Tuesday, October 31, 2017
২ বালিকাকে দেহব্যবসায় নামিয়েছেন এক মা, খদ্দের ৩ বাংলাদেশী

বলা হচ্ছে, বাংলাদেশী ওই পুরুষদের মনোরঞ্জনে বাধ্য করা হয় তাদেরকে। ৩৯ বছর বয়সী ওই মা একজন বেকার। তার চতুর্থ ও পঞ্চম বিয়ের সূত্রে জন্ম হয় ওই দুই কন্যার। তাদেরকে নিয়ে তিনি মালয়েশিয়ার সিনাইয়ের তামান বিনটাংয়ে দ্বি-তল একটি বালিজ্যিক ভবনের ছয়টি রুমের একটিতে বসবাস করেন। তবে মেয়েদের যৌনব্যবসায় বাধ্য করতে তিনি বেছে নেন লারকিন পারদানায় একটি হোটেল। তার অবস্থান থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। সেখানে কয়েক বছর ধরে বসবাস করছেন মালার নামে একজন। তিনি বলেছেন, এই পেশায় নামানো মেয়ে দুটির পড়াশোনা চলছিল ধূর গতিতে। তারা খুব কম কথা বলতো। ঠিক মতো স্কুলে যেতো না। তবে তাদেরকে এমন পেশায় নামানো হয়েছে এ বিষয়ে তার কোনো ধারণা ছিল না। নিয়মিত তার বাসায় আসা-যাওয়া করতেন বাংলাদেশী এক পুরুষ। মালার বলেছেন, আমাদের ধারণা ছিল ওই বাংলাদেশী হয়তো তার স্বামী। তারা একসঙ্গে থাকতেন মাঝে মাঝেই। অভিযুক্ত মা একটি কারখানায় কাজ করতেন। কিন্তু কয়েক মাস আগে তার চাকরি চলে যায়। স্থানীয় পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ খলিল কাদের এ অভিযোগ তদন্ত করছেন। তিনি বলেছেন, গত কয়েক মাস ধরে প্রতি শ্রকিবার মেয়েদেরকে ওই হোটেলে নিয়ে যেতেন ওই মা। তাদেরকে দিয়ে অর্থের বিনিময়ে দেহ ব্যবসা করাতেন। ২৫ শে অক্টোবর তামান বিনতাং এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন মামলাটি তদন্তাধীন। শেষ হতে সময় লাগবে এক মাসের মতো। তবে যে বাংলাদেশীদের কাছে ওই দুই মেয়েকে তুলে দেয়া হয়েছে তাদের নাম জানা যায় নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পালিয়ে বেলজিয়ামে কাতালান নেতা পুইগডেমন্ট by নাজমুস সাদাত পারভেজ

পুইগডেমন্ট বেলজিয়ামে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করবেন বলে জানানো হয়েছে। সোমবার কাতালোনিয়া ত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত- কি করবেন পুইগডেমন্ট তা নিয়ে একটি ঘোর অনিশ্চয়তার মাঝে ছিলো স্পেনের মানুষ। আত্মগোপনের একটি রক্ষণাত্মক পদক্ষেপ নিয়ে সকল জল্পনার অবসান ঘটালেন তিনি। বেলজিয়াম প্রথমদিকে পুইগডেমন্টের উপস্থিতির কথা জানে না- বলে বিবৃতি দিলেও পরে বেলজিয়ামের একজন আইনজ্ঞ জানান, পুইগডেমন্ট বেলজিয়ামেই আশ্রয় নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুইগডেমন্ট আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তিনি অনুরোধ করেছেন, তার বেলজিয়ামে অবস্থানকালে যাতে আমি তার আইনগত ব্যাপার দেখাশুনা করি। পল বেকার্ট নামের ৩০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ওই আইনজীবী আরো বলেন, রাজনৈতিক আশ্রয়ের মামলা মোকাদ্দমা নিয়ে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা। তিনি ও পুইগডেমন্ট ভবিষ্যতের করণীয় আলোচনা করছেন। একমাত্র বেলজিয়ামের সরকারই কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার সময় দেশটিকে সমর্থন করেছিলো। স্পেন-কাতালান সংঘাতের সময় দেশটি ইঙ্গিতও দিয়েছিলো যে, প্রয়োজনে তারা পুইগডেমন্টকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে পারে। তবে পদচ্যুত এই নেতাকে আশ্রয় দেয়ার ফলে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ফাটলের আশঙ্কা রয়েছে। বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী চার্লস মাইকেল অবশ্য পুইগডেমন্টকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। কিন্তু দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী থিও ফ্রাঙ্কেন ভিটিএম নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করলে