Wednesday, April 1, 2015
আরও এক ব্লগার হত্যা: কিছু প্রশ্ন by আলী রীয়াজ
হত্যা মাত্রই অমানবিক, মানবতাবিরোধী। যে হত্যা চিন্তার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, সে কেবল ব্যক্তির বিনাশ নয়। যে হত্যা ভিন্নমতের কারণে, তাকে কেবল ব্যক্তির হত্যা বলে বিবেচনা করা যাবে না। যে হত্যা, যে নিপীড়ন ব্যক্তির কণ্ঠরোধ করতে চায়—ধর্মের নামেই হোক কিংবা রাজনৈতিক আদর্শের নামেই হোক—তা সমাজে বহুত্ববাদিতার অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে পরিচালিত। এটির আশু লক্ষ্য ব্যক্তি হলেও এর প্রধান লক্ষ্য ব্যক্তির চেয়েও বড়, তেমনি যে ব্যক্তি এই হত্যাকাণ্ড সংঘটন করল, তার চেয়েও বড় হলো কীভাবে তাকে প্ররোচিত করা হয়েছে, কে তাকে প্রণোদনা জুগিয়েছে, কারা তাকে সংগঠিত করেছে, কী পরিবেশ তাকে এই ধরনের ঘৃণ্য কাজের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ব্যক্তিকে আইনের মুখোমুখি করার পাশাপাশি এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।
সমাজে হত্যা, হত্যার প্ররোচনা এবং তাকে স্বাভাবিকতায় রূপ দেওয়ার ঘটনা অসহিষ্ণুতার সাক্ষ্য। অসহিষ্ণুতা আরও অসহিষ্ণুতার জন্ম দেয়, এটাই অবশ্যম্ভাবী। আমি অসহিষ্ণু হলে আমার প্রতিপক্ষ সহিষ্ণু হবে, এই আশা বাতুলতা মাত্র। সহিষ্ণুতা চর্চার দায়িত্ব প্রথমেই আমার। আমার অসহিষ্ণুতা ধর্মের নামে, রাষ্ট্রের নামে, জাতীয়তার নামে হলে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার যুক্তিতে হলে আমার প্রতিপক্ষ তার যুক্তি তৈরি করবে। কোনোটাই ‘যুক্তির কষ্ঠিপাথরে’ টিকল কি না, কে তার হিসাব করবে? রক্তের দাগ যুক্তির বিকল্প নয়; চাপাতি যুক্তির বিকল্প নয়; বুলেট যুক্তির বিকল্প নয়। অন্যের মত প্রকাশের অধিকার সীমিত করলে আমার মত প্রকাশের অধিকার সীমিত হবে। আমি একভাবে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করলে, হত্যার বৈধতা প্রদান করলে—আমার প্রতিপক্ষ অন্যভাবে ভয়ের সংস্কৃতি চাপিয়ে দেবে, সে আমাকে হত্যা করবে। আমাদের পারস্পরিক আক্রমণের সুযোগে অন্যরা তাদের অস্ত্র শাণাবে, ভয় দেখাবে, হত্যা করবে।
হত্যার বিচার যদি না হয়, আইনের শাসন যদি প্রতিষ্ঠা না পায়, তবে আরও হত্যার পথ উন্মুক্ত হয়। বিচারহীনতার ঐতিহ্য, ভয়ের সংস্কৃতি মানুষের শেষ পরিণতি হতে পারে না। অস্থির সময় কেবল অন্ধকারের শক্তিকেই সাহায্য করে। ধর্মের নামে যে উগ্রপন্থা, তা ধর্মের ও মানবিকতার আদর্শের বাহক নয়, হতে পারে না। ধর্মের নামে জারি করা উগ্রপন্থাকে মোকাবিলা করার পথ উদারনৈতিক আদর্শের চর্চা। উদারনীতি, সহিষ্ণুতা, আইনের শাসন ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আদর্শিক লড়াইয়ে নৈতিক শক্তি হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি, এই শক্তি ছাড়া আর সব শক্তি যে কেউ সংগ্রহ করতে পারে; আপনি-আমি পারি, আপনার-আমার প্রতিপক্ষও পারে। শক্তি দিয়ে, বল প্রয়োগ করে, ভয় দেখিয়ে, হত্যা করে কোনো রাজনৈতিক আদর্শ বিজয়ী হতে পারে না; কোনো ধর্ম টিকে থাকতে পারে না, থাকেনি; কোনো রাষ্ট্র পরিচালিত হতে পারে না।
কিন্তু এই সত্যগুলোকে আমাদের চারপাশে প্রতিদিন অবমানিত হতে দেখি। বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজের দিকে তাকিয়ে এটা স্পষ্ট যে সমাজে সহনশীলতা অপসৃত হয়েছে। যেকোনো সমাজে সহনশীলতা নিজে নিজেই অপসৃত হয় না; প্রত্যেক নাগরিক, বিশেষ করে যাঁরা নিজের অবস্থানকে চূড়ান্ত বলে দাবি করেন, তাঁর এই পরিণতি তৈরির ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে বললে অত্যুক্তি হবে না। ধর্মের নামে যাঁরা চূড়ান্ত কথা বলার চেষ্টা করেছেন, তাঁরা চিন্তার স্বাধীনতাকে, মত প্রকাশের অধিকারকেই কেবল দমন করছেন তা নয়; ধর্মেরও অবমাননা করছেন। কোনো ধর্ম তার পক্ষে চূড়ান্ত কথা বলার, বিচারের দায়িত্ব মানুষের ওপরে অর্পণ করেনি। যাঁরা ধর্মের নামে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চান, তাঁদের ধর্মের এই শিক্ষার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া আবশ্যক। আদর্শিক অন্ধত্বের কারণে যারা নিজেদের অবস্থানকে ঐশ্বরিক মর্যাদা প্রদান করেন, তাঁরা সমাজে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেন, যেখানে ধর্মের নামে, জাতি-গোষ্ঠী-বর্ণের নামে বিভক্তিকরণ বৈধ রূপ লাভ করে। এই বিভক্তিকরণের পরিণতি বিষয়ে তাঁরা কি সচেতন?
বাংলাদেশের সমাজের দিকে তাকিয়ে বোধকরি এই প্রশ্ন তোলার সময় এসেছে যে তার মর্মমূলে কি এমন কোনো পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে যে দেশের নাগরিকেরা, বিশেষ করে তরুণেরা, এখন এই প্রশ্ন তুলতে অনীহ যে, কেন সে আরেকজনের স্বাধীন চিন্তার প্রতিবন্ধক হবে, কেন সে আরেকজন ভিন্নমতাবলম্বীকে নিপীড়ন করবে, কেন সে আরেকজনকে তার স্বাধীন চিন্তার জন্য হত্যা করবে? হত্যার দায় স্বীকার করেছে যে জিকরুল্লাহ ও আরিফুল ইসলাম, তাদের ভাষ্য অনুযায়ী তারা জানে না ওয়াশিকুর রহমান কে, তঁার বক্তব্য কী। কিন্তু তাদের জন্য এই বক্তব্য কেন যথেষ্ট যে ওয়াশিকুর ধর্মের অবমাননাকারী?
সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে স্বাধীন চিন্তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তৈরির, ভিন্নমতাবলম্বীর অধিকার সুরক্ষার উদাহরণ কি ক্রমান্বয়ে এতটাই অনুপস্থিত হয়ে যাচ্ছে যে দেশে মতভিন্নতা মানেই হত্যা, মতভিন্নতা মানেই নিপীড়ন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হচ্ছে?
