Wednesday, December 18, 2013
সময়চিত্র- শাবাশ আওয়ামী লীগ by আসিফ নজরুল
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিডিয়া ভাবনা- টিভি টক শো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা! by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর

মহাজোট সরকার বিদায় নিয়েছে। ক্ষমতায় এখন নির্বাচনকালীন বহুদলীয় সরকার। যেসব দল সরকারে রয়েছে, তারা প্রায় সবাই আওয়ামী লীগবান্ধব। প্রকৃত বিরোধী দল এই সরকারে নেই। নির্বাচনের সময় গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে, এটাই প্রত্যাশিত। অথচ সেই বহুদলীয় সরকার নির্বাচনের প্রাক্কালে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার পাঁয়তারা করছে বলে জানা গেছে।
একটি দর্শকপ্রিয় টিভি চ্যানেলের টক শোর উপস্থাপনা থেকে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা বুঝতে কারও অসুবিধে হবে না যে মালিকপক্ষের ওপর সরকার চাপ সৃষ্টি করায় এই ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ করা যায় যে মাহমুদুর রহমান মান্না একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও সফল বাগ্মী হওয়াতে টিভির রাজনৈতিক টক শো দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতেন। তাঁর অনুরাগী দর্শকের সংখ্যা প্রচুর। এই ঘটনা থেকে অনেকে আশঙ্কা করছেন সরকার নির্বাচনের আগে টিভির টক শোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করবে। কোনো কোনো টিভি চ্যানেলে বিশেষ বিশেষ আলোচককে আমন্ত্রণ না করার জন্য চাপ আছে। এই চাপ প্রয়োগের কারণ বেশির ভাগ টিভি চ্যানেল বর্তমান সরকারের অনুগ্রহে লাইসেন্স পেয়েছে। বেশির ভাগ মালিকই আওয়ামীপন্থী। চ্যানেল মালিক ব্যবসায়ীদের নানা দুর্বলতার কথা সরকার জানে। কাজেই সরকার চাইলে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ দিতে পারে। অনেককে দিচ্ছেও।
টিভির টক শো শুধু সরকারের সমালোচনা করে, এই ধারণা ঠিক নয়। অনেক আলোচক সরকারের নীতির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন এবং নানা বিষয়ে সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি বা একই অনুষ্ঠানে সরকারের সমালোচনা হচ্ছে বলেই এই অনুষ্ঠানগুলোর জনপ্রিয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা এত বেশি। ‘বিটিভির’ মতো শুধু একতরফা প্রশংসা হলে দর্শক এসব অনুষ্ঠান দেখতেন না। সরকার টক শোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে কি সব প্রাইভেট চ্যানেলকে বিটিভির অবস্থানে নিতে চায়?
সম্প্রতি আলোচ্য বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার জন্য টক শোর মডারেটর, আলোচক ও নাগরিক সমাজের কয়েকজন বিশিষ্ট প্রতিনিধি জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়েছিলেন। সেখানে এবিএম মূসা ‘টেলিভিশন টক শো: সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে নাগরিক উদ্যোগ’ শিরোনামে যে বক্তব্য পাঠ করেছেন, তা উদ্ধৃত করা হলো:
‘সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন সূত্রে আমরা টেলিভিশন টক শোতে স্বাধীন মতামত প্রকাশে সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিধিনিষেধ আরোপের কথা জানতে পেরেছি। এরই অংশ হিসাবে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল থেকে টক শো উপস্থাপককে পরিবর্তন করা হয়েছে বলেও আমরা জানতে পেরেছি। সরকারের সমালোচনাকারী বা ভিন্নমতাবলম্বী বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষককে টক শোতে আমন্ত্রণ না জানানোর জন্য টিভি চ্যানেলগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং সরকারের পছন্দমতো আলোচকদের বাধ্যতামূলক আমন্ত্রণ জানানোর জন্য টিভি চ্যানেলগুলোকে নানাভাবে প্রভাবিত করা হচ্ছে। এর আগে দেশের বরেণ্য কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের ওপর হামলা, আক্রমণ এবং হয়রানির মতো কিছু শোচনীয় ঘটনাও সাম্প্রতিককালে ঘটেছে।
আমরা তাকে অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক বলে মনে করি। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করছি এবং সরকারকে এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে অনতিবিলম্বে বিরত হওয়ার দাবি করছি।’
আমরা মনে করি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের চর্চা এবং এতে নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত রাখার স্বার্থে সরকারসহ সব মহলের বিভিন্ন কার্যক্রমের সমালোচনা করা বা তার সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করা বা গঠনমূলক বিভিন্ন মতামত প্রদান করার অধিকার বাংলাদেশ সংবিধান বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রদান করেছে। বিশেষ করে, দেশে নির্বাচনকালীন সময়ে নাগরিকদের বাকস্বাধীনতাসহ এসব মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা এবং এসব অধিকার হরণকারী সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা। টক শো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার মাধ্যমে সরকার তার এই কর্তব্যেও বরখেলাপ করছে। সরকারের এ ভূমিকা জনগণের মুক্ত মননশীলতা, চিন্তা ও বাকস্বাধীনতার চর্চা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ বলে মনে করি।
