Saturday, March 28, 2026
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘খ্রিষ্টান রাষ্ট্র’ বানাতে কেন মরিয়া ট্রাম্প by জোসেফ মাসাদ
ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও ঈশ্বরের অধীনে এক জাতি হিসেবে উৎসর্গ করব।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমেরিকানদের জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার সরকার দেয় না, এই অধিকার এসেছে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছ থেকে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, একজন বিশ্বাসী মানুষ কীভাবে ডেমোক্র্যাট পার্টিকে ভোট দিতে পারেন, তা তিনি বুঝতে পারেন না। শীতল যুদ্ধের সময় কমিউনিস্টদের যেমন যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিষ্টধর্ম ও গণতন্ত্রের শত্রু হিসেবে দেখানো হতো, আজ সেই জায়গায় ডেমোক্র্যাট ও উদারপন্থীদের দাঁড় করানো হচ্ছে।
হেগসেথ তাঁর বক্তব্য শুরু করেন বাইবেল থেকে মার্কের সুসমাচার থেকে পাঠ করে। তিনি বলেন, নাগরিকদের অধিকার এসেছে এক দয়ালু ও মমতাময় ঈশ্বরের কাছ থেকে, সরকারের কাছ থেকে নয়।
হেগসেথ স্পষ্টভাবে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র একটি খ্রিষ্টান জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এখনো রক্তে আমরা সেই পরিচয় বহন করি। সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ঈশ্বরকে মহিমান্বিত করা।’
ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের অনেকেই এই অনুষ্ঠানকে কার্যত কংগ্রেসের অনুমোদিত এক ধর্মীয় সমাবেশ বলে সমালোচনা করেন। তাঁদের দাবি, সংবিধান প্রণেতারা এমন উদ্যোগে হতাশ হতেন। উদারপন্থী সংগঠনগুলোও ট্রাম্পের বক্তব্যকে খ্রিষ্টান জাতীয়তাবাদ বলে আখ্যা দেয় এবং ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার অভিযোগ তোলে।
ট্রাম্প ও হেগসেথ আসলে যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো এক খ্রিষ্টান ঐতিহ্যই ধরে রেখেছেন, যা কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট কখনো পুরোপুরি অস্বীকার করেননি। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে খ্রিষ্টধর্মের উপস্থিতি দীর্ঘদিনের। ট্রাম্প তাঁর প্রথম নির্বাচনী প্রচারণা থেকেই ভোটারদের কাছে নিজেকে খ্রিষ্টান মূল্যবোধের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরেছেন। তিনি এমনও বলেছেন, তিনি স্বর্গে যেতে পারবেন কি না জানেন না, তবে ধর্মের জন্য তিনি অন্য যেকোনো প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি কাজ করেছেন।
ট্রাম্প বারবার দেশের মূলমন্ত্র ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’ বা ‘ঈশ্বরেই আমাদের বিশ্বাস’-এর কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এই স্লোগান এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ধর্মের অংশ। গৃহযুদ্ধের সময় আব্রাহাম লিংকনের প্রশাসনে মুদ্রায় ইন গড উই ট্রাস্ট লেখার প্রস্তাব ওঠে। ১৮৬৪ সালে এটি চালু হয়। তখন রাজনীতির সব পক্ষই বিশ্বাস করত ঈশ্বর তাদের পক্ষেই আছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শীতল যুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট ডুইট আইজেনহাওয়ার সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ধর্মীয় উসকানি ব্যবহার করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের আনুগত্যের শপথবাক্যে ‘আন্ডার গড’ বা ঈশ্বরের অধীনে শব্দ দুটি ১৯৫৪ সালে যোগ করা হয়। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডুইট ডি আইজেনহাওয়ার কংগ্রেসে পাস হওয়া যৌথ প্রস্তাবে স্বাক্ষর করে এই পরিবর্তন কার্যকর করেন। এর আগে শপথবাক্যটি ছিল:
‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার প্রতি এবং যে প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছি, যা একটি অবিভাজ্য জাতি, সবার জন্য স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।’
১৯৫৪ সালের সংশোধনের পর বাক্যটি হয়: ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার প্রতি এবং যে প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছি, যা ঈশ্বরের অধীনে এক অবিভাজ্য জাতি, সবার জন্য স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।’
এই পরিবর্তনটি শীতল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে করা হয়েছিল। তখন সোভিয়েত ইউনিয়নকে নাস্তিক কমিউনিস্ট শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হতো। যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে ধর্মবিশ্বাসী জাতি হিসেবে আলাদা করে দেখাতে চেয়েছিল।
ফলে ‘আন্ডার গড’ বা ‘ঈশ্বরের অধীনে’ সংযোজনটি শুধু ধর্মীয় অনুভূতির প্রকাশ ছিল না, এটি ছিল একটি রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থানের ঘোষণাও। ১৯৫৬ সালে কংগ্রেস ইন গড উই ট্রাস্টকে জাতীয় মূলমন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন খুব নম্রভাবে এতে আপত্তি জানিয়েছিল। ২০১১ সালেও কংগ্রেস আবারও এই মূলমন্ত্রের পুনঃসমর্থন জানায়। আইসেনহাওয়ার প্রশাসন ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল। এর ফলে ১৯৪০ সালে যেখানে ৪৯ শতাংশ আমেরিকান নিজেকে ধর্মে বিশ্বাসী বলতেন, ১৯৬০ সালে তা বেড়ে হয় ৬৯ শতাংশ।
ট্রাম্প দাবি করেন, ২০২৫ সালে গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাইবেল বিক্রি হয়েছে। অনেক গির্জায় উপস্থিতি বেড়েছে। তিনি ২০২৬ সালের ১৭ মে ন্যাশনাল মলে জাতীয় প্রার্থনার আহ্বান জানান। ট্রাম্পের খ্রিষ্টান পরিচয়ের জোরালো ঘোষণায় বিভিন্ন আন্তধর্মীয় সংগঠন আপত্তি জানায়। তিনি গত বছর বিচার বিভাগে রিলিজিয়াস লিবার্টি কমিশন গঠন করেন। বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন অভিযোগ তোলে যে এই কমিশন খ্রিষ্টান জাতীয়তাবাদকে উৎসাহ দিচ্ছে।
ওই কমিশনের সহসভাপতি জেডি ভ্যান্স দাবি করেন, ধর্মীয় সহনশীলতাও খ্রিষ্টান ধারণা। অন্যদিকে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ইহুদি ভোটারদের নিয়ে মন্তব্যও বিতর্ক সৃষ্টি করে।
হেগসেথ নিজেকে আরও প্রকাশ্যভাবে খ্রিষ্টান হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর শরীরে ক্রুসেডের প্রতীকী ট্যাটু রয়েছে। তিনি ট্রাম্পকে ক্রুসেডার ইন চিফ বলেছেন। তবে এটি নতুন কিছু নয়। বাইডেন প্রশাসনও খ্রিষ্টান জায়নবাদে সমর্থন দিয়েছে।
হেগসেথের নিয়োগে মুসলিম সংগঠনগুলো আপত্তি জানালেও ইসরায়েলপন্থী ইহুদি গোষ্ঠীগুলো তাকে সমর্থন করে। ইতিহাসে ক্রুসেডের সময় মুসলিম, ইহুদি ও অর্থোডক্স খ্রিষ্টান সবাই হামলার শিকার হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিষ্টান প্রজাতন্ত্রের ধারণা ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে। বড়দিন উপলক্ষে ট্রাম্প নাইজেরিয়ায় বোমা হামলা করেছেন। একদিকে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার কথা বলেন, অথচ যুদ্ধবিরতির পরও শত শত ফিলিস্তিনিকে হত্যা তার অনুভূতি স্পর্শ করে না। এসব মৃত্যু যেন যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিষ্টান ঈশ্বরের বেদিতে উৎসর্গ করা বিষয়।
