Sunday, March 22, 2020

মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর পাঁচটি ভবিষ্যত ‘সুপার ফুড’

বিভিন্ন সময় গবেষণায় দেখা গেছে, কেবল খাবারের কারণেই প্রতি বছর এক কোটিরও বেশি মানুষ মারা যায় পৃথিবীতে। আবার স্বাস্থ্যবান থাকা আর একই সাথে পৃথিবীকে রক্ষা করা এই দুই কাজ একসঙ্গে করতে পারাও একটি দুরুহ কাজ বলে রায় দিয়েছেন অনেক বিজ্ঞানী।
নতুন এক রিপোর্ট বলছে, শ্যাওলার মত কিছু জলজ উদ্ভিদ, ক্যাকটাস আর প্রাচীন শস্যদানা হতে পারে ভবিষ্যতের ‘সুপার ফুড’। মানে যেগুলো একই সাথে স্বাস্থ্যকর, আবার পৃথিবীকেও রক্ষা করবে ধ্বংস হয়ে যাবার হাত থেকে।
এ রিপোর্টে ৫০টি তথাকথিত 'সুপার ফুডে'র তালিকা করা হয়েছে, এর মধ্যে কোনগুলো ভবিষ্যতের মেন্যুতে থাকবে?
মোরিঙ্গা
মোরিঙ্গা গাছকে প্রায়শঃ 'যাদুর গাছ' বলে ডাকা হয়। এটি দ্রুত বাড়ে এবং খরা বা মরুতে অনায়াসে টিকে থাকতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশে এই গাছের বিভিন্ন অংশ আয়ুর্বেদিক ওষুধ বানানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
পাতা জাতীয় এই গাছের ফলন বছরে অন্তত সাত বার তোলা যায়। এতে ভিটামিন 'এ' ও 'সি' রয়েছে, এছাড়া ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়াম রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। ফিলিপিন্স ও ইন্দোনেশিয়াতে এখনই গাছ প্রচুর চাষ করা হয়। এখন স্যুপ বা কারি জাতীয় খাবারে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ড্রামস্টিক বানানোর কাজেও ব্যবহার হয় এই গাছ।
ওয়াকামি
জাপানি এই শৈবাল দীর্ঘদিন ধরেই খাবার হিসেবে প্রচলিত ও সমাদৃত। সমুদ্রের পাড়ের কৃষকরা বিশেষ উপলক্ষে এই খাবার খায় এবং এর ওপর কর দেয়। বর্তমানে জাপানের বাইরে ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড এবং আর্জেন্টিনাতেও এর চাষ হচ্ছে। সারা বছর এর ফলন হয় এবং সার ও কীটনাশক ছাড়াই এটি চাষ করা যায়।
শুকনো ওয়াকামি নোনা স্বাদের এবং এতে আয়োডিন ও প্রচুর ওমেগা থ্রি রয়েছে, বিশেষ করে যারা প্রাণীজ প্রোটিন কম খান তাদের জন্য এটি ভীষণ উপকারী। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ ঠেকানোর এক ধরণের প্রক্রিয়া রয়েছে এর মধ্যে।
ক্যাকটাস
ফ্যাকাসে হয় না এমন জাতের এক ক্যাকটাসও থাকবে ভবিষ্যতের 'সুপার ফুডে'র তালিকায়। মেক্সিকোতে এটি খুবই প্রচলিত খাবার। এর কাঁটাযুক্ত পাতা ও ফল কাঁচা খাওয়া যায়। আবার রান্না করে কিংবা জ্যাম বা জেলী বানিয়েও খাওয়া যায়। সাধারণত মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইউরোপে হয় এই ক্যাকটাস।
এই ক্যাকটাসের বিশেষত্ব হচ্ছে এতে 'টাইপ টু ডায়াবেটিস' কমানোর উপাদান আছে। এটি শরীরে জমা বাড়তি চর্বি কমিয়ে দেয়। তবে এই ক্যাকটাস ওজন কমাতে পারে এমন তথ্য এখনও প্রমাণিত হয়নি। এই ক্যাকটাস হ্যাংওভার কাটাতেও সাহায্য করে।
তবে, অনেকের আবার এই ক্যাকটাস পেটে সহ্য হয় না। কারো-কারো ডায়রিয়া, বামি ভাব এবং তলপেট ফেঁপে থাকা এমন উপসর্গ দেখা যায়।
ফোনিও
