Friday, March 13, 2026

সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে দেশগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া হামলায় বিদেশি নাগরিকও নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানের সোহর প্রদেশে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে একটি ড্রোন আল-আওয়াহি শিল্প এলাকায় আঘাত হানে। এতে দুইজন বিদেশি নাগরিক নিহত হন এবং আরও কয়েকজন আহত হন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরেকটি ড্রোন খোলা জায়গায় পড়ে গেলেও সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

এর আগে বুধবার ওমানের সালালাহ বন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে ড্রোন হামলা হয়। তবে ওই হামলায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এই হামলার ফলে তেল বা জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটেনি। এদিকে বেসরকারি সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড টেক জানিয়েছে, হামলার পর সালালাহ বন্দরের দক্ষিণ অংশের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টার লক্ষ্য করে আসা একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। এই এলাকায় বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস রয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও পূর্বাঞ্চল, আল-খারজ গভর্নরেট এবং রিয়াদের পশ্চিমে আরও আটটি ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে।

এর আগে কয়েকে ধাপে মোট ১৪টি ড্রোন ধ্বংস করার কথা জানিয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি ভবনে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে। দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলাটি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। 

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে যোগ না দিলে সৌদিকে ‘পরিণাম’ ভোগ করার হুমকি দিলেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সিনেটর গ্রাহাম

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ না দেওয়ায় সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। গত সোমবার তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রিয়াদসহ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই অভিযানে শরিক না হয়, তবে তাদের এর ‘পরিণাম’ ভোগ করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে লিন্ডসে গ্রাহাম লেখেন, ‘আমার জানা মতে, এই অঞ্চলে সন্ত্রাস ছড়ানো ও সাতজন মার্কিন সেনাকে হত্যাকারী বর্বর ইরানি সরকারকে নির্মূল করার লড়াইয়ে সৌদি আরব তাদের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।’

লিন্ডসে গ্রাহাম প্রশ্ন তোলেন, ‘যে দেশ পারস্পরিক স্বার্থের লড়াইয়ে যোগ দিতে অনিচ্ছুক, তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কি কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি করা উচিত?’

গ্রাহামের এই পোস্টের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সেই তথ্যেরই সত্যতা মিলল, যা আগেই মিডল ইস্ট আই প্রকাশ করেছিল। আর তা হলো, রিয়াদ তাদের ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলার অনুমতি দেয়নি।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেনটকম) সোমবার জানিয়েছে, ১ মার্চ সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলায় আহত আরও এক মার্কিন সেনা মারা গেছেন। এ নিয়ে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতজনে। ওই দিন সৌদি আরবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি ও রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসের সিআইএ অংশে হামলা চালিয়েছিল ইরান।

২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের অন্যতম কট্টর সমর্থক ও রূপকার লিন্ডসে গ্রাহাম। গত মাসে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে এই যুদ্ধে রাজি করানোর জন্য তিনি রিয়াদ সফর করেছিলেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রাহাম নিজেই তাঁর সফরের উদ্দেশ্য নিশ্চিত করেন।

তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, গ্রাহামের এই বক্তব্য ‘আগুনে ঘি ঢালার’ মতো কাজ করেছে। উপসাগরীয় দেশগুলো আগে থেকেই ক্ষুব্ধ যে, ট্রাম্প প্রশাসন তাদের নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করছে এবং প্রয়োজনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দিচ্ছে না।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতিসংঘ প্রতিনিধি জামাল আল-মুশারখ জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বারবার আলোচনা ও উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছি। আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি, আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানে কোনো হামলা চালানো যাবে না। তা সত্ত্বেও আমাদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত অনভিপ্রেত।’

