Monday, October 28, 2013
সময়চিত্র- দুই নেত্রীর নিয়ত by আসিফ নজরুল
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতি- পথের শেষ কোথায়, খালেদা জিয়া কি জানেন? by ফারুক ওয়াসিফ
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গল্প- তান্নিরা তিন বোন by মীম নোশিন নাওয়াল খান
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি লেখকদের তিনটি বই প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সেলিনা হোসেনের দুটি বই ‘আদান-প্রদানের পথ প্রসারিত হওয়া দরকার’ সাক্ষাৎকার : পারভেজ হোসেন
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ ল্প:- ছেলে আর মেয়ে by অ্যালিস মানরো অনুবাদ: শিবব্রত বর্মন
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গল্প- একটি সাধারণ সংবাদ by শাহনাজ মুন্নী
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসেছে নবান্ন আজ by অরুণ কুমার বিশ্বাস
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গল্প- উষ্টা by হরিশংকর জলদাস
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রম্য গল্প- এক দল এক দফা by আহসান হাবীব
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চারু শিল্প- বিশ্ব-পরিমণ্ডলে শিল্পাচার্য by আশীষ-উর-রহমান
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাহিত্যে নোবেল ২০১৩ অ্যালিস মানরো- সরলতার ধোঁকা by মাসরুর আরেফিন
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাহবাগিরা লাপাত্তা! : এখন আর আসে না ‘প্রতিরোধের’ ঘোষণা by শিশির আবদুল্লাহ
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শামসুর রাহমানের অগ্রন্থিত অনুবাদ কবিতা
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহিংসতা পরিহার করে শান্তি বজায় রাখুন- ব্যাপক প্রাণহানি ও সহিংসতা
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পথের শেষ কোথায়, খালেদা জিয়া কি জানেন?
ঘোলা পানিতে প্রতিবিম্ব পড়ে না। পানি বেশি ঘোলা করে ফেলে বলে গাধা কখনো নিজের মুখ দেখতে পারে না। রাষ্ট্র, রাজনীতি ও সংস্কৃতিকে দুই জোট-মহাজোট এতই ঘোলা করে ফেলেছে, এই জল এখন চতুর শিকারিদের আদর্শ ক্ষেত্র। তার পরও সবারই নিজেদের মুখ দেখে নেওয়া উচিত। রাজনৈতিক সমাজ দুই শিবিরে ভাগ হয়ে সত্য ও যুক্তি বিসর্জন দিয়ে পরস্পরকে দোষাচ্ছে। পরস্পরের প্রতি এতই ঘৃণা তাদের, পারলে তারা বিদেশি ঠাকুরের খেদমত করবে কিন্তু দেশি ভাইকে ‘কুকুরের’ মতো দূর দূর করে। আমি যদি আপনাকে ঘৃণায় অন্ধ হই, তাহলেআপনাকে আমি আর জানতে পারব না। নিজেকেও না। এই দোষাদুষির কুস্তি যত চলবে, ততই বিভাজন বাড়বে, বাংলাদেশ বলে আর কিছু থাকবে না। থাকবে শুধু লীগ আর দলে বিভক্ত ছারখার বাস্তবতা। গুণ নয় দোষই সংক্রামক। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র এক দেড় লাখ মানুষ দলকানা ও ঘৃণার পূজারি। অথচ রাজনীতির জলবায়ু এঁরাই নিয়ন্ত্রণ করছেন। পাড়া-গ্রামে দুই দলের ভোটাররা প্রতিবেশীর মতোই বাস করেন। এক পরিবারেই পাওয়া যাবে দুই ভিন্ন দলের নেতা-কর্মী। সেচের পানি বিএনপিপন্থীর জমির ওপর দিয়েই লীগপন্থীর জমিতে যায়। ব্যবসায়ীরা মুনাফার খাতিরে সম্পূর্ণদলনিরপেক্ষ বন্দোবস্ত করে রেখেছেন। রাজনীতিবিদেরাই কেবল বারেবারেঅযোগ্যতার প্রমাণরাখছেন। তাঁদের ইন্ধন দিতে মুখিয়েআছে কিছু কুদুলে বুদ্ধিজীবী আর আলুপোড়া খেতে আগ্রহী কিছু সুযোগসন্ধানী। আমাদের রাজনীতির চেহারাটা গ্রিক উপকথার প্রাণী সেন্টরের মতো অর্ধেকটা মানবিক অর্ধেকটা পাশবিক। রাজনীতির ওপরের চেহারাটায় যতই মুক্তিযুদ্ধ, ইসলাম, জাতীয়তাবাদ, উন্নয়নের বুলি থাকুক, নিচের দিকে তা পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি, বলপ্রয়োগ ও গণবৈরিতার চতুষ্পদে প্রতিষ্ঠিত। এই পরিবারতন্ত্র দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত বিত্ত দিয়ে বলপ্রয়োগের ক্ষমতা বানায়। দলের লোকদের দুর্নীতির ভাগ, মধ্যবিত্তকে আদর্শের লজেঞ্চুস আর বৃহত্তর জনতাকে ধোঁকা দিয়েএই রাজনীতি চলে। বাধ্য না হলে এই রাজনীতি কাউকে ছাড় দেয় না। ক্ষমতার বণ্টন, সম্পদের বণ্টন এই রাজনীতি জানে না। জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করাই যেকোনো রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য হওয়ার কথা। নিজের পক্ষে বেশির ভাগ মানুষকে নিয়ে আসাই নেতার ক্যারিশমা। অথচ বাংলাদেশের দুটি বড় দলের আদর্শ ও কর্মসূচির লক্ষ্যহলো ভাগ করো, শাসন করো। দুই উগ্র জাতীয়তাবাদ দেশের কাজে না এলেও, বিপুলসংখ্যক মানুষের চেতনানাশে ওস্তাদ। মেয়াদ ফুরানো ওষুধের মতো এসব আজ বিপজ্জনক। তার পরও বিকল্পেরঅভাবে এই রাজনীতি ও এর সমর্থন আরও কিছুদিন থাকবে। রাজনীতি থাকলে তাদের সমর্থকও থাকবে দেশে। অথচ নেতা-নেত্রীরা যেভাবে পরস্পরকে আক্রমণ করেন, তাতে মনে হয় এক পক্ষের কাছে অন্য পক্ষ হারাম। দুই দলের পক্ষে থাকা কোটি কোটি মানুষকে তাঁরা কী করবেন? বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়েদেবেন?
