Friday, August 6, 2021
দ্বিজেন শর্মা : শ্যামলী নিসর্গের মহান সাধক by মোকারম হোসেন
জীবনের
প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগিয়ে জীবনকে কীভাবে অর্থবহ করতে হয়, কীভাবে একটি
স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করে সমকালীন সমাজব্যবস্থাকে বদলে দিতে হয়, এমন বিরল
দৃষ্টান্তই আমাদের সামনে রেখে গেলেন বৃক্ষাচার্য দ্বিজেন শর্মা।
অসংখ্য বিশেষণে বিভূষিত এই মহীরুহসম সরল মানুষটি কখনো বুঝতেই পারেননি
নিজের অলক্ষ্যে কতটা বিপ্লব ঘটিয়েছেন তিনি। তিনি আমাদের প্রকৃতিচর্চার মহান
সাধক, যাঁর সুললিত বাঁশির সুর দেশের অজস্র মানুষকে বিমোহিত করতে পেরেছে।
তিনি এদেশের প্রকৃতিবিমুখ মানুষকে নতুন করে উজ্জীবিত করতে পেরেছেন। অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা
এমন একজন মানুষ যাঁর জন্ম না হলে আমাদের পরিবেশ, প্রকৃতি ও উদ্ভিদজগতের
অজানা অধ্যায়গুলো কখনোই হয়তো আমাদের সামনে এভাবে উন্মোচিত হতো না।
শৈশব শিক্ষা ও মানসগঠন
দ্বিজেন শর্মার
জন্ম ১৯২৯ সালের ২৯ মে। বর্তমান মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার শিমুলিয়া
গ্রামে। পাথারিয়া পাহাড়ের অনিন্দ্য নিসর্গের কোলে বেড়ে ওঠা দ্বিজেন শর্মা
শৈশবেই তাঁর গন্তব্য ঠিক করতে পেরেছিলেন। পাথারিয়ার ভূপ্রকৃতি একদা তাঁর
কৈশোর-তারুণ্যের চোখে যে-দুর্বার স্বপ্ন এঁকে দিয়েছিল, সে-স্বপ্নই তাঁকে
বাঁচিয়ে রেখেছিল জীবনের অমিত্মম মুহূর্ত পর্যন্ত।
প্রাথমিক শিক্ষা গ্রামের পাঠশালায়, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন চার মাইল দূরের পিসি হাইস্কুলে। তারপর আসামের করিমগঞ্জ পাবলিক হাইস্কুলে। আইএসসি আগরতলার মহারাজা বীরবিক্রম কলেজে। করিমগঞ্জ স্কুলে জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় সময় কাটিয়েছেন। চারপাশের প্রকৃতি ছিল অসাধারণ সুন্দর। অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও জুটেছিল। শিক্ষকরা ছিলেন বন্ধুসম। কিন্তু আগরতলার পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ পৃথক। ছাত্র পড়িয়ে এক বাড়িতে থাকতেন। তারাও ছিলেন দরিদ্র, খাওয়া-দাওয়ায় বেশ অসুবিধা হতো। তাই মাঝে মাঝে বাড়ি চলে যেতেন। বাড়ি এলে আর ফিরতে ইচ্ছে করত না। সেখানে দুবছর পড়াশোনা করেন। ১৯৫০ সালে কলকাতা সিটি কলেজে বিএসসিতে ভর্তি হন। সেখানে এক বন্ধুর প্রভাবে মার্কসবাদে আকৃষ্ট হয়ে পাঠ্যবই ফেলে মার্কসীয় সাহিত্য নিয়ে মেতে ওঠেন।
প্রাথমিক শিক্ষা গ্রামের পাঠশালায়, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন চার মাইল দূরের পিসি হাইস্কুলে। তারপর আসামের করিমগঞ্জ পাবলিক হাইস্কুলে। আইএসসি আগরতলার মহারাজা বীরবিক্রম কলেজে। করিমগঞ্জ স্কুলে জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় সময় কাটিয়েছেন। চারপাশের প্রকৃতি ছিল অসাধারণ সুন্দর। অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও জুটেছিল। শিক্ষকরা ছিলেন বন্ধুসম। কিন্তু আগরতলার পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ পৃথক। ছাত্র পড়িয়ে এক বাড়িতে থাকতেন। তারাও ছিলেন দরিদ্র, খাওয়া-দাওয়ায় বেশ অসুবিধা হতো। তাই মাঝে মাঝে বাড়ি চলে যেতেন। বাড়ি এলে আর ফিরতে ইচ্ছে করত না। সেখানে দুবছর পড়াশোনা করেন। ১৯৫০ সালে কলকাতা সিটি কলেজে বিএসসিতে ভর্তি হন। সেখানে এক বন্ধুর প্রভাবে মার্কসবাদে আকৃষ্ট হয়ে পাঠ্যবই ফেলে মার্কসীয় সাহিত্য নিয়ে মেতে ওঠেন।
কর্মজীবন, শিক্ষকের আদর্শ
আমার
লেখায় যতবারই তাঁকে বিভিন্ন বিশেষণে বিশেষায়িত করার চেষ্টা করেছি, তিনি