এটা স্পষ্ট বুঝা যায় যে, কাতালানের সঙ্গে অবিচার করা হচ্ছে। সেখানকার পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুইগডেমন্ট ও অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক মামলা দেয়া হয়েছে। সেখানে তাদের ন্যায়বিচার পাবার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। এই অবস্থায় মানবিকতার সঙ্গে আমাদের উচিত পরিস্থিতি বিবেচনা করা। যদিও এমনটি করতে গেলে স্পেনের সঙ্গে আমাদের সস্পর্কের অবনতি হবার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয়ের কনজারভেটিভ পপুলার পার্টি বলেছে, পুইগডেমন্টকে গ্রেপ্তার করা তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিলো না। তারা শুধু নিশ্চিত করতে চেয়েছে, পদচ্যুত নেতারা যাতে সরকারি কাজকর্মে অংশ না নিতে পারেন। পুইগডেমন্টের পালিয়ে যাওয়াকে ন্যাক্কারজনক বলে উল্লেখ করেছেন কাতালানের স্বাধীনতা বিরোধীরা। এই অবস্থায় কাতালানের স্বাধীনতাকামীরা একটি হতাশাজনক অবস্থায় পতিত হলেন। তারা কি এখন রণে ভঙ্গ দেবেন নাকি আইনি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষে লড়ে যাবেন- এ কঠিন সিদ্ধান্তটা তাদেরকেই নিতে হবে। তবে, পুইগডেমন্ট বেলজিয়ামে বসে অভিবাসী সরকার পরিচালনা করার কথা ভাবছেন- এমন একটি সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। বাস্তবে এ ধরনের কোন নজির না থাকায় এ সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসিডদগ্ধ মুসলিম মডেল রেশমের সাহসিকতা

কি কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে তা স্পষ্ট না হলেও, ধরে নেয়া হয় জাতিবিদ্বেষ, ধর্মবিদ্বেষ থেকে এটা করা হয়েছে। সাধারণত মুখমণ্ডলে অ্যাসিড হামলার মতো ভয়াবহতার শিকার নারীরা নিজেদের গুটিয়ে নেন। তারা নিজেদের পুড়ে যাওয়া মুখ নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগেন। লোকসম্মুখে আসতে চান না। এখানেই ব্যতিক্রম ম্যানচেস্টারের ব্যবসায় ব্যবস্থাপনার ছাত্রী রেশম। অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়া রেশম খান আর দশজন অ্যাসিডদগ্ধ নারীর মতো নিজেকে গুটিয়ে নেন নি। তিনি সাহসিকতার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয়। মানুষকে তার চিকিৎসা এবং সেরে ওঠার অগ্রগতি সমপর্কে জানাতে থাকেন। সমপ্রতি নিজের জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি সেলফি দেন তিনি। এতে তিনি লেখেন, নিজেকে লুকিয়ে রাখার দিন শেষ। অ্যাসিডে পুড়ে যাওয়ার ভয়াবহতার তোয়াক্কা না করে সাহসিকতার সঙ্গে গণমাধ্যমে নিজের ছবি দেবার ফলে প্রশংসায় ভাসছেন রেশম। তার সাহসিকতার প্রশংসায় গণমাধ্যম এখন পঞ্চমুখ। টুইটারে দেয়া তার এক ছবির নিচে একজন লিখেছেন, তুমি কতটা আকর্ষণীয় এবং সাহসী! তোমার ওপর ভয়াবহ হামলার পরেও যে সাহস তুমি দেখিয়েছো, তা বিরল। আরেকজন লিখেছেন, এভাবেই সব বাধা ভেঙ্গেচুরে এগিয়ে যাও। তুমি অসাধারণ! আমরা তোমাকে নিয়ে গর্বিত। অ্যাসিড আক্রমণের ভয়াবহতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নিজের ব্লগে রেশম লেখেন, এই ঘটনার পর আমি আতঙ্কে মুষড়ে পড়ি। তবে আমি ভাগ্যবান বোধ করি যে, এতে আমার মুখাবয়বের কোনো বিকৃতি ঘটেনি। তিনি আরও লিখেছেন, এসিড হামলার শিকার নারীদের মধ্যে আমিই সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান। কারণ, পরিবার পরিজন ছাড়াও- জনসাধারণ এবং গণমাধ্যমের যে অকাতর ভালোবাসা আমি পেয়েছি, তাতে আমি অভিভূত। হীনম্মন্যতার অন্ধকার চাদর ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা রেশমদের কল্যাণেই বদলে যাচ্ছে সময় এবং দিন দিন আরও আত্মবিশ্বাসী হতে শিখছেন নারীরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটে ঝুঁকছে যুবকরা by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