আমরা বাকস্বাধীনতা, গণমাধ্যমের অধিকার এবং ভিন্নমতাবলম্বী মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নকারী সব মহলের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে জোর অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে জনগণকে মুক্তভাবে কথা বলতে দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিতকরণে তাদের অংশগ্রহণের অধিকারকে যথাযথ মর্যাদা প্রদান করারও আহ্বান জানাই।
আমরা আশা করি, সরকার এই ভুল পথে পা বাড়াবে না। গণমাধ্যম যদি সরকারের বিপক্ষে চলে যায়, তাহলে সেই সরকারকে আর কেউ রক্ষা করতে পারবে না। এমনিতে নানা কারণে বর্তমান সরকারের অবস্থা টালমাটাল। টক শো নিয়ন্ত্রণ করে সরকার কফিনের শেষ পেরেকটি যেন না মারে।
মহাজোট সরকার বিদায় নেওয়ার আগে আরও ১৩টি টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স দিয়ে গেছে। আমাদের দলীয় রাজনীতি ও সরকার কতটা দূষিত হলে এ রকম একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তার একটা বড় প্রমাণ এটি। টিভি লাইসেন্স, বেতার লাইসেন্স, ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির লাইসেন্স বর্তমান সরকার একমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় দিয়েছে। ব্যতিক্রম খুব কম। যেহেতু এগুলোর প্রায় প্রত্যেকটি দিয়ে প্রচুর মুনাফা করা সম্ভব। এমনকি শুধু লাইসেন্স বিক্রি করে দিলে বা অন্যদের ভাগ দিলেও বিরাট অঙ্কের টাকা আয় করা সম্ভব। আমাদের দুই বড় দলের রাজনীতি যে প্রধানত হালুয়া-রুটির রাজনীতি, তা এই ঘটনাতে আবার প্রমাণিত হয়েছে। টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স নিয়ে দল ও সরকারের ওপর মহলে যে অনেক লেনদেন হয়েছে, তা অনুমান করা কঠিন নয়। কারা লাইসেন্স পেয়েছেন, তাঁদের নাম, পরিচয় দেখলেও তা অনুমান করা যায়। টিভি মাধ্যমের উন্নয়ন নিয়ে তাঁরা যে খুব উদগ্রীব, তা কারও মনে হবে না। টাকা রোজগার ও নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়ানোই এই টিভি লাইসেন্স সংগ্রহের প্রধান উদ্দেশ্য।
এখন যেসব টিভি চ্যানেল চলছে তার মধ্যে বেশ কয়েকটি মূলধন, স্পনসর, বিজ্ঞাপন ও উপযুক্ত লোকবলের অভাবে ধুঁকছে। বাংলাদেশে টিভি মিডিয়ায় উপযুক্ত লোকবল, শিল্পী, লেখক, উপস্থাপক পাওয়াই এক বড় সমস্যা। টিভির পর্দায় শুধু লাইসেন্স দেখালে তো আর দর্শক সেই চ্যানেল দেখবে না। আমাদের বিজ্ঞাপনের বাজারও সীমিত। সরকার এই বাস্তব সত্যটিও মনে রাখে না। লাইসেন্স বিতরণ করে দুর্নীতি করা যাদের একমাত্র লক্ষ্য, তাদের অবশ্য অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করার কথা নয়। যে সরকার বা মন্ত্রণালয় পাঁচ বছরে একটা সম্প্রচার নীতিমালা তৈরি করতে পারেনি, সেই সরকারের মন্ত্রীরা আবার মাইক পেলে বড় বড় কথা বলেন।
একটা সুষ্ঠু নীতিমালা তৈরি না করে খেয়ালখুশি মতো এ ধরনের টিভির লাইসেন্স দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত? দ্বিতীয়ত, নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব তো রুটিন কাজ চালিয়ে যাওয়া, নীতিগত বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা নয়। সে ক্ষেত্রে এই ১৩টি টিভি লাইসেন্স প্রদানের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার জন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ও উন্নয়ন কর্মী।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নৃশংসতা- ছাত্রলীগের রোষে প্রাণ গেল পথচারী বিশ্বজিতের
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জানতে ইচ্ছা করে by সাহস রতন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বজিৎ হত্যা: ছাত্রলীগের ৮ জনের ফাঁসি, ১৩ জনের যাবজ্জীবন

আজ বুধবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এ বি এম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ছাত্রলীগের আট কর্মী হলেন রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল, মাহফুজুর রহমান ওরফে নাহিদ, জি এম রাশেদুজ্জামান ওরফে শাওন, কাইয়ুম মিয়া, ইমদাদুল হক ওরফে এমদাদ, সাইফুল ইসলাম, রাজন তালুকদার ও নূরে আলম ওরফে লিমন। তাঁদের মধ্যে রাজন তালুকদার ও নূরে আলম পলাতক। বাকি ছয়জন কারাগারে আছেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছাত্রলীগের বাকি ১৩ কর্মী হলেন এ এইচ এম কিবরিয়া, গোলাম মোস্তফা, খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন। এঁদের মধ্যে এস এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা কারাগারে আছেন। বাকি ১১ জন পলাতক।
হত্যার ঘটনায় ওই রাতে সূত্রাপুর থানায় মামলা করে পুলিশ। পরদিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। এরপর সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে মামলাটি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়।

তদন্ত শেষে চলতি বছরের ৫ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২১ জন কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় ডিবি পুলিশ। ২৬ মে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