সংঘাত শুরুর আগেই সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুদ্ধ না করার অনুরোধ করেছিল। তাদের আশঙ্কা ছিল, যুদ্ধ শুরু হলে তাদের তেলক্ষেত্র ও অবকাঠামোগুলো আক্রান্ত হবে। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও কাতার এখন ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এরপরও লিন্ডসে গ্রাহাম বলছেন, ‘আশা করি উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার (জিসিসি) দেশগুলো এই লড়াইয়ে আরও সক্রিয় হবে। কারণ, এটি তাদের দোরগোড়ায় হচ্ছে। এখনই যদি সামরিক বাহিনী ব্যবহার না করেন, তবে আর কবে করবেন? আশা করি দ্রুতই আপনাদের অবস্থানের পরিবর্তন হবে। তা না হলে এর পরিণাম ভোগ করতে হবে।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো এমন এক যুদ্ধে জড়াতে চায় না, যা জেতার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের আছে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। যুদ্ধের দ্বিতীয় সপ্তাহে পা দিলেও ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো অটুট।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানিদের গণ–অভ্যুত্থানের যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল, তার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। উল্টো ট্রাম্পের আত্মসমর্পণের আহ্বানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আয়াতুল্লাহ খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করেছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে বলেন, ‘পুরো বিষয়টি অবিশ্বাস্য। মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র গত এক বছর ধরে এক কাল্পনিক জগতে পরিকল্পনা করেছে। উপসাগরীয় শাসকেরা ও স্বয়ং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্পকে এই পরিণতির বিষয়ে আগেই সতর্ক করেছিল।’

লিন্ডসে গ্রাহাম
লিন্ডসে গ্রাহাম। ছবি: এএফপি

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের নিরাপত্তার সবশেষ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের নিরাপত্তার সবশেষ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি জানিয়েছে, জাহাজকে এখনই নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত নয় তারা।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজকে এখনই নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত নয় যুক্তরাষ্ট্র: জ্বালানি সচিব

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে এখনই নৌ নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত নয় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী—এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রধান মনোযোগ ইরানের আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করার দিকে। খুব শিগগিরই এটি (ট্যাঙ্কার এসকর্ট) শুরু হবে, কিন্তু এখনই সম্ভব নয়। আমরা এখনো প্রস্তুত নই। বর্তমানে আমাদের সব সামরিক সম্পদ ইরানের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা এবং সেই সক্ষমতা তৈরির শিল্পব্যবস্থা ধ্বংস করার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তিনি জানান, মার্কিন নৌবাহিনী সম্ভবত এই মাসের শেষের দিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজকে নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত হতে পারে। এ বিষয়ে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুধু মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক রাজনীতিকেই অস্থির করে তুলছে না, এর ধাক্কা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে। ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তেহরান কার্যত বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। এ যেন বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক ভয়াবহ ‘দুঃস্বপ্ন’! যার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। এতে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো। আর দরিদ্র দেশগুলোয় তৈরি হয়েছে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা। আর এ যুদ্ধের খেসারত দিতে হচ্ছে সারা বিশ্বের সাধারণ মানুষকে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য এক নতুন ‘দুঃস্বপ্নের শুরু’ করতে পারে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিপিং কোম্পানি মায়ের্স্কের প্রধান নির্বাহী ভিনসেন্ট ক্লার্ক সতর্ক করে বলেছেন, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন ব্যয় দ্রুত বাড়ছে এবং এর শেষ পর্যন্ত প্রভাব পড়বে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়া বা কমার সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য শিপিং কোম্পানিগুলোর গ্রাহকদের সঙ্গে আগেই চুক্তি থাকে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং বাজারের সাধারণ ক্রেতাদের ওপর গিয়ে পড়বে।

ভিনসেন্ট ক্লার্কের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথগুলো বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি এখন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। কিন্তু ইরানের পক্ষ থেকে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার হুমকি এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেক শিপিং কোম্পানি এ পথ ব্যবহার করতে চাচ্ছে না।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো কর্মীদের নিরাপত্তা। ড্রোন হামলা বা সামরিক সংঘর্ষের ঝুঁকি থাকলে কোনো কোম্পানির পক্ষেই জাহাজ ও কর্মীদের এমন বিপদের মুখে পাঠানো সম্ভব নয়। তাই পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত অনেক শিপিং কোম্পানি এই রুট এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশ নৌবাহিনীর পাহারায় জাহাজ চলাচলের প্রস্তাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স যৌথভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা বললেও বেসরকারি শিপিং কোম্পানিগুলো এখনো ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নয়। 

নৌপথে জাহাজের চলাচল। ছবি : সংগৃহীত
নৌপথে জাহাজের চলাচল। ছবি : সংগৃহীত