Sunday, December 16, 2018
সাম্প্রদায়িক বিজেপিকে ভারত ছাড়া করব: যুব তৃণমূল কংগ্রেস

হিন্দুত্ববাদী বিজেপিকে কটাক্ষ করে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘যারা বলেছিল, রথের চাকায় গুঁড়িয়ে দেবো, মেরে দেবো, কেটে দেবো, সরিয়ে দেবো, হটিয়ে দেবো, তাদের কি করুণ পরিণতি হয়েছে, দেশের মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেছে। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচন ছত্তিসগড়, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এই রাজ্যগুলোতে মোদি ঝড় শেষ হয়ে গেছে। বিজেপি গরুর নামে, মন্দিরের নামে, ধর্মের নামে, বিভাজনের রাজনীতি করছে।’
বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘আগে নিজেরা রাজস্থান সামলা, মধ্যপ্রদেশ সামলা, ছত্তিশগড় সামলা, দিল্লি সামলা, তারপরে ভাবিস বাংলা। চারটে রাজ্য হাতছাড়া হয়ে গেছে, আগামী দিনে আরো হবে। বাংলার মমতাকে বাংলা ছাড়া করতে গিয়ে তোদের মোদি আগামীতে দিল্লি ছাড়া হবে।’
অভিষেক বলেন, ‘আগে সিপিএম বলত, ইনকিলাব জিন্দাবাদ, আমরা খাবো তোমরা বাদ। এখন বিজেপি বলে, জয় শ্রীরাম-মানুষের মাথার নেইকো দাম, জয় শ্রীরাম-দাঙ্গা করাই একমাত্র কাম, জয় শ্রীরাম-গ্যাসের সিলিন্ডারের এক হাজার টাকা দাম, জয় শ্রীরাম-তেলের কেজি একশ’ টাকা দাম, জয় শ্রীরাম-ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়াই আমাদের একমাত্র কাম!’
গরু নিয়ে রাজনীতি প্রসঙ্গে বিজেপি’কে কটাক্ষ করে যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘যে গরু ২০১৪ সালে দুধ দিয়েছিল, সেই গরু এখন গোবর দিয়ে মুখে কালি মাখিয়ে দিয়েছে। ওদের কাজ হিন্দু-মুসলমানের একতাকে নষ্ট করা, বিভাজনের রাজনীতি করে বড় বড় কথা বলা।’
‘আমরা রক্ত দিয়ে বাংলার সম্প্রীতিকে রক্ষা করব, তোমাদের (বিজেপি) কাছে বাংলার মানুষ মাথা নত করবে না’ বলেও মন্তব্য করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উপহাস কিভাবে রাশিয়ায় অস্ত্র হয়ে উঠেছে

খাবারের স্বল্পতা, খাবার যোগাড় করতে দিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়ানো, অর্থনৈতিক দুর্দশা এই সবকিছু নিয়ে তখন রাশিয়ানরা কৌতুক করতো।
কৌতুক আর হাস্যরস যেন দুঃখ ভোলার মাধ্যম হয়ে উঠেছিল।
উপহাস যখন রাশিয়ার রাজনৈতিক অস্ত্র
উপহাস দিয়ে রাশিয়ার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার একটি নমুনা দেখা গেছে সম্প্রতি যখন যুক্তরাজ্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে একজন সাবেক গুপ্তচর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ এনেছিল।
তখন যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় রাশিয়ানদের যুক্ত থাকার "অতি সম্ভাবনা" রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছিলো।
এই দুটি শব্দই এখন রাশিয়াতে একটি কৌতুকের বিষয় হয়ে উঠেছে। সবকিছুতেই রাশিয়া দোষের ভাগীদার হচ্ছে বলে উল্লেখ করে দেশটির সরকারি কর্মকর্তা এমনকি গণমাধ্যমও এই শব্দ দুটি হাস্যরসের উৎস হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।
কড়া নিন্দার পাশাপাশি ব্যাঙ্গ করে হেসে উড়িয়ে দেয়ার কিছু কৌশল ব্যাবহার করছে রাশিয়া।
কিভাবে বিষয়টা কাজ করে?
গুপ্তচর হত্যা চেষ্টার জন্য যে দুজন রাশিয়ানকে দায়ী করা হয় তাদের খোঁজ মিলেছিল 'দ্যা ইনসাইডার' নামের একটি তদন্তকারী ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে।
সেটির প্রধান রোমান দোব্রকতভ বলছেন, কোন ঘটনার গুরুত্ব কমাতে হাসিঠাট্টা খুব ভালো কাজে দেয়।
রোমান দোব্রকতভ মনে করেন, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়কে হাল্কা করে ফেলার জন্য রাশিয়ানরা উপহাসকে এখন রীতিমতো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
তার মতে উপহাস মানুষের মনে ঘটনার গুরুত্ব নিয়ে সন্দেহ তৈরি করে। ধীরে ধীরে তাদের মত পাল্টাতে থাকে।
এমন কৌশলের অংশ হিসেবে আজকাল ব্যাপকহারে ইন্টারনেটকে কাজে লাগাচ্ছে রাশিয়া। পুতিন কেন কৌতুকে বিমুখ?
১৯৯০ এর দশকে নাগরিক দুর্দশা নিয়ে প্রচুর ব্যঙ্গাত্মক টেলিভিশন অনুষ্ঠান জনপ্রিয় ছিল রাশিয়াতে।
কিন্তু ২০০০ সালে ভ্লাদিমির পুতিন যখন ক্ষমতায় এলেন তখন এমন ব্যঙ্গাত্মক অনুষ্ঠান রাতারাতি বন্ধ করে দেয়া হল।
তিনি এসব বিষয়বস্তু নিয়ে হাস্যরস করার বিষয়টি যেনও ঠিক বুঝলেন না।
ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষমতায় আসার পর শুরুতেই তার ক্ষোভের মুখে পড়েছিলো একটি ব্যঙ্গাত্মক পাপেট শো 'কুকলী'।
তিনি ক্ষমতায় আসার পর ব্যঙ্গাত্মক অনুষ্ঠানগুলো থেকে ধীরে ধীরে যেন রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়বস্তু গায়েব হতে থাকলো।
এর বদলে তাতে যুক্ত হল বিদেশী শত্রুদের নিয়ে ঠাট্টা আর পুতিনের গুণগান।
সূত্রঃ বিবিসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচার উপায় শেখাবে ইরান: কাতারে বললেন জারিফ



About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থনীতিতে বড় অর্জন রাষ্ট্র মেরামতের তাগিদ by সাজেদুল হক ও মরিয়ম চম্পা