সেসব অগ্রাহ্য করে শুধু অধ্যাপক শব্দটি লিখে দিতেন। অর্থাৎ তিনি নিজেকে
শিক্ষক ভাবতেই বেশি পছন্দ করতেন। ১৯৫৪ সালে তিনি বরিশালের বিএম কলেজে যোগ
দেন। কীভাবে তিনি সিলেট থেকে বরিশাল গেলেন – এ-গল্প তাঁর মুখে অনেকবার
শুনেছি। একদিন হঠাৎ করেই পত্রিকার একটি বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হন। বরিশাল বিএম
কলেজে শিক্ষক পদে লোক নিয়োগ করা হবে। মানচিত্র খুলে দেখেন সেটা সাগরপাড়ের
একটি জেলা। তাঁর ইচ্ছা, সেখান থেকে খুব সহজেই সাগর দেখা যাবে। কোনো কিছু
চিন্তা না করেই চলে যান সেখানে। যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে শিক্ষক হিসেবে
যোগ দেন কলেজে। কিন্তু কিছুদিন পর ভুল ভাঙে। তাঁর স্বপ্নের বঙ্গোপসাগর
বরিশাল থেকে অনেক দূরে। ততদিনে কলেজ আর শিক্ষার্থীদের প্রতি মায়া জন্মেছে।
ফেলে আসা যায় কি! থাকলেন অনেক দিন। সেখানেও গড়ে তুললেন বিচিত্র গাছপালার
পরিকল্পিত এক উদ্যান।
১৯৬২ পর্যন্ত কাটে সেখানেই, তারপর চলে আসেন ঢাকার নটর ডেম কলেজে। তখন (১৯৬৫) অধ্যাপক একেএম নুরুল ইসলামের প্রেরণায় শৈবাল গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন। নমুনা সংগ্রহে ঘুরে বেড়ান দেশের বিভিন্ন জলাভূমি, হাওর-বিল ও নদী-নালায়। ১৯৭৪ সালে সোভিয়েত প্রকাশনা সংস্থা প্রগতি প্রকাশনে অনুবাদকের কাজ নিয়ে মস্কো যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন। অনুবাদ করেন চলিস্নশটিরও বেশি গ্রন্থ। তাঁর অনুবাদের সুবাদে রাশিয়ার সমৃদ্ধ শিশুসাহিত্য বাংলা ভাষাভাষীদের নাগালে চলে আসে। শিশুরা সেইসব বই পড়ে অন্যরকম স্বাদ পেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত ননী ভৌমিক ও ড. হায়াৎ মামুদও স্মরণীয়। সমসাময়িককালে তাঁদের অনুবাদও আমাদের শিশুসাহিত্যকে নানাভাবে অলংকৃত করেছে।
তৎকালীন রাশিয়ার সাম্যবাদী চেতনার মোহই তাঁকে টেনে নিয়ে যায় রাশিয়ায়। নিজেও একজন সমতাবাদী, শামিত্মপ্রিয় মানুষ। ১৯৭৪ সালে প্রথম পা রেখেই ভালোবেসে ফেলেছিলেন যে-দেশটিকে সেই স্বপ্নের দেশটি আজ আর নেই, ভেঙে ছড়িয়ে পড়েছে পনেরো টুকরো হয়ে। ১৯৯১ সালে প্রগতি প্রকাশনের কাজ বন্ধ হয়ে গেলেও ১৮ বছরের শিকড়টা একেবারেই উপড়ে ফেলতে পারেননি। বারবারই ফিরে গেছেন সেখানে। দেশে ফিরে এসে এশিয়াটিক সোসাইটিতে বাংলাপিডিয়ার সম্পাদনা কাজে যোগ দেন। বলা বাহুল্য, পরম একাগ্রতা দিয়ে তা শেষও করেন।
প্রবাসে তিনি প্রায়শ স্মৃতিকাতরতায় ভুগতেন। শৈশব তাঁকে অনুক্ষণ মাতিয়ে রাখতো। ১৯৯৩ সালে মস্কোয় বসে লেখা ছোটদের একটি বইয়ের মুখবন্ধে সেই আকুতিই ফুটে ওঠে, – ‘আমি এই সুদূর প্রবাসে আমার মেয়েকে কখনো কখনো নিজের ছেলেবেলার কথা শোনাই। গ্রামে বড় হয়েছি। প্রকৃতির প্রতিটি ঋতুর
বর্ণ-গন্ধ-স্পন্দন আমার রক্তকণায়। এ কাহিনী তাই ফুরোতে চায় না। এ গল্প শেষ হয় না। ফাল্গুনে অশোকমঞ্জরি সুবাসিত সকালে ফুলের সাজি হাতে বাড়ি বাড়ি ঘোরা, প্রথম বৃষ্টির পর মাটির সোঁদা গন্ধ, বৈশাখের ছায়াঘন দিন, রাতভর হাওয়ার মাতলামি, ভোরে আম কুড়োনোর ধুম, বর্ষার এগিয়ে আসা ঘোলা জলে অবিরাম সাঁতার, রথের মেলার সেই আশ্চর্য বাঁশির সুর, বাদল বাউলের অবিশ্রান্ত একতারা শুনে শুনে কাঁথার ওমে ঘুমিয়ে পড়া, শরতের কাকচক্ষু বিল থেকে শাপলা তোলা…।’