এসব ওষুধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিছু অভিযান চালালেও মূল হোতারা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। ‘যৌন উত্তেজক’ বলে প্রচার করা অনুমোদনহীন দেশীয় ওষুধের বাজারও বাড়ছে। তবে স্বাস্থ্য ও মাদকবিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ওষুধ এক ধরনের মাদক। আসক্তি বাড়ানো ওষুধগুলো শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিভিন্ন ফার্মেসির বিক্রেতারা জানান, বাজারে ভারতের ইন্টাগ্রা’ ৫০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আমেরিকার ভায়াগ্রার প্রতি ট্যাবলেটের মূল্য ৭৫০ টাকা। ভারতের সেনেগ্রা ও কামাগ্রা প্রতি ট্যাবলেট ৫০ থেকে ৭০ টাকা। সেনেগ্রা, টেনেগ্রা, ফরজেস্ট, ক্যাবেটরা, টার্গেট ও ইডেগ্রা বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা। অধিকাংশ ওষুধের গায়ে মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ লেখা থাকে না। আমেরিকার টাইটানিক এক বোতলের দাম চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। খুচরা ট্যাবলেট ৪০০ টাকা। টাইটানিকে ইয়াবার মতো উত্তেজনার পাশাপাশি নেশা হয়। তাই ইয়াবার ক্রেতারা কেউ কেউ টাইটানিক সেবন করছেন। কম দামে পাওয়া যাচ্ছে চীনের জিয়ংবার। একটি ট্যাবলেটের দাম ৭০ টাকা। জিনসিন পাস ৯০০ টাকার দরে বিক্রি হয়। পাওয়া যাচ্ছে দেশে তৈরি উত্তেজক ওষুধও। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঢাকা ও সারা দেশের খুচরা ওষুধ বিক্রেতারা রাজধানীর মিটফোর্ড ও চানখাঁরপুল থেকে দেশি-বিদেশি উত্তেজক ওষুধ কিনে এলাকায় চড়া দামে বিক্রি করছেন। খুচরা বিক্রেতারা এসব ওষুধকে পাওয়ার বলে ডাকেন। অন্যান্য ওষুধের সঙ্গে তারা পাওয়ারও নিয়ে নেন প্রয়োজনমতো। শাহবাগ, ধানমন্ডি, শেরে বাংলানগরসহ সবখানেই পাওয়ার খুচরা বিক্রি হচ্ছে। মিটফোর্ডের কয়েকজন ওষুধ বিক্রেতা জানান, সরদার মার্কেটকে বলা হয় ইন্ডিয়ান মার্কেট। এ মার্কেটের নিচতলার দোকানগুলোতেই পাওয়ার ওষুধ বেশি বিকিকিনি হয়। এ ছাড়া হাবিব মার্কেটসহ সব মার্কেটে এখন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি হয়। রাজধানীর অভিজাত এলাকার ওষুধের দোকানেই বিক্রি বেশি। উচ্চবিত্ত শ্রেণির যুবক-যুবতীরা এসব ওষুধ খাচ্ছে। কিছু উত্তেজক ওষুধ খেলে চেহারার লাবণ্য অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এ কারণে শখ করে খায় অনেকে। উত্তেজনার পাশাপাশি নেশার কারণে ইয়াবা বেশি প্রচলিত হয়ে ওঠে। এ ছাড়া আইসপিল, ভায়াগ্রা, সানাগ্রা, ইন্টাগ্রাসহ বিভিন্ন ওষুধে আসক্ত হয়ে পড়েছে যুবসমাজ। এক শ্রেণির অপচিকৎসায় এ ধরনের ওষুধের মাধ্যমে যৌন দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা চালানো হয়। ওই সব কথিত চিকিৎসক এ ধরনের ওষুধ-বাণিজ্যের সিন্ডিকেটেও জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত দু’বছর আগে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন লাগেজ আমদানি-নিষিদ্ধ ওষুধ আটক করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। তবে লাগেজ বহনকারী সন্দেহভাজন পাকিস্তানি নাগরিক পালিয়ে যায়। ২০০৮ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর সকালে কার্গো ভিলেজে পড়ে থাকা পাঁচটি বড় কার্টন কাস্টমস কর্মকর্তারা গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে খুলে দেখেন কয়েক হাজার পিস উত্তেজক ওষুধ। জানা গেছে, কক্সবাজার, উখিয়া, টেকনাফ এবং উত্তরাঞ্চলের ভারতের সীমান্ত হয়ে ইয়াবার সঙ্গে উত্তেজক ওষুধের চালান আসে দেশে।