পরিবারের টান। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি। সবকিছু পেছনে রেখে তারা চলে গেছেন মুক্তির যুদ্ধে। কেউ ফিরেছেন, কেউ আর কোনো দিন ফেরেননি। কারো কবর হয়েছে, কারো কবরের খবর কেউ জানে না। বাংলার মাটির কোথাও তাদের ঠাঁই হয়েছে। মা, পরম মমতায় আশ্রয় দিয়েছে তার সন্তানকে।
১৬ই ডিসেম্বর। বিজয়ের দিন। উৎসবের দিন।
নয় মাস দীর্ঘ যুদ্ধের পর ধরা দেয় জয়। স্বজন হারানোর বেদনাকে সঙ্গী করে অনেকে যোগ দেন বিজয়ের উৎসবে। কেন এই বলিদান? মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত বারবার উচ্চারিত হয়েছে এ প্রশ্ন। কেন মানুষ তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ জীবন উৎসর্গ করেছিল এই মাতৃভূমির জন্য। কী ছিল তাদের আকাঙ্ক্ষা। কী তারা চেয়েছিল। মা’কে মুক্ত করার যুদ্ধে মানুষ শামিল হয়েছিল সুনির্দিষ্ট কিছু আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। শুধু নয় মাস নয়, পুরো পাকিস্তান আমলেই এর জন্য লড়াই করে গেছে এই ভূমের মানুষ। কে না জানে ’৫২, ’৬৯, ’৭১ একইসূত্রে গাঁথা। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বৈষম্যের অবসান, গণতন্ত্র- মোটাদাগে এগুলোই ছিল মানুষের সবচেয়ে বড় দাবি। গণতন্ত্র মানে যে কেবল ভোট নয়, সে কথা না বললেও চলে।
৪৭ বছরের রাষ্ট্র শহীদদের, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন কত দূর পূরণ করতে পেরেছে। অর্থনীতিতে স্বাধীন বাংলাদেশের অর্জন বিস্ময়কর। তামাম দুনিয়াতেই এখন প্রশংসিত হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। প্রবৃদ্ধি পৌঁছে গেছে সাত অঙ্কের ঘরে। মানুষের এবং সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অর্জিত হয়েছে এই অসাধারণ সাফল্য। প্রবাসী শ্রমিক আর গার্মেন্ট শ্রমিকরা এক্ষেত্রে রেখেছেন বড় অবদান। সরকারগুলো বিশেষত বর্তমান সরকার এ সাফল্যের অন্যতম বড় দাবিদার। সামাজিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের অগ্রগতি অসামান্য। পাকিস্তানকে সব সূচকেই ছাড়িয়ে গেছি আমরা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভারতের চেয়েও এগিয়ে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সম্ভবত সবচেয়ে বড় হোচট খেয়েছে গণতন্ত্রে। বহুদিন ধরে এখানে ভোট মানে ছিল উৎসব। নিকৃষ্ট কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া এরশাদের পতনের পর এ ধারায় এগিয়ে যাচ্ছিল দেশ।
২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন ছিল একতরফা এবং সংঘাতপূর্ণ। এবার বিজয়ের মাসে অনুষ্ঠিত হতে চলছে আরেকটি নির্বাচন। কিন্তু উৎসব নেই, শান্তি নেই। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও বিরোধীদের প্রচারণায় হামলা হচ্ছে। খুব কমসংখ্যক মানুষই মনে করছেন, তারা তাদের ভোটাধিকার অবাধে প্রয়োগ করতে পারবেন। মতপ্রকাশ আর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অনেকটাই সংকুচিত হয়ে এসেছে। ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, আগে কোন উদ্বেগ ছাড়াই নিয়মিত কলাম লিখতাম। কিন্তু এখন লিখি কদাচিৎ। কিছুদিন আগে ছোট ছোট শিশুদের আন্দোলনের সময় একটি প্ল্যাকার্ড সবার দৃষ্টি আকর্ষণে করেছিল- রাষ্ট্রের মেরামত চলছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আজকের বাংলাদেশে এটাই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কারণ বিজয়ের এত বছর পরও আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলতে পারিনি। আমাদের বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, সংসদ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাহী বিভাগ সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। গুম-বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড পরিণত হয়েছে উদ্বেগের বড় কারণে। একটি শিশু যখন বলে, আমাকেও গুম করে দেন, তাহলে আমার বাবাকে দেখতে পাবো। এটা আসলে পুরো একটা জাতির মর্মবেদনার কারণ হয়ে ওঠে।
অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অর্জন নিয়ে সম্প্রতি মানবজমিনের কথা হয় বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান এ প্রসঙ্গে বলেন, গত ৪৭ বছরে নানা ঘাত-প্রতিঘাত সত্ত্বেও অর্থনীতি এবং সামাজিক খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি বিস্ময়কর। এই অর্থনৈতিক অর্জন নিয়ে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমরা এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নই। আমরা অনেক দূর এগিয়ে এসেছি। তবে বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়েছে সেভাবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশও এগিয়েছে। এবং আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য সূচকে আমাদের দেশকে এখনো অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম তারা সমাজতান্ত্রিক একটি সমাজ ব্যবস্থা চেয়েছিলাম। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল যে এই সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কম হবে। কিন্তু বাংলাদেশে এখন অর্থনৈতিক বৈষম্য বেড়ে চলেছে। যখন মুক্তিযুদ্ধ হয় তখন আমাদের এখানে ধনবৈষম্য খুব কম ছিল। অর্থনৈতিক এই বৈষম্যটাকে আমরা ‘জিনি সহগ’-এর নিক্তিতে পরিমাপ করে থাকি। ১৯৭০ সালের কাছাকাছি সময় আমাদের ‘জিনি সহগ’ ৩ শতাংশের নিচে ছিল। কিন্তু এখন সেটা ৫ শতাংশের কাছাকাছি চলে এসেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের যে ধনবৈষম্য সেটা পৃথিবীর ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ দেশের মধ্যে ছিল। এখন কিন্তু এটা ৬০ শতাংশের মধ্যে চলে এসেছে। এবং এটা যদি আরো বাড়ে তাহলে আমরা ৮০ শতাংশ দেশের কাছাকাছি চলে যাবো। এ ব্যাপারে আমাদের অবশ্যই উদ্যোগ নেয়া উচিত এবং সেজন্য সরকারকেও বিভিন্ন ধরনের নীতিমালা অনুসরণ করার প্রয়োজন রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, এসব সমস্যার চটজলদি কোনো সমাধান নেই। এটা যদি অতি দ্রুত সমাধান করতে যাওয়া হয় তাহলে বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর তার খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, আমরা যে অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা চিন্তা করি তার নানা সূচক আছে। একটি হচ্ছে খণ্ডিত সূচক আরেকটি হচ্ছে সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করা। সার্বিক মূল্যায়নে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়ে বলতে গেলে বলা যায় যে, স্বাধীনতার সময়ে আমাদের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ছিল। সে অবস্থা থেকে একধরনের টেকসই ভিত্তি তৈরি করা গেছে বর্তমান অর্থনীতিতে। যার ফলে আমাদের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দিক তৈরি হয়েছে। যেমন প্রবৃদ্ধির মাত্রাগুলো কোনো সময় ঠিক ওলটপালটের দিকে যায়নি। মোটামুটি একটি গতি ধরে এগিয়েছে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে আমাদের চাওয়ার জায়গাটায় একটি পরিবর্তন এসেছে। এক্ষেত্রে যে অবস্থা থেকে শুরু করেছিলাম সেটা দিয়ে অর্থনীতি কীভাবে চলছে তা পরিমাপ করা যাবে না।
৭০ দশকে আমাদের প্রবৃদ্ধি ১ থেকে ২ শতাংশে ছিল। এখন সেটা ৬ থেকে ৭-এর দিকে চলে গেছে। সরকারি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এত কিছুর পরেও ২০১৮তে প্রায় ৩৯ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। আমরা এগিয়েছি কিন্তু চার কোটি মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে। এই বিষয়গুলো আমাদের জানান দেয় যে, এগিয়েছে কিন্তু চ্যালেঞ্জটা কি পর্যায়ে সেটা জানা বা বোঝা দরকার। এক্ষেত্রে গতি বাড়ানো প্রয়োজন এবং এগুবার ধরনটাও উন্নত করা দরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যকার ঐক্য সবচেয়ে জরুরি