১৯৬২ পর্যন্ত কাটে সেখানেই, তারপর চলে আসেন ঢাকার নটর ডেম কলেজে। তখন (১৯৬৫) অধ্যাপক একেএম নুরুল ইসলামের প্রেরণায় শৈবাল গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন। নমুনা সংগ্রহে ঘুরে বেড়ান দেশের বিভিন্ন জলাভূমি, হাওর-বিল ও নদী-নালায়। ১৯৭৪ সালে সোভিয়েত প্রকাশনা সংস্থা প্রগতি প্রকাশনে অনুবাদকের কাজ নিয়ে মস্কো যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন। অনুবাদ করেন চলিস্নশটিরও বেশি গ্রন্থ। তাঁর অনুবাদের সুবাদে রাশিয়ার সমৃদ্ধ শিশুসাহিত্য বাংলা ভাষাভাষীদের নাগালে চলে আসে। শিশুরা সেইসব বই পড়ে অন্যরকম স্বাদ পেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত ননী ভৌমিক ও ড. হায়াৎ মামুদও স্মরণীয়। সমসাময়িককালে তাঁদের অনুবাদও আমাদের শিশুসাহিত্যকে নানাভাবে অলংকৃত করেছে।
তৎকালীন রাশিয়ার সাম্যবাদী চেতনার মোহই তাঁকে টেনে নিয়ে যায় রাশিয়ায়। নিজেও একজন সমতাবাদী, শামিত্মপ্রিয় মানুষ। ১৯৭৪ সালে প্রথম পা রেখেই ভালোবেসে ফেলেছিলেন যে-দেশটিকে সেই স্বপ্নের দেশটি আজ আর নেই, ভেঙে ছড়িয়ে পড়েছে পনেরো টুকরো হয়ে। ১৯৯১ সালে প্রগতি প্রকাশনের কাজ বন্ধ হয়ে গেলেও ১৮ বছরের শিকড়টা একেবারেই উপড়ে ফেলতে পারেননি। বারবারই ফিরে গেছেন সেখানে। দেশে ফিরে এসে এশিয়াটিক সোসাইটিতে বাংলাপিডিয়ার সম্পাদনা কাজে যোগ দেন। বলা বাহুল্য, পরম একাগ্রতা দিয়ে তা শেষও করেন।
প্রবাসে তিনি প্রায়শ স্মৃতিকাতরতায় ভুগতেন। শৈশব তাঁকে অনুক্ষণ মাতিয়ে রাখতো। ১৯৯৩ সালে মস্কোয় বসে লেখা ছোটদের একটি বইয়ের মুখবন্ধে সেই আকুতিই ফুটে ওঠে, – ‘আমি এই সুদূর প্রবাসে আমার মেয়েকে কখনো কখনো নিজের ছেলেবেলার কথা শোনাই। গ্রামে বড় হয়েছি। প্রকৃতির প্রতিটি ঋতুর
বর্ণ-গন্ধ-স্পন্দন আমার রক্তকণায়। এ কাহিনী তাই ফুরোতে চায় না। এ গল্প শেষ হয় না। ফাল্গুনে অশোকমঞ্জরি সুবাসিত সকালে ফুলের সাজি হাতে বাড়ি বাড়ি ঘোরা, প্রথম বৃষ্টির পর মাটির সোঁদা গন্ধ, বৈশাখের ছায়াঘন দিন, রাতভর হাওয়ার মাতলামি, ভোরে আম কুড়োনোর ধুম, বর্ষার এগিয়ে আসা ঘোলা জলে অবিরাম সাঁতার, রথের মেলার সেই আশ্চর্য বাঁশির সুর, বাদল বাউলের অবিশ্রান্ত একতারা শুনে শুনে কাঁথার ওমে ঘুমিয়ে পড়া, শরতের কাকচক্ষু বিল থেকে শাপলা তোলা…।’
উপমহাদেশের উদ্যানশিল্পের সূত্রধর
উদ্ভিদবিজ্ঞানে অ্যাকাডেমিক পাঠের বাইরে যে আরেকটি বিশাল জগৎ আছে তা আমরা কেবল দ্বিজেন শর্মার
লেখা থেকেই জানতে পেরেছি। তাঁর এই ভাবনা সত্যিকার অর্থেই বিচিত্র ও
বহুমুখী। তিনি ছিলেন অনুসন্ধানী লেখক। অন্তর্দৃষ্টি, দূরদর্শিতা ও ভাবনার
গভীরতার দিক থেকে তিনি দার্শনিক পর্যায়ের একজন। এ-কারণেই তাঁর লেখায় আমরা
খুঁজে পাই উপমহাদেশের ঐতিহাসিক উদ্যানচর্চার সূত্র। একই সঙ্গে ব্রিটিশ
ভারতের অরণ্যতরু সন্ধানীদের অজানা অধ্যায়।
রমনা নিসর্গের স্থপতি বিস্মৃতপ্রায় আরএল প্রাউডলক তাঁর লেখাতেই আবার নতুন করে ফিরে আসেন। ১৯০৮ সালের দিকে রমনাসহ ঢাকা শহরের নিসর্গ পরিকল্পনার কাজ শুরু করেছিলেন লন্ডনের কিউ বোটানিক গার্ডেনের অন্যতম এই কর্মী রবার্ট লুইস প্রাউডলক। তাঁর তত্ত্বাবধানেই গড়ে ওঠে রমনাকেন্দ্রিক নিসর্গশোভা, রমনাগ্রিন। তিনি বিশ্বের অন্যান্য উষ্ণম-লীয় অঞ্চলের সুদর্শন বৃক্ষগুলো ঢাকায় এনে রোপণের ব্যবস্থা করেন। বর্তমান রমনাপার্ক অবশ্য অনেক পরের সৃষ্টি।
রমনা নিসর্গের স্থপতি বিস্মৃতপ্রায় আরএল প্রাউডলক তাঁর লেখাতেই আবার নতুন করে ফিরে আসেন। ১৯০৮ সালের দিকে রমনাসহ ঢাকা শহরের নিসর্গ পরিকল্পনার কাজ শুরু করেছিলেন লন্ডনের কিউ বোটানিক গার্ডেনের অন্যতম এই কর্মী রবার্ট লুইস প্রাউডলক। তাঁর তত্ত্বাবধানেই গড়ে ওঠে রমনাকেন্দ্রিক নিসর্গশোভা, রমনাগ্রিন। তিনি বিশ্বের অন্যান্য উষ্ণম-লীয় অঞ্চলের সুদর্শন বৃক্ষগুলো ঢাকায় এনে রোপণের ব্যবস্থা করেন। বর্তমান রমনাপার্ক অবশ্য অনেক পরের সৃষ্টি।
ব্রিটিশ অরণ্যতরু সন্ধানীদের স্বরূপ উন্মোচন
দ্বিজেন শর্মা
তাঁর নিসর্গ নির্মাণ ও নান্দনিক ভাবনা গ্রন্থে একঝাঁক ব্রিটিশ