যুদ্ধাপরাধের বিচার আর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি অধিকাংশ মানুষের সমর্থন পেয়েছিল। কিন্তু দুই দল দুই ইস্যুকেই বিতর্কিত করে দেশকে বিভক্ত করতে কামিয়াব হয়েছে। এর দায় দুই পক্ষেরই। সমঝোতা চাইলে উভয় পক্ষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে: বিচারও চলবে, নিরপেক্ষ নির্বাচনও হবে। আর দুই দল যদি সমঝোতায় আসে, কারও সাধ্য নেই ‘তৃতীয়’কাউকে ক্ষমতায় আনে। মীমাংসা চাইলে এই মুহূর্তে সহিংসতা আর ঘৃণার প্রকাশ থামাতে হবে। সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের আদেশ কি সরকার-সমর্থকদের ওপর খাটে না? হরতাল যদি উসকানি হয়, হরতাল ঠেকানোর কর্মসূচি কি বরযাত্রা? উভয় পক্ষকেই ঘোড়া সামলাতে হবে। দেশবাসীর সমর্থন চাইলে খালেদা জিয়াকেও বিকল্প পথ বের করতে হবে। মানুষের কাছে যাওয়ার পথ সব সময়ই খোলা। লগি-বইঠা-দা-কুড়াল হাতে করে সেটা হয় না। এগুলো প্রতিবাদের অস্ত্র নয়, সন্ত্রাসের অস্ত্র। এর বাইরে ব্যাপক গণ-অসহযোগ কিংবা গণজাগরণের জন্য তিনি আর কী করতে পারেন, তা তাঁকেই ভাবতে হবে। গণজাগরণ চাইলে যেতে হবে মানুষের কাছে, তরুণ-তরুণীদের কাছে। তাদের কাছে নিজেকে দেশের সম্ভাবনার জিম্মাদার প্রমাণ করতে হবে। তা না করে যতই পাল্টা বলপ্রয়োগের পথে যাবেন, ততই তাঁকে নির্ভর করতে হবে সন্ত্রাসী শক্তির ওপর। বিপরীতে সরকার নির্ভর করবে পুলিশ-বিজিবি-র্যাব ও লীগের ক্যাডারদের ওপর। সরকারের সুবিধাই এখানে বেশি। সরকারপক্ষ পাবে আইনের আশ্রয়, বিরোধী পক্ষের তেমন আশ্রয় নেই। থাকত, যদি বিএনপি গণ-অভ্যুত্থান ঘটানোর সামর্থ্যরাখত। কিন্তু শেখ হাসিনা মিসরের মোবারক নন, খালেদা জিয়াও নন ক্ষমতাচ্যুত মোহাম্মদ মুরসি। কিন্তু দিন যাচ্ছে আর পথ আটকে যাচ্ছে। কুড়িগ্রামের ভূমিহীন মাজেদ আলী ঢাকায় রিকশা চালান দুই বছর ধরে। বয়স ৭৫। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন, এক ছেলে হাইস্কুলে, আরেক ছেলে কলেজে পড়ে। স্ত্রী জরায়ু ক্যানসারে ধুঁকছেন। বাঁচবে না জেনেও চিকিৎসা চালাচ্ছেন, ছেলেদের কামাই খাওয়ার আগেই আয়ু ফুরাবে জেনেও দুই ছেলেকে প্রতিদিন ২০০ টাকা খরচ দেন। বস্তির ঘরভাড়া দেন, নিজে খান, বউকে খাওয়ান। কারও কাছে তাঁর কোনো আশা নেই। তাঁর রিকশায় বসে পেছন থেকে দেখি, সাদা টুপি, সাদা পাঞ্জাবি, ঘাড়ের ওপর ফেলে রাখা নামাজি উড়নি,
ফারুক ওয়াসিফ: সাংবাদিক ও লেখক।
bagharu@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিল্পবর্জ্যে মৃতপ্রায় বংশী by পার্থ শঙ্কর সাহা
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কই আছে ঢাকার শতবর্ষী বৃক্ষরা
মোকারম হোসেন: প্রকৃতি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক।
tarupallab@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নদী দূষণকারীর শাস্তি নেই
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই নেত্রীর নিয়ত
আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শৃঙ্খলিত গণতন্ত্র by কাজী জেসিন
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমঝোতা আর কত দূর by বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় দুই নেত্রীর ফোনালাপ
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এবার বাধা এলে উপড়ে ফেলবো’ by কাজী সুমন
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হরতালে সহিংসতা, নিহত ৫
About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উত্তর-দক্ষিণ পারস্পরিক দৃষ্টিপাত by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক

১৯৭৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের কথা উল্লেখ করছি। মানুষ শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশে সময় কাটিয়েছিল। কেন? ১৯৭২-এর জানুয়ারির ১০ তারিখ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে ফেরত এসেছিলেন। সরকারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সরকারি দল ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর প্রতি অবিচল ও একনিষ্ঠ ছিল। এতদসত্ত্বেও ১৯৭২-এর অক্টোবরে বিরোধী দল হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিল জাসদ। জাসদ সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামে। ১৯৭২ সালে সব ধরনের শিল্প জাতীয়করণ করা হয় এবং সেই জাতীয়করণ করা শিল্পগুলো লুটপাটের মাধ্যমে ধ্বংস হয়। কারণ, জাতীয়করণকৃত শিল্পগুলো পরিচালনার জন্য আন্তরিকতা ও অভিজ্ঞতার ভীষণ অভাব ছিল। ১৯৭৩-৭৪ সালে বাংলাদেশ থেকে বাইরে ও ভেতরে চোরাচালান মহামারী রূপ নেয়। চোরাচালান রোধ করার জন্য সরকারি হুকুমে সীমান্তে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বহু সেনা কর্মকর্তা তখনকার সরকারি দলের নেতাদের রোষানলে পড়েন এবং অনেকেই চাকরি হারান। জাতীয় অঙ্গনে দুর্বলতা ও আন্তর্জাতিক অসহযোগিতার কারণে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয় এবং অগণিত মানুষ মারা যায়। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সংবিধানে মারাত্মক রকমের সংশোধনী আনা হয় অর্থাৎ বহুদলীয় গণতন্ত্রের বদলে একদলীয় গণতন্ত্র কায়েম করা হয়। সামরিক বাহিনীসহ সরকারি কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের একমাত্র রাজনৈতিক দলের সদস্য বানিয়ে পুরো সমাজকে একদলীয় রাজনীতিকরণ করা হয়। আইন-শৃংখলা রক্ষার নিমিত্তে জাতীয় রক্ষীবাহিনী নামক একটি নতুন বাহিনী সৃষ্টি করা হয়েছিল, যারা যে কোনো কারণেই হোক না কেন, জনমনে আতংকের কারণ হয়, নিপীড়নকারী হিসেবে পরিচিত হয়। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের পর ধ্বংসপ্রাপ্ত ভৌত কাঠামো, দুর্বল অর্থনীতি ইত্যাদি বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল দুর্নীতি এবং আংশিকভাবে আন্তর্জাতিক অসহযোগিতা। ফলে বঙ্গবন্ধু শত আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও সাফল্যের সঙ্গে দেশ শাসন করতে পারেননি। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ আওয়ামী লীগের কতিপয় জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার মদদে সেনাবাহিনীর একটি অংশ বিদ্রোহ বা অভ্যুত্থান ঘটায়। ওই ঘটনায় বঙ্গবন্ধু নিহত হন। আড়াই মাস পর, ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে সেনাবাহিনীর আরেকটি অংশ ১৫ আগস্টের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আরেকটি বিদ্রোহ বা অভ্যুত্থান ঘটায়। ৩ নভেম্বরের বিদ্রোহীরা জেনারেল জিয়াকে গ্রেফতার করেছিলেন। এরূপ ঘন ঘন বিদ্রোহ বা প্রতি-বিদ্রোহের কারণে সেনাবাহিনী তো বটেই, দেশের জনগণও সাংঘাতিক উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়ে। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতেই ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে সৈনিকরা একটি বিপ্লব সাধন করে এবং জেনারেল জিয়াকে মুক্ত করে। জেনারেল জিয়ার চেষ্টা ও সাহসিকতায় ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।