আসুন, আমরা সবাই মিলে একবার এই প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হই।
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান–পাশ্চাত্য টানাপোড়েনের ১২ বছর, আলোচনা এক দিন বাড়ল
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন এবং জার্মানি আলোচনায় অচলাবস্থা দূর করতে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ আলোচনার মূল লক্ষ্য, ইরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখা। বিনিময়ে তেহরানের অর্থনীতিকে কাবু করে ফেলা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, এমন একটি চুক্তি হলে বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরানের সঙ্গে পাশ্চাত্যের গত ১২ বছরের টানাপোড়েনের অবসান ঘটবে।
ইরান কী মাত্রা পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার গবেষণা চালাতে পারবে এবং দেশটির ওপর থেকে কখন সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে, এমন কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য আলোচনার শেষ দিকে অগ্রগতি আটকে রেখেছিল। পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য ইউরেনিয়াম ধাতু খুব উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ করা দরকার।
ইরানের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘দুটি মূল প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে সময়সীমা এবং অবরোধ তুলে নেওয়া। দুই পক্ষই চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে যুক্তি তুলে ধরছে। সার্বিকভাবে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।’
আলোচনায় যে সত্যিই অগ্রগতি হয়েছে এবং সম্ভাব্য একটি চুক্তি হতে পারে, তা বোঝা গেছে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টাইনমেয়ার এবং ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ ফ্যাবিয়াসের কিছু তোড়জোড় দেখেই। স্টাইনমেয়ার ও ফ্যাবিয়াসের গতকাল বার্লিনে একটি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তাঁরা তা বাতিল করেন। আর লাভরভ গতকালই মস্কো থেকে ছুটে গেছেন লুজানে। সেখানে আগে থেকেই আলোচনার টেবিলে আরও রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ডসহ অন্য জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকেরা। লুজানের উদ্দেশে মস্কো ছাড়ার আগে লাভরভ আশার কথা শুনিয়ে বলেছেন, ‘সম্ভাবনা সুউচ্চ। এবারের দফা আলোচনার ভবিষ্যৎ খারাপ নয়, বরং আমি বলব ভালো।’
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, গতকাল দিনের প্রথম ভাগে লুজানে ব্যস্ত সময় কাঠিয়েছেন কারিগরি ও অবরোধবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা সম্ভাব্য একটি চুক্তির ভিত্তি দাঁড় করাতে নথিপত্র আদান-প্রদান করেছেন। সেখানে মূলত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি রূপরেখা থাকবে। এটি হবে সম্ভাব্য একটি চূড়ান্ত চুক্তির ভিত্তি। আলোচনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, একটা কিছু ঘোষণা করতে তাঁরা সক্ষম হবেন বলে আশা করছেন।
২০০২-২০০৪: ২০০২ সালের আগস্টে নাতাঞ্জ ও আরাকে ইরানের গোপন পারমাণবিক কেন্দ্র গড়ে তোলার খবর
২০০৫-২০০৮: কট্টরপন্থী আহমাদিনেজাদ ইরানের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সাড়ে ৩ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ঘোষণা। জাতিসংঘের প্রথম দফা অবরোধ
২০০৯-২০১২: ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে ফোর্দোয় পাহাড়ের নিচে আরেক পারমাণবিক স্থাপনার খবর। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার মাত্রা বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার ঘোষণা দেয় তেহরান
২০১৩: উদারপন্থী হাসান রুহানি প্রেসিডেন্ট হয়ে বলেন, ইরান আলোচনায় বসতে ‘আন্তরিক’
২০১৪: স্থায়ী চুক্তির লক্ষ্যে ফেব্রুয়ারিতে সম্প্রসারিত আলোচনা শুরু। অন্তর্বর্তী চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি।
২০১৫: একটি রূপরেখা চুক্তির জন্য বেঁধে দেওয়া ৩১ মার্চের সময়সীমাকে সামনে রেখে জানুয়ারিতে আলোচনা শুরু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নামেই সরকারি স্পর্শকাতর স্থাপনা, বিটিসিএলের সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে ফুটপাত দখল by আনোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সেগুলো উচ্ছেদও করে। কিন্তু এখন ওই ফুটপাতে রীতিমতো পাকা ঘর করে চলছে দোকানদারি।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কী নেই—বিরিয়ানির দোকান, সেলুন, ফলের দোকান, স্টেশনারি। সবই গড়ে উঠেছে সীমানাপ্রাচীরের দেয়াল ঘেঁষে। ইটের দেয়াল দেওয়া প্রতিটি দোকান আলাদা করা হয়েছে। ওপরে দেওয়া হয়েছে সিমেন্টের ছাউনি। স্থায়ী দোকানের পাশাপাশি ফুটপাতের ওপর আছে অস্থায়ী দোকানও। ফুটপাতের এই অংশে হাঁটার কোনো জায়গা অবশিষ্ট নেই। ফলে বাধ্য হয়ে পথচারীদের সড়ক ধরে হাঁটতে হচ্ছে।
দোকানিরা জানান, প্রতিটি দোকান থেকে প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত এককালীন (জামানত) নিয়েছে। মাসে মাসে ভাড়া দিতে হয়। বিটিসিএল ভবনের উত্তর-পূর্ব কোনায় একটি ফটক আছে। সেটির ঠিক মুখে ২০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কার্যালয় গড়ে তোলা হয়েছে। এখন ওই ফটকটি পুরোপুরিই বন্ধ।
সিটি করপোরেশন, দোকানদার ও বিটিসিএল কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে দোকান নির্মাণের পেছনে রয়েছে যুবলীগ দক্ষিণের প্রভাবশালী একটি দল। এখান থেকে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের লোকজনও মাসোহারা পান।
সর্বশেষ ২২ মার্চও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চিঠি দিয়ে উচ্ছেদের আকুতি জানিয়েছে বিটিসিএল। এর আগেও কয়েক ডজন চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংস্থার কর্মকর্তারা।
জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা খালিদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, টিঅ্যান্ডটি কার্যালয়ের পাশে একবার উচ্ছেদের পর উচ্চ আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা এনেছেন দোকান নির্মাণকারীরা। এ জন্য পুনরায় উচ্ছেদ করা যাচ্ছে না। অন্য স্থানগুলোতে তাঁরা উচ্ছেদ অভিযান চালান নিয়মিত। কিন্তু পরক্ষণেই আবার দখল হয়ে যাচ্ছে।
২০১২ সালের মার্চে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত মুক্ত করার বিষয়ে রিট করা হয়। এ বিষয়ে রুলও জারি করেন হাইকোর্ট। এরপর আদালতের পৃথক বেঞ্চে হকার্স ফেডারেশনও রিট করে। আদালত হকারদের পুনর্বাসনের রুল দেন। কিন্তু ফুটপাত দখলমুক্ত কিংবা হকারদের পুনর্বাসন—কোনোটাই হয়নি।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, উচ্ছেদ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় হকাররা বসে যায়। গত ৫ জানুয়ারি থেকে অবরোধ-হরতাল শুরু হলে সিটি করপোরেশন কোনো উচ্ছেদ অভিযান চালায়নি। কারণ, এ সময় পুলিশ পাওয়া যাচ্ছে না।
সূত্র আরও জানায়, হকার সমিতিগুলো নির্বিঘ্নে দোকান করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার এবং পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে আসছে। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। সিটি করপোরেশনও ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ফুটপাত আছে। আর ২০১৩ সালে ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশের (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের গবেষক মারুফ রহমানের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঢাকার ৪৪ শতাংশ সড়কে ফুটপাত নেই। আর বাকি যে ৫৬ শতাংশ অংশে ফুটপাত আছে, তার কোথাও ৫০ শতাংশ এবং কোথাও ২০ শতাংশ হকারদের দখলে। রাজধানীর গুলিস্তান, ফার্মগেট ও নিউমার্কেট এলাকায় সমীক্ষা চালান তিনি।
সমীক্ষা অনুসারে, যেখানে ফুটপাত আছে, তার ৮২ শতাংশ উঁচু-নিচু, ভাঙাচোরা কিংবা চলাচলের জন্য মসৃণ নয়।
সিটি করপোরেশন, পুলিশ ও হকার সমিতি—কারও কাছেই ঢাকার হকারের প্রকৃত সংখ্যা নেই। তবে এই তিন সংস্থার আনুমানিক হিসাব যোগ করলে ভাসমান, স্থায়ী ও অলিগলি মিলে হকারের সংখ্যা ১০ লাখের কম নয়। এর মধ্যে প্রায় আড়াই লাখ কোনো না কোনো সমিতির সদস্য।
সূত্র জানায়, রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক মিলে প্রায় ২০০ হকার স্পট বা স্থান আছে। এগুলোর প্রতিটির জন্য একজন করে লাইনম্যান রয়েছেন। নির্দিষ্ট এলাকার চাঁদা আদায় করেন লাইনম্যান। প্রতিটি লাইনম্যানের নির্ধারিত এলাকাকে নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফুট’ হিসেবে। কয়েকটি ‘ফুটের’ দায়িত্ব থাকেন একজন ‘সর্দার’। সর্দারই মূলত চাঁদার ভাগ রাজনৈতিক প্রভাবশালী, পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের যাদের যাদের দেওয়া দরকার, তা দেন।
আলাপ করে জানা গেছে, রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় ২৫টি ফুট রয়েছে। প্রতিটি ফুট থেকে আকার ও স্থানভেদে দৈনিক ৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেওয়া হয়। সরকার পরিবর্তন হলে সর্দার ও লাইনম্যানও পরিবর্তন হয়। বর্তমানে সবচেয়ে দাম বেশি ফুট হচ্ছে গুলিস্তান, মতিঝিল, নিউমার্কেট এলাকা এবং শান্তিনগর বাজারের সামনে।
ঢাকায় হকারদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বিভিন্ন সময় গুলিস্তান, সদরঘাট, বঙ্গবাজার ও ধানমন্ডি এলাকায় একাধিক মার্কেট করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত হকাররা পুনর্বাসিত হয়নি।
বাংলাদেশ হকার্স ফেডারেশনের সভাপতি এম এ কাসেম প্রথম আলোকে বলেন, বড় বড় মার্কেট হলেও হকাররা পুনর্বাসিত হয় না। অসাধু পুলিশ ও মাস্তানদের চাঁদা দিয়ে হকারদের আয় থাকে না। তাই তাদেরকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া উচিত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাকটেরিয়া দমনে হাজার বছরের পুরোনো দাওয়াই
