Thursday, December 3, 2009
এখন সমুদ্রস্নান -চলতি পথে by দীপংকর চন্pr
নথিপত্রে পটুয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে ৭২ কিলোমিটার দূরের এই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ কিলোমিটার এবং প্রস্থ প্রায় তিন কিলোমিটার হলেও সম্ভবত এই হিসাব পরিমার্জনার দাবি রাখে। সৈকতের কোল ঘেঁষে দুই একর জমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে প্রাণপ্রাচুর্যে পূর্ণ এক নারিকেলবীথি। অনেকটা পূর্বে পটুয়াখালী বনবিভাগের পরীক্ষামূলক ফোরসোর বাগান। ১৯৯৭-৯৮ সালে গড়ে ওঠা এই বাগানটির জমির পরিমাণ ছয় হেক্টর। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের দেখা মিললেও একছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আছে সারিবদ্ধ ঝাউগাছের দল। সৈকতের মূল পয়েন্ট থেকে ঝাউবন অবধি পথটুকু একেবারে কম নয়। সূর্য তখন মধ্যগগনে। হাঁটতে হাঁটতে গলা শুকিয়ে কাঠ আমাদের। জল পান করা প্রয়োজন। কাছেই একটা দোকান দেখা গেল। মোহাম্মদ আলীর টং-দোকান। ক্লান্ত, ক্ষুধার্ত পর্যটকদের জন্য এই দোকানে রয়েছে হরেকরকম শুকনো খাবারের বন্দোবস্ত। আর ভিজে খাবারের আয়োজন কেমন এখানে? সকৌতুকে প্রশ্ন করতেই স্মিতহাস্যে দোকানি জানান, ‘চা আছে, স্প্রাইট আছে, বিশুদ্ধ জলের বোতল আছে, এ ছাড়াও আছে ভীষণ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ডাব’—সত্যিই! চোখ ছানাবড়া হওয়ার মতো বিশালাকৃতির ডাবগুলো দেখে তৃষ্ণা নিবারণের অন্য কোনো বস্তুর কথা মাথায় আনা কঠিন! তাই ডাবই হাতে তুলে নিলাম আমরা। দোকানের ভাঙা বেঞ্চে বসে ডাব খেতে খেতে সাগর কবুতরের উড়ে বেড়ানো দেখলাম, দেখলাম কী নিপুণ দক্ষতায় নোনা জল থেকে ফ্যাসা মাছ তুলে নেয় তারা। তারপর সৈকতে অযত্নে জন্মানো কলমীলতার আড়ালে মুখ লুকিয়ে সেরে নেয় ক্ষুধা নিবৃত্তির মতো নৈমিত্তিক জৈবিক কাজ।
ডাবের জলে তৃষ্ণা নিবারণ করে আবার উঠে দাঁড়াই আমরা। এবার উল্টোদিকে অর্থাত্ কুয়াকাটা সৈকতের পশ্চিম অংশে অবস্থিত শুঁটকি পল্লীর দিকে পা বাড়াই ধীরে ধীরে। আমাদের মাথার ওপর মেঘমুক্ত নীল আকাশ। মুগ্ধ বিস্ময়ে সাগরের পাশাপাশি আকাশের বিশালত্বও অনুভবের প্রাণান্ত চেষ্টা করি। চেষ্টা করতে করতে ঢাকায় ফেলে আসা আকাশের কথা মনে হয়। একচিলতে সেই আকাশের সঙ্গে কুয়াকাটার সীমাহীন আকাশের প্রতি তুলনার বিষয়টি অযাচিতভাবেই উপস্থিত হয় ভাবনায়। অজান্তেই এক ধরনের দুঃখবোধ উড়ে এসে জুড়ে বসে। যদিও সেই দুঃখবোধ স্থায়ী হওয়ার সুযোগ পায় না একেবারেই। কারণ, তুমুল বাতাসের দস্যিপনার কাছে ভীষণ অসহায় বোধ করে সে। প্রতিরোধের দেয়াল দৃঢ় করার পরিবর্তে লেজ গুটিয়ে পালায় সভয়ে।
শুঁটকি পল্লী দেখে ফিরতে ফিরতে দুপুর গড়িয়ে বিকেলের শেষ ভাগ। এরপর আর স্নানবঞ্চিত থাকার কোনো মানে নেই। কিন্তু জামা-কাপড়? ব্যাগ? হাতে থাকা ক্যামেরা-ঘড়ি? এসব দেখেশুনে রাখার জন্য হঠাত্ই যেন শূন্য থেকে নেমে এল একজন প্রান্তশিশু। কী নাম তার? মনির। বয়স আনুমানিক আট বছর। কলাপাড়া ফেরিঘাটের কাছেই বাড়ি তার। ভাড়া ছিল না পকেটে, তবু বাসের কন্ডাক্টরকে অনুরোধ করে চলে এসেছে কুয়াকাটায়। সমুদ্রে স্নান করতে নেমে হারিয়েছে শেষ গাড়িতে বাড়ি ফেরার সুযোগ। এখন? কী করবে সে? প্রান্তশিশু মনিরের সমস্যাটি জটিল হলেও আমাদের তা ভাবায় না মোটেই। কারণ, আমাদের বর্তমান অবস্থাও মনিরের চেয়ে খুব একটা ভালো নয়। মনিরের মতোই কুয়াকাটায় আমাদের ভবিষ্যতও স্বচ্ছ নয়। রাতে থাকা কিংবা খাওয়ার কোনো জায়গা স্থির হয়নি এখনো। যদি তা হয়ই শেষঅবধি, তবে আমাদের সঙ্গে মনিরের ব্যবস্থাও নিশ্চয়ই হবে! সে যাই হোক, আপাতত এসব আটপৌরে ভাবনা স্থগিত থাক। এখন সমুদ্রস্নান। প্রান্তশিশু মনির আমাদের সর্বস্ব নিয়ে বসে রইল নির্জন সৈকতে। আমরা নামলাম জলে—জোয়ার পেরিয়ে ভাটার সূচনা হয়েছে কেবল, তখনো অনেক স্রোত, অনেক ঢেউ—একের পর এক আছড়ে পড়ছে আমাদের অতি তুচ্ছ, অতি ক্ষুদ্র, অতি নগণ্য শরীরে—শরীর পেরিয়ে সেই ঢেউ গড়িয়ে যাচ্ছে সবেগে আবার বেলাভূমির দিকে—জল, জল আর জল—এ এক অবিশ্বাস্য লবণাক্ত পৃথিবী আমাদের চারপাশে!!!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এশিয়া এসিএম প্রতিযোগিতা -তথ্যপ্রযুক্তি by মোহাম্মদ কায়কোবাদ
চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৯টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের মধ্যে প্রথম স্থানের জন্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। কখনো বুয়েট, কখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর কখনো বা ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষে আগত ৪০-৫০ জন কোচসহ আগ্রহী সবাই এই লড়াই উপভোগ করেছেন। একপর্যায়ে ১৮৯ মিনিটে ছয়টি সমস্যা সমাধান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুরানস দল প্রথম, সমসংখ্যক সমাধান করে ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয়, পাঁচটি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকোলাইটস তৃতীয়, বুয়েট র্যান্ড এক্লিপটিকস চারটি করে চতুর্থ স্থান দখল করেছিল। পরে বুয়েটের তানায়েম, সানি এবং মাসুকের দল সাতটি সমস্যা সমাধান করে প্রতিযোগিতার শেষমুহূর্ত পর্যন্ত শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল। সাতবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সম্মানিত বিচারক শাহরিয়ার মঞ্জুর এবং তাঁর সুদক্ষ বিচারক দলের নজর এড়ায়নি ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সাবমিশন, যা কিউতে ছিল এবং যার একটি সমাধান শুদ্ধ হওয়ায় ফুদানেরও সমাধান ৭-এ দাঁড়াল শ্রেয়তর পেনাল্টি সময়ে। ফলে বরাবরের মতোই ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হলো। শাহরিয়ার মঞ্জুর ঢাকা সাইটের জাজিং ডাইরেক্টর হওয়ার পর থেকে আমাদের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার সমস্যার গুণগতমান বেড়েছে।
যা হোক, ৮৯টি দলের মধ্যে ৭৮টি দল কমপক্ষে একটি করে সমস্যা সমাধান করেছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজধানী থেকে দূরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত হাজী দানেশ এবং ইউএসটিসি। দুটি ও তিনটি করে সমস্যার সমাধান করে নয়টি করে দল। তিনটি করে দল চারটি, দুটি দল পাঁচটি করে, একটি দল ছয়টি এবং দুটি দল সাতটি করে সমস্যার সমাধান করে। ফুদান হ্যাপিহেভেন সাতটি সমস্যা সমাধান করে প্রথম স্থান অর্জন করে চীনের হারবিন শহরে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করে। সমানসংখ্যক সমস্যা সমাধান করে বুয়েট র্যান্ড এক্লিপটিক দ্বিতীয় স্থানে। ছয়টি সমস্যা সমাধান করে ডিইউ কুরানস তৃতীয়, ডিইউ অ্যাকোলাইট পাঁচটি করে চতুর্থ, বুয়েট ইনটেগ্রিটি পাঁচটি করে পঞ্চম, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ চারটি করে ষষ্ঠ, সাইথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এসইইউ আকাতসুকি চারটি করে সপ্তম এবং ডিইউ অ্যারেস চারটি করে অষ্টম স্থান দখল করে।
এটা অত্যন্ত উত্সাহব্যঞ্জক যে স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির দলগুলো অধিকতর প্রতিষ্ঠিত বলে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দলকে পেছনে ফেলে পুরস্কার পেয়েছে। এসিএমের মতো একটি সুস্থ প্রতিযোগিতার সূচনার ফলে পাবলিক পরীক্ষায় সাফল্য না পেয়েও মেধাবী ছাত্ররা তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারছে, নিজেদের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দলগুলোর নৈপুণ্য অসাধারণ। প্রথম দশে বুয়েটের চারটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে তিনটি। এ ছাড়া আইইউটি, শাহজালাল, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির দলগুলো তিনটি করে সমস্যার সমাধান করে তাদের প্রোগ্রামিং মেটার স্বাক্ষর রেখেছে।
এসিএম প্রোগ্রামিংয়ের মতো একটি ধারার সূচনার ফলেই তুলনামূলকভাবে দুর্বল ভৌত অবকাঠামো, পরীক্ষাগার সর্বোপরি অভিজ্ঞ ও উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষকের অভাবেও আমাদের ছাত্ররা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মর্যাদাকর আসরে ভারতীয় ছাত্রদের থেকে ভালো করছে। এ বছর এপ্রিল মাসে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ৩৪টি দেশ থেকে ১০০টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ভারত থেকে ছিল দুটি দল আর বাংলাদেশ থেকে তিনটি। শুধু তাই-ই নয়, উপমহাদেশের যে দুটি দল এই প্রতিযোগিতায় র্যাংক পেয়েছিল, তাও বাংলাদেশের। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল চারটি সমস্যার সমাধান করে ৩৪তম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দল তিনটি সমস্যার সমাধান করে ৪৯তম স্থান দখল করে।
যেকোনো প্রতিযোগিতায় আমাদের সাফল্যের এমন ধারাবাহিকতা পাওয়া ভার, কিন্তু ব্যতিক্রম হচ্ছে এসিএম প্রতিযোগিতায়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ১৯৯৮ সাল থেকে প্রতিবছরই এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। অংশগ্রহণের এমন ধারাবাহিকতা নিয়ে গর্ববোধ করতে পারে বিশ্বের মাত্র চার-পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়। এবার প্রতিযোগিতার আরেকটি আকর্ষণ ছিল আইসিপিসি চ্যালেঞ্জ। এই প্রতিযোগিতায় বুয়েটের দল রানার্সআপ হয়েছে, তাও আবার এবারের প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে। অনেক দিন ধরে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেনি। সুখের বিষয়, এখন তারা অংশগ্রহণ শুরু করেছে। এবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম স্থান দখল করেছে। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেন্ট পিটার্সবার্গ ইউনিভার্সিটি অব আইটি মেকানিক্স অ্যান্ড অপটিক্স। দ্বিতীয় হয়েছে সিনহুয়া, তৃতীয় সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেট, চতুর্থ আরস্টড স্টেট, চোজিয়াং সপ্তম, এমআইটি অষ্টম। প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা আয়োজনে, সমস্যা রচনায়, সমাধানের বিচারে বাংলাদেশের এখন বিশ্বজোড়া স্বীকৃতি। তাই তো এশিয়ার বিভিন্ন সাইটের আয়োজকদের দেশের বিচারকদের, সমস্যা রচয়িতাদের শরণাপন্ন হতে হয়। বেলল্যাব, মাইক্রোসফট কিংবা আইবিএমের মতো নামকরা কোম্পানি এর অর্থায়ন করে থাকে সুতরাং আমাদের এসিএমে অংশগ্রহণের ব্যাপারে দ্বিধান্বিত না হলেও চলবে। এসিএম প্রোগ্রামিংয়ের অসাধারণ সংস্কৃতির ফলেও আমাদের দেশের প্রোগ্রামারদের এখন কত সুখ্যাতি। acm.uva.es/problemset অথবা অন্যান্য অলনাইন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সাইটে গেলে বাংলাদেশের ছাত্রদের প্রোগ্রামিং দক্ষতা এবং আগ্রহে অভিভূত হতে হয়। ভ্যালাদলিদের কান্ট্রি র্যাংকিংয়ে এখনো বাংলাদেশ শীর্ষস্থান দখল করে আছে।
গত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ থেকে তিনটি দল ছিল। আশা করব আগামী বছর হারবিনে অনুষ্ঠিতব্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে একটি দল থাকবে এবং তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বাংলাদেশের জন্য অনেক বেশি সম্মান নিয়ে আসবে।
২.
বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে যত তুলকালাম কাণ্ড ঘটে তা তো অন্য কোনো দেশেই হয় না। তথ্যপ্রযুক্তির নামে মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি টাস্কফোর্স তার মধ্যে অন্যতম। তবে আমাদের অর্জন এত সাদামাটা যে তা কল্পনা করাও যায় না। একাধারে যথেষ্ট কম বিনিয়োগ থাকা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তুলনামূলকভাবে নবীন, অনভিজ্ঞ অল্পসংখ্যক শিক্ষক নিয়ে দুর্বল ভৌত অবকাঠামো এবং ল্যাব ফ্যাসিলিটিজের মধ্যেও বিশ্বমানের যে শিক্ষা দিচ্ছে তার বড় প্রমাণ আমাদের এসিএমের সাফল্য। একই সঙ্গে আমাদের ছাত্ররা তাদের গবেষণা-দক্ষতা দেখাচ্ছে নামীদামি জার্নালগুলোয় তাদের গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করে। অন্যপক্ষে আইসিটি ব্যবহারের নামে কত উদ্যোগই না নেওয়া হলো। তথ্যপ্রযুক্তির যন্ত্রাংশ থেকে কর রহিত করা, ইইএফ ফান্ড, ট্যাক্স হলিডে, তথ্যপ্রযুক্তি নানা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ, ইনকিউবেটর স্থাপন, সিলিকন ভ্যালিতে শেয়ারড অফিস। সবকিছু করে আইসিটি থেকে রপ্তানি আয় ভারতের এক হাজার ভাগের এক ভাগও নয়। আর প্রোগ্রামিংয়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে আমাদের তরুণ ছাত্ররা গত ১০-১১ বছর শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে আমাদের বিগত ২০-২৫ বছরের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে। আমাদের মেধাবী কম্পিউটারের স্নাতকদের হাতে তথ্যপ্রযুক্তির দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হবে, যদি এই প্রযুক্তি দিয়ে আমরা সত্যিই একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমাদের নেতাদের এই সুমতি ঘটবে—এই প্রত্যাশায়।
মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, সিএসই বিভাগ বুয়েট। ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপি কোন পথে -সপ্তাহের হালচাল by আব্দুল কাইয়ুম
ধরা যাক দলের ভেতরের গণতন্ত্রের কথা। বিএনপির মতো একটি দলের কাছে নিশ্চয়ই এমন আশা করা যায় না যে তারা যৌথ নেতৃত্ব চালু করবে। বাস্তবতা হলো চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াই দলের মূল কেন্দ্র। সুতরাং গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্তে নিশ্চয়ই তাঁর মতামত প্রাধান্য পাবে। এটাই স্বাভাবিক এবং মানুষও তাই মনে করে। কিন্তু এর মধ্যেও তো দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের আরও কিছু বিষয় থাকে। যেমন, চৌদ্দ বছর ধরে কেন জাতীয় কাউন্সিল হয়নি? এর মানে কি এই দাঁড়ায় না যে দলে কাউন্সিল মূল্যহীন, শুধু চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তাঁর নেতৃত্বই যথেষ্ট? দলের বর্তমান গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মাসে একবার স্থায়ী কমিটির সভা ও প্রতি তিন মাসে একবার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভা হওয়ার কথা। কিন্তু এই বিধানগুলোও মানা হয় না। নির্বাহী কমিটির সর্বশেষ বৈঠক হয়েছে ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে। সেটাও প্রায় ছয় বছর পর। আর স্থায়ী কমিটির সভা সম্প্রতি মাঝেমধ্যে হচ্ছে বটে, কিন্তু আগে বৈঠক তেমন হতোই না।
অনেক দলে এ রকম হয়ে থাকে। গঠনতন্ত্রে লেখা থাকলেও বাস্তবায়ন হয় না। কিন্তু যেসব দল বড় ও গুরুত্বপূর্ণ, যারা সরকার গঠন করে, তাদের বেলায় এ রকম হলে চলবে কেন? দলের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্বের নিয়মিত বৈঠক, আলাপ-আলোচনা না হলে দলাদলি উত্সাহিত হয়। তা ছাড়া দলে যদি অনিয়ম প্রশ্রয় পায় তাহলে সেই দল ক্ষমতায় গেলে নিশ্চয়ই সেখানেও নানা অনিয়ম হবে। হয়েছেও তাই। কাউন্সিলে যদি এসব বিষয় আলোচনায় আসে এবং সে অনুযায়ী দল পরিচালনায় গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুসরণের বিধান গৃহীত হয়, তাহলে সেটা কিছুটা হলেও অগ্রগতি বলে বিবেচিত হবে। এ জন্য হয়তো গঠনতন্ত্রে কিছু পরিবর্তন আনা যেতে পারে। তবে গঠনতন্ত্রের বিধানগুলো যেন দল পরিচালনায় মেনে চলা নিশ্চিত করা হয়, সেটাই মূল কথা।
এসব বিষয়ে বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী এম কে আনোয়ারের সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি দলের ভেতর গণতন্ত্রের চর্চার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, বর্তমানে বিএনপিতে বিভিন্ন রূপে এই চর্চা অব্যাহত আছে। যেমন, উচ্চতর পর্যায়ে স্থায়ী কমিটির সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসন তাঁর গুলশান কার্যালয়ে সব সময় আলাপ-আলোচনা করেন। তাঁর মতে, চেয়ারপারসন একজন ‘মহত্ শ্রোতা’। সুতরাং তিনি সবার কথা শুনেই সিদ্ধান্ত নেন।
এম কে আনোয়ার বিএনপির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি যদি দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গণতান্ত্রিক রীতি অনুসরণের ব্যাপারে সন্তুষ্ট হয়ে থাকেন, তাহলে কিছু বলার থাকে না। সে ক্ষেত্রে ধরে নিতে হয় যে কাউন্সিলে হয়তো বিষয়টি খুব বেশি গুরুত্ব পাবে না। তাহলে তো কাউন্সিলের সাফল্য অনেকাংশে ম্লান হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। কারণ এই কাউন্সিল শুধু নির্বাচন কমিশনের শর্ত অনুযায়ী গঠনতন্ত্রের প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনেই যদি দায়িত্ব শেষ করে তাহলে তা যথেষ্ট হবে না। সেটা তো করতেই হবে, এবং সে ব্যাপারে বিএনপি আগেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রশ্ন হলো আনুষ্ঠানিক সংশোধনীর অতিরিক্ত আরও কিছু পাওয়া যাবে কি না। অন্তত আগে দল যেভাবে চলেছে, তার থেকে কী পরিবর্তন হলো, সেটা তো মানুষ দেখতে চাইবে। সেখানে যদি বলা হয়, বিএনপির মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা ঠিকই আছে, তাহলে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা মার খাবে।
বিএনপির জেলা পর্যায়ে সম্মেলন শুরু হলে প্রথমেই চট্টগ্রামে দুই পক্ষের মারপিটে সম্মেলন পণ্ড হয়ে যায়। এম কে আনোয়ারের ব্যাখ্যা হলো, দলে গণতন্ত্র তথা বহুমতের অস্তিত্ব আছে বলেই এই মারামারি। যদি তা না থাকত, যদি উপর থেকে চেয়ারপারসন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতেন, তাহলে কোথাও কোনো গণ্ডগোল হতো না। এই ব্যাখ্যা মেনে নেওয়া কঠিন। এটা ঠিক যে চট্টগ্রাম বা অন্যান্য জেলার সম্মেলনে যে অন্তর্দলীয় সংঘর্ষ হচ্ছে, তার বেশির ভাগই স্রেফ নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব। একে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের অস্তিত্বের প্রকাশ বলে দেখানো চলে না। বরং এসব ঘটনা দলের মধ্যে আরও খোলামেলা আলোচনার অপরিহার্যতাকেই বড় করে সামনে আনে।
দলের মধ্যে যখন রাখঢাক চলে তখনই অবাধ দুর্নীতির রাস্তা খুলে যায়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকার পরিচালনার সময় অকল্পনীয় দুর্নীতি হয়েছে, এবং এই দুর্নীতির জন্যই বিএনপির আজ এমন দুর্দশা। সুতরাং আসন্ন কাউন্সিলে এ ব্যাপারে ভালোভাবে আলোচনা দরকার। বিএনপিকে উঠে দাঁড়াতে হলে এর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট ঘোষণা থাকা দরকার। কোনো অজুহাত চলবে না। কার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দুর্নীতির মামলা হয়েছে, সেটা এখানে বিবেচ্য বিষয় নয়। মানুষের ধারণায় এটা এসে গেছে যে বিএনপির বিগত সরকারের আমলে মন্ত্রী ও নেতারা চরম দুর্নীতি করেছেন। এখন তাঁরা সেই ব্যাপারটাকে কীভাবে দেখেন? তারা কি সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ওপর সব দায় চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের পাক-পবিত্র বলে প্রমাণ করতে চাইবে, নাকি পুরো বিষয়টি কাউন্সিলের আলোচনাতেই আনবে না? আসলে দুর্নীতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করে এর বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ অঙ্গীকার দরকার। বিএনপি কি সেটা পারবে?
এম কে আনোয়ার খুব দামি একটা কথা বলেছেন। তাঁর মন্তব্য হলো, ‘যত দিন পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতৃত্ব দুর্নীতিমুক্ত না হবে, তাদের ছত্রচ্ছায়ায় দুর্নীতি বন্ধ না হবে’, তত দিন পর্যন্ত দুর্নীতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। এই পর্যবেক্ষণ খুবই সঠিক এবং সব দলের জন্য প্রযোজ্য। বিশেষভাবে বিএনপি এবারের কাউন্সিলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করুক। তারা বলুক যে মন্ত্রী ও নেতারা দুর্নীতি করলে দল থেকে বের করে দেওয়া হবে, অথবা অন্তত দৃষ্টান্তস্থানীয় শাস্তি পাবে। জানি এসব কথা মানুষ অনেক শুনেছে, তাতে অবস্থার খুব বেশি হেরফের হয়নি। সেটা না হোক, তার পরও এ ধরনের আলোচনা ও সিদ্ধান্তের মূল্য আছে। অন্তত দলকে ভাবায়, দলকে আরও একটু উঁচুতে নিয়ে যায়।
কিন্তু মুশকিল হলো যখন বলা হয় নিজের জন্য তো চাঁদাবাজি বা দুর্নীতি করি না, করি দলের জন্য। কেউ বলেন, নির্বাচনে জিততে হলে, দলকে জিতিয়ে আনতে হলে, টাকার দরকার। এটা আজকের কথা নয়। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়ার আমলেও এই প্রথা ছিল। বিএনপির নেতা ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ লিখেছেন, ‘এই চাঁদা নিয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়ার সঙ্গে আমার ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। মাসে তিন লাখ টাকা করে দশজন মন্ত্রীকে দলের জন্য চাঁদা দিতে বলা হয়েছিল। আমার নামও দেয়া হয়েছিল তাতে। কিন্তু আমি এভাবে চাঁদা দেওয়ার পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিলাম। প্রেসিডেন্ট জিয়াকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, তর্ক করেছি। রাজনীতিতে অর্থের প্রয়োজন অবশ্যই আছে। তাই নিজের ফর্মুলাও দিয়েছিলাম, কিন্তু সেটা গৃহীত হয়নি। যাক আমি আর শেষ পর্যন্ত চাঁদা দেইনি। জাহাজমন্ত্রী নূরুল হকও চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। এই অবাধ্যতা প্রেসিডেন্ট জিয়ার পছন্দ হয়নি’ (চলমান ইতিহাস, মওদুদ আহমদ, ইউপিএল, ২০০৯, পৃ.১৭৮-১৭৯)।
প্রায় ৩০ বছর আগে তিন লাখ টাকার দাম এখন কম করে হলেও তো ৩০ লাখ হবে! তাহলে যদি একজন মন্ত্রীকে মাসে ৩০ লাখ টাকা করে দিতে হয়, আর সেই ৩০ লাখ তুলতে গিয়ে যদি তাঁকে নিজের জন্য আরও ৩০ লাখ বাগাতে হয়, তাহলে দুর্নীতি বন্ধ হবে কীভাবে?
