Tuesday, April 17, 2012

প্রতিক্রিয়া-পানির দাম বাড়ানো কেন জরুরি by গোলাম মোস্তফা

ঢাকা ওয়াসা বোর্ড ঢাকাবাসীর জন্য সরবরাহকৃত পানির মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবিত এই বৃদ্ধির হার যেহেতু বোর্ডের ক্ষমতাসীমার চেয়ে একটু বেশি, তাই তা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১১ সালের ৫ মার্চের দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদকীয় কলামে প্রস্তাবিত এই মূল্যবৃদ্ধির কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।

গদ্যকার্টুন-প্রিয় পাঠক, একটু হাসুন by আনিসুল হক

একজন অন্ধ বালক। নিউইয়র্কের একটা রাস্তার ধারে একটা সুন্দর ভবনের বাইরের সিঁড়িতে রোদের মধ্যে বসে আছে। তার হাতে তার হ্যাটটা উল্টো করে ধরা। তার আরেক হাতে একটা শক্ত কাগজের টুকরায় লেখা, ‘আমি অন্ধ, আমাকে সাহায্য করুন, প্লিজ।’ তার টুপিতে অল্প কয়টা পয়সা পড়েছে।

সহজিয়া কড়চা-সর্পিল ও বন্ধুর পথে ৪০ বছর by সৈয়দ আবুল মকসুদ

প্রতিটি জাতির জীবনেই কোনো কোনো গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ একবারই আসে। সেই উপলক্ষটিকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলা দেশবাসীর কর্তব্য। তারা যদি তা করতে ব্যর্থ হয়, তা হলে উপলক্ষটি মূল্য হারায়। হতভাগ্য জাতি উপলক্ষটি থেকে কিছু অর্জন করতে পারে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪০ বছরও তেমনি একটি উপলক্ষ।

স্থানীয় পর্যায়ের এই ভোট উৎসব হোক শান্তিপূর্ণ-ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে তৃণমূল পর্যায় ইউনিয়ন পরিষদ। বছর তিনেক ধরে আটকে ছিল এর নির্বাচন। স্থানীয় পর্যায়ের এই ভোট উৎসবের সূচনা হচ্ছে আজ। দেশের ১২টি উপকূলীয় জেলার ৫৬৮টি ইউনিয়ন পরিষদে আজ প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ শুরু হচ্ছে; শেষ হবে আগামী ৩ এপ্রিল।

সরকারের উচিত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া-র্যাবে রাজনৈতিক প্রভাব

র্যাবের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র্যাবের কর্মকর্তারাই র্যাবকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ঘটনা না ঘটলে এমন আওয়াজ ওঠার কথা নয়। র্যাবকে ধন্যবাদ যে তারা তাদের প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক আছরমুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে।

পাঠক সংখ্যা-ফাঁকিবাজি

প্রতিদিন ক্লাসের আগে পিটি করা অতি বিরক্তিকর একটা ব্যাপার। না করলেও আবার শাস্তি। কেমন লাগে! পিটি পিরিয়ডের পরে দারোয়ান কাউকে স্কুলে ঢুকতে দেয় না। হেড স্যারের নির্দেশ। ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
যাই হোক না কেন আজ পিটি করছি না।

পটল তোলা

২০০১ সালের ঘটনা। আমি তখন ক্লাস সিক্সে ভর্তি হয়েছি। নতুন স্কুল। সবকিছু অপরিচিত। কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো বন্ধু জুটল না। দিন কয়েক পরে এক ছেলের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক হয়ে গেল। ওর নাম রাজীব। কথাবার্তা কম বলে, কিছুটা বোকাসোকা ধরনের।

‘ক্রো কুল হোয়াইট শ্যাম্পু’

আমি যখন ক্লাস টুতে পড়তাম, তখন আমার বেশ মজার একজন বন্ধু ছিল। ওর নাম অদিতি। একটা কিছু হলেই যা হাসাহাসি শুরু করত না, থামানোই কঠিন ছিল। একদিন আমরা তিনজন ক্লাসের বাইরে হাঁটছিলাম—আমার পাশের বেঞ্চের মেয়ে, আমি আর অদিতি।

উল্টো কবিতা

আমি এখন ক্লাস সেভেনে পড়ি। দুই বছর আগে অর্থাৎ যখন ক্লাস ফাইভে পড়তাম তখন আমাদের বাংলা বইয়ে একটা কবিতা ছিল ‘শিক্ষকের মর্যাদা’। আমাদের নিচের ক্লাসে শ্রাবণী নামের একটি মেয়ে পড়ত। দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, তার বাবা একটু গুন্ডা টাইপের ছিলেন।

আবারও আসবে-আবার এসেছে পাঠক সংখ্যা

নাহ, আপনারা পারেনও! আপনাদের মতো নিরলস, পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান পাঠকদের জন্যই পৃথিবী এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার যাবতীয় রম্য ম্যাগাজিন এখনো টিকে আছে। সত্যি কথা কী জানেন? এই আপনারা ছাড়া কেউ আমাদের কথা শোনে না।

চারদিক-মুক্তিযুদ্ধের সেই সব তথ্যচিত্র by অমর সাহা

সেই ১৯৭১ সাল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলছে। পাকিস্তানি বর্বর বাহিনীর হাতে মানুষ বলি হচ্ছে। লাখো মানুষ জীবন বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসছে। শত শত আবালবৃদ্ধবনিতা মাঠে নেমেছে শত্রুর মোকাবিলা করতে। বাংলাদেশের চারদিকে শুধু যুদ্ধ আর যুদ্ধ। মৃত্যুর আর্তনাদ আর বাঁচার আহাজারি।

ব্লাডের প্রতিবেদন অবিশ্বাস করে ওয়াশিংটন

একাত্তরে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কেন্ট ব্লাড পঁচিশে মার্চের গণহত্যার যে বিবরণ দিয়েছিলেন, তা বিশ্বাস করেনি ওয়াশিংটন। কিসিঞ্জারের ইচ্ছায় তাঁকে হয়রানিমূলক বদলি করা হয়েছিল। একাত্তরের জুনে তাঁকে ঢাকা ছাড়তে হয়।

ঐতিহ্য-রাজশাহী বড়কুঠির দুর্দশা by মুহাম্মদ লুৎফুল হক

১৬৫৩ সালে ডাচরা কাশিমবাজারে ব্যবসা শুরু করে এবং কালক্রমে সারা বাংলায় বিস্তার লাভ করে। ১৬৬০ সালে ব্যবসার প্রসারের জন্য ডাচ গভর্নর ম্যাথু ভ্যান ডেন ব্রুক বাংলা ও তৎসংলগ্ন এলাকার মানচিত্র তৈরি করেন। এটি এখনো এই এলাকার অন্যতম প্রাচীন মানচিত্র হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

প্রযুক্তি-বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও আমাদের অগ্রগতি-অধোগতি by মোহাম্মদ কায়কোবাদ

একবিংশ শতাব্দীতে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ যৌক্তিকভাবেই ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সংকল্পবদ্ধ। বর্তমান সরকার জাতিকে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখিয়েছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য, সাধারণ জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা অত্যন্ত

সরল গরল-নিয়ামুলের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন চাই by মিজানুর রহমান খান

শিশু নিয়ামুলকে আপনারা চেনেন। গত ৩০ ডিসেম্বর প্রথম আলোসহ কয়েকটি পত্রিকায় খবর ছাপা হয় যে শিশুদের পঙ্গু করে নামানো হচ্ছে ভিক্ষায়। একেবারে হইচই ফেলে দেওয়া খবর। এ ঘটনা শুনে অনেকেই স্তম্ভিত হন। ভাবেন, আমরা কোথায় যাচ্ছি? আদালত ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন এ ঘটনা পত্রিকায় ছাপা হওয়ার পর।

কৃষক স্বার্থের রক্ষক নাই’?-আলুচাষিরা বিপাকে

শতবর্ষেরও আগে সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্গদেশের কৃষক গ্রন্থে লিখেছিলেন, ‘কৃষক স্বার্থের রক্ষক নাই’। পঞ্চগড়ের আলুচাষিরা এই কথা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। বোম্বে এগ্রো লিমিটেড নামের একটি কোম্পানির চুক্তিভঙ্গের কারণে হতাশ আলুচাষিরা রাস্তায় বস্তা বস্তা আলু ফেলে প্রতিবাদ করেছেন।

সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা হোক-বিসিএস পরীক্ষা ছাড়া ক্যাডারভুক্তি

সরকারি কর্মকমিশনের অধীনে কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই বেশ কিছুসংখ্যক চিকিৎসক বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য ক্যাডারের চিকিৎসকদের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে বলে খবর বেরিয়েছে।

এই দিনে-নাট্যকর্মীর ‘বিশ্ব নাট্য দিবস’ by জাহিদ রিপন

নাট্যকর্মীরা, সবাই চেয়ার ছাড়ো, শিল্পীদের বসতে দাও’—১৯৮৫ থেকে যখন আমি ফরিদপুরে সুনিয়ম নাট্যচক্রে নিয়মিত গ্রুপ থিয়েটার নাট্যচর্চা শুরু করি এবং জাতীয় নানা দিবসে গভীর অনুরাগে স্বাধীনতা চত্বর অথবা অম্বিকা ময়দানে পথনাট্য মঞ্চায়নে সমবেত হই, সে সময় দর্শকসারিতে উপবিষ্ট হলে এই ছিল হঠাৎ হঠাৎ আমাদের প্রতি

ওয়াশিংটনের নির্দেশ অগ্রাহ্য করলেন ব্লাড

একাত্তরে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কেন্ট ব্লাড ২৫ মার্চের পরে বিপন্ন বাঙালিদের প্রতি গভীর
মমতা দেখিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে তিনি তাঁদের আশ্রয় দেন। এক স্কোয়াড বাঙালি পুলিশেরক
রাইফেল তিনি তাঁর বাসভবনের পেছনে মাটিতে পুঁতে রাখতে সহায়তা দেন।

কলকাতার চিঠি-কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি বামফ্রন্ট by অমর সাহা

এমনটা বোধ হয় ভাবেনি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন বামফ্রন্ট। বামফ্রন্টের একাংশ নেতার ধারণা ছিল, শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের সঙ্গে মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী জোট না-ও হতে পারে। কিন্তু হয়েই গেল সোমবার। কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর হস্তক্ষেপে অবশেষে কংগ্রেস তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়তে বাধ্য হয়েছে।

শেয়ারবাজার-দেশের বৃহত্তম মিউচুয়াল ফান্ডের প্রতীক্ষায় by ফারুক মঈনউদ্দীন

ছোটবেলায় পড়া একটা প্রবাদ নিশ্চয়ই সবার মনে আছে, ‘চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে’। আমাদের দেশের শেয়ারবাজারের বিশাল ধস ততোধিক একটা বিরাটসংখ্যক সাধারণ মানুষের সঞ্চয় ও বিনিয়োগ লুটে নিয়ে গেলেও তেমনিভাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সরকারের বুদ্ধি বেড়ে যায়।

ইতিহাস-পাকিস্তানিদের নৃশংসতা ও একজন শর্মিলা বসু by আবদুল মান্নান

শর্মিলা বসুর সঙ্গে ২০০৫ সালের অক্টোবর মাসের আগে আমার পরিচয় ছিল না। যদিও তিনি আমার শৈশবের একজন প্রাতঃস্মরণীয় মহানায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ভাই শিশির বসুর কন্যা। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে, আর বিয়ে করেছেন একজন ইংরেজ—অ্যালান রজলিংককে; লেখাপড়া কলকাতা,

খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর প্রতিষ্ঠান দরকার-পচা-বাসি খাবার

‘খাবারের মান’ বলে যে একটি বিষয় আছে, তা আমাদের দেশের হোটেল-রেস্তোরাঁ বা খাবার সরবরাহকারীদের অনেকের মাথাতেই থাকে না। আবার ‘মান নিয়ন্ত্রণের’ জন্য সরকারের যে উদ্যোগ থাকা দরকার, তা-ও চোখে পড়ে না। এর ফলাফল আমরা দেখছি, খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটছে নিয়মিতই।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির স্বার্থে এই আইন জরুরি-সাংসদদের আচরণবিধি

সাংসদদের আচরণ নিয়ে যখন সংসদের ভেতরে-বাইরে সরগরম আলোচনা হচ্ছে, তখন সাংসদদের আচরণবিধিসংক্রান্ত বিলটি সংসদে পেশ করার পক্ষে সংসদীয় কমিটির সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গত বছরের ১০ আগস্ট জাতীয় সংসদে সাংসদদের আচরণসম্পর্কিত একটি বেসরকারি বিল পেশ করেছিলেন সরকারদলীয় সাংসদ সাবের

শুভ জন্মদিন, বাংলাদেশ by শিখ্তী সানী

আজ ২৬ মার্চ, ২০১১। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশের। সেই বাংলাদেশের বয়স আজ ৪০। শুভ জন্মদিন, বাংলাদেশ। সেই ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে দেশমাতৃকাকে মুক্ত করার লক্ষ্যে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।

পাকিস্তান-বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চেয়ে প্রস্তাব নেওয়া উচিত by হামিদ মীর

১৯৭১ সালে সামরিক অভিযান চালিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জনগণের কাছে কেন ক্ষমা চাওয়া উচিত পাকিস্তানের? সেনা অভিযানের জন্য? সম্প্রতি বাংলাদেশের মিরপুরে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের খেলাকে ঘিরে এ নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে।

একাত্তরের এই দিনে-মুজিব আপস করেছেন, এ কথা বিশ্বাস করি না by আইয়ুব খান

একাত্তরের মার্চে যখন স্বাধীনতার স্বপ্নে উদ্বেলিত সমগ্র দেশ, ‘যার যা আছে তা-ই নিয়ে’ পাকিস্তানি বাহিনীর মুখোমুখি বাঙালি, তখন এক হাজার ২০০ মাইল দূরে বসে সাবেক স্বৈরশাসক আইয়ুব খান কীভাবে সেসব ঘটনা বিশ্লেষণ করেছেন, কীভাবে দেখেছেন মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক কিংবা ভুট্টোর আস্ফাালন—সেসব বিবৃত হয়েছে তাঁর রোজনামচায়।

মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতা-উত্তর রূপান্তর by সিরাজুল ইসলাম

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪০ বছর। তার আগে পাকিস্তান আমল ধরলে আমরা স্বাধীনতা দিবসের উৎসব পালন করে যাচ্ছি গত ৬৩ বছর যাবৎ। একসময় ছিল, জগতে স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপিত হতো না। কেননা তখন রাজ্য ছিল, সাম্রাজ্য ছিল, কিন্তু স্বাধীনতা ছিল না।

