আতোয়ারকে যেতে বলেনি, শুধু জোহরাকে যেতে বলেছে। জোহরা গটগট করে ড্রইংরুমে ঢুকল, হাতের মুঠোয় পর্দার কোনা ধরে দাঁড়াল, সোফায় পা-তুলে বসা আতোয়ার সাহেবকে সোজা জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কাপড় পরেছ কেন, তোমাকে তো যেতে বলেনি?’ আতোয়ার সাহেব বললেন, ‘এসব প্রোগ্রামে আবার বলা লাগে নাকি? হাজার হলেও শালির গায়েহলুদ, না গেলে ও খুব মাইন্ড করবে।’ ‘না, করবে না’, জোহরার কণ্ঠে শাসনের সুর, কিন্তু চোখে অভিমানের অশ্রু। ‘এটা পুরুষদের প্রোগ্রাম নয়, মহিলাদের’, জোহরা অন্যদিকে তাকিয়ে কথাটা বাতাসে ছেড়ে দিলো। আতোয়ার সাহেবের কানে পৌঁছালে তিনি সোফা থেকে পা নামিয়ে ঝাঁকুনি দিয়ে বসলেন, ‘কেন? ফরিদ যাচ্ছে না? ওর সাথে আমার এই একটু আগেই কথা হলো।’ জোহরা চুপ। জবাবে কী বলবে, সঙ্গে সঙ্গে ওর মনে এলো না – একটু দেরি হলো। ও কেবল বলতে যাচ্ছিল, ‘যাচ্ছে, ও সাবিনাকে দিয়ে চলে আসবে’, কিন্তু বলতে পারল না, ততক্ষণে আতোয়ার সাহেব একটার পর একটা পুরুষ মানুষের নাম আওড়াতে শুরু করে দিয়েছেন, ‘ছোটকাকা, বড় দুলাভাই, মিমের আব্বা, মাহতাবভাই, মিজান, মারুফ, মতিন … শাড়ি পরো, শাড়ি পরো। বাসন্তিটা পরো …।’ ‘তাহলে, তুমি যাও। আমি যাব না।’ জোহরা বলল।
‘তা কী করে হয়? তোমার ছোটবোন, আর তুমি যাবে না? ওরা কী ভাববে, বলো তো?’
জোহরা মনে করিয়ে দিতে চেয়েছিল যে, শাকিলা ওর কাজিন, ছোটবোন নয়। কিন্তু কথাটা আটকে গেল। শাকিলা এ-বাসায় এতবার এসেছে, আর আতোয়ারকে নিয়ে ও ওদের বাসায় এতবার গিয়েছে যে, আপন-পরের পার্থক্য ওরা অনেক আগেই ভুলে গেছে। এত আগে ভুলেছে যে, এতদিন পরে তা মনে করিয়ে দিলেও মনে পড়বে না। আর মনে পড়লেও তাতে কোনো কাজ হবে বলে মনে হলো না। জোহরা যে উদ্দেশ্যে কথাটা বলতে চাচ্ছিল, সে উদ্দেশ্য সাধন হবে না – আতোয়ার সাহেব শাকিলার কপালে হলুদ লাগাবেনই।
মাসদুই আগে শাকিলাকে পাত্রপক্ষ যেদিন দেখতে এসেছিল, কাছের মানুষ হিসেবেই হোক আর কাজের মানুষ হিসেবেই হোক, আতোয়ার-জোহরারা সেখানে ছিলেন। জোহরা সারাদিন পাটায় মরিচ বেটেছে, টিকিয়ার মাংস ছেঁচেছে, খুঁটে খুঁটে রাজহাঁসের পশম তুলেছে, গরুর ভুঁড়ি সিদ্ধ করে পর্দা ছাড়িয়েছে, পাটায় পিষে ফলি মাছের কাঁটা বের করেছে। শাকিলার মা বারবার বলেছেন, ‘দোয়া কর, যেন ওই বাড়িতে বিয়ে না হয়, তাহলে মেয়ে দুইটাই পাঠাতে হবে।’
‘ক্যান চাচি?’ জোহরা পাটার ওপরে নোড়া ঘষতে ঘষতে বলেছিল।