বিগত বিএনপির সরকারের সময় দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিকতা পেয়েছিল বিশেষভাবে হাওয়া ভবনের কল্যাণে। সেখানে কার্যত সমান্তরাল সরকার চলত। অভিযোগ যে দেশের যেকোনো ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সেখানে সেলামি দিতে হতো। ওই সময় হাওয়া ভবন আসলে দেশে দুর্নীতির প্রতীক হয়ে ওঠে। বিএনপি এর দায় এড়াতে পারে না। এবারের কাউন্সিলে যদি বিএনপি এই স্পর্শকাতর হাওয়া ভবনের ইস্যুটি আলোচনায় এনে এ ধরনের সমান্তরাল সরকার ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধে স্পষ্ট অবস্থান নেয়, তাহলে তা বিএনপিকে শক্তি জোগাবে।
বিএনপির বিভিন্ন জেলা সম্মেলনে দ্বন্দ্ব দেখা দিলেও নেতাদের অনেকে ওসব ঢেকে রাখতে চাইছেন। তবে এটাও ঠিক যে বেশ কিছু জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে সম্মেলন হয়েছে। এটা তাদের শক্তির দিক। বিএনপি সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুক এ ব্যাপারে বলেন, তিনি যে কয়টা এলাকায় সম্মেলন করেছেন, সবখানে উত্সাহ-উদ্দীপনা ছিল, কমিটি নিয়ে প্রথমে দ্বন্দ্ব থাকলেও পরে সমঝোতার মাধ্যমে সম্মেলন সুসম্পন্ন হয়। এমনকি করিমগঞ্জ পৌরসভাসহ তিনটি উপজেলায় গোপন ব্যালটে নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছে। এটা নিশ্চয়ই বিএনপির জন্য শুভ ইঙ্গিত। নেতৃত্ব নির্বাচনের এই ধারাটি নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত বিস্তৃত হোক, এটা সব দিক থেকেই ভালো হবে।
আব্দুল কাইয়ুম: সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের আহবান -দক্ষিণ এশীয় নারী দিবস by সুলতানা কামাল, খুশী কবির ফওজিয়া খোন্দকার
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। সম্ভাবনাময় এই দেশগুলোর সেই ঐতিহ্য আজ বিলীনের পথে। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ, অর্থনৈতিক মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, নারী নির্যাতন, শ্রেণী ও বর্ণগত অসমতা এবং লিঙ্গীয় বৈষম্য প্রকট হয়ে উঠছে। এর ফলে এই দেশগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ আজ দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে। আর দরিদ্রের মধ্যেও দরিদ্রতম অংশ নারী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। নারীর ওপর নির্যাতন যেন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ধারণ করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আয়মূলক কাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্রেই নারী পিছিয়ে। ‘নারীর দরিদ্রকরণ’ নারীকে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য করেছে।
এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রায় ৭৪ মিলিয়ন নারী আজ নিখোঁজ। প্রতি দুজন নারীর একজন পারিবারিক সহিংসতার শিকার। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নারী ও শিশুভ্রূণ হত্যা অত্যন্ত প্রকট। নারী ও শিশু পাচার, পর্নো ছবিতে নারীকে ব্যবহার, নারী হত্যা ও ধর্ষণ ক্রমশ বাড়ছে। এই উপমহাদেশের প্রায় সব দেশেই সংখ্যালঘু নারীদের ওপর নির্যাতনও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। শ্রীলঙ্কার জাতিগত সহিংসতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নারী। নিজ বাসভূমিতেও নারী তার শিশুসন্তানসহ পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আর এ ধরনের সহিংসতা নারীর ওপর দৈহিক ও মানসিক নির্যাতন ছাড়াও মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য করছে। শ্রীলঙ্কায় যেখানে নারীদের আয়ুষ্কাল, সাক্ষরতা ইত্যাদির পরিসংখ্যান সন্তোষজনক ছিল, সেখানেও বিগত ১০-১৫ বছরে নারীদের অবস্থার যথেষ্ট অবনতি ঘটেছে। পাকিস্তানে অনার কিলিংয়ের নামে চলছে নারীর ওপর বহুমুখী নির্যাতন। একই সঙ্গে উত্থান ঘটছে ধর্মীয় মৌলবাদের। ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীর প্রধান ও অন্যতম টার্গেট হচ্ছে নারী।
দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশেই একদিকে মেয়েদের অনেক সুযোগ-সুবিধার কথা বলা হচ্ছে, নতুন নতুন আইন পাস হচ্ছে, জেন্ডার ইস্যুতে ইতিবাচক কথা বলা হচ্ছে। অথচ একই সঙ্গে পুরুষতান্ত্রিকতার পুনরুত্থানও ঘটছে।
সব ধরনের ধর্মীয় উগ্রবাদ নারীর ওপর ক্রমাধিকভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করছে। উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তানে প্রগতিশীল পারিবারিক আইনের পরিবর্তে নারীবিরোধী আইনের আবির্ভাব হয়েছে। বাংলাদেশে মৌলবাদীরা প্রগতিশীল নারী সংস্থা ও বেসরকারি সংস্থার ওপর আক্রমণ করছে। ভারতে দক্ষিণপন্থী হিন্দু দলগুলো পুরুষতান্ত্রিকতার ভূমিকা আবার চালু করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে।
ব্যবসায়ী মৌলবাদীরা নারীদের কুরুচিপূর্ণ ছবি এবং নারীদের কদর্য ভাবমূর্তি প্রচার করে চলছে।
দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের মধ্যে চারটি দেশেই রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময়ে নারী থাকা সত্ত্বেও নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ খুবই হতাশাব্যঞ্জক। দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশেই (নেপালে কিছু ভিন্ন চিত্র ছাড়া) আশাব্যঞ্জক সংখ্যক নারী সংসদ সদস্য দেখা যায়নি।
অন্যদিকে বর্তমানে প্রচলিত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন ব্যবস্থা আমাদের দেশের নারীদের প্রকৃত সম্মান এবং অবস্থার উন্নতি সাধন না করে আরও পিছিয়ে দিচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্র ও নারীদের জন্য যে উন্নয়ন প্রক্রিয়া তা আসলে বেশির ভাগই ‘অপ উন্নয়ন’। ১৯৯৫ সালের ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুসারে, নারীদের সব কাজের মোট মূল্য এসে দাঁড়ায় ১১ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার। অথচ নারীর কাজের অর্থনৈতিক মূল্যায়ন তো নেই-ই, সামাজিক স্বীকৃতিও নেই।
এসবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য দক্ষিণ এশিয়ার নারীবাদীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। ‘সাংগাত’ নিরলসভাবে কাজ করছে, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নারীদের অবস্থা ও অবস্থান পরিবর্তনের লক্ষ্যে। আর সে উদ্দেশ্যেই ২০০৫ সাল থেকে এ দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কেননা নারীর ওপর এই বহুমুখী নির্যাতনের ফলে নারীর শান্তি, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। নারীর ন্যায্যতা বিঘ্নিত হয়।
নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আসুন আমরা সবাই এ দিবসটিতে সমবেতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করি। আমরা সবাই দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, ন্যায়, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। আর এ জন্য প্রয়োজন অঙ্গীকারের। প্রয়োজন নারীর পাশে দাঁড়ানোর। আমাদের সবার প্রচেষ্টায় ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমে নারীর জীবনের কালো অধ্যায়গুলো মুছে যাক। দক্ষিণ এশিয়ার সরকারগুলোকে বাধ্য করি, নারীর ওপর সব ধরনের বৈষম্য বিলোপের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে।
০ নারীর ওপর সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করব।
০ নারী ও শিশুভ্রূণ হত্যা বন্ধ করতে উদ্যোগ নেব
০ নারীকে মানুষের মর্যাদা দেব।
০ নারী পাচার বন্ধে কঠোর অবস্থা নেব।
০ নারীর আয়, কর্মসংস্থান, সম্পদ বৃদ্ধিতে দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোতে অ্যাডভোকেসি করে নারীর অবস্থান সুদৃঢ় করব।
০ পারিবারিক নির্যাতন বিলোপ করব।
০ রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে কাজ করব।
০ দক্ষিণ এশিয়ার সংখ্যালঘু নারীদের ওপর নির্যাতন বন্ধে কাজ করব।
০ লিঙ্গীয় বৈষম্য বিলোপে সিডও সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নে কাজ করব।
০ নারীর মর্যাদা ও সমতা বৃদ্ধিতে সব ধরনের আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরে আমরা রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে কাজ করব।
আসুন, আমরা কথা এবং কাজের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, ন্যায়, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শামিল হয়ে একসঙ্গে আওয়াজ তুলি।
কোর গ্রুপ বাংলাদেশ সাংগাত এর পক্ষে
সুলতানা কামাল, খুশী কবির ফওজিয়া খোন্দকার: লেখকগণ মানবাধিকার ও নারী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তিযোদ্ধারা যখন কেউই থাকবেন না, তখন...- অরণ্যে রোদন by আনিসুল হক
একাত্তরের চিঠি (প্রকাশক প্রথমা) গ্রন্থে ঠাঁই পাওয়া একটা চিঠি। এই রকম অনেক মুক্তিযোদ্ধার চিঠি আছে এই বইয়ে, যেসব পড়লে চোখের পাতা আপনিই ভিজে আসে।
এই ছিল তখনকার বাংলাদেশ। এমন দুঃসময় এই দেশে আর কখনো আসেনি, এমন সুসময়ও আর কখনো দেখেনি কেউ। আমাদের মায়েরা হাসতে হাসতে ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন রণাঙ্গণে, আমাদের কিশোর, যুবক, তরুণেরা নিজের জীবনমৃত্যুর চেয়েও বড় করে দেখেছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জনটাকে।
মুক্তিযুদ্ধে ব্যাপকভাবে অংশ নিয়েছিলেন তখনকার তরুণেরা। যে কুড়ি বছর বয়সী তরুণটি সেদিন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, আজ তাঁর বয়স ৫৮ বছর। একাত্তরে যাঁর বয়স ছিল ৩০, আজ তিনি ৬৮ বছরের প্রবীণ। কাজেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীরা, বাস্তবতা এই যে, আজ প্রবীণের কাতারে নাম লিখিয়েছেন। তখন যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৪০ বা ৫০ বছর বয়সে, তাঁদের অনেকেই আজ বেঁচে নেই, এটাই স্বাভাবিক। আজ থেকে কুড়ি বছর পর, খুব সামান্যসংখ্যক মানুষই বেঁচে থাকবেন, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় যাঁদের বয়স ছিল কম, এঁদের কেউ কেউ নিশ্চয়ই তখনো বেঁচে থাকবেন। ২০ বছর পর এই দেশে খুব কমসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধাই বেঁচে থাকবেন, তেমনি রাজাকারদের মধ্যেও কাউকে জীবিত পাওয়া যাবে কি না, সন্দেহ।
তাহলে কি তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অবলুপ্ত হয়ে যাবে? এটা মোটেও কঠিন প্রশ্ন নয়। ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা অনেকেই আজ বেঁচে নেই, তবুও যেমন একুশের চেতনা আজও আমাদের মধ্যে সজীব ও সক্রিয়, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী শেষ মানুষটির জীবনাবসান ঘটলেও মুক্তিযুদ্ধ এই দেশে সব সময়ই উজ্জ্বল বাতিঘরের মতো থেকে যাবে, আমাদের দিয়ে যাবে পথনির্দেশ।
এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের গৌরবটাকে নিজেদের মধ্যে ধারণ করেছে, তারা বিজয়ীর সঙ্গেই থাকতে চায়, পরাজিতের সঙ্গে নয়। এই কথা আজ উপলব্ধি করার এবং সেই অনুযায়ী আমাদের রাজনীতিকে সাজিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে।
যতই দিন যাবে, মুক্তিযুদ্ধ ততই উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা হয়ে উঠবে নতুন সময়ের মুক্তিযোদ্ধা।
মুক্তিযোদ্ধারা কেউ একসময় জীবিত থাকবেন না, কথাটা ভাবতেও খারাপ লাগছে। কিন্তু আমরা কেউই থাকব না, এই সত্য তো মেনে নিতেই হবে। কিন্তু থেকে যাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। থাকবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা গল্প-উপন্যাস-গান-কবিতা-নাটক-চলচ্চিত্র-স্মৃতিকথা।
কাজেই, একটা কাজ যতখানি পারা যায় করে যেতে হবে। তা হলো লিখে রাখা। আমরা চাই, প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি প্রত্যক্ষদর্শী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা লিখে রাখুন। এমনকি যিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শীও হয়তো নিজেকে দাবি করেন না, কিন্তু একাত্তরে যাঁর বোঝার বয়স হয়েছিল, তাঁরই কিছু না কিছু অভিজ্ঞতা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের, তিনি তাঁর সেই অভিজ্ঞতার কথাটাই লিখে রাখতে পারেন। লিখে রাখা উচিত।
আর মুক্তিযুদ্ধ বলতে কেবল সশস্ত্র যুদ্ধের কথাই যেন আমরা না ভাবি। মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট অনেক ব্যাপক। ১৯৪৭ সাল থেকে প্রতিটা দিনই দেশ একটু একটু করে প্রস্তুত হয়েছে মুক্তির জন্য, মুক্তিযুদ্ধের জন্য। একটা গণতান্ত্রিক আন্দোলন কোনো জাদুমন্ত্রে এক লহমায় সশস্ত্র সংগ্রামে উন্নীত হয়নি, তার পেছনে ছিল দীর্ঘদিনের ত্যাগ-তিতিক্ষা, আন্দোলন-সংগ্রাম।
মুক্তিযুদ্ধ যেন এক বিশাল মহাকাব্য। কত যে তার চরিত্র। ওই সময়ের সাড়ে সাত কোটি বাঙালির প্রত্যেকেই একটা করে মহাকাব্য লিখতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। কত রক্ত, কত অশ্রু, কত বীরত্ব, কত আত্মদান! এমন কোনো পরিবার আছে, মুক্তিযুদ্ধের ঢেউয়ে যা দোল খায়নি?
কিন্তু কেবল দেশে নয়, দেশের বাইরেও ঘটে গেছে কত ঘটনা। সারা পৃথিবী তত্পর হয়ে পড়েছিল এই যুদ্ধ নিয়ে। ভারত, আমেরিকা, রাশিয়া, চীন—প্রত্যেকে কী ভীষণভাবে ব্যস্ত ছিল বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণে।
আমেরিকার অবমুক্ত সরকারি নথি থেকে এখন আমরা সেই সময়ে পরাশক্তিগুলোর তত্পরতার কিছু কিছু খবর জানতে পারছি। যুক্তরাষ্ট্র চীনকে বলেছিল ভারত আক্রমণ করতে। নিউইয়র্কে চীনের প্রতিনিধি আমেরিকাকে জানাবেন কবে তাঁরা ভারত আক্রমণ করতে যাচ্ছেন। চীন যদি সত্যি সত্যি ভারত আক্রমণ করে বসে, রাশিয়ার তখন হস্তক্ষেপ করতেই হয়। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের এই বিষয়ে চুক্তি তখন স্বাক্ষরিত হয়ে গেছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বললেন, দরকার হলে অ্যাটম বোমা ব্যবহার করা হবে।
চীনের প্রতিনিধি নিউইয়র্কে বসলেন আমেরিকার প্রতিনিধির সঙ্গে, জানিয়ে দিলেন, তাঁরা ভারত আক্রমণ করছেন না। যুদ্ধের শেষ দিনগুলোয় এসব রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তা গেছে আন্তর্জাতিক মহলে। অল্পের জন্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হাত থেকে বেঁচে গেল পৃথিবীবাসী।
মুক্তিযুদ্ধের পরও যুদ্ধ হয়েছে। গোলাম আযমরা তত্পরতা চালিয়ে গেছেন একাত্তরের পরও, বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তান বানানোর।
কিন্তু এই দেশে প্রতিটা মানুষ, কতিপয় স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীলকে বাদ দিলে, হয়ে উঠেছিল মুক্তিকামী একেকজন মুক্তিযোদ্ধা। এত ঐক্য আর কখনো দেখেনি কেউ! জাহানারা ইমাম, রুমীকে বলেছিলেন, যা, তোকে কোরবানি করে দিলাম। এভাবেই মা তাঁর সন্তানকে হাসিমুখে সাজিয়ে দিয়েছেন যোদ্ধার বেশে। সে ছিল সত্যিকারের আগুনের পরশমণি ছোঁয়া সময়। প্রতিটি বাঙালির অন্তর আগুন হয়ে উঠেছিল। প্রতিটি বাঙালি সাহায্য করতেন মুক্তিযোদ্ধাদের, কোনো না কোনো উপায়ে। কৃষকের বাড়িতে যখন আশ্রয় নিতেন মুক্তিযোদ্ধারা, দরিদ্র কৃষক তাঁদের গরম ভাত খাওয়ানোর জন্য নিজের শেষ সম্বলটুকু বিকিয়ে দিতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। মানুষ কী যে আকুলতা দেখাত একজন মুক্তিযোদ্ধার জন্য বা জয়বাংলার জন্য একটা কিছু করতে।
ছোটবেলায় শিশু একাডেমীর পত্রিকা শিশুতে একটা গল্প পড়েছিলাম, গল্পের লেখকও একজন শিশুই। গল্পটা ছিল এ রকম—একটা পাতা আরেকটা মাটির ঢেলা গল্প করছে। পাতাটা বলছে, আমার জীবন ধন্য, কারণ, একাত্তর সালে এক মুক্তিযোদ্ধা আমার আড়ালে আত্মগোপন করেছিল। আর মাটির ঢেলা বলছে, আর এক মুক্তিযোদ্ধা আমাকে ছুড়ে মেরেছিল এক শত্রুসেনার দিকে। দুজনে এই গল্প করে আর হাসে।