রাজনীতিতে আবার ফিরে আসব by সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত গতকাল সোমবার রেল ভবনে ২০ মিনিটের এক সংবাদ সম্মেলনে তার পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি। প্রথমে মৌখিক বক্তব্য রাখলেও পরে তিনি তার পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে একটি লিখিত বিবৃতি পাঠ করেন।

রক্তঝরা এপ্রিল ও প্রধানমন্ত্রী by নাদীম কাদির

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু! এই স্লোগান শুনেছি আমার বাবার মুখে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন তার নেতা, স্বপ্নের নেতা, যে নেতা তার স্বপ্নের স্বাধীনতা এনে দেবেন। এপ্রিল মাস এলে সেই রক্তঝরা দিনগুলোর কথা বারবার মনে পড়ে। আমার বাবা শহীদ প্রকৌশলী লে. কর্নেল এমএ কাদির তার স্বপ্নের বাংলাদেশের যুদ্ধে শহীদ হন।

লোকসানের ধামা by জামান সরদার

লাভের গুড় নাকি পিঁপড়ায় খায়। লোকসানের ধামা কে বহন করে, সেটা অবশ্য বাংলা প্রবাদে উল্লেখ নেই। লোকায়ত আপ্তবাক্য মেনেই বোধহয় রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং এর নাটকীয় পূর্বাপর নিয়ে এখন পর্যন্ত লাভের হিসাবই চলছে। কেউ কেউ বলছেন, গত কয়েক দিনের ঘটনায় বিরোধী দলের লাভের পাল্লাই সবচেয়ে ভারী।

আন্তর্জাতিক-মাই নেম ইজ খান... by ইমরান খান

শাহরুখ খান বিশ্বের এক বিখ্যাত ব্যক্তি। তাকে সাময়িকভাবে আটকাবস্থা থেকে বের করে আনার জন্য ভারতীয় দূতাবাস রয়েছে। কিন্তু আমাদের সাধারণ মানুষকে তো নিজেদের কল্পনাশক্তির ওপর নির্ভর করতে হয়। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র মারাত্মকভাবে আঘাত পেয়েছিল।

মুজিবনগর সরকার-মুক্তিযুদ্ধের সেন্টার অব গ্রাভিটি by আবুল হাসান চৌধুরী

এসব কিছুই ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার গঠনের ফল। বাংলাদেশ সরকারকে কোনো দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি জানায়নি, কিন্তু রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন মুজিবনগর সরকারই যে বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সমর্থনপুষ্ট, সেটা নিয়ে কোনো সংশয় ছিল না।

ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার-সৃজনশীলতায় নতুন উদ্দীপনা

ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন এবং তা গুণী সাহিত্যিকদের হাতে তুলে দেওয়ার ঘটনাটিকে দেশের বরেণ্য লেখক-বুদ্ধিজীবীরা সাহিত্যের ক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা বলে বিবেচনা করেছেন। বাংলা নতুন বছরের সূচনাতেই ২ বৈশাখ রোববার সন্ধ্যায় গুলশানের স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় নির্বাচিত তিন সাহিত্যিকের হাতে।

বর্ণিল বর্ষবরণ-বাঙালি নব আনন্দেই জেগেছিল

নববর্ষের প্রথম প্রভাত থেকে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত রাজধানীর রমনা বটমূল থেকে প্রকৃতপক্ষে গোটা দেশ_ শহর, বন্দর, গ্রাম সর্বত্র প্রাণোচ্ছল নারী-পুরুষ-শিশুদের আনন্দ-উৎসব আমরা দেখেছি। এত মানুষের ভিড়! এত কোলাহল ও আনন্দ! এত অনুষ্ঠান! নতুন পোশাক, গৃহসজ্জা ও উপহার সামগ্রী কেনায় দোকানে দোকানে প্রচণ্ড ভিড় অর্থনীতির

বর্ণিল বর্ষবরণ-বাঙালি নব আনন্দেই জেগেছিল

নববর্ষের প্রথম প্রভাত থেকে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত রাজধানীর রমনা বটমূল থেকে প্রকৃতপক্ষে গোটা দেশ_ শহর, বন্দর, গ্রাম সর্বত্র প্রাণোচ্ছল নারী-পুরুষ-শিশুদের আনন্দ-উৎসব আমরা দেখেছি। এত মানুষের ভিড়! এত কোলাহল ও আনন্দ! এত অনুষ্ঠান!

কাগজের বইয়ের মৃত্যুঘণ্টা! by সাব্বিন হাসান

দ্য ভিঞ্চি কোড থেকে শুরু আজকের হ্যারি পটার সব কিছুতেই মলাটে বই বা কাগজের বইয়ের জয়জয়কার। কিন্তু এ সময়ে এসে তা সেকেলে হয়ে যাচ্ছে তা। আর এমনটা হচ্ছে ই-রিডারের বাজার-কাটতির কারণে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম-সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশ-সমাজ-বাংলাদেশের ইতি-নেতি by জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী

আমরা স্বাধীনতার ৪০ বছর উদ্যাপন করছি। এই মুহূর্তে আমাদের আত্মজিজ্ঞাসার প্রয়োজন যে আমরা কী করতে পারিনি, কী করতে পেরেছি। গত ৪০ বছরে নানা ক্ষেত্রে আমাদের বেশ কিছু অর্জন আছে। শিক্ষার প্রসার ঘটেছে। নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক সাফল্য এসেছে। বহির্বিশ্বে আমাদের পদচারণ বেড়েছে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারকে আরও যত্নবান হতে হবে-নবজাতকের মৃত্যুহার

নবজাতকের জীবন বাঁচানো সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার ক্রমাগতভাবে কমছে। তবে বর্তমানে এ হার যে জায়গায় নামিয়ে আনা গেছে, সেটাও অনেক বেশি।
পরিসংখ্যান মতে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যুহার কমানোর ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সহস্রাব্দ

সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়-স্বাধীনতার ৪০ বছর

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। বাঙালির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সময় ১৯৭১, শ্রেষ্ঠ ঘটনা স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা। স্বাধীনতা এসেছিল দীর্ঘ সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। আজ আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদকে।

বিদ্যুৎ ছাড়াই পাখার হাওয়া by আবদুল্লাহ আল রাশেদ

ইট-কাঠের এই শহরে দিন দিন লোডশোডিংয়ের মাত্রা যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিকল্প ব্যবস্থা থাকলে কিছু সুবিধা হয়। বিদ্যুৎ না থাকলেও যাতে গরমে কিছুটা প্রশান্তি পাওয়া যায়। এর জন্য বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের রিচার্জেবল ফ্যান, যেটি লোডশেডিংয়ের সময় ব্যবহার করতে পারেন।

অন্দরসাজে শীতলপাটি by শারমিন নাহার

আধুনিকতার মধ্যেও দেশীয় আঙ্গিকে ঘরের প্রতিটা কোণ সাজাতে চান অনেকেই। আর এই গরমে অন্দরসাজে বেছে নিতে পারেন শীতলপাটি। একটা সময় ছিল যখন ঘরেই বোনা হতো শীতলপাটি আর মাদুর। বাড়িতে অতিথি এলে বসার জন্য পেতে দেওয়া হতো পাটি কিংবা মাদুর। তাই এর কদরও ছিল বেশ।

দিন গুনে যত্ন by শর্মিলা সিনড্রেলা

সামনেই হয়তো বোনের বিয়ে, তাই নিয়ে কত প্রস্তুতি। কিংবা কয়েক দিন পরই বন্ধুর জন্মদিন। সবার মধ্যে সাজ সাজ রব। কিন্তু আয়নার দিকে তাকিয়েই মনটা চুপসে গেল। নিজেকে যে গুছিয়ে নেওয়া হয়নি। তাতে কী! হাতে মাত্র কয়েক দিন থাকতেই ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে গুছিয়ে নিন না নিজেকে! রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানার কিছু পরামর্শ রইল আপনারই জন্য।

বেকড খাবার-আগুন ছাড়া রান্না!

শুধু কী চুলার আগুনেই রান্না হবে? মোটেও না, মাঝেমধ্যে স্বাদবদলের জন্য ওভেনেও করতে পারেন নানা পদ। দেখে নিন সাইদা বেগমের দেওয়া বেকড খাবারের রেসিপিগুলো গরুর কিমা আর ম্যাশড পটেটো উপকরণ: আলু ১ কেজি, গরুর মাংস (কিমা) ১ কেজি, পনিরের ঝুরি ১ কাপ, মাখন ৩ টেবিল চামচ, ময়দা ৩ টেবিল চামচ, দুধ ২ কাপ,

এই দিনে-মুজিবনগরে গার্ড অব অনারে by সালেক খোকন

বৈদ্যনাথতলা থেকে পলাশীর দূরত্ব মাত্র কুড়ি মাইল। ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে অস্তমিত হয়েছিল বাংলার স্বাধীনতার শেষ সূর্যটি। কিন্তু মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননের ইতিহাসটি গৌরবের। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১। এখানেই বাংলার স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয়।

ঐতিহ্য-এ অপবাদের ইতি টানতে হবে by সাইফুদ্দীন চৌধুরী

খবরের কাগজ পড়তে গিয়ে দুটি সংবাদ আমাকে কেন যেন দারুণভাবে আকৃষ্ট করল। সংবাদ দুটির একটি চট্টগ্রামে, অপরটি ঢাকায় ইতিহাস নিয়ে আলোচনা সভা। ‘ডেইলি স্টার হেরিটেজ চট্টগ্রাম হিস্ট্রি কনফারেন্স’ নামে দুদিনের সম্মেলন হয়েছে চট্টগ্রামে এবং ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ এ বি এম হবিবুল্লাহর জন্মশতবার্ষিকী স্মরণানুষ্ঠান।

হাইকোর্টের রায়ের খণ্ডিত বাস্তবায়ন অগ্রহণযোগ্য-জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

হাইকোর্টের রায়ের খণ্ডিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্ধকার ভবিষ্যতেরই ইঙ্গিত তুলে ধরছে। হাইকোর্ট সম্প্রতি এক রায়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজার ১৩২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করে চাকরিচ্যুতির নির্দেশ দেন।

ঘটনার তদন্ত ও দোষীদের বিচার হোক-অবশেষে রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ

রেলমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার সাড়ে চার মাসের মাথায় পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ৯ এপ্রিল মধ্যরাতে তাঁর সহকারী একান্ত সচিব, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় মহাব্যবস্থাপক ও রেলের নিরাপত্তা কমান্ড্যান্ট ৭০ লাখ টাকাসহ রেলমন্ত্রীর বাসভবনে যাওয়ার পথে গাড়িচালকসহ বিজিবির সদর দপ্তরের মূল ফটকে আটক হওয়ার পর বিভিন্ন মহল থেকে তাঁর পদত্যাগের যে প্রবল দাবি ওঠে, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অবশেষে তার কাছে নতি স্বীকার করলেন।

জগন্নাথ হলের সেইসব দিন-রাত্রি by অভিরাম ভৌমিক

১৯৭১ সাল। তখন আমার বয়সই বা কত_ ১৮ বা ১৯। ১৯৭০ সালের শেষ ভাগে নিরেট গ্রামের এক ছেলে সম্মান ক্লাসে পড়ার মানসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদে ভর্তি হয়েছি। আমি তখন জগন্নাথ হলের আবাসিক ছাত্র, কিন্তু সুনির্দর্িষ্ট রুম নেই। তাই আমরা ১১ জন থাকি অ্যাসেমবি্ল হাউসের ১১ নম্বর কক্ষে।

আইএমএফ-পশ্চিমা আধিপত্য আর কত কাল? by সারাহ ওয়াইন উইলিয়ামস

ক্ষমতা যখন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করে না, তখন অনিবার্যভাবেই কিছু ক্ষয়ক্ষতি তৈরি হয়। দমিনিক স্ত্রস কানের উত্তরসূরি হিসেবে ক্রিস্টিন লাগার্দকে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্বাচনের বিষয়টি স্পষ্টতই একটি ভাঁওতাবাজি ছিল।

সাময়িক প্রসঙ্গ-হরতালের রাজনীতিতে বাংলাদেশ by তারেক শামসুর রেহমান

বাংলাদেশ আবারও হরতালের রাজনীতিতে প্রবেশ করেছে। ৩৬ ঘণ্টার টানা হরতালের পর ৪৮ ঘণ্টার হরতালও পালিত হলো। বিরোধী চারদলীয় জোটের সঙ্গে এখন হরতালের রাজনীতিতে যোগ দিয়েছে ইসলামী দলগুলো। তারাও হরতাল পালন করছে চলতি সপ্তাহে। সব মিলিয়ে রাজনীতি এখন উত্তপ্ত।

ট্যাবলয়েডের দুর্দিন!