আসামিদের মধ্যে আটজন রফিকুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান, রাশেদুজ্জামান, কাইয়ুম মিয়া, এস এম কিবরিয়া, এমদাদুল হক, সাইফুল ইসলাম ও গোলাম মোস্তফা কারাগারে আটক আছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহিংস রাজনীতি সমর্থনযোগ্য নয়- অর্থনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি

অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যে ইতিমধ্যে কতখানি সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে, তা বোঝা যায় প্রথম আলোয় প্রকাশিত একগুচ্ছ প্রতিবেদনে। এসব প্রতিবেদনে সব ধরনের ব্যবসায়ী-শিল্পপতির অসহায় অবস্থা ফুটে উঠেছে। ফুটে উঠেছে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো সময়মতো রপ্তানিপণ্য জাহাজে তুলতে না পেরে চড়া মাশুল গুনছে, ২০ হাজার টাকার ট্রাক ভাড়া লাখ টাকা হয়ে পরিবহন ব্যয় কয়েক গুণ বাড়িয়েছে, স্থলবন্দরগুলোতে পণ্য জমে গেছে, যা বাজারে ও কারখানায় আনা যাচ্ছে না, বিভিন্ন কারখানা উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে, হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন অনিশ্চিত সময় কাটাচ্ছেন। দাবি আদায়ের নামে হরতাল-অবরোধে এখন পুড়ছে পণ্যবাহী ট্রাক, থেমে যাচ্ছে কারখানার চাকা, আহত হচ্ছেন রাস্তার ধারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, নাশকতার শিকার হচ্ছে রেলপথ।
এ রকম অবস্থা আরও কত দিন চলবে, তা কেউ বলতে পারছে না। ইতিমধ্যে এই ধ্বংসযজ্ঞ যে গোটা অর্থনীতিকে অনেকখানি পিছিয়ে দিয়েছে, তা কোনো রকম অঙ্ক কষা ছাড়াই বলে দেওয়া যায়। অথচ বাংলাদেশের অর্থনীতি গত দুই দশকে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে একটি গতিময় ও স্পন্দবান অর্থনীতিতে রূপ নিচ্ছিল। বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৫৯তম, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে তৃতীয় স্থানটি বাংলাদেশের, সহজে ব্যবসা করার বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম, দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বোপরি ২০২১ সাল নাগাদ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের পথে অভিযাত্রায় ছিল বাংলাদেশ। চলমান অসুস্থ রাজনীতির সহিংস ছোবলে সেই অভিযাত্রার পদযুগলে বিরাট ক্ষতের সৃষ্টি হলো। সামনে এগোনোর চেয়ে এই ক্ষত সারানোর দাওয়াই প্রয়োগই এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।
এ রকম একটা অবস্থায় দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছ থেকে বিচক্ষণ ও দূরদর্শী আচরণই কাম্য। দেশে রাজনৈতিক সংকট তৈরির ক্ষেত্রে সরকারি দলের দায় যেমন বেশি, তেমনি এই ধ্বংসযজ্ঞ বিস্তারের বড় দায় প্রধান বিরোধী দলকেই নিতে হবে। তবে যুদ্ধাপরাধের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো জামায়াত-শিবির এই ধ্বংসযজ্ঞের দাবানল ছড়িয়ে দিতে যে হিংস্র ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, তা কঠোরভাবে দমন করার জন্য সরকারের কুশলী পদক্ষেপ প্রয়োজন। অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিলে তার মূল্য কমবেশি সবাইকে দিতে হবে, আর এই ক্ষতি আসলে অপূরণীয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এরশাদ-জিএম কাদের বৈঠক

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিঃসঙ্গ গণতন্ত্র ও জ্বলন্ত স্বদেশ by ড. মাহফুজ পারভেজ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বজিত হত্যায় ৮ জনের মৃত্যুদন্ড
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক অচলাবস্থা- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায় by এ কে এম জাকারিয়া
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক সহিংসতা- বাংলাদেশ কি নেভাবে না এ আগুন? by কাবেরী গায়েন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন বছরের শুরুতে শাকিরার নতুন গান
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাবাশ আওয়ামী লীগ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাদের মোল্লার জন্য পাকিস্তানের দরদ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকার একতরফা নির্বাচনে কেন গেল? by আবদুল লতিফ মণ্ডল

অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর ঢাকায় আগমনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) দশম সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিলে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ ৫ ও ৬ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৩ ডিসেম্বর এবং নির্বাচনের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৪ নির্ধারণ করা হয়। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের তারিখ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। পত্রপত্রিকার খবর মোতাবেক বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ১ হাজার ১০৭ জন মনোনয়নপত্র জমাদানকারীর মধ্যে ৩৪০ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখের মধ্যে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে জাতীয় পার্টির (জাপার) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার নিয়ে। জাপার দেড়শ’ প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হলেও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন সত্ত্বেও টেকনিক্যাল কারণ দেখিয়ে দলটির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিএম কাদেরসহ কয়েকজনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করেননি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা। তাই দলটির মুখপাত্র ১৪ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘উনাকে (এইচএম এরশাদকে) জোর করে এমপি বানিয়ে দেয়া হচ্ছে।’ রিটার্নিং অফিসারদের জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে ১৫ ডিসেম্বর পত্রপত্রিকার প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দাঁড়িয়েছে ১৫১ জনে এবং তারা হলেন আওয়ামী লীগ ১২৭, জাতীয় পার্টি-জাপা ১৮, জাসদ ৩, ওয়ার্কার্স পার্টি ২ এবং জাতীয় পার্টি-জেপি ১ জন। যেহেতু জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত বাতিল করে দলটির মনোনয়নপত্র জমাদানকারীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা থেকে জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে বলেন, সেহেতু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ওই পার্টির নির্বাচিতদের বাদ দেয়া হলে বাকিরা মূলত মহাজোট সরকারের শরিক দলের।
সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমন বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্টজনরা উদ্বেগ এবং বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। দশম সংসদ নির্বাচনকে ‘তামাশা’ বলে মন্তব্য করেছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা। তারা এই ‘একতরফা’ ও ‘পাতানো’ নির্বাচন অবিলম্বে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে। বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক বলেছেন, ‘নির্বাচনের নামে দেশে এটা তামাশা হচ্ছে।’ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান এ নির্বাচনকে ‘সমঝোতার ভিত্তিতে একাধিক ঠিকাদারের মধ্যে টেন্ডার ভাগাভাগির’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আরেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীর মতে, দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন একটি হাস্যকর বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার এ নির্বাচনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন।
৫ জানুয়ারি ২০১৪-এ যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তার ফল জনগণ এখনই জানেন। ইতিমধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনের ফল প্রকাশিত হয়েছে এবং বাদবাকি আসনগুলোর ফলাফল সহজেই অনুমেয়। ধরে নেয়া যায়, আওয়ামী লীগ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনেই শুধু বিজয়ী হবে না, দুই-তৃতীয়াংশ আসনও পাবে। সংসদ হবে আওয়ামী লীগের শরিকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য এর একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘সর্বদলীয় সরকারে যারা যোগ দিয়েছেন, তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছি।’ তবে প্রশ্ন উঠেছে, ‘সমঝোতার ভিত্তিতে যে সংসদ তৈরি হচ্ছে, সেখানে যাকে খুশি ভোট দেয়ার অধিকার কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে? নির্বাচনী মেকানিজমের মাধ্যমে একসময় যা হরণ করা হতো বলে প্রধানমন্ত্রী যথাযথভাবেই বর্ণনা করেছিলেন, এখনকার অবস্থা তা থেকে কী অর্থে ভিন্ন?’
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, দেড়শ’র বেশি প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পর আলোচনা অব্যাহত থাকার কোনো সম্ভাবনা আছে কি? সংলাপে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতার বরাত দিয়ে ১৫ ডিসেম্বর যুগান্তরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই নেতা নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচনের আগে আর সংলাপ হচ্ছে না। তারা নির্বাচন নিয়ে ভাবছেন। তারা বিএনপিকে জানিয়ে দিয়েছেন, তফসিল বাতিল করা সম্ভব নয়। তবে নির্বাচনের পর কী করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। বিএনপি একই সঙ্গে সংলাপ ও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কৌশল গ্রহণ করলেও সরকার নির্বাচনের তফসিল স্থগিত না করার সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কারণে এখন তারাও মনে করেন, সংলাপ ভেঙে গেছে। আর কোনো আলোচনা নয়। আন্দোলনের পথে যাওয়া ছাড়া তাদের কোনো গত্যন্তর নেই। বিএনপি ১৭ ডিসেম্বর সকাল ৬টা থেকে ২০ ডিসেম্বর ভোর ৬টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা নতুন করে অবরোধ ডেকেছে। এর আগে তিন সপ্তাহে তিন দফা অবরোধ করেছিল বিরোধী দল।
সমঝোতায় না গিয়ে সরকার একতরফা নির্বাচনের পথে এগুলো কেন?