ক্রিস্টিনা লি বলেন, ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কারের বহু আগে থেকেই সম্ভবত এসব অণুজীব দমনের ব্যাপারে বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়েছিল। তাঁদের পরীক্ষায় এ রকমই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাশিদকে ‘রাজনীতি থেকে তাড়াতে’ মালদ্বীপে আইন
৮৫ আসনের পার্লামেন্টে সোমবার রাতে আইনটি ৪২-২ ভোটে পাস হয়। সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদের দল মালদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্যরা এ আইনের বিরোধিতা করেন। তাঁরা আইনটির ওপর ভোটাভুটিতেও অংশ নেননি।
পার্লামেন্টে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন আবদুল গাইয়ুমের দল প্রোগ্রেসিভ পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। এর সুযোগ নিয়ে তিনি বিরোধীদের দমন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মালদ্বীপের পার্লামেন্ট নতুন আরেকটি বিলও বিবেচনা করছে। সেটি পাস হলে সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে নাশিদের ভাতা এবং নিরাপত্তা সুরক্ষার ব্যবস্থাও বাতিল হয়ে যাবে।
এক মামলায় চলতি মাসেই ১৩ বছরের কারাদণ্ড হয় মোহাম্মদ নাশিদের। ক্ষমতায় থাকার সময় ২০১২ সালে একজন জ্যেষ্ঠ বিচারককে গ্রেপ্তারের আদেশ দেওয়ার অভিযোগে ওই মামলা হয়েছিল। নাশিদের সমর্থকদের ভাষ্য, আগামী ২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যাতে তিনি অংশ নিতে না পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই ওই অভিযোগ আনা হয়েছিল।
মালদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক ইভান আবদুল্লাহ বলেন, তাঁদের দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নতুন আইনটি তাঁদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। বর্তমানে কারাবন্দী নাশিদই দলটির নেতা হিসেবে থাকবেন।
২০০৮ সালে ভারত মহাসাগরের ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হন মোহাম্মদ নাশিদ। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে মামুন আবদুল গাইয়ুমের ৩০ বছরের কঠোর শাসনের অবসান ঘটে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নরেন্দ্র মোদির সফরেই তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টৈটং উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য মওঃ লোকমান হাকিমের শোক সভা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সিভিকাস ও এএলআরসির ৩ সুপারিশ
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার মধ্যে মৌলিক মানবাধিকার ও গণতন্ত্রিক অধিকারের ওপর অপ্রশমিতভাবে হামলা অব্যাহত থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্লোবাল সিভিল সোসাইটি অ্যালায়েন্স (সিভিকাস) ও এশিয়ান লিগ্যাল রিসোর্স সেন্টার (এএলআরসি)।
সিভিকাসের কর্মপন্থা ও গবেষণা বিষয়ক প্রধান মানদ্বীপ তিওয়ানা বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রকাশের অধিকারের ওপর দমনাভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ গুরুতর সাংবিধানিক সঙ্কটের সম্মুখীন। তিনি বলেন, গত বছরগুলোতে বাংলাদেশের যে স্থিতিশীলতা ও সাফল্য অর্জিত হয়েছে, সেটাকে নষ্ট করছে মুক্ত সুশীল সমাজের ওপর রাজনৈতিক দমননীতি ও নির্যাতন।
২০১৫ সালের ৫ই জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় বিরোধী দলগুলোর সদস্যরা বড় আকারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সাধারণ ধর্মঘট (সড়ক অবরোধ, হরতাল) পালনের মধ্য দিয়ে ২০১৪ সালের জানুয়ারির বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনের বর্ষপূর্তি পালন করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীসমূহ সভা-সমাবেশসমূহ ও অন্যান্য কর্মকা-ের মাধ্যমে আইন অমান্য করায় নিয়মিত ব্যবস্থা নিয়েছে। তা করতে তারা অতিরিক্ত ও কখনও কখনও মারাত্মক বলপ্রয়োগ, গণগ্রেপ্তার এবং সাংবাদিক ও মিডিয়া গ্রুপগুলোকে টার্গেট করে নির্যাতন চালিয়েছে।
গত ৫ই জানুয়ারি বিরোধী দলের ডাকা সভা-সমাবেশের জবাবে সরকার ঔপনিবেশিক যুগের ১৪৪ ধারা জারি করে রাজধানী ঢাকায় সব বিক্ষোভ সমাবেশ ও র্যালি নিষিদ্ধ করে। এ নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করায় বিধিবহির্ভূত গ্রেপ্তার ও বন্দি করা হয়েছে কমপক্ষে ১৪ হাজার বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীকে। জাতীয় পর্যবেক্ষক সংগঠনগুলো বলছে, গ্রেপ্তারকৃত অধিকাংশ মানুষই এখনও কারাবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। তার ওপর দেশজুড়ে বিরোধী দলসমূহ এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একের পর এক হামলায় প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও শত শত মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।
অতি সম্প্রতি গত ১৭ই মার্চ কুড়িগ্রাম জেলায় পুলিশ ও হরতালের সমর্থক বিরোধীপন্থী কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশ বিক্ষোভ-সমাবেশকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গোলাবারুদ ও টিয়ার শেল ব্যবহার করেছে। সংঘর্ষের ঘটনার ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করায় টার্গেট করে কয়েকজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। সরকার সম্প্রতি বিধিবহির্ভূতভাবে বহু ইলেক্ট্রনিক গণমাদ্যম ও সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি ও দৈনিক সংবাদপত্র আমার দেশ। বিরোধী দলের আন্দোলনে সহানুভূতিশীল মনে করায় কয়েকজন সাংবাদিককে মিথ্যা অভিযোগে অল্প সময়ের জন্য আটক রাখা হয়েছে। ২০১৫ সালের ৬ই জানুয়ারি থেকে আটক রয়েছেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) সভাপতি আবদুস সালাম ও প্রধান নির্বাহী আবদুস সালাম। তার বিরুদ্ধে বিরোধী দলের বিশিষ্ট এক নেতার বক্তৃতা টেলিভিশনে প্রচারের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৪ সালের ৬ই জানুয়ারি দৈনিক ইনকিলাবের ৩ সাংবাদিক রবিউল্লাহ রবি, রফিক মোহাম্মদ ও আহমেদ আতিককে তাদের অফিস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিতর্কিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৯ ও ২০১৩ সালে সংশোধিত)-এর আওতায় তাদের আটক করা হয়। ‘মিথ্যা ও বানেয়ায়াট’ খবর প্রচার করার অভিযোগে যে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তর করা হয়েছিল, তাদের জামিনে মুক্তি দেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।
এএলআরসি’র নির্বাহী পরিচালক বিজো ফ্রান্সিস বলেছেন, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান স্বেচ্ছাচারিতা মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্রীকরণের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার খর্ব করা, সম্পৃক্ততা ও সভা-সমাবেশ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের ওপর নির্যাতন বাংলাদেশকে একটি পরিবর্তনশীল ও অস্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে দাঁড় করিয়েছে। এতে মৌলবাদী সংগঠনগুলোর বিস্তারে অবদান রাখতে পারে ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, নাগরিকদের আইনসম্মত উদ্বেগ ও গণতান্ত্রিক অধিকারের পূর্ণ উপলব্ধি নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানায় সিভিকাস ও এএলআরসি। একই সঙ্গে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিশ্চিতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়:
১) মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার চর্চা, সম্পৃক্ততা ও সভা-সমাবেশ করার অভিযোগে বিধিবহির্ভূতভাবে আটক সব ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া।
২) শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ-সমাবেশ ব্যাহত করতে অতিরিক্ত ও মারাত্মক বলপ্রয়োগ অবিলম্বে থামানো এবং এসব ঘটনায় তদন্ত করা।
৩) স্বতন্ত্র সাংবাদিক ও গণমাধ্যমসমূহের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্লগার হত্যা- জাতিসংঘ যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্সের উদ্বেগ
প্রায় এক মাসের কাছাকাছি সময়ে বাংলাদেশে সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হলেন দুজন ব্লগার। এর আগে নিহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হুমায়ূন আজাদ। এসব নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের মুখপাত্র ফারহান হকের কাছে সাংবাদিকরা নিয়মিত ব্রিফিংয়ের সময় প্রশ্ন তোলেন। তার জবাবে ফারহান হক ওই উদ্বেগের কথা জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক ও অন্য বুদ্ধিজীবীদের ওপর হামলা হচ্ছে। এটা ভয়াবহ এক উদ্বেগের বিষয়। এতে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে নাগরিকদের মত প্রকাশের অধিকারসহ তাদের মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে জাতিসংঘ। তার কাছে এক সাংবাদিক জানতে চান- এই পর্যায়ে জাতিসংঘের কোন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা সংলাপের জন্য বাংলাদেশ সফরে যাবেন কিনা। জবাবে তিনি বলেন, এ পর্যায়ে কোন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফরে যাবেন কিনা তা আমার জানা নেই। তবে আমাদের উদ্বেগের বিষয়ে আমরা সচেতন। এখানে ওই ব্রিফিং প্রশ্ন- উত্তর আকারে তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন: বাংলাদেশ নিয়ে আমার প্রশ্ন। ওয়াসিকুর রহমান নামে আরও একজন ব্লগারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে জাতিসংঘের কি কোন প্রতিক্রিয়া আছে? এ সম্পর্কিত আরও একটি বিষয়, বাংলাদেশে সংলাপের জন্য জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো অথবা জেফ্রে ফেল্টম্যান অথবা জাতিসংঘের কোন কর্মকর্তার কোন উদ্যোগ আছে কিনা?