‘তুই না গেলে শাকিলা একদিনও ও বাড়িতে টিকতে পারবে না, ওদের যে খাওয়ার মুখ।’ শাকিলার মা হেসে গড়িয়ে পড়ছিলেন। জোহরা দুই কাঁধ তুলে নোড়া দিয়ে পাটার ওপর জোরে জোরে দুই ঘষা দিয়ে দম নিল। হাসিতে যোগ দিতে গিয়েও থেমে গেল। শাকিলার মা জোহরার দিকে তাকিয়ে নেই, আনমনে পাত্রপক্ষের গাড়িবাড়ি শান-শওকত নিয়ে ব্যঙ্গ করতে শুরু করেছে। জোহরা আবার একমনে নোড়া ঘষতে লাগল।
সন্ধ্যায় পাত্রপক্ষ শাকিলাকে দেখতে এলে আতোয়ার সাহেবের সারামুখে অনুনয়-বিনয় গলে গলে পড়ছিল – কাকে কী বলে, কাকে কোথায় বসতে দেয়, কার কী লাগে, কে কখন টয়লেটে যায়। পাত্রপক্ষ আর কথা কী বলবে, বলার আগেই তিনি সব উত্তর দিয়ে দিচ্ছিলেন। মেয়ে যে হীরের টুকরো সে-কথা বিশ^াস করাতে যতরকম প্রমাণ হাজির করতে হয়, তার সব তিনি গড়গড় করে হাজির করছিলেন। পাত্রের বাবা তো দূরের কথা, শাকিলার বাবাও দুকথা বলার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে পাত্রের মামা চোয়াল শক্ত করে জিজ্ঞাসা করে বসল, ‘তিনি কে?’ আতোয়ার সাহেব নিজেই সে-প্রশ্নের উত্তর দিতে আরম্ভ করলে শাকিলার ছোটকাকা বিষয়টা সামলালেন। তাতেই সর্বনাশ ঘটল। ছোটকাকা যা বলেছিলেন তাতে কোনোভাবেই বোঝা গেল না আতোয়ার সাহেব শাকিলার কত আপনজন, শাকিলা সম্পর্কে খুঁটিনাটি কথা কেবল তিনিই বলতে পারেন, ঘনিষ্ঠতার সূত্রে শাকিলা সম্পর্কে তিনি এমন কিছু জানেন, যা তার পরিবারের কেউ জানে না; তিনি জানেন, শাকিলা একা একা বৃষ্টি দেখতে পছন্দ করে। বলতে বলতে আতোয়ার সাহেবের স্নেহবিগলিত মুখটি প্রিয়জনের সুখসম্ভাবনায় যতই প্রস্ফুটিত হতে থাকল পাত্রপক্ষের সবার চোখ ততই সরু হতে থাকল। মাঝখানে ছোটকাকা আতোয়ার সাহেবকে ডেকে আড়ালে নিয়ে না গেলে সেদিন হয়তো ওদের চোখ একেবারেই বুজে যেত। পাশের ঘর থেকে শুধু শোনা যাচ্ছিল আতোয়ার সাহেব ছোটকাকার চাপা কণ্ঠস্বর ছাপিয়ে চেঁচাচ্ছেন, ‘… আমি তো সেই কথাই বলছি … আমি তো সেই কথাই বলছি …।’
সেদিন পাত্রপক্ষের চোখ যতটুকু বুজেছিল, সেটুকু খুলতেই ছোটকাকার দুমাস লেগে গিয়েছিল। দুমাস পর, বিয়ের তারিখ দিলে, ছোটকাকা গায়ে হলুদের জন্য দুদিন আগের তারিখটা নিয়ে নিলেন। দাওয়াত দেওয়ার সময় শাকিলার মা জোহরাকে বলেছিলেন, ‘তুই আসিস। … দ্যাখ, পাত্রপক্ষ থেকে কয়েকজন হলুদ দিতে আসবে …।’