উদ্ভিদবিজ্ঞানীর সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরেছেন। যাঁরা ব্রিটিশ ভারতের
অরণ্যতরু সন্ধানী হিসেবে সুপরিচিত। গেরহার্ড কোয়নিগ, সিপি থানবার্গ,
উইলিয়াম রক্সবার্গ, উইলিয়াম কেরি, বেঞ্জামিন হাইনে, ফ্রান্সিস বুকানন
হ্যামিলটন, রবার্ট উইট, ন্যাথানিয়েল ওয়ালিচ, ভিক্তর জাকমঁ, জন ফর্বস রয়েল,
উইলিয়াম গ্রিফিথ, জোসেফ ডাল্টন হুকার, টমাস টমসন, চার্লস ব্যারন ক্লার্কস,
ডেভিড প্রেইন, জর্জ কিং প্রমুখের হাত ধরেই মূলত আমাদের উদ্ভিদবিদ্যার
গোড়াপত্তন। আমাদের উদ্ভিদবিজ্ঞান চর্চায় তাঁরা কতটা সম্পৃক্ত ছিলেন সেসব
তথ্যই এখানে বিবৃত হয়েছে। কিন্তু প্রায় বিশ বছর আগে যখন বইটির পাণ্ডুলিপি
তৈরি হয় তখন আমাদের চারপাশে এমন অবাধ তথ্যপ্রবাহ ছিল না। সেই অর্থে অসাধ্য
সাধন করেছিলেন তিনি। আমাদের সামনে হাজির করলেন সম্পূর্ণ অজানা একটি অধ্যায়।
বইয়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সংযোজন করে তিনি আমাদের আক্ষরিক অর্থেই
সমৃদ্ধ করেছেন।
ব্রিটিশ ভারতের উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মধ্যে যোসেফ ডাল্টন হুকার অগ্রগণ্য। তিনি বৃক্ষানুরাগীদের জন্য শুধু সাত খণ্ডর দ্য ফ্লোরা অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়াই রচনা করেননি, লিখেছেন দ্য হিমালয়ান জার্নালের মতো অসাধারণ একটি গ্রন্থ। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি দীর্ঘদিন আমাদের অগোচরেই ছিল। দ্বিজেন শর্মা বিচ্ছিন্ন কিছু সূত্র থেকে বইটি সম্পর্কে জানতে পারেন। তারপর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সংগ্রহ করেন বইয়ের একটি কপি। ১৮৯১ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত এই সুবিশাল ও দুর্লভ ভ্রমণবৃত্তান্ত মাধুর্যমণ্ডত ভাষায় তিনি আমাদের জন্য পুনর্কথন করেন। ২০০৪ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। উদ্ভিদপ্রেমীদের জন্য এটি একটি বিস্ময়কর গ্রন্থ। ভাষা এবং বর্ণনাশৈলীর চমৎকারিত্বে দীর্ঘ পটভূমিতে রচিত একটি উদ্ভিদতত্ত্বীয় গ্রন্থকে তিনি সুখপাঠ্য করে তুলেছেন। পড়তে গিয়ে আরেকটি কথাও মনে হয়েছে, গ্রন্থের প্রায় প্রতিটি কথাই অত্যন্ত দরকারি। আদতেও তাই। হুকারের হিমালয়ান জার্নাল উদ্ভিদবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। যে কজন ব্রিটিশ অরণ্যতরু সন্ধানী আমাদের উদ্ভিদবিদ্যার ভিত রচনা করেছিলেন হুকার তাঁদের অন্যতম।
ব্রিটিশ ভারতের উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মধ্যে যোসেফ ডাল্টন হুকার অগ্রগণ্য। তিনি বৃক্ষানুরাগীদের জন্য শুধু সাত খণ্ডর দ্য ফ্লোরা অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়াই রচনা করেননি, লিখেছেন দ্য হিমালয়ান জার্নালের মতো অসাধারণ একটি গ্রন্থ। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি দীর্ঘদিন আমাদের অগোচরেই ছিল। দ্বিজেন শর্মা বিচ্ছিন্ন কিছু সূত্র থেকে বইটি সম্পর্কে জানতে পারেন। তারপর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সংগ্রহ করেন বইয়ের একটি কপি। ১৮৯১ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত এই সুবিশাল ও দুর্লভ ভ্রমণবৃত্তান্ত মাধুর্যমণ্ডত ভাষায় তিনি আমাদের জন্য পুনর্কথন করেন। ২০০৪ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। উদ্ভিদপ্রেমীদের জন্য এটি একটি বিস্ময়কর গ্রন্থ। ভাষা এবং বর্ণনাশৈলীর চমৎকারিত্বে দীর্ঘ পটভূমিতে রচিত একটি উদ্ভিদতত্ত্বীয় গ্রন্থকে তিনি সুখপাঠ্য করে তুলেছেন। পড়তে গিয়ে আরেকটি কথাও মনে হয়েছে, গ্রন্থের প্রায় প্রতিটি কথাই অত্যন্ত দরকারি। আদতেও তাই। হুকারের হিমালয়ান জার্নাল উদ্ভিদবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। যে কজন ব্রিটিশ অরণ্যতরু সন্ধানী আমাদের উদ্ভিদবিদ্যার ভিত রচনা করেছিলেন হুকার তাঁদের অন্যতম।