উত্তর: এ পর্যায়ে উচ্চপর্যায়ের কোন কর্মকর্তার বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে আমার কাছে কোন তথ্য নেই। তবে আমাদের উদ্বেগের বিষয়ে আপনি জানেন। অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিকদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ তাদের মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান আমরা অব্যাহতভাবে জানিয়ে যাচ্ছি। বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের বোদ্ধাদের ওপর হামলা হয়েছে এটা ভয়াবহ এক উদ্বেগের বিষয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী মুহাম্মদু বুহারি
১৯৯৯ সালে দেশটিতে সামরিক শাসন শেষ হবার পর এই প্রথম কোন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হলেন।
মি. বুহারি তাকে ভোট দেয়ার জন্য নাইজেরিয়ানদের ধন্যবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন এবং বিপক্ষদলের ক্ষতি কিংবা তাদের সম্পদ ধ্বংস না করার জন্য তার সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতেই গুডলাক জনাথন তার প্রতিপক্ষ মুহাম্মদু বুহারিকে টেলিফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং পরাজয় মেনে নিয়েছেন।
অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে সাবেক সামরিক শাসক, জেনারেল মুহাম্মদ বুহারি তার প্রতিপক্ষ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।
মি. বুহারি এর আগে তিনবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এবার তিনি বেশ কয়েকটি বিরোধী দলীয় জোটের একজন প্রার্থী হিসেবে দাড়িয়েছিলন- যাদের মূল প্রতিশ্রুতি ছিল দুর্নীতি দমন এবং ইসলামপন্থী জঙ্গিগোষ্ঠি বোকো হারামকে পরাজিত করা।
নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে আসা মুসলিম জেনারেল মি. বুহারি ১৯৮৩ সালে এক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীতে আরেকটি অভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন এবং তিনবছর কারাবন্দী থাকেন।
পর্যবেক্ষকরা সাধারণভাবে নির্বাচনের প্রশংসা করেছেন, তবে ভোট কারচুপির কিছু অভিযোগও এসেছে।
নাইজেরিয়া থেকে বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি প্রমাণ করছে যে নাইজেরিয়াতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গভীরতর হচ্ছে, কারণ এর আগে দেশটি অভ্যুত্থান এবং নির্বাচন কারচুপির জন্যই বেশি পরিচিত ছিল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ গুরুতর সাংবিধানিক সংকটের মুখোমুখি
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার মধ্যে মৌলিক মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর অপ্রশমিতভাবে হামলা অব্যাহত থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্লোবাল সিভিল সোসাইটি অ্যালায়েন্স (সিভিকাস) ও এশিয়ান লিগ্যাল রিসোর্স সেন্টার (এএলআরসি)।
সিভিকাসের কর্মপন্থা ও গবেষণাবিষয়ক প্রধান মানদ্বীপ তিওয়ানা বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রকাশের অধিকারের ওপর দমনাভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ গুরুতর সাংবিধানিক সঙ্কটের সম্মুখীন। তিনি বলেন, গত বছরগুলোতে বাংলাদেশের যে স্থিতিশীলতা ও সাফল্য অর্জিত হয়েছে, সেটাকে নষ্ট করছে মুক্ত সুশীল সমাজের ওপর রাজনৈতিক দমননীতি ও নির্যাতন।
২০১৫ সালের ৫ই জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় বিরোধী দলগুলোর সদস্যরা বড় আকারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সাধারণ ধর্মঘট (সড়ক অবরোধ, হরতাল) পালনের মধ্য দিয়ে ২০১৪ সালের জানুয়ারির বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনের বর্ষপূর্তি পালন করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীসমূহ সভা-সমাবেশ নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইন অমান্য করার নিয়মিত ব্যবস্থা নিয়েছে। তা করতে তারা অতিরিক্ত ও কখনও কখনও মারাত্মক বলপ্রয়োগ, গণগ্রেপ্তার এবং সাংবাদিক ও মিডিয়া গ্রুপগুলোকে টার্গেট করে নির্যাতন চালিয়েছে।
গত ৫ই জানুয়ারি বিরোধী দলের ডাকা সভা-সমাবেশের জবাবে সরকার ঔপনিবেশিক যুগের ১৪৪ ধারা জারি করে রাজধানী ঢাকায় সব বিক্ষোভ সমাবেশ ও র্যালি নিষিদ্ধ করে। এ নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করায় বিধিবহির্ভূত গ্রেপ্তার ও বন্দি করা হয়েছে কমপক্ষে ১৪ হাজার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে। জাতীয় পর্যবেক্ষক সংগঠনগুলো বলছে, গ্রেপ্তারকৃত বেশির ভাগ মানুষই এখনও কারাবন্দি। তার ওপর দেশজুড়ে বিরোধী দলসমূহ এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একের পর এক হামলায় প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও শত শত মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।
সরকার সম্প্রতি বিধিবহির্ভূতভাবে বহু ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম ও সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি ও দৈনিক আমার দেশ। বিরোধী দলের আন্দোলনে সহানুভূতিশীল মনে করায় কয়েকজন সাংবাদিককে মিথ্যা অভিযোগে আটক রাখা হয়েছে। ২০১৫ সালের ৬ই জানুয়ারি থেকে আটক রয়েছেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আবদুস সালাম। তার বিরুদ্ধে বিরোধী দলের বিশিষ্ট এক নেতার বক্তৃতা টেলিভিশনে প্রচারের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফিক ও রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচারের অভিযোগ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৬ই জানুয়ারি দৈনিক ইনকিলাবের ৩ সাংবাদিক রবিউল্লাহ রবি, রফিক মোহাম্মদ ও আহমেদ আতিককে তাদের অফিস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিতর্কিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৯ ও ২০১৩ সালে সংশোধিত)-এর আওতায় তাদের আটক করা হয়। ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ খবর প্রচার করার অভিযোগে যে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তাদের জামিনে মুক্তি দেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। এএলআরসি’র নির্বাহী পরিচালক বিজো ফ্রান্সিস বলেছেন, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান স্বেচ্ছাচারিতা মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্রীকরণের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার খর্ব করা, সম্পৃক্ততা ও সভা-সমাবেশ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের ওপর নির্যাতন বাংলাদেশকে একটি পরিবর্তনশীল ও অস্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে দাঁড় করিয়েছে। এতে মৌলবাদী সংগঠনগুলোর বিস্তারে অবদান রাখতে পারে ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, নাগরিকদের আইনসম্মত উদ্বেগ ও গণতান্ত্রিক অধিকারের পূর্ণ উপলব্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানায় সিভিকাস ও এএলআরসি। একই সঙ্গে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিশ্চিতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়:
মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার চর্চা, সম্পৃক্ততা ও সভা-সমাবেশ করার অভিযোগে বিধিবহির্ভূতভাবে আটক সব ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া।
শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ-সমাবেশ ব্যাহত করতে অতিরিক্ত ও মারাত্মক বলপ্রয়োগ অবিলম্বে থামানো এবং এসব ঘটনায় তদন্ত করতে হবে।
স্বতন্ত্র সাংবাদিক ও গণমাধ্যমসমূহের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সব অভিযোগ প্রত্যাহার করতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুরস্কে আদালত ভবনে আইনজীবীকে জিম্মি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩০ লাখ ভোটে এগিয়ে বুহারি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুম্বাই কোচ পন্টিং
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৭ বছর পর...