* জোসেফ মাসাদ, নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক আরব রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসের অধ্যাপক।
- মিডিল ইস্ট মিরর থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মডেলিং এজেন্ট ব্যবহার করে কীভাবে মেয়েদের ফাঁদে ফেলতেন এপস্টিন
পরে এই ব্রুনাল কারাগারেই আত্মহত্যা করেন। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন এবং মার্কিন অর্থদাতা ও কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের জন্য মেয়ে সংগ্রহের অভিযোগ ছিল। সেই সময় গ্লসিয়ার পরিবার জানত না, ব্রুনাল আসলে কে। একজন নামকরা ব্রাজিলীয় স্কাউট তাঁদের সঙ্গে ব্রুনালের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।
বিবিসি নিউজ ব্রাজিলের অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে, ব্রুনাল তাঁর সঙ্গে যুক্ত মডেলিং এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে তরুণী ও কিশোরীদের এপস্টিনের কাছে পাঠাতেন। তিনি তাঁদের মার্কিন ভিসার ব্যবস্থা করতেন।
এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন এমন আরেক ব্রাজিলীয় নারী বিবিসিকে তাঁর মার্কিন ভিসা দেখিয়েছেন। সেখানে স্পনসর হিসেবে ব্রুনালের একটি এজেন্সির নাম ছিল, যদিও তিনি ওই এজেন্সির জন্য কখনো মডেলিং করেননি। শুধু এপস্টিনের কাছে যাওয়ার জন্যই এই ভিসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
ইকুয়েডরের সেই প্রতিযোগিতা
গ্লসিয়ার মা ফরাসি মডেলিং এজেন্ট জঁ-লুক ব্রুনালকে নিয়ে কিছুটা সন্দিহান ছিলেন। কিন্তু ব্রুনাল খুব ‘মার্জিত’ ব্যবহারের অধিকারী হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি মেয়েকে ইকুয়েডরে যাওয়ার অনুমতি দেন। ব্রুনালের দলের সঙ্গে গ্লসিয়া ‘মডেলস নিউ জেনারেশন’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যান।
গ্লসিয়া বলেন, প্রতিযোগিতাটি তেমন কোনো সমস্যা ছাড়াই শেষ হয়েছিল। কিন্তু যখন তাঁকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছিল না, তখন তাঁর মনে সন্দেহ দানা বাঁধে।
লরা (ছদ্মনাম) নামের আরেকজন প্রতিযোগী জানান, ব্রুনালের আচরণ ছিল খুব অদ্ভুত। তিনি সব সময় খুব অল্প বয়সী ব্রাজিলীয় মেয়েদের সঙ্গে সময় কাটাতেন।
লরার মতে, কোন মেয়েরা অসহায় সেটা ব্রুনাল খুব ভালো করে জানতেন। তিনি সেই মেয়েদের অর্থকড়িও নিয়ন্ত্রণ করতেন। এ জন্য মূলত ব্রাজিল ও পূর্ব ইউরোপের মেয়েরাই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
মায়ের কারণে রক্ষা
ভ্রমণের শেষের দিকে মডেলি এজেন্ট ব্রুনাল ব্রাজিলের তরুণী গ্লসিয়াকে প্রস্তাব দেন, তিনি তাঁকে সব খরচ দিয়ে নিউইয়র্কে ফ্যাশন শোতে নিয়ে যাবেন। তখন গ্লসিয়ার মা বারবারার সঙ্গে অনুমতির জন্য যোগাযোগ করা হয়।
বারবারা সরাসরি না বলে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘ওরা শুধু শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের খুঁজছিল। দুর্ভাগ্যবশত ওরা আমার মেয়েকেও খুঁজে পেয়েছিল।’
বারবারা তাঁর মেয়ে গ্লসিয়াকে আর মডেলিং করতে দেননি। তিনি ব্রুনালের চক্রের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেন। গ্লসিয়া বলেন, ‘সেদিন আমার মা আমাকে বাঁচিয়েছিলেন।’