উত্তেজক ওষুধে আসক্ত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে কৌতূহলেই খাওয়া শুরু করেন তারা। ভালো লাগা থেকে এখন আসক্তি ও নেশা। কেউ কেউ বিশেষ শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করেন। পরে ওষুধ না খেলে তারা স্বস্তি পান না। তবে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলেন, উপযুক্ত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো ধরনের উত্তেজক ওষুধ সেবন করা ঠিক নয়। এতে শরীরের স্বাভাবিক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ জানান, পুরুষ-মহিলাদের মধ্যে ২ থেকে ৫ শতাংশের দুর্বলতা থাকতে পারে। ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মানসিক সমস্যা। সে জন্য বিভ্রান্ত হয়ে উত্তেজক ওষুধ খায় অনেকে। এসব ওষুধ হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। দীর্ঘদিন ব্যবহারে দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি কমে যায়। এতে লিভার ও নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
মিটফোর্ডের ওষুধ ব্যবসায়ীরা জানান, ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অভিযানের অভাবেই এসব ওষুধ বিক্রি হয়। তাই অনেকে দোকানে নিষিদ্ধ উত্তেজক ওষুধ রাখেন। বিদেশি আমদানি-নিষিদ্ধ ওষুধের আদলে এখন দেশি কোম্পানি উত্তেজক ওষুধ বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। ওষুধ প্রশাসন ওই সব ওষুধের অনুমোদনও দিয়ে থাকে। ওষুধ প্রশাসন কর্মকর্তারা বলেন, উত্তেজক ওষুধ হিসেবে যেসব ওষুধ বাজারে বিক্রি হয় তা ভেজাল এবং অনুমোদনহীন। অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেরা তৈরি করে বিদেশি সিল লাগিয়ে দিচ্ছেন। ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এর মধ্যে ক্ষতিকর সব উপাদান আছে।
র্যাব হেড কোয়ার্টারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলম এই বিষয়ে বলেন, বাজারে নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ওষুধের শতকরা ৮০ ভাগই ভারত থেকে আসে। যৌন উত্তেজক সেনেগ্রা ওষুধই বেশি বিক্রি হয় বলে তাদের অভিযানে উঠে এসেছে। এছাড়া দেশি হরবাল ওষুধ জিংসন যৌন উত্তেজক হিসেবে সেবন করছে কেউ কেউ। যদিও এটি কম মাত্রায় অনুমোদন নিয়ে উচ্চমাত্রার শক্তি বর্ধন করে বিক্রি করছে কিছু কোম্পানি। তিনি জানান, দু-তিন মাস আগে যাত্রাবাড়ী এলাকায় জিংসন যৌন উত্তেজক ওষুধ উৎপাদনকারী তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে র্যাব’র অভিযানের কারণে আগের চেয়ে পরিস্থিতি একটু কমে এসেছে বলে এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, র্যাব গত প্রায় এক বছরে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক ওষুধ রাখার দায়ে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সাবেক এক নেতা বলেন, ‘কিছু ব্যবসায়ী প্রকাশ্যেই উত্তেজক ওষুধ বিক্রি করেন। কেউ কেউ অকারণে ব্যবহার করছে এই ওষুধ। আগে আমেরিকা ও ইউরোপ থেকে আসলেও এখন ভারত থেকেই বেশি আসছে যৌন উত্তেজক ওষুধ। নীতিমালা নেই। ক্রেতা-বিক্রেতার সচেতন হওয়া উচিত। ঢালাওভাবে বিক্রি করা উচিত নয়। এই ওষুধ ব্যবহারে কঠিন হওয়া উচিত বলে এই নেতা মনে করেন। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করা যাবে না।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)’র মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, কোনো ওষুধই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়। ইদানীং দেশে যুব সমাজের মধ্যে যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবনের মাত্রা বেড়ে গেছে। এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। হতে পারে জটিল রোগও। তাই এই ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিইসি’র কৌশলটা কী?