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পশ্চিম এশিয়া তথা মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলীর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে আমেরিকার নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টির জন্য উগ্র সন্ত্রাসীদেরকে ব্যবহারের চেষ্টা করছে যাতে এ অঞ্চলের মুসলিম দেশগুলোকে ভেঙে টুকরো টুকরো করা যায় এবং রাজনৈতিক ও সামরিক হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি হয়। বর্তমানে সন্ত্রাসবাদের এমন ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে যে একে মোকাবেলা করতে হলে শুধু আঞ্চলিক ঐক্য নয় একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পারস্পরিক সহযোগিতা ও চেষ্টার প্রয়োজন রয়েছে। সন্ত্রাসবাদের এই অভিন্ন হুমকি মোকাবেলায় ইরান তার প্রতিবেশী সব দেশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে। ইরাক ও সিরিয়ায় উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিজয় প্রমাণ করেছে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা করার জন্য ২০১৫ সালে ইরান, রাশিয়া, সিরিয়া ও ইরাক চারপক্ষীয় কমিটি গঠন করে। এই চারটি দেশের নিরাপত্তা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইরাকের রাজধানী বাগদাদে। এই কমিটির বিশেষজ্ঞরা গত কয়েক বছরে পরস্পরের সঙ্গে তথ্য বিনিময় ও নিরাপত্তা সহযোগিতার মাধ্যমে ইরাক ও সিরিয়ার অভিন্ন সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসীদের তৎপরতা ও গতিবিধি চিহ্নিত করেছে। এই দেশগুলোর যৌথ সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত সন্ত্রাসীদের বহু ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে, শত শত সন্ত্রাসী নিহত এবং ইরাক ও সিরিয়ায় দায়েশ সন্ত্রাসীদের প্রভাব ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। অর্থাৎ এই দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতায় এ অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঠেকানো গেছে। গত বছর ডিসেম্বর রাশিয়ার সোচি শহরে ইরান, তুরস্ক ও রাশিয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ দমনের বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ত্রিদেশীয় ওই বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, "মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাপারে ইরানের নীতি হচ্ছে, পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নয়, পারস্পরিক ঐক্য ও সমন্বয় করা কোনো বিভাজন নয়, জাতিগুলোর ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো কোনো বিদেশিদের অনুসরণ করা নয় এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা কোনো সংঘাতের পরিবেশ তৈরি করা ইরানের উদ্দেশ্য নয়।" সোচি বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, "ইসলামি ইরানই ছিল প্রথম দেশ যে কিনা সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় সিরিয়ার সরকার ও জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং এ ব্যাপারে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে সহায়তা করতে তেহরান প্রস্তুত।"
যাইহোক, ইরান জাতিসংঘের নীতিমালা অনুসরণ করে চলে এবং সে অনুযায়ী আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য সহযোগিতামূলক সম্পর্ক জোরদারের চেষ্টা করে যাচ্ছে। ইরাক ও সিরিয়ার সেনাবাহিনী ইরানের সামরিক উপদেষ্টাদের সহযোগিতায় এবং রাশিয়ার সমর্থন নিয়ে দায়েশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিরাট বিজয় অর্জন করেছে।
ইরানের সংসদ মজলিশে শুরায়ে ইসলামির প্রধান আলী লারিজানি গত বছর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে "সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় চ্যালেঞ্জ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ভূমিকা" শীর্ষক বৈঠকে ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের আত্মপ্রকাশ এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের দাবির আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি প্রশ্ন করেন আমেরিকা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দাবি করলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সন্ত্রাসবাদ কমেছে নাকি বেড়েছে? জনাব লারিজানি বলেন, আমেরিকা সামরিক জোট গঠন করে আফগানিস্তান থেকে সন্ত্রাসীদের উৎখাত করা এবং মাদক চাষ ও উৎপাদন বন্ধে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে দাবি করেছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, এর কোনো কিছুই আমেরিকা করেনি বরং আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঘটেছে এবং রমরমা মাদক ব্যবসা চলছে। এমনকি এসব মাদক ব্যবসার সঙ্গে খোদ মার্কিনীরাই জড়িত।
ইরানের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির প্রধান ড.কামাল খাররাজি এ ব্যাপারে বলেছেন, "মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা আজ হুমকির সম্মুখীন এবং এ সংকটকে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ এ অঞ্চলের দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা সংকট সামগ্রীকভাবে এ অঞ্চলের সবার জন্য অভিন্ন হুমকি।"
যাইহোক, ইরান সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ইরাক, সিরিয়া ও রাশিয়াসহ প্রতিবেশী সব দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বিস্তারের নীতিতে বিশ্বাসী। বাস্তবতা হচ্ছে, সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ শুধু আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ইরাক কিংবা সিরিয়ার জন্যই হুমকি নয় বরং তা গোটা বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বিরাট হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। খ্যাতনামা মার্কিন বিশ্লেষক জেফরি সাকেস এক নিবন্ধে লিখেছেন, দায়েশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিজয় এতো সহজ কাজ নয়। কারণ তাদের সদস্য সংখ্যা অনেক এবং আমেরিকা ও তার মিত্ররা দায়েশকে প্রধান সহযোগী ও বন্ধু বলে মনে করে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, যেসব দেশ ইরাক ও সিরিয়ার জনগণের ওপর জুলুম নির্যাতন চালানো ও নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্য দায়েশ সৃষ্টি করেছিল এদের পতনের পর তারাই দায়েশকে আফগানিস্তানে পাঠাচ্ছে।
ইরান মনে করে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা করা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নির্ভর করছে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যকার ঐক্য ও সংহতি জোরদারের ওপর। গত কয়েক দশক ধরে পাশ্চাত্যের নানা ষড়যন্ত্রের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। একদিকে, এ অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য আমেরিকা ব্যাপক সামরিক হস্তক্ষেপ করছে অন্যদিকে এ অঞ্চলের সহিংসতা বিশ্বের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। খ্যাতনামা মার্কিন চিন্তাবিদ নওম চমস্কি প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর প্রশ্ন করেন আমেরিকা কি আদৌ চায় সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটুক? তিনি বলেন, আমরা যদি সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটাতে চাই তাহলে সন্ত্রাসী হামলা কেন ঘটছে, এর কারণগুলো কি এবং এদের পেছনে কারা মদদ দিচ্ছে সেসব প্রশ্নের জবাব খুঁজতে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির প্রধান কামাল খাররাজি বলেছেন, "এ অঞ্চলে কারা নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে রেখেছে তা খুঁজে দেখতে হবে। ইরান যদি সন্ত্রাস কবলিত ইরাক ও সিরিয়াকে সহযোগিতা না করত তাহলে বাগদাদ ও দামেস্ক এতোদিনে দায়েশ সন্ত্রাসীদের দখলে চলে যেত এবং সমগ্র এ অঞ্চলে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতো।" কামাল খাররাজি প্রশ্ন করেন, বাগদাদ ও দামেস্কের যদি পতন ঘটত তাহলে কি আজ ইউরোপ নিরাপদে থাকতে পারত?
সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার ক্ষেত্রে ইরান সবসময়ই প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে আসছে। এটা কেবল মুখের কথা নয় বাস্তবেও ইরান তার আন্তরিকতার প্রমাণ দিয়েছে ইরাক ও সিরিয়া যুদ্ধে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সরকার আর ১৫ দিন ক্ষমতায়, বেআইনি আদেশ মানবেন না’ -ড. কামাল হোসেন