মার্কিন নথিপত্রে দেখা গেছে, যখন ওই প্রতিযোগিতা চলছিল, তখন এপস্টিন ইকুয়েডরে ছিলেন। এমনকি অন্তত একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক মডেল সেই বছর এপস্টিনের ব্যক্তিগত বিমানে যাতায়াত করেছিলেন।
আনার অভিজ্ঞতা: ‘সে আমাকে বেছে নিয়েছিল’
আনা (ছদ্মনাম) জানান, ব্রুনাল ও তাঁর মডেলিং ব্যবসাই তাঁকে এপস্টিনের কাছে পৌঁছানোর মূল মাধ্যম ছিল। ২০০০ সালের শুরুর দিকে একজন নারী তাঁকে মডেলিংয়ের কাজ দেওয়ার কথা বলে সাও পাওলোতে নিয়ে যান।
সেখানে পৌঁছানোর পর ওই নারী আনার সব কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে বলেন, যাতায়াত ও ছবির খরচের জন্য আনা এখন তাঁর কাছে ঋণী। আনা বুঝতে পারেন, সেখানে কোনো মডেলিংয়ের কাজ নেই।
আনা বলেন, ‘ওই নারী ছিলেন একজন দালাল। আমি কিছু বোঝার আগেই তিনি আমাকে দেহব্যবসায় নামিয়ে দেন।’
আনা জানান, এপস্টিন ছিলেন তাঁর অন্যতম খদ্দের। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরেই তাঁকে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, এপস্টিন ‘অল্প বয়সী মেয়ে পছন্দ করেন’। কয়েক দিন পর একটি বিলাসবহুল হোটেলে এপস্টিন তাঁকে পছন্দ করেন।
প্যারিস ও ভিসার কারসাজি
আনা জানান, ব্রুনাল তাঁর জন্য একটি মার্কিন বিজনেস ভিসার ব্যবস্থা করে দেন, যাতে স্পনসর হিসেবে ব্রুনালের এজেন্সি ‘কারিন মডেলস অব আমেরিকা’র নাম ছিল। আসলে এটি ছিল এপস্টিনের কাছে যাতায়াতের একটি মাধ্যম মাত্র।
আনাকে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেও নিয়ে যান এপস্টিন। আনা বলেন, এপস্টিন তাঁকে অর্থ দিতেন। তিনি সেগুলো ফেরত দিতে চাইলে এপস্টিন তাঁকে রেখে দিতে বলতেন। এপস্টিন ও ব্রুনালের মধ্যে আর্থিক সম্পর্ক ছিল। ব্রুনালের এজেন্সিগুলো ব্যবহার করেই বিভিন্ন দেশ থেকে মেয়েদের আনা হতো।
এপস্টিনের সঙ্গে প্রায় চার মাস আনা যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সে কাটান। তিনি এপস্টিনের ব্যক্তিগত দ্বীপেও গিয়েছিলেন। তিনি জানান, ব্রুনাল সব সময় তাঁকে ‘নেকড়ের মতো রাক্ষুসে দৃষ্টিতে’ দেখতেন।
আনা বলেন, এপস্টিন তাঁকে একবার বলেছিলেন, ব্রুনাল তাঁর সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এপস্টিন তাঁকে অনুমতি দেননি।
বর্তমান অবস্থা ও তদন্ত
ব্রাজিলের ফেডারেল পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস (এমপিই) এখন তদন্ত করছে, ব্রাজিলে এপস্টিনের সঙ্গে যুক্ত কোনো বড় পাচারকারী চক্র কাজ করছিল কি না।
শ্রম পরিদর্শক মাউরিসিও ক্রেপস্কি জানান, আনা বা অন্য মেয়েদের সঙ্গে যা ঘটেছে, যৌন শোষণের কারণে তা
‘মানবপাচার’ হিসেবে গণ্য হতে পারে। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পার হলেও জড়িতদের শাস্তি দেওয়ার সুযোগ থাকে।
গ্লসিয়া ও আনা—দুজনেই এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। তাঁরা মনে করেন, সেই ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে বেঁচে ফেরাটা তাঁদের বড় সৌভাগ্য।
![]() |
| মা বারবারার সঙ্গে গ্লসিয়া ফেকেত। ছবি: গ্লসিয়ার পরিবারের আলবাম থেকে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মঙ্গল গ্রহের পরিবেশ কি পৃথিবীর মতোই ছিল by জাহিদ হোসাইন খান
লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনের বিজ্ঞানী প্যাট্রিক গাসদা বলেন, মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড তৈরি করা কঠিন। সেখানে এই পদার্থের খোঁজ পাব, তা আমরা আশা করিনি। পৃথিবীতে সালোকসংশ্লেষণের কারণে বায়ুমণ্ডলে বেশি অক্সিজেন তৈরি হয়। ম্যাঙ্গানিজ অক্সিডেশন এখানে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। মঙ্গলে গ্রহে জীবনের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন বায়ুমণ্ডলে কীভাবে অক্সিজেন উৎপন্ন হতো, তা-ও আমরা জানি না। সেখানে কীভাবে ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড তৈরি হয়েছিল আর শিলায় ঘনীভূত হয়েছিল তার খোঁজ পাওয়া আমাদের জন্য সত্যিই বিস্ময়কর। নতুন এই তথ্য মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডল বা পৃষ্ঠে পানি থাকার বিষয়টি ইঙ্গিত করে।
রোভার যে পাললিক শিলা বিশ্লেষণ করেছে, তা বালি, পলি ও কাদার মিশ্রণে তৈরি ছিল। বিজ্ঞানী গাসদা বলেন, অনেক আগে মঙ্গল গ্রহে হয়তো জীবন উপস্থিতি ছিল। হ্রদের তীরে থাকা শিলাতে ম্যাঙ্গানিজের উপস্থিতি গ্রহটিতে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল বলে ইঙ্গিত করে। কেমক্যাম যন্ত্রের প্রধান বিশ্লেষক নিনা লানজা বলেন, প্রাচীন শিলার তথ্যের মাধ্যমে আমরা মঙ্গল গ্রহে থাকা হ্রদের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে পারছি। পৃথিবীতে বিভিন্ন হ্রদের তীরে ম্যাঙ্গানিজসমৃদ্ধ শিলার দেখা মেলে। হয়তো আমাদের মতোই পরিবেশ ছিল মঙ্গল গ্রহে।
সূত্র: ফিজিস ডট অর্গ
![]() |
| মঙ্গল গ্রহ। নাসা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোটি কোটি টাকার বিমানে কেন স্মার্টফোন বন্ধ করতে বলা হয় by জাহিদ হোসাইন খান
যাত্রী হিসেবে আমাদের সতর্ক করা হয়, সেলুলার ফোনের নেটওয়ার্ক চালু থাকলে তা বিমানের নেভিগেশন বা দিকনির্ণয় যন্ত্রপাতিতে বিঘ্ন ঘটাতে পারে; কিন্তু আসলেই কি তা ঘটে? পকেটে থাকা একটি সস্তা স্মার্টফোন কি সত্যিই কোটি টাকা মূল্যের একটি বিশাল বিমানকে বিপদে ফেলতে পারে?
বিশেষজ্ঞদের মতে এ প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো সম্ভবত কোনো বিপদে ফেলতে পারে না মুঠোফোন। তবে ফোন কীভাবে বিমানের যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য যাত্রীর ওপর প্রভাব ফেলে, তা জানা জরুরি। একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র কীভাবে কাজ করে তা বোঝা প্রথম ধাপ। সাধারণত একটি তারহীন নেটওয়ার্ক বা টাওয়ারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য মুঠোফোনগুলো নিম্ন ক্ষমতার রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে (যা সাধারণত শূন্য দশমিক ২৫ ওয়াট পর্যন্ত হয়)। ফোনটি একই সঙ্গে সংকেত পাঠায় এবং গ্রহণ করে। যদি টাওয়ার কাছে থাকে, তবে ফোনকে খুব বেশি শক্তি খরচ করতে হয় না; কিন্তু বিমান যখন অনেক উঁচুতে থাকে, তখন ফোনটি সিগন্যাল পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহার করে ক্রমাগত সার্চ করতে থাকে।
যখন ফোন সক্রিয় (অ্যাকটিভ) মোডে থাকে, তখন এটি বেতার সংকেত পাঠাতে থাকে: কিন্তু এয়ারপ্লেন মোডে থাকলে তা বন্ধ হয়ে যায়। এয়ারলাইনস বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বেতার সংকেত বিমানের গুরুত্বপূর্ণ সেন্সর, নেভিগেশন সরঞ্জাম এবং সংঘর্ষ এড়ানোর যন্ত্রপাতির কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। বাস্তবে আধুনিক বিমানের সংবেদনশীল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি রেডিও তরঙ্গ থেকে সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী শিল্ড যুক্ত থাকে। যদিও ২০০০ সালে সুইজারল্যান্ডে এবং ২০০৩ সালে নিউজিল্যান্ডে দুটি বিমান দুর্ঘটনার পেছনে মুঠোফোনের সংকেতকে আংশিকভাবে দায়ী করা হয়েছিল। বর্তমান সময়ে এই সংকেত বিমানকে বিপদে ফেলার চেয়ে চালকদের বেশি বিরক্ত করে।