এই প্রাচীন আফ্রিকান শস্যদানা বাদামের মত স্বাদের জন্য জনপ্রিয়, বিশেষত মালির বামবারা জনগোষ্ঠীর খুব প্রিয় খাবার এটি। ৫০০০ বছর আগে এটি মিসরে চাষ করা হতো। মরুতে জন্মায় এ উদ্ভিদ, সাদা ও কালো দুই ধরণের ফোনিও পাওয়া যায় বাজারে।
স্বাদে কিছুটা এশিয়ার শস্যদানা কাউনের মত এই খাবার চালের মত ব্যবহার করা হয়। এমনকি এ থেকে বিয়ারও বানানো যায়। এতে প্রচুর আয়রন, জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়াম আছে।
বামবারা
মটরশুটি জাতীয় এই খাবারের স্বাদ কিছুটা কম এবং তৈলাক্ত চীনাবাদামের মত। এটি খারাপ জাতের মাটিতেও ফলানো যায়। আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী এই শস্যদানা এখন থাইল্যান্ড আর মালয়েশিয়ার কোন কোন অঞ্চলেও উৎপাদন করা হচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা একে পরিপূর্ণ খাবার আখ্যা দিয়েছেন ইতোমধ্যে। এটি সিদ্ধ করে, ভেজে বা রোস্ট করে খাওয়া যায়। আফ্রিকায় এটি দিয়ে স্যুপ রান্না হয়। এতে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে, নতুন রক্ত পরিবাহী শিরা তৈরিতে সাহায্য করে। এটি মানুষের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা শক্তিশালী করে। সূত্র : বিবিসি।

‘৮৪,০০০ ধাঁধাঁ’: এশিয়ার সবচেয়ে বড় পরিচয়হীনদের গোরস্থান by কাসিম সাঈদ

৪০ বছর বয়সী নাদিম বালুচ কুয়া থেকে বালতিতে পানি তুলে একটা পাত্রে ভরলেন। মধ্যদিনের তাপদাহের মধ্যে পাখিদের তৃষ্ণা মিটবে ওই পানিতে। খাঁ খাঁ চারপাশটাতে নজর বুলান তিনি। বাতাস বয়ে যায়, ধুলোয় ঢাকা পড়ে মাথার চুল আর গোফ। ৮৪ হাজারেরও বেশি কবরের এক গোরস্তানে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। এখানে যাদের কবর, তাদের পরিচয় নেই কোন, শুধু একটা নাম্বার দেয়া আছে। এই সব কবরগুলো নাদিম আর বাবার হাতে তৈরি। অজানা মৃতদেহের জন্য কবর খুঁড়েন নাদিম।
করাচির উপকণ্ঠে মোওয়াচ গোথের কাছি এধি কবরস্থানে নাদিম একা একাই কোনরকমে তৈরি একটা ঘরে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কাটিয়ে দিচ্ছেন।
প্রতিটি কবরে কাঠের একটি টুকরো দিয়ে চিহ্ন দেয়া। ওটাই কবরের ফলক। প্রতিটি কাঠের টুকরায় তিনটা করে চিহ্ন: উপরে কবরের নাম্বার, কবর দেয়ার দিন আর একটি সিরিয়াল নাম্বার। ৮৪ হাজার কবরের মধ্যে কিছু সিমেন্টে বাধানো কবর চোখে পড়বে। এগুলো হলো তাদের যাদের ছবি দেখে কবর দেয়ার সময় তাদের চিহ্নিত করতে পেরেছে পরিবারের সদস্যরা। এগুলোতে কাঠের বদলে সিমেন্টের ফলক দেয়া। আর সাথে রয়েছে নিহতের নাম।
নাদিম বললেন, ‘এগুলো ৮৪ হাজার পরিচয়হীন মৃতদেহ নয়, এগুলো ৮৪ হাজার ধাঁধাঁ’।
“বিগত তিন দশক ধরে কাজ করছি আমি এখানে।যখন ছোট ছিলাম, বাবার সাথে তখন এখানে আসতাম। প্রতি বছর এখানে কবরের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু করাচির আর দশটা কবরস্থানের মতো ধর্মীয় দিনগুলোতে বা পবিত্র অনুষ্ঠানে এখানে কেউ আসে না”।
নাদিম জানান, তিনি টুকরো টুকরো মৃতদেহ, পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত সন্ত্রাসী এবং যারা পুড়ে মারা যান – যাদের পরিচয় উদ্ধার করা যায় না – এ রকম বহু মানুষের জন্য কবর খুঁড়েছেন তিনি।