কোনো সরকার চিরস্থায়ী নয়। আপনারা বেআইনি আদেশ মানবেন না। আগে দেখবেন আইনানুগ কিনা, সংবিধান ভঙ্গ করবেন না। আমি আপনাদের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে বলছি।
দেশের প্রতি আপনাদের দায়িত্ব আছে। সংবিধানের কথা বঙ্গবন্ধু বলে গেছেন। আজকে যে কাজগুলো করা হচ্ছে। এতে সংবিধান অমান্য করা হচ্ছে। এতে বঙ্গবন্ধুর কথাকে অমান্য করা হচ্ছে। ড. কামাল বলেন, পুলিশ ভাইদের জন্য আজ দুঃখ লাগে যে, তাদের বেআইনি কাজ করতে বাধ্য করে। একটু চিন্তা করে দেখেন- আপনাদের বেআইনি কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে এটা বলে পার পাওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, এটা একটা সভ্য দেশ। এখানে সভ্যতা আমরা রক্ষা করি। সংবিধান এখানে মেনে চলতে হয়। ক্ষমতায় তো সরকার ৫ বছর থাকে। সেই ৫ বছর শেষ। আর কয়দিন আছে। মাত্র ১০, ২০ বা ১৫ দিন। অর্থাৎ যারা এই ১৫ দিন ক্ষমতায় আছেন। মাথা ঠান্ডা করে এসব বেআইনি আদেশ দেয়া বন্ধ করুন। এই মুহূর্তে বন্ধ করুন। তিনি বলেন, এই সরকারের লজ্জা থাকা উচিত। শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধে হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এদিন আমরা আমাদের অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে হারিয়েছি। তাদের স্মরণেই আমরা এদিনটা উদযাপন করি। এই দিবসে তাদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফেরার পথে আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। এতে আমাদের কি হয়েছে সেটা চিন্তা করার দরকার নেই। কিন্তু শহীদদের প্রতি তারা অবমাননা করেছে।
এটা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। এটা সারা দেশের কোটি কোটি মানুষ মেনে নিতে পারে না। কবরস্থানে আমার বাবা যেখানে আছেন সেখানে গিয়ে কেউ যদি এমন ঘটনা ঘটাতো তাহলে কি মনে করতাম। আর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে তো অনেক শহীদ রয়েছেন। আমরা সেখানে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে গাড়িতে উঠে চলে আসছি। এমন সময় কিছু ভাড়াটিয়া হামলা করেছে। আমরা কোনো ক্ষতি করিনি। আমরা শ্রদ্ধা জানিয়েছি শহীদদেরকে। এটা যাদের গায়ে লাগে ওরা কারা? যারা পয়সা নিয়ে এগুলো করতে পারে স্মৃতিসৌধে। ওরা ভাড়াটিয়া। ওদের দুই পয়সায় কেনা যায়। তোমাদেরকে আমি চার পয়সা দেব। তোমরা ওখান থেকে সরে যাও। কয় পয়সা দিয়েছে ওরা। কয় পয়সা পেয়ে তোমরা এগুলো করেছো। এটা কোনো নীতির কাজ হতে পারে না। শহীদদের স্মৃতিসৌধে গিয়ে এগুলো করা কোনো সুস্থ ও দেশপ্রেমিক মানুষের কাজ হতে পারে না। এই ঘটনায় শহীদদের আত্মা তো অবশ্যই কষ্ট পাওয়ার কথা। ১৪ই ডিসেম্বর যে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এটা ভুলে গেছে তারা। এ সময় তিনি রেগে গিয়ে বলেন, যেসব ছোকড়ারা এই কাজটা করেছে।
আমি দেখলাম কিছু ছোকড়া দৌড়ে দৌড়ে এদিক ওদিক যাচ্ছে। শুনলাম তারা ইটপাটকেল মেরেছে। আহত করেছে। গাড়িগুলো ভাঙার চেষ্টা করেছে। এরা টোকাই। কারা এদের ভাড়া করেছে। হামলার ঘটনার তথ্য আইজিপিকে দেয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইজিপি সাহেব আমি আপনাকে লিখিত চিঠি পাঠাবো। আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করা যায়। দেশে আইন যদি প্রয়োগ করা হয়। আপনার পুলিশদের ব্যাপারে কিছু কথা আমি শুনেছি। আমি খুবই উদ্বিগ্ন। গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের পুলিশের ব্যাপারে এই কথাগুলো পাবলিকলি শুনতে হচ্ছে। আপনার দায়িত্ববোধ আছে আমি জানি।
আইজি সাহেব আপনার সম্পর্কে আমার ভালো ধারণা ছিল। যেন সেই ধারণা থাকে। আপনাকে অনুরোধ করব। আপনি আমাদের কথাগুলোকে গুরুত্বসহকারে দেখবেন। আপনাকে যে তথ্যগুলো দেয়া হবে। আপনি আপনার বিশ্বস্ত লোককে দিয়ে এই হামলার তদন্ত করাবেন। আপনাকে সব রকম সাহায্য করবো। আইনানুগ সহায়তা করবো। আমাদের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সম্মানে এই কাজটা করব। এ সময় আহতদের দেখিয়ে বলেন, তাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট ও কাগজপত্র সবই আছে। তিনি বলেন, ওখানে আমাদের যারা আইনানুগভাবে কাজ করছে তাদের পুলিশ কার আদেশে অ্যারেস্ট করে? কেন এত অ্যারেস্ট করা হচ্ছে? অ্যারেস্ট, অ্যারেস্ট, অ্যারেস্ট। আমি প্রত্যেকটা অ্যারেস্টের তথ্য চাই। এদেশে এখনো সংবিধান আছে।
যে সংবিধানে এক নম্বরে বঙ্গবন্ধুর স্বাক্ষর রয়েছে। সংবিধানে বলা আছে, এই দেশের মানুষ আইনের আশ্রয় পাবে। কিন্তু আজ পুলিশ যেটা করেছে এটা সংবিধানের লঙ্ঘন করেছে। বঙ্গবন্ধু যেটা দিয়ে গেছে তারা এটা অমান্য করেছে। বঙ্গবন্ধুর কথাকে বিজয়ের মাসে অমান্য করেছে।
তিনি বলেন, আমি পুলিশ একাডেমিতে বহু বক্তৃতা করেছি। বেআইনি আদেশ তোমরা একদম মানবে না। তোমাদের কর্তব্য আছে। তোমরা মানবে না। এটা পুলিশরা সব জেনে রাখো। যারা বেআইনি আদেশ দিচ্ছে তারা চিরস্থায়ী না। কেউ কোনদিন চিরস্থায়ী হয় না। তোমরা ভুলে যেও না। ৫০/৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত তোমরা তো কাজ করবে। পুলিশ থাকবে। এটা মনে রেখে আজ যে বা যারা আদেশ দেয় সেটা যাচাই করবে। দেখবে যাদের ব্যাপারে আদেশ আসছে তারা অন্যায় করেছে কিনা। তোমরা যার কথামতো এগুলো করছো আমাকে জানাতে পারো। বলতে পারো আমরা চাকরি করি।
আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে। যারা বাধ্য করছে তাদের চিহ্নিত করা হবে। তাদের বিচার হবে। তিনি বলেন, এটা বিজয়ের মাস। আমাদের মনে করেছিল নিরস্ত্র বাঙালি। ওরা কি করতে পারবে। কিন্তু আমরা এখন নিরস্ত্র না। অসহায়ও না। স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর হতে যাচ্ছে। আমরা চাই এই দেশ একটা সুন্দর দেশ হোক। শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত দেশ হোক। উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এটা কি আপনাদের আকাঙ্ক্ষিত দেশ। যেখানে মানুষের উপরে হামলা হবে। এটা আমাদের কথা না। দলীয় কথা না। এটা দেশের ১৮ কোটি মানুষের কথা।
ড. কামাল লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে আওয়ামী লীগ পুলিশের সহায়তায় প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় ধানের শীষের প্রার্থী, নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার, প্রচারণায় বাধা, ভাঙচুরের মাধ্যমে সারা দেশে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের অন্তরায়। দলীয় সরকারের অধীনে কোন নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না। এটা অনুভব করেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি উত্থান করা হয়েছিল।
৭ দফার অন্যতম দাবি ছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ডে তা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। আমরা মনে করি বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতীয় নেতৃবৃন্দের উপরে এই আক্রমণ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ওপর আক্রমণের শামিল। এই দুর্বৃত্তায়িত আওয়ামী লীগের মুখে স্বাধীনতার কথা মানায় না। আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, এতদিন জানতাম আওয়ামী লীগের রাগ আছে শুধু বিএনপির প্রতি। এখন দেখি যারাই তাদের বিরদ্ধে যায় তাদের ওপর হামলা করে।
তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছেন, তৃতীয় শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। আমরা কিন্তু কিছুই বলিনি। সব তারাই বলছে। নির্বাচন কমিশন একটা ঠুঁটো জগন্নাথের মতো বসে আছে। নজরুল ইসলাম খান বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিব্রত বোধ করে নির্বাচন কমিশন। অসহায়ত্ব দেখান। আপনি মসজিদের ইমাম নাকী যে, কোনো ক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, এই পর্যন্ত যে কয়টা ঘটনা ঘটেছে সব কয়টার বিচার করতে হবে। বিচার করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন অব্যাহতি নেন। না হয় সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ধারালো অস্ত্র, লাঠি, হকিস্টিক ও রড নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তারা আমাদের ভয় দেখায়। ভয় দেখিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায়। এখানে যারা বসে আছি, এই ড. কামাল হোসেন, আ স ম অবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না এরা কেউ ভয় পাওয়ার মতো লোক না। আমরা সবাই মুক্তিযুদ্ধ করেছি। তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরানো যাবে না। মরবো কিন্তু সরে যাবো না। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চাই। নির্বাচন করতে চাই। তিনি বলেন, আমাকে বলা হয়েছিল মনোনয়ন দাখিল করবেন না। তখন বললাম দাখিল করলে কি হবে? বলে শেষ করে দেব। আমি বলেছিলাম- এর আগে আমাকে ৪ বার শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আল্লাহ যদি কারো হায়াত রাখে কেউ তাকে শেষ করতে পারে না। তিনি বলেন, আজ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধে হামলা করা হয়েছে। শেখ হাসিনা আজ যা করছে তাতে বঙ্গবন্ধু কবরে কান্নাকাটি করছেন।
শেখ হাসিনার মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা, গরিব মানুষের কথা মানায় না। আ স ম রব বলেন, আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর পুলিশ চলে যায়। এর পরই হামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী পতাকা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এই পতাকা নামিয়ে প্রটোকল ছাড়া প্রচার চালাতে হবে। তা নাহলে ড. কামাল হোসেনকেও পতাকা ব্যবহার করার সুযোগ দিতে হবে। সরকার ভোট ডাকাতির পরিকল্পনা করছে দাবি করে তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়েছি- সরকার খিচুড়ি খাইয়ে ২৯ তারিখে লোক দাঁড় করিয়ে রাখবে। রাত ১০টার মধ্যে ভোটের বাক্স ভরে রাখবে। কেন্দ্রে ধানের শীষের ভোটারদের প্রবেশ করতে দেবে না।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নির্বাচন কমিশন সরাসরি আমাদের বিপক্ষে এবং সরকারের পক্ষে কাজ করছে। আমরা ২৯ তারিখ পর্যন্ত মাটি কামড়ে পড়ে থাকবো। তবে ৩০ তারিখ এই কামড় অন্যদিকে চলে যাবে। ৩০ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমে বিপ্লব ঘটবে। তিনি আরো বলেন, আমরা কর্মসূচি ঠিক করেছি। শনিবার আমরা ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ রোড মার্চ করবো। ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় র্যালি করবো। ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী রেজা কিবরিয়া বলেন, আমার বিশ্বাস ছিল ড. কামাল হোসেনের ওপরে হামলা করার ক্ষমতা কারো নেই। কিন্তু এখন দেখছি ক্ষমতার জন্য এই সরকার যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। তারা ক্ষমতা ছাড়তে ভয় পায়। কিন্তু এত ভয় কেন? কি এমন করেছেন যে, ক্ষমতা হারাতে এত ভয় পান। এ সময় তিনি বলেন, তাদের কোনো লজ্জা নেই। যদি তাদের সামান্য সম্মানও থাকে তাহলে সরে যাওয়া উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু, জেএসপি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল্লাহ কায়সার, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিক, ড. রেজা কিবরিয়া, ঢাকা-১৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাখাইনে সেনা অভিযানকে গণহত্যা আখ্যা দিলো মার্কিন কংগ্রেস

এদিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে দেশটিতে আটক রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানানো হয়। এছাড়া গত বছরে মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বর্বরতা মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা নাকি আন্তর্জাতিক অন্য আইনের অধীনে পড়ে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র প্রতি আহ্বান জানান নিম্নকক্ষের সদস্যরা।
এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে হাউস ফরেন এফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান এড রয়েস বলেন, মিয়ানমারে সংগঠিত অপরাধকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। স্বীকৃতি না দেয়ার অর্থ হলো অপরাধকে আড়াল করা এবং তাদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করা।
এই প্রস্তাবটি পাসের মাধ্যমে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।
এর আগে গত বছরের নভেম্বরে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ওই হত্যাযজ্ঞকে ‘জাতি-নির্মূল অভিযান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তখন রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞে জড়িত চারজন কমান্ডার এবং সেনাবাহিনীর দুইটি ইউনিটের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তখন থেকেই এ হত্যাযজ্ঞকে ‘জাতি-নির্মূল অভিযান’ ছাড়াও গণহত্যা বা আরো কঠোর আইনের আওতায় আনা যায় কি-না সে প্রচেষ্টা চলছে। গত মাসে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচিকে বলেছেন, সেনাবাহিনীর সদস্যরা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে যে বর্বরতা চালিয়েছে তা ক্ষমার অযোগ্য। তবে বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে পাস হওয়া প্রস্তাবের প্রতি উচ্চকক্ষ সিনেটও যদি এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে, তাহলে ট্রামপ প্রশাসনের উপর চাপ আরো বৃদ্ধি পাবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নির্যাতন- নিপীড়ন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা দেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। তবে মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে এ হত্যাযজ্ঞকে অস্বীকার করে ওই ঘটনাকে মুসলিম উগ্রপন্থিদের হামলার প্রতিউত্তর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে গ্রেপ্তার করতে পারবে সেনাবাহিনী

ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, কবিতা খানম, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ও যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর ইসি সচিব জানিয়েছিলেন, ২৪শে ডিসেম্বর থেকে ২রা জানুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনী নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। গতকাল ব্রিফিংয়ে সিইসি বলেন, সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হবে না। তারা নিজেরা গ্রেপ্তার করতে পারবে।
তাদের সে ক্ষমতা দেয়া আছে। যদি ম্যাজিস্ট্রেট থাকে। যদি কোনো একটা কেন্দ্রে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তাহলে তাতে তারা হস্তক্ষেপ করতে পারবে। আইন ও সিআরপিসি অনুসারে তারা কাজ করবে। ভোটকেন্দ্রে গণমাধ্যমের কাজের পরিধি সম্পর্কে সিইসি বলেন, নির্বাচন কক্ষের ভেতরে কোনো কিছু লাইভ প্রচার করা যাবে না। বাইরে বারান্দায় এসে লাইভ করা যাবে।
সীমিত আকারে ভোটকক্ষে সাংবাদিকদের যেতে হবে। যেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে। তিনি বলেন, অনেক লোক গেলে সেখানে দায়িত্ব পালনে অসুবিধা হবে। ভেতরে ছবি তোলা যাবে। কিন্তু গোপন কক্ষে যাওয়া যাবে না। সীমিত আকারে ঠিক কতজন সাংবাদিক কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে সে সম্পর্কে কিছু জানাননি। এক্ষেত্রে প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি। মোবাইল ফোন ব্যবহার প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ভোট কক্ষের ভেতরে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবে না। ভেতরে ছবি তোলা যাবে। লাইভ করা যাবে না। পর্যবেক্ষকদের প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের পৃথক পৃথক নীতিমালা আছে। সেসব মেনেই তারা দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের বিষয়েও এক ধরনের নির্দেশনা।
তারা কেন্দ্রে বেশিক্ষণ থাকতে পারবে না। তারা পর্যবেক্ষণ করবে কিন্তু কোনো ছবি তুলতে বা সম্প্রচার করতে পারবে না। যদি কিছু প্রচার করতে হয় তবে কেন্দ্রের বাইরে এসে প্রচার করতে পারবে। প্রচারণা শুরুর পর আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে কতজনকে জরিমানা করা হয়েছে বা শাস্তি প্রদান করা হয়েছে- জানতে চাইলে সিইসি বলেন, আমাদের কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আছে। সারা দেশে ১২২টি ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি করা হয়েছে। এ অভিযোগগুলো তারা তদন্ত করবে। রিটার্নিং অফিসারের কাছে অধিকাংশ দায়িত্ব দেয়া আছে। দেশব্যাপী হওয়ায় এ তথ্য নেই আমাদের কাছে। সিইসি জানান, মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। ইন্টারনেটের গতি কমানোর বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেন বন্ধের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান সিইসি। ড. কামালসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং গ্রেপ্তারের বিষয়ে ইসি কোনো পদক্ষেপ নেবে কিনা- জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ড. কামালের ওপর হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।
তিনি একজন প্রখ্যাত ব্যক্তি। তার ওপর হামলা হওয়াটা কখনো কাঙ্ক্ষিত নয়। এটা ফৌজদারি আইনে অপরাধ হিসেবে যে ব্যবস্থা প্রয়োজন তাই হবে। তারা একটা আবেদন করেছে। এটা আমরা ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারির কাছে পাঠাবো। তারা প্রতিবেদন দিলে আমরা ব্যবস্থা নেব। অন্যান্য জায়গায় হামলায় কি ব্যবস্থা হয়েছে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সিইসি বলেন, দু’একদিনের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপির কাছে চিঠি দেব। প্রার্থী এবং রাজনীতির সঙ্গে জড়িতদের বিনা অপরাধে বা ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকলে যেন গ্রেপ্তার না করে। অহেতুক হয়রানি কেন হচ্ছে সে সম্পর্কে কিছু বলতে পারবো না। তাদের বিরুদ্ধে হয়তো ফৌজদারি মামলা ছিল আগে থেকেই। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়েছে কি-না জানতে চাইলে নূরুল হুদা বলেন, আমি মনে করি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়েছে। কারণ প্রার্থীরা তাদের প্রচারণা চালাতে পারে। তাদের কাজে কোনো বাধা নেই। স্থানীয়ভাবে কোনো ফৌজদারি অপরাধ ঘটে সেগুলো তারা আমাদের কাছে পাঠালে তদন্ত করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেরুজালেমে ইসলামের নিশানা মুছে ফেলতে চায় ইসরায়েল: এরদোয়ান

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অন্যতম ইস্যু জেরুজালেমের মর্যাদা। পশ্চিম জেরুজালেমে নিজেদের ভবিষ্যত রাষ্ট্রের রাজধানী বানাতে চায় ফিলিস্তিনিরা। আর দখলকৃত পুরো জেরুজালেমকে নিজেদের রাজধানী দাবি করে থাকে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের দাবিকে বেআইনি বলে মনে করে। দীর্ঘদিন চলে আসা এই বিরোধ গত বছর নতুন মাত্রা পায় যখন দীর্ঘ দিনের মার্কিন নীতির বদল ঘটিয়ে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
শুক্রবার ইস্তানবুলে এরদোয়ান বলেন, ‘যদি ভেবে থাকো কয়েকটি দূতাবাস আর কনস্যুলেট সরিয়ে নিয়ে জেরুজালেমের আধ্যাত্মিক পরিচয় নষ্ট করতে পারবে তাহলে নিজেদেরকেই ধোঁকা দিচ্ছো’।
মুসলিম, খ্রীষ্টান ও ইহুদি তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ শহর জেরুজালেম। তিন ধর্ম বিশ্বাসীদের ঐতিহাসিক নিদর্শনের উপস্থিতি রয়েছে সেখানে। জেরুজালেমসহ পশ্চিমতীর জুড়ে দখল সম্প্রসারণ করতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সেখানকার ইসলামী নিদর্শন নষ্টেরও অভিযোগ তুললেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের অসদাচারণের সমালোচনার অর্থ কোনোভাবেই ইহুদি-বিদ্বেষ নয়। এরদোয়ান বলেন, কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছে আর ইসরায়েলের দখলদারিত্ব নীতির কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো লজ্জাজনক ঘটনা ঘটিয়ে চললেও তারা কোনও কথা বলছে না। তিনি বলেন, গাজা উপত্যকায় ফুটবল খেলতে থাকা শিশুদের ওপর বোমা হামলা চালানো হলোকাস্টের মতোই মানবতাবিরোধী অপরাধ।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, জেরুজালেম শুধু ফিলিস্তিনে বসবাসকারী মুসলমানদের জন্য নয় এটা আমাদের সাধারণ ইস্যু। যে সমস্ত ‘বীর’ জেরুজালেমের সম্মান ও মানবিকতা এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায়ের মর্যাদাকে সমুন্নত রেখেছেন তাদের ধন্যবাদ জানান এরদোয়ান। তিনি বলেন ফিলিস্তিনিদের নিজেদের মধ্যকার ভেদাভেদ শেষ করে তাদের মিত্রদের পদক্ষেপের ফলাফল দেখতে এগিয়ে আসতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তাল কাশ্মির উপত্যকা: বন্দুকযুদ্ধে ৩ গেরিলাসহ নিহত ১১

পুলওয়ামার সিরনো গ্রামে গেরিলাদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে আজ ভোর ৪ টা নাগাদ সেনাবাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ এবং পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের সদস্য সমন্বিত যৌথবাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
আজ (শনিবার) দক্ষিণ কাশ্মিরের ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে পুলওয়ামা শহরে কারফিউ জারিসহ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধ ও বারামুল্লা ও বানিহালের মধ্যে ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে, গেরিলাদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানকে কেন্দ্র করে আজ প্রতিবাদী জনতা সড়কে নেমে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে সাত বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন। এছাড়া কমপক্ষে ৩৫ জন প্রতিবাদী জনতা আহত হন।
এব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের বন্দিমুক্তি কমিটির সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ভানু সরকার রেডিও তেহরানকে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত গণহত্যা।
হুররিয়াত কনফারেন্সের একাংশের প্রধান মীরওয়াইজ ওমর ফারুক ওই ঘটনাকে ‘কাশ্মিরিদের গণহত্যা’ বলে অভিহিত করে আজ (শনিবার) থেকে তিন দিনের জন্য কাশ্মির উপত্যকায় বনধের ডাক দিয়েছেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাশ্মিরের গুরুতর পরিস্থিতি আমলে নেয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন।
জম্মু-কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আবুদুল্লাহ ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছেন।ওমর আবদুল্লাহ একে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন।
জম্মু-কাশ্মির প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি গুলাম আহমেদ মীর, আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টির নেতা ইঞ্জিনিয়ার রশিদ, সিপিএম নেতা ইউসুফ তারগামি প্রমুখ ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
কাশ্মীরে অর্থনৈতিক জোট (কেইএ) চেয়ারম্যান হাজী মুহাম্মদ ইয়াসিন খান একে কাশ্মিরি মুসলিমদের গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন।
আজ কাশ্মির বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সরকার বিরোধী স্লোগান দিয়ে ক্যাম্পাসের মধ্যে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং নিহতদের জন্য গায়েবানা জানাজা আদায় করেন।
শ্রীনগরের নৌহাট্টা চকে প্রতিবাদী মানুষজন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তাঁরা অবিলম্বে ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান বন্ধ করার পাশাপাশি বেসামরিক মানুষজনের হত্যা বন্ধের দাবিতে সোচ্চার হন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতীয় পতাকা ফেরি করাও মর্যাদার by শফিকুল ইসলাম
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সংকটময় মুহূর্তে বাংলাদেশ’ -এএফপিকে শহিদুল আলম