এক. আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যকার কোনো সংকট সমঝোতার মাধ্যমে নিরসনের নজির খুব একটা নেই। ১৯৯৪ সালে প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুললে তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বিরোধী দল সমন্বয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান কে হবেন তা নিয়ে মতৈক্য না হওয়ার কারণে সংকট সমাধানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারি বিএনপি একদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করে। ২০০৬ সালের অক্টোবরে বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমদের নিজ দায়িত্বসহ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ এবং প্রশাসন দলীয়করণের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নবম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। আইন-শৃংখলার চরম অবনতি ঘটে। ফলে বহুল আলোচিত ওয়ান-ইলেভেনের সৃষ্টি হয়। এর পরের ইতিহাস সবার জানা।
দুই. বিভিন্ন জরিপে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের প্রতি জনগণের বিপুল সমর্থন এবং নির্বাচনে বিএনপির জয়লাভের সমূহ সম্ভাবনা ফুটে ওঠায় আওয়ামী লীগ বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার কূট কৌশলের আশ্রয় নেয়। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য বিরোধী দলের দাবি পূরণে ক্ষমতাসীনরা নেয়নি কোনো পদক্ষেপ। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির প্রধান শর্ত নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া হয়নি, যদিও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়া হবে বলে সংসদকে জানিয়েছিলেন এবং মহ
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাদের মোল্লার ফাঁসি আর আমাদের হাসি by বদিউর রহমান

আমি বলি অদৃষ্টবাদ অনেক সময়ে শেষ ভরসা হয়। যখন নিজ যোগ্যতায় আমরা কোনো কিছু করতে সক্ষম হই না, যখন রাষ্ট্র আমাদের কোনো সুরক্ষা দিতে পারে না, যখন সড়ক দুর্ঘটনায় আমরা বেঘোরে প্রাণ হারাই, যখন সহিংসতার আন্দোলনে ককটেলে কিংবা পেট্রল বোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে বার্ন ইউনিটে নিরীহ ব্যাংকার, টেম্পো বা বাসচালক/হেলপার মারা যায়, তখনও হয়তো আমরা বলব, মারে আল্লাহ রাখে কে। আইনের শাসন না থাকলে, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যক্তিস্বার্থে-ক্ষমতার লোভে দু’জনের হাতে বন্দি হয়ে পড়লে আমাদের আমজনতার ভাষ্য হবে- হয় রাখে আল্লাহ মারে কে, না হয় মারে আল্লাহ রাখে কে। কাদের মোল্লার বেলায় এবার ৪৬ ঘণ্টার আয়ু বৃদ্ধি আমাদের তা-ই স্মরণ করিয়ে দিল। সাঈদীকে যেমন চাঁদে দেখেছে তার কোনো ভক্ত, তেমনি কেউ হয়তো এখন বলবেন, কাদের মোল্লা আল্লাহর পেয়ারা বান্দা ছিলেন বিধায়ই তো মঙ্গলবার তার স্ত্রী তার সঙ্গে দেখা করে ফেরার সময় ‘ভি’ চিহ্ন দেখিয়েছিলেন। কেন, আপনারা পরে টের পাননি সেই ভি চিহ্নের কী মাজেজা ঘটেছে? স্বরাষ্ট্র আর আইন প্রতিমন্ত্রীর ঢাকঢোল পেটানো সংবাদ সম্মেলনের সে কী ঘোষণা রাত ১২-০১ মিনিটে কাদের মোল্লার ফাঁসি হবে! মানুষ ভাবে এক, আল্লাহ করে আরেক, নয় কি? সব প্রস্তুতি নিয়েও কি ফাঁসি হল? হয়নি, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে আ’লীগ নির্বাচনী ইশতেহার বেশ আগে থেকে প্রণীত থাকলেও ক্ষমতায় বসার পর এ বিচার নিয়ে আওয়ামী পাগলামি ঘটেছে যথেষ্ট। কেউ বলেছেন, এটা একটা প্রতীকী বিচার, দু’একজনের হলেই চলবে; কেউ পাল্টা বলেছেন, এ বিচার চলতেই থাকবে; আবার বিচারকার্য সমাধা নিয়ে কতজনের কত সময়-বাঁধা কথা! তার পরের স্কাইপি-এপিসোড তো আমাদের হাসালো, হায়রে বিচারের গুরুত্ব। ভালো, তারপরও তো বিচারপতি নিজামুল হক অবসরে যান না, পদত্যাগ করেন না, ট্রাইব্যুনাল থেকে চলে গেলেই যেন দায় শেষ আর কী! এবারও আমরা বলতে পারি, সবই আল্লাহর ইচ্ছা, তার হুকুম ছাড়া যে গাছের পাতাও নড়ে না। অতএব বিচারপতি নিজামুল হকেরই বা কী দোষ, সরকারের মন্ত্রীদেরই বা ত্র“টি কোথায়, আর আওয়ামী লীগের হম্বিতম্বির জন্য তাদেরই বা দোষ দেবেন কেন?