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিডিয়া সংস্থা 'নিউজ করপোরেশনে'র চেয়ারম্যান রুপার্ট কিথ মারডক। মারডক সাম্রাজ্য এতটা দুর্দিন এর আগে কখনও দেখেছে কি? বন্ধ করে দিতে হচ্ছে সর্বাধিক প্রচারিত ট্যাবলয়েড, অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে ব্রিটিশ স্কাই ব্রডকাস্টিংয়ের (বিস্কাইবি) ৬১ শতাংশ শেয়ার দখলের সোনালি সম্ভাবনা, পুলিশি জেরা আর তদন্ত গ্রাস করতে চলেছে সংস্থার একের পর এক রাঘববোয়ালকে।

কাঁটাতারের প্রাচীর-দুর্গের দুয়ারে করি করাঘাত by শেখ রোকন

সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের বহুল প্রচারিত 'অব দ্য রেকর্ড' মন্তব্য নিয়ে যখন ঢাকা-দিলি্ল সরগরম, তখন প্রভাবশালী মার্কিন ম্যাগাজিন 'ফরেন পলিসি'তে অনেকটা নিভৃতে প্রকাশ হয়েছে দু'দেশের কাঁটাতার-লাঞ্ছিত সীমান্ত নিয়ে একটি দীর্ঘ প্রতিবেদন।

অর্থনীতি-কৃষি ভর্তুকির নীতি পর্যালোচনা জরুরি by মাহবুব হোসেন

খাদ্য নিরাপত্তা গোটা বিশ্বের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। একটা সময় ছিল, যখন উন্নত দেশগুলোতে প্রচুর উদ্বৃত্ত খাদ্য থাকত এবং উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত কোনো দেশে খাদ্যের ঘাটতি হলে সেখান থেকে সহজে জোগান আসত। আমাদের দেশেও প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বল্পমূল্য কিংবা বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় চাল-গম সরবরাহ করা হতো।

কুষ্টিয়া শহর রক্ষা বাঁধ-ঠিকাদারদের নিম্নমানের কাজ

অনিয়ম-দুর্নীতির ফেরে পড়ে কুষ্টিয়া শহর রক্ষা বাঁধটি নির্মাণের আসল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বাঁধটির বিভিন্ন কাজে নির্ধারিত উপকরণ ব্যবহার না করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিম্নমানের বা কোথাও কোথাও নির্দিষ্ট উপকরণ না দিয়েই ফাঁকিবাজির মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন হয়েছে দেখিয়ে বরাদ্দ অর্থ

ছাত্র আন্দোলন ও সংগঠন-ইতিবাচক ধারা সৃষ্টির তাগিদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে শিক্ষাঙ্গন ও ছাত্ররাজনীতি প্রসঙ্গে যে বক্তব্য রেখেছেন, তা সব ছাত্রসংগঠনের জন্যই দিকনির্দেশনাপূর্ণ হতে পারে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাড়ে তিন দশক ধরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি_ এ দুটি দলের প্রাধান্য। আইন অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো ছাত্রসংগঠন থাকার

ডিসিসি নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত

ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) নির্বাচনী কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নির্বাচনের তিন মাস আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা এবং আইনানুযায়ী এ সময়ের মধ্যে কাউন্সিলরের সংখ্যা ও ওয়ার্ডের সংখ্যা নির্ধারণ করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আত্মরক্ষার সব চেষ্টাই বৃথা by পার্থ সারথি দাস

গত ৯ এপ্রিল এপিএস ফারুকের গাড়িতে বিপুল অঙ্কের অর্থসহ রেলের অন্য দুই কর্মকর্তা ধরা পড়ার ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি একেক সময় একেক বক্তব্য দিয়ে নিজের দুর্বল অবস্থা প্রকাশ করেন। শেষ পর্যন্ত নিজের পদই হারাতে হয়েছে তাঁকে।

'ঠেলায়' পড়েই বিদায় by পাভেল হায়দার চৌধুরী

অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় বাইরের চেয়ে দলের ভেতরের একটি বড় অংশের চাপে দিশাহারা হয়েই শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। অনেক দেনদরবার করেও শেষ রক্ষা হয়নি। মন্ত্রিসভা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বন্ধু কাউকেই নিজের এ বিপদের দিনে কাছে পাননি তিনি।

প্রমাণ হলো পুরো সরকারই দুর্নীতিগ্রস্ত : বিএনপি

শুধু রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত নন, গোটা সরকারেরই পদত্যাগ দাবি করেছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। তাদের মতে, গুপ্তের পদত্যাগে প্রমাণিত হলো শুধু রেল মন্ত্রণালয়ই নয়, পুরো সরকারই দুর্নীতিগ্রস্ত। তাই সরকারের পদত্যাগ করা উচিত।

আইনের আওতায় আনা হতে পারে সুরঞ্জিতকে by পারভেজ খান

সদ্য বিদায়ী রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ও পূর্বাঞ্চলীয় রেলের মহাব্যবস্থাপকসহ চার ব্যক্তিকে ঘুষের বস্তাভরা টাকাসহ আটকের পর ছেড়ে দেওয়া নিয়ে ঝড় উঠেছে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের ঊর্ধ্বতন মহলে। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ ঘটনার পর নথি তৈরি করে আটককৃতদের থানায় সোপর্দ করা ও মামলার পরিকল্পনাও নিয়েছিল।

সুরঞ্জিতের পদত্যাগ

সারা জীবন 'বড় গলায়' কথা বলতে বলতে শেষ বেলায় এসে নিজেই 'ছোট' হয়ে গেলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। অর্থ কেলেঙ্কারির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার 'দায় কাঁধে' নিয়ে গতকাল সোমবার রেলমন্ত্রীর পদ ত্যাগ করলেন তিনি। গতকাল দুপুরে রেল ভবনে ১৮ মিনিটের সংবাদ সম্মেলনে বিমর্ষ, বিরক্ত, হতাশ, ক্ষুব্ধ সুরঞ্জিত তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

আইএমএফের ঋণ-শর্তের বেড়াজালে দেশ

দেখেশুনে মনে হচ্ছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে দেশ। বর্তমান সরকারকে প্রথম দিকে আইএমএফের শর্তের ধরনের কারণে ঋণ গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করতে দেখা গেছে। খোদ অর্থমন্ত্রীই বলেছিলেন, 'আমাদের ব্যালান্স অব পেমেন্ট ভালো আছে।

সুরঞ্জিতের পদত্যাগ-এবার উন্মোচিত হোক রহস্য

একটু দেরিতে হলেও রাজনীতিক হিসেবে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত একটি সঠিক ও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিপুল পরিমাণ টাকাসহ তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী বিজিবির হাতে আটক হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া হয়। দেশের সংবাদমাধ্যমে এক সপ্তাহ ধরেই বিষয়টি ছিল আলোচনার শীর্ষে।

পবিত্র কোরআনের আলো-ছলনাকারীরা আত্মদহনে জ্বলবে আর সত্য ও ন্যায়ের ধারকদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ

১১০. লা-ইয়াযা-লু বুনইয়া-নুহুমু ল্লাযী বানাও রীবাতান ফী ক্বুলূবিহিম ইল্লা- আন তাক্বাত্ত্বাআ' ক্বুলূবুহুম; ওয়াল্লা-হু আ'লীমুন হাকীম। ১১১. ইন্না ল্লা-হা শ্তারা- মিনাল মু'মিনীনা আনফুছাহুম ওয়াআমওয়া-লাহুম বিআন্না লাহুমুল জান্নাহ্; ইউক্বা-তিলূনা ফী ছাবীলি ল্লা-হি ফাইয়াক্বতুলূনা ওয়াইউক্বতালূনা ওয়া'দান আ'লাইহি হাক্কান ফিত্ তাওরা-তি ওয়ালইনজীলি ওয়ালক্বুরআ-ন; ওয়ামান আওফা- বিআ'হ্দিহী মিনা ল্লা-হি ফাছ্তাব্শিরূ বিবাইয়ি'কুমু ল্লাযী বা-ইয়া'তুম্ বিহী; ওয়াযা-লিকা হুওয়াল ফাওযুল আ'যীম।

১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগর সরকারের শপথ by এস এম রশীদ

১৭ এপ্রিল বাঙালি জাতির আরেকটি গর্বের এবং গৌরবের দিন। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১-এ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা জনসম্মুখে শপথ গ্রহণ করে। দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননের উন্মুক্ত স্থানে বাঙালিদের প্রথম জনগণের সরকার দেশ পরিচালনা এবং দেশমাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করার শপথ গ্রহণ করে।

চালচিত্র-রাজনীতি একটা জায়গায় থেমে আছে আবার কি ওয়ান-ইলেভেনের পদধ্বনি! by শুভ রহমান

কোনো কিছুই এগোচ্ছে না। সব কিছুর চালিকাশক্তি যে আসলে রাজনীতি, সেটাই আবার প্রমাণিত হচ্ছে। অথচ দেশে কার্যত রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে একের পর এক কিছু আপাত 'হট ইস্যু' এসে একটা আরেকটাকে চাপা দিয়ে যাচ্ছে।

চরাচর-নাসিরনগরের 'বড় বাড়ি' by বিশ্বজিৎ পাল বাবু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর গ্রাম। সড়কের পাশ ঘেঁষেই দাঁড়িয়ে আছে 'বড় বাড়ি'। বাড়ির বাইরে থেকে কিছুই বোঝার উপায় নেই। অনেক বড় বারান্দা ডিঙিয়ে মূল বাড়ি। দ্বিতল সুবিশাল বাড়ি। সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতেই কারুকার্যখচিত দেয়াল।

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সংকট উৎপাদন ও জনজীবনে আঘাত by ইফতেখার আহমেদ টিপু

মহাজোট সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেলেও একই সময়ে চাহিদা বেড়েছে স্পুটনিক গতিতে। চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন ঘাটতি বিদ্যমান সংকট আরো ঘনীভূত করে তুলছে। বিদ্যুৎ ঘাটতি নিয়ে ত্রিশঙ্কু অবস্থায় পড়েছে সরকার।

কল্পকথার গল্প-অন্ধকার ও অ্যালান পোর গল্প by আলী হাবিব

আবহাওয়া ভালো যাচ্ছে না। সকালে মেঘে ঢাকা আকাশ, দুপুরে বৃষ্টি। আবার দুপুরে বৃষ্টি তো রাতে গরম! গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। এই আসে, এই যায়। লোডশেডিং নামের ব্যাপারটি নাকি রুটিন মেনে ঘটে। তেমনটি কিন্তু ঘটছে না। রেন্টাল, কুইক রেন্টাল- কোনো কিছুতেই কাজ হচ্ছে না।

গণতন্ত্রের পথঘাট by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

গণতন্ত্রে পথঘাট যে মোটেই মসৃণ নয়, বরং আগাগোড়াই এবড়োখেবড়ো ও বিঘ্নসংকুল, সেটা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে। পৃথিবীজুড়ে মানুষ সেটা বুঝতে পারছে, বুঝতে হচ্ছে আমাদেরও। কিন্তু আসল সমস্যাটা কী? সেটা কোথায়? গণতন্ত্রের জন্য এত যে আকাঙ্ক্ষা, তাকে আনার ব্যাপারে এমন যে সাধ্যসাধনা, তবু গণতন্ত্র আসে না কেন? বলা যাবে

আশার আলো

বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সংকুচিত হয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে যে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন কেটে যাওয়ার পথে। এমন আশা জেগেছে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্প্রতি সম্পাদিত একটি চুক্তির পর। এই চুক্তি মোতাবেক সৌদি আরবে প্রতিমাসে গড়ে ১০ হাজার শ্রমিক রপ্তানির সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ।

এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করুন

গ্যাস নিয়ে চরম অস্বস্তিকর অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই। একদিকে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া বন্ধ, অন্যদিকে সরবরাহ লাইনে গ্যাস সংকট। বাসাবাড়িতে দিনে চুলা জ্বলে না। বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শুরু করে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় গ্যাস সরবরাহ ও উৎপাদন নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়েছে।

পবিত্র কোরআনের আলো-কাফেরদের ঢিলে দেওয়া হয়েছে যেন তাদের পাপের বোঝা ভারী করতে পারে

১৭৭. ইন্নাল্লাযীনা শ্তারাউল কুফরা বিলঈমানি লাইঁয়াদ্বুর্রুল্লা-হা শাইয়া-; ওয়ালাহুম 'আযা-বুন আলীম।
১৭৮. ওয়ালা ইয়াহ্ছাবান্নাল্লাযীনা কাফারূ আন্নামা- তুমলী লাহুম খাইরুন লিআনফুছিহিম; ইন্নামা নুমলী লাহুম লিইয়ায্দা-দূ ইছমান; ওয়ালাহুম 'আযা-বুম্ মুহীন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের প্রস্তুতি কতটুকু? by ইফতেখার আহমেদ টিপু

প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই এখন সময়ের দাবি। ভূমিকম্প এমন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যার পূর্বাভাস দেওয়ার মতো জ্ঞান মানুষের অজানা। ভূমিকম্প রোধের কোনো উপায়ও আমাদের জানা নেই। আমাদের দেশের ইতিহাসে ৯৩ বছর আগে সিলেটের শ্রীমঙ্গলে সর্বশেষ বড় মাপের অর্থাৎ ৭ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হয়েছিল।

ছাঁচ পুরনো কথা নতুন

কিছু কঠিন কঠিন শব্দ ও শব্দগুচ্ছ নিয়ে আজ কথা বলব। : কঠিন বিষয়, কঠিন সমস্যা_এগুলোকে আমি সব সময় ভয় করি। : তার পরও আপনার কাছে কয়েকটা বিষয় জানতে চাইব। কিছু কিছু লোক তাদের কথায় আর বক্তৃতায়, বিবৃতিতে ফ্যাসিবাদ, আদিপত্যবাদ ইত্যাদি শব্দ খুব ব্যবহার করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস : অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ করুন by ড. মুনীরউদ্দিন আহমদ

প্রতিবছরের ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়। এ বছরের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স : নো অ্যাকশন টু ডে, নো কিউর টুমরো (অ্যান্টিমাইক্রোয়াল রেজিস্ট্যান্স : আজ ব্যবস্থা না নিলে কাল কোনো চিকিৎসা থাকবে না)।

চরাচর-হারিয়ে যাওয়া গ্রাম by সাইফুল ইসলাম

মানুষ একসময় খাদ্যের সন্ধানে দলবদ্ধভাবে ঘুরে বেড়াত সারা পৃথিবীতে। খুব সম্ভব সে সময়ই একেকটি দল ভালো জলবায়ু-প্রকৃতি-মাটি পেয়ে এ দেশে গড়ে তোলে একেকটি গ্রাম। পরিবারগুলোর আলাদা আলাদা বাড়ি হলেও সে সময় গ্রামে রাখা হতো একটি বারোয়ারি ভূমি_যাকে বলা হতো চণ্ডীমণ্ডপ, হরিসভা, ভগবানগোলা, পঞ্চায়েত ইত্যাদি।

বিস্তৃত অন্ধকার ও একটি হরতাল by লুৎফর রহমান রনো

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য শিক্ষা বা জ্ঞানার্জন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 'ফরজ' তো তা-ই, যা অবশ্য করণীয় অর্থাৎ বাধ্যতামূলক। মানুষের জীবন পশুর জীবনের চেয়ে আলাদা করে রেখেছে যে বিষয়টি, তা হলো শিক্ষা। পশু জন্ম নেয়, বড় হয় ও মরে যায়_আজীবন তার প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ করার জন্য লড়তে হয়।

হিলারি ম্যাডামের 'ব্লেক বোমা'

শৈশবে একজন মিস্টার হিলারির নাম শুনে শিহরিত হয়েছিলাম। পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতচূড়াটি একজন বাঙালি রাধাবাবু আবিষ্কার করলেও ব্রিটিশ 'ছিনতাই-সভ্যতা' ওটি জনৈক এভারেস্ট সাহেবের নামে চির পরিচিতি দিয়ে দিয়েছে। ওই এভারেস্ট চূড়াটিতে ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের (এটিরও মূল নাম 'আর্টেরিও',

মৌলবাদ বনাম গণতান্ত্রিক চেতনা by হায়দার আকবর খান রনো

হঠাৎ করে ধর্মব্যবসায়ী মৌলবাদী গোষ্ঠীর আস্ফালন খুব বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। হঠাৎ করেই বা বলি কী করে, এরা বরাবরই যত রকম পশ্চাৎপদ ধারণা, নারীবিদ্বেষী মনোভাব ও বাঙালি সংস্কৃতিবিরোধী মতবাদ প্রচারে বেশ তৎপর ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ সাধারণভাবে ধর্মভীরু হলেও গণতান্ত্রিক চেতনাসম্পন্ন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না