মানুষের যে-কোনো খুঁটিনাটি বিষয়ের প্রতিই আতোয়ার সাহেবের অতি আগ্রহ; কারোর সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে দুপক্ষের আগ্রহ তিনি একাই দেখিয়ে দেন, দেখানোর জন্য অন্যপক্ষের আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। বাইরে সবার ব্যাপারে যার সীমাহীন আগ্রহ সেই আতোয়ার সাহেব ঘরে জোহরার গুরুতর ব্যাপারগুলোতে কোনো আগ্রহই দেখান না। আজ সকালে বেরোনোর আগে চায়ের কাপ হাতে দিয়ে জোহরা যখন বলল, ‘তুমি কী ভাবছ, আইভিএফ করাবে না?’ আতোয়ার সাহেব কিছু বললেন না। প্রসঙ্গ এড়িয়ে যেতে চাইলেন। জোহরা বলল, ‘অনেকেই তো এভাবে বাচ্চা নিচ্ছে।’ আতোয়ার সাহেব জানেন, জোহরার আর বাচ্চা হবে না – ডাক্তার অনেক আগেই পরিষ্কার বলে দিয়েছেন। আর জোহরা জানে আইভিএফ করালেই ওর বাচ্চা হবে – একবারে না হলে দুবারে হবে, কিন্তু হবে। জোহরা জানে, ওর হাজব্যান্ড রাজি হচ্ছে না বলেই ওদের বাচ্চা হচ্ছে না; আর আতোয়ার সাহেব জানেন, জোহরার ওভারি ড্যামেজড, যে-কথা তিনি ওকে কোনোদিনই বলবেন না, ওর মুখ ছোট হয়ে যাবে, ও আর ঝগড়া করতে পারবে না। ও যেন ঝগড়া করতে পারে, তাই ওকে আতোয়ার সাহেব বলেছেন, তিনি আইভিএফ পছন্দ করেন না, ওনার শুচিবায়ু আছে, সন্তানের প্রতি অশুচিবোধ নিয়ে উনি স্বাভাবিক থাকতে পারবেন না – এসব। এ নিয়ে জোহরা রোজ ঝগড়া করে, হাজব্যান্ডকে বোঝায়, আইভিএফে তার শরীরের উপাদানই কীভাবে প্রসেস করা হয়, আর তাতে তারই পুরোপুরি সম্পৃক্ততা, অন্য কারো নয়। আতোয়ার সাহেব বোঝেন, কথাগুলো জোহরার, কিন্তু শব্দগুলো জোহরার নয় – ওর কোনো বান্ধবী ওকে বুঝিয়েছে। জোহরা কঠিন শব্দ মনে রাখতে পারে না। জোর করে মনে রাখলে বলার সময় ধরা পড়ে যায় – উচ্চারণে ভুল হয় – ও ‘ফেলোপিয়ান টিউবকে’ ‘পোলাপান টিউব’ বলছিল।
জোহরা ঝগড়া করুক। যে মেয়ে ঝগড়া করে না, সে মেয়ে হতে পারে, স্ত্রী নয়। আতোয়ার সাহেবের ভালো লাগে, জোহরা যখন ঝগড়া করে, ঝগড়া করতে করতে ও যখন হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে, সত্যিমিথ্যে ভুলে যায়, অসম্ভব মিথ্যে কথা বলতে থাকে, কঠিন কঠিন মিথ্যে কথা বলতে থাকে। আর প্রতিটা মিথ্যে কথা ঢাকার জন্য আবার মিথ্যে কথা বলে। তারপর আবার। তারপর আবার। যতই এগোতে থাকে, মিথ্যে কথা তরল থেকে তরলতর হতে থাকে; শেষে হয় হাসি, না হয় কান্না, না হয় হাসিকান্না হয়ে সব একবারে বেরিয়ে যায়।