উপরন্তু দেশের তাবৎ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হলো, অথচ নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে অত বেশি হৈচৈ নেই। মাতামাতি নেই। সবটাই যেন কেমন পানসে চলছিল। তাই সিইসি হয়তো ভেবে চিন্তেই বলেছেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক। তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক দিক থেকে দেখলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে আহত করে। কারণ আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানকে কোনোভাবেই বরদাশত করতে পারছে না। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি বা তাদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন যদিও জিয়ার চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মকভাবে করেছেন জেনারেল এরশাদ। জেনারেল এরশাদ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রানিংমেট হিসেবে দাঁড় করিয়ে প্রকৃতপক্ষে তাদের জাতীয় রাজনীতির মূল স্রোতধারার অন্যতম কুশলীব হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই অভিযোগ জিয়ার বিরুদ্ধে নেই। কারো কারো মতে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জানতেন। কিন্তু তা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেননি। ওটাও মূলত বিশ্বাসযোগ্য সন্দেহ। সন্দেহাতীত কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। তবে মিজানুর রহমান চৌধুরীর জবানবন্দি মতে, জিয়া ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সখ্য গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। অবশ্য সেটা অনেকের মতে, সেখানে বিশ্বস্ততা ছিল না। ছিল চক্রান্তের অংশ।
তবে এই বিতর্কের বাইরে অনেকের মতে, যদি তদন্ত কমিশন বা একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডং কমিশন হয় যে, আরো কে কে জানতেন, অথচ প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেননি, তাহলে হয়তো সন্দেহের তালিকায় এমন কেউ আসতে পারেন, যারা পরে আওয়ামী লীগের ভালো অবস্থানে বা আস্থার একটা জায়গা করে নিতে পেরেছেন। এর সবটিই মূলত সন্দেহ। একজন চৌকস আমলা হিসেবে এই ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বা হিসাব-নিকাশ সম্পর্কে সিইসি একেবারে কিছুই জানবেন না, সেটা হিসাবের কথা নয়।
এখন প্রশ্ন হলো সিইসির কৌশলটা কী? একটি হিসাব খুব সহজ: তিনি মনেপ্রাণে আশা করেন বিএনপিও সামনের নির্বাচনে অংশ নেবে। কিন্তু তিনি এমন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখেন বা সামর্থ্য রাখেন কি না, যেখানে বিএনপি বা বিরোধী দল একটু বেশি ভালো করে ফেলল, কিন্তু তিনি তাতে উতলা হলেন না। নিরপেক্ষ সাংবিধানিক সংস্থার প্রধান হিসেবে তিনি সেটা মেনে নিতে প্রস্তুত থাকবেন, সেই রকম একটি ধারণা তিনি দিতে চান কি না। আওয়ামী লীগের নেতারা যেদিন সংলাপে গেলেন সেদিন ভিন্ন এক পরিস্থিতি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, সংলাপের পরিবেশ দেখে তারা রীতিমতো লজ্জা পেয়েছেন। অভিযোগ আনার সুযোগই পাননি তারা।
সতর্ক বিশ্লেষকরা একমত যে, সিইসির কৌশল হবে বিএনপিকে নির্বাচনে আনা। সেটা তিনি নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে আশা করবেন। কিন্তু সেটা আওয়ামী লীগকে স্বস্তি দিতে পারে। অবশ্য এখানে একটি দ্বন্দ্ব বা ধোঁয়াশা একটা বিষয় আছে। সেটা হলো কেয়াটেকার সরকার হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই ক্ষমতায় থাকবেন। তারই নিয়োগ দেয়া রিটার্নিং অফিসারগণ নির্বাচন চালাবেন। ভোট গ্রহণ ও গণনা করবেন। কিন্তু তদুপরি আওয়ামী লীগ কি বিএনপির অংশগ্রহণ চাইছে? এর উত্তর পেতে কেউ হয়তো বলবেন জোতিষীর বাড়ি যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। কারণ, আওয়ামী লীগ বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচন করতে চায়, সেটা এখনও যথেষ্ট পরিষ্কার তা হলফ করে বলা যাবে না। কারণ, অনেকের ধারণা, সহায়ক সরকার হোক বা না হোক বিএনপি ৩০০ আসনে শক্তিশালী প্রার্থীর মনোনয়ন দেওয়াটাই একটি বিরাট ঘটনা হতে পারে। খোদ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ইতিমধ্যে ইঙ্গি করেছেন যে, বিএনপি নির্বাচনে এলে অনেক ডাকসাইটে প্রার্থীর ঘাম ঝরতে পারে!
সুতরাং একটি তাৎপর্যপূর্ণ সময়ে সিইসির রাজনৈতিক উক্তির কোনো তাৎপর্য নেই তা মানা সহজ নয়। সিইসি বারংবার বলেছেন, তিনি ভেবেচিন্তে একটি তথ্য হিসেবে বলেছেন। তার যদি: তিনি বলেছেন, জিয়া গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন বলেননি। কারণ তার আগে বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিল। অবশ্য সমালোচকরা বলবেন, এই তথ্য আওয়ামী লীগ যুক্তিসঙ্গত মনে করে না। তাদের জোরোলো যুক্তি: বহুদল বিলোপ করে একদলীয় বাকশাল কায়েম ঠিক কি বেঠিক? সেটা তর্কসাপেক্ষ হলেও সেটা বন্দুকের নলে আসেনি। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা করেছেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্যদিয়ে দেশের গণতন্ত্রও হত্যা করা হয়। আর এই হত্যাকাণ্ডে জিয়া জড়িত ছিলেন। শুরু হয়েছিল সামরিক শাসন। তাই জিয়া তো পর্দার আড়ালের কুশলীব। তিনি কি করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবতর্কের মর্যাদা পবেন?
বিএনপি জিয়ার সম্পৃক্তার অংশটুকু বাদ দিয়ে তার পক্ষে যুক্তি হলো: জিয়া নিজে সামরিক শাসন জারি করেননি। তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে বা ধারাবাহিকতার কারণে ক্ষমতা পেয়েছেন। সেনা প্রধান হিসেবে তার ওপর ক্ষমতা বর্তেছে।
বাকশালের আওতায় যে আওয়ামী লীগ একটি সংগঠন হিসেবে হারিয়ে গিয়েছিল, সেই রাজনৈতিক সত্তা জিয়ার আমলেই জাগ্রত হয়েছে। সিইসি নুরুল হুদা বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে গণতন্ত্র আবার ফিরে এসেছে। সেই ভিত্তিতে ১৯৭৯ সালে বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগও সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
তবে এখন পর্যবেক্ষরা বলছেন, সব কথা সবসময় বলা হয় না। সিইসি কোনো কারণে নিরীহভাবে একটি তথ্য হিসেবে বললেও এর একটা রাজনৈতিক আবেদন আছে। বিএনপি যেদিন সংলাপে গেল ঠিক সেদিনটিতেই তাকে এই জলবৎতরলং কথাটি আওড়াতে হলো!
এটাও দেখার বিষয় যে, কাদের সিদ্দিকী খুব সবিতা করতে পারেননি। তিনি ভেবেছিলেন, তিনি একটি ঝড়ো বিতর্কের নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু সেটা ঘটেনি, অবশ্য সময় এখনই সরে গেছে তা-ও বলার উপায় কম।
অবশ্য বহু বিশ্লেষক মনে করেন বা ভাবতে পছন্দ করেন যে, বিএনপির নির্বাচনে আসাটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। আগামী ১১ বা ১২ মাসের আগে বা পরে যখনই নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে, তখনই তাদের নির্বাচনী মাঠে দেখা যাবে। এছাড়া এ বিষয়ে ভিন্নমত খুবই কম যে, বিএনপির নির্বাচনে আসাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চান। সুতরাং রাষ্ট্রের দিক থেকে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির দিক রয়েছে। তবে সেটা খোদ ক্ষমতাসীন দলের তরফে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখাটা বেশি স্পর্শকাতরতা লাভ করতে পারে। সেদিক থেকে এই অপ্রিয় কাজটি সিইসি করে দেওয়ায় আওয়ামী লীগের তাতে খুব ক্ষতির কারণ মনে করার সুযোগ সীমিত। তারা বলেন, সিইসি যদি বিএনপিকে নির্বাচনে আনার কাজটি সুচারু রূপে সম্পন্ন করতে পারেন, তাহলে ক্ষমতাসীন দলের ঝুঁকি বাড়ে না কমে। অবশ্য এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করারও লোকের অভাব হবে না।
বাংলাদেশের রাজনীতির সুবিধা হলো এখানে দুয়ে দুয়ে চার মেলানো হয়। যারা এটা করেন তারা কিন্তু জানেন যে, দুয়ে দুয়ে চার এখানে কালেভদ্রে হয়, কিংবা কষ্মিনকালেও হয় না। তবে কোনো সন্দেহ নেই যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা নিরুত্তাপ রাজনীতিতে বলা চলে একটি আকস্মিক বোমা বা পটকা ফুটিয়েছেন। চাঞ্চল্য যদি বেশি হয়, তাহলে এটা হবে বোমা, কিন্তু কম চাঞ্চল্য হলে এটা হবে পটকা বা নির্বাচনী উৎসবের আতশবাজি।
তবে এটা এমন একটি সময় যখন দেশের আরেকটি সাংবিধানিক স্তম্ভের প্রধান ‘অসুস্থতাজনিত ছুটিতে’ বিদেশে রয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘খালেদাকে ভোট থেকে দূরে রাখতেই ফেনীর ঘটনা’

এই হামলায় মূলত সাংবাদিকদের কেন টার্গেট করা হলো- এটা পরিষ্কার নয়। তিনি ফেনী সার্কিট হাউজে বিশ্রাম নেবেন এবং সেখানে দুপুরের খাবার খাবেন- এমনটাই প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। খালেদার আগমনে জেলার নেতাকর্মীরা সেখানে ব্যাপকভাবে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল কিন্তু অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে সার্কিট হাউজে কাউকে আসতে দেয়া হয়নি এবং বাধা দিতে গিয়ে বিএনপির বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা সরজমিন দেখবেন- এটাই ছিল তার