তিনি বললেন, “সাধারণত তিন ফুট গভীর, দুই ফুট চওড়া এবং ছয় ফুট লম্বা কবর খুঁড়ি আমি। কিন্তু যখনই কোন পানিতে ডুবে মরা ব্যক্তির লাশ আসে, আমাদেরকে কবর আরও চওড়া করতে হয়, কারণ শরীরগুলো ফুলে থাকে”।
হাজার হাজার কবরের মধ্যে আলাদাভাবে দাঁড়িয়ে আছে কাঠের একটা ক্রুশ। বোঝা যাচ্ছে নিহত ব্যক্তিটি ছিল খ্রিস্টান। তার পরিবার আলাদাভাবে কিছু করতে চায়নি, তাই শুধু কাঠের একটা ক্রুশ বসিয়ে দিয়ে গেছে।
প্রয়াত আব্দুস সাত্তার এধির ছেলে এবং এধি ফাউন্ডেশানের প্রধান ফয়সাল এধি বলেন, “পরিচয়হীন মৃতদেহ কবর দেয়ার ক্ষেত্রে ধর্ম কোন বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। ধর্মের ভিত্তিতে আমরা কবর আলাদা করি না। আমরা সবাই মানুষ আর অন্তত মৃত্যুর পর কোন বৈষম্য থাকা উচিত নয়”।
এধি বলেন, “বালদিয়া কারখানায় আগুন লেগে যারা মারা গিয়েছিল, তাদের কবর দিয়েছি আমরা। এনকাউন্টারে নিহত কথিত সন্ত্রাসীদের কবর দিই আমরা। এদের কারো কারো মৃতদেহ চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল, কিন্তু তাদের পরিবারের কেউই এগিয়ে আসেনি কারণ পুলিশি ঝামেলার ভয় পাচ্ছিল তারা”।
এধি বললেন, “নব্বইয়ের দশকের করাচি অপারেশান এবং ২০১৩ সালে আমরা বহু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিচ্ছিন্ন মৃতদেহ পেয়েছি। তাদের পরিবারের সদস্যরা সম্ভবত তাদের মৃত্যু সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল এবং কেউই সেগুলোর পরিচয় চিহ্নিত করতে আসেনি। আমরা তাদের এখানে কবর দিয়েছি”।
মাওয়াচ গোথ কবরস্থানে করাচির ৮৪ হাজারেরও বেশি পুরুষ আর নারীর গল্পের কবর হয়েছে, বিদেহী আত্মা যেখানে এখনও পরিচয় খুঁজে ফেরে। জন্মের সময় তাদের নাম দেয়া হয়েছিল, কিন্তু এখন মাটির নিচে নামহীন ঘুমিয়ে আছে তারা।

“শার্লক হোমস” যখন ক্রিকেটার! by হাসনাইন মো: আকিফ

মে মাসের ২২ তারিখ আমাদের সবার প্রিয় লেখক স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের জন্মদিন। শুভ জন্মদিন “শার্লক হোমস”-এর জনক।
স্যার আর্থার কোনান ডয়েল, “ক্রাইম ফিকশন”-এর চিন্তাধারাই যিনি পাল্টে দিয়েছিলেন বিখ্যাত শার্লক হোমস চরিত্রের মাধ্যমে। ১৮৮৭ সালে “A Study in Scarlet” উপন্যাসের মাধ্যমে জন্ম নেয় গোয়েন্দা শার্লক হোমস।
শার্লক হোমস একটি কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র এই কথা এখনো অনেকেই বিশ্বাস করেন না। কেউ কেউ বলেন স্যার আর্থার কোনান ডয়েল নিজেই শার্লক হোমস। তাদের দুইজনের চরিত্রের ভেতর অসম্ভব মিল। দুইজনের কাজের ধরন, কোকেন আসক্তি, গভীর রাতে বেহালা নিয়ে বসে পড়া! নিজের ব্যক্তিজীবনের প্রতিফলন ঘটিয়েছিলেন শার্লক হোমস চরিত্রে আর পেশাগত জ্ঞানের প্রতিফলন ঘটিয়েছিলেন হোমসের ঘনিষ্ঠ সহচর ডা. ওয়াটসনের মাধ্যমে। বর্তমানে শার্লক হোমসের রচনাসমগ্র স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডসহ বিশ্বের প্রায় ২৩ দেশের গোয়েন্দা ট্রেনিং স্কুলের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
আমি শার্লক হোমস রচনাসমগ্র প্রথম পড়েছিলাম ক্লাস ফোর অথবা ফাইভে! স্বাভাবিক, বেশিরভাগ রহস্যই বুঝিনি তখন। পরে আরো অনেকবার পড়েছি স্কুল এবং কলেজে উঠে। এতো অসাধারণ!