আতোয়ার সাহেব বিশ^াস করেন, স্ত্রীর মিথ্যে কথাগুলোই সত্যিকার কথা, আর নীরবতা মিথ্যে। সংসার করতে হয় সত্যিকারের কথা নিয়ে, সত্যি কথা নিয়ে সংসার করা যায় না। জোহরা সত্যিকারের কথা বলুক। সত্যিকারভাবে বেঁচে থাকুক।
যেদিন জোহরা বলেছিল, বিয়ের আগে জাফর নামে একটা ছেলের সঙ্গে ওর প্রেম হয়েছিল, ছেলেটা ওকে পাগলের মতো ভালোবাসত, ওর সঙ্গে বিয়ে হলে ও সুখী হতো, ছেলেটা জাপান থেকে বার-অ্যাট-ল করেছিল, আতোয়ার সাহেব শুনে বুঝেছিলেন, এটা স্রেফ মিথ্যে কথা। জোহরাদের এক দূরসম্পর্কের আত্মীয় জাপানে থাকে। সেই থেকে জাপানের নামটা ওর মাথায় ঢুকেছে। ওর বড়বোনের জন্য এক প্রস্তাব এসেছিল। ছেলেটা বার-অ্যাট-ল করা। সেই থেকে বার-অ্যাট-ল ওর মাথায় ঢুকে আছে। আর জাফর হচ্ছে – জাফর ইকবাল – নায়ক। বিয়ের আগে ও যখন টিভিতে সিনেমা দেখত, তখন জাফর ইকবাল ছিল ওর প্রিয় নায়ক, তার হঠাৎ মৃত্যুতে ও খুব শক্ড হয়েছিল। ওর হৃদয় অনেক গভীর। সেখানে যা ঢোকে, হারিয়ে যায়। ওর হৃদয়ের গহিনে ঠাঁই-নেওয়া এই তিনটি শব্দবিন্দুর মাঝে রেখা টেনে একটা ত্রিভুজ এঁকেছে ও – একটা প্রেমের গল্প ফেঁদেছে। ওর কল্পনাশক্তি খুবই নিম্নমানের। ও একটা নিম্নমানের মানুষ। নিম্নমানের মিথ্যুক। একজন নিম্নমানের মিথ্যুককে নিয়ে সমস্যা হচ্ছে, এদের অবিরাম স্নেহ করে যাওয়া ছাড়া কোনো গতি নেই। প্রকৃতি এদের আশ্চর্য এক বল দিয়ে সৃষ্টি করেছে। একবার সেই বল কাউকে টানতে থাকলে, সে বলকে উপেক্ষা করতে পারে না সে, এক অপার্থিব মায়া তাকে পেয়ে বসে; যতই দিন যেতে থাকে, এক প্রশান্ত আনন্দ এসে ভর করে তার সর্বাঙ্গ জুড়ে। যে কেউ এ বলে ধরা পড়ে না। আতোয়ার সাহেবের মতো কিছু মানুষ, মানুষের ব্যাপারে যাদের অসীম আগ্রহ, কেবল তারাই এদের সন্ধান পায়।
অতএব, দুর্ঘটনার সাক্ষ্য আতোয়ার সাহেবেরই দেওয়ার কথা। দুই চালক আর দুই হেলপার – এই চারটি মানুষের মনোজগতে আর বহির্জগতে কী ঘটছিল, তা যদি কেউ অনুপুঙ্খ দেখে থাকেন, তিনি হচ্ছেন আতোয়ার সাহেব। তিনিই পরম নিরপেক্ষভাবে তাদের নিজ নিজ ভূমিকাও মূল্যায়ন করতে পারবেন। তিনি গাড়ির পেছনের দিকে বসে ছিলেন। আগ্রহ নিয়ে সবকিছু দেখছিলেন। ফাঁকে ফাঁকে কথাও বলছিলেন। কিন্তু প্রচ- ঝাঁকুনিতে তার মাথা এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। হালকা-পাতলা মানুষ, জীবনে অনেক ঝাঁকুনি খেয়ে এসেছেন, কিন্তু অত বড় ঝাঁকুনি বোধহয় কখনো খাননি। এক ধাক্কায় উড়ে গিয়ে বাসের ছাদের সঙ্গে মাথা ঠেকালেন, কপালের দুপাশ বেয়ে গলগল করে বেরোতে লাগল রক্ত। সেই রক্ত গালে মেখেই ইন্সপেক্টর তপনের কাছে ঘটনার কিছু না বলেই তিনি মর্গে চলে গেলেন, পোস্টমর্টেমের জন্য অপেক্ষা করছেন। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এগারোজন মারা গেছে। আটজন তো তার সামনেই ছেঁচে গেল – তাদের সাতজন তার বাসেই ছিল, সামনের দিকে বসে ছিল। বাসে ওঠার সময় তাদের দু-একজনের সঙ্গে তার কথাও হয়েছিল। তাদের নাম কী, গ্রামের বাড়ি কোথায়, কী করেন, অমুককে চেনেন কি না, ছেলেমেয়ে কোন ক্লাসে পড়ে – এসবই জিজ্ঞাসা করেছিলেন। প্রথমবার কথা হলো বলে এর চেয়ে বেশি কিছু জানতে চাননি।
জোহরা অপেক্ষা করছে। মাঝেমধ্যে একটু-আধটু করতে হয়। তবে আজ একটু বেশিই করতে হচ্ছে। হবে না কেন? দুই বাস মিলে মারা গেছে এগারোজন, আরো পাঁচ-ছয়জন মরবে বলে বসে আছে, বাকিরা যারা বেঁচে আছে, তাদের অনেকেই হাত-পা-চোখ-মুখ মুচলেকা দিয়ে এসেছে। এত লোকের ঝামেলা নিয়ে ডাক্তার-পুলিশের গলদঘর্ম অবস্থা। কাকে ফেলে কাকে আগে দেখবে – ব্লাড কালেকশন, সার্জিক্যাল মেডিসিন জোগাড় করা, আত্মীয়স্বজনকে খবর দেওয়া। আতোয়ার সাহেবের দেরি হয়ে যাচ্ছে।
গনগনে রোদ। শিরীষ গাছটির নিচে দাঁড়িয়ে ইন্সপেক্টর তপন বুকের বোতাম লাগিয়ে নিচ্ছিলেন। অকুস্থলে এসপি সাহেব এসেছেন। খটাস খটাস করে চারপাশ থেকে স্যালুট পড়ছে।
দুপুরের খাবার খেতে জোহরার বড্ড বেশি দেরি হয়ে যাচ্ছে। জোহরা মনে মনে ভাবছে, ‘এতই যখন দেরি হবে, একটিবার ফোন দিয়ে জানিয়ে দিলেও তো পারত – দেবে না। আমার জন্য ওর কোনো গরজ নেই, যত গরজ শুধু হাটবাজারের লোকদের জন্য। … ও যখন দেবে না, আমিও দেব না …।’ জোহরা মনে মনে আরো ভেবে রাখল, আজ এলে ও একটা মিথ্যে কথা বলে ওকে শায়েস্তা করবে, ‘আমি খেয়েছি, তুমি খেয়ে নাও।’ তখন ও বুঝবে একা একা খাওয়ার কী যন্ত্রণা।
ডাক্তার এসে দেখে গেছে; অপেক্ষমাণ সবাইকে একবার করে পর্যবেক্ষণ করে গেছে। আতোয়ার সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে কী যেন ভেবে চোখ ফিরিয়ে নিয়েছিল সে।
আতোয়ার সাহেবের আরো দেরি হবে। আরো খানিকক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে – তার শুধু মাথা ফেটেছে বলে তার পোস্টমর্টেমটা সবার পরে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Posts (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ▼ 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট