Tuesday, January 20, 2026

ইরানের ভবিষ্যৎ কী হবে কেউ বলতে পারে না, নিবিড় নজর রাখছে ইসরাইল: নেতানিয়াহু

বিক্ষোভ ও রক্তক্ষয়ী দমন অভিযানের পর ইরানে অস্থির পরিস্থিতি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে তেল আবিব। তেহরান যদি ইসরাইলে হামলা চালায়, তবে ইরানকে ‘এর আগে দেখা যায়নি এমন শক্তির আঘাত’ মোকাবিলা করতে হবে। আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে ইসরাইলি সংসদ নেসেটে দেয়া ভাষণে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এসব কথা বলেছেন। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ খবর দিয়েছে। নেতানিয়াহু আরও বলেন, তিনি ইরানের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছেন। হুঁশিয়ারি দেন, ইরানের ভবিষ্যৎ কী হবে তা কেউ বলতে পারে না। তবে দেশটি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, কোনো সংঘাত হলে তেহরানের জন্য অপরিবর্তনীয় পরিণতি অপেক্ষা করছে।

খবর পাওয়া যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক শক্তিচালিত যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে সরিয়ে নিচ্ছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর কঠোর দমন অভিযানকে কেন্দ্র করে তেহরানের সরকারের সঙ্গে ওয়াশিংটনের টানাপড়েনের মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার মানবাধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে অংশ নেয়া কমপক্ষে ৪০২৯ জন দমন অভিযানে নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানায়, এ সময়ে ২৬ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে ৩,৭৮৬ জন বিক্ষোভকারী, ১৮০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, ২৮ জন শিশু এবং ৩৫ জন এমন ব্যক্তি রয়েছেন যারা বিক্ষোভে অংশ নেননি।

তাদের আশঙ্কা, প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি। সংস্থাটি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রতিটি মৃত্যুর তথ্য যাচাই করে থাকে এবং আগের অস্থিরতার সময়ও তাদের পরিসংখ্যান যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় স্বাধীনভাবে এই সংখ্যা যাচাই করা যায়নি। ইরানের দমন অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জন্য দুটি ‘লাল রেখা’ নির্ধারণ করেছেন। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা এবং গণহারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা। কয়েক দিন আগেও দক্ষিণ চীন সাগরে থাকা একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী সিঙ্গাপুর অতিক্রম করে মালাক্কা প্রণালীতে প্রবেশ করেছে, যা এটিকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করেছে।

বার্তা সংস্থা এপির বিশ্লেষণ করা জাহাজ চলাচল তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দেখা গেছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ আরও কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মালাক্কা প্রণালীতে রয়েছে এবং সেগুলো মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোতে পারে। লিংকনের সঙ্গে রয়েছে আর্লেই বার্ক শ্রেণির গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার- ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই. পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস মাইকেল মারফি ও ইউএসএস স্প্রুয়েন্স।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলো কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, সান ডিয়েগোতে ঘাঁটি করা লিংকন আসলেই মধ্যপ্রাচ্যের পথে রয়েছে। তবে অঞ্চলটিতে এর বিমানগুলো কার্যকর পরিসরে পৌঁছাতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। 

https://mzamin.com/uploads/news/main/199549_Abul-2.webp

কুয়েতে প্রতি ৩৪ মিনিটে এক বিয়ে, ৭৫ মিনিটে এক বিচ্ছেদ

কুয়েতে প্রতি ৩৪ মিনিটে একটি বিয়ে এবং প্রতি ৭৫ মিনিটে একটি বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক হচ্ছে।

দেশটির শরিয়া নোটারাইজেশন বিভাগের ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের তথ্যের ভিত্তিতে কুয়েতের বিচার মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও গবেষণা দপ্তর এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত নভেম্বর মাসে কুয়েত শরিয়া নোটারাইজেশন সেবার চাহিদা খুব বেড়ে যায়। নির্দিষ্ট ওই মাসে বিয়ে, বিয়ের সত্যায়ন, তালাক, পুনর্মিলন, সরকারি নোটিশ ও ইসলাম গ্রহণসংক্রান্ত ১০ হাজারের বেশি লেনদেন নথিভুক্ত হয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, উল্লিখিত মাসে বিয়ে ও পুনর্মিলনসংক্রান্ত মোট ১ হাজার ২৫২টি লেনদেন নিবন্ধিত হয়েছে। গড়ে প্রতিদিন ৪২টি লেনদেন অর্থাৎ প্রতি ৩৪ মিনিটে একটি বিয়ে বা পুনর্মিলনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