জিয়া হত্যার আগে ও পরে অস্থিরতা ১৯৭৮ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমান নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান হন। তিনি তার আমলে সংবিধানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ, সুদূরপ্রসারী ও তাৎপর্যপূর্ণ সংশোধনী আনেন। ১৯৭৫-এর জানুয়ারিতে হারিয়ে যাওয়া বহুদলীয় গণতন্ত্র আবার বহাল করেন। নিজে নতুন দল সৃষ্টি করেন। পুরনো দলগুলো পুনরুজ্জীবিত করেন, যার মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে কোণঠাসা হয়ে পড়া আওয়ামী লীগও পুনরুজ্জীবিত হয়। তিনি লেফটেনেন্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সেনাবাহিনীপ্রধান বানান। ১৯৮০ সাল থেকে সেনাবাহিনীপ্রধান ইশারা-ইঙ্গিতে তার রাজনৈতিক অভিলাষ প্রকাশ করতে থাকেন, তথা ওই সময়ের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে তার সমালোচনা প্রকাশ করতে থাকেন। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে মুক্তিযোদ্ধা ও অমুক্তিযোদ্ধা বা পাকিস্তান ফেরত অফিসারদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠেছিল। জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের সরকারে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের সংশ্লেষের কারণে তার সমালোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এরূপ প্রেক্ষাপটে ৩০ মে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম অঞ্চলের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর বীরউত্তমের নেতৃত্বে একদল সেনা অফিসার এবং তাদের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম ডিভিশনের একটি অংশ বিদ্রোহ বা ক্যু সাধন করে। জেনারেল মঞ্জুর মনে করতেন, দক্ষ ও জ্যেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা অফিসার হিসেবে তারই সেনাপ্রধান হওয়া উচিত এবং অন্য মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের অধিকতর মূল্যায়ন হওয়া উচিত। সেই বিদ্রোহের প্রক্রিয়ায় জেনারেল জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নিহত হন। বিদ্রোহকারীদের বিচার হয়। অনেকের ফাঁসি হয়, অনেকের জেল হয়। জিয়া হত্যার পরও সাংবিধানিকভাবেই বিএনপি সরকার চালাতে থাকে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা চলে। চূড়ান্ত পর্যায়ে সরকার অদক্ষ, দেশ বিপদে আছে ইত্যাদি অভিযোগে ২৪ মার্চ ১৯৮৪ তারিখে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ একটি রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ এই প্রক্রিয়াকে পরোক্ষভাবে স্বাগত জানিয়েছিল।
এরশাদ আমলের আগমন, প্রস্থান এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সামরিক শাসক লে. জেনারেল এরশাদ নিজেকে এবং তার শাসনকে রাজনৈতিক শাসনে পরিণত করতে প্রচেষ্টা নেন। জাতীয় পার্টি সৃষ্টি করেন। সংসদ নির্বাচনের প্রয়োজন ছিল। এই সব কিছুই তিনি করান। তৎকালীন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি একমত হয়েছিল যে, তারা কেউই এরশাদের জাতীয় পার্টির সঙ্গে নির্বাচনে যাবে না। কারণ, নির্বাচনে গেলেই জাতীয় পার্টি এবং এরশাদের সামরিক সরকার বৈধতা পাবে। ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচনটি ঐতিহাসিক ছিল। কারণ, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সরকারকে বৈধতা দেয়। এরশাদ আমলে অনেক ভালো কাজ হয়েছিল; বিশেষত প্রশাসনিক সংস্কার ও উন্নয়ন খাতে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি এরশাদ রাজনৈতিক অঙ্গনের মন জয় করতে পারেননি। অতএব, বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তার বিরুদ্ধে লেগেছিল। ১৮ অক্টোবর ১৯৯০ থেকে এরশাদ সরকারের পতনের লক্ষ্যে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ওঠে। হরতাল, ধর্মঘট, আন্তঃনগর বা আন্তঃজেলা যাতায়াত ইত্যাদি ভীষণভাবে বিঘ্নিত হতে থাকে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দফতরে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্বে নিয়োজিত, যথা সামরিক অপারেশন্স পরিদফতরের পরিচালক বা ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশন্স। ১৮ অক্টোবর ১৯৯০ থেকে ক্রমান্বয়ে অবনতিশীল আইন-শৃংখলা পরিস্থিতিতে এবং রাষ্ট্রপতিকে সহায়তার নিমিত্তে সেনাবাহিনী ক্রমান্বয়ে নিয়োজিত হচ্ছিল। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি স্থানে সেনা সদস্যরা জনগণের আক্রমণের শিকার হয়। জনগণ কর্তৃক সেনা সদস্যকে আক্রমণের কারণ ছিল অনেকটা এরকম- ‘তোমরা কেন স্বৈরশাসক এরশাদকে সমর্থন দিয়ে এখনও টিকিয়ে রাখছ?’ এরূপ পরিস্থিতিতে নভেম্বর ১৯৯০-এর একেবারে শেষদিকে ডাক্তার মিলন নিহত হওয়ার কারণে ঢাকা মহানগরে হঠাৎ করেই আন্দোলন তীব্রতা পায়। সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। কার্ফ্যু বা সান্ধ্য আইন জারি করা হয়। এ প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি এরশাদকে আর ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা সমীচীন কি-না, সেনাবাহিনীর মধ্যে এ প্রশ্ন দেখা দেয়। সেনা কর্তৃপক্ষ নীরব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, সেনাবাহিনী নিজেদের বিতর্কিত ও জনবিরোধী করবে না। ঘটনাবলীর প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং সামরিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় বহুলাংশে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি হিসেবে আমি আমার মূল্যায়ন আমার লেখা সর্বশেষ বই ‘মিশ্র কথন’-এ লিপিবদ্ধ করেছি ইতিহাসের স্বার্থে। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার স্বার্থে ওই আমলের সেনাবাহিনী পরবর্তী তিন মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে এবং বাংলাদেশে আবার নির্বাচিত সরকার ফিরে আসে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের নবযাত্রায় সরকার গঠন করে বিএনপি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবিতে আওয়ামী আন্দোলন ১৯৯৪ সালের শেষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি উত্থাপিত হতে থাকে। ১৯৯৫ সালে দাবি জোরালো হয়। আন্দোলন কঠোর হয়। ১৯৯৬ সালের শুরুটা জ্বলন্ত ছিল। আন্দোলনকারীরা ছিল আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী। আন্দোলনের তীব্রতার ফল হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে মোট ১৭৩ দিন হরতাল হয়েছিল, ঢাকা-চট্টগ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং চট্টগ্রাম বন্দর সাময়িকভাবে অচল হয়ে গিয়েছিল। ২৫ ডিসেম্বর ১৯৯৫ থেকে মেজর জেনারেল র্যাংকে আমি যশোর অঞ্চলের জিওসি ছিলাম। অতএব, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির সঙ্গে পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলাম অন্য জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের মতোই। সরকারে ছিল বিএনপি। ১৫ ফেব্র“য়ারি ১৯৯৬ নতুন করে বিএনপি সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর বিএনপি মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে সংবিধান সংশোধন করে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটায়। ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে বিএনপি ক্ষমতা ছেড়ে দেয় এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়। কিন্তু একটি অঘটন ঘটে। ১৯৯৬ সালের মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস এবং তৎকালীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম বীর বিক্রমের মধ্যে ঘোরতর মতপার্থক্য দেখা দেয়। এই মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে রাষ্ট্রপতি বিশ্বাস এবং সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল নাসিম সেনাবাহিনীর ওপর কর্তৃত্ব বহাল বা অব্যাহত রাখতে নিবিড় চেষ্টা করেন। কিন্তু সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অংশ এমন কিছু কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করে যেগুলোকে বিদ্রোহমূলক বা সরকার উৎখাতমূলক বলা যায়। সেনাবাহিনীর বৃহদাংশ সেনাপ্রধানের হুকুম মানতে অস্বীকার করায় সেনাবাহিনী আনুগত্য ও শৃংখলার আঙ্গিকে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। এরূপ উত্তপ্ত ও বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর দুটি অংশ প্রায় পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল। যা হোক, বহুমাত্রিক চেষ্টার ফলে বিদ্রোহী অংশ শান্ত হয় এবং সেনাবাহিনী ও দেশে শান্তি ফিরে আসে। ১০ জুন ১৯৯৬ অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থান পায়। তারা সরকার গঠন করে। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমের নেতৃত্বাধীন ৩ নভেম্বর ১৯৭৫-এর সেনা বিদ্রোহের মতো লে. জেনারেল নাসিম বীর বিক্রমের নেতৃত্বাধীন ২০ মে ১৯৯৬-এর ঘটনাবলীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে চিন্তাশীল ব্যক্তিদের একটি অংশ মনে করে।
অক্টোবর ২০০৬-এর রাজনৈতিক সাইক্লোন ২০০১ থেকে অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। ক্ষমতা ছাড়ার আগে থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবে এই নিয়ে প্রচণ্ড মতবিরোধ চলছিল। ২৮ অক্টোবর ২০০৬ ঢাকার রাজপথ রাজনৈতিক রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যেই কর্মীদের লগি-বৈঠা হাতে নিয়ে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছিল। ২৮ অক্টোবর ঢাকা মহানগরে যে রক্তাক্ত সংঘর্ষ হয়েছিল, সেই স্মৃতি এখন পর্যন্ত বিশেষ কেউই ভোলেনি। তার দায়-দায়িত্ব একাধিক রাজনৈতিক দলের ওপর পড়ে। তিন মাস পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান লে. জেনারেল মইন ইউ আহমেদের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী কর্তৃক তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে উৎখাত করা হয় এবং নতুন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সৃষ্টি করা হয়। ২০০৭ সালের প্রথম মাসের ১১তম দিনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এই ঘটনাটিকে ওয়ান-ইলেভেন বলা হয়। সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থদের দ্বারা বিএনপি-সংশ্লিষ্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার এটা দ্বিতীয় ঘটনা। প্রচুর সংখ্যক সেনা অফিসার জরুরি অবস্থা বাস্তবায়ন এবং একাধিক সংস্কারমূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে জড়িত হয়ে পড়েন। রাজনৈতিক অঙ্গন তথা রাজনৈতিক নেতাদের ওপর মারাত্মক অত্যাচার নেমে এসেছিল। তুলনামূলকভাবে বিএনপি ও বিএনপিপন্থীরা চাপ ও অত্যাচারের শিকার হয়েছিল বেশি। তারপরও বলতে হয়, মধ্যম ও কনিষ্ঠ পর্যায়ের সেনা অফিসাররা প্রচুর পরিশ্রম করেছিলেন জাতীয় স্বার্থে। প্রথমদিকে তারা জনগণের প্রচুর প্রশংসা পান। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রশংসা কমে আসতে থাকে। সাধারণভাবে রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহল ১/১১-কে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছিল। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন, তাদের আন্দোলনের ফসল ১/১১-এর সরকার।
১/১১-এর দুই বছর
১/১১ সম্পর্কে জেনারেল মইন ইউ আহমেদের লেখা নিজের বইয়ে যে বিবরণ আছে, সেটাকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায়। সাক্ষ্যটা সম্পূর্ণ সত্য নাও হতে পারে। ক্রমান্বয়ে আরও সাক্ষ্য উপস্থাপিত হতেই থাকবে। ২৪ মার্চ ১৯৮২ জেনারেল এরশাদের মার্শাল ল’-এর মাধ্যমে অপসারিত হয়েছিল একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার। দলের নাম ছিল বিএনপি এবং রাষ্ট্রপতির নাম ছিল বিচারপতি আবদুস সাত্তার। ১১ জানুয়ারি ২০০৭ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়নি, কিন্তু সদ্য সাবেক রাজনৈতিক সরকার তথা বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে উৎখাত করা হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা (অর্থাৎ ১/১১) বিএনপির বিরুদ্ধেই বিপ্লব ছিল। ২৪ মার্চ ১৯৮২-এর পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদ স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি থেকে কোনো সহযোগিতা আশা করেননি। তাই কৌশলে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে সহযোগিতা নিয়ে ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচন করিয়েছিলেন।
উৎকণ্ঠিত কিন্তু দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশ
এখন অক্টোবর ২০১৩। অক্টোবর ২০০৬-এর কথা উপরের অনুচ্ছেদেই বললাম। এ মুহূর্তে আমাদের চিন্তা ও দুশ্চিন্তা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিয়ে। সাংবিধানিক সংকট নিয়ে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার বলছেন, তিনি বর্তমান সংবিধানের বাইরে যাবেন না এবং সংবিধানের ভেতরে থেকেই আগামী নির্বাচন করবেন বা করাবেন। অপরপক্ষে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের বক্তব্য হচ্ছে, আওয়ামী লীগের নিজস্ব সুবিধার জন্যই অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে যেন জিততে পারে সেই অন্তর্নিহিত লক্ষ্য সামনে রেখে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। বিরোধী দলের মতে, নিরপেক্ষ-নির্দলীয় সরকার ছাড়া নির্বাচনকালে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। অতএব, বিরোধী দল কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। এ মুহূর্তের সংকট কঠিন। সংকটের উৎপত্তি ২০১১ সালের জুন মাসে সংসদ কর্তৃক পঞ্চদশ সংশোধনী আনার মাধ্যমে। সংকট সৃষ্টিতে বর্তমান বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের কোনো ভূমিকা নেই। তারপরও বিরোধী শিবির যথাসম্ভব শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে সরকারকে বোঝাতে চেষ্টা করেছে যে, তাদের দাবি ন্যায্য এবং তা বাস্তবায়ন করা হোক। বিরোধী শিবিরের দাবিটা এমনই একটা দাবি যেটা মূলত ১৯৯৪-৯৬ সময়ে বর্তমান সরকারি দলেরই দাবি ছিল। এ প্রেক্ষাপটে মানুষ যখন উৎকণ্ঠিত, আতংকিত, তখন ১৮ অক্টোবর ২০১৩ প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং একটি প্রস্তাব দেন। ২১ অক্টোবর ২০১৩ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া একটি প্রস্তাব দিয়েছেন; তথা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের রূপরেখা দিয়েছেন। উভয় নেত্রীর প্রস্তাবের বিবরণ বা মূল্যায়ন আমি এখানে স্থানাভাবে করছি না। বিজ্ঞ পাঠক নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন কোন প্রস্তাবটি ভালো বা কোন প্রস্তাবটি মন্দ। পূর্ণাঙ্গ না হলেও আংশিকভাবে। অথবা দুটি প্রস্তাবের ভালো অংশ নিয়ে একটি তৃতীয় ভালো প্রস্তাব প্রস্তুত করা যায় কি-না সেটা ভেবে দেখা যেতে পারে।