একাত্তরের বাংলাদেশ ছিল এই রকমই। প্রতিটা মুক্তিকামী মানুষই তখন মুক্তির জন্য, স্বাধীনতার জন্য কিছু না কিছু করার জন্য আকুল হয়ে উঠেছিল। কিছু করতে না পারলে মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দোয়া করেছে, নফল নামাজ পড়েছে, রোজা রেখেছে বা উপোস করেছে। রাতে চুপি চুপি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র শুনেছে। আমাদের নারীদের যে অসামান্য অবদান মুক্তিযুদ্ধে, তা লিখিত হওয়ার অপেক্ষায় পড়ে আছে। কেউ কেউ সরাসরি যুদ্ধে যোগ দিয়েছেন, প্রত্যেকেই ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কষ্ট ভোগ করেছেন। জাহানারা ইমামের মতো মহিলারা গাড়িতে করে এক বাসা থেকে আরেক বাসায় অস্ত্র নিয়ে গেছেন। পাকিস্তানি ক্যাম্পে আদিবাসী নারী প্রিনছা খাঁকে ধরে নিয়ে গেছে রান্নাবান্না করতে, তিনি কয়েক দিন ঠিকঠাক রান্না করলেন, একদিন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে দিলেন বিষ— এই ঘটনাও তো আমাদেরই যুদ্ধে ঘটেছে। আবার পলায়নরত বাবা-মা ক্রন্দনরত সন্তানের মুখ চেপে ধরেছেন—এই ঘটনাও তো আছে। পুরুষশূন্য গ্রামের মহিলারা দা-কুড়াল-বঁটি নিয়ে আক্রমণ করেছেন পাকিস্তানি সৈন্যদের, নিজেরা মরেছেন কিন্তু শেষতক পরাজিত করেছেন শত্রুদের। এসব কোনো গল্প নয়, এটা ইতিহাস। আবার পুরো গ্রামের সব পুরুষকে মেরে ফেলে একটা গ্রামকেই বানিয়ে তোলা হয়েছে বিধবাদের গ্রাম, এই গ্রামও তো এই দেশে আছে। কুখ্যাত ডাকাত হয়ে উঠেছেন বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা। ১০-১২ বছরের কিশোরেরা অস্ত্র বহন করছে, এই ছবি তো আমরা ছাপানো অবস্থাতেই পাই। যাঁরা যুদ্ধ করেছিলেন, তাঁদের অনেকেই ছিলেন টিনএজার।
বাঙালিদের পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে তেমন নিয়োগ দেওয়া হতো না, বলা হতো, বাঙালি যোদ্ধা-জাতি নয়। সেই অযোদ্ধা-জাতির মার খেয়েই পাকিস্তানিদের অবস্থা হয়ে পড়েছিল ত্রাহি ত্রাহি। নিরস্ত্র একটা জাতি সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ নিয়েছে, আর জয়লাভ করেছে সেই যুদ্ধে। অবশেষে এল ১৬ ডিসেম্বর, যেদিন মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলো ‘যোদ্ধা’ পাকিস্তানিরা।
এই যে বিজয়ীর গৌরব, নতুন প্রজন্ম সেই গৌরবকে ধারণ করে সামনে এগিয়ে চলেছে। পরাজিতের বেদনা বা কলঙ্কের সঙ্গে কেন তারা থাকবে? যত দিন যাবে, এই বোধ ততই তীব্র হবে। নতুন প্রজন্মের প্রায় সবাই মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের পক্ষ। তারা যুদ্ধাপরাধকে ঘৃণা করে, যুদ্ধাপরাধীর বিচায় চায়।
বর্তমানের রাজনীতিতে এটা একটা বড় নিয়ামক। ভবিষ্যতে এই দেশে থাকবে একটাই পক্ষ, তা হলো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ। এই কথাটা আমাদের রাজনীতিবিদদের বুঝতে হবে, হিসাবের মধ্যে নিতে হবে।
কথাটা আরও স্পষ্ট করে বলি। আমরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি—এটা বলে বর্তমান ও ভবিষ্যতের দাবিকে পাশ কাটানো যাবে না। তেমনি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া সহজ তো হবেই না, বরং ভরাডুবিই ডেকে আনা হবে। মুক্তিযুদ্ধ যত দূরবর্তী হবে, মুক্তিযোদ্ধাদের মাহাত্ম্য তত বৃদ্ধি পাবে। মুক্তিযুদ্ধ যত অতীত হবে, ততই তা জীবন্ত ও জ্বলন্ত হয়ে উঠবে আমাদের জীবনে। মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলো রচিত হবে হয়তো তখন, যখন মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেউই বেঁচে থাকবে না।
আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের কাছে আমরা চিরঋণী এবং ঈর্ষান্বিতও, কারণ, তারা আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুন্দর আর আলোকিত একটা দেশ গড়ে তুলে আমাদের মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার আর মরার সুযোগ করে দেবে।
আনিসুল হক: সাহিত্যিক, সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সীতাকুণ্ডে গাছ কাটা -এই অপকর্মের পেছনের শক্তিকে শাস্তি দিতে হবে
প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলকে রক্ষার জন্যই সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছিল। এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বন বিভাগের। কিন্তু রাতের আঁধারে তিন-চার শ লোকের হামলা বন বিভাগের গুটিকয়েক কর্মীর পক্ষে প্রতিহত করা সম্ভব নয়। তাঁরা পুলিশের কাছে সহায়তা চেয়েও পাননি। অবশেষে বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পুলিশ সেখানে গিয়ে দেখতে পায় বৃক্ষহীন বিরান প্রান্তর। আমাদের কর্তব্যপরায়ণ পুলিশ সদস্যরা বরাবর এভাবেই তাঁদের দায়িত্ব সমাধা করেন। আরও অবাক করা বিষয় হলো, পত্রিকার খবর অনুযায়ী, এসব গাছ কাটার সঙ্গে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের স্থানীয় নেতা থেকে শুরু করে সাংসদেরাও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সারা দেশে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যকার সম্পর্ক অহিনকুল হলেও বৃক্ষ কর্তন কিংবা ব্যবসায়িক স্বার্থে জাহাজভাঙা শিল্প গড়ার ক্ষেত্রে তারা হরিহর আত্মা। সীতাকুণ্ডের বৃক্ষ কর্তনে স্থানীয় সাংসদ ও বিএনপি নেতার জড়িত থাকার বিষয়টিও অস্বাভাবিক নয়।
গত রোববারের বৃক্ষ কর্তনের দায়ে কয়েকজন শ্রমিকের আটক হওয়ার খবর মোটেই আশা জাগায় না। তাঁরা শক্তিশালী ও স্বার্থান্বেষী মহলের ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন মাত্র। যে ব্যবসায়ী-রাজনীতিকদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তাঁরা গাছ কাটতে বাধ্য হয়েছেন, তাঁদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। জাহাজশিল্প গড়ার নামে সমুদ্র উপকূলে বৃক্ষ উজাড় কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে এঁদের দৌরাত্ম্য বন্ধ না করতে পারলে প্রকৃতি ও পরিবেশ কোনোটাই রক্ষা করা যাবে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পার্বত্য চুক্তির এক যুগ -পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই হবে মূল দায়িত্ব
এটা অনস্বীকার্য যে পাহাড়িদের মূল দাবিটি স্বীকৃতি ও প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়েছে এবং এর চেয়ারম্যান সন্তু লারমা চুক্তি অনুযায়ী সীমিতভাবে হলেও কাজ পরিচালনা করছেন। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর চুক্তি সম্পাদনের সময় মূল প্রশ্নটি ছিল পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীরা তাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও পাহাড়িদের প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী নিজেদের শাসনের অধিকার পাবে কি না। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তারা যে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম চালিয়ে আসছিল, তার পরিসমাপ্তি হবে কি না। চুক্তির ফলে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার শুভ সূচনা ঘটে। সেদিক থেকে এটা ছিল বড় সাফল্য।
কোনো সরকার বা রাষ্ট্র যখন কোনো চুক্তি করে, তার বাস্তবায়নের মূল দায়িত্বও তখন তার ওপর বর্তায়। কিন্তু এটা দুঃখজনক যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চুক্তি বাস্তবায়নে ধীরগতি দেখা গেছে। পরবর্তীকালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে চুক্তির বাস্তবায়ন বলতে গেলে প্রায় থামিয়ে রাখে, যদিও তারা চুক্তি বাতিল করেনি। এসব কারণে পার্বত্য অঞ্চলে জেলা পরিষদ নির্বাচন এখনো হতে পারেনি, জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য পৃথক ভোটার তালিকা প্রণীত হয়নি, ভূমির মালিকানা নির্ধারণে কমিটি গঠিত হলেও কাজ এগোয়নি, ভূমি হস্তান্তরের এখতিয়ার জেলা প্রশাসকের অধীনেই রয়ে গেছে। পাহাড়ি উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের কাজটিও চলছে ঢিমে তালে।
কথা ছিল পার্বত্য অঞ্চলে সেনানিবাসগুলো থাকবে, কিন্তু এর বাইরে স্থাপিত অস্থায়ী সেনাক্যাম্পগুলো পর্যায়ক্রমে গুটিয়ে আনা হবে। কিছু ক্যাম্প গুটিয়ে আনা হলেও নানা অজুহাতে অনেক ক্যাম্প এখনো রয়ে গেছে। পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মধ্যে এ ব্যাপারটি ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করছে। একসময় বলা হতো, চুক্তি হলে পার্বত্য অঞ্চল দেশের হাতছাড়া হয়ে যাবে, তাই সেখানে নিরাপত্তা জোরদার রাখা দরকার। কিন্তু বিগত এক যুগের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ যথেষ্টভাবে প্রমাণ করেছে যে পাহাড়ি অঞ্চল নিয়ে ওই ধরনের উদ্বেগের বাস্তব ভিত্তি নেই।
পার্বত্যবাসীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ তাদের মৌলিক অধিকার। তাই বর্তমান সরকারের অন্যতম কর্তব্য হবে চুক্তির শর্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করা। এটা ঠিক যে অনেক বিষয়ে জটিলতা আছে। সমতলের যে বাঙালিরা সেখানে প্রায় তিন দশক ধরে বসবাস করছে, যারা ‘সেটলার’ নামে পরিচিত, তাদের বিষয়টির একটি যুক্তিসংগত সমাধান দরকার। এখন দরকার চুক্তির সব শর্ত বাস্তবায়নের ব্যাপারে আঞ্চলিক পরিষদ ও সরকারপক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে একটি রূপরেখা তৈরি করা এবং তার নিশ্চিত অনুসরণের ব্যবস্থা। এ ধরনের উদ্যোগের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চুক্তির যুগপূর্তি অর্থবহ হয়ে উঠতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈশ্বরদীতে হামলায় যুবদল কর্মী নিহত
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে শুক্রবার রাতে পৌর বিএনপির অপর পক্ষের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু ও পৌর কাউন্সিলর মহিদুল ইসলামসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সন্ত্রাসীরা ফতেমোহাম্মদপুরের বেলতলা এলাকায় সজলকে রামদা, চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে আহত করে। পরে সন্ত্রাসীরা পৗর মেয়রের বাড়ির কাছে সজলের বন্ধু আজমকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
মকলেছুর রহমানের অভিযোগ, তাঁর ছেলে সজলকে খুন করার জন্য জাকারিয়া পিন্টুর নির্দেশে ওই রাতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে জাকারিয়া পিন্টু বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সজল ও তাঁর বন্ধু আজমের বিরোধ ছিল। সেই সূত্র ধরে এ ঘটনা ঘটেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম জানান, দলে ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মেয়র ও পিন্টুর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আহ্বায়ককে অব্যাহতি সম্মেলন স্থগিত -পিরোজপুর জেলা বিএনপি
সোমবারের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শহরে বিএনপির এক পক্ষ পোস্টার ও অপর পক্ষ মাইকে প্রচারণা চালাচ্ছিল। সম্মেলনের স্থান হিসেবে এক পক্ষ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন এবং উদ্বোধক হিসেবে যুগ্ম মহাসচিব এম এ মান্নানের নাম প্রচার করা হয়।
একই দিনে ও একই সময় জেলা বিএনপির আরেক পক্ষের সম্মেলনের স্থান নির্ধারণ করা হয় স্বাধীনতা মঞ্চে। এ সম্মেলনেও উদ্বোধক হিসেবে এম এ মান্নানের নাম ঘোষণা করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাঙ্গুনিয়ায় প্রবাসীর পরিবারে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট
প্রবাসী ইমাম উদ্দিন অভিযোগে বলেন, মো. মুছা ও বনি আমিন মধ্যপ্রাচ্যে থাকাকালে তাঁর কাছ থেকে টাকা ধার নেন। গত জুন মাসে দেশে ফিরে ধার করা টাকা ফেরত চাইলে তাঁরা তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দিয়ে টাকা আদায়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হলে সন্ত্রাসী নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা করা হয়।
মো. মুসা ও বনি আমিন বলেন, টাকা পাবে সেটা বড় কথা নয়। ইমাম উদ্দিন খারাপ ব্যবহার করেছেন, তাই একটু শাস্তি দিলাম।
রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ সাংসদের বাড়িতে ভাঙচুর
লালপুর থানার সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আটটায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আব্দুলপুর বাজারে চা পান করছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নারী সাংসদ শেফালী মমতাজের সমর্থকেরা লাঠি-রড নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করে। এতে আবুল কালাম আজাদসহ সাতজন আহত হন। আহতদের মধ্যে আবুল কালাম আজাদ ও বাবুল আক্তারকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনার পরপরই আবুল কালাম আজাদের সমর্থকেরা নারী সাংসদ শেফালী মমতাজের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ওই বাড়ির দুটি কক্ষে ভাঙচুর করে ও মালামাল তছনছ করে।
শেফালী মমতাজের পক্ষে তাঁর ছেলে সাগর আহম্মদ বলেন, ‘আমার আম্মা হামলার সময় বাড়িতেই ছিলেন। তাঁকে হত্যা করার জন্যই আবুল কালামের ক্যাডাররা পরিকল্পিতভাবে তাঁদের বাসায় ভাঙচুর করেছে। তিনি বা তাঁর সমর্থকেরা আবুল কালামের ওপর হামলা চালাননি। তাঁরা মিথ্যা অভিযোগে হামলা চালিয়েছে।’
আবুল কালাম আজাদ বলেন, পুলিশসহ বহু মানুষের সামনে সাগরের ছেলেরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাঁর সমর্থকেরা কেউই সাংসদের বাড়িতে হামলা চালাতে যায়নি। তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ভিন্ন খাতে নিয়ে যেতেই মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অপরাধী যে-ই হোক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাবনায় বিএনপির পাল্টাপাল্টি সম্মেলন
বিদ্রোহী অংশের নেতা ও জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ফেরদৌস মঞ্জু বলেন, ‘জেলা বিএনপির সম্মেলন নিয়ে দলের একাংশ কয়েক দিন ধরে লুকোচুরি খেলছে। সকালে খবর আসে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাদের ভোটের মধ্য দিয়ে জেলা বিএনপির সম্মেলন হবে। দুপুর পর্যন্ত বসে থেকে উপজেলা ও পৌর কোনো নেতাকে পাওয়া যায়নি।’
নেতা-কর্মীদের কণ্ঠ ভোটে সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খানকে সভাপতি, সাইফুল ইসলামকে সম্পাদক ও নূর মোহাম্মদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট জেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠন করা হয়। সভাপতিত্ব করেন দলের কেন্দ্রের ঘোষিত জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল আসলাম। দলের বিদ্রোহী অংশ সম্মেলন শেষ করে চলে যাওয়ার পর বিকেল পাঁচটার দিকে কেন্দ্রের মনোনীত অংশ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জমায়েত হয়।
এ অংশের নেতারা জানান, উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত সব কমিটির সভাপতি, সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের ভোটে জেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠন করা হবে। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সম্মেলন প্রস্তুতি চলছিল।
এ অংশের নেতা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিদ্রোহী অংশের নামধারী কিছু ব্যক্তি সম্মেলনের নামে যা করেছে তা প্রহসন ছাড়া কিছু নয়। দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে অমান্য করে তাদের কমিটি গঠন করার কোনো এখতিয়ার নেই। দলের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টায় তারা এ কাজ করেছে। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা কোনো বাধা দিইনি।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্নীতির অভিযোগে ঝাড়খন্ডের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মধু কোড়া গ্রেপ্তার
মধু কোড়া এনডিএ সরকারের আমলে বিজেপির অর্জুন মুন্ডার সরকারে দুই-দুইবার খনিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আবার ইউপিএর আমলে তিনি ছিলেন নির্দল বিধায়ক হিসেবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমে বিজেপির টিকিটে তিনি বিধায়ক হন। তারপর বিধায়ক হন নির্দল হিসেবে।
এই মধু কোড়া মাত্র ছয় বছর মন্ত্রিত্ব করে বেআইনি সম্পদ করেছেন অন্তত আড়াই হাজার কোটি রুপির। মালিকও হয়েছেন বিদেশে কয়লা খনির। যদিও মধু কোড়া তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আগেভাগে অস্বীকার করলেও সম্প্রতি কলকাতা, দিলি, মুম্বাই, লক্ষৌ, নাসিকসহ ভারতের নয়টি শহরের কোড়ার বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে ভারতের আয়কর দপ্তর তাঁর প্রচুর বেআইনি সম্পত্তির হদিস পেয়েছে, পেয়েছে সুইস ব্যাংকে টাকা জমানোরও তথ্য।
এদিকে কোড়ার রাঁচির বাড়ি তল্লাশি করে আয়কর ও গোয়েন্দা দপ্তরের কর্মকর্তারা উদ্ধার করেছেন চারটি টাকা গণনার মেশিন, প্রচুর নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, শেয়ার সার্টিফিকেট ইত্যাদি। দুবাই, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় হাওলার মাধ্যমে ৬০০ কোটি রুপি পাঠানোর তথ্যপ্রমাণ ও লাইবেরিয়ায় একটি খনি কেনারও তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কমিটিতে স্থান না পাওয়ায়...
চারঘাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তার বলেন, গত ২২ নভেম্বর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। এতে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। মোমিন সরকার সদস্য হওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তাতে আপত্তি করেন। এ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় চৌমোহিনী বাজারে মোমিন সরকার তাঁর লোকজন নিয়ে বাবুল আক্তারকে ঘেরাও করেন। এ সময় বাবুল আক্তারের নিজ গ্রাম চককাপাসিয়ার লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। বাবুল আক্তারের অভিযোগ, এ ঘটনার আধঘণ্টা পরে মোমিন সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গ্রাম টাঙ্গনের লোকজন হাঁসুয়া, ফালা, রামদা, চায়নিজ কুড়াল, রড, লাঠি ও হকিস্টিক নিয়ে এসে বাজারে হামলা চালায়। এ সময় টাঙ্গন ও চককাপাসিয়া গ্রামের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে চককাপাসিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী ধাওয়ার মুখে পালিয়ে এলে মোমিন সরকারের নেতৃত্বে চককাপাসিয়ার ব্যবসায়ীদের দোকানে লুটপাট করে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে ১৩টি দোকানের ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়।
বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, ঘটনায় পরদিন চককাপাসিয়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। স্থানীয় ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম ওরফে রবিন বলেন, তিনি সন্ধ্যায় গিয়ে মামলাটি করান। তবে তাঁর আগেই মোমিন সরকার বাবুল আক্তারকে ১ নম্বর আসামি করে মামলা করে গেছেন।
মোমিন সরকার বাবুল আক্তারের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাজনৈতিক কারণে এ ঘটনা ঘটেনি। বাবুল আক্তার বাজারে এসে তাঁকে ও টাঙ্গন গ্রামের আওয়ামী লীগের লোকজনকে উদ্দেশ করে গালাগালি করছিলেন। আর বাবুল আক্তারের গ্রামের লোকেরাই খড়ের গাদায় আগুন দিলে তা পেট্রলের ড্রামে ধরে যায় এবং বাজারের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
মতিহার থানার উপপরিদর্শক আলমগীর জাহান বলেন, তদন্ত করে দেখা হবে কারা দায়ী। কোন মামলা আগে আর কোনটি পরে, সেটা মুখ্য বিষয় নয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শালিতের মুক্তির বিনিময়ে ৯৮০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেবে ইসরায়েল
গিলাদ শালিতকে ২০০৬ সালের জুন মাসে গাজা থেকে হামাস সদস্যরা অপহরণ করে। সরকার তাঁকে মুক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। সরকার গত সপ্তাহে হামাসের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছায়। হামাস শর্ত সাপেক্ষে শালিতকে মুক্তি দিতে রাজি হয়। এর বিনিময়ে ৪৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তির দাবি জানায় তারা। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের ওই আইনজীবী জানিয়েছেন, হামাসের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ওই ৪৫০ জন ছাড়া আরও অন্তত ৫৩০ জন বন্দীকে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
মুক্তি পেতে যাওয়া বন্দীদের নামের তালিকা প্রকাশের জন্য ইসরায়েলের তিনজন নাগরিক ও একটি সংগঠন গত সপ্তাহে সে দেশের উচ্চ আদালতে আবেদন করে। তবে সরকারি ওই আইনজীবী জানিয়েছেন, বন্দীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে কি না, সে ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ইসরায়েল ও আরব গণমাধ্যম জানিয়েছে, ‘হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলি সরকার গত সপ্তাহে সমঝোতায় পৌঁছায়। দু-এক দিনের মধ্যেই দুই পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি হতে পারে। টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভালুকায় গাছের সঙ্গে বাসের ধাক্কা, নিহত ৯ আহত ২৪
ভালুকা মডেল থানার পুলিশ, হাসপাতাল ও আহত যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার রামপুরার ওয়াপদা এলাকা থেকে টাউন সার্ভিসের দুটি ভাড়া করা বাস প্রায় দেড় শ যাত্রী নিয়ে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বেখুরহাটি বাজারের উদ্দেশে রওনা হয়। রাত পৌনে একটার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মেহেরাবাড়ী এলাকায় একটি বাসকে (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-২৩৯৭) বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী একটি ট্রাক ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন যাত্রী নিহত ও ৩০ জন আহত হন। ঘটনার পর বাসের চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই তিন যাত্রী গৌরীপুর উপজেলার বীর আহমেদপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে সোহেল (১৫), পাঁচকাউনিয়া গ্রামের আজিজুল আহাম্মেদ (৩০), মাওহা লক্ষ্মীনগর গ্রামের শহীদ মিয়ার স্ত্রী রহিমা খাতুনের (৩৮) লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর আহত যাত্রীদের মধ্যে নেত্রকোনার সদর উপজেলার বিয়ার আলী গ্রামের আব্দুল মজিদের স্ত্রী মনোয়ারা আক্তার (৩২), নওধার গ্রামের আব্দুল ছাত্তারের মেয়ে হেলেনা খাতুন (২০), আকবর আলীর ছেলে শহীদ মিয়া (৩২), কেন্দুয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে বিপুল (১২) ও ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার খয়ের আদালতপুর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন (৩৫) মারা যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পর রোববার সকালে গৌরিপুর উপজেলার ঘাটেরকোনা গ্রামের উজ্জল মিয়া (১৮) মারা যান। ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাধীন আহত যাত্রী কেন্দুয়া উপজেলার রঘুনাথপুরের মঞ্জিল ইসলাম জানান, বাসের প্রায় সব যাত্রীই গরিব।
ভালুকা মডেল থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা এসআই আক্তারুজ্জামান জানান, অজ্ঞাত ট্রাক সামনে থেকে ধাক্কা দিলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ কারণে এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিলেন জারদারি
এ পদক্ষেপকে প্রধানমন্ত্রী ও পার্লামেন্টকে আরও শক্তিশালী করার পথে বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রেসিডেন্ট জারদারির একজন মুখপাত্র।
তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাজনৈতিক ও সামরিক সমালোচকদের শান্ত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে দেওয়া এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
গিলানি বলেন, ন্যাশনাল কমান্ড-সংশ্লিষ্ট ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণমূলক কর্তৃত্ব তাঁর হাতে হস্তান্তর করেছেন প্রেসিডেন্ট। এ বিষয়ে একটি অধ্যাদেশও জারি করেছেন তিনি।
প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ফরহাতুল্লাহ বাবর বলেন, ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির দায়িত্ব হস্তান্তর নির্বাচিত পার্লামেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের পদক্ষেপ।
তবে অন্য এক মুখপাত্র বলেন, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি একনায়কমূলক ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন। একজন অনির্বাচিত নেতা হিসেবে নিজেকে আরও শক্তিশালী করার জন্য জারদারির এই ক্ষমতার প্রয়োজন ছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিভিন্ন স্থানে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩০ -সড়ক দুর্ঘটনা
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী): দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দের পদ্মারমোড় এলাকায় গত শুক্রবার সকালে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে পাঁচজন যাত্রী নিহত ও কমপক্ষে ১৬ জন আহত হয়। নিহত ব্যক্তিরা হচ্ছেন যশোরের কেশবপুরের শফিক সরদার (৩৫), সাতক্ষীরার সদর উপজেলার চুপুরিয়া গ্রামের ইসমাইল শেখ (১৯), আব্দুর রাজ্জাক গাজী (৪৫) ও অজ্ঞাত দুজন।
শিবচর (মাদারীপুর): ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের শিবচরের সন্ন্যাসীর চর চৌরাস্তা এলাকায় গত শুক্রবার কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে ঢাকামুখী একটি বাসের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ঢাকামুখী বাসের পাঁচজন যাত্রী—পিরোজপুরের আল আমিন, তাঁর স্ত্রী রেশমী আক্তার, গোপালগঞ্জের আব্দুর রহমান, বরগুনার জাহিদুল ও মাদারীপুরের বিল্লাল হোসেন নিহত হন।
শেরপুর (বগুড়া): ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শেরপুরের মির্জাপুরে গতকাল বিকেল পাঁচটায় হিউম্যান হলার ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন সাধন (৩০), ভোলা (৬০), গোলাম মোহাম্মদ সরকার (৭০), আবদুল মজিদ (৩০) ও মানিক (২০)। একই এলাকায় গত রোববার বাসের চাপায় শুকুর আলী নামের এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
পটিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান সড়কের পটিয়া রাহাত আলী হাইস্কুল গেটের সামনে গত রোববার বাসচাপায় কালু মিয়া (৪৫) নামের এক দিনমজুর নিহত হন। তাঁর বাড়ি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী গ্রামে।
চুয়াডাঙ্গা: সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে গত শুক্রবার বড় শলুয়া গ্রামের ওমর আলী (৩২) বাসের ধাক্কায়, শনিবার আকন্দবাড়িয়া গ্রামের ইদ্রিস আলী (২৫) মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় এবং রোববার দামুড়হুদা উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামের বিদ্যুত্ (১৫) শ্যালো ইঞ্জিনচালিত করিমন উল্টে নিহত হয়েছে।
অভয়নগর (যশোর): নওয়াপাড়া-মনিরামপুর সড়কের রানা ভাটার সামনে রোববার একটি টেকার (জিপের মতো ছোট গাড়ি) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় রাস্তার পাশে ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত আব্দুল মজিদ মোড়ল (৬৫) টেকারে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর বাড়ি উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামে। গত শুক্রবার উপজেলার হাসপাতাল সড়কে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গৃহবধূ মর্জিনা বেগম (৪৫) নিহত হন। তিনি বুইকরা গ্রামের আব্দুল আজিজের স্ত্রী।
মাদারগঞ্জ (জামালপুর): মাদারগঞ্জ-জামালপুর সড়কের মাদারগঞ্জ উপজেলার জটিয়ারপাড়া গ্রামের দাদভাঙা সেতুর কাছে গত শুক্রবার একটি লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসযাত্রী মিন্টু (১৪), শাহীন (২০) ও শফিকুল ইসলাম (৩৫) নিহত হন।
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল): ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে মির্জাপুর উপজেলার ইচাইল ও কুরণীর মাঝামাঝি স্থানে গত শুক্রবার একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এতে ওই বাসের যাত্রী গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা গ্রামের ময়ছের আলম (৩৫) ও রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ইমাতপুর গ্রামের আজিম উদ্দিনসহ (২৫) তিনজন নিহত হন। একই দিন উপজেলার সোহাগপুর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় এক অজ্ঞাতনামা মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
কালিয়াকৈর (গাজীপুর): ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা (পল্লী বিদ্যুত্) এলাকায় সোমবার একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় মাজেদা আক্তার (২৫) নামের এক নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। কালিয়াকৈর থানার পুলিশ নিহত শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
মানিকগঞ্জ: গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সাভারের আমিনবাজারের কাছে দ্রুতগামী একটি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে অজ্ঞাতনামা এক পথচারী মারা যান। শনিবার বেলা ১১টায় ধামরাইয়ের ইসলামপুর এলাকায় বাসের চাপায় আকাশ (১৮) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। তাঁর বাড়ি ধামরাই পৌর এলাকার দক্ষিণপাড়ায়। ওই ঘটনায় তাঁর বন্ধু সুজন (১৭) গুরুতর আহত হন। বিকেলে টেপড়া এলাকায় বাসচাপায় রুহি দাশ (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। তাঁর বাড়ি শিবালয় উপজেলার টেপড়া গ্রামে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তহবিল গঠনে সমর্থন -কমনওয়েলথ সম্মেলন
এ ছাড়া চলতি মাসে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠেয় জলবায়ুবিষয়ক সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা নিয়ে সম্ভাব্য একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর বিষয়েও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কমনওয়েলথ নেতারা। এ জন্য তাঁরা একটি আইনি বাধ্যবাধকতা-সংবলিত আন্তর্জাতিক চুক্তি করার ব্যাপারেও সম্মতি দিয়েছেন।
ত্রিনিদাদে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১০ সালে ‘কোপেনহেগেন লাঞ্চ ফান্ড’ নামের একটি তহবিল গঠনের কাজ শুরু করার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন কমনওয়েলথ নেতারা। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মিলিব্যান্ড বলেছেন, এই জোটের দেশগুলোর মধ্যে নানা মতপার্থক্য থাকলেও কিছু বিষয়ে সমন্বিত স্বার্থরক্ষার বিষয়টি খুঁজে পাওয়া যায় এখানে। শনিবার ত্রিনিদাদে এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী কেভিন রাড বলেন, ‘বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা কমনওয়েলথ মনে করে, এখনই জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার উপযুক্ত সময়।’ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেছেন, তাঁর দেশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর যে প্রস্তাব দেবে তা হবে উচ্চাভিলাষী। তবে শর্ত সাপেক্ষে ওই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবে নয়াদিল্লি।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন গত সপ্তাহে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে আশঙ্কা রয়েছে, কোপেনহেগেন সম্মেলনে পর্যাপ্ত পরিমাণে নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে মতৈক্য হতে পারবে না শিল্পোন্নোত দেশগুলো। আগামী ৭ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোপেনহেগেনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন হবে।
এদিকে কমনওয়েলথের ৫৪তম সদস্য হিসেবে রুয়ান্ডাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরাসরি ব্রিটিশ উপনিবেশ না হয়েও দ্বিতীয় দেশ হিসেবে এ সংস্থার সদস্যপদ পেল রুয়ান্ডা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আক্কেলপুরে গণশৌচাগারে মাদক ব্যবসার অভিযোগ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, কয়েক বছর আগে তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পৌর কর্তৃপক্ষ হাইস্কুল সড়কের পাশে অস্থায়ী বাস টার্মিনাল এলাকায় গণশৌচাগার নির্মাণ করে। গত বছর থেকে এটি চালু করা হয়।