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাকস্বাধীনতার নতুন দরজা by মিজানুর রহমান খান
তবে যেটা লক্ষণীয় সেটা হলো, ভারতের তথ্যমন্ত্রী দ্রুততার সঙ্গে ৬৬ক ধারা বাতিলের সিদ্ধান্তকে শিরোধার্য বলে মেনে নিয়েছেন। ওই ৬৬ক ধারাটির মায়ের পেটের আপন ভাই হলো বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা। না, আপন ভাই বললে ভয়াবহতা চাপা পড়বে। কারও মনে হতে পারে, তাহলে ভারতীয় আইনপ্রণেতারাও বাংলাদেশিদের মতো দায়িত্বহীন আইন পাস করতে পারেন। কিন্তু বিষয়টি পুরোপুরি তা নয়। বাংলাদেশে আমরা ৫৭ ধারা বাতিলের দাবিতে উচ্চকিত। কিন্তু কেউ কর্ণপাত করছে না। ভারতে এটা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৬৬ক ধারায় মামলা করার আগে সতর্কতা অবলম্বনে গাইডলাইন পাঠিয়েছিল। এখানে সবাই চুপ, এমনকি এর মূল রূপকার বিএনপি-জামায়াত চক্রও চুপ করে আছে।
বাংলাদেশি ৫৭ ধারা হলো ‘ ইলেকট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ’-সংক্রান্ত। এতে বলা আছে, ‘কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করা হয়, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ। এর দায়ে অনধিক চৌদ্দ বছর এবং অন্যূন সাত বছর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন৷’ ভারতের আইনে শাস্তি ছিল মাত্র তিন বছরের। বিএনপি–জামায়াত করেছিল ১০ বছর। আর অধিকতর গণতন্ত্রী বলে দাবিদার আওয়ামী লীগ ২০১৩ সালে এতে সংশোধনী এনে ১০ বছরের সাজাকে ১৪ বছরে উন্নীত করেছে।
ভারতীয় বিচারকেরা ওই বিধানকে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দিতে মার্কিন সংবিধান ও তাদের সুপ্রিম কোর্টের একাধিক রায়ের বরাত দিয়েছেন। বিচারপতি আর এফ নারিম্যান একটি মজার কথা লিখেছেন। তিনি বলেন, ‘এই আদালতের প্রতিটি উল্লেখযোগ্য রায়ে অটলান্টিকের ওপারের উদাহরণ হাজির করা হয়।’ এতে কোনো অসুবিধা নেই। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টেরও ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বরাত দেওয়া ছাড়া চলে না। তাই ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ওই রায়ের আলোকে বলতে পারি, বাকস্বাধীনতার বিরুদ্ধে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেওয়া অবস্থান নৈতিক বিবেচনায় অসাংবিধানিক বলে নাকচ হয়ে যাওয়া উচিত। ভারতে বাতিল হওয়া ৬৬ক এর চেয়ে আমাদের ৫৭ ধারাটি বাকস্বাধীনতার প্রতি আরও বেশি ভয়ংকর।
ভারতের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘যারা ক্ষমতায় থাকবে, তাদের অবশ্যই উদার হতে হবে।’ বাংলাদেশের মন্ত্রীরা ও সংশ্লিষ্টরা কি অচিরেই তাঁর কথার প্রতিধ্বনি তুলবেন? তথ্য কমিশনে ফোন করে তাঁদের একটা সমার্থক প্রতিক্রিয়া পাব, এই আশায় দিল্লিতে রায়টি ঘোষণার পরদিন (২৫ মার্চ) বেলা দেড়টায় ফোন করেছিলাম। কিন্তু প্রধান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ ফারুক ও তথ্য কমিশনার অধ্যাপক খুরশীদা জানালেন, তাঁরা বিষয়টি এখনো জানেন না। আপনারা কখনো কি ৫৭ ধারা সম্পর্কে কোনো অভিমত কোথাও রেখেছেন? বললেন, না।
এখানে স্মরণযোগ্য যে, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, ৬৬ক ধারা তথ্যের অধিকারের ওপর বিরাট হুমকি।
এটা আশা করার সময় যে ভারতের আদালত ও সরকারের অবস্থানের প্রতি নীতিগত সাড়া দিয়ে বিএনপি-জামায়াত প্রবর্তিত কালাকানুনকে বহাল রাখা এবং ২০১৩ সালে বাকস্বাধীনতার বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসীনেরা অনুশোচনা করবেন। আমরা খুব ধন্দে ছিলাম যে কে কাকে নকল করল? কারণ, ভারতের আইনে ৬৬ক ধারাটি কার্যকর হয় ২০০৯ সালের ২৭ অক্টোবর। আর বাংলাদেশে ৫৭ ধারাটি যুক্ত করা হয়েছিল ২০০৬ সালেই। তাহলে কি ভারত বাংলাদেশকে অনুসরণ করেছিল?
ওই রায়ে এর উত্তর পেয়ে অবাকই হলাম। ১৯৩৫ সালের ব্রিটিশ পোস্ট অফিস আইনের ১০(২)ক ধারায় বলা হয়েছিল, টেলিফোনের মাধ্যমে গ্রসলি অফেন্সিভ, ইন্ডিসেন্ট, অবসিন বার্তা পাঠানো যাবে না।
১৯৫৩ সালের ব্রিটিশ পোস্ট অফিস আইনের ৬৬ ধারায় এটি আবার প্রতিস্থাপিত হয়। আমাদের ৫৭ ধারাটি আসলে ব্রিটেনের এই ৬৬ ধারা থেকে নেওয়া। এটা একটা উদাহরণ যে একই বিধান ভারত ও বাংলাদেশ তাদের অভিন্ন ঔপনিবেশিক প্রভুর কাছ থেকে অঞ্জলি ভরে গ্রহণ করতে গিয়ে কে কেমন আচরণ করেছে। বাংলাদেশ তুঘলকি কাণ্ড ঘটিয়েছে। আমাদের নকলনবিশদের অপরিণামদর্শী উদ্ভাবন হলো, ওই ৫৭ ধারার মধ্যে ‘ধর্মীয় অনুভূতি, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ও আইনশৃঙ্খলা, নীতিভ্রষ্ট হওয়া’ ইত্যাদি বিষয় ঢোকানো। ব্রিটেন তা করেনি। ভারতের ৬৬ক-তেও এসব নেই। এমনকি সেখানে রাষ্ট্র ও ব্যক্তির কথা একদম অনুপস্থিত। সুতরাং যদি আমরা সরলীকরণ করি যে বাংলাদেশি শাসকেরা যা করেছেন, ভারতও পরে তা-ই নকল করেছে, তাহলে সেটা ভুল হবে।
১৯৫৩ সালের আইনে মানহানি ও অশ্লীল বার্তা পাঠানোর দায়ে এক মাস জেল বা ১০ পাউন্ড জরিমানার বিধান ছিল। ১৯৮১ সালের ব্রিটিশ টেলিকমিউনিকেশনস আইনের ৪৯ ধারায় আবার ওই বিধানের প্রতিস্থাপন ঘটে, যা ১৯৮৪ সালে পুনরায় ৪৩ ধারায় আসে। সবশেষ বিদ্যমান ২০০৩ সালের ব্রিটিশ টেলিকমিউনিকেশনস অইনের ১২৭ ধারায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তবে এবারে খুব সংকীর্ণ করে (মিথ্যা, অশ্লীল ও মানহানিকর শব্দ বাদ দিয়ে) পাবলিক ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনস নেটওয়ার্কের অযথাযথ ব্যবহারকে দণ্ডনীয় করা হয়। নির্দিষ্টভাবে এতে কেবল ‘অত্যন্ত আক্রমণাত্মক, শিষ্টাচারবিরুদ্ধ, অশ্লীল ও ভীতিকর প্রকৃতির’ বার্তা আদান-প্রদানকে নিষিদ্ধ করা হয়। সুতরাং এটা পরিহাস যে বাংলাদেশ ও ভারত ২০০৩ সালের সংশোধিত বিধানকে নয়, বরং ১৯৩৫ বা ১৯৫৩ সালের ব্রিটিশ আইন থেকে আমদানির দিকে ঝুঁকেছে।
আগেই যেমনটা বলেছি, এটা বহুকাল থেকেই দেখার বিষয় যে বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ (২) অনুচ্ছেদ যে কথা বলেছে তা নাগরিকেরা কীভাবে মেনে চলবে। কারণ, তার সামনে নিত্যনতুন শৃঙ্খল। তাকে ক্রমাগত কালো আইনের বেড়ি পরানো হচ্ছে। অনুমান করি আইন তৈরির সময় ৩৯(২) অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে হয়তো মনের মাধুরী মিশিয়ে ৫৭ ধারা সৃষ্টি করা হয়েছে। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ আটটি বিষয়ে (রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতা, আদালত অবমাননা, মানহানি ও অপরাধ সংঘটন) সম্পর্কে সংসদকে আইন করার এখতিয়ার দিয়েছে।
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায় তাই আমাদের জন্য একটি নতুন দরজা উন্মোচন করে দিয়েছে। ৬৬ক ধারাটি বাতিল করার প্রধান যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে, এটি ভারতীয় সংবিধানের ১৯(১) ক এবং ১৯ অনুচ্ছেদের ২ দফার পরিপন্থী। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ১৯৯৬ সালের ওই রায়ে (১৭ বিএলডি ৯৪) যথার্থই উল্লেখ করেছেন যে ভারতের ১৯ অনুচ্ছেদ এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ সমতুল্য। আর এখন আমরা সুস্পষ্টভাবে জানলাম যেটা বিচারপতি নরিম্যান লিখেছেন, বাকস্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণে এই আটটি (ভারতের সংবিধানেও অভিন্ন আটটি বিষয় উল্লেখিত) নির্দিষ্ট বিষয় ছাড়া রাষ্ট্র কোনো আইন তৈরি করতে পারবে না। আর আটটি বিষয়ে যেনতেন আইন করলেই হবে না, তাকে অবশ্যই ‘যুক্তিসংগত বাধানিষেধ’-এর শর্ত পূরণ করতে হবে, যার মূল কথা হলো, বাকস্বাধীনতার সীমা সংকোচনকারী যেকোনো বিধান অবশ্যই ‘সংকীর্ণতম’ হতে হবে। টুঁটি চেপে ধরা হাতটা উদ্ধত নয়, কুঁচকে থাকবে। সুতরাং ওই আটটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তরফে খেয়ালখুশির জায়গা ভারতের রায়টি নিশ্চিতভাবেই রুদ্ধ করে দিয়েছে।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক৷