উপসংহার
সবশেষে আমি এই কলামের শিরোনাম নিয়ে একটু কথা বলি। শিরোনামের শেষাংশ হচ্ছে উত্তর-দক্ষিণ পারস্পরিক দৃষ্টিপাত। উত্তর বলতে আমি ঢাকা মহানগরের উত্তর অংশকে বুঝিয়েছি। দক্ষিণ বলতে সেনানিবাস ছাড়া অবশিষ্ট ঢাকা মহানগরকে বুঝিয়েছি। প্রতীকী অর্থে বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের বা জনসমষ্টির মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক সম্পর্কের কথা, সহযোগিতার কথা, অসহযোগিতার কথা সবকিছুকেই বুঝিয়েছি। ১/১১-এর একদিন আগে, ১০ জানুয়ারি ২০০৭-এ প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠার অষ্টম কলামে একটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল। এতে ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তার পক্ষ থেকে দেশের বিদগ্ধ রাজনৈতিক সমাজের প্রতি একটি আবেদন ছিল। এ মুহূর্তে অবসরপ্রাপ্তরা কী চিন্তা করছেন জানি না, কিন্তু সমাজের সবাই যে উদ্বিগ্ন এটুকু জানি।
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্রকে বিপন্ন করা চলবে না by মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের ঠিক এক দিন পর ডিএমপি ঢাকায় সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধের এলান জারি করে। তাতে বলা হয়, ২০ অক্টোবর সকাল ৬টা থেকে ঢাকায় কোনো সভ-সমাবেশ, মানববন্ধন ও মিছিল করা যাবে না, এমনকি ঘরোয়া সমাবেশও পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবে। এ আদেশ শুনে সবার মাথায় হাত, সামনের দিনগুলো যে সুখকর হবে না এবং অনিশ্চয়তার অন্ধকার যে সহসা কাটছে না- এটি ঝুঝতে কারও বিন্দুমাত্র অসুবিধা হল না। এরই মধ্যে ২১ অক্টোবর গোধূলি বেলায় বিরোধী দলের নেতা হাজির হলেন গণমাধ্যমের সামনে, জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এক যুগান্তকারী, সময়োপযোগী, দূরদর্শী ও রাষ্ট্রনায়কোচিত বক্তব্য রাখলেন তিনি; প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে দিলেন নির্বাচনকালীন বিকল্প এক সরকারের প্রস্তাব। দ্রুত বদলে গেল রাজনীতি। খালেদা জিয়ার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে বেশ কিছু রাজনৈতিক দল এবং ব্রিটেন, কানাডাসহ অন্যান্য রাষ্ট্র। স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘও।
২২ অক্টোবরের সূর্যটা বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য আশীর্বাদের বরপুত্র হয়ে উদয় হয়। বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবের ওপর আলোচনার চিঠি নিয়ে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল সবাইকে চমকে দিয়ে আকস্মিক হাজির হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মিন্টো রোডের সরকারি বাসায়। আশরাফ সাহেব যথারীতি চিঠি গ্রহণ করে আচমকা ফোন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। কথা হয় দু’জনের মধ্যে কয়েক মিনিট। এ সময়টা বাংলাদেশের চলমান রাজনীতির জন্য টার্নিং-পয়েন্ট হয়ে দেখা দেয়। সৈয়দ আশরাফ ও ফখরুল সাহেবের ফোনালাপ মিডিয়ায় দেখতে পেয়ে মানুষের আতংকিত চেহারা মুহূর্তের মধ্যেই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে নাটকীয়ভাবে খবর আসে মির্জা ফখরুলকে ফোন করেছেন জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো। বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি নিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয় তাদের মধ্যে। রাতে গুলশান কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা। বৈঠক শেষে তিনি মিডিয়ার সামনে বলেন, দুই দলের মধ্যে সংলাপের দ্বার উন্মুক্ত হল। নাটকীয়তার এখানেই শেষ নয়, পরের দিন অর্থাৎ ২৩ অক্টোবর সবাইকে বিস্মিত করে ড্যান মজিনা সরাসরি চলে যান ভারতের রাষ্ট্রদূত পঙ্কজ শরনের বাসায়। তাদের মধ্যে কী কথা হল এবং কেনইবা তিনি পঙ্কজ শরনের বাসায় ছুটে গেলেন- এটার হিসাব রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মিলাতে পারছে না। তবে সামনের দিলগুলোতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবশ্যই এটি দৃশ্যমান হবে। বিস্ময় এখানেই শেষ নয়, খালেদা জিয়ার প্রস্তাব নিয়ে ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার মাগরিবের নামাজের পর হাজির হন জাতীয় সংসদে। তিনি খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রস্তাব তুলে ধরেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। এর মাধ্যমে বল এখন আনুষ্ঠানিকভাবে চলে গেল সরকারি দলের কোর্টে। এখন দেখার বিষয় এ বল নিয়ে কেমন খেলা খেলে ক্ষমতাসীন দল।
প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক আছে। এটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি নতুন প্রস্তাব। এ সরকারের রূপরেখা কী হবে, সংসদ ভেঙে দিয়ে, না রেখে হবে, এ সরকারের প্রধান কে হবেন, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়- যেমন স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও তথ্য মন্ত্রণালয়ে কোন দলের মন্ত্রী থাকবে ইত্যাদি প্রশ্ন থেকেই যায়। আর বাংলাদেশের সংবিধানে সর্বদলীয় সরকার বলতে কোনো দিকনির্দেশনাও নেই। এটি বাস্তবায়ন করতে গেলে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন। বিরোধী দল মনে করে, সর্বদলীয় সরকারের নামে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করতে চান। তাই তাদের দাবি নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে কিছুতেই প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। কারণ তাকে নির্দলীয় সরকারের প্রধান রেখে পক্ষপাতহীন ও সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায় না। দৃশ্যত সর্বদলীয় সরকারের নামে একটা নোংরা রাজনৈতিক খেলা চলবে- এতে কোনো সন্দেহ নেই। সরকার চাইবে সর্বদলীয় সরকারের নামে কিছু অস্তিত্বহীন দলকে দিয়ে ও অনুগত কিছু মিডিয়ার সাহায্যে বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনের একটা প্রেক্ষাপট তৈরি করতে। আসলে কোনো দুরভিসন্ধিমূলক চিন্তা নিয়ে সংকটের সমাধান করা যায় না, বরং সংকট আরও বাড়ে। তাতে দেশ সংকটে পড়ে। এমনিতেই দেশ চরম সংকটে নিপতিত। সামনে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা কারও কাছেই স্পষ্ট নয়। অনেকে বলছেন, দেশে একটি গৃহযৃদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে। এমনটি হলে ধ্বংস হবে মানুষের সব স্বপ্ন, ধ্বংস হবে সম্ভাবনা।
শান্তিতে নেই ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা। তারা মনে করছেন একটা দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যা ধ্বংস করবে অর্থনীতি; ব্যবসা-বাণিজ্য হয়ে পড়বে স্থবির, উৎপাদন কমে যাবে, রফতানি বাণিজ্য নিয়ে দেখা দেবে অনিশ্চয়তা। আমদানি-রফতানি ব্যাহত হবে। বন্ধ হবে কল-কারখানা। কর্ম হারিয়ে বেকার হবে হাজার হাজার শ্রমিক। দেখা দেবে সামাজিক বিশৃঙ্খলা। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ হবে রুদ্ধ।