স্থানীয় লোকজন জানায়, সুন্দরী রানীকে গণশৌচাগারের তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। কিছুদিন পর থেকেই তিনি সেখানে চোলাইমদ বিক্রি শুরু করেন। ধীরে ধীরে গণশৌচাগারে মাদকসেবীদের ভিড় বাড়তে থাকে। মাদকসেবীদের আড্ডার কারণে লোকজন শৌচাগারের যেতে চায় না।
তত্ত্বাবধায়ক সুন্দরী রানী বলেন, ‘আমার এখানে পরিবেশ ভালো। এ কারণে লোকজন মদ রেখে যায়। আমি মদ, গাঁজা বিক্রি করি না।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপরাধ ঠেকাতে পুলিশফাঁড়ি চায় খাগরিয়াবাসী
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খাগরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আহমদুর রহমান ও মুসা সওদাগরের পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। জমি নিয়ে বিরোধ এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালের অক্টোবর মাসে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর উভয় পক্ষের মধ্যে তৃতীয়বার সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আহমদুর রহমান ১৪ অক্টোবর মুসার পক্ষের ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আর ১৭ অক্টোবর মুসার পক্ষের সোলাইমান ইউপি চেয়ারম্যান আহমদুর রহমানের পক্ষের ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
দুই পক্ষের মামলা তদন্ত করছেন সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান। তিনি জানান, সংঘর্ষের পর একাধিকবার অভিযান চালিয়েও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খাগরিয়ায় পুলিশফাঁড়ির প্রয়োজনীয়তার কথা পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভালুকায় গাড়িসহ চালককে পুড়িয়ে হত্যা, বিভিন্নস্থানে আরও ছয় খুন
আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
শ্রীপুর (গাজীপুর): ময়মনসিংহের ভালুকার কাঁশর গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে প্রাইভেটকারের এক চালককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। সন্ত্রাসীরা সিটের সঙ্গে হাত-পা বেধে গাড়িটিতে প্রথমে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ওই চালক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। শুক্রবার সকালে ভালুকা থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেছে। লাশটি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড (মাওনা চৌরাস্তা) এলাকার আব্দুল মতিনের বলে তাঁর পরিবার দাবি করেছে। ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল বাসার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পুড়ে যাওয়া লাশটি উদ্ধার করেছে। আব্দুল মতিনের স্ত্রী হাজেরা খাতুন ও শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম জানান, আব্দুল মতিন একটি প্রাইভেটকারের (ঢাকা মেট্রো গ ২৫-৯৮৬২) মালিক এবং তিনি নিজেই গাড়িটি চালাতেন। পুড়ে যাওয়া প্রাইভেটকারের চেসিস নম্বরের সঙ্গে মতিনের গাড়ির কাগজে লিখিত চেসিস নম্বরের মিল রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি ট্রিপ দেওয়ার জন্য মতিন মাওনা চৌরাস্তা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড থেকে প্রাইভেটকার নিয়ে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি।
মহেশখালী (কক্সবাজার): উপজেলার বড়ছড়া গ্রামের নূরুল আলম (৫৫), তাঁর স্ত্রী আনজু বেগম (৪৫) ও তাঁদের ছেলে আট বছরে শিশু আনোয়ারকে বৃহস্পতিবার রাতে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নূরুল আলমের ছেলে মনজুর আহমদ ও তার সহযোগীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মহেশপুর থানার পুলিশ হোয়ানক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মনজুর আহমদ (৩২) ও তাঁর সহযোগী রোকত উল্যাহকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় নূরুল আলমের অপর ছেলে আব্দুর রশিদ মহেশখালী থানায় হত্যা মামলা করেছেন। একদল সন্ত্রাসী শুক্রবার সকালে উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের জাফর আহমদের মেয়ে সেলিনা আক্তারকে (১৮) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে।
বরিশাল: বরিশালের মুলাদী উপজেলার চরমালিয়া গ্রামের আলম আকনকে (৩৫) তাঁর চাচাতো ভাই ও ভাইয়ের ছেলেরা জবাই করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ধুনট (বগুড়া): একদল দুষ্কৃতকারী শনিবার রাতে উপজেলার দাসপাড়া গ্রামের তারাপদ সরকারের ছেলে ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক তপন কুমার সরকারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাওবাদীদের হাতে পাঁচজন খুন
যৌথ বাহিনীর অত্যাচারের অভিযোগ এনে জঙ্গলমহলে আগামী মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের বন্ধ্ ডাকার হুমকি দিয়েছে মাওবাদীরা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৪টি স্থানের জন্য পাল্টাপাল্টি আবেদন, অনুমতি মেলেনি -কিশোরগঞ্জ বিএনপির সম্মেলন
বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিএনপির নেতা, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক। সম্মেলনে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নেতৃবৃন্দ ও জেলা পর্যায়ের অন্তত ১৫ জন নেতা বক্তব্য রাখেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অর্ধদিবস বন্ধ্ পালন
গতকাল সকাল থেকে বিজেপির সমর্থকেরা হাতে ঝান্ডা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন রেলস্টেশন অবরোধ করে। ফলে ব্যাহত হয়ে পড়ে হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখার অধিকাংশ ট্রেন চলাচল। বিভিন্ন স্টেশনে আটকে যায় দূরপাল্লার ট্রেন।
বিমান ঠিক সময়ে চলার কথা থাকলেও বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে বিজেপির সমর্থকেরা। ফলে বিমানবন্দরের সঙ্গে সব যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। স্কুল-কলেজে যাতে ছাত্রছাত্রীরা ঢুকতে না পারে, সে জন্য অবরোধ করে রাখে স্কুল-কলেজের ঢোকার পথ। হাটবাজারে ঢুকে প্রচণ্ড হুমকি দিয়ে বন্ধ করে দেয় দোকানপাট। বাসে ভাঙচুর ও আগুন লাগিয়ে বন্ধ করে দেয় বাস চলাচল। ভাঙচুর করা হয় প্রাইভেট ও ভাড়ার ট্যাক্সিও। শুধু তা-ই নয়, কলকাতার সল্টলেকের তথ্যপ্রযুক্তি নগরে গিয়েও হামলা চালায় বিভিন্ন অফিসে। পুড়িয়ে দেওয়া হয় কলকাতায় বেশ কটি সরকারি বাস। ভাঙচুর চালানো হয় ট্যাক্সিসহ অন্যান্য যানবাহনেও। একই চিত্র দেখা যায় রাজ্যের অন্যান্য স্থানেও।
বন্ধ্ চলার সময় পুলিশ তিন শতাধিক পিকেটারকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার করেছে বিজেপির সাবেক রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়কেও।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোরবানির পশুর চামড়ার দর নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ
কোরবানির পর রাজধানীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও আড়তগুলোতে চামড়ার দর-দাম ও বেচাকেনা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র লক্ষ করা গেছে। পশু কোরবানির সংখ্যা বেশি হওয়ায় মহল্লার মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ট্যানারির মালিকদের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়েও অনেক কম দামে চামড়া কিনেছেন। কিন্তু আড়তদারদের দাবি, তাঁরা নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দামে চামড়া কিনেছেন। যদিও যাঁরা পশু কোরবানি করেছেন, তাঁরা চামড়া বিক্রি করেছেন অনেক কম দামে। আড়তদারদের দাবি, মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এবার লাভবান হয়েছেন।
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দর অনেক কমে গেছে। আর এ কারণে ট্যানারির মালিকেরা কোরবানির আগেই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে কাঁচা চামড়ার দর নির্ধারণ করে দেন।
ট্যানারির মালিকেরা ঢাকায় গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৩০ টাকা, মহিষের ২০ টাকা, খাসির ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং বকরির চামড়া ১৮ থেকে ২০ টাকায় নির্ধারণ করে দেন।
এ ছাড়া ঢাকার বাইরে গরুর চামড়ার সর্বোচ্চ দর প্রতি বর্গফুট ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং খাসির চামড়ার দর ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যদিও অভিযোগ উঠেছে, যাঁরা পশু কোরবানি করেছেন, তাঁদের কাছ থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কম দামে চামড়া কিনেছেন। অন্যদিকে প্রতি বর্গফুট চামড়া ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি দরে এই ব্যবসায়ীরা বিক্রি করেছেন। ট্যানারি ও কাঁচা চামড়ার আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার পশু কোরবানির সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। ফলে কাঁচা চামড়ার জোগান এবার ৫-১০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।
সাধারণভাবে সারা বছর যে পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ করা হয়, তার ৪০ শতাংশ আসে কোরবানির পশু থেকে। এবার পশু কোরবানি বেশি হওয়ায় ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চামড়া এই মৌসুমে সংগ্রহ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দর কমে যাওয়ায় রপ্তানি কমেছে। গত বছরের অনেক চামড়া এখনো অবিক্রীত রয়েছে, যে কারণে কোরবানির আগেই এবার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
ট্যানারির মালিকদের ধারণা, এবার সব মিলিয়ে সারা দেশে প্রায় ৪৫ লাখ গরু ও খাসি কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ গরু। তাঁদের হিসাবে, গত বছর ৩০ থেকে ৩৫ লাখ পশু কোরবানি হয়েছিল। রাজধানীর বিভিন্ন হাট ঘুরে জানা যায়, গত চার-পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক পশু কোরবানি দিয়েছে নগরবাসী। রাজধানীর ১০টি অস্থায়ী পশুর হাটে প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার গরু বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া খাসি, মহিষ, উটও কোরবানি হয়েছে।
ব্যবসায়ী ও ট্যানারি শিল্পের মালিকেরা মনে করছেন, এবার গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসায় এবং গরুর দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় পশু কোরবানির সংখ্যা বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্য আয়ের অনেকে এবার কোরবানি করেছেন। রাস্তায় চাঁদাবাজিও কম হয়েছে। গত বছর সিডর ও আইলার মতো দুর্যোগের কারণে অনেকেই কোরবানি দিতে পারেননি।
বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আফতাব বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় চামড়া কেনাবেচায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ঢাকার ভেতর থেকে প্রায় ৯০ শতাংশ চামড়া আড়তে চলে এসেছে। ঢাকার বাইরে থেকে চামড়া আসা এখনো শুরু হয়নি। তবে দু-এক দিনের মধ্যে আসা শুরু হবে।
চামড়ার কম দাম নির্ধারণের সমালোচনা করেছেন পোস্তার মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, টেনারির মালিকেরা কম দাম নির্ধারণ করে নিজেরাই বেশি দামে সব চামড়া কিনে নিয়েছেন। এ কারণে যে পরিমাণ চামড়া এখন পোস্তায় আসার কথা, সেভাবে আসছে না। অপর এক ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন বলেন, ‘চামড়া কোথায়? চামড়াই তো নেই। সেভাবে চামড়া এলে এখানে এখন রিকশা চলার কথা নয়।’
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের চামড়া রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ কম। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ২৮ কোটি ৪৪ লাখ ডলারের চামড়া রপ্তানি হয়েছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সখীপুরে শাহজালাল ব্যাংকের শাখা চালু
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে এ শাখার উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে শাখাটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান ও ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ নূরুল আরেফীন, পরিচালক আক্কাস উদ্দিন মোল্লা, স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার আবদুল মান্নান, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ ও পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শওকত আলী তালুকদার, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আবদুর রশীদ লেবু, সখীপুর উপজেলার চেয়ারম্যান শওকত সিকদার, আইনজীবী আহমেদ আযম খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়ার্ল্ড এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ পুরস্কার পেয়েছেন ফজলে হাসান আবেদ
দ্য ওয়ার্ল্ড এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ ফোরামের উদ্যোগে প্রতিবছর উদ্যোক্তা, সামাজিক উদ্যোক্তা, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদকে অসামান্য সফল উদ্যোগ গ্রহণ এবং সমাজের প্রতি তাঁদের অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
সমাজের দরিদ্র জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখার জন্য ফজলে হাসান আবেদ সামাজিক উদ্যোক্তা বিভাগ থেকে এ পুরস্কার পেয়েছেন।
এ বছর বিশেষজ্ঞ বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন ১১টি দেশে ৫১টি হাইটেক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা বার্ট টওয়্যালফহোভেন (হল্যান্ড), উদ্যোক্তা বিভাগে পেয়েছে কিওসেরা করপোরেশন এবং কেডিডিআই করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা কাজু ও ইনঅ্যামোরি (জাপান) এবং রাজনৈতিক বিভাগে পেয়েছেন আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন।
ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বের সর্ববৃহত্ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে এ সংস্থা এশিয়া ও আফ্রিকার নয়টি দেশের ১০ কোটিরও বেশি মানুষের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
এমলিয়ন বিজনেস স্কুল এবং কেপিএমজির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ ফোরামের উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে রয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি।
এ ফোরাম সামাজিক উদ্যোগ, সম্পদ সৃষ্টি এবং ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ‘থিংক ট্যাংক’ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রণোদনা প্যাকেজ ইতিবাচক: বিটিএমএ
সমিতির সভাপতি আবদুল হাই সরকার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রণোদনা প্যাকেজে তুলা ও অন্য তন্তু আমদানির ক্ষেত্রে এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের ব্যবহারের সুবিধা দেওয়া একটি প্রশংসনীয় ও ইতিবাচক পদক্ষেপ।