ক্রিকেট ব্যাট হাতে কিশোর আর্থার
স্যার কোনান ডয়েল ছিলেন পেশায় ডাক্তার, পরে হয়েছিলেন বিখ্যাত রহস্য উপন্যাস লেখক, শখের আইনজীবী হিসেবে লন্ডনের আদালতে দুটি কেস লড়ে জিতেছেন ১৯০৮ সালে। ছিলেন “পোর্টসমাউথ ফুটবল এসোসিয়েশন ক্লাব”-এর গোলকিপার, সাসেক্সের একটি ক্লাবের হয়ে খেলেছেন গলফ, আর্কিটেকচারের উপরেও জ্ঞান ছিলো, নকশা করেছিলেন বেশ কয়েকটি বাগানবাড়ির। কিন্তু যেটা অনেকেই জানেন না, স্যার কোনান ডয়েল একজন ক্রিকেটারও ছিলেন!
১৮৯৯-১৯০৭ সালের ভেতর ঐতিহ্যবাহী মেরিলিবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব অর্থাৎ ক্রিকেটের আঁতুড়ঘর এমসিসির হয়ে দশটি প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলেছিলেন। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ রান ৪৩। ওকেশনাল বোলার ছিলেন, ক্যারিয়ারে একটিই মাত্র উইকেট পেয়েছিলেন, সেটা কার জানেন? বিখ্যাত ক্রিকেটার, ক্রিকেটের “খ্যাঁপাটে বুড়ো” ক্রিকেটের অমর চরিত্র আরেক ডাক্তার ডব্লিউ. জে. গ্রেসের!
শার্লক হোমসের আস্তানা, 221-B বেকার স্ট্রিট লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের একদম কাছেই। যদিও বাস্তবে এইরকম কোন ঠিকানা ছিলো না, কিন্তু বেকার স্ট্রিট নামে একটা জায়গা ছিলো একসময়। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে ওই ঠিকানায় প্রচুর চিঠি আসে প্রতিদিন। বেশিরভাগ চিঠিতে বিভিন্ন রহস্য সমাধানের অনুরোধ থাকে। অবশ্য চিঠির উত্তরে ভক্তদের জানানো হয় “শার্লক হোমস বর্তমানে অবসর গ্রহণ করায় কেসটি নিতে পারছেন না”।
শিল্পীর তুলিতে ক্রিকেট মাঠে স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
ব্যক্তিজীবনে বহুগুনে গুণান্বিত স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের অনবদ্য সৃষ্টি শার্লক হোমসের জনপ্রিয় কিছু উক্তি শেয়ার করলাম।
“It is an old maxim of mine that when you have excluded the impossible, whatever remains, however improbable, must be the truth.’
“I never guess. It is a shocking habit,—destructive to the logical faculty.”
“You see, but you do not observe. The distinction is clear.”
“The world is full of obvious things which nobody by any chance ever observes.”
“They say that genius is an infinite capacity for taking pains,’ he remarked with a smile. ‘It’s a very bad definition, but it does apply to detective work.”
“It is a capital mistake to theorize before one has data. Insensibly one begins to twist facts to suit theories, instead of theories to suit facts.”
“You know my method. It is founded upon the observation of trifles.”
“My name is Sherlock Holmes. It is my business to know what other people don’t know.”
“I think that you know me well enough, Watson, to understand that I am by no means a nervous man. At the same time, it is stupidity rather than courage to refuse to recognize danger when it is close upon you.”
“I confess that I have been blind as a mole, but it is better to learn wisdom late than never to learn it at all.”
“When a doctor does go wrong, he is the first of criminals. He has the nerve and he has the knowledge.”
“I think that there are certain crimes which the law cannot touch, and which therefore, to some extent, justify private revenge.”
“I listen to their story, they listen to my comments, and then I pocket my fee.”
শার্লক হোমস পড়ার পর নিজে শার্লক হোমস হতে চায়নি এমন একটা বাচ্চাও মনেহয় পাওয়া যাবে না, আমিও ব্যতিক্রম ছিলাম না।
স্যার ডয়েলকে জন্মদিনের বিলম্বিত শুভেচ্ছা।