ওই মাসেই আবার ৫৯৫টি বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক নথিভুক্ত করা হয়েছে। গড়ে প্রতিদিন ২০টি তালাক, অর্থাৎ প্রতি ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটে একটি তালাকের ঘটনা ঘটেছে।

তথ্য অনুযায়ী, বিয়ে চুক্তির সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৪৩টি, গড়ে প্রতিদিন ৩৮টি চুক্তি।

বিয়ের ক্ষেত্রে ৭৩ শতাংশের বেশি ছিল কুয়েতের নাগরিকদের। দেশটির নাগরিক নন এমন ব্যক্তি ছিলেন ১৬ শতাংশের বেশি।

এ ছাড়া কুয়েতি পুরুষ ও কুয়েতি নন, এমন নারীর মধ্যে বিয়ে ছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ। আর কুয়েতি নন এমন পুরুষ ও কুয়েতি নারীর মধ্যে বিয়ে ছিল ২ দশমিক ৩ শতাংশ।

১০৯টি বিয়ে সত্যায়ন চুক্তি নিবন্ধিত হয়েছে। এ হিসাবে গড়ে প্রতিদিন ৩ দশমিক ৬টি চুক্তি হয়েছে। এসব চুক্তির মধ্যে কুয়েতি স্বামী ও কুয়েতি নন এমন স্ত্রীর মধ্যে চুক্তিই সর্বাধিক, যার হার প্রায় ৫৪ শতাংশ। তবে কুয়েতি দম্পতিদের মধ্যে কোনো বিয়ে সত্যায়ন চুক্তি নথিভুক্ত হয়নি।

পরিসংখ্যানে আরও দেখা গেছে, বিয়েসংক্রান্ত লেনদেনের প্রায় ৭৪ শতাংশ আদালতের রায় অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে। এ ছাড়া তথ্য অনুযায়ী, বিয়ে চুক্তির প্রায় ৮২ শতাংশ বিদেশে নথিভুক্ত হয়েছে, যেখানে শরিয়া নোটারাইজেশন বিভাগের মাধ্যমে ছিল প্রায় ১৮ শতাংশ।

অন্যদিকে, গত বছরের নভেম্বর মাসে ৫৯৫টি তালাকের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। কুয়েতি দম্পতিদের মধ্যে তালাকের হার ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

৯২টি পুনর্মিলন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এ হিসাবে গড়ে প্রতিদিন প্রায় তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮৬ শতাংশ মামলা পুনর্মিলন সনদপত্রের মাধ্যমে নথিভুক্ত হয়েছে।

সরকারি মাধ্যম এবং ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কিত লেনদেনের ক্ষেত্রে ৫২ হাজার ৩৫৯টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে, যা গড়ে প্রতিদিন ১ হাজার ৭৪৫টি।

এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ লেনদেন সরকারি মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে, অনলাইনে মাত্র ৫৮টি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ঘটনার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2022-06%2Faef7db2f-5c0b-438a-b4f6-24d88ada8128%2FDivorce.jpeg?rect=0%2C0%2C1280%2C853&w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif
প্রতীকী ছবি

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর যাত্রা শুরু, ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া বাম ও মধ্যপন্থী মতাদর্শের তরুণদের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের’ (এনপিএ) আত্মপ্রকাশ হয়েছে। নতুন এই প্ল্যাটফর্মের ৩ জন মুখপাত্র ও ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়েছে। তিন মুখপাত্র হলেন ফেরদৌস আরা রুমী, মঈনুল ইসলাম তুহিন (তুহিন খান) ও নাজিফা জান্নাত।

গত শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এনপিএর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়েছে। সেখানে প্ল্যাটফর্মের মুখপাত্র ও কাউন্সিল সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মীর হুযাইফা আল মামদূহ (কাউন্সিল সদস্য)।

মুখপাত্রের দায়িত্ব পাওয়া ফেরদৌস আরা রুমী ও তুহিন খান লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট। আর নাজিফা জান্নাত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও ছাত্র ইউনিয়নের নেত্রী।