৩৬৮ স্বাধীনতার চার দশক উপলক্ষে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ধারাবাহিক এই আয়োজন। আবুল হাশেম, বীর প্রতীক বিপর্যয়েও সাহস হারাননি মুখোমুখি মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। মধ্যরাতে শুরু হলো প্রচণ্ড রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধারা এক কোম্পানি। তাঁরা কয়েকটি দলে (প্লাটুন) বিভক্ত। ৯ নম্বর প্লাটুনে আছেন আবুল হাশেম।

৩৩তম বিসিএস-পরীক্ষার কার্যক্রম তিন সপ্তাহের জন্য স্থগিত

৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার কার্যক্রম তিন সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে অনলাইনে আবেদন করা এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদ ও বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

মৈত্রীবন্ধন: এগিয়ে চলো-সাহিত্যিকদের মধ্যে যোগাযোগ দুই বাংলার সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করবে by অমর সাহা

দুই বাংলার সাহিত্যিক-শিল্পীদের মধ্যে যোগাযোগ ও ভাববিনিময়ের ওপর জোর দিয়েছেন ভারত-বাংলাদেশের সাহিত্যিকেরা। দুই বাংলার সাহিত্যিক ও শিল্পীরা মুখোমুখি হয়ে সাহিত্যের আদান-প্রদান করলে দুই দেশের সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

সহজিয়া কড়চা-টাকার কথা by সৈয়দ আবুল মকসুদ

টাকা। দুনিয়ার দুটি সবচেয়ে মধুর শব্দের একটি। বাংলাদেশি মুদ্রার নাম টাকা। আমি যেকোনো দেশের যেকোনো কালের মুদ্রাকেই টাকা বলছি। এই শব্দ কানে গেলে মৃতপ্রায় মানুষও প্রাণশক্তি ফিরে পায়। টাকার আরেক নাম অর্থ। কোনো এক বাঙালি মনীষী বলেছেন, অর্থই অনর্থের মূল।

কলাম-একটি ডিজিটাল বিপর্যয় by মুহম্মদ জাফর ইকবাল

বর্তমান সরকার একটা বড় কাজ করেছে—এই দেশের সব মানুষকে ‘ডিজিটাল’ শব্দটি শিখিয়ে দিয়েছে। প্রথম প্রথম শব্দটা নিয়ে একটু বিভ্রান্তি ছিল, এখন সেই বিভ্রান্তি নেই। তবে ডিজিটাল সাফল্যের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে ডিজিটাল বিপর্যয় হয়ে কিছু একটা যে বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে না তা নয়।

সরল গরল-সুরঞ্জিতের রাজনৈতিক ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’! by মিজানুর রহমান খান

রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পদত্যাগের ঘোষণা বাংলাদেশের ঘুষ-দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতির ইতিহাসে একটি চমকপ্রদ ও স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে। তাঁর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে ‘টাকার বস্তা’ উপাখ্যানে ছেদ পড়বে, যবনিকাপাত ঘটবে না। দেশবাসী পরের অঙ্কের দিকে তাকিয়ে থাকবে।

গাড়িচালক আজমের মায়ের আকুতি-‘ওর মুখটা এট্টু দেখতে চাই’

‘আমার পোলাডা কই? ওরে আমার বুহে আইন্না দাও। ওর চাকরির দরকার নাই। আমি কেল (কেবল) ওর মুখটা এট্টু দেখতে চাই।’ কাঁদতে কাঁদতে গতকাল সোমবার কথাগুলো বলছিলেন আলোচিত গাড়িচালক আলী আজমের মা মাজেদা বেগম (৬৫)। ছেলের কথা বলতে বলতে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন তিনি।

রাজনীতিরও যাত্রাবিরতি-মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন সুরঞ্জিত

১৬ এপ্রিল পদত্যাগ
সংবাদ সম্মেলনে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ব্যর্থতার দায়ভার কেবল আমারই। তাই আমি পদত্যাগ করছি
৯ এপ্রিল কেলেঙ্কারি
রেলমন্ত্রীর এপিএস, রেলের পূর্বাঞ্চলীয় জিএম ও কমান্ড্যান্ট বিপুল পরিমাণ টাকাসহ বিজিবি সদর দপ্তরে ধরা পড়েন। এ টাকা রেলমন্ত্রীর বাসায় নেওয়া হচ্ছিল অভিযোগ তুলে বিভিন্ন মহল থেকে তাঁর পদত্যাগের দাবি ওঠে
২৮ নভেম্বর শপথ
৫৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রথমবারের মতো মন্ত্রিত্বের শপথ নেন গত বছরের ২৮ নভেম্বর। মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর রেল খাতে লোকসানের পেছনের কালো বিড়ালকে খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দেন
মধ্যরাতের অর্থ কেলেঙ্কারির সব দায় কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করলেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। এর মাধ্যমে তাঁর ১৪১ দিনের সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিজীবনের সমাপ্তি হলো। ‘যাত্রাবিরতি’ হলো ৫৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনেরও।
গতকাল সোমবার পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে এসে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পদত্যাগের অভিপ্রায় গ্রহণ করি। উনি সাগ্রহে সম্মতি দিয়েছেন। তাই আমি সমস্ত ব্যর্থতার দায়দায়িত্ব মাথায় নিয়ে রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।’
প্রবীণ এই রাজনীতিক আরও বলেন, ‘তদন্তের মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করে আবারও রাজনীতিতে ফিরে আসব।’ তাহলে কি আপনি রাজনীতি থেকেও সরে যাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে যাত্রাবিরতি।’ এরপর আর কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়েই তিনি চলে যান।
গত রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে গণভবনে ডেকে নেন। এর পর থেকেই তাঁর পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি পদত্যাগ করতে চাননি। তিনি মন্ত্রী থেকেই লড়তে চেয়েছিলেন। সর্বশেষ পদত্যাগের পরও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে থাকা যায় কি না, তাঁর পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
গতকাল সকাল থেকেই গণমাধ্যমকর্মীরা রেল ভবনে অপেক্ষা করতে থাকেন। একটি কালো জিপে করে তিনি রেল ভবনে আসেন দুপুর ১২টা ৪৮ মিনিটে। তখনো তাঁর গাড়িতে পতাকা উড়ছিল। সংবাদ সম্মেলনকক্ষে আসেন বেলা একটা ১৫ মিনিটে। পরনে ছিল সাদা পাঞ্জাবি ও বাদামি কোট, হাতে কিছু কাগজ। বক্তব্য দেওয়ার সময় কাগজে চোখ রাখছিলেন তিনি।
পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার সময় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পাশে ছিলেন রেল বিভাগের সচিব ফজলে কবির এবং রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু তাহের। পদত্যাগের পর সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত রেল ভবনের ষষ্ঠ তলায় যান। সেখানে রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান তাঁকে। বেলা তিনটার পরপরই গাড়ির পতাকা নামিয়ে রেল ভবন ত্যাগ করেন তিনি।
সকাল থেকেই সুরঞ্জিতের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জ এবং সিলেট অঞ্চলের অনেক নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেল ভবনে আসেন। তাঁদের জিজ্ঞাসা ছিল, সত্যিই কি দাদা পদত্যাগ করবেন! পদত্যাগ করার পর অনেকেই মন খারাপ করেন, কাউকে কাউকে কাঁদতেও দেখা যায়। তাঁদের একজন বলেছেন, ‘দাদা রাজনীতিতে পোড় খাওয়া হলেও প্রশাসন চালাতে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।’
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘৯ এপ্রিলের অনভিপ্রেত ঘটনা আমাকে হকচকিত করেছে। এ ঘটনায় আমার এপিএস এবং রেলওয়ের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাসহ রেলের আরেকজন কর্মচারী নিয়োজিত ছিলেন। সুতরাং, এ দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের মন্ত্রণালয়ে বর্তায়। আমার স্বল্প সময়ে নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্বচ্ছতা, প্রগতিশীলতা আনতে গিয়ে যেভাবে হোঁচট খেয়েছি, এর সকল ব্যর্থতার দায়ভার কেবল আমারই।’
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আরও বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, আমাদের ৪০ বছরের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে গণতন্ত্রের কেবল সুবিধা ভোগই আমরা করেছি। কিন্তু গণতন্ত্রের সংকটে আত্মত্যাগ করতে আসিনি। আজকে এই পরীক্ষার সম্মুখে এসে, জীবনের সায়াহ্নে এসে আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, ওই ঘটনার সঙ্গে আমার পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তার পরও আমি আজ গণতন্ত্রকে পরিশীলিত ও পরিমার্জিত করার জন্য একটি সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। আমি আমার জীবনে এ রকম অনেক সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কখনো নিঃসঙ্গভাবে নিয়েছি, কখনো আশেপাশে বন্ধুবান্ধবকে পেয়েছি। আজকে নিঃসঙ্গভাবেই আমি এ সিদ্ধান্ত, দায়িত্ব নিতে চাই।’
পদত্যাগের কথা বলতে গিয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পেছনে ফিরে যান। বলেন, ‘আমার নিজের বিবেক, রাজনৈতিক চেতনা, অতীতের সকল রাজনীতির ধারাবাহিকতা এবং আমার একটি স্বভাবসিদ্ধ বৈশিষ্ট্য আছে, তার কারণে আমাকে অনেক সুহূদ সাংবাদিক, শুভানুধ্যায়ী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে সুষ্ঠু তদন্তের সুযোগ করে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।’
বর্তমান সময়কে সংকটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই নেতা বলেন, ‘আমি একটি দ্বন্দ্বের মুখোমুখি। আমার সামনে কঠিন পথ। প্রচলিত গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বাইরে গিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করা—এ রকম সময় সবার রাজনৈতিক জীবনে আসে না। আমি উচ্চকণ্ঠে বলতে চাই, আমি দল, সরকার, আমার দলের প্রধান নেত্রীর দায় হতে চাই না। আমি কারও বোঝা হতে চাই না। আমার যে পদক্ষেপে দল, সরকার ও নেত্রীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়, সেটাই করি।’
রেলমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ওমর ফারুক তালুকদার, রেলের পূর্বাঞ্চলীয় মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ইউসুফ আলী মৃধা ও নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট এনামুল হক ৯ এপ্রিল মধ্যরাতে বিপুল টাকাসহ ধরা পড়েন। সেদিন সারা রাত তাঁদের বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় আটকে রেখে পরদিন ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে গাড়িচালক আজম খানের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। টাকার অঙ্ক সম্পর্কেও তিন রকম তথ্য পাওয়া গেছে। কেউ বলছেন ৩০ লাখ, কেউ বলছেন ৭০ লাখ আবার কারও মতে, আরও বেশি।
এ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, গণমাধ্যম, বুদ্ধিজীবী মহল, সুশীল সমাজ এবং দলেরও দু-একজন ছাড়া সবাই তদন্ত প্রভাবমুক্ত হবে কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। অনেকেই মনে করেন, তিনি দায়িত্বে থাকলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। পদত্যাগের মাধ্যমে এই শঙ্কা, সংশয় ও সন্দেহ দূর হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর ৯ এপ্রিলের ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে আর কোনো বক্তব্য দেবেন না তিনি। কারণ, এতে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। দ্রুত তদন্ত দাবি করে তিনি বলেন, দ্রুত তদন্ত হলে এ নিয়ে কারও রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে না।
ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর পদত্যাগ করার কারণ ব্যাখ্যা করে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্যই তিনি সময় নিয়েছেন। এর মধ্যে দুটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। গত রোববার কমিটির প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। নইলে তাঁরা আদালতে গিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে পারতেন।
গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে পদত্যাগী এই মন্ত্রী বলেন, ‘সব সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে আমার হূদ্যতা ছিল। কখনো নিজেই সংবাদ সৃষ্টি করে সহযোগিতা করেছি। কখনো কখনো নিজেই সংবাদের শিরোনাম হয়েছি। আজ আবারও শিরোনাম হয়ে আপনাদের সহযোগিতা করলাম।’
বিদায়বেলায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত রেলের কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেন। বলেন, রেলওয়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী সৎ ও নিষ্ঠাবান। তাঁরা নিরলস পরিশ্রম করেন। কতিপয় দুর্নীতিবাজ লোকের জন্য সবার বদনাম করা ঠিক নয়।
==========
প্রথম আলো'র পাঠকদের মন্তব্য সহ......
A.W.Haq
A.W.Haq
২০১২.০৪.১৭ ০২:০৫
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ।মাইক্রোবাসের চালক আলী আজম কোথায় তার পরিবারের মত আমরাও জানতে চাই। এখন দুদকের কাজ হবে চালক আলী আজমকে খোজে বের করা আর এই বিশাল অপরাধ চক্রের সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের জন্য আইনের কাঠগড়ায় আনা ও দোষীদের সাজা দেওয়া । ।সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত থেকে ,ওমর ফারুক,ইউসুফ আলী মৃধা,এনামুল ও অন্যান্য সব অপরাধিদের গ্রেপ্তার,ব্যাংক- ধনসম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা ।
z kabir
z kabir
২০১২.০৪.১৭ ০২:১৪
আজকের পূর্বে কখনও আপনাকে সুস্থ মস্তিস্কধারি মনে হয়নি, আর মনে হওয়ার খুব কারনও জানা ছিলনা। তারপরও বাংলাদেশে আজ আপনি যে দ্রিস্টান্ত আপনি স্থাপন করলেন তার জন্য আপনাকে স্যালুট না জানিয়ে পারছিনা। আপনার এই সাহসী পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। হয়তো আপনি দুষী প্রমানিত হবেন অথবা নির্দোষ, যাই হোক না কেন আপনার সাহসিকতার জন্য আবারও স্যালুট আপনাকে।
২০১২.০৪.১৭ ০২:২৩
ঘটনা যাই হোক না কেন, দাদা এক ভিণ্ণ উদাহরন সৃষটি করলেন, যা এর আগে কোন মন্ত্রী করেননি। শুভ কামনা।
Sarwar
Sarwar
২০১২.০৪.১৭ ০২:২৭
পদত্যাগ করে মহৎ দৃষ্টান্ত রেখেছেন কিন্তু আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিশোধ নিয়েছেন । কালো বিড়াল মনে হয় উনাকে-ই কামড় দিছে । আর এই কাল বিড়াল প্রধানমন্ত্রী ই পুষেছেন । কালো বিড়ালের কামড়ে রেলমন্ত্রী আহত ।
ROB
ROB
২০১২.০৪.১৭ ০২:২৮
I am not surprised!!!!
Muhammad Shah Alam
Muhammad Shah Alam
২০১২.০৪.১৭ ০২:৩০
Someone needs to begin !
Many can learn !
Good for Democracy,
Example for the Nation !
Shipon
Shipon
২০১২.০৪.১৭ ০২:৩৫
Great man! excellent decision!! now we should learn from him, specially who are link with politics. this is the first time in Bangladesh who is willingly left ministry. we should proud for him. thanks dada.
প্রকৌশলী মোঃ  লিয়াকত আলি খান
প্রকৌশলী মোঃ লিয়াকত আলি খান
২০১২.০৪.১৭ ০২:৪১
বোধ করি সংবাদটার শিরোনাম হওয়া উচিত ছিল "মন্ত্রিত্ব গেলো সুরঞ্জিতের"" কেননা উনিতো আর সেচ্ছায় ম্যাজিক চেয়ারটি ছারেন নাই। পুরাপুরি বাধ্য হয়েই ওনাকে চেয়ারটির মায়া ছাড়তে হয়েছে।
Mehedi Hasan Rony
Mehedi Hasan Rony
২০১২.০৪.১৭ ০২:৫২
আরো আগে একে দল থেকে বের করে দেওয়া উচিত ছিল।
syed mobnu
syed mobnu
২০১২.০৪.১৭ ০২:৫৩
আঙ্কেলকে ধন্যবাদ মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনি যে আঙ্কেলকে রাজি করিয়ে সরিয়ে দিয়েছেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার খুব কষ্ট লাগছে আঙ্কেলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কলঙ্ক দেখে।
afsar ahmed
afsar ahmed
২০১২.০৪.১৭ ০৩:০৮
আমরা জানিনা আসলেই কি হয়ে ছিল । তবে যাই হোক আপনার কাছ থেকে আমরা কোনো দিন ই তা আসা করি নি ।
Nehal
Nehal
২০১২.০৪.১৭ ০৩:১৪
Sounds like this is a gift from PM for minus two formula !!!
mohammad rahman
mohammad rahman
২০১২.০৪.১৭ ০৩:৩৬
শেখ হাসিনা আর খালেদার বিরুদধে অনৈতিকতার একাধিক মামলা রয়েছে ! তাদের উচিত রাজনীতি থেকে সাময়িক অবসর নিয়ে অতি দ্রুতট্রাইব্যুনালে ১ বছরের মধ্যে মামলা নিষপওিতে সাহায্য করা ! বিচার কার্য প্রণালী সরাসরী মানুষক অব হিত করা উচিত ! এখানে উললেখ্য আগরতলা মামলার দৈননদিন কার্য প্রণালী তখন পএ পএিকায় প্রকাশিত হত রোজ । বাংলাদেশের গনতানএিক সরকার ভিাইপি মামলার কার্য প্রণালী মিডিয়ার মারফতে মানুষকে অবহিত করতে পারে !
Habibullah Mizan
Habibullah Mizan
২০১২.০৪.১৭ ০৩:৪৪