কাদের মোল্লার রায়ের কার্যকারিতা মঙ্গলবার (১০.১২.১৩) রাতে হঠাৎ থেমে গেল। চেম্বার বিচারপতি পরদিন অর্থাৎ ১১.১২.১৩ সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ফাঁসির রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন। পরের ঘটনা এবার সবাই জানলেন। অবশেষে রিভিউ আবেদন খারিজ হল, রায় কার্যকর হল। সরকার এবং আলী হয়তো নরম গলা উঁচিয়ে বলতে পারবে, তারা বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা অক্ষরে অক্ষরে মানেন। অবশ্যই বিলম্বে হলেও অর্থাৎ ৪৬ ঘণ্টা পরে হলেও সব প্রসেস শেষে ফাঁসি হওয়ার আলাদা একটা সুনাম সরকার এবং আলী পাবে, পেয়েছেও বটে। কিন্তু তা-ই যদি হবে, তবে আগের পাগলামিটা হল কেন? ওটা কি অযোগ্যতা, অদক্ষতা, নাকি অতিরিক্ত ফুটানির অপচেষ্টা ছিল? যদি তা-ই হয়ে থাকে, তবে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শাস্তি অবশ্যই কাম্য। যুদ্ধাপরাধীই বলা হোক, আর মানবতাবিরোধী অপরাধই বলা হোক, এটার বিচার নিয়ে বেশ ঢিলেমি হয়েছে। তা না হলে সরকারের পুরো মেয়াদের শেষ পর্যায়ে মাত্র প্রথম ফাঁসি কার্যকর হল কেন? আলী-সরকার কি শুরু থেকে দৃঢ়ভাবে মনোযোগী হলে সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদের মধ্যে দোষীদের বিচারের রায় কার্যকর করে যেতে পারত না? আমরা মনে করি, অবশ্যই পারত। তাহলে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে, তবে কেন করা হল না? আমরা মনে করি, এ বিচার নিয়ে আলী তথা আলী-সরকার বেশ খেলেছে, তারা এ বিচারকে রাজনৈতিক ফায়দার জন্য বেছে নিয়েছে। তাদের হয়তো ধারণা হয়েছে, অনেক ভালো কাজের পরও রাজনীতিতে অনেক সময়ে বড় ধরনের মার খেতে হয়, বিশেষত বাংলাদেশে তো এর কোনো তুলনাই হয় না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জয়ের পর চার্চিল আর ক্ষমতায় আসতে পারেনি; দেশ স্বাধীন করেও মুসলিম লীগ পরে ঘরে বসে গেছে; বাংলাদেশ স্বাধীন করেও সাড়ে তিন বছরের মধ্যে আলী একুশ বছর ক্ষমতার বাইরে থেকে গেছে। ’৯০-এর পর থেকে পালাক্রমে বাজাদ এবং আলী ক্ষমতায় এসেছে এবং ক্ষমতা হারিয়েছে। গত মেয়াদে আলী মূলত কয়েকজন গডফাদারের খেসারত দিয়েছে পুরের নির্বাচনে। একইভাবে বাজাদ তাদের দুর্নীতি আর হাওয়া-ভবনের ‘সুনামের’ সুনামিতে পড়েছে। এই-ই যখন অবস্থা, তখন রাজনীতির জন্য হাতের পাঁচ বা তুরুপের তাস ইশকাপনের টেক্কাটা তো হাতে রাখতে হয়, নাকি? আলী তার আগের মেয়াদে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার যেমন শেষ করেনি, হাতে রেখে দিয়েছিল, এবারও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হাতে রেখে দিতে চেয়েছে। এবার যে বাজাদ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসতে চাইছে না, তার কারণও মূলত এ বিচার। আলী-সরকারের শুরু করে দেয়া এ বিচার বাজাদের গলার-কাঁটা বা ফাঁস হয়ে গেছে। সরকারে গেলে এ বিচার চালিয়ে না গেলে বাজাদের দ্রুত-পতন যেমন নিশ্চিত, আবার বিচার চালিয়ে গেলেও জামায়াত-শিবিরের চাপে বাজাদ চ্যাপটা হয়ে যেতে বাধ্য। অতএব আলীর ঝামেলা আলীই শেষ করুক- এমন কৌশলেই থাকতে চায় বাজাদ। আলীও সে সুযোগটা নিয়ে ধীরে চলো নীতিতে এগিয়েছে। একটি রায় কার্যকর করে আলী জনসমর্থনে যেমন আরও এগিয়ে গেল, তেমনি বিপরীত দিকে বাজাদকে আরও বেকায়দায় ফেলে দিল। এখন অন্য রায়গুলো কার্যকর করতে হলে আবার আলী-সরকারই দরকার।
ভোটের ফায়দা নেয়ার জন্য এ বিচার আলীর হয়তো হাতের পাঁচ, তুরুপের তাস কিংবা আমরা বলব, আলীর এ মেয়াদে এ বিচারের বড় অংশ শেষ করে অধিকাংশ রায় কার্যকর করে দিতে পারলে বরং আলীর জনপ্রিয়তা আরও বাড়ত। ব্যবসায়ে ঝুঁকি নেয়া অনেক সময়ে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হতে পারে বটে; কিন্তু প্রেম, যুদ্ধ কিংবা রাজনীতিতে বড় ঝুঁকি বড় ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে বেশি। এসব ক্ষেত্রে হাতের একটা পাখি বনের দুটোর চেয়ে অবশ্যই উত্তম ভাবতে হয়। আলী এ বিচারের বিলম্বের কৌশলে বেশি লাভবান হবে ভাবার এখনও কোনো কারণ দেখা যায় না। রাজনীতি করার জন্য এ বিচারকে পুঁজি করা আলীর জন্য অবশ্যই বেমানান