ডারউইনবাদ, রবীন্দ্রনাথ ও সমাজতন্ত্র
দ্বিজেন শর্মা ছাত্রজীবনেই
ডারউইনের বিবর্তনবাদ কর্তৃক প্ররোচিত এবং ডারউইনের তত্ত্ব ও মতবাদে
প্রভাবিত হন। দেখে আসেন ‘ডারউন-তীর্থ’ শ্রম্নসবারি ও ডাউনগাঁ। ডারউইন
মুগ্ধতার ফলেই রচিত হয় ‘সতীর্থ বলয়ে ডারউইন’, ‘ডারউইন ও প্রজাতির উৎপত্তি’
এবং ‘বিগল যাত্রীর ভ্রমণ কথা’।
একসময় নিজের চিন্তা-চেতনার সঙ্গে মার্কসবাদের সাদৃশ্য খুঁজে পান। এই পাওয়াটাই তাঁকে শেষতক পুরোদস্ত্তর মার্কসবাদী হিসেবে গড়ে তোলে। কিন্তু মার্কসবাদ নিয়ে যে পরিমাণ আশাবাদী হন ততটাই আশাহত হন। কারণ সমাজতন্ত্র খোদ রাশিয়াতেই ব্যর্থ হয়। কী কারণে সমাজতন্ত্র দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, দীর্ঘ ৩৪ বছরের অভিজ্ঞতায়ও বিষয়টি তাঁর কাছে অমীমাংসিত। মস্কোয় বসবাসকালে তিনি সমাজতন্ত্রকে শুধু লালনই করেননি, নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্ন ব্যাখ্যাও দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর এসব মতামত পুঁজিবাদী বিশ্বের সোভিয়েত গবেষক পণ্ডতদের চেয়ে অবশ্যই আলাদা ছিল। তাঁর সমাজতন্ত্র প্রভাবিত এসব লেখা একত্রিত করে পরবর্তীকালে সমাজতন্ত্রে বসবাস নামে একটি গ্রন্থে সংকলিত হয়।
তাঁর উদ্ভিদ ও প্রকৃতি বিষয়ক অসংখ্য লেখায় রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গ এসেছে গভীরভাবে। আমাদের দেশে তিনিই প্রথম রবীন্দ্রনাথের বৃক্ষবিষয়ক পঙ্ক্তিগুলো ব্যাপক আঙ্গিকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে সমর্থ হন। কাজটি নিঃসন্দেহে শ্রম ও সময়সাধ্য। একাগ্রতা ও নিষ্ঠা ছাড়া এমন কাজ অসম্ভব।
একসময় নিজের চিন্তা-চেতনার সঙ্গে মার্কসবাদের সাদৃশ্য খুঁজে পান। এই পাওয়াটাই তাঁকে শেষতক পুরোদস্ত্তর মার্কসবাদী হিসেবে গড়ে তোলে। কিন্তু মার্কসবাদ নিয়ে যে পরিমাণ আশাবাদী হন ততটাই আশাহত হন। কারণ সমাজতন্ত্র খোদ রাশিয়াতেই ব্যর্থ হয়। কী কারণে সমাজতন্ত্র দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, দীর্ঘ ৩৪ বছরের অভিজ্ঞতায়ও বিষয়টি তাঁর কাছে অমীমাংসিত। মস্কোয় বসবাসকালে তিনি সমাজতন্ত্রকে শুধু লালনই করেননি, নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্ন ব্যাখ্যাও দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর এসব মতামত পুঁজিবাদী বিশ্বের সোভিয়েত গবেষক পণ্ডতদের চেয়ে অবশ্যই আলাদা ছিল। তাঁর সমাজতন্ত্র প্রভাবিত এসব লেখা একত্রিত করে পরবর্তীকালে সমাজতন্ত্রে বসবাস নামে একটি গ্রন্থে সংকলিত হয়।
তাঁর উদ্ভিদ ও প্রকৃতি বিষয়ক অসংখ্য লেখায় রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গ এসেছে গভীরভাবে। আমাদের দেশে তিনিই প্রথম রবীন্দ্রনাথের বৃক্ষবিষয়ক পঙ্ক্তিগুলো ব্যাপক আঙ্গিকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে সমর্থ হন। কাজটি নিঃসন্দেহে শ্রম ও সময়সাধ্য। একাগ্রতা ও নিষ্ঠা ছাড়া এমন কাজ অসম্ভব।
একটি সফল ধারার প্রবর্তক
বিজ্ঞান
এবং সাহিত্যের সম্পর্ক কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ ও পরিপূরক হতে পারে, দ্বিজেন
শর্মার রচনা-নিচয়ে তা নানাভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি নির্মাণ করেছেন
জনবোধ্য এক আশ্চর্য ভাষাশৈলী। কিন্তু আজীবন নিসর্গী এই বৃক্ষাচার্য
লেখালেখির শুরুতে হতে চেয়েছিলেন ভিন্ন কিছু!