গত রবিবার তাকে যখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন যে,মধ্য রাতের এ কেলেংকারির দায়ভার নিয়ে তিনি পদত্যাগ করবেন কি না। উত্তরে দাদা সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন যে,তাঁর পদত্যাগের প্রশ্ন উঠছে কেন। তার একদিন পরেই দাদা পদত্যাগ করলেন ঠিকই,তবে প্রধানমন্ত্রীর কড়া ধমক খেয়ে। কিন্তু শেষ বেলায়ও দাদা একটা চরম মিথ্যা কথা বলে গেলেন। প্রিয় বন্ধুরা,আপনারা বলেন তু দেখি সুরঞ্জিত দা'র ঐ শেষ মিথ্যা কথাটি কি?
Tutul
Tutul
২০১২.০৪.১৭ ০৩:৪৪
৫৫ বসরের রাজনৈতিক জীবন মাত্র ৫ মাসে শেষ.পদত্যাগ যখন করবেন প্রথম দিন কেন করেননি.আসলে সেন বাবু মন্ত্রিত্বের লোভ ছাড়তে পারেননি.দেখা যাক উনি আবার রাজনীতিতে ফিরতে পারেন কিনা.
Chowdhury
Chowdhury
২০১২.০৪.১৭ ০৩:৫৫
শেষ পযন্ত ধাক্কা দিয়ে বের করতে হল আপনাকে। "তদন্তের মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করে "" কি করে নিজেকে নির্দোষ প্রমান করবেন ?? চালক ফারুক এপিএস, রেলের পূর্বাঞ্চলীয় জিএম ও কমান্ড্যান্টকে দিয়ে বক্তব্য দেওয়াবেন যে, এই ঘটনায় মন্ত্রীর কোন হাত নাই ? তাদের এই রকম বক্তব্য জনগন মেনে নিবে, বিসবাস করবে ?, আপনার রাজনৈতিক জীবন এখানেই শেষ। গুড়বাই।
Abdul Halim Miah
Abdul Halim Miah
২০১২.০৪.১৭ ০৪:০৩
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর পদত্যাগে আমি সহ বাংলার কোটি জনতা যারপর নাই খুশী হয়েছি। দেরীতে হলেও স্বাগতম।
Mohammed
Mohammed
২০১২.০৪.১৭ ০৪:০৫
Politics is an ugly game played by wearing beautiful masks!
salim
salim
২০১২.০৪.১৭ ০৪:১০
যুদ্ধে পঙ্গু সৈনিকের কোনো মূল্য নেই, সরকারের শেষ সময়ের যুদ্ধে সেনাপতি (প্রধানমন্ত্রী) সেটা অনুধাবন করতে পেরেছেন,এটাই জয়ের পথের আলোকবর্তিকা...ধন্যবাদ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে।
mofashir
mofashir
২০১২.০৪.১৭ ০৪:১৫
বাংলাদেশর রাজনীতিতে রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের পদত্যাগের মাধ্যমে নতুন অধ্যাইয়ের সৃষ্টি হল ।আর পদত্যাগের মাধ্যমে তিনি যে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে গেলেন তা বাংলাদেশের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে ।
Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
২০১২.০৪.১৭ ০৪:২২
রেলমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করায় বাবু সুরন্ঞ্জিত সেন গুপ্তকে ধন্যবাদ । পদত্যাগের মাধ্যমে গনতন্ত্রের বিজয় হয়েছে । ইচ্ছায় হোক আর ইচ্ছার বিরুর্দ্ধে হোক ,নবগঠিত রেল মন্ত্রানালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে পদত্যাগ করাটা ইতিহাস সৃষ্টি এবং নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের সূচনা করলো । পদত্যাগ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে হোক আর দূর্নীতিতে জড়িত থাকার কারনেই হোকনা কেন বিষয়টি আগামীতে জাতীয় রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে বাধ্য । যদিও এপিএস এবং রেল কর্মকর্তাদের তাকে ঘিরে অর্থ কেলেঙ্কারীর কারনে তার পদত্যাগ করা অবধারিত হয়ে উঠছিল । পদত্যাগের ফলে ঘটে যাওয়া ঘটনার দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হল মাত্র । বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন মন্ত্রীর বিরুর্দ্ধে সকল মহল থেকে এমন জোড়ালো পদত্যাগের দাবি ছিল প্রথম । ঘটনাটি ঘটেছে বেশ কিছু হতে চলছে কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি । বিজিবির হাতে আটকের পর থেকে বাকিরা ছাড়া পেলেও নিরাপরাধ ড্রাইভারের হদিস না পাওয়ায় সবার মাঝে সন্দেহের দানা বাধছে । পদত্যাগে কি শেষ ? না তা হতে দেয়াটা ঠিক হবেনা । এটা আমাদের মনে রাখতে হবে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের দূর্নীতির কারনে যোগাযোগ মন্ত্রানালয়কে ভেঙ্গে রেল মন্ত্রাণালয় গঠন করে সুরন্ঞ্জিতকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল । তাই শুধু পদত্যাগের মাধ্যমে নয় বিচারের মাধ্যমে সকল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটুক এটাই দেশবাসীর চাওয়া ।
২০১২.০৪.১৭ ০৪:৪২
Papi ke ghrina koro, pap ke noy..............coz, pap was created by papi.
Melon Pathan
Melon Pathan
২০১২.০৪.১৭ ০৪:৫৪
সরকারের যে ঘনিষ্ঠ সুত্রের কথা সংবাদে ছাপা হয়েছে এই ঘনিষ্ঠ সুত্রের কথাটি প্রকাশ করুন।
Maniur Rahman
Maniur Rahman
২০১২.০৪.১৭ ০৫:০৮
'অর্থই অনর্থের মূল' এই কথাটি অনেকাংশেই সত্য। দেশে দেশে যত অনর্থ সৃষ্টি হয়েছে তার অনেক ঘটনার পেছনেই এই অর্থ জড়িত। প্রশ্ন হলো জীবন ধারনের জন্য মানূষের কত টাকার প্রয়োজন পড়ে? শুধু টাকাই কি মানুষের জীবনের সকল সুখ-সম্মান এনে দিতে পারে? বাস্তবে প্রচুর অর্থশালী হয়েও অনেকে প্রকৃত সুখের দেখা পাননা। আবার সামান্য আয়ের টাকায়ও মানুষ পরিপুর্ণ সুখী জীবিন অতিবাহিত করেন। এখানে পার্থক্য শুধু চাহিদার উপর। মানুষ জীবনের চাহিদাকে যত বেশী বাড়াবে, তার জীবনে অশান্তিও তত বাড়বে। আর চাহিদা যত কম থাকবে, তার জীবনে অশান্তিও তত কম আসবে।
আমাদের দেশের বা পৃথিবীর যে কোন দেশেরই একজন মন্ত্রী হওয়া কিন্তু কম সৌভাগ্য বা কম গৌ্রবের নয়। আর কয়জন মানুষই বা মন্ত্রী, এমপি বা সরকারী বড় কোন কর্মকর্তা হতে পারেন? কর্ম জীবনে তারা যে স্বাভাবিক সুযোগ-সুবিধাদি পেয়ে থাকেন তা আর দশটা মানুষের তুলনায় অনেক বেশী। তারপরও কেন তাদের আরো বেশী অর্থের প্রতি এত লোভ? আর এই লোভ করতে গিয়ে অসৎ উপায়ে অর্থ অর্জনের চেষ্টা। কিন্তু ফলাফল শেষ পর্যন্ত কি দাঁড়ালো? অর্থও গেল, মানও গেল আরো গেল সারা জীবনের সঞ্চিত সকল গৌ্রব-সম্মান। রইল শুধু চরম অপমান আর কালিমা যা বয়ে বেড়াতে হবে সারা জীবন। এখন কি হবে এত সব টাকা দিয়ে? সুতরাং বেশী টাকা আর নয়।
Ruhel  Ahmed
Ruhel Ahmed
২০১২.০৪.১৭ ০৫:১৪
সর্বশেষ পদত্যাগের পরও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে থাকা যায় কি না, তাঁর পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে'' কি স্বাদ মন্ত্রীত্বে !বাংলাদেশে এর চেয়ে এত উচ্চ আয়ের পদ কি আর আছে ?
tareq
tareq
২০১২.০৪.১৭ ০৫:২৪
I salute this great leader and appreciate his remarkable decision....hope politics of Bangladesh will change.
Shoyeb Miah
Shoyeb Miah
২০১২.০৪.১৭ ০৫:৩৮
I appreciate your decision of resignation from the Post of Railway Minister since you failed to bring even a slight change in the railway sector.
Khairul Alam
Khairul Alam
২০১২.০৪.১৭ ০৬:৩৩
I think this is a significant millstone in Bangladeshi political history.
It is my cordial gratitude to Mr Gupta making this example of best practice & positive political style. His decision will be creating an example in Bangladeshi politics. We must respect this great politician because he has stepped down despite the real & true fact that it is still not proven & no one able to give 100% confirmed evidence that Mr Gupta was involved. But still he is resigning just because people are in doubt.
We must think and compare the action this great politician has taken versus the activities taken by others in the past. In particular, the scale of corruption made by Mr Rahman, his family and their associates just few years ago during the previous political government. Did they resign; did they feel sorry to nation?
And I believe the reason why a country can’t make much progress along a linear path instead moving around a circular path (where repetitions are eminent) is : People of that country forget the history so quickly that allows repetition.
আলী রেজা
আলী রেজা
২০১২.০৪.১৭ ০৭:১৮
আপনি নির্দোষ কিনা; তদন্তসাপেক্ষ ব্যাপার। তবে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে আপনার এই রাজনৈতিক আত্মত্যাগ, আমাদের সকল রাজনীতিক, আমলা, দায়িত্বশীলদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে চির অম্লান থাকবে। নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে আবারো রাজনৈতিক মঞ্চে ফিরে আসুন, এই শুভকামনা রইলো।
salahuddin
salahuddin
২০১২.০৪.১৭ ০৭:১৯
We are sorry for the incident.Mr Sen has done his part.....now It's the duty of the Concerned department to investigate and publish the facts and honor the innocent persons.
C.M. Mashiur Rahman Khan
C.M. Mashiur Rahman Khan
২০১২.০৪.১৭ ০৭:২২
বাসর ঘরে বেড়াল মারার একটা প্রবাদ আমাদের দেশে চালু আছে। তার মানেই হলো সময়মতো প্রয়োজনে কঠোর হওয়া । প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্বান্তটি খুবই সময়োপযোগি এবং সাহসি। তাকে সাধুবাদ জানাতেই হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী যদি অন্তত: আর একটি বেড়াল মারতে পারতেন তাহলে মালয়েশিয়ার সাথে আমাদের ৫০ বছরের গোলামি চুক্তিতে এত বেশি খেসারত দিতে হতো না। তাহলে কি আবুল হোসেনের পর দাদাকে সেভ করার ঝুকিটা প্রধানমন্ত্রী নিতে চাননি ? কিন্তু ঝুকি যে তার পরও থেকে গেলো ! গাড়ির চালক আযমকে যে পাওয়া যাচেছনা ,এটা কিসের আলামত ?ও ঠিকমতো বেচে আছে তো ?
Emdadul Hossain Monju
Emdadul Hossain Monju
২০১২.০৪.১৭ ০৭:৩৯
গনতন্ত্রের জন্য পদত্যাগ করলে আপনি প্রথম দিন ই পদত্যাগ করতেন এত বাহানা করতেন না। দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীর মুখে গনতন্ত্রের কথা মানায় না।
Md. Monirul Islam
Md. Monirul Islam
২০১২.০৪.১৭ ০৮:০০
দাদা! ও দাদা! চলে যাচ্ছেন যান কিন্তু আবার ফিরে আসার দরকার নাই। ৫৫ বছরে অনেক বলেছেন, অনেক করেছেন কিন্তু নিজের ছাড়া জাতির কোন উপকারে আসেন নাই তাই এখন বাদ দেন। দয়া করে আর যেন আসবেন না।
২০১২.০৪.১৭ ০৮:১১
উনি (সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত) খুব ভালো লোক ছিলেন, আমি খুশি হয়েছি উনি পদত্যাগ করেছেন বলে, বাংলাদেশে মনে হয় এই প্রথম এ ধরনের কোন কারনে কোন মন্ত্রী পদত্যাগ করলেন, আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হব যখন উনি নির্দোষ প্রমাণিত হবেন এবং আসল দোষী ব্যক্তির শাস্তি হবে।
এবং ঐ ড্রাইভারের খোজ মিলবে, তবে ষড়যন্ত্র কিন্তু ড্রাইভারের বিরুদ্ধে চলছেই, উনাকে (ড্রাইভারকে) দোষী বানানোর চেষ্টা চলছে, স্যালুট উনাকে।
Farid
Farid
২০১২.০৪.১৭ ০৮:১৫
অত্যন্ত প্রয়োজনীয় লিখাটি লিখেছেন জনাব খান তাই বিনম্র চিত্তে সশ্রদ্ধ সালাম আপনাকে, অন্তষ্টিক্রিয়াটি যদি রঞ্জিত বাবুর রাজনীতির সঙ্গে সঙ্গে দেশের অন্য দুর্নীতিবাজদেরও হতো, তাহলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতাম...
Idris Hossain
Idris Hossain
২০১২.০৪.১৭ ০৮:২৩
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত রেলের কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেন। বলেন, রেলওয়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী সৎ ও নিষ্ঠাবান । আ কথা গুলু মিথা কথা । রেলের কর্মকর্তা সব লোক দুর্নীতিবাজ ।
Ferdosh Epon
Ferdosh Epon
২০১২.০৪.১৭ ০৮:২৬
........কালো বিড়ালকে খুঁজে বের করতে গিয়ে নিজেই কালো বিড়াল হয়ে গেলেন ।
ছাইফুল
ছাইফুল
২০১২.০৪.১৭ ০৮:২৭
বাংলাদেশে গনতন্ত্রের চাকা ঘোরা শুরূ হল মাএ,এ ব্যাপারে সকল প্রশংসার দাবীদার হল আমাদের প্রধান প্রধানমন্ত্রী কারন তিনি সুরঞ্জিত বাবু কে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছেন।সুরঞ্জিত বাবু প্রথম দিন স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে তার মান যেত না বরং সন্মান বাড়ত,তা না করে তিনি এপিএস এর পক্ষে সাফাই গেয়েছিলেন!
Sheikh Rafiq
Sheikh Rafiq
২০১২.০৪.১৭ ০৮:২৮
হাওয়া ভবন শুধু টাকা কামানোর কারখানা ছিল না। একই সঙ্গে তা ছিল পাওয়ার হাউস।
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৩৮
Sir's resign from Railway is not the solution. We, who love our country strongly want Railway in a progressive state. Why day by day Railway failed to become a profitable organization where Railway of other countries are doing so tremendously by providing excellent speed, luxurious facilities, safety with timeliness for all classes passenger. We dream simply- when will we find our Railway Dept. like other developed countries. We have to understand only Railway can eradicate, decrease traffic jam and save our valuable time. I personally hope - better days will come again on our Railway.
Md. Khairul Islam
Md. Khairul Islam
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৪৪