এবং জনগণের কাছে তা অগ্রহণযোগ্যও বটে। বিচার-প্রক্রিয়ায় অযথা বিলম্বের জন্য জনগণ আলীর সমালোচনায় মুখর। তারপরও আমরা আলী এবং আলী-সরকারকে সাধুবাদ দেব, একটা ভালো শুরু অধ-সমাপ্তের সমান (A good start is half-finishing)। এ বিচার নিয়ে আমরা যেন আর কোনো আওয়ামী-পাগলামি না দেখি, আমরা যেন বাকি রায়গুলো যথা দ্রুতগতিতে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই কার্যকর দেখতে পাই। মনে রাখা ভালো, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। আর কাদের মোল্লা তো ভাগ্যবান, এখন ফাঁসি হলেই বা ক্ষতি কোথায়, তিনি তো ৪২ বছর আরামে বেঁচেছিলেন! জনগণের হাসি আমরা দেখেছি, যুদ্ধাপরাধীদের আরও ফাঁসিতে আমরা প্রাণখুলে আরও হাসতে চাই, দেশটা আমাদের।
বদিউর রহমান : সাবেক সচিব, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে এমনটি ঘটল by আকমল হোসেন

এদিকে দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন আসন্ন হয়ে পড়ায় দেশের মানুষের ভেতর রাজনৈতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আকাক্সক্ষা প্রবল হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে অবস্থানরত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, চীন ও ভারতের রাষ্ট্রদূতদের দূতিয়ালির সঙ্গে এবার মার্কিন সরকারের সর্বোচ্চ মহল ও জাতিসংঘের মহাসচিবও বাংলাদেশকে নিয়ে তাদের উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। বিদেশীদের এভাবে আমদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। কিন্তু অতীতের মতো আমাদের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ক্ষমতালিপ্সার কারণে একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয়টিতেও তারা কোনো সমাধান বের করতে না পারায় বিদেশী হস্তক্ষেপ অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে। নির্বাচন প্রসঙ্গে বিদেশীদের পরামর্শের দুটি মূল দিক ফুটে উঠেছে। এক. তারা চায় উভয় দলের মধ্যে সংলাপ থেকে সমাধান বের হয়ে আসুক, দুই. জাতীয় সংসদের নির্বাচন যাতে সবার (ইনক্লুসিভ) অংশগ্রহণে বিশ্বাসযোগ্য হয়। অন্যদিক যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়টি সরকারের শক্তিশালী লবিংয়ে ব্যর্থতার জন্য স্পষ্ট না হওয়ায় কোনো কোনো দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রশ্নবিদ্ধ বিচারের অভিযোগ তুলেছে এবং মৃত্যুদণ্ড না দিতে আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, একমাত্র সরকারদলীয় জোটের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা এবং শেষ পর্যন্ত ১৫৪ জন প্রার্থীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া পুরো নির্বাচনকে একতরফা ও হাস্যকর করে তুলেছে। দু’দলের সংলাপও আর কোনো মূল্য বহন করছে না বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে।
এবারের বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রদূতদের অনুপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্য বহন করছে। রাষ্ট্রদূতরা তাদের নিজ নিজ দেশ বা সংস্থার প্রতিনিধি হিসেবে কোনো দেশে নিযুক্ত থাকাকালে সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন। এটি তাদের রুটিন দায়িত্ব। তাদের অনুপস্থিতি তাদের নিজ সরকার বা সংস্থার অনুমোদন ছাড়া হয়েছে বলে ধারণা করা যায় না। বর্তমানে একপক্ষীয় ও প্রশ্নবিদ্ধ জাতীয় সংসদের নির্বাচন ইউরোপীয় ইউনিয়ন পছন্দ করছে বলে মনে হয় না। তাই কূটনৈতিক শিষ্টাচার লংঘন করেও তারা বিজয় দিবসের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকল।
ড. আকমল হোসেন : অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণের অনুভূতির প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন by আমেনা মহসীন

আমেনা মহসীন : অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিষ্টাচার বহির্ভূত by ফারুক চৌধুরী

ফারুক চৌধুরী : সাবেক পররাষ্ট্র সচিব
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইইউ রাষ্ট্রদূতরা আমার বিজয় দিবসকে অপমান করেছেন by মহিউদ্দিন আহমদ