একইভাবে প্রণোদনা প্যাকেজে বস্ত্র খাতের ক্যাপটিভ জেনারেশনের জন্য লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফি ১ নভেম্বর থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত প্রণোদনা প্যাকেজ হতে প্রদান ক্যাপটিভ জেনারেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মিলগুলোর জন্য সহায়ক হবে। তবে বিটিএমএ সরকারকে ক্যাপটিভ জেনারেশনের লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়ার্ল্ড এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ পুরস্কার পেয়েছেন ফজলে হাসান আবেদ
দ্য ওয়ার্ল্ড এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ ফোরামের উদ্যোগে প্রতিবছর উদ্যোক্তা, সামাজিক উদ্যোক্তা, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদকে অসামান্য সফল উদ্যোগ গ্রহণ এবং সমাজের প্রতি তাঁদের অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
সমাজের দরিদ্র জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখার জন্য ফজলে হাসান আবেদ সামাজিক উদ্যোক্তা বিভাগ থেকে এ পুরস্কার পেয়েছেন।
এ বছর বিশেষজ্ঞ বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন ১১টি দেশে ৫১টি হাইটেক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা বার্ট টওয়্যালফহোভেন (হল্যান্ড), উদ্যোক্তা বিভাগে পেয়েছে কিওসেরা করপোরেশন এবং কেডিডিআই করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা কাজু ও ইনঅ্যামোরি (জাপান) এবং রাজনৈতিক বিভাগে পেয়েছেন আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন।
ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বের সর্ববৃহত্ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে এ সংস্থা এশিয়া ও আফ্রিকার নয়টি দেশের ১০ কোটিরও বেশি মানুষের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
এমলিয়ন বিজনেস স্কুল এবং কেপিএমজির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ ফোরামের উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে রয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি।
এ ফোরাম সামাজিক উদ্যোগ, সম্পদ সৃষ্টি এবং ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ‘থিংক ট্যাংক’ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রদর্শনী কেন্দ্র নির্মাণের অর্থ ফিরিয়ে নেবে চীন -চলতি মাসেই কাজ শুরু না করলে সমস্যা হবে
বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাস সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু করতে না পারলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র প্রকল্পে তারা কোনো অর্থ ব্যয় করবে না।
অর্থাত্ যে ২১০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের জুলাই থেকে ২০১১ সালের জুলাই পর্যন্ত তিন বছর মেয়াদে এ প্রদর্শনী কেন্দ্র স্থাপন হওয়ার কথা।
এ জন্য প্রকল্পব্যয় ধরা হয়েছে ২৬৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এতে ২১০ কোটি টাকা অনুদান দেবে চীন। আর অবশিষ্ট ৫৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় করবে সরকার।
কিন্তু ১৬ মাস পার হলেও নানা জটিলতার আবর্তে প্রদর্শনী কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শুরুই হতে পারছে না।
চীনা দূতাবাসের এ বক্তব্যে প্রকল্পটির উদ্যোগ গ্রহণকারী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) চিন্তায় পড়েছে।
তবে তারা এখনো পরিকল্পনা কমিশন ও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কোনো সাড়া পাচ্ছে না। এ সংস্থা দুটির ঢিলেমির কারণেই কাজ শুরু হতে পারছে না বলে মনে করছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, কয়েকটি উদ্দেশ্য সামনে রেখে এই প্রকল্পে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় চীন সরকার। এগুলো হচ্ছে—সরবরাহকারী ও প্রদর্শনকারীদের তাদের প্রতিযোগীদের সঙ্গে পণ্যের সরাসরি তুলনা করার সুযোগ সৃষ্টি করা, ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য পণ্যের মান তুলনা করার সুযোগ সৃষ্টি করা, ভোক্তাদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে পরিচিত করা, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ উন্নত করা।
ইতিমধ্যে প্রকল্পটির নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ জন্য ৩৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
চূড়ান্ত নকশা অনুযায়ী প্রদর্শনী কেন্দ্রের দৈর্ঘ্য হবে ৪০০ মিটার, প্রস্থ ৭৫ মিটার, সামনের দিকের উচ্চতা ১৫ দশমিক ৯২ মিটার এবং পেছনের দিকের উচ্চতা ৮ দশমিক ৭৫ মিটার। প্রদর্শনী কেন্দ্রের সামনে ২০ মিটার খালি জায়গা থাকবে। ভৌত নির্মাণের কাজ হবে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ বর্গফুট।
প্রদর্শনী কেন্দ্রটি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নির্মাণ করার কথা রয়েছে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পটির ডিপিপি অনেক আগেই পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হলেও কমিশন এতে অনুমোদন দিতে গড়িমসি করছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে পাওয়া যাচ্ছে না পরিবেশ অধিদপ্তরের অনাপত্তি পত্র।
তবে পরিকল্পনা কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ প্রকল্পের ওপর পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় চেষ্টা করা হবে যাতে চীনের অনুদানের এ অর্থ ফেরত না যায়। অর্থাত্ কাজটি ডিসেম্বরের মধ্যে যাতে শুরু করা যায় সে চেষ্টাই করা হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন প্যাকেজ পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিলেন অর্থমন্ত্রী
গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এ বিষয়টি জানান।
গত সপ্তাহে ঘোষিত এক হাজার কোটি টাকার নতুন এ প্রণোদনা প্যাকেজকে স্বাগত জানালেও তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের দুটি সংগঠন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিট পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) বলেছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য এটি মোটেই উপযোগী নয়।
সরকার শর্ত সাপেক্ষে তৈরি পোশাক খাত, কাঁচা চামড়া ও জাহাজ নির্মাণ খাতের জন্য বরাদ্দ রেখে এক হাজার কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর পরই তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের এ দুই সংগঠন শর্ত সাপেক্ষে দেওয়া এই প্রণোদনা প্যাকেজে তাদের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ার কথা জানিয়ে তা পুনর্বিবেচনার দাবি জানায়।
গত এপ্রিলে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব মোকাবিলায় প্রথম দফায় রপ্তানি খাতের জন্য সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। তবে, সেখানে তৈরি পোশাক শিল্পসহ কয়েকটি খাতের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা পাঁচ বছরের জন্য প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। আমরা তিন বছরের জন্য দিয়েছি। তবে তারা শর্ত পূরণ না করলে এর সুফল ভোগ করতে পারবে না।’
তৈরি পোশাক খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘সংগঠনগুলো এখনো তাদের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিস্তারিত তথ্য এ সংক্রান্ত পর্যালোচনা কমিটিকে দিতে পারেনি। বিস্তারিত তথ্য দিতে না পারার ব্যর্থতা তাদেরই।’
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত সরকারের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা পাচ্ছে। তারা দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যেমন অবদান রাখছে, তেমনি শুল্কসহ নানা সুবিধা পাচ্ছে।’
অর্থমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে তাদের কোনো করপোরেট কর না দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন।
সরকার গঠিত প্রণোদনাবিষয়ক টাস্কফোর্সের দ্বিতীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের জন্য সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইদুজ্জামানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দ্বিতীয় প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কম প্রত্যাশার সম্মেলন নিয়েও অনেক আশা by শওকত হোসেন
এর ওপর পৌঁছেছি রোববার। তাই ছুটির দিনের আমেজ সর্বত্র। রাস্তায় খুব একটা মানুষ চোখে পড়ে না। সূর্যের মুখও দেখা গেল না। মেঘলা আবহাওয়া, এখন প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেল।
সাংবাদিকদের জন্য ব্যাজ আনতে যেতে হবে ডব্লিউটিওর প্রধান কার্যালয়ে। মূল ফটকের সামনেই কয়েক সারি ইস্পাতের ব্যারিকেড বসানো। উদ্দেশ্য, বিক্ষোভকারীদের বাধা দেওয়া। শনিবার এখানে বিশ্বায়নবিরোধীরা বিক্ষোভ করেছে। পুলিশের বাধার মুখে গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে বলেও জানা গেল।
এ ঘটনায় ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক প্যাসকাল লামি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, যাঁরা ডব্লিউটিওর সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করেন, তাঁদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ভাষা যারা সংলাপ বা গঠনমূলক আলোচনা কোনোটাই চায় না, এ রকম কিছু লোকের সহিংসতায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে।’
লামি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ডব্লিউটিও সব সময়ই সুশীল সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে, ভবিষ্যতেও করবে।
এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ইন্টারন্যাশনাল করফারেন্স সেন্টার জেনেভায় (সিআইসিজি)। সোমবার বেলা তিনটায় সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সম্মেলন শুরু হয়নি)। সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনের পরেই শুরু হবে সম্মেলনের মূল কাজ। এই মূল অধিবেশনে প্রতিটি দেশের দলনেতা তিন মিনিট করে বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবেন। এই তিন মিনিটে মূল কথাগুলো বলে দিতে হবে। এই তিন মিনিটের বক্তৃতাপর্ব চলবে তিন দিন ধরে। এর পাশাপাশি শেষ দুই দিন অর্থাত্ সোম ও মঙ্গলবার দুটি কর্ম-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম কর্ম-অধিবেশনের বিষয়বস্তু ঠিক করা হয়েছে ‘দোহা কর্মপরিকল্পনাসহ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা’। এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন সংস্থাটির মহাপরিচালক প্যাসকাল লামি। দ্বিতীয় কর্ম-অধিবেশনের বিষয়বস্তু ‘উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি ও উত্তরণে ডব্লিউটিওর অবদান’। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি চিলির অর্থমন্ত্রী আন্দ্রেস ভেলোসকো এতে সভাপতিত্ব করবেন। ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সমাপনী অধিবেশনের পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সম্মেলন শেষ হবে।
এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে, ‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, বহুপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা এবং সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিবেশ’।
এবারের সম্মেলন কোনো দরকষাকষির বৈঠক নয়। এটি মূলত ডব্লিউটিওকে টিকিয়ে রাখার বৈঠক।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি দুই বছর পরপর মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন হতে হবে। কিন্তু ২০০৫ সালের পর চার বছরের মাথায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই দিক থেকে দরকষাকষির বৈঠক না হলেও এটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ফলে সম্মেলনের মূল অধিবেশন শুরুর আগেই যার যার অবস্থান নেওয়া শুরু হয়ে গেছে।
যেমন, উদ্বোধন হওয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন দেশ বা দেশগুলোর জোট অনেকগুলো বৈঠক করে ফেলেছে। ডব্লিউটিওর বিভিন্ন ইস্যুতে কে কোন অবস্থান নেবে, সেটি ঠিক করতেই এসব বৈঠক হয়েছে।
মূলত কৃষির ওপর ভর্তুকি কমানো এবং অকৃষি পণ্যের শুল্ক হ্রাসের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় দুই বছর পরপর সম্মেলন করার বাধ্যবাধকতা মানা হয়নি। আবার দোহা উন্নয়ন আলোচনার অগ্রগতিও অনেক ধীর। এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী মন্দা দেখা দেওয়ায় আলোচনার গতি আরও পিছিয়ে পড়েছে।
এই অবস্থায় ২০১০ সালের মধ্যে দোহা উন্নয়ন আলোচনা শেষ করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে এবারের সম্মেলনেই আলোচনা অনেকখানি এগিয়ে রাখতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
ডব্লিউটিওর গ্রহণযোগ্যতা এমনিতেই নানা প্রশ্নের মুখে। আর এই মুহূর্তে ডব্লিউটিওর সবচেয়ে বড় সমর্থক এখন ছোট অর্থনীতির দেশগুলো। এই বাণিজ্য আলোচনা সফল করার তাগিদ এসব দেশ থেকেই বেশি আসছে।
এবারের বৈঠক নিয়ে প্রত্যাশা কম। তবে ডব্লিউটিও ঠিকমতো কাজ করছে কি না, সেই পর্যালোচনা এবার হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যেভাবে আলোচনা ও দরকষাকষি চলছে, তা সঠিক কি না, সে প্রশ্নও কেউ কেউ করছেন। আবার ডব্লিউটিওর নিজেরই সংস্কার প্রয়োজন বলেও আলোচনা নানা দিক থেকে তোলা হচ্ছে।
ফলে এবারের সম্মেলন দরকষাকষির বৈঠক না হলেও ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
এদিকে তিন দিনের সম্মেলনের প্রাক্কালে উন্নয়নশীল দেশগুলো এক বিবৃতিতে দোহা আলোচনাপর্ব দ্রুত শেষ করতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
২০০১ সালের কাতারের রাজধানী দোহায় ডব্লিউটিওর চতুর্থ মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বিশ্ব বাণিজ্যের দোহা পর্ব সূচনা করা হয়। কিন্তু কৃষি খাতে উদারীকরণ ও অকৃষি খাতে বাজারসুবিধা দেওয়া নিয়ে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে মতবিরোধ দূর না হওয়ায় এখন পর্যন্ত এই পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করা যায়নি।
উন্নয়নশীল দেশগুলো অভিযোগ করছে, উন্নত দেশ বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র দোহা পর্ব সমাপনে বাধার সৃষ্টি করেছে।
জেনেভায় ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেলসো অ্যামোরিম যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘শুধু একটি দেশ আমাদের সামনে এগোতে বাধা দিচ্ছে।’
গতকাল সোমবার সম্মেলন শুরুর আগে কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক ১৯টি দেশের জোট কেয়ার্নস গ্রুপ কৃষি বিষয়ে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবধান না কমায় হতাশা ব্যক্ত করেছে। এই দেশগুলো বিশ্বের কৃষি রপ্তানির ২৫ শতাংশ অংশীদার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টেস্টে ভারতের শততম জয়
কী হয়েছে কানপুরে? শ্রীলঙ্কাকে ইনিংস ও ১৪৪ রানের ব্যবধানে পরাজয়ের গ্লানিতে ডুবিয়েছে ভারত। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩১ টেস্টে এটি ভারতের সবচেয়ে বড় জয় (আগের বড়: ১ ইনিংস ও ১১৯ রান, লক্ষ্নৌ, ১৯৯৪)। সব মিলিয়েও যা ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম জয়। ভারতের উত্সবের রং আরও রঙিন হয়েছে এই জয়টা আর দশটা জয়ের মতো নয় বলে। টেস্ট ক্রিকেটে এটি যে ভারতের শততম জয়!
অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তানের পর ষষ্ঠ দল হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে জয়ের সেঞ্চুরি পেল ভারত। এই এক শ জয় এল ৪৩২ ম্যাচে—দেশের মাটিতে ২২১ ম্যাচে ৬৮টি জয়, দেশের বাইরে ২১১ ম্যাচে ৩২টি।
৪১৩ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅন করতে নেমেই পরাজয়ের প্রহর গুনতে শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কা। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ৫৭। পরদিন ৭৯ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর স্কোরটা ২৬৯ রানে নিয়ে যাওয়ার মূল কৃতিত্ব থিলান সামারাবীরার। বাকিদের ব্যর্থতার মধ্যে ২১৫ মিনিটে ১২৩ বল খেলে ৭৮ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। সবচেয়ে বড় জুটিটি হয়েছে অজন্তা মেন্ডিসের সঙ্গে নবম উইকেটে, ৭৩ রানের।
ভারতের একমাত্র ইনিংসে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানেরই সেঞ্চুরি ছিল। তবে ম্যান অব দ্য ম্যাচ তাঁদের কেউই নন। সেই স্বীকৃতি শান্তাকুমারন শ্রীশান্তের, দেড় বছরেরও বেশি সময় পর যাঁকে টেস্ট ক্রিকেটে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন নির্বাচকেরা। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য উইকেট পেয়েছেন একটিই। তবে প্রথম ইনিংসে শ্রীশান্তের ৫ উইকেটই তো ঠিক করে দিয়েছে ম্যাচের গতিপথ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত: ৬৪২ (গম্ভীর ১৬৭, দ্রাবিড় ১৪৪, শেবাগ ১৩১, যুবরাজ ৬৭, লক্ষ্মণ ৬৩; হেরাথ ৫/১২১, মেন্ডিস ২/১৬২, মুরালিধরন ২/১৭৫)। শ্রীলঙ্কা: ২২৯ (জয়াবর্ধনে ৪৭, সাঙ্গাকারা ৪৪; শ্রীশান্ত ৫/৭৫, ওঝা ২/৩৭, হরভজন ২/৫৪) ও ২৬৯ (সামারাবীরা ৭৮*; হরভজন ৩/৯৮, ওঝা ২/৩৬)। ফল: ভারত ইনিংস ও ১৪৪ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: শান্তাকুমারন শ্রীশান্ত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুম্বাই টেস্টে গম্ভীর নেই
কিন্তু ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে এখন র্যাঙ্কিং বাদ দিয়ে কষতে হচ্ছে অন্য অঙ্ক। মুম্বাইয়ে বীরেন্দর শেবাগের সঙ্গে কে শুরু করবেন ভারতের ইনিংস? বোনের বিয়েতে থাকবেন বলে টানা চার টেস্টে সেঞ্চুরি করা গৌতম গম্ভীর এই টেস্টে খেলছেন না। আর কোনো ব্যাটসম্যানকে হারালেই ধোনিকে এত চিন্তায় পড়তে হতো না। ভারত যে এখন যতটা টেন্ডুলকার-দ্রাবিড়ের দিকে তাকিয়ে থাকে, তার চেয়েও বেশি গম্ভীরের দিকে।
ভারতীয় স্কোয়াডে তৃতীয় ওপেনার একজন আছেন (মুরালি বিজয়)। কিন্তু এই মুহূর্তে গৌতম গম্ভীরের বিকল্প হওয়া কি তাঁর পক্ষে সম্ভব? কারও পক্ষেই হয়তো সম্ভব নয়। সুবর্ণ সময় যাচ্ছে এখন গম্ভীরের ক্যারিয়ারে। গত চার টেস্টেই সেঞ্চুরি করেছেন দিল্লির ব্যাটসম্যান, সর্বশেষ দুটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে। কানপুরে দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ১৪৪ রানের বিশাল জয়ে গম্ভীর-শেবাগের ২৩৩ রানের ওপেনিং জুটির ছিল অনেক বড় অবদান। আরও পেছনে ফিরে যান। গত ২৫ ইনিংসে ৭টি সেঞ্চুরি করেছেন, ফিফটিও ৭টি। টেস্টে তাঁর গড় ৫৬.৭৩ হলেও এই ২৫ ইনিংসে সেটা ৭৭। আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার সর্বশেষ পেলেন সিয়াট বর্ষসেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার এবং বর্ষসেরা টেস্ট ব্যাটসম্যানের স্বীকৃতিও। ফিরে পেয়েছেন আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানও।
সাবেক ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী এ মুহূর্তে গম্ভীরকেই ভারতের সেরা ব্যাটসম্যান মনে করছেন। শেবাগ তো সুনীল গাভাস্কারের পর ভারতের সেরা ওপেনারের মুকুটটাই তুলে দিতে চান তাঁর মাথায়। ২-০-তে সিরিজ জয়, টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে যাওয়ার হাতছানি আর ভারতের মাটিতে শ্রীলঙ্কাকে কখনোই টেস্ট জিততে না দেওয়ার গর্ব ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ—গৌতম গম্ভীরকে ছাড়া এই তিন সম্ভাবনাতেই সাফল্যের পতাকা ওড়ানো কতটা সহজ হবে ভারতের জন্য?
ধোনি আর কী বলবেন? এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের সবচেয়ে ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যানকে হারাতে হওয়ায় ভারতীয় অধিনায়কের একটু বিরক্তই হওয়ার কথা। তবে মনে যা-ই থাক, মুখে বলছেন, ‘গম্ভীরকে দল কতটা মিস করবে সেটা বলা কঠিন। এ নিয়ে তো আসলে কিছু করার নেই।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিডোর উত্তরসূরি এক সার্বিয়ান?
ডিডো বিদায় নিয়েছেন গত পরশু, আর কালই এই নামটা জানাল বাফুফে। সার্বিয়ান এই কোচ দুই সপ্তাহের জন্য আগামীকাল ঢাকায় আসবেন সাক্ষাত্কার দিতে। ডিডোকে বরখাস্ত করার পর বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন জানিয়েছিলেন, ইন্টারনেটে বায়োডাটা দেখে আর জাতীয় দলের জন্য কোচ নেবেন না। সাক্ষাত্কার নিয়ে আগে পরখ করবেন, তারপর ভালো লাগলে নিয়োগ। জোরানের ক্ষেত্রে সেটাই হচ্ছে। তাঁকে পছন্দ না হলে আরও কয়েকজন কোচের সাক্ষাত্কার নেওয়া হবে।
ঈদের আগে মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে জোরানের খোঁজ পান সালাউদ্দিন। এএফসি থেকে এই কোচের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রাথমিক কথাবার্তায় সন্তুষ্ট হয়েই জোরানকে ঢাকায় আসতে বলেছেন বাফুফে সভাপতি।
‘আমরা কী চাই, আগে সেটা তাঁকে বোঝাব। তাঁরও নিশ্চয়ই জানা-দেখার ব্যাপার আছে। এখানকার কোচিং স্টাফদের সাক্ষাত্কার নেবেন তিনি। যদি মনে করেন, এই স্টাফ দিয়েই চলবে তাহলে এরাই থাকবে। নইলে তিনি নিজেও পরবর্তী সময়ে কোচিং স্টাফ নিয়ে আসতে পারবেন। সবকিছু ইতিবাচক হলে তাঁকে আমরা সাফের পর নিয়োগ দেব। এসএ গেমস, চ্যালেঞ্জ কাপ শেষে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে একীভূত করে পরিকল্পনামতো কাজ করবেন নতুন কোচ। শুধু তা-ই নয়, পছন্দ হয়ে গেলে সাফে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে উপদেষ্টা কোচ হিসেবেও যুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে আমাদের’—কাল বললেন সালাউদ্দিন।
জীবনবৃত্তান্ত জোরানের কোচিং ক্যারিয়ারকে বেশ সমৃদ্ধই দেখায়। ২০০০ সালে ইয়েমেন জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। ২০০৮-০৯ মৌসুমে ভারতের চার্চিল ব্রাদার্স তাঁর কোচিংয়ে আই লিগ জিতেছে। থাকেন কুয়েতে। সে দেশের শীর্ষ সারির ক্লাব এফসি ফাহালিল, এফসি শাহেল, এফসি খাতানের কোচ ছিলেন। কুয়েতের কাতাসিয়া ক্লাবের ফুটবল স্কুল ও যুব উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে সৌদি আরবের আল হিলাল ক্লাব তাঁর কোচিংয়ে ওই মৌসুমের ঘরোয়া সবগুলো শিরোপাই জিতেছে।
বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিক্যাল এডুকেশনে ডিগ্রি নেওয়া জোরান ফুটবল খেলেছেন যুগোস্লাভিয়ার রডনিচ ক্লাব, ডায়নামো জাগরেব দলের হয়ে। কোচিংয়ে নিয়েছেন সিক্স ফিফা অ্যাডভান্স কোচিং কোর্স সার্টিফিকেট।
পছন্দ হলে তবেই বেতন নিয়ে আলোচনা হবে। সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘তাঁকে হাইপ্রোফাইল কোচই মনে হচ্ছে। আর্থিক চুক্তিটাও ওই অনুযায়ীই হবে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইসিএল ক্রিকেটাররা সিডন্সের ক্লাসে
রকিবুলের সঙ্গে সিডন্সের এই রসিকতা মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ইনডোরে, ঈদের আগে ডেভেলপমেন্ট কোচদের একটা কোর্স শেষে। সিডন্সের ক্লাসে তার দিন তিনেক আগে থেকেই আসতে শুরু করেছেন শাহরিয়ার নাফীস, অলক কাপালি, আফতাব আহমেদ আর ধীমান ঘোষ। আইসিএল থেকে ফেরা ক্রিকেটারদের মধ্য থেকে এই চারজনকে কোচ নিজ উদ্যোগেই অনুশীলনে আসতে বলেছেন। উদ্দেশ্য, তাঁদের ফিটনেসের অবস্থা দেখা, প্রয়োজনীয় ফিটনেস ট্রেনিংয়ের মধ্যে রাখা।
১০ বছরের বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়ার পর আইসিএল ক্রিকেটারদের ‘কুলিং পিরিয়ড’ শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার জন্য এর পর থেকেই বিবেচনায় আসার কথা আইসিএল ক্রিকেটারদের। তবে কোচ-নির্বাচকদের মনোভাব বলে দিচ্ছে, বিবেচনায় তাঁরা এরই মধ্যে আসতে শুরু করে দিয়েছেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন জাতি সিরিজেই হয়তো জাতীয় দলে দেখা যাবে আইসিএল-ফেরত কাউকে।
আলোচনায় সবচেয়ে বেশি আছেন শাহরিয়ার নাফীস ও আফতাব আহমেদ। তবে ফিটনেস এবং চলতি প্রিমিয়ার লিগের পারফরম্যান্স এগিয়ে রাখছে বাঁহাতি ওপেনার শাহরিয়ারকে। এর সঙ্গে জাতীয় দলে তামিম ইকবালের ওপেনিং সঙ্গী জুনায়েদ সিদ্দিকের সাম্প্রতিক খারাপ পারফরম্যান্স তাঁর ফেরার পথটাকে করে দিচ্ছে আরও প্রসারিত। নির্বাচকদের একজন তো কথায় কথায় শাহরিয়ারের ব্যাপারে তাঁর ইতিবাচক মতামতও জানিয়ে দিলেন, ‘আমার মনে হয়, আইসিএল ক্রিকেটারদের ব্যাপারটা এই সিরিজেই আমাদের ভাবা উচিত। শাহরিয়ার নাফীস তো খুবই ভালো খেলছে। তিন জাতি সিরিজের দল গঠনের আলোচনায় অবশ্যই ব্যাপারটা আসবে।’
সেই আলোচনার শিরোনাম হওয়ার কথা—জুনায়েদ সিদ্দিক না শাহরিয়ার নাফীস? গত ৮টি ওয়ানডে ইনিংসে জুনায়েদের কোনো ফিফটি নেই। সর্বশেষ ফিফটি করেছিলেন গত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের শেষ ওয়ানডেতে। এর পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরপর দুই সিরিজের নয় ম্যাচে আট ইনিংসে তাঁর রান মাত্র ১৪১, সর্বোচ্চ ৩৮।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
December
(699)
-
▼
Dec 03
(37)
- এখন সমুদ্রস্নান -চলতি পথে by দীপংকর চন্pr
- এশিয়া এসিএম প্রতিযোগিতা -তথ্যপ্রযুক্তি by মোহাম্মদ...
- বিএনপি কোন পথে -সপ্তাহের হালচাল by আব্দুল কাইয়ুম
- ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের আহবান -দক্ষিণ ...
- মুক্তিযোদ্ধারা যখন কেউই থাকবেন না, তখন...- অরণ্যে ...
- সীতাকুণ্ডে গাছ কাটা -এই অপকর্মের পেছনের শক্তিকে শা...
- পার্বত্য চুক্তির এক যুগ -পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত ক...
- ঈশ্বরদীতে হামলায় যুবদল কর্মী নিহত
- আহ্বায়ককে অব্যাহতি সম্মেলন স্থগিত -পিরোজপুর জেলা ব...
- রাঙ্গুনিয়ায় প্রবাসীর পরিবারে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট
- আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ সাংসদের বাড়িতে ভাঙচুর
- পাবনায় বিএনপির পাল্টাপাল্টি সম্মেলন
- দুর্নীতির অভিযোগে ঝাড়খন্ডের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মধু...
- কমিটিতে স্থান না পাওয়ায়...
- শালিতের মুক্তির বিনিময়ে ৯৮০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক...
- ভালুকায় গাছের সঙ্গে বাসের ধাক্কা, নিহত ৯ আহত ২৪
- পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিলেন জারদারি
- বিভিন্ন স্থানে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩০ -সড়ক দুর্ঘটনা
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তহবিল গঠনে সমর্থন -কমনওয়...
- আক্কেলপুরে গণশৌচাগারে মাদক ব্যবসার অভিযোগ
- অপরাধ ঠেকাতে পুলিশফাঁড়ি চায় খাগরিয়াবাসী
- ভালুকায় গাড়িসহ চালককে পুড়িয়ে হত্যা, বিভিন্নস্থানে ...
- মাওবাদীদের হাতে পাঁচজন খুন
- ২৪টি স্থানের জন্য পাল্টাপাল্টি আবেদন, অনুমতি মেলেন...
- পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অর্ধদিবস বন্ধ্ পালন
- কোরবানির পশুর চামড়ার দর নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- সখীপুরে শাহজালাল ব্যাংকের শাখা চালু
- ওয়ার্ল্ড এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ পুরস্কার পেয়েছেন ফজলে ...
- প্রণোদনা প্যাকেজ ইতিবাচক: বিটিএমএ
- ওয়ার্ল্ড এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ পুরস্কার পেয়েছেন ফজলে ...
- প্রদর্শনী কেন্দ্র নির্মাণের অর্থ ফিরিয়ে নেবে চীন -...
- নতুন প্যাকেজ পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিলেন...
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কম প্রত্যাশার সম্মেলন নিয়েও ...
- টেস্টে ভারতের শততম জয়
- মুম্বাই টেস্টে গম্ভীর নেই
- ডিডোর উত্তরসূরি এক সার্বিয়ান?
- আইসিএল ক্রিকেটাররা সিডন্সের ক্লাসে
-
▼
Dec 03
(37)
-
▼
December
(699)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...