ধন্যবাদ সুরঞ্জিত দাদাকে। তিনি একটি পথ সৃষ্টি করলেন যে, পদত্যাগ করার। আরো অনেক মন্ত্রীর ইতিমধ্যে পদত্যাগের মত ঘটনা বা অপরাধ করেছেন। কিন্তু তারা অহংকারী এবং দেশের কলঙ্ক। তাই দাদাকে ধন্যবাদ যে তিনি 'ব্যর্থতার দায়ভার কেবল আমারই' বলে পদত্যাগ করেছেন । এই পদত্যাগ রাজনীতিক আমলাদের জন্য একটি মাইল ফলক।
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৫১
আপাতত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে দেশে ঐ একটি দুর্নিতীবাজ মন্ত্রী ছিল
kayes
kayes
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৫২
সাবেক রেল মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন নিজেকে অনেক ভাবে ৭০ লাখ টাকা বিষয় থেকে নির্দুশ প্রমান করতে চেয়েছেন, কিন্তু অবশেষে নিজেই মন্ত্রী পদ থেকে সরে গেলেন, আমি যেহেতু জানিনা তিনি কেমন মানুষ অতএব তার সম্পর্কে কোন কিছুই বলতে চাই না, তবে এতটুকু বলতে চাই তিনি যদি জানেন তিনি ভাল তাহলে এই বিষয়ে দুঃখ পাবার কোন কারন নেই, কারন তিনি যদি এই ঘটনার সাথে জড়িত নাও থাকেন মানুষ যা চিন্তা করার করে নিয়েছে, জনতার চিন্তা শত চেষ্টাও পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না,
khairul islam
khairul islam
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৫৩
এটাই যদি করলেন তাহলে এত পানি ঘোলা করলেন কেন ? আওয়ামী লীগকে যে ডুবালেন তার কী হবে .....................
Naser Babu
Naser Babu
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৫৪
দারা জন্য কষ্ট হয়, সামান্য ৭০ লক্ষ টাকার জন্য কিনা পদত্যাগ করতে হলো!
আর যারা কিনা পাবলিকের হাজার হাজার কোটি টাকা খেয়ে বহাল তবিয়তে আছে , সেই অর্থে এটা দাদার প্রতি বড় অবিচার হয়ে গেল;
আমি খুবই দাদার জন্য দুঃখে ভারাক্রান্ত হলাম :(
Z Iqbal
Z Iqbal
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৫৫
অবশেষে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পদত্যাগ করলেন। কিন্তু এর মধ্যে অনেক জল গড়িয়ে গেলো। মুহুর্মুহু নিজের অবস্থান বদল করলেন, মিডিয়ার উপর গোসসা হলেন, কত কীই না করলেন। ব্লগ সাইট গুলোর বদৌলতে সবাই তাঁর অনেক অজানা কাহিনীই জানতে পারলো অবশেষে। সুরঞ্জিত বাবু সবার জন্য এখন একটি পড়ে ফেলা বই। নিজের ভাবমুর্তিটাই পালটে ফেলে (নাকি এটাই আসল ভাবমুর্তি?) শেষ অবধি যা করা অবধারিত ছিল তাই করলেন। একজন এত অভিজ্ঞ রাজনিতিক যে এতটা দিশেহারা হতে পারেন তা ভাবাই কঠিন।
Mahamud
Mahamud
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৫৫
গত রাতে মুন্নিসহা বললেন, দূর্নীতি নাকি সরকারী কর্মচারীদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া, আর এই দূর্নীতি বাজদের কবলে পড়ে রাজনীতিকেরা বার বার পাঠাবলী হয়।।--- কিন্তু আমার প্রশ্ন কোন রাজনৈতিক ছত্রছায়া, আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া কি এদেশের কোন কাক-পক্ষিরও কি দূর্নীতি করার সুযোগ আছে?? একজন সাংবাদিকের এমন মন্তব্য করার কি মানে হতে পারে???
Md. Faruq
Md. Faruq
২০১২.০৪.১৭ ০৮:৫৫
কথায় আছে চোরের মুখে রাম রাম!!
উনি বলেছেন রেলওয়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী সৎ ও নিষ্ঠাবান!!
ধরে উনার মত না করতে পারে না।
২০১২.০৪.১৭ ০৯:০০
We want that all bank accounts of Suranjit, his wife and son should be freezed to recover black money and deposit them to govt exchequer immediately.
Mahbubul Hoque
Mahbubul Hoque
২০১২.০৪.১৭ ০৯:০১
হেডিংটি হওয়া উচিত ছিল মন্ত্রিত্ব ছাড়তে বাধ্য হলেন সুরঞ্জিত।
Halim Shan
Halim Shan
২০১২.০৪.১৭ ০৯:০৪
This is the way how things should move. Mr. Gupa, it is your bad luck that you are a not an Abul Hossain rather a sonskerbadi. So Abul Hossain will get protection from our PM even when his crime is initially proved by Candian police and you have to go.
arman shams
arman shams
২০১২.০৪.১৭ ০৯:০৫
well said mr. gupt but u were caught red handed-- whatever happened in RAIL U r liable. if u r not guilty then prove urself right---otherwise u have to be punished for ur deeds
Farina
Farina
২০১২.০৪.১৭ ০৯:১০
রেলগাড়ি ঝমাঝম / পা পিছলে আলুর দম / আলুর ভিতর পোকা / বসতা ভরা টাকা / কোথায় যাবে গাড়ি / কালো বিড়াল এর বাড়ি / বিড়াল বলে মাফ চাই / Ministry দরকার নাই / ভিখখা চাই না কুততা সামলা / Resign করলাম দিস না মামলা .।
Tapan Bhattacharjee
Tapan Bhattacharjee
২০১২.০৪.১৭ ০৯:২৩
Only possible by Dada! Who's has stolen core core taka and gone away from country to avoid justice and they have chance to be PM in Bangladesh in future , PM done black money white but nobody is telling to relinquish them.
So, we are waiting to see the gentle men's (self declared) responsible comments.
Dr. Shafiq mahmud
Dr. Shafiq mahmud
২০১২.০৪.১৭ ০৯:২৭
Good. He is gone people are very happy I guess.....Go and see how trains are running over the last couple of days..Way..way behind schedule.....He was trying to do something good...lot of people went against him....70 Lacs is nothing for politicians.....billions of dollar has been stolen earlier...otherwise how can people live in places like London and Bangkok for years....these places are very costly....
nur alam
nur alam
২০১২.০৪.১৭ ০৯:২৯
যে দেশে স্বাধীনতা বিরোধী অপরাধীরা প্রধান বিরোধী দলের সাথে স্বাধীন দেশের রাজনীতিতে অংশ নিতে পারে! সে দেশের সৎ মুক্তিযোদ্বা সুরঞ্জিতের মত রাজনীতি বিদের জন্য এর চেয়ে ভাল কিছু আশা করা ভুল !
২০১২.০৪.১৭ ০৯:৩২
একদিন আগে উনি বললেন উনার পদত্যাগের প্রশ্নই উঠেনা, তারপর করলেন, এতে কি বার্তা পাওয়াগেল? ধামাচাপা যেয়া সম্ভব হয়নি, বিজিবির নিকট তথ্যের সাতে মিলানো যানি।
M Z HAQ
M Z HAQ
২০১২.০৪.১৭ ০৯:৩৩
Disappointing to see most readers posting comments accusing this veteran politician for the incident with which he may or may not have any connection. Some of us really tired of reading one-sided comments published by Prothom Alo. T
Masuk-E-Kibria
Masuk-E-Kibria
২০১২.০৪.১৭ ০৯:৩৮
ধন্যবাদ সেন বাবুকে!!! কথা রাখার জন্য। মন্ত্রী হওয়ার পর বলেছিলেন দুণীতির কালো বিড়াল খুজে বের করবেন,তাই করে দেখিয়েছেন।তাতে মন্ত্রীত্ব যাক অথবা দল ডুবুক।কালো বিড়ালগুলো আসলে কোথায় থাকে আমরা পরিস্কারভাবে বুঝতে পারলাম।
Omar Farok Khan
Omar Farok Khan
২০১২.০৪.১৭ ০৯:৪০
Mr.suronjit`s resign prove that present government is fully corrupted which we known to all.
Mohammed
Mohammed
২০১২.০৪.১৭ ০৯:৪২
সুরবাবু অসুরের শিকার !
২০১২.০৪.১৭ ০৯:৪৫
বাঘে ধরলে ছাড়ে... হাসিনা ধরলে ছাড়ে না... কি ভাবে যেন সব ফলে যায়...
Md. Wahidul Islam
Md. Wahidul Islam
২০১২.০৪.১৭ ১০:১৪
সেই তো জল খেলেন দাদা, কিন্তু ঘোলা করে খেলেন। প্রথমেই পদত্যাগ করলে রাজনীতি থেকে এভাবে মাথা নিচু করে বিদায় নিতে হতোনা।
Md.Nahid Ahmed
Md.Nahid Ahmed
২০১২.০৪.১৭ ১০:১৮
ভাল তাহলে মধ্যরাতের অর্থ কেলেঙ্কারির সব দায় কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করলেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। এর মাধ্যমে তাঁর ১৪১ দিনের সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিজীবনের সমাপ্তি হলো। ‘যাত্রাবিরতি’ হলো ৫৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনেরও। এটাই প্রয়োজন ছিলো রাজনৈতিক অঙ্গনে। ধ্যনবাদ জানাই সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে পদত্যাগ করার জন্য।
ঈশা খাঁ
ঈশা খাঁ
২০১২.০৪.১৭ ১০:২৩
বাংলাদেশের মন্ত্রীরা বড়ই নির্লজ্জ। তবুও বলবো সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অন্যসব মন্ত্রীদের জন্য অনুকরনীয় কিছু করে গেলেন। শেখ হাসিনাকেও ধণ্যবাদ। আশারাখি আপনি আপনার মন্ত্রীদেরকে আরো গাইড করবেন। কারণ যে কোন সরকারের বদনামির কারণ হলো এদের লোভ লালসা।
বাবুল করিম
বাবুল করিম
২০১২.০৪.১৭ ১০:২৩
ব্যর্থতার দায় নিয়ে মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগ বাংলাদেশে এটাই প্রথম নয় – এর আগেও ব্যর্থতার দায় নিয়ে মন্ত্রীত্ব থেকে অনেকেই পদত্যাগ করেছেন; যেমন - বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম(১৯৯১-১৯৯৬) সরকারের শিল্পমন্ত্রী জহিরুদ্দীন খান পদত্যাগ করেন সার সঙ্কটের দায় নিয়ে, শেখ হাসিনার প্রথম(১৯৯৬-২০০১) সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন আফসার উদ্দিন আহমদ এবং জোট সরকার(২০০১-২০০৬) থেকে পদত্যাগ করেছিলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন।কিন্তু যেসব সমস্যা অথবা অভিযোগের জন্য তাঁরা মন্ত্রীত্ব ছেড়েছিলেন, সেগুলোর কোন সমাধান কী অদৌ হয়েছে?
al amin
al amin
২০১২.০৪.১৭ ১০:৩০
সারা জীবন 'বড় গলায়' কথা বলতে বলতে শেষ বেলায় এসে নিজেই 'ছোট' হয়ে গেলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। অর্থ কেলেঙ্কারির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার 'দায় কাঁধে' নিয়ে গতকাল সোমবার রেলমন্ত্রীর পদ ত্যাগ
mm Uddin
mm Uddin
২০১২.০৪.১৭ ১০:৩৯
পৃখিবীতে যে ব্যক্তি মূখে বড় বড় কথা বলে তার পরিনতি এমনি হওয়া উচিত।
Nazrul
Nazrul
২০১২.০৪.১৭ ১০:৪৫
I am very much shocked in this rgd. I can't do believe it that Mr.Sen is related with this correption. if any politician can say that Im honest, yes, Mr.Sen can tell it but what we have seen. Whole bangladesh is boom..........what happened. Mr.Sen we love you very much.pls...pls prove it that you don't know anything of this money. we don't want to loss you. Bangladesh need you........
al amin
al amin
২০১২.০৪.১৭ ১০:৪৮
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত দুঃখ প্রকাশ করলেন না। দুঃখে, ব্যথিত চিত্তে বলি, তিনি ট্রেন ফেল করেছেন। লাইনচ্যুত ট্রেনে চেপে তিনি এখন মহানুভব হওয়ার দাবি করছেন। ধরে নিই, পিলখানা উপাখ্যানে কিছু একটা রহস্যের গন্ধ আছে। তদুপরি তাঁর গত পাঁচ দিনের বক্তব্যের অসংগতি স্পষ্ট করে যে একটি কালো বিড়াল যেন আমাদের ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।ত এটি কোনো মামুলি পদত্যাগ নয়। স্বতঃস্ফূর্ত পদত্যাগ নয়, তিনি অপসারিত হয়েছেন।
Syed Zahirul Islam
Syed Zahirul Islam
২০১২.০৪.১৭ ১০:৪৮
অন্যের বদদোয়া লেগেছে। এজন্যই, কথা যত কম বলবেন ততই শ্রেয়। মন্ত্রিত্ব পাবার আশায় সবাইকে ঊনি লেবু গাছের কাঁটার খোঁচা দিয়েছিলেন। মনে পড়ে বাবু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ???
MD GOLAM KUDDUS
MD GOLAM KUDDUS
২০১২.০৪.১৭ ১০:৫৩
প্রথম প্রশ্ন- ৯ এপ্রিল রাতে আসলে কি ঘটেছিল?
দুই- গাড়ি চালক আজম কেন গাড়িটি নিয়ে বিজিবি সদর দফতরে ঢুকলেন?
৩- বিজি সদর দফতরে ঢুকতে গেলে পূর্বানুমতি নেওয়াটা বাধ্যতামূলক অর্থাৎ অপরিচিত যে বা যারা কিংবা কোন অপরিচিত বাহন ঢুকার পূর্বে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে চালক আজম সরাসরি কিভাবে বিজিবিতে ঢুকলেন? এখানে কি অন্য কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কাজ করেছে?
চার- বিজিবি সদর দফতর অত্যন্ত সুরক্ষিত একটি এলাকা সেখানে কি এভাবে ঢুকা সম্ভব?
পাঁচ- বিজিবি গেটে যাওয়ার আগে চালক নিউমার্কেট থানা এলাকা অতিক্রম করে এসেছে। তাহলে গাড়িটি নিয়ে থানায় কেন ঢুকলো না?
ছয়- বিজিবি সদর দফতরে আটককৃতদের আটকে না রেখে কেন তাদেরকে নিকটবর্তি পুলিশ স্টেশনে দেওয়া হলো না? এই ঘটনার নেপথ্যে কি কোন কিন্তু আছে, থাকলে সেটা কি? এরকম আরো অসংখ্য প্রশ্ন জাগছে সাধারণ মানুষের মনে। এসব প্রশ্নের উত্তর জানা খুবই জরুরি। এসব প্রশ্নের জবাব পাওয়া গেলে প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করা যায়।
কিন্তু এখন আরেকটা প্রশ্ন উঠেছে যে এসব ঘটনার নেপথ্যের কাহিনী কি আদৌ বের হবে না কি ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা হবে?
Sharif
Sharif
২০১২.০৪.১৭ ১০:৫৯
বুদ্বিমানেরা কখনো ভুল করেনা আর যদি কখনো ভুল করে তাহলে চরম ভুল করে যার কোন সীমানা থাকেনা ।
Md. Jabed Amin
Md. Jabed Amin
২০১২.০৪.১৭ ১১:০২
The Minister is out but what about the Driver-Azam? We want know where the driver is???
sohag
sohag
২০১২.০৪.১৭ ১১:০৫
"সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি পদত্যাগ করতে চাননি। তিনি মন্ত্রী থেকেই লড়তে চেয়েছিলেন। সর্বশেষ পদত্যাগের পরও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে থাকা যায় কি না, তাঁর পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে"।
আসলেই এটা সত্য কথা, তবে ঠেলায় পড়লে বাঘে ঘাস খায় ।