শহিদুল আলম পুরস্কার বিজয়ী ফটো সাংবাদিক ও অধিকারকর্মী। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে যে ভীতির পরিবেশ গ্রাস করছে, তা অনেককেই ব্যালট বাক্স থেকে দূরে রাখবে এবং চোখ রাঙানির মুখে থাকা স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশে সেলফ সেন্সরশিপে বেশি আগ্রহী হবে।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে ঢাকা থেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি অবাধ ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করি। কিন্তু আমি মোটামুটিভাবে নিশ্চিত, যেভাবে ভোট হতে যাচ্ছে, পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন হয়তো তেমন হবে না।
বিরোধীরা বলছে, তাদের প্রার্থীদের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন পূর্ববর্তী দমনপীড়নে তাদের সমর্থকদের জেলে ঢোকানো হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু থেকেই সহিংস হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক র্যালি।
টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ভিন্ন মতাবলম্বীদের বরদাশ্ত করছেন না বলে অভিযোগ আছে। প্রায় এক দশক ক্ষমতায় থেকে তিনি ক্রমশ কর্তৃত্বপরায়ণ হয়ে উঠছেন বলেও অভিযোগ আছে।
এ সপ্তাহে টাইম ম্যাগাজিন ‘পারসনস অব দ্য ইয়ার’-এ মুক্ত সংবাদের ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়নদের পাশাপাশি শহিদুল আলমের নামও উল্লেখ করেছে। তিনি অন্যায়ের শিকার হয়েছেন এটা নতুন নয়।
আগস্টে বড় ধরনের ছাত্র বিক্ষোভ গ্রাস করছিল বাংলাদেশকে। তখন ওই পরিস্থিতি সরকার যেভাবে মোকাবিলা করেছিল তার সমালোচনা করে একটি টেলিভিশনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন শহিদুল আলম।
বাসা ঘেরাও করে মধ্যরাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তাকে মিথ্যা ও উস্কানিমূলক বিবৃতি দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছরের জেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই ফটোগ্রাফারকে ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ বলে আখ্যায়িত করে তার নিন্দা জানিয়েছিলেন প্রকাশ্যে।
শহিদুল আলম বলেন, আমি মনে করি এমন অসুস্থতা সংক্রামক, আমার মতো অনেক মানুষ আছেন যারা আমার মতোই অসুস্থ। তাদের বেরিয়ে আসতে হবে এবং সত্য কথা বলতে হবে।
শহিদুল আলমকে আটক করায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে তার মামলাটিকে নিবিড়ভাবে দেখা হয়।
শহিদুল আলমের বয়স ৬৩ বছর। তিনি বলেছেন, তাকে নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে এতটাই নির্মমভাবে প্রহার করা হয়েছে, তাকে আদালতে তোলার আগে পোশাক ধুয়ে নিতে হয়েছে। তিনি নিজের মনোবল প্রকাশ করতে অপেক্ষমাণ ক্যামেরাগুলোর দিকে বজ্রমুষ্টি উঁচু করে তোলেন।
জেলে থাকার কথা তুলে ধরে তিনি এএফপিকে বলেন, আমাকে আঘাত করা হয়েছে। চোখ বেঁধে ফেলা হয়েছিল। হ্যান্ডকাফ পরানো হয়েছিল। আমাকে ওয়াটারবোর্ডিংয়ের হুমকি দেয়া হয়েছিল।
তবে নিরাপত্তা হেফাজতে তাকে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।
‘মানুষকে কথা বলতে হবে’
১০৮ দিন পর তাকে জেল থেকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়েছে নভেম্বরে।
নির্যাতন ও গুরুতর জেলের মুখে থাকা সত্ত্বেও শহিদুল আলম মাথা নত করতে অস্বীকার করেন। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ একটি সংকটময় মুহূর্তে।
জালিয়াতির নির্বাচন অভিযোগে ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। ফলে শেখ হাসিনা কোনো চ্যালেঞ্জ ছাড়াই নির্বাচিত হন।
তবে এবার প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ও বাংলাদেশের দু’বারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ছাড়াই। খালেদা জিয়া দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি। তার সমর্থকরা দাবি করেন, নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো কাউকে এখনো মনোনয়ন দেয়নি বিরোধী দল। দলটির অন্য গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব রয়েছেন নির্বাসনে অথবা জেলে বন্দি।
শহিদুল আলম বলেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দলে দলে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এটা শুভ লক্ষণ নয়। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের খাঁটি মনোবাসনার ইঙ্গিত মেলে না এতে।
জটিল বিষয় হলো, বঙ্গোপসাগরের তীরে ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে প্রকৃতপক্ষে যা ঘটছে তা নিয়ে প্রতিশোধের আশঙ্কায় কথা বলছে না বাংলাদেশের মিডিয়া।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করার জন্য কুখ্যাত আইন করে ভিন্ন মতাবলম্বীদের কণ্ঠকে স্তব্ধ করছেন শেখ হাসিনা এমন অভিযোগ করছে অধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো। তারা আরো বলছে, এ কাজে তিনি পুলিশ ও আদালতকে ব্যবহার করছেন।
শহিদুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও এর গণতান্ত্রিক চ্যাম্পিয়নদের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যা ঘটছে এবং সামনের সপ্তাহগুলোতে যে লড়াই হবে সে দিক থেকে দৃষ্টি হারানো যাবে না।
তিনি বলেন, আমরা একটি স্বাধীন দেশে বসবাস করি। তাহলে কেন মানুষ তার নিজের ইচ্ছেমতো কথা বলতে পারবে না? দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হোক এটা নিশ্চিত করা উচিত আমার ও প্রত্যেকের। তা যেন ঘটে তা নিশ্চিত করতে আমাদের সবার সবটুকু ব্যবহার করতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাবা জীবিত থাকলে আওয়ামী লীগ করতেন না : রেজা কিবরিয়া

বাবার জীবদ্দশায় তা সম্ভব হয়নি।
বাবার স্বপ্ন পূরণে আমি এমপি প্রার্থী হয়েছি। বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে, আমি বিদেশে অনেক টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করেছি। আমি পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে জনগণের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই। রেজা কিবরিয়া বলেন, দেশ-বিদেশ ঘুরে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি নবীগঞ্জ-বাহুবলের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে তা কাজে লাগাতে চাই। আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজা-প্রজার স্টাইল বদলে দেব। দেশের উন্নয়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব সবাই। নিজের মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে রেজা কিবরিয়া বলেন, অযথা সাড়ে ৫ হাজার টাকা ঋণখেলাপি দেখিয়ে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো।
অপরদিকে ৫ হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপি ব্যক্তির মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হলো। রেজা কিবরিয়া বলেন, ওরা আমাদের ভয় পায়। তাই ড. কামাল হোসেন, আসম রব ও আমার ওপর হামলা চালিয়েছে ওরা। আমরা ভীরু নই, হামলা-মামলা আমরা ভয় পাই না। দেশ এখন অন্ধকারে। ৩০শে ডিসেম্বরের পর আলোতে আসবে প্রিয়দেশ। আমাদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেজা কিবরিয়া বলেন, আমার বাবা জীবিত থাকলে এখন আওয়ামী লীগ করতেন না। কারণ আওয়ামী লীগ এখন আগের দল নেই।
এ সময় দলের নেতাকর্মীদের ৩০ তারিখ পর্যন্ত সব কিছু মেনে নিয়ে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান জানান কিবরিয়াপুত্র। এর আগে বিকেল ৩টায় রেজা কিবরিয়া নেতাকর্মীদের নিয়ে পুরো বাহুবল বাজার ঘুরে ঘুরে নির্বাচনী প্রচারণা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা জাসাসের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম ও সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রাজুসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোডমার্চে ঐক্যফ্রন্ট: জনগণ ঘুরে দাঁড়ালে পালানোর পথ পাবেন না -আ স ম রব