ফোনের সিগন্যাল যখন সচল থাকে, তখন পাইলট এবং রেডিও অপারেটরদের হেডফোনে একধরনের কর্কশ শব্দ শোনা যায়। আমরা যখন কোনো স্পিকারের পাশে একটি ফোন রাখি এবং তাতে কল বা মেসেজ আসে, তখন স্পিকারে যেমন শব্দ হয় পাইলটরাও তাঁদের হেডফোনে অনেকটা তেমনই শব্দ শুনতে পান। এর ফলে তাঁদের যন্ত্রপাতিগুলো সঠিকভাবে পড়া বা একে অপরের সঙ্গে কথা বলা কঠিন হয়ে পড়ে। মূলত পাইলটদের বিরক্তি এড়ানোর জন্যই যাত্রীদের ফোন বন্ধ রাখতে বলা হয়।
২০১৪ সালে ইউরোপীয় এভিয়েশন সেফটি এজেন্সি ঘোষণা করে ইলেকট্রনিক যন্ত্র নিরাপত্তার জন্য বড় কোনো ঝুঁকি নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা চীনের মতো দেশ এখনো কড়া নিয়ম বজায় রেখেছে। চীনে ফ্লাইটের সময় ফোন বন্ধ না রাখলে জেল বা কয়েক হাজার ডলার জরিমানার বিধান রয়েছে।
অনেকেই চান বিমানের দামী এয়ারফোন ব্যবহার না করে নিজের স্মার্টফোন দিয়ে কথা বলতে। এটি সম্ভব করার জন্য বিমানে পিকো সেল নামের ছোট ইন-ফ্লাইট টাওয়ার বসানো হচ্ছে। এটি ফোনের সংকেতকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখে যাতে পাইলটদের কোনো সমস্যা না হয়। অনেক ইউরোপীয় বিমান সংস্থা ইতিমধ্যে অ্যারোমোবাইলের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে যাত্রীদের কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে। মার্কিন সংস্থাগুলো এখনো দ্বিধায় আছে। তাদের ভয় হলো, ফোনে কথা বলার অনুমতি দিলে শান্ত একটি ফ্লাইট একটি কোলাহলপূর্ণ ও বিরক্তিকর যাত্রায় পরিণত হতে পারে।
সূত্র: ব্রিটানিকা
![]() |
| সাধারণত বিমানযাত্রার সময় স্মার্টফোনে এয়ারপ্লেন মোড রাখতে হয়। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাছ নিয়ে ফারজানার সফল উদ্যোগ, এখন কর্মী ৭০ by রাহিতুল ইসলাম
সংগ্রামের শুরু যেখানে
ফারজানা আকতারের বড় হয়ে ওঠা কুমিল্লায়। ১৯৯৭ সালে খুব ছোটবেলায় বাবাকে হারান তিনি। মা আর ছোট বোনকে নিয়ে শুরু হয় এক কঠিন জীবনযুদ্ধ। সংসারের হাল ধরতে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালীন ৩০০ টাকা বেতনে শুরু করেন টিউশনি। পড়াশোনার পাশাপাশি কখনো এনজিওতে কাজ করেছেন, কখনো কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়িয়েছেন, আবার কখনো দর্জির কাজ করে চালিয়েছেন সংসারের চাকা। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও পড়াশোনা থামাননি। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে সমাজকর্মে উচ্চশিক্ষা শেষ করে ২০১৪ সালে আসেন ঢাকায়। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর টেলিভিশন সাংবাদিকতার নতুন অধ্যায়।
উদ্যোক্তা হওয়ার ঝোঁক ও ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা
টেলিভিশন সাংবাদিকতা বাইরের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় মনে হলেও, ঢাকার আকাশছোঁয়া ব্যয়ের জীবনে টিকে থাকা ফারজানার জন্য ছিল এক নীরব সংগ্রাম। বাড়তি আয়ের আশায় ২০১৮ সালে ‘টুশিস কিচেন’ নামে ফুডপান্ডার মাধ্যমে খাবার সরবরাহ শুরু করেন তিনি। এরপর ‘ফেরিওয়ালা’ নামে একটি অনলাইন পেজ খুলে জামদানি শাড়ি ও রুহিতপুরের লুঙ্গি বিক্রি করতেন।