উদ্দেশ্য। এটি একটি মহৎ উদ্দেশ্য। জননেত্রী শেখ হাসিনাও তাদের দেখে এসেছেন। তাহলে এই শুভ কাজে কেউ বাধা দিতে পারে কিনা- এটি অবশ্যই একটি বড় প্রশ্ন? যতই ওবায়দুল কাদের বলুক, ওনারা ছবি তুলতে যাচ্ছিলেন এবং এটা অভ্যন্তরীণ কোন্দল। এইসব কথা সচেতন জনগণকে খাওয়ানো যাবে না। সুষমা স্বরাজ এসে যখন পরিষ্কার বলে গেলেন আমরা সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চাই, ঠিক সেই মুহূর্তে এই ধরনের উস্কানিমূলক তৎপরতা গণতন্ত্রের ওপর হামলা- এটা কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং একটি নয়, একাধিক জায়গায় হামলা হয়েছে। এই ঘটনা খালেদাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবার জন্য একটি অজুহাত হিসেবে কাজ করবে। কেউ কেউ বলছেন, ঘটনা যেখানে যাই ঘটুক খালেদাকে ভোট করতেই হবে। বিষয়টি বোধ হয় পুরোপুরি ঠিক সেরকম নয়।
খালেদার ওপর হামলাটি কেন? একদিকে খালেদাকে ভোটে আসতে বলবেন অন্যদিকে তাকে পেটাতে থাকবেন সেটি তো হতে পারে না। আসলে আসল কথা একটাই- ভোট করে যারা কোনো দিনই জিততে পারবে না- ওই সমস্ত লোকগুলো খালেদা জিয়া ভোটে আসুক তারা মোটেই চায় না। সেই কারণে অবশ্যই বলা যায় ফেনীর ঘটনাটি খালেদা জিয়াকে ভোট থেকে দূরে রাখার একটি অপতৎপরতা। বর্তমান সরকারের তৎপরতা থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় সরকার সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোট করতে চায়। ফলে শেখ হাসিনা মোটেই ফেনীর ঘটনাকে সুদৃষ্টিতে দেখবেন না। ফেনীর বর্তমান এমপিরা কেহই ভোটে এমপি হয়নি এবং তারা জানে ভোট হলে তারা এমপি হবে না। সেই কারণেই কেন্দ্রের ইঙ্গিত ছাড়াই খালেদার ওপর তারা হামলা করেছে। বারবার একই গোষ্ঠী বিনা ভোটে এমপি হবে- এমনটি ফেনীবাসী কেবল চেয়ে চেয়ে দেখবেন- এমনটি হতে পারে না।
ওদিকে, হাজারিকা প্রতিদিনের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেনীতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা হবার পর তিনি চট্টগ্রাম পৌঁছেই সার্কিট হাউজ থেকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তার আগে তিনি তার সফর সঙ্গী আহত দুই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির ওপর বিস্তারিত খবরা-খবর নেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপহরণ তদন্তে বেরিয়ে এলো লোমহর্ষক হত্যার রহস্য

তারপর একটি কক্ষে বন্দি করা হয় আকাশকে। এরপর মারধর। উলঙ্গ করে খারাপ নারীর সঙ্গে ধারণ করা হয় ভিডিওচিত্র। তা দেখিয়ে ঢাকা ন্যাশনাল পলিটেকনিকের ওই ছাত্র আকাশের পিতা দিলীপ কুমার সাহার কাছ থেকে দাবি করা হয় ৩০ লাখ টাকা চাঁদা।
রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে অপহরণের পর বিমানবন্দর থানায় জিম্মির এসব ঘটনাই হয় মালদ্বীপ প্রবাসী বন্ধু শ্যামলের (২২) পরিকল্পনা ও নির্দেশনায়। এতে অংশ নেয় তার অপরাধ জগতের সঙ্গী জুয়েল রানা (২২), সোহেল (২১) ও ইয়াসিন (২৫)। পুত্র অপহরণের ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের স্বর্ণের ব্যবসায়ী দিলীপ গত ১৯শে অক্টোবর বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন। তা তদন্ত ও অনুসন্ধানের ভার পড়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপর। মাঠে নামে টিম। বেরিয়ে আসে একের ভেতর বহু অপরাধ। উদঘাটন হয় দেশে-বিদেশে হত্যাসহ আরো বেশকিছু অপরাধের রহস্য। ধরা পড়ে একটি ভয়ঙ্কর অপরাধী চক্র।