২০১২.০৪.১৭ ১১:০৭
@Sheikh Rafiq
- হাওয়া ভবনের কাহীনি শুধু শেখ হাসিনার বক্তব্যেই শুনতাম, গত পাঁচ বছর ‍জরুরী সরকার ও আওয়ামীলীগ মিলে হারিকেন দিয়ে দূর্নীতি খুঁজে অবশেষে বের করেছে খালেদা জিয়া সময় মত ট্যাক্স দেয়নি। টাকাই যদি অবৈধ হবে তাহলে ট্যাক্সের প্রশ্ন ‍আসবে কেন?
Jamil Razib
Jamil Razib
২০১২.০৪.১৭ ১১:০৮
দুর্নীতি হয়ে থাকলে বিচার হতে হবে এটাই নিয়ম সব দেশে কিন্তু গত ২ দিন ধরে দেখছি অনেকেই সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে পদত্যাগ করার জন্য ধণ্যবাদ দিতে উটে পরে লেগেছেন। হায়রে বাংগালি জাতি।দুর্নীতি বিএনপি করেছে এখন আওমিলীগ করছে. আবার হয়ত কেউ এসে করবে আর আমরা হাততালি দিয়ে বরন করে নিব, বাহ বাহ। আমাদের আসলে সব কিছুই হজম হয়ে যায়। ইচেছ হলে নিজের দেশটাকে ও গিলে খেতে পারব।
Sharif
Sharif
২০১২.০৪.১৭ ১১:০৮
বুদ্বিমানেরা কখনো ভুল করেনা আর যদি কখনো ভুল করে তাহলে চরম ভুল করে যার কোন সীমানা থাকেনা ।
shakhor
shakhor
২০১২.০৪.১৭ ১১:০৮
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অপেক্ষা বড় বড় দুর্নীতিবাজ দেশে রাম রাজত্ব করে যাচ্ছেন। কিন্তু বাবু কম সময়েই ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লেন।
২০১২.০৪.১৭ ১১:১০
ব্যর্থতার দায় নিয়ে মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগ করলেই কি সব সমাধান ?
২০১২.০৪.১৭ ১১:১১
সেন বাবু যদি নোংরা রাজনীতির স্বীকার হয়ে থাকেন, তবে বলতে হয় এই রাজনীতিকে নোংরা করেছে ইনার মত নোংরা রাজনীতিবিদরা, এদেরকে আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলাই উচিত, যারা গরীব মানুষের রক্ত চুষে খায়। খুব শিগগিরই জনগণ এর প্রতিশোধ নেবে।
২০১২.০৪.১৭ ১১:১৫
উনি যে বড় বড় কথা বলতেন তাতে উনাকে ভালই মনে হত। আমার মনে হয় শুধু পদত্যগ না উনার আর জীননে রাজনীতিতে আসা উচিত না, লজ্জা থাকলে আর কোনদিন আসবেন না, আর যদি বেহায়া হয়ে থাকে তাহলে ........................তো...............
Faruk Hossain
Faruk Hossain
২০১২.০৪.১৭ ১১:১৭
দাদা, এইটা আপনি কি বললেন - " ব্যর্থতার দায়ভার কেবল আমারই। তাই আমি পদত্যাগ করছি!" দুই দিন আগেও-তো সাফাই গাইছিলেন নিজের পক্ষে। আপনার বক্তব্য স্ববিরোধী।
ujjal biswas
ujjal biswas
২০১২.০৪.১৭ ১১:২০
I believe Mr.Dada is victim of conspiracy. We are confuse about the fair report.
Faruquzzaman
Faruquzzaman
২০১২.০৪.১৭ ১১:২১
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের উচিৎ এখন তার ব্যাক্তিত্ব টিকিয়ে রাখা আর্থৎ নিজেকে নির্দোষ প্রমান করা। তিনি গনতন্ত্রের কথা বলেচেন কিন্তু এখন উচিত আত্তরকখা।
abdul samad
abdul samad
২০১২.০৪.১৭ ১১:২৫
ড্রাইভার ভাই একটা সাহসী কাজ করেছেন। আমরা তার নিরাপত্তা চাই। আমরা তাকে মিডিয়ার সামনে দেখতে চাই।
Ahsan Habib
Ahsan Habib
২০১২.০৪.১৭ ১১:২৯
সেই মন্ত্রিত্ব ছাড়লেনই শুধু কয়েকদিন দেশে সমালোচনার জোয়ার তুলেছিলেন কেন???
Asma Binte Rafiq (From Oman)
Asma Binte Rafiq (From Oman)
২০১২.০৪.১৭ ১১:২৯
মহাজোট সরকারের আমলে শেয়ার কেলেঙ্কারি ও পরে সালমান এফ রহমানকে শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়ার পর তিনি মন্তব্য করেছিলেন ‘শুঁটকির বাজারে বেড়াল চৌকিদার’। পরে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর তার ‘রেলের কালো বেড়াল’ মন্তব্য বেশ বিতর্কের জন্ম দেয়।
কালো বিড়ালকে খুঁজে বের করতে গিয়ে নিজেই কালো বিড়াল হয়ে গেলেন ..................
Md. Shawkat Ali
Md. Shawkat Ali
২০১২.০৪.১৭ ১১:৩৭
বাবু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ঘরে বাইরে ষড়যন্ত্রের শিকার। তাকে জাতি মনে রাখবে।
Md Nazim Uddin Sylhet
Md Nazim Uddin Sylhet
২০১২.০৪.১৭ ১১:৪১
ধন্যবাদ সুরঞ্জিত দাদাকে। তিনি একটি পথ সৃষ্টি করলেন যে, পদত্যাগ করার।
বাবুল করিম
বাবুল করিম
২০১২.০৪.১৭ ১১:৪৪
“সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি পদত্যাগ করতে চাননি। তিনি মন্ত্রী থেকেই লড়তে চেয়েছিলেন। সর্বশেষ পদত্যাগের পরও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে থাকা যায় কি না, তাঁর পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।” তাহলে কী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে নাকি পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে? এখানে তার কৃতিত্ব কোথায়?
mahfuza bulbul
mahfuza bulbul
২০১২.০৪.১৭ ১১:৫০
মানুষ মাত্রই ভুল করে। তবে বড় মানুষ সুরঞ্জিত বাবু,বড় বেশি ভুল করেছেন । তিনি রেলের কালো বিড়াল ধরার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মন্ত্রী হলেন। তিনি জানলেন না, তার অতি নিকট /বিশ্বস্ত জনই দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ! এখন তার নীলকণ্ঠ হওয়া ছাড়া উপায় কী !
Kazi Rizvi
Kazi Rizvi
২০১২.০৪.১৭ ১১:৫৩
সুরঞ্জিত বাবু কি নিজে নিজে পদত্যাগ করেছেন? নাকি করানো হয়েছে? কয়েকদিন আগেই বললেন তিনি পদত্যাগ করবেন না। প্রথম দিন এপিএস এর পক্ষে সাফাই গাইলেন। দ্বিতীয় দিন বললেন জিএমকে সরিয়ে দেয়ার এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের নাই। সর্বশেষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ডেকে পাঠালেন, পরেরদিন তিনি পদত্যাগ করলেন। এ সব ঘটনাবলির অর্থ কি দাঁড়ায়? আর পদত্যাগের দৃষ্টান্ত এটাই প্রথম না। জোট সরকারের সময় জ্বালানী মন্ত্রীও বাধ্য হয়েছিলেন পদত্যাগ করতে। অথচ তিনি এভাবে হাতে নাতে টাকাসহ ধরা পড়েন। নাইকো তার মন্ত্রণালয়কে একটি গাড়ি দিয়েছিল যা তিনি ব্যবহার করতেন।
Nasir ALI
Nasir ALI
২০১২.০৪.১৭ ১২:৪২
There might be more illegal money had been carried to the house of minister or elsewhere, and only the vital witness is honest driver Mr. Azam. If Azam is available to the media there will be a shock of discovery of the that bribe pouring in the high ranking of the present government. Media should give more attention to get free Mr. Azam to get real truth of the present and previous fact of the bribe.
I salute Mr. Driver where ever you are, and your are sooooo Honest.
MD BASED
MD BASED
২০১২.০৪.১৭ ১২:৫১
হ্যাল দাদা এরকম ৭০ লাখ কয়বার নিছেন ? সিরিয়াল নাম্বার টা বলবেন কি ???? আপনি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের সনামধন্য রাজনিতীবীদ । দুনীতির সর্বচ্চ সিড়ি বেয়ে দুনীতির সর্বশীষে অবস্থান করছেন এজন্য আপনাকে বিশেষ ডিগ্রি দিয়ে সম্মাননা জানানোর জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করছি । জয় দাদা এগিয়ে যান !!!!
Aminul Islam
Aminul Islam
২০১২.০৪.১৭ ১২:৫৯
-ড্রাইভারের নিরাপত্তা চাই। জন সমক্ষে তার আত্তপ্রকাশ চাই। কেন সে নিরুদ্দেশ তা জানতে চাই।
-পদত্যাগ-ই যথেষ্ট নয়। দুদকের আর বিচার বিভাগীয় নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। দোষীদের শাস্তি চাই।
-্চাই আওয়ামী লিগ এই ঘটনার দৃষ্টান্ত মূলক ইতি টেনে প্রশংসিত হক আর নয় ত নিপাত যাক।
Jutish Das
Jutish Das
২০১২.০৪.১৭ ১৩:০১
Deeply appriciated Dada, this is democracy and you proved it you are a real politician.
I ask to all reader,please appriciate the decision.It will set an example for our democracy.I know and you all know that there is no sector in bangladesh without more or less corruption but at least Sen Gupta took the responsibility. we will remember it and democracy will hold it to the up.
Md.Ibrahim
Md.Ibrahim
২০১২.০৪.১৭ ১৩:০৪
মোহাজোট সরকারের মন্ত্রী সভায় দুর্নীতি বাজ আরো অনেক মন্ত্রী আছে তাদেরও পদত্যাগ করা উচিত যাদের কারনে পদ্মাসেতুর কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো যাদের কারনে শেয়ার বাজারে ৩৩লাখ বিনিয়োগকারী পথে বশেগেছে যারা রেন্টাল বিদ্যুত কেন্দ্রের নামে মহা লুটপাটে ব্যাস্ত..!
Zuntu Srista
Zuntu Srista
২০১২.০৪.১৭ ১৩:০৮
We want to know who is a correct black cat & where.
Shahid M Sheriff
Shahid M Sheriff
২০১২.০৪.১৭ ১৩:১২
Good initiative. But it dosen't mean he got cleaned. Still we have to wait for the final report (if it's done fare, like it never happened). And then we want to be sorry for him. A great politician / speecher dosen't mean a great administrator....like Mr. Sheikh Mujibur Rahman. Specially the politicians never been good adminiter, cause their way of maintain adminitration is practicing fever their follower. Thats how they manage. We people need to identify and remember all these issues and not just fever them again and again.
Ruksana Shirin
Ruksana Shirin
২০১২.০৪.১৭ ১৩:১২
Red handed caught corrupt minister Mr Surunjit tried his best to stick to the minister char. He said the question does not come of resigning. Only when PM Sheik Hasina told him in clear words, whether he quit of he wud be kicked out, he opted for submitting resignation. There is no reason to give him credit as he uphold democracy or anything. He is not bold but he is a coward. We only hope others learn from him.
Mohammad Nur e Alam (Russel)
Mohammad Nur e Alam (Russel)
২০১২.০৪.১৭ ১৩:৩২
Thank you so much for their boldly decision, he did good job and other bad politician can learn form him. Keep continue this practice in our country.........May Allah bless all of us.
sumon
sumon
২০১২.০৪.১৭ ১৩:৩৯
রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পদত্যাগে গোটা সরকারই দুর্নীতিগ্রস্ত প্রমাণিত হয়েছে.
Are.. সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পদত্যাগ নতুন কোনো নজির নয় এর আগে সাবেক অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, সাবেক তথ্যমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরী, সাবেক শিল্পমন্ত্রী শামসুল ইসলাম খান ও এম জহির উদ্দিন খান, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন পদত্যাগ করেছেন। তাই এটা নতুন কিছু নয়। একইভাবে বর্তমান সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদের ছেলে সোহেল তাজকে গুরুত্ব না দেয়ায় এবং তার জানার বাইরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সোহেল তাজ পদত্যাগ করেন।
২০১২.০৪.১৭ ১৩:৪১
মিডিয়া + গনমাধ্যম কে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানায় , আপনাদের অক্লান্ত শ্রম ও সাহসিকতাইয় আপনারা আবারো প্রমাণ করলেন যে দুন্নিতি ও অন্যয় এর বিরুদ্দে একটু সোচ্চার হলে আপনারই পারেন এই রকম কাল বিডালদের জনগণের সামনে তুলে দরতে।ব্যক্তি সারত ভুলে দেশ ও দশের সারতে আপনারা এগিয়ে জান, দেখবেন এই রকম আরো অনেক কালো বিডাল আপনাদের ভয়ে কাঁপছে। আপনারায় পারেন দুনীতিবাজদের মুকুশ কুলে দিতে ।আপনাদের এক একটি কলম হোক বাংলার গনতন্ত্র রক্কার এক একটি কামান । আপনাদের লিখা প্রতিটি অক্কর হোক অন্যায় প্রতিহতে ঝমকালো বুলেট।আপনাদের বিভেক হোক গনতন্ত্রের এক একটি পরিষ্কার দলীল ।
S. M. Arifujjaman Amiree
S. M. Arifujjaman Amiree
২০১২.০৪.১৭ ১৩:৪৭
This called politics and obviously Mr. Gupta is a talented player in this arena. I'm sure he will back soon. I'm not a supporter of him but a well wisher of Bangladeshi Politics. He made an example by resigning from his ministry. Besides, It will be an another excellent example if he get back the ministry if he would be able to prove himself fair. All the best Bangladesh,my motherland!
M.K.Barua
M.K.Barua
২০১২.০৪.১৭ ১৩:৫১
Congratulaion Mr. Suranjan Sen Gupta for regining. Now pls. come clean and serve the people of B'desh. We know, you are not corupt but circomstances does not prove that. So it is your utmost priority to come clean and give befitting reply to your critics. yes you can do it. Pls. keep in mind that only honest & cincere people sufferes.
Rabiul Hossain Mamun
Rabiul Hossain Mamun
২০১২.০৪.১৭ ১৩:৫১
সকলকেই তার কাজের ফল পেতে হবে। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বললেন, রেলওয়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী সৎ ও নিষ্ঠাবান। দুর্নীতিবাজ অলপ। তবে তিনি ১৪১ দিনেও কেন অলপ দুর্নীতিবাজদের দরতে পারলেন না ?
mahbub hossain
mahbub hossain
২০১২.০৪.১৭ ১৩:৫২
Dear readers, everybody know it that every section in Bangladesh are corrupted. Our Honorable Prime Minister also know it. But I don't know why only Dada caught. Every Dada are corrupted. I will appreciate them who will take right action against all Dada.
Khan
Khan
২০১২.০৪.১৭ ১৪:০২
আমি নাসের বাবু সাহেবের সাথে সহমত জ্ঞাপন করছি। শেষ বেলায় এসে সুরঞ্জিত বাবু এই সামান্য ৭০ লক্ষ টাকা খেয়ে ধরা খেলেন। এই পরিমান টাকা তো শেয়ারবাজারে সর্বশান্ত হওয়া অনেক সাধারন বিনিয়োগকারীরও ছিল। শেয়ার বাজার হতে লুট করে খাওয়া ৪০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার তুলনায় এই টাকা ০.০০০১ হতে ০.০০০২ % মাত্র !!!!!!!!!!!!!!!! পদ্মা সেতুতে লুট হওয়া টাকার তুলনায়ও এই টাকা নস্যি !!!!!! কাজেই সুরঞ্জিত সাহেবকে বলির পাঁঠা বানিয়ে যারা আওয়ামীলীগ সরকারের দুর্ণীতির যবণিকা হয়েছে বলে চীৎকার করছেন বা গনতন্ত্র একেবারে নতুন কোন মাত্রা পেয়েছে বলে স্লোগান শোনাচ্ছেন তাদের খুশী হওয়ার কোন কারন নাই !!!!!!!! সারা দেশেই এখন এই এক অবস্থা। ঐ বীর ড্রাইভারের কারনেই আজ যখন জনসমাজে সব কিছু প্রকাশ পেল, যখন আর কোনই গত্যন্তর ছিলনা তখনই একজনকে বলি দেওয়া হলো !!!! রাষ্ট্রযন্ত্র কি জানতোনা যে রেলওয়েতে ৭,৫০০ জন নিয়োগের নামে সারা দেশেই আওয়ামীলীগের লোকজন টাকা কামিয়েছে। এখন প্রাইমারী স্কুলের চাকুরী পেতে হলেও আওয়ামীলীগের লোকজন দাবি করে বসে ৫ লাক্ষ টাকা !!! মানে আওয়ামীলীগের নেতা মানেই চাকুরী দাতা। শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির নায়ক সালমান, লোটাস, ফারুক গঙ্গ বা পদ্মা সেতুর খাদক আবুল হোসেনের বিচার না করা পর্যন্ত জনগন বিশ্বাস করবেনা যে দুর্ণীতির বিচার হয়েছে !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! পরিশেষে বলি ঐ ড্রাইভার সাহেবকে কি বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে নাকি তদন্ত ধামা চাপা দেওয়ার জন্য তাকে ২০ টুকরা করা হয়েছে। আদালত এখানে স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারী করলে জনগন আদালতকে শ্রদ্ধা করবে সন্দেহ নাই।
Nazmun hasan nipun
Nazmun hasan nipun
২০১২.০৪.১৭ ১৪:০৫
ধন্যবাদ দাদা। আপনি আজ পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। অনেকে আপনার চেয়ে অনেক বেশী দুর্নীতি করেও পদত্যাগ করেনি, আমাদের এ দেশে পদত্যাগ না করাটাই একটা পেশা হয়ে দাড়িয়েছিল।আপনি পদত্যাগ করে এ ধারণা ভেঙে দিলেন।
ferdous
ferdous
২০১২.০৪.১৭ ১৪:২১
সৎ, আর সুযোগের অভাবে সৎ দইটা ভিন্ন জিনিস৷বাবু ছিলেন সুযোগের অভাবে সৎ৷গনতন্ত্র- ফনতন্ত্র এগুলো বাচার জন্য বলা৷দাদা বিদায়৷
Mahananda
Mahananda
২০১২.০৪.১৭ ১৪:২৮
দাদা হয়ত বুঝতে পারিনি যে, সেখানে কালো রয়েল বেঙ্গল বাঘ থাকে, কালো বিড়াল নয়।
jafar khan
jafar khan
২০১২.০৪.১৭ ১৪:৩২
দাদা বিদাই
Din Islam Mamun
Din Islam Mamun
২০১২.০৪.১৭ ১৪:৩৭
এই পুরো ঘটনাটা থেকে একটা জিনিস তো প্রমাণিত হল যে, আম জনতার হাতে অসীম শক্তি থাকে। একজন আলি আযম মন্ত্রীত্ব কেড়ে নিতে পারে, সরকার নড়বড়ে করে দিতে পারে। আমাদের সাধারন মানুষের সময় এসেছে, নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন হওয়ার। আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে ভিনগ্রহ থেকে কেউ আসবেনা। সেটা আমাদেরকেই করতে হবে। আলি আযমের কাছ থেকে দীক্ষা নেই আমরা সবাই। ঘরে ঘরে আলি আযমের জন্ম হোক। একজন আলি আযম কে গুম করা যাবে, দুজনকে করা যাবে, হাজার জনকে করা যাবেনা। আসুন আমরা জেগে উঠি। আলি আযমের ত্যাগকে স্বার্থক করি।
S. M. Ansarul Hoque
S. M. Ansarul Hoque
২০১২.০৪.১৭ ১৪:৩৯
কালো বিড়ালের তাড়া খেয়ে রেলে কাটা পড়ল সুরন্জিত সেন গুপ্ত (সাবেক রেলমন্ত্রী)
Yasmin Bahar Khan
Yasmin Bahar Khan
২০১২.০৪.১৭ ১৪:৩৯
AL এটাকে রাজনৈতিক শুবিধা হিসেবে নেবে, I am 100% sure. Next Election এ এটাই হবে এক মাত্র হাতিয়ার !
swarna
swarna
২০১২.০৪.১৭ ১৫:৪৯
শেখ হাসিনা সুরনজিত সেনকে মাফ না করিয়া প্রমান করিলেন বাবু দোষী না। দোষী হলে অন্তত আরেক্ টা মন্তরনালয় পাওয়ার সুযোগ দিত। আবুল হোসেনকে দিছে না...
Doctor Rafique Hilaly
Doctor Rafique Hilaly
২০১২.০৪.১৭ ১৬:৪৯
মাইক্রোবাসের চালক আলী আজম কোথায় জানতে চাই। বিশাল অপরাধ চক্রের সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের জন্য আইনের কাঠগড়ায় আনা ও দোষীদের সাজা দেওয়া ।
md. raihan
md. raihan
২০১২.০৪.১৭ ১৭:৫৮
রেলমন্ত্রী /রেলমন্ত্রনালয়= দুর্নীতিপরায়ণ/ দুর্নীতিগ্রস্হ । একে অপরের সঙ্গে কি অদ্ভূত মিল ! ড্রাইবার কী কালো বিড়ালের পেটে !
al amin
al amin
২০১২.০৪.১৭ ১৮:০৫
‘সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আমি সরে গেলাম’ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এই বক্তব্য সেফ রাজনৈতিক। কারণ এখানে সুষ্ঠু তদন্ত করবে কে? দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ সবাই সরকারের। এখানে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ব্যক্তি কোনো বিষয় নয়। ঘটনাটি হচ্ছে রেলমন্ত্রী ‘দুর্নীতিবাজ’। তার এই পদত্যাগ থেকে অন্য মন্ত্রীদেরও শিক্ষা নেয়া উচিত। বিশেষ করে বিশ্বব্যাংক যাদের দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তাদেরও পদত্যাগ করা উচিত। এই ঘটনা থেকে বর্তমান রাজনীতিক, মন্ত্রী এবং ভবিষ্যতে যারা মন্ত্রী হবেন সবারই শিক্ষা নেয়ার রয়েছে।
Sangha Chakraborty
Sangha Chakraborty
২০১২.০৪.১৭ ১৯:০৫
This was a six part daily soap like Zee TV or Star Plus daily hIndi serial. Who was Director or Producer , public has no interest ! The drama has been finished very quick ! Its a common politics scenario in Bangladesh which was observing by us since 1975. So its not a new thing while we can be surprised ! But its also very bad when we see that our some TV reporters take some Interviews from some bullshit street peoples regarding this issue and when those nonsense public comments against Mr. Sen , who is the examined leader in Bangladesh Politics and a great party of Awami League. Its really pitiful for me that when some street hawker , rickshawala, begger through their comments to the ATN or ETV reporters mike. Who are they ? What is their right to say against Mr. Sen ? What was their contribution in our Independence, Political Development and Govt Power ? So stop to take that type of Interview from the street peoples ! It never improve the TV reporting or extend the image of media ! It destroy one Good Politician ! One Leader ! and over all One Human being person....Personality ! So we have right to save this person's all credentials. Please don't do excess !!! It never brings the Good result for nation, people for country ! STOP right now !!! Mr. Sen is our country's leader, our man , our Ex-Minister , don't come from Afganistan !
Ahsan
Ahsan
২০১২.০৪.১৭ ১৯:৩০
এত কড়াকড়ির মাঝেও কালোবাজারে টিকিট বিক্রি বন্ধ নেই। ঢাকা থেকে সুবর্ণ এক্সপ্রেসে চট্টগ্রাম এলাম ৩৫০ টাকা খরচ করে, যে টিকিটের প্রকৃতমূল্য ১৬৫ টাকা । যাওয়ার ব্যবস্থা আরো উত্তম। এসি টিকিট পেয়েছি মাত্র ৬০০ টাকায়, যেটার প্রকৃতমূল্য ৩৮০ টাকা। নিয়মমাফিক অনেকবার টিকিট কাটার চেষ্টা করেছি, আর প্রতিবারই প্রত্যাখাত হয়েছি। কথায় আছে না 'যদ্দেশে যদাচার' । আমরা সাধারণ মানুষরা সৎ থাকতে চাইলেও বাংলাদেশের মতো দেশে দিনদিন তা অসম্ভব হয়ে উঠছে।
abul kashem
abul kashem
২০১২.০৪.১৭ ২১:৫৩
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের দায় প্রধানমন্ত্রী নিলেন না। তবে তিনি পদ্মা সেতুর দুর্নিতী প্রমান হওয়ার পরও আবুল হোসেনের
দায় নিলেন কেন??? আবুল হোসেন কী তাহলে সত্যিই ফাণ্ড কালেক্টর?