বলার অপেক্ষা রাখে না, এর ফলে জাতীয় অর্থনীতি বিপর্যস্ত হবে, জিডিপি নিচের দিকে নামবে, সর্বোপরি মধ্য আয়ের দেশের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হবে। কাজেই বিশ্বে বাংলাদেশের তৈরি হওয়া উজ্জ্বল ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। এ নির্মোহ সত্যটি শাসক দল যত তাড়াতাড়ি উপলদ্ধি করবে, ততই তাদের জন্য এবং দেশের জন্য মঙ্গল হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাবে তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দৃশ্যমান হয়েছে। ব্রিটেন, কানাডা ও জাতিসংঘসহ সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সর্বস্তরের মানুষ বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে; এখন সরকার এটাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করলে সমাধান দোরগোড়ায়। আর মানুষ চায় সংকটের সমাধান, চায় সংলাপ; চায় পক্ষপাতহীন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, এর জন্য এগিয়ে আসতে হবে সর্বপ্রথম সরকারকেই।
খালেদা জিয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বসলেই সমাধান বেরিয়ে আসবে বলে মানুষ মনে করে। কারণ খালেদা জিয়ার প্রস্তাবে কোনো পক্ষপাতিত্বের লেশ মাত্র নেই। তাই এ প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই। দুই দল বসে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কে হবেন এটি ঠিক করতে পারলে অন্যান্য বিষয় সহজেই সমাধানযোগ্য বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, খালেদা জিয়ার প্রস্তাব নাকি পেছনে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব; প্রধানমন্ত্রীকে সবিনয়ে বলছি, বর্তমান ক্রান্তি সময়ে যত পেছনে তাকাবেন ততই সামনে তাকাতে পারবেন।
রাজনৈতিক সহিংসতায় গত কয়েক মাসে অনেক সম্পদ ধ্বংস হয়েছে, অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। একই জাতি ও ধর্মের মানুষের মধ্যে একটি নির্বাচন নিয়ে এমন আÍঘাতী ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। ক্ষমতার পালাবদলকে কেন্দ্র করে জেনেশুনে কৌশলে জাতিকে ভয়ানক বিভক্তির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে; যাতে এ জাতি বিপন্ন জাতিতে পরিণত হয়, একটা বাইরের অপশক্তির হস্তক্ষেপ যাতে অনিবার্য হয়। মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রকে বিপন্ন করে কোনো রাজনীতি হতে পারে না। রাজনীতি করতে গিয়ে রাষ্ট্রই যদি বিপন্ন হল, তাহলে রাজনীতি কার স্বার্থে? কাজেই রাজনৈতিক সহিংসতায় আর যাতে কোনো প্রাণ ঝরে না যায়, আর যাতে কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।
মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংলাপ ও সংঘাত পাশাপাশি চলে না সংলাপে আসতেই হবে by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

এই আমন্ত্রণ খালেদা জিয়া গ্রহণ করেছেন, না ঝুলিয়ে রেখেছেন তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। আমার ধারণা, খালেদা জিয়া আমন্ত্রণটি ঝুলিয়ে রেখেছেন। যুদ্ধরত দুই পক্ষ শান্তি আলোচনায় বসতে চাইলে আগে একটি যুদ্ধবিরতি ঘটায়। আলোচনা সফল না হলে আবার যুদ্ধ শুরু হয়। আমেরিকা-ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ও যতবার দুই পক্ষ শান্তি আলোচনায় বসেছে, যুদ্ধবিরতি ঘটানো হয়েছে। বিশ্বের সর্বত্রই শান্তি আলোচনার সময় এটা ঘটে।
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তো যুদ্ধরত দুটি শত্র“পক্ষ নয়; একই দেশের দুটো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধ মেটানোর জন্য আপস আলোচনায় বসলে দু’পক্ষকেই তো আগে সংঘাত বর্জন করতে হবে, রাজপথের লড়াই স্থগিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সংঘাত বর্জন করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর জন্য তার বেতার ও টেলিভিশনে একটা প্রস্তাব দিয়েছেন। বিরোধীদলীয় নেত্রী এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে নিজে একটি পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছেন।
অর্থাৎ আলোচনার একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। শেখ হাসিনার প্রস্তাব অথবা খালেদা জিয়ার পাল্টা প্রস্তাব কোনোটাই রাজনীতিতে শেষ কথা নয়। প্রস্তাব দেয়াই হয় এই প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংলাপ আলোচনা শুরু করার জন্য। খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনে এক ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন, আবার সংসদে গিয়ে সেই প্রস্তাব পাল্টেছেন। তথাপি এই প্রস্তাবকে ভিত্তি করেও আলাপ-আলোচনায় এগোনো যেত।
বিএনপি তা করেনি। প্রস্তাব দিয়েই আলোচনায় বসার সুযোগ গ্রহণের আগেই আন্দোলনের হুমকি দেয় এবং সঙ্গে সঙ্গে সেই হুমকি কার্যকর করে। জামায়াত-শিবিরকে নামিয়ে দেয়া হয় মাঠে। তারা ভাংচুর শুরু করে এবং তাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানি এবং রক্তপাতও ঘটেছে। আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির ঢাকায় ২৫ অক্টোবরের মহাসমাবেশ প্রথমে নিষিদ্ধ করেছিল। তাতে আমারও মনে হয়েছিল, গণতান্ত্রিক রীতি বিরোধী এই ব্যবস্থা গ্রহণ হাসিনা সরকারের জন্য ঠিক হয়নি। পরে মনে হয়েছে, ৫ মে ঢাকায় শাপলা চত্বরে হেফাজতিদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ঘটানোর প্রতিশ্র“তিতে বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সরকার যে বিরাট ভুল করেছিল, সেই ভুল ২৫ অক্টোবরের বিএনপির সমাবেশের বেলায় তারা করতে চাননি।
২৫ অক্টোবরের সমাবেশে খালেদা জিয়া সরকারের বিরুদ্ধে তাদের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই কর্মসূচি অনুযায়ী ২৭ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত হরতাল ঘোষিত হয়। কিন্তু ২৭ অক্টোবরের আগেই শুরু হয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণহানি অর্থাৎ বিএনপির ২৫ অক্টোবরের মহাসমাবেশ সম্পর্কে আওয়ামী লীগ সরকারের আশংকা যে একেবারেই অমূলক ছিল না, সমাবেশ-পরবর্তী সহিংস ঘটনা তা প্রমাণ করে। এই সমাবেশ উপলক্ষে সরকার জননিরাপত্তার ব্যবস্থামূলক কঠোর পুলিশি উপস্থিতির ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ৫ মে’র শাপলা চত্বরের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারত। আমাদের দেশের কপট গণতন্ত্র-প্রেমিকেরা যাই বলুক, গণতন্ত্রের ন্যূনতম নিয়ম-কানুন যারা মানে না, তাদের সঙ্গে গণতান্ত্রিক আচরণ করা খুবই বিপজ্জনক।
বিদেশী (ব্রিটিশ) শাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও মহাত্মা গান্ধী বলতেন, করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গ (ফড় ড়ৎ ফরব) অর্থাৎ হয় দাবি আদায় করব নয় মরব। বাংলাদেশে দেশী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে বিএনপির নেতানেত্রীরা প্রথমেই বলেন, ‘হাত ভেঙে গুঁড়িয়ে দেব’, ‘আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য করব’, ‘হাসিনাকে তার পিতার পরিণতি বরণ করতে হবে’ ইত্যাদি ইত্যাদি। এমনকি ড. ইউনূসের মতো শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীও এখন সরকারের হাত গুঁড়িয়ে দেয়ার হুংকার দিয়ে দেশে অশান্তি ছড়াচ্ছেন। এগুলো কি গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভাষা? আর এই ভাষায় যারা কথা বলেন এবং সঙ্গে হিংসাত্মক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েন, তাদের সঙ্গে গণতান্ত্রিক আচরণ করা গণতন্ত্র রক্ষার জন্যই বা কতটা নিশ্চয়তামূলক?