মূলত গল্পের মাধ্যমেই লেখালেখিতে তাঁর হাতেখড়ি। তখন বয়স খুবই কম, আইএসসিতে পড়েন। ১৯৪৯ সালে প্রথম গল্পটি ছাপা হয় কলেজ বার্ষিকীতে। এরপর আরো কয়েকটি গল্প ছাপা হয় বিভিন্ন দৈনিকের সাময়িকীতে। বরাবরই গল্পের বিষয়বস্ত্ত ছিল মানবতাবাদ, জীবন সংগ্রাম এবং সাম্যবাদী চেতনা। পরে প্রকৃতির প্রতি ভালোলাগার বোধ থেকে এ-বিষয়ে লেখালেখি শুরু। রমনাগ্রিনের সৌন্দর্য তাঁকে ঢাকার গাছ নিয়ে বই লিখতে উদ্বুদ্ধ করে। মোটরসাইকেল চালিয়ে সারা ঢাকা শহর ঘুরে বেড়াতেন। কোথায় কী গাছ আছে, কোন গাছ লাগানো হচ্ছে সেই সন্ধান করতেন। এসব নিয়ে লেখালেখির পাশাপাশি বই লেখাও শুরু করেন। বাংলা একাডেমি থেকে ১৯৮১ সালে শ্যামলী নিসর্গ নামে এটি প্রকাশিত হয়। বলতে দ্বিধা নেই, শ্যামলী নিসর্গ অদ্যাবধি বৃক্ষানুরাগীদের প্রকৃতি সমীক্ষা ও লেখালেখিতে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রতিটি বৃক্ষের আলোচনায় তিনি তুলে ধরেছেন প্রাসঙ্গিক কবিতার উদ্ধৃতি, গাছপালার আঙ্গিক বৈশিষ্ট্য, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও উপযোগিতা। বৃক্ষ পরিচিতিমূলক গ্রন্থের ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন ধারা – যার প্রবর্তক স্বয়ং দ্বিজেন শর্মা।
শ্যামলী নিসর্গের রচনাকাল ১৯৬২-৬৫। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নানাবিধ কারণে গ্রন্থটি দীর্ঘ সময় প্রকাশিত হতে পারেনি। দ্বিতীয় মুদ্রণ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। গ্রন্থটি ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বৃক্ষানুরাগীসহ অসংখ্য নিবিষ্ট পাঠকের কাছে। গ্রন্থে সংযুক্ত ২৫ পৃষ্ঠার দীর্ঘ ভূমিকা আমাদের উদ্ভিদ-ঐতিহ্যের একটি মূল্যবান দলিল। মনে পড়ে, নটর ডেম কলেজের বাগান নিয়ে লিখতে গিয়ে সেখানকার ইংরেজির শিক্ষক ফাদার বেনাসের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। আলাপচারিতার সময় তাঁর ব্রিফকেস থেকে শ্যামলী নিসর্গ বের করলে আমি অবাক হই। একজন ভিনভাষী লোকের কাছেও আছে শ্যামলী নিসর্গ! সেই অর্থে পাঠকপ্রিয়তা ও নির্ভরযোগ্যতার বিচারে শ্যামলী নিসর্গ সার্থক।
নিসর্গ নির্মাণ ও নান্দনিক ভাবনা তাঁর সুদীর্ঘ সময়ের উদ্ভিদ ও পরিবেশ চর্চার অনবদ্য দলিল। অনুসন্ধানী পাঠক কিংবা নবীন নিসর্গীদের জন্য আকরগ্রন্থসম। আলোচ্য গ্রন্থে তিনি আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে সম্পূর্ণ কিছু প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন। বন উজাড় ও পরিবেশ ধ্বংসের মতো অপকর্মের প্রতিবাদ আছে অনেক লেখায়। তুলে এনেছেন আদিবাসী অসহায় মানুষের মুখ, নীড়হারা পাখি কিংবা গৃহহারা প্রাণিদের গল্পগাথা। নিজের একান্ত ভালোলাগা বিষয়গুলোও এখানে আছে নানা আঙ্গিকে। পরিশিষ্টাংশে আছে শ্যামলী রমনার ইতিহাস যা দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের অজানা ছিল। সবকিছু মিলিয়ে এটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের প্রতিনিধিত্বশীল ও নির্দেশনামূলক গ্রন্থ।
দ্বিজেন শর্মা শুধু ডারউইনবাদে বিশ্বাসীই নন, ডারউইনের ভাবশিষ্যও। এই অনুরক্তি থেকেই বিবর্তনবাদ ও অন্যান্য আবিষ্কারে তাঁর আগ্রহ ও বিশ্লেষণ প্রশংসনীয়। ডারউইনকে আমাদের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে গিয়ে তিনি এই প্রসঙ্গে তিনটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। যার অন্যতম চার্লস্ ডারউইন ও প্রজাতির উৎপত্তি। এটি মূলত ডারউইনের বিখ্যাত Origion of Species গ্রন্থের সংক্ষিপণ। বিশাল কলেবরের মূলগ্রন্থ থেকে চমৎকারভাবে প্রকৃত বিষয় ছেঁকে আনা জটিল ও দুঃসাধ্য। এক্ষেত্রে অঙ্গহানির আশঙ্কা থাকলেও এখানে তা হয়নি। ডারউইন : বিগল্-যাত্রীর ভ্রমণকথা গ্রন্থত্রয়ীর মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় একটি বই। এখানেও অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি। ৪৮৯ পৃষ্ঠার বৃহৎ কলেবরের Voyage of the Beagle গ্রন্থের সারসংক্ষিপ তুলে এনেছেন মাত্র ৮৮ পৃষ্ঠায়। এ-গ্রন্থের মাধ্যমে সবাই ডারউইনের ভ্রমণবৃত্তান্ত সম্পর্কে জানতে পারবেন। শুধু ভ্রমণই নয়, বৈচিত্র্যময় ভূদৃশ্যের অনবদ্য বর্ণনা এবং নানা দেশের তৎকালীন সামাজিক অবস্থার আকৃষ্টকর উপস্থাপনও বইটির একটি বিশেষ দিক। ডারউইন ভাবনা নিয়ে আরেকটি গ্রন্থ হলো সতীর্থ বলয়ে ডারউইন।