mrkhanbd@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাবছি, আমিও একটা সালাম দিই by সাহস রতন
গত দুই মাস ধরে দেশব্যাপী যে অবস্থা চলছে এর সামান্যতম রেশও প্রভাবশালীদের ওপর পড়ে নি। যত মানুষ মারা পড়েছে কিংবা আগুনে ঝলসে গেছে এরা সবাই সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। টিভি চ্যানেলে সরকারি দল কিংবা ২০দলীয় জোটের নেতাদের দেখে তো মনে হয় না তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে। চকচকে ঝকঝকে পোশাকে দিব্যি ইন্টারভিউ দিয়ে বেড়াচ্ছেন। কিংবা এমনও হতে পারে, যাদের আমরা সচরাচর টিভিতে দেখি তারা সবাই খুব ভালো আছে। এর বাইরে আর সবার জীবন ম্যাড়ম্যাড়ে, অনিশ্চিত।
ইদানীং সরকারি দলের নেতারা এমনকি পুলিশ-র্যাবও বলছে, সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য। সেই পাকিস্তান আমল থেকে যত ধরনের রাজনৈতিক আন্দোলন হয়েছে তার সবক’টিতেই সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। ’৫২, ’৬২, ’৬৯, ’৭১, ’৯০, ’৯৬ সব আন্দোলনে সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেছে বলেই সফলতা এসেছে। সব আন্দোলনে জয়ী হয়ে কোন একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় বসেছে। বসেই তারা ভোল পাল্টে ফেলেছে। নিজেদের আখের গুছিয়েছে। চেলাচামুণ্ডাদের পকেট ভারী করার সুযোগ দিয়েছে। আর যাদের উপর ভর করে তারা ক্ষমতার গদি দখল করেছে সেই সাধারণ মানুষকে চরম অবহেলা করেছে। এই করতে করতে এরা মানুষের মন থেকে উঠে গেছে। সাধারণ মানুষ ভাবছে, ‘কি ঠ্যাকা পড়ছে আমার রাস্তায় গিয়ে প্রতিবাদ করার?’
![]() |
| সাহস রতন |
ভাইসব, আপনাদেরকে আসসালামালাইকুম!
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিপর্যস্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি by ড. আবদুল লতিফ মাসুম
আমরা আচরণে না হলেও সংবিধান মোতাবেক একটি গণতান্ত্রিক সমাজে বসবাস করি। সংসদীয় গণতন্ত্র মানেই হচ্ছে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা। এখানে রাজনৈতিক দল একটি অপরিহার্য অনুসঙ্গ। যে দল জনগণের সম্মতি লাভ করে তারা একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য শাসন করার অধিকার লাভ করে। জাতীয় সংসদে যারা সরকারের পরে বেশি আসন পায় তারা বিরোধী দলের মর্যাদা লাভ করে। বিরোধী নেত্রী আমাদের দেশেও মন্ত্রীর মর্যাদা পায়। আর সংসদে যেসব দলের আসন থাকে তাদেরকেও উপযুক্ত সম্মান দেয়া হয়। সম্মান দেয়া হয় এই কারণে যে বিরোধী মানে শত্রু নয়। একই রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ভিন্নমত পোষণকারী মাত্র। আমাদের রাজনৈতিক বৈরিতা শত্রুতায় পর্যবসিত হতে দেখে সচেতন নাগরিক মাত্রই বিচলিত।
বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমাদের দেশে আন্দোলন চলছে। বিএনপি চেয়ারপারসন, ২০ দলীয় নেত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া অবরোধের ডাক দিয়েছেন। তার অনুসৃত রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কৌশল বা কর্মসূচির সঙ্গে সবাই একমত হবেন- এটা নাও হতে পারে। প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রয়েছে তার কর্মসূচির কঠোর সমালোচনা করার। নিত্যদিন চ্যানেলে এবং পত্র পত্রিকায় এসব সমালোচনাও লক্ষ্য করা যায়। বিশেষত বৈরী সরকারি দল আন্দোলনকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যা অস্বাভাবিক তা হচ্ছে তার প্রতি আচরণ এবং আরোপিত শব্দাবলী।
---ক. বেগম খালেদা জিয়া ৩রা জানুয়ারি ২০১৫ যখন তার কার্যালয় থেকে সম্ভাব্য সমাবেশ স্থলে রওনা দেন তখন তাকে গেটে আটকে দেয়া হয়। শুধু তাই নয় পরদিন ইট বালুর ট্রাক দিয়ে তার কার্যালয় ঘিরে দেয়া হয়। শ’ শ’ পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে তিনি বের না হতে পারেন। এভাবে ২০ দিন তাকে অবরুদ্ধ রাখা হয়। সরকার থেকে বলা হয়, তার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একজন মন্ত্রী বলেন, ইট-বালু খালেদা জিয়া এনেছেন তার ভবন নির্মাণের জন্য।
---খ. একজন খ্যাতিমান মন্ত্রী প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, খালেদা জিয়ার বিদ্যুৎ, টেলিফোন এবং পানির লাইন কেটে দেয়া হবে। অনেকে এটাকে শুধু হুমকি মনে করলেও একদিন সত্যি সত্যিই বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের বিদ্যুৎ, টেলিফোন এবং ইন্টারনেটের লাইন কেটে দেয়া হয়। লাইন কেটে দেয়া লোকেরা বলে থানার নির্দেশে তারা এ কাজ করেছে। গুলশান থানা বলে তারা কিছুই জানে না। মন্ত্রী বলেন, কর্মচারী এবং বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ওই লাইন কেটে দিয়েছে। আর একজন মন্ত্রী ওই লাইন কেটে দেয়ার জন্য শ্রমিক কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।
---গ. বেগম খালেদা জিয়ার কর্মসূচি দ্বারা এসএসসি পরীক্ষা ব্যাহত হলে শিশুদের দিয়ে তার কার্যালয়ের সম্মুখে মানববন্ধন করানো হয়। বারকয়েক ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ঘেরাও-এর ঘোষণা দিয়ে ওই কার্যালয়ের অতি নিকটে পৌঁছে যায়। একজন যুবক তার কার্যালয়ে ইট নিক্ষেপ করলে তাকে পাগল বলে ছেড়ে দেয়া হয়। ঝাটা মিছিলকারীদেরকে তার কার্যালয়ের সম্মুখে অবস্থান করার অনুমতি দেয়া হয়। নৌপরিবহন মন্ত্রীর সরাসরি নেতৃত্বে শ্রমিক কর্মচারীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এগুলে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এসব নিরাপত্তাহীনতার মাঝে যখন কার্যালয়ে কাটাতারের বেড়া দেয়া হয় তখন দায়িত্বশীল লোকেরা বিরূপ মন্তব্য করে।
---ঘ. সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান ওই কার্যালয়ে তার সঙ্গে দেখা করার পরপরই গুলিবিদ্ধ হন। আরেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী, বেগম জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গেলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এখন কেউ তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে গেটে রক্ষিত রেজিস্ট্রারে স্বাক্ষর করতে বলে পুলিশ।
---ঙ. একপর্যায়ে বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের খাবার বন্ধ করে দেয়া হয়। চ্যানেলে প্রচারিত ছবিতে দেখা যায় খাবার বহনকারী রিকশা ভ্যানটি কার্যালয়ের গেটে পৌঁছলে পুলিশ ভ্যানগাড়ি চালককে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। বরং একজন পুলিশ ভ্যানগাড়িতে উঠে বসে খাবারগুলো গুলশান থানায় নিয়ে যায়। অন্য একটি সংবাদ চিত্রে (দ্য ডেইলি স্টার, ১৬ই ফেব্রুয়ারি, শেষ পৃষ্ঠা) দেখা যায় আহূত খাবার ফুটপাতে রেখে দিয়ে সাদা পোশাকের একজন পুলিশ রিকশাওয়ালাকে তাড়িয়ে দেয়। জিজ্ঞাসিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ বলে ‘উপরের নির্দেশ’। বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন কোন এক সন্ধ্যায় বেগম খালেদা জিয়ার জন্য রান্না করা কিছু খাবার নিয়ে গেলে তাকে আটক করা হয়। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খাবার না নিতে দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। আওয়ামী লীগ নেতা ড. হাছান মাহমুদ বলেন, খাবার নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া নাটক করছেন। অবশেষে সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অফিসে থাকার কি যুক্তি তা আমরা বুঝি না। উনি অফিসে বসে আছেন। আবার কিছু দরদি দেখলাম লিখছে, ওনার খাবার যাচ্ছে না। অফিসে খাবার যাবে কেন? অফিসে আসবে, অফিস করবে, অফিস শেষে বাড়ি ফিরবে। বাড়িতে গিয়ে খাবার খাবে।’