জানা যায়, আকাশের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। সেখানেই তার পিতার স্বর্ণের দোকান রয়েছে। দিলীপ ও তার ভাইয়ের সঙ্গে আগে ব্যবসা করতেন শ্যামল। কয়েক বছর আগে তিনি ব্যবসা গুটিয়ে মালদ্বীপ চলে যান। কিন্তু আকাশের সঙ্গে মোবাইল ও ফেসবুকে যোগাযোগ রাখতেন। শ্যামল মোবাইল-ফেসবুকের মাধ্যমে ঢাকায় অবস্থানরত তার ঘনিষ্ঠ জুয়েল রানা, সোহেল ও ইয়াছিনের সঙ্গে আকাশের পরিচয় করিয়ে দেয়। কুমতলবে তারাও তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এরপর গত ৭ই অক্টোরব তার নানির মৃত্যুর সংবাদে প্রবাসী শ্যামলের নির্দেশে ফাঁদ পাতে তারা। নিজেদের গাড়িতে তাকে চৌদ্দগ্রামে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে বিভ্রান্ত করে। বন্ধুত্বের কারণে সেও তাদের বিশ্বাস করে। গাড়িতে উঠার আগে সহানুভূতি প্রকাশ করে ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে যায় সোহেলের বাড়িতে। এরপরই বাসার একটি কক্ষে তাকে জিম্মি করা হয়। রাখা হয় অর্ধ মাসের বেশি সময়। সেখানে তাকে নির্যাতন করে ও উলঙ্গ ভিডিওচিত্র ধারণ করে ঘটনা প্রকাশ ও মামলা না করতে হুমকি দেয়া হয়।
কিন্তু তার পিতা দিলীপের মামলার পর তাদের উদ্দেশ্য আর সফল হয়নি। মাঠে সক্রিয় হয়ে ওঠে ডিবি সদস্যরা। বন্দি ভিকটিম আকাশকে খাবার সরবরাহকারী সোহেলের বাবা-মাকে আটকের পর সে ধরা পড়ে। এরপর ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর, কুমিল্লার মুরাদনগর ও কোম্পানীগঞ্জ, গাজীপুরের জয়দেবপুর, রাজধানীর দক্ষিণখান, উত্তরখান, খিলক্ষেত ও ভাটারা থানার বিভিন্ন এলাকায় একে একে অভিযান চালায় ডিবি সদস্যরা। ডিবি’র উপ-কমিশনার মীর মোদাচ্ছের হোসেনের নির্দেশনায় ও অতিরিক্ত এডিসি মাহমুদ আফরোজ লাকী তা তত্ত্বাবধান করেন। আর টিমের নেতৃত্ব দেন ডিবি’র অর্গানাইজড ক্রাইম প্রিভেনশন টিমের সহকারী কমিশনার মো. নজরুল ইসলাম। অবশেষে গত ২৯শে অক্টোবর রাজধানীর উত্তরাসহ একাধিক এলাকা থেকে ধরা পড়ে একে একে তিন দুর্ধর্ষ অপরাধী।
এর মধ্যে জুয়েল রানার বিরুদ্ধে নরসিংদী, নবীনগর ও মুরাদনগর থানায় খুন, অস্ত্র ও মারামারির ৪ টি মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের পর তার ফ্রিজ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩ টি বিদেশি পিস্তল। এছাড়া ২০১৪ সালের ২৯শে সেপ্টেম্বর ইতালিতে বাংলাদেশি যুবক পিংকুকে খুন করে মোবাইল, অর্থ ও স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়ে দেশে চলে আসে। তাকে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। বাংলাদেশে সে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে ইতালির পুলিশও তাকে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।
অপরদিকে সোহেল ও জুয়েলের বাড়ি রাজধানীর দক্ষিণখান থানায়। মামলার অন্যান্য আসামি শিমুল, জুয়েল রানা, ইয়াছিন এর বাড়ি ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর থানায়।
ডিবি’র সহকারী কমিশনার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রথমে অপহরণকারীকে উদ্ধারে মাঠে নামি। এরপর আসামিদের গ্রেপ্তার করা হলে খুনসহ আরো বেশ কয়েকটি ভয়াবহ অপরাধ। শুধু দেশেই নয়, তাদের একজন বিদেশেও খুন করে এসেছে। এসব ঘটনায় অপহরণ ও অস্ত্র আইনে দু’টি মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
October
(23)
-
▼
Oct 31
(7)
- ২ বালিকাকে দেহব্যবসায় নামিয়েছেন এক মা, খদ্দের ৩ বা...
- পালিয়ে বেলজিয়ামে কাতালান নেতা পুইগডেমন্ট by নাজমুস...
- এসিডদগ্ধ মুসলিম মডেল রেশমের সাহসিকতা
- যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটে ঝুঁকছে যুবকরা by ফরিদ উদ্দিন...
- সিইসি’র কৌশলটা কী?
- ‘খালেদাকে ভোট থেকে দূরে রাখতেই ফেনীর ঘটনা’
- অপহরণ তদন্তে বেরিয়ে এলো লোমহর্ষক হত্যার রহস্য
-
▼
Oct 31
(7)
-
▼
October
(23)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...