মূলত গল্পের মাধ্যমেই লেখালেখিতে তাঁর হাতেখড়ি। তখন বয়স খুবই কম, আইএসসিতে পড়েন। ১৯৪৯ সালে প্রথম গল্পটি ছাপা হয় কলেজ বার্ষিকীতে। এরপর আরো কয়েকটি গল্প ছাপা হয় বিভিন্ন দৈনিকের সাময়িকীতে। বরাবরই গল্পের বিষয়বস্ত্ত ছিল মানবতাবাদ, জীবন সংগ্রাম এবং সাম্যবাদী চেতনা। পরে প্রকৃতির প্রতি ভালোলাগার বোধ থেকে এ-বিষয়ে লেখালেখি শুরু। রমনাগ্রিনের সৌন্দর্য তাঁকে ঢাকার গাছ নিয়ে বই লিখতে উদ্বুদ্ধ করে। মোটরসাইকেল চালিয়ে সারা ঢাকা শহর ঘুরে বেড়াতেন। কোথায় কী গাছ আছে, কোন গাছ লাগানো হচ্ছে সেই সন্ধান করতেন। এসব নিয়ে লেখালেখির পাশাপাশি বই লেখাও শুরু করেন। বাংলা একাডেমি থেকে ১৯৮১ সালে শ্যামলী নিসর্গ নামে এটি প্রকাশিত হয়। বলতে দ্বিধা নেই, শ্যামলী নিসর্গ অদ্যাবধি বৃক্ষানুরাগীদের প্রকৃতি সমীক্ষা ও লেখালেখিতে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রতিটি বৃক্ষের আলোচনায় তিনি তুলে ধরেছেন প্রাসঙ্গিক কবিতার উদ্ধৃতি, গাছপালার আঙ্গিক বৈশিষ্ট্য, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও উপযোগিতা। বৃক্ষ পরিচিতিমূলক গ্রন্থের ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন ধারা – যার প্রবর্তক স্বয়ং দ্বিজেন শর্মা।
শ্যামলী নিসর্গের রচনাকাল ১৯৬২-৬৫। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নানাবিধ কারণে গ্রন্থটি দীর্ঘ সময় প্রকাশিত হতে পারেনি। দ্বিতীয় মুদ্রণ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। গ্রন্থটি ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বৃক্ষানুরাগীসহ অসংখ্য নিবিষ্ট পাঠকের কাছে। গ্রন্থে সংযুক্ত ২৫ পৃষ্ঠার দীর্ঘ ভূমিকা আমাদের উদ্ভিদ-ঐতিহ্যের একটি মূল্যবান দলিল। মনে পড়ে, নটর ডেম কলেজের বাগান নিয়ে লিখতে গিয়ে সেখানকার ইংরেজির শিক্ষক ফাদার বেনাসের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। আলাপচারিতার সময় তাঁর ব্রিফকেস থেকে শ্যামলী নিসর্গ বের করলে আমি অবাক হই। একজন ভিনভাষী লোকের কাছেও আছে শ্যামলী নিসর্গ! সেই অর্থে পাঠকপ্রিয়তা ও নির্ভরযোগ্যতার বিচারে শ্যামলী নিসর্গ সার্থক।
নিসর্গ নির্মাণ ও নান্দনিক ভাবনা তাঁর সুদীর্ঘ সময়ের উদ্ভিদ ও পরিবেশ চর্চার অনবদ্য দলিল। অনুসন্ধানী পাঠক কিংবা নবীন নিসর্গীদের জন্য আকরগ্রন্থসম। আলোচ্য গ্রন্থে তিনি আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে সম্পূর্ণ কিছু প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন। বন উজাড় ও পরিবেশ ধ্বংসের মতো অপকর্মের প্রতিবাদ আছে অনেক লেখায়। তুলে এনেছেন আদিবাসী অসহায় মানুষের মুখ, নীড়হারা পাখি কিংবা গৃহহারা প্রাণিদের গল্পগাথা। নিজের একান্ত ভালোলাগা বিষয়গুলোও এখানে আছে নানা আঙ্গিকে। পরিশিষ্টাংশে আছে শ্যামলী রমনার ইতিহাস যা দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের অজানা ছিল। সবকিছু মিলিয়ে এটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের প্রতিনিধিত্বশীল ও নির্দেশনামূলক গ্রন্থ।
দ্বিজেন শর্মা শুধু ডারউইনবাদে বিশ্বাসীই নন, ডারউইনের ভাবশিষ্যও। এই অনুরক্তি থেকেই বিবর্তনবাদ ও অন্যান্য আবিষ্কারে তাঁর আগ্রহ ও বিশ্লেষণ প্রশংসনীয়। ডারউইনকে আমাদের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে গিয়ে তিনি এই প্রসঙ্গে তিনটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। যার অন্যতম চার্লস্ ডারউইন ও প্রজাতির উৎপত্তি। এটি মূলত ডারউইনের বিখ্যাত Origion of Species গ্রন্থের সংক্ষিপণ। বিশাল কলেবরের মূলগ্রন্থ থেকে চমৎকারভাবে প্রকৃত বিষয় ছেঁকে আনা জটিল ও দুঃসাধ্য। এক্ষেত্রে অঙ্গহানির আশঙ্কা থাকলেও এখানে তা হয়নি। ডারউইন : বিগল্-যাত্রীর ভ্রমণকথা গ্রন্থত্রয়ীর মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় একটি বই। এখানেও অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি। ৪৮৯ পৃষ্ঠার বৃহৎ কলেবরের Voyage of the Beagle গ্রন্থের সারসংক্ষিপ তুলে এনেছেন মাত্র ৮৮ পৃষ্ঠায়। এ-গ্রন্থের মাধ্যমে সবাই ডারউইনের ভ্রমণবৃত্তান্ত সম্পর্কে জানতে পারবেন। শুধু ভ্রমণই নয়, বৈচিত্র্যময় ভূদৃশ্যের অনবদ্য বর্ণনা এবং নানা দেশের তৎকালীন সামাজিক অবস্থার আকৃষ্টকর উপস্থাপনও বইটির একটি বিশেষ দিক। ডারউইন ভাবনা নিয়ে আরেকটি গ্রন্থ হলো সতীর্থ বলয়ে ডারউইন।