বিকালে এই রাষ্ট্রদূতরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিজয় দিবসের সংবর্ধনায় যে উপস্থিত ছিলেন, তা কোনো সান্ত্বনার বিষয় হতে পারে না। মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতদের দাওয়াত করলে রাষ্ট্রদূত অথবা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতরা সেসব অনুষ্ঠানে যাবেন, এটাই নিয়ম। বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক জীবনে তাই দেখেছি, তাই করেছি।
ইইউ’র এ কয়েকজন রাষ্ট্রদূতের এমন অশিষ্টাচারের কোনো কঠোর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে সরকারিভাবে দেখানো সম্ভব হবে না। তাই বেসরকারিভাবে এবং যতভাবে সম্ভব এই রাষ্ট্রদূতদের এমন অসদাচরণের নিন্দা জানানো দরকার। তাদের অনুপস্থিতি দ্বারা তারা আমাদের বিজয় দিবসকে ‘কনটেম্পট’ দেখিয়েছেন। আমাদের বেসরকারি প্রতিক্রিয়াগুলোর কয়েকটি এমন হতে পারে :
এক. আমাদের অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতরা যৌথ বা এককভাবে তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে নিন্দা জানাতে পারেন; দুই. আমাদের বিভিন্ন পেশার মানুষজন এই রাষ্ট্রদূতদের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রদূতদের আগে লিখিতভাবে জানিয়ে বর্জন করতে পারেন; তিন. আমাদের মিডিয়া এই রাষ্ট্রদূতদের বয়কট করতে পারে। আমাদের কোনো কোনো মিডিয়া কোনো কোনো রাষ্ট্রদূতকে মিডিয়া-হাউসে দাওয়াত করে সম্মান দিয়ে থাকে। এই চিহ্নিত রাষ্ট্রদূতদের এমন সম্মান-মর্যাদা দেয়ার ক্ষেত্রে মিডিয়া-হাউসগুলো বিরত থাকতে পারে; চার. সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, গণজাগরণ মঞ্চ এবং অন্যসব অরাজনৈতিক সংগঠন এই কয়েকজন রাষ্ট্রদূত এবং তাদের দূতাবাসের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়ে শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ, মিছিল-মানববন্ধন করতে পারে; বিশিষ্টজনরা এ নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন। এমন অশিষ্ট আচরণ, মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় দিবসের প্রতি অবজ্ঞা, উপেক্ষার প্রতিবাদ ও নিন্দা আমাদের জানাতেই হবে। বিষয়টি আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জাতীয় পার্টির নয়; বিষয়টি আপনার, আমার, আমাদের সবার।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংস্কারে সম্মত ইংলাক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চার বছরেই আইনস্টাইন!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 18
(23)
- সময়চিত্র- শাবাশ আওয়ামী লীগ by আসিফ নজরুল
- মিডিয়া ভাবনা- টিভি টক শো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা! by মু...
- নৃশংসতা- ছাত্রলীগের রোষে প্রাণ গেল পথচারী বিশ্বজিতের
- জানতে ইচ্ছা করে by সাহস রতন
- বিশ্বজিৎ হত্যা: ছাত্রলীগের ৮ জনের ফাঁসি, ১৩ জনের য...
- সহিংস রাজনীতি সমর্থনযোগ্য নয়- অর্থনীতিতে অপূরণীয় ক...
- এরশাদ-জিএম কাদের বৈঠক
- নিঃসঙ্গ গণতন্ত্র ও জ্বলন্ত স্বদেশ by ড. মাহফুজ পারভেজ
- বিশ্বজিত হত্যায় ৮ জনের মৃত্যুদন্ড
- রাজনৈতিক অচলাবস্থা- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায় by...
- রাজনৈতিক সহিংসতা- বাংলাদেশ কি নেভাবে না এ আগুন? by...
- নতুন বছরের শুরুতে শাকিরার নতুন গান
- শাবাশ আওয়ামী লীগ
- অর্থনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি
- কাদের মোল্লার জন্য পাকিস্তানের দরদ
- সরকার একতরফা নির্বাচনে কেন গেল? by আবদুল লতিফ মণ্ডল
- কাদের মোল্লার ফাঁসি আর আমাদের হাসি by বদিউর রহমান
- দেশে রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে এমনটি ঘটল by আকমল...
- জনগণের অনুভূতির প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন by আমেনা ম...
- শিষ্টাচার বহির্ভূত by ফারুক চৌধুরী
- ইইউ রাষ্ট্রদূতরা আমার বিজয় দিবসকে অপমান করেছেন by ...
- সংস্কারে সম্মত ইংলাক
- চার বছরেই আইনস্টাইন!
-
▼
Dec 18
(23)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