গতকাল ময়মনসিংহের উদ্দেশে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী রোডমার্চে বিভিন্নস্থানে পথসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতারা দুপুরের পর উত্তরা থেকে এ রোডমার্চ শুরু করেন। পথে গাজীপুরের টঙ্গি, মাওনা, ময়মনসিংহের ত্রিশাল এবং ময়মনসিংহ শহরে নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রাখেন। রোর্ডমার্চে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ নেতারা অংশ নেন।
পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুর মাওনা চৌরাস্তায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকীর নির্বাচনী পথসভায় আ স ম রব পুলিশের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে আমাদের কর্মীদের গায়ে হাত দেবেন না। তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করবেন না। যদি কাউকে গ্রেপ্তার করেন ভয়াবহ অবস্থা হয়ে যাবে। জনগণ যদি রুখে দাঁড়ায় তার পরিণতির জন্য আমরা দায়ী থাকবো না। এ সময় তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড দেখে কবর থেকে বঙ্গবন্ধু কান্নাকাটি করছেন। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ আর শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ এক নয়।
সভায় বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, গাজীপুরে বাড়ি ছিল তাজউদ্দিন আহমেদের। আর কোনো দিন এই গাজীপুর থেকে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। প্রধামন্ত্রী হবে শেখ হাসিনার ছেলে তার ছেলে এবং তার ছেলে। তিনি বলেন, আমরা যদি নির্বাচনের মাঠে নাও থাকতে পারি আপনারা ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন। ওরা কতজনকে গ্রেপ্তার করবে। আমি জীবনে অনেকগুলো নির্বাচন দেখেছি। কাদের সিদ্দিকী বলেন, পুলিশকে ভুল বুঝবেন না। ওরা এখন আপনাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজাখুঁজি করবে। আপনারা ধরা দেবেন না। ওরা ২০ তারিখের পর আর খোঁজাখুঁজি করবে না। সরকারি কর্মকর্তারা শেখ হাসিনার কথা শুনছে না। পুলিশও কথা শুনবে না। এই মাইট্টা পুলিশ দিয়ে শেখ হাসিনা আমাদের সঙ্গে পারবে না। তিনি বলেন, চোরের দশদিন সাউদের একদিন। এবার সময় সাউদের। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ৩০ তারিখ নির্বাচন ৩১ বা ১লা জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে বের করে আনবো। সেদিন আপনারা বিজয়ের হাসি হাসবেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে মানুষের জোয়ার দেখে সরকারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। কোথাও প্রচারণা চালাতে দিচ্ছে না। প্রার্থীদেরকেও গ্রেপ্তার করছে। আমরা এখন একটা যুদ্ধের মধ্যে আছি। যে যুদ্ধ নিরস্ত্র জনতার সঙ্গে সশস্ত্র জনতার। তিনি বলেন, সরকার আমাদের দুর্নীতিবাজ বলে আখ্যা দেয়। কিন্তু ওরা ব্যাংক ডাকাতি করেছে। হাজার হাজার টন কয়লা খেয়ে ফেলেছে। ওরা এখন ডাকাতদের দল। ভোটচোরদের দল। ওদের মানুষ ভোট দেবে না। এতকিছুর পরও ওরা আমাদের দিকে দুর্নীতিবাজ বলে আঙ্গুল তোলে। সে আঙ্গুলে কয়দিন পর গজব পড়বে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ৩০শে ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন পর্যন্ত আপনারা মাটি কামড়ে পড়ে থাকবেন। গত পাঁচবছর ধরে আপনারা ঘরে থাকতে পারেন না। ১৫ দিনও ঘরে থাকবেন না। আমরা জবাব দেব ৩০ তারিখ। তিনি বলেন, ৬৯-এর গণ অভ্যুত্থান, ৯০-এর স্বৈরাচার আন্দোলনে জনতার জয় হয়েছে। এবারো ঐক্যফ্রন্টের জয় হবে। এই নির্বাচন খালেদা জিয়ার মুক্তির নির্বাচন। এই নির্বাচনে জেতার কোনো বিকল্প নেই। আপনারা প্রত্যেকে একটা করে ভোট দেবেন। আপনার ভোটেই খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেকটা কেন্দ্রের জন্য কমিটি করবেন। এমন লোককে এজেন্ট করবেন যাদের ধমক দিলে ভয় পাবে না। নির্বাচন শেষে ফলাফল লিখিত স্লিপ নিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হবে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকের পর থেকে কোনো নেতার কাছে বলবেন না ‘আমরা ভোট দিতে পারবো তো’। নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবেন আমাকে ভোট দিতেই হবে।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আপনাদের জয় হয়ে গেছে। আজকে যে মাঠে আপনাদের সভা করার অনুমতি দিয়েছিল সেটা সরকারের লোকজন দখল করে নিয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত সময়ে আপনার এত বড় আয়োজন করলেন। জায়গা আরো থাকলে আরো অনেক বেশি মানুষ হতো। তিনি বলেন, ৩০ তারিখ নির্বাচন ২রা জানুয়ারিতে খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে। এই মুক্তি হবে ন্যায় বিচারের মাধ্যমে। এই সরকারের আত্মবিশ্বাস ছিল না বলেই হাসিনার অধীনে নির্বাচন চেয়েছে। আমরা তাতেও রাজি হয়েছি। কোনোভাবেই মাঠ ছাড়বো না ঘোষণা দিয়েছি। এতে সরকারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এ সময় তিনি বলেন, পাকিস্তানি ও বৃটিশ আমল দেখেছি। কিন্তু এবারের নির্বাচনের মতো এত সহিংসতা কখনো দেখিনি। প্রতিদিনই ধানের শীষের প্রতীকের পার্থীর ওপর হামলা হচ্ছে। এ জন্য রোববার থেকেই সব রাস্তায় রাস্তায় সেনাবাহিনী নামাতে হবে। তারা শুধু টহল দিলেই চলবে। কাউকে গ্রেপ্তার করতে হবে না।
এদিকে, টঙ্গীতে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় রব বলেন, ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে বিরোধী দল যারাই থাকুক না কেন তাদের ওপর কোনো অত্যাচার নির্যাতন করা হবে না। দেশের বাইরে যেতে চাইলে সে সুযোগও দেয়া হবে। এ ছাড়া ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়েই রাষ্ট্রপরিচালনা করবো এটা আমাদের ওয়াদা। কোনো ভয় নেই। শেখ হাসিনা বিএনপির গণজোয়ার দেখে ভয় পেয়েছে। তাই তারা নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা করছে। গণগ্রেপ্তার, গায়েবি মামলা বন্ধ করুন। জনগণ ক্ষেপে গেলে কোনো রক্ষা পাবেন না।
গাজীপুর-২ আসনের ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বিএনপির প্রার্থী আলহাজ সালাহ উদ্দিন সরকারের নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে রব বলেন, আপনারা নির্বাচন কমিশনের মতো হুকুমের গোলাম হবেন না। নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ান। এ জন্য আপনাদের চাকরি চলে গেলেও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে আপনাদের চাকরি আবারো ফিরে পাবেন। বর্তমান সরকারের হুকুমে যদি পুলিশ বাহিনী এদেশের মা-বোনের ওপর হামলা করে, নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে, আপনাদেরকে শান্তি মিশনে আর ডাকবে না। সুতরাং আপনারা জনগণের পক্ষে কাজ করুন। রব বলেন, সরকারের ছুটির ঘণ্টা বেজে উঠেছে। পালিয়ে গিয়েও সরকার নিজেদের রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহর গজব নাজিল হবে তাদের ওপর। তিনি বলেন, যে বাহিনীর লোকেরা শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানের জেলে পাঠিয়েছিল সেই বাহিনীর লোকদের হাতে শেখ হাসিনা নৌকা তুলে দিয়েছে। এর পরিণাম শেখ হাসিনাকে ভোগ করতেই হবে।
শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচিত হলে শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করা হবে। তিনি বলেন, গরু কোরবানি দেয়ার পর কিছুক্ষণ লাফালাফি করে গরুর মৃত্যু হয়। সরকারের অবস্থা এখন কোরবানির গরুর মতো হয়ে গেছে। সরকার সুযোগ খুঁজছে নির্বাচন থেকে পালিয়ে যাওয়ার। নির্বাচনের আগে বা পরে যখনই আপনারা পালিয়ে যেতে চান, চলে যান। আমরা আপনাদের ওপর কোন অত্যাচার করবো না। গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ হাসান উদ্দিন সরকার সভায় সভাপতিত্ব করেন। আমরা কথা দিয়েছি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচিত হলে যারা হেরে যাবে তাদেরকে নিয়ে আমরা সরকার গঠন করবো। আমরা ইনশাল্লাহ জয় লাভ করবো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশদ্রোহের অভিযোগে বনগাঁ আদালতে লস্কর জঙ্গির ফাঁসির আদেশ
![]() |
| আদালত চত্বরে শেখ নঈম ওরফে শেখ সামির |
গত (মঙ্গলবার) বিচারক বিনয়কুমার পাঠক মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গাবাদের বাসিন্দা শেখ নঈম ওরফে সামিরকে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন।
পুলিশ সূত্রে প্রকাশ, ২০০৭ সালের এপ্রিলে বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে সীমান্ত রক্ষিবাহিনী বিএসএফ জঙ্গি সন্দেহে শেখ নঈম, মুহাম্মাদ ইউনূস, শেখ আবদুল্লাহ ও মুজাফফর আহমেদ রাঠোর নামে চারজনকে আটক করে। এদের বাড়ি মহারাষ্ট্র, কাশ্মির ও পাকিস্তানে। বনগাঁ থানার পুলিশ সেসময় তাদের গ্রেফতার করে এবং পরে সিআইডি ওই মামলার তদন্ত শুরু করে।
ওই মামলার সরকারি আইনজীবী সমীর দাস শনিবার গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ সামীরের আজ সাজা ঘোষণা হয়েছে। সে ছত্তিশগড় থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। পরে এনআইয়ের ধরা পড়ে। গত ১০ অক্টোবরে তাকে এখানে হাজির করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে মাত্র দুই মাস পাঁচ দিনের মধ্যে সাজা দেয়া হয়েছে। দেশদ্রোহিতার অভিযোগে তাকে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেয়া হয়েছে। বনগাঁ সীমান্তে ২০০৭ সালে যে ঘটনা ঘটেছিল, তাতে সে লস্কর জঙ্গিদের নিয়ে এসে ভারতের গুরুত্বপূর্ণস্থান ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। মুম্বাই, হায়দারাবাদ ও দিল্লিতে ওর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।’
আজ আদালত চত্বরে শেখ নঈম ওরফে শেখ সামির তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকারী আইনজীবী সমীর দাস অবশ্য তার ওই দাবিকে নাকচ করে দিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্রযন্ত্র আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছে: ফখরুল