এনপিএর কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে স্থান পাওয়া ১০১ জনের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগকারী চার নেতা রয়েছেন। তাঁরা হলেন এনসিপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অনিক রায় (ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক), সাবেক যুগ্ম সদস্যসচিব তুহিন খান, সাবেক কালচারাল সেলের উপপ্রধান সৈয়দা নীলিমা দোলা। এ ছাড়া আছেন এনসিপির সাবেক সদস্য সৈয়দ ইমতিয়াজ নদভী।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অলিউর সান, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বাকী বিল্লাহ, সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বর্তমান সভাপতি মেঘমল্লার বসু, সাধারণ সম্পাদক মাঈন আহমেদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সহসমন্বয়ক নূমান আহমাদ চৌধুরী ও রাফসান আহমেদও আছেন এনপিএর কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে।

মুখপাত্র ও কাউন্সিল সদস্যদের নাম ঘোষণার পর এনপিএর তিন মুখপাত্র প্ল্যাটফর্মের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এই প্ল্যাটফর্মের পাঁচটি মূলনীতিও ঘোষণা করা হয়। এগুলো হলো গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা।

ঘোষণাপত্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক লড়াই-সংগ্রামের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। বলা হয়, জুলাই আমাদের সামনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের সম্পর্কের মৌলিক প্রশ্নটি স্পষ্টভাবে হাজির করে। জুলাই কেবল শাসক পরিবর্তনের ঘোষণা ছিল না, এটি ছিল ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ। অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিসরের দাবি নিয়েই জুলাই আমাদের সামনে এসেছিল। অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের নানা উদ্যোগ নিলেও দেড় বছর পর এসে বাস্তবতা হতাশাজনক। একই সঙ্গে যে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিসরের স্বপ্ন তৈরি হয়েছিল, তা আজ অনেকটাই ভেঙে পড়েছে।

এরপর বলা হয়, বরং আমরা দেখতে পাচ্ছি পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের ভাষা ও চর্চার পুনরুত্থান। সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সংখ্যাগুরুর পাশাপাশি সংখ্যালঘুর কণ্ঠস্বর নিশ্চিত করার যে গণতান্ত্রিক ধারণা, তার গুরুতর লঙ্ঘন ঘটছে। ধর্মীয়, জাতিগত ও লৈঙ্গিক পরিচয়ের সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন আরও বেশি ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। প্রায় সব রাজনৈতিক শক্তিই কোনো না কোনোভাবে নারী, সংখ্যালঘু বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতি অবিচারমূলক আচরণ করছে। গণতন্ত্রের নাম ব্যবহার করেও বাস্তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদের উত্থান স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তার প্রশ্নকে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা সামাজিক পরিচয়ের আড়ালে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সহিংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েই জুলাইয়ের অভ্যুত্থান ঘটেছিল। তবু প্রাণাধিকার ও মানবাধিকার আজও নিশ্চিত করা যায়নি।

অভ্যুত্থানের পরেও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে নাগরিকের রক্ত ঝরছে উল্লেখ করে ঘোষণাপত্রে বলা হয়, এর পাশাপাশি নাগরিকের জীবন, সম্পদ, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অভিব্যক্তির ওপর বিভিন্ন উগ্র গোষ্ঠীর আক্রমণ বাড়ছে। এসব ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশে এমন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে, যারা গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মৌলিক প্রশ্নগুলোকে অগ্রাধিকার দেবে। যারা নাগরিকের অধিকারকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক পরিসর নির্মাণে মনোযোগী হবে। এই প্রেক্ষাপটেই জনগণের শক্তি, আগামীর মুক্তি গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এনপিএ যাত্রা শুরু করছে।

এনপিএর কাউন্সিল সদস্য মীর হুযাইফা আল মামদূহ ছিলেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক। শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে এনপিএর পরবর্তী কার্যক্রম ঘোষণা করা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এনপিএর কাউন্সিল সদস্য অনিক রায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, শ্রমিক নেত্রী মোশরেফা মিশু, কথাসাহিত্যিক মশিউল আলম, লেখক আলতাফ পারভেজ, বাসদের (মার্ক্সবাদী) নেত্রী সীমা দত্ত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বখতিয়ার আহমেদ, শিল্পী অমল আকাশ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতা দিদারুল ভূঁইয়া, কবি জাহিদ জগৎ প্রমুখ।

‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’ গানটি সমবেত কণ্ঠে গাওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2026-01-16%2Fiyvxvazh%2FNPA-Programme-01.jpeg?rect=0%2C0%2C1599%2C1066&w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের’ (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্যরা। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। ছবি: দীপু মালাকার