প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে খালেদা জিয়া কি সংলাপে যাবেন? এই ব্যাপারে তার আন্তরিকতা থাকলে তিনি ২৭ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত ঘোষিত হরতাল স্থগিত রাখতেন। হরতাল শুরু হওয়ার আগেই ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণহানি ঘটেছে। মূলত জামায়াত-শিবির মাঠে হিংস্রভাবে নেমেছে। এই অবস্থার মধ্যে খালেদা জিয়া গণভবনের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে যদি সংলাপে বসেনও তাতে সংলাপ সফল করার মতো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা যাবে কি?
বিএনপি নেত্রীর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জেনেছি, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার ব্যাপারে তার আগ্রহ আছে। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে গণভবনে যাওয়ার ব্যাপারেও তার মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই। কিন্তু মুশকিল হয়েছে তিনি এখন আর নিজের ইচ্ছা চালিত হতে পারছেন না। কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে তাকে সিঙ্গাপুরে যেতে হয়। সেখানে পুত্র তারেক রহমানের এবং অন্য বিদেশী মিত্রদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
পুত্র তারেক রহমান বিদেশে বাস করেন এবং জামায়াতের গাঁটছড়াবন্দি। তার মতে, ‘জামায়াত এবং বিএনপি অভিন্ন পরিবার।’ আবার জামায়াতের পেছনে রয়েছে পাকিস্তানের কুখ্যাত সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। এই ত্রিভুজ বন্ধন থেকে খালেদা জিয়ার নিজেকে মুক্ত করতে পারা সহজ নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন একটা ভাঁওতামাত্র। আসল দাবি ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি বাতিল করা। জামায়াতের জনসমর্থন নেই। তাই বিএনপির জনসমর্থনের ওপর নির্ভর করে দলটিকে সামনে রেখে মাঠে নেমেছে। জনসমর্থন নেই; তাই ভাংচুর, সন্ত্রাস চালাচ্ছে।
কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা দিন দুই হয় বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি চাঞ্চল্যকর খবর ছেপেছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা জিইয়ে রাখা এবং আন্দোলনের নামে বর্তমান সন্ত্রাস সৃষ্টির পেছনে যে আইএসআই সক্রিয় এবং জামায়াত ও তারেক রহমানের মাধ্যমে বিএনপিকে নিয়ন্ত্রণ করছে, তা বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি প্রকাশ করেছে।
এই খবরকে কেউ কেউ বলতে পারেন ভারতীয় পত্রিকার অপপ্রচার। যদি তাও হয় বাস্তবে কী দেখা যাচ্ছে? খালেদা জিয়ার প্রতিটি জনসমাবেশে এখন জামায়াত-শিবিরই অর্ধেকের বেশি মাঠ দখল করে থাকে। ছাত্রদলকে পিটিয়ে ছাত্রশিবির সভা ও সমাবেশের নিয়ন্ত্রণ দখল করে নেয়। হরতালের কর্মসূচি পালনেও জামায়াত ও শিবির ক্যাডারদেরই প্রাধান্য। বেগম জিয়া মুখে বলছেন, ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান; কিন্তু কাজে প্রকাশ্যেই এই বিচারের ব্যাপারে বিতর্ক সৃষ্টি করছেন এবং যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি চাইছেন। ঢাকায় শুক্রবারের জনসভাতেও তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সব রাজবন্দিকে মুক্তি দেবে।’ এই রাজবন্দি বলতে যে তিনি বন্দি এবং ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তিদানের কথা বলেছেন, তা একজন বালকের পক্ষেও বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
শুক্রবার বেগম জিয়ার সভায় প্রথম বক্তাই ছিল ছাত্রশিবিরের এক নেতা। স্বয়ং বিএনপি-নেত্রী তার ভাষণে ছাত্রশিবিরের গ্রেফতারকৃত সভাপতির মুক্তি দাবি করে বলেছেন, এই শিবির-সভাপতি অত্যন্ত ভালো লোক। সরকার তাকে গ্রেফতার করে নির্যাতন চালাচ্ছে। বিএনপির এক প্রবীণ ও পুরনো নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমার কাছে আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে বেগম জিয়া গণভবনে দাওয়াত খেতে গেলেও সংলাপ সফল হবে কিনা সে সম্পর্কে আমার সন্দেহ আছে। বিএনপি এখন আর আগের বিএনপি নেই। সম্পূর্ণভাবে জামায়াতের গ্রাসে চলে গেছে। দলনেত্রী সব ব্যাপারেই দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলাপ করেন। কিন্তু তাদের অধিকাংশের পরামর্শ শোনেন না। তিনি সিদ্ধান্ত নেন তারেক রহমান ও জামায়াতের সঙ্গে পরামর্শ করে। আজকাল তার বক্তৃতা-বিবৃতি শুনলে মনে হয়, তিনি গোলাম আযমের অনুপস্থিতিতে জামায়াতের অঘোষিত আমির।’
এই আক্ষেপ বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর মনেই। কিন্তু তারা মুখ ফুটে তা বলার সাহস পান না। বেগম জিয়া যখন কোনো জনসভায় বক্তৃতা দেন তখন সভাস্থল জামায়াত ও শিবিরের লোক দ্বারা ভর্তি এবং চারদিকে শুধু জামায়াত ও শিবিরের ফেস্টুন, পোস্টার ও ব্যানার দেখে নিজেকে কোন দলের নেতা ভাবেন তা জানতে আমার খুব ইচ্ছা হয়। সরকারের এক নেতা বলেছেন, ‘তারা গণভবনে বেগম খালেদা জিয়া তথা বিএনপিকে শুধু আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জামায়াতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।’ অনেকের মতো আমারও প্রশ্ন, বিএনপির বর্তমানে যা অবস্থান, তাতে জামায়াতকে আলাদাভাবে আমন্ত্রণ জানানোর দরকার আছে কি?