উদ্যান রচনা
বাগান
করার শখ ছিল তাঁর। কিন্তু এর মধ্যে এক ধরনের এক্সপেরিমেন্টও ছিল। ছিল এক
ধরনের হাহাকার। শৈশবে দেখা পাথারিয়া পাহাড়ের নান্দনিক বিন্যাস অনুক্ষণ তাঁর
সঙ্গী ছিল। পৃথিবীর কোথাও তিনি এমন সাদৃশ্য খুঁজে পাননি। উদ্যান রচনায় এমন
হাহাকার খোদ মোঘল সম্রাটদেরই ছিল। নিসর্গ নির্মাণ ও নান্দনিক ভাবনা
গ্রন্থে দ্বিজেন শর্মা লিখেছেন, ‘এজন্যই হিন্দুস্থানের অঢেল সোনারুপায়
সম্রাট বাবর তৃপ্ত হননি, অনুক্ষণ মনে পড়ত কাবুলে তাঁর বাগান কখন বসন্তে
লাল-হলুদ অর্গানে ঢেকে গেছে, ডালিম দুলছে ডালে ডালে। তিনি এর তুলনা খুঁজে
পাননি পৃথিবীর আর কোন দেশে।’ কিন্তু এক্ষেত্রে নিজের অতৃপ্তিও কম নয়। দেবী
শর্মার লেখায় তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে – ‘… সুতরাং আমাদের বাড়ি এলো হাজার রকমের
গাছপালা; কিন্তু সমস্যা দেখা দিল অন্যত্র। গাছগুলো থিতু হওয়ার সুযোগ পেত
না – আজ এখানে তো কাল ওখানে। তুঘলকি কা-। … আসলে দ্বিজেন শর্মা বড় হয়েছেন
পাহাড়ি এলাকায়, ওখানকার নিসর্গ তাঁর অস্থিমজ্জায়, তেমন একটি শোভা সৃষ্টি
করতে চাইতেন আমাদের সমতল বাংলায়, সেটা হয়ে উঠতো না, যে জন্য এই উচাটন।’
তিনি প্রথম বাগান করেছেন বাড়িতে। অগ্রজের সবজি আর ফুলের বাগান করার শখ ছিল। তবে সত্যিকারে প্রথম বাগান ১৯৫৮ সালে বরিশাল বিএম কলেজে। বর্তমানে অল্প কয়েকটি বড় গাছ ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই। তাঁর ইনফরমাল বাগান তৈরির হাতেখড়ি নটর ডেম কলেজে ফাদার ভেনাসের কাছে। এখনো বাগানটি বেশ ভালোই আছে। সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজেও বাগান করেছেন। কিন্তু তা এখন লুপ্তপ্রায়। এসব ছাড়াও মহানগর পাঠাগার, রমনা পার্ক, শিশু একাডেমি, চারুকলা অনুষদ ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিপন্ন ও দুর্লভ প্রজাতির অসংখ্য গাছ লাগিয়েছেন। জীবনের সর্বশেষ গাছগুলো লাগিয়েছেন বাংলা একাডেমিতে।
তিনি প্রথম বাগান করেছেন বাড়িতে। অগ্রজের সবজি আর ফুলের বাগান করার শখ ছিল। তবে সত্যিকারে প্রথম বাগান ১৯৫৮ সালে বরিশাল বিএম কলেজে। বর্তমানে অল্প কয়েকটি বড় গাছ ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই। তাঁর ইনফরমাল বাগান তৈরির হাতেখড়ি নটর ডেম কলেজে ফাদার ভেনাসের কাছে। এখনো বাগানটি বেশ ভালোই আছে। সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজেও বাগান করেছেন। কিন্তু তা এখন লুপ্তপ্রায়। এসব ছাড়াও মহানগর পাঠাগার, রমনা পার্ক, শিশু একাডেমি, চারুকলা অনুষদ ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিপন্ন ও দুর্লভ প্রজাতির অসংখ্য গাছ লাগিয়েছেন। জীবনের সর্বশেষ গাছগুলো লাগিয়েছেন বাংলা একাডেমিতে।
উত্তরসূরি তৈরি
নির্মোহ,
নিরহংকার জীবনযাপন করতেন তিনি। জাগতিক কোনো জটিলতা তাঁকে কখনো স্পর্শ
করেনি। অল্পতেই তুষ্ট থাকা এই মানুষটি আমাদের দেখিয়েছেন এভাবেও মাথা উঁচু
করে বেঁচে থাকা যায়। চাওয়া-পাওয়ার কোনো হিসাব কখনো করতে দেখিনি। ছিল না
কোনো হাহাকার। উদার এবং মানবিক হৃদয়ের অধিকারী ছিলেন। ছোট-বড় সবার সঙ্গেই
সমভাবে মিশতে পারতেন। সম্ভাবনাময় তরুণদের লেখা পড়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ
করার চেষ্টা করতেন। তাদের উৎসাহ দিতেন। তাঁর মতো এতো উদারতা নিয়ে
অনুজপ্রতিমদের শেখাতে কাউকে দেখিনি। তরুণদের ভেতর আলোর কণা ছড়িয়ে দেওয়ার
ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। জীবনে অসংখ্য অনুসারী তৈরি করতে সমর্থ
হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠরা এখন নিজেই একেকটি প্রতিষ্ঠান।
এক্ষেত্রে ড. আইনুন নিশাত এবং ড. রেজা খান উলেস্নখযোগ্য। এনএসএসবির
প্রতিষ্ঠাতা নটর ডেম কলেজের শিক্ষক মিজানুর রহমান অসংখ্য তরুণের চোখে
প্রকৃতিপ্রেমের আলো জ্বালাতে সমর্থ হয়েছেন। ছাত্রদের মধ্যে মুকিত মজুমদার
বাবু প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের কাছে
প্রকৃতি প্রেমের বারতা পৌঁছে দিতে সমর্থ হয়েছেন। এছাড়া বরিশাল বিএম কলেজ
এবং ঢাকার নটর ডেম কলেজে দীর্ঘ সময় অধ্যাপনাকালে তৈরি করেছেন অনেক সফল
ছাত্র।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Posts (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ▼ 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