আমরা সেই খানাখন্দের মধ্যে নির্বাচনে আছি। রাষ্ট্রযন্ত্র আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছে। তাই সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তিনি শনিবার বগুড়া শহরের পৌর পার্কের উডবার্ন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২৩ দলীয় জোট মনোনীত জেলার ৭টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বগুড়া পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চান, বগুড়া-১ আসনের প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৩ আসনের আবদুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনের আলহাজ মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনের গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৭ আসনের মোর্শেদ মিলটন।
তবে বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না ঢাকায় অবস্থানের কারণে অনুপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আলী আজগর তালুকদার হেনা, মাহবুবুর রহমান বকুল, মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, সিপার আল বখতিয়ার, মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, পরিমল চন্দ্র দাস, অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা পাপন, শাহাবুল আলম পিপলু, ছাত্রদলের আবু হাসান প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, বগুড়া হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের এলাকা। এখানে সারা দেশের ন্যায় ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ধানের শীষের জন্য মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। গণতন্ত্রের জন্য বগুড়ার মানুষ এক হয়েছে। তাই যতই ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন জনগণ রুখে দাঁড়ালে কোনো অপশক্তি জিততে পারবে না। পরাজয়ের ভয়ে সরকার জনগণকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়ার অপচেষ্টা করছে। তিনি বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায়। জনগণ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিতে পারলে গণতন্ত্রের বিজয় হবেই।
মির্জা ফখরুল বলেন, ১০ বছর পর দেশে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। কিন্তু এই নির্বাচন নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আওয়ামী লীগ আন্দোলন করেছিল, ক্ষমতায় গিয়ে মেজরিটির জোরে সেই ব্যবস্থা বাতিল করেছে। এর পর থেকে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।
সর্বশেষ সরকারের সঙ্গে সংলাপে গ্রেপ্তার বন্ধ ও প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকার যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল তাও রক্ষা করা হয়নি। বর্তমানে সারা দেশে প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর হামলা, মামলা চলছে। একদিকে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র, অপরদিকে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে আছি। আমরা শেষ পর্যন্ত দেখবো। সংবাদ সম্মেলনের পর মির্জা ফখরুল তার নির্বাচনী এলাকা বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে প্রচারণায় অংশ নেন। তিনি সাবগ্রাম ইউনিয়ন থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে রাজাপুর, লাহিড়ীপাড়া, গোকুল, নুনগোলা, নিশিন্দারা, নামুজা ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা ও গণসংযোগ করেন। তার কথা শুনতে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটে প্রতিটি পয়েন্টে। সেই সঙ্গে তাকে দেখে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড. কামাল ‘বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির প্রবক্তা’: ওবায়দুল কাদের

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফেনীর দাগনভূঁঞায় সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ড. কামালকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পুরোনো পাকিস্তানি ‘খামোশ’ শব্দটি ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ করলেন তার স্বরূপ ডাকতে পারেননি। তিনি মুখে নীতি কথা বললেও আসল রূপ উন্মোচিত হয়ে গেছে। বয়স কমে গেলে শরীরের শক্তি কমে যায়, মুখের জোর বেড়ে যায় আর সে কারণেই ড. কামাল এমনটা করেছেন।
গত (শুক্রবার) সকালে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে জামায়াত সম্পর্কিত প্রশ্নে ক্ষেপে যান সংবিধানের অন্যতম এই প্রণেতা। আজ এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার বক্তব্য যদি কোনোভাবে কাউকে আহত বা বিব্রত করে থাকে, তাহলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, সারাদেশে নৌকার গণজোয়ার দেখে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট বেসামাল হয়ে উঠেছে। আর সে কারণে ড. কামাল বেপরোয়া চালকের চেয়েও বেপরোয়া শব্দ ব্যবহার করেছেন। দেশে এখন নৌকার গণজোয়ার, আর ধানের শীষের গণভাটা চলছে। নৌকার এ জোয়ার দেখে বিএনপি নির্বাচনী পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। এ পর্যন্ত তাদের হামলায় নোয়াখালীতে ১ জন ও ফরিদপুরে ১ প্রাণ হারিয়েছে। তারা দু’জনই আওয়ামী লীগের কর্মী।
দেশে আইনশৃঙ্খলা অবনতির জন্য ঐক্যফ্রন্টকে দায়ী বলে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা পল্টনে পুলিশের উপর হামলা করে এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করেছেন। তারা নিজেরা নিজেদের সঙ্গে গণ্ডগোল করে নিউজ তৈরি করতে চাইছে।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিএনপির অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, এসব অভিযোগ অসহায়ের সংলাপ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, দাগনভুঞাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল কবির রতনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহান বিজয় দিবস আজ

বিজয়ের ৪৭তম বার্ষিকীতে আজ পুরো জাতি পরম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় স্মরণ করবে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী লাখো শহীদকে। যাদের জীবন উৎসর্গে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পালিত হবে নানা কর্মসূচি। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাণী দিয়েছেন।
আজ প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসটির সূচনা হবে। দিবসটি উপলক্ষে সকালে সারা দেশের সব সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পালিত হবে নানা কর্মসূচি।
আজ ভোরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পর্যায়ক্রমে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। জাতীয় নির্বাচন থাকায় এবার পুরাতন বিমানবন্দরে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সম্মিলিত বাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ হচ্ছে না।
বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, জাতীয় পার্টি, জাসদ, সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি উদযাপন করবে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। ভোরে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। এছাড়া টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, জিয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ রাজধানীতে বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
December
(211)
-
▼
Dec 16
(18)
- সাম্প্রদায়িক বিজেপিকে ভারত ছাড়া করব: যুব তৃণমূল কং...
- উপহাস কিভাবে রাশিয়ায় অস্ত্র হয়ে উঠেছে
- নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচার উপায় শেখাবে ইরান: কাতারে বল...
- অর্থনীতিতে বড় অর্জন রাষ্ট্র মেরামতের তাগিদ by সাজে...
- সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যক...
- ‘সরকার আর ১৫ দিন ক্ষমতায়, বেআইনি আদেশ মানবেন না’ -...
- রাখাইনে সেনা অভিযানকে গণহত্যা আখ্যা দিলো মার্কিন ক...
- পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে গ্রেপ্তার করতে পারবে সেনাবাহিনী
- জেরুজালেমে ইসলামের নিশানা মুছে ফেলতে চায় ইসরায়েল: ...
- উত্তাল কাশ্মির উপত্যকা: বন্দুকযুদ্ধে ৩ গেরিলাসহ নি...
- জাতীয় পতাকা ফেরি করাও মর্যাদার by শফিকুল ইসলাম
- ‘সংকটময় মুহূর্তে বাংলাদেশ’ -এএফপিকে শহিদুল আলম
- বাবা জীবিত থাকলে আওয়ামী লীগ করতেন না : রেজা কিবরিয়া
- রোডমার্চে ঐক্যফ্রন্ট: জনগণ ঘুরে দাঁড়ালে পালানোর পথ...
- দেশদ্রোহের অভিযোগে বনগাঁ আদালতে লস্কর জঙ্গির ফাঁসি...
- রাষ্ট্রযন্ত্র আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছে: ফখরুল
- ড. কামাল ‘বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির প্রবক্তা’: ওবায়...
- মহান বিজয় দিবস আজ
-
▼
Dec 16
(18)
-
▼
December
(211)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