এসব ঘটনাবলী এবং বক্তব্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির কোন পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করে সে বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না। শুধু এটুকু বলা যায় বাংলাদেশের মানুষকে বোকা ভাবার কোন কারণ নেই।
---চ. আচরণ সংস্কৃতি দেখলেন। উচ্চারণ আরও তীব্র এবং হিংস্র। ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী, অর্ধমন্ত্রী এবং নেতা, পাতি নেতারা প্রতিদিন খালেদা জিয়াকে কটু কথা বলে যাচ্ছেন। সেসব ভাষা লিখলে দ্বিতীয়বার অন্যায় হবে ভেবে আর উল্লেখ করলাম না। এসব দেখে দেশে একজন প্রবীণ ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আবুল মকসুদ মন্তব্য করেন, ‘অসুন্দর ভাষায় কাউকে গালাগাল দেয়া আর গায়ে হাত তোলার মধ্যে পার্থক্য কোথায়?” (প্রথম আলো, ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫)।

বাংলাদেশের সমাজ সংস্কৃতি এবং জীবনবোধ সম্পর্কে যাদের ন্যূনতম ধারণা আছে উপর্যুক্ত ঘটনাবলী তাদেরকে নিঃসন্দেহে বিস্মিত করবে। এই সেই দেশ, যে দেশের মানুষ নিজে না খেয়ে পরকে খাওয়ায়। এই সেই দেশ, যে দেশের মানুষ অপরকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয়। এই সেই দেশ, যে দেশে গালাগালি হানাহানি মারামারি খুনোখুনিকে মানুষ ঘৃণা করে। হিংসা প্রতিহিংসা গ্রেপ্তারি বা হত্যার হুমকির মতো ঘটনাবলীকে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক মনে করে না। এ দেশের মানুষ মনে করে মানবিক আবেদন দিয়েই চলমান মানবিক বিপর্যয়কে অতিক্রম করতে হবে। বাংলাদেশের আবহমান লালিত সংস্কৃতির বিপরীতে প্রতিফলিত বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি একটি আপাত, কৃত্রিম এবং আরোপিত ঘটনা হতে বাধ্য। রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ‘যখন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভেঙে পড়ে বা সন্দেহ সঙ্কটে নিপতিত হয় তখন বৈধতার সঙ্কট সৃষ্টি হয়’। আর বাংলাদেশের সচেতন মানুষ মাত্রই জানেন আমরা এখন একটি বৈধতার সঙ্কট সময় অতিক্রম করছি। বৈধতার সঙ্কট সৃষ্টি হয় তখন, যখন রাজনৈতিক কর্তৃত্ব সত্যকে মিথ্যা বলে প্রচার করে, ব্যর্থতাকে চমক, প্রতারণা এবং ষড়যন্ত্র দিয়ে ঢেকে দিতে চায়। এ ধরনের রাজনৈতিক দুর্যোগ সহসাই নাগরিক সাধারণকে গোটা ব্যবস্থার প্রতি ক্ষিপ্ত করে তুলতে পারে। সুতরাং রাজনীতিক এবং আমলাদের উচিত আবহমান লালিত বাংলার সহজাত রাজনৈতিক সংস্কৃতির লালন-পালন, ধারণ-সংরক্ষণ এবং প্রতিস্থাপন- নিশ্চিত করা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘কথা বললে গুলি করবো’ by সিদ্দিক আলম দয়াল
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৭শে মার্চ রাত ৮ টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম, এসআই ফজলুর রহমান পুলিশ নিয়ে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের দিরাই পশ্চিমপাড়া গ্রামের মুকুল মিয়ার বাড়িতে যান। এসময় মুকুল মিয়াসহ বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় বাড়ির বাসিন্দারা গেটে তালা লাগিয়ে ভেতরে প্রতিদিনের মতো কাজ করছিলেন। এসময় পুলিশ বাড়ির সামনে গিয়ে তাদের গেট খুলতে বলে। তারা গেট খুলতে রাজি না হওয়ায় এসআই ফজলুর রহমান পাশের বাড়ি থেকে লোহার শাবল নিয়ে এসে গেটের তালা ভেঙ্গে বাড়িতে প্রবেশ করে। মুকুল মিয়াকে না পেয়ে সেখানে তারা বাড়িতে থাকা নারীদের বেধড়ক মারপিট শুরু করে ।
অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, পুলিশ তার ভাতিজির পড়নের কাপড় ধরে টানা হেচড়া করে এবং তার ব্লাউজ ছিড়ে ফেলে। এসআই ফজলুর রহমান তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পুলিশ তার হাতে কামড়িয়ে দেয়। এসময় তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পুলিশের সঙ্গে তাদের তর্ক হয়। আশেপাশের লোকজন ঘটনার প্রতিবাদ করলে পুলিশ পিস্তল তাক করে গ্রামবাসীকে হুমকি দিয়ে বলে-কেউ কথা বললে গুলি করবো। এ ঘটনায় আজ মনোয়ারা বেগম আদালতে হাজির হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার আইনজীবী হিসাবে সহযোগিতা করেন চৌধুরী নারগিস আকতার ।
নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অরুন কুমার সাহা মামলা গ্রহন করে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহসিনুল হককে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন বলে গাইবান্ধার পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট শফিউল আলম সফি সাংবাদিকদের জানান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শূন্য হৃদয়ে হাহাকার by শামীমুল হক
![]() |
| শামীমুল হক |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শারীরিক শিক্ষাও শিক্ষা by নাজমা আহমেদ
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শারীরিক শিক্ষা বিষয়টি আবশ্যিক বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা আগে ছিল না। ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচির অধ্যায়ের শিরোনাম একই, কিন্তু বিষয়বস্তু, বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী ভিন্ন আঙ্গিকে লেখা বিষয়গুলোও চমৎকার ও আকর্ষণীয়। অধ্যায়গুলো হলো: ক. শরীরচর্চা ও সুস্থ জীবন, খ. স্কাউটিং, গ. স্বাস্থ্যবিজ্ঞান পরিচিতি, ঘ. আমাদের জীবনে বয়ঃসন্ধিকাল, ঙ. জীবনের জন্য খেলাধুলা, চ. আউটডোর খেলাধুলা-ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিকস দৌড়, দীর্ঘ লাফ, ইনডোর গেম, দাবা, ক্যারম বোর্ড।
২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো এসএসসিতে শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ২৫ নম্বর ব্যবহারিক। ৫ নম্বর ব্যবহারিক খাতার জন্য এবং বাকি ২০ নম্বরের মধ্যে ১২ নম্বর খেলা প্রদর্শন ও ৮ নম্বর শরীরচর্চা প্রদর্শন। লিখিত পরীক্ষায় ৭৫ নম্বর। অন্যান্য উত্তরের সঙ্গে খেলাসম্পর্কিত একটি উত্তর বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ সে প্রশ্নের উত্তর সবাইকেই লিখতে হবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড শারীরিক শিক্ষা বিষয়টি আবশ্যিক বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষার্থীদের কৌশলে শ্রেণিকক্ষ থেকে মাঠে এবং খাতায় পর্যন্ত নিয়ে গেছে। অন্যান্য বিষয়ের মতো শারীরিক শিক্ষা বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে পড়তে হবে। শিক্ষার্থীদের খেলা সম্পর্কে জানতে হবে।
বাংলাদেশের শিক্ষকদের আর্থিক সম্মানী খুবই কম। বাধ্য হয়েই শিক্ষকেরা বাড়তি আয়ের জন্য প্রাইভেট টিউশনি বা কোচিং করান। এ ছাড়া অনেকে জেএসসি ও এসএসসির খাতা দেখেন, কিন্তু শারীরিক শিক্ষার শিক্ষকেরা এসব সুযোগ-সুবিধা থেকে বরাবরই বঞ্চিত ছিলেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড শারীরিক শিক্ষা বিষয়টি এসএসসি পর্যন্ত আবশ্যিক বিষয় করার ফলে বিষয়টির গুরুত্ব বহু গুণ বেড়ে গেছে। বাংলাদেশের আনাচকানাচে যেসব দক্ষ খেলোয়াড় লুকায়িত আছে, তাদের অতি সহজেই খুঁজে বের করা যাবে, যারা কিনা ভবিষ্যতে খেলার মাধ্যমে বাংলাদেশেও সুনাম বয়ে আনবে।
লেখক: নাগরিক, ঢাকা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হতাশায় ৩০ লাখ শিক্ষিত বেকার by নুর মোহাম্মদ
সংশ্লিষ্টরা বলছে, গত এক দশকে উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগ হয়েছে। কিন্তু কর্মসংস্থানে বিনিয়োগ হয়নি। সঙ্গে বাড়েনি উচ্চশিক্ষার গুণগত মানও। এই বিশাল শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের বিনিয়োগের বদলে বৃদ্ধি পেয়েছে বিদেশে টাকা পাচার। ফলে কর্মসংস্থানের অভাবে দিন দিন শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে একাডেমিক পড়াশোনার চেয়ে চাকরিমুখী পড়াশোনার প্রবণতা বাড়ছে। শাহবাগের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে সরজমিনে দেখা যায়, সকাল ৮টার আগেই গ্রন্থাগারে প্রবেশে বিশাল সারি। এ সারিতে দাঁড়ানো বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই চাকরির পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত।