২৭ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত হরতালে কি ঘটবে তা ২৭ তারিখের ঢাকার অবস্থা দেখেই বোঝা যায়। ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ভয়ে অনেকেই গাড়ি বের করেননি বা দোকানপাট খোলেননি। কিন্তু আর সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছে। অর্থাৎ শিথিল হরতাল। যথারীতি জামায়াত-শিবির কিছু ভাংচুর করছে। যেসব জেলায় জামায়াত শক্তিশালী, সেসব জেলায় উপদ্রব বাড়তে পারে। রক্তপাতও হতে পারে। এর বেশি কিছু নয়। আওয়ামী লীগের মন্ত্রী ও কোনো কোনো নেতার বাড়িতে ককটেল ছোড়া হয়েছে। কিন্তু পটকা ফুটিয়ে যে ‘বিপ্লব’ করা যায় না, এই শিক্ষাটা বিএনপি-জামায়াত এখনও নেয়নি।
যত কিছুই হোক, বেগম জিয়াকে শেষ পর্যন্ত সংলাপে যেতে হবে বলে আমার ধারণা। গণভবনের আমন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের আগেও তিনি শেখ হাসিনার টেলিফোন ধরার ব্যাপারে যেমন গড়িমসি করেছেন, তেমন গড়িমসি করবেন, নানা শর্ত জুড়বেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে আলাপ-আলোচনায় বসতে হবে। কারণ সংঘাতে গিয়ে যে কোনো লাভ নেই এবং গণআন্দোলন করার মতো শক্তি ও জনসমর্থন তার জোটের নেই, এটা দেশের পরিস্থিতিই তাকে বুঝিয়ে দেবে। অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই তাকে আলোচনায় আসতে হবে।
বিএনপি হয়তো এখনও আশা করে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের সমর্থন ও সহযোগিতা ছাড়াও ভারত ও আমেরিকার চাপে হাসিনা সরকার হয়তো তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হবে। এ জন্য বাজারে তারা নানা গুজবও সৃষ্টি করেছিল। এই গুজবের পালে হাওয়া লাগিয়েছিল ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজিনা সাহেবের দিল্লিতে ছুটে যাওয়ার খবরটি। এখন তো ভারতের কাগজেই খবর বেরিয়েছে, দিল্লিতে মার্কিন দূতকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের দেশে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়; বাংলাদেশেও তা হলে দিল্লির আপত্তি নেই। মজিনা সাহেব ভারতের সঙ্গে ঐকমত্য ঘোষণা করে তবে দিল্লি ছেড়েছেন। তাতে হাসিনা সরকারের মনোবল আরও বেড়েছে। শেখ হাসিনা নিজে খালেদা জিয়াকে সরাসরি গণভবনে আমন্ত্রণ জানাতে দ্বিধা করছেন না। দুর্বলতা কাটিয়ে উঠে সবল অবস্থানে পৌঁছতে পেরেছেন বলেই শেখ হাসিনা এটা করতে পারছেন।
আমি বর্তমান সরকারের ধৈর্য ও সহনশীলতার প্রশংসা করি। আন্দোলনের নামে বিরোধী দলের তাণ্ডবের মুখে তারা প্রশাসনিক শক্তি প্রয়োগ করছেন বটে, কিন্তু তা সীমিত। প্রয়োজনের বেশি শক্তি প্রয়োগ করছেন না। বাংলাদেশের পুলিশ মার খেয়ে এবং চরম উস্কানির মুখেও ধৈর্য ও সংযম দেখাতে পারে, এই সরকারের আমলে তার প্রমাণ পাওয়া গেল। দেখা যাক, তিন দিনের ‘পটকা-বিপ্লবের’ পর বিএনপি-জামায়াত পরবর্তী ধাপে কি করে? আরও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে জনজীবনের বিরক্তিকর উপদ্রব তারা বাড়াতে পারবেন; কিন্তু ‘শিথিল হরতাল’ চাঙা করতে পারবেন না, সরকারকে নতিস্বীকার করানো দূরের কথা। ইতিমধ্যে ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের দণ্ড কার্যকর হয়ে গেলে ৫ মের মতো হয়তো দেখা যাবে ময়দান ফাঁকা, কোথাও পাগড়ির দেখা মিলছে না।
বিএনপির আরও সহযোগী শক্তি আছে। যেমন ড. কামাল হোসেন ও ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীদের তৃতীয় শিবির। তাদের প্রচেষ্টা এখন অনেকটা কুঁজোর চিৎ হয়ে শুয়ে চাঁদ দেখার স্বপ্নের মতো। সুশীল সমাজের মাথা ড. ইউনূস এখনও নভোচারী, দেশের কথা ভাবেন, কিন্তু দেশের মাটিতে পা রাখেন না। জঙ্গের ময়দানে সময় এলে এদের দেখা যাবে সে আশায় গুড়েবালি।
সংকট উত্তরণের একমাত্র পথ- সিরাতুল মুসতাকীম হল আঁচল থেকে সব পটকা, বোমা, বারুদ ঝেড়ে ফেলে দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পন্থায় নির্বাচন-সংক্রান্ত সব মতভেদ যথাসম্ভব কমানো এবং একটা ঐকমত্যে পৌঁছানো। আমার বিশ্বাস, বিএনপি-নেত্রীকে সেই পথেই শেষ পর্যন্ত আগাতে হবে। আমি আশাবাদী।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে বছরে ৩০০ রেলকর্মী প্রাণ হারান
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 28
(28)
- সময়চিত্র- দুই নেত্রীর নিয়ত by আসিফ নজরুল
- রাজনীতি- পথের শেষ কোথায়, খালেদা জিয়া কি জানেন? b...
- গল্প- তান্নিরা তিন বোন by মীম নোশিন নাওয়াল খান
- ভারতের ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট প্রথমবারের মতো বাংলাদে...
- গ ল্প:- ছেলে আর মেয়ে by অ্যালিস মানরো অনুবাদ: শি...
- গল্প- একটি সাধারণ সংবাদ by শাহনাজ মুন্নী
- এসেছে নবান্ন আজ by অরুণ কুমার বিশ্বাস
- গল্প- উষ্টা by হরিশংকর জলদাস
- রম্য গল্প- এক দল এক দফা by আহসান হাবীব
- চারু শিল্প- বিশ্ব-পরিমণ্ডলে শিল্পাচার্য by আশীষ-উর...
- সাহিত্যে নোবেল ২০১৩ অ্যালিস মানরো- সরলতার ধোঁকা by...
- শাহবাগিরা লাপাত্তা! : এখন আর আসে না ‘প্রতিরোধের’ ঘ...
- শামসুর রাহমানের অগ্রন্থিত অনুবাদ কবিতা
- সহিংসতা পরিহার করে শান্তি বজায় রাখুন- ব্যাপক প্রা...
- পথের শেষ কোথায়, খালেদা জিয়া কি জানেন?
- শিল্পবর্জ্যে মৃতপ্রায় বংশী by পার্থ শঙ্কর সাহা
- কই আছে ঢাকার শতবর্ষী বৃক্ষরা
- নদী দূষণকারীর শাস্তি নেই
- দুই নেত্রীর নিয়ত
- শৃঙ্খলিত গণতন্ত্র by কাজী জেসিন
- সমঝোতা আর কত দূর by বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম
- আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় দুই নেত্রীর ফোনালাপ
- ‘এবার বাধা এলে উপড়ে ফেলবো’ by কাজী সুমন
- হরতালে সহিংসতা, নিহত ৫
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উত্তর-দক্ষিণ পারস্পরিক দৃষ্ট...
- রাষ্ট্রকে বিপন্ন করা চলবে না by মোহাম্মদ বেলায়েত হ...
- সংলাপ ও সংঘাত পাশাপাশি চলে না সংলাপে আসতেই হবে by ...
- ভারতে বছরে ৩০০ রেলকর্মী প্রাণ হারান
-
▼
Oct 28
(28)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