সর্বশেষ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), বিশ্বব্যাংক, উন্নয়ন গবেষণাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিতের প্রায় অর্ধেকই বেকার এমন তথ্য দেয়া হয়েছে। বিশ্বখ্যাত সাময়িকী ইকোনমিস্ট-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ৪৭ শতাংশ স্নাতকই বেকার বলে জানানো হয়। ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক দশকে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়লেও শিক্ষার গুণগত মান বাড়েনি। ফলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি উচ্চশিক্ষিত আছেন কেবল আফগানিস্তানে ৬৫ শতাংশ। এর বাইরে ভারতে এ হার ৩৩ শতাংশ, নেপালে ২০ শতাংশের বেশি, পাকিস্তানে ২৮ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কায় ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।
আইএলও ‘বিশ্ব কর্মসংস্থান ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি-২০১৫’ শীর্ষক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৪ সালে বাংলাদেশে বেকারত্ব বৃদ্ধির হার ৪.৩৩ শতাংশ। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের শেষে বা আগামী বছর মোট বেকার দ্বিগুণ হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে সংস্থাটি। বেকারত্বের এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০১৫ সালে মোট বেকারের সংখ্যা ৬ কোটিতে দাঁড়াবে। সংস্থাটির মতে, বেকারত্ব বাড়ছে এমন ২০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান ১২তম। বেকারত্ব বৃদ্ধির হার ও মোট বেকারের সংখ্যার ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সঙ্গে যোগাযোগ করে সাম্প্রতিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বিবিএসের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী ২০১০ সালে বেকারের সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সংখ্যা এখন ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। দেশে মাত্র ২৬ লাখ মানুষ বেকার।
এদিকে উচ্চশিক্ষা বা স্নাতক পাস ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা সম্পর্কে ইউজিসির সর্বশেষ প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন (২০১৩) বলা হয়, ২০১৩ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৩৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ লাখ ১২ হাজার ৯০৪ জন শিক্ষার্থী স্নাতক শেষ করেছেন। আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করেছেন ৫৪ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে এক বছরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ স্নাতক ডিগ্রিধারী বের হচ্ছেন। আর ২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রথম শ্রেণীর চাকরিতে নিয়োগ দিয়েছে ১২ হাজারের কম। এক বছরে ব্যাংক, দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরি ও বেসরকারি চাকরিতে দেড় লাখের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি। ফলে প্রায় অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থীকেই চাকরির জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দিন যত যাচ্ছে এই সংখ্যা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি) চেয়ারম্যান একরাম আহমেদ বলেন, শিক্ষিত তরুণ বেকার সংখ্যা নিয়ে যে ক’টি পরিসংখ্যান প্রকাশ হয়েছে সবক’টিতে উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া গেছে। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে পরিণত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু এ কাজটি রাষ্ট্র যথাযথভাবে পালন করতে অনেকাংশে ব্যর্থ। পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বের কিছু প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। না হয় একটি মহাদুর্ভোগ দেখা যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ড. একে আজাদ চৌধুরী বলেন, শিক্ষিত বেকার বাড়ার অন্যতম একটি কারণ বৈশ্বিক চাহিদা অনুযায়ী আমাদের প্রজন্মকে শিক্ষা দিতে না পারা। গতানুগতিক শিক্ষার বাইরে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করতেও আমরা ব্যর্থ। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক গতি প্রকৃতির দিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের পাঠ্যসূচি ও শিক্ষা দেয়া জরুরি।
অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান বলেন, বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারছে না। একাডেমিক পড়াশোনার সঙ্গে চাকরির বাজারের বিরাট অসামঞ্জস্যতা থাকায় তারা একাডেমিকের চেয়ে চাকরিমুখী পড়াশোনায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে শিক্ষিত বেকারত্ব হ্রাসে গুণগত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। গতানুগতিক শিক্ষায় চাকরি বাজারের প্রবেশ করতে না পেরে বর্তমানে ব্যবসা প্রশাসন, ব্যবসায় শিক্ষার প্রতি ঝোঁক বাড়ছে। কমছে বিজ্ঞান শিক্ষার শিক্ষার্থী। ইউজিসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে ব্যবসায় প্রশাসন বা ব্যবসায় শিক্ষায় অধ্যয়নরত আছেন মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ১১২ শিক্ষার্থী। প্রকৌশল ও কারিগরিতে ৯৪ হাজার ৪৮ জন শিক্ষার্থী থাকলেও কলা, বিজ্ঞান, সামাজিকবিজ্ঞান ও কৃষিতে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে এমন সংখ্যা খুবই কম। মূলত চাকরিমুখী পড়াশোনার প্রবণতার কারণে ব্যবসায় প্রশাসনে শিক্ষার্থী বাড়ছে বলে জানা যায়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সভ্যতা গাছের প্রাণহানিও মেনে নেয় না by রফিকুজ্জামান রুমান
![]() |
| রফিকুজ্জামান রুমান |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
April
(816)
-
▼
Apr 01
(23)
- আরও এক ব্লগার হত্যা: কিছু প্রশ্ন by আলী রীয়াজ
- ইরান–পাশ্চাত্য টানাপোড়েনের ১২ বছর, আলোচনা এক দিন ...
- নামেই সরকারি স্পর্শকাতর স্থাপনা, বিটিসিএলের সীমানা...
- ব্যাকটেরিয়া দমনে হাজার বছরের পুরোনো দাওয়াই
- নাশিদকে ‘রাজনীতি থেকে তাড়াতে’ মালদ্বীপে আইন
- নরেন্দ্র মোদির সফরেই তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তি
- টৈটং উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য মওঃ লোক...
- বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সিভিকাস ও এএলআরসির ৩ সুপারিশ
- ব্লগার হত্যা- জাতিসংঘ যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্সের উদ্বেগ
- নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী মুহাম্মদু...
- বাংলাদেশ গুরুতর সাংবিধানিক সংকটের মুখোমুখি
- তুরস্কে আদালত ভবনে আইনজীবীকে জিম্মি
- ৩০ লাখ ভোটে এগিয়ে বুহারি
- মুম্বাই কোচ পন্টিং
- ১৭ বছর পর...
- বাকস্বাধীনতার নতুন দরজা by মিজানুর রহমান খান
- ভাবছি, আমিও একটা সালাম দিই by সাহস রতন
- বিপর্যস্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি by ড. আবদুল লতিফ মাসুম
- ‘কথা বললে গুলি করবো’ by সিদ্দিক আলম দয়াল
- শূন্য হৃদয়ে হাহাকার by শামীমুল হক
- শারীরিক শিক্ষাও শিক্ষা by নাজমা আহমেদ
- হতাশায় ৩০ লাখ শিক্ষিত বেকার by নুর মোহাম্মদ
- সভ্যতা গাছের প্রাণহানিও মেনে নেয় না by রফিকুজ্জামা...
-
▼
Apr 01
(23)
-
▼
April
(816)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





