কিন্তু শাড়ি–লুঙ্গির ব্যবসায় নিজেকে ঠিক মানিয়ে নিতে পারছিলেন না ফারজানা। সাংবাদিকতার ব্যস্ত শিডিউলের কারণে শাড়ির সূক্ষ্ম খুঁটিনাটি—যেমন কুঁচি কিংবা ব্লাউজ পিস সম্পর্কে তাঁর ধারণা ছিল সীমিত। ক্রেতাদের নানা কারিগরি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে না পেরে তিনি দ্রুতই একটি বড় সত্য উপলব্ধি করেন, যে পণ্য সম্পর্কে নিজের গভীর আবেগ বা পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই, সেখানে সফল হওয়া অসম্ভব। এই উপলব্ধি থেকেই ২০১৯ সালে শাড়ির ব্যবসা গুটিয়ে নেন তিনি। তবে দমে যাননি, বরং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার শুরু করেন।
নদী থেকে ব্যবসায় ফেরা
সাংবাদিকতা করার সময় ফারজানা দীর্ঘদিন নদী দখল ও দূষণ নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন। এই কাজের সূত্রেই তিনি গভীরভাবে খেয়াল করেন, রাজধানীর বাজারে সাধারণ মানুষের জন্য ফরমালিনমুক্ত এবং নদীর তাজা মাছ পাওয়া কতটা দুঃসাধ্য। তিনি লক্ষ করেন, মূলত সঠিক সংরক্ষণের অভাব ও বিক্রেতাদের অসচেতনতার কারণে মাছের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। নাগরিক জীবনের এই বড় সংকটকেই তিনি নিজের নতুন সম্ভাবনায় রূপ দেন। বাজারব্যবস্থার এই ফাঁকটুকু পূরণ করার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৯ সালের মার্চে শুরু করেন মাছ নিয়ে তাঁর স্বপ্নের উদ্যোগ।
সফটওয়্যার প্রকৌশলী স্বামী যখন পাশে
বাঙালির চিরন্তন পরিচয় ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ ঐতিহ্যকে ডিজিটাল যুগে আরও সহজলভ্য করে তুলছেন এই দম্পতি। ব্যস্ত নাগরিক জীবনে নদী বা হাওরের টাটকা মাছ খুঁজে পাওয়া যখন দুষ্কর, তখন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরাসরি জলাশয়ের মাছ পৌঁছে দিতে কাজ করছেন ফারজানা আকতার ও তাঁর স্বামী সফটওয়্যার প্রকৌশলী তানভীর আজাদ। তাঁদের যৌথ প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে অনলাইন মাধ্যম ‘রিভার ফিশ’।
শুরু থেকেই ফারজানার উদ্যোগের সঙ্গে ছায়ার মতো ছিলেন তানভীর আজাদ। ফারজানা ঘুরে বেড়ান দেশের বিভিন্ন জেলায়, পরিচয় করিয়ে দেন বিল ও নদীর বিলুপ্তপ্রায় সব দেশি মাছের সঙ্গে। আর সেই মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দী করেন তানভীর। ২০২০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর তাঁদের এই পেশাদার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। বর্তমানে তানভীর তাঁর সফটওয়্যার প্রকৌশল জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ওয়েবসাইটের কারিগরি দিকগুলো সামলাচ্ছেন।
তানভীর আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা মূলত নদী, হাওর, বিল এবং সমুদ্রের প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা মাছ সংগ্রহ করি। আমাদের লক্ষ্য হলো মাছের কৃত্রিমতা দূর করে একদম টাটকা স্বাদ গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া।’ তাঁদের সংগ্রহে রয়েছে হাওরের মাছ, ধনু নদীর পাঁচমিশালি মাছ, বাতাসি, গুতুম, বিলের দেশি কই, মাগুর ও শোল। নদীর কাজলি, মধু টেংরা, পাবদা এবং বড় আকারের কাতল, কোরাল। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে আছে কাপ্তাই লেকের পাবদা, হাকালুকি হাওরের বড় মাছ, সুনামগঞ্জের কালো চিংড়ি, প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা গলদা ও ডিমা চিংড়ি।
মাঝরাতে আড়তে আড়তে
ব্যবসা শুরুর আগে ফারজানা একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নেন—তাঁকে আগে মাছ চিনতে হবে। এই সংকল্প থেকে টানা তিন মাস তিনি গভীর রাতে চষে বেড়িয়েছেন রাজধানীর কারওয়ান বাজার কিংবা যাত্রাবাড়ীর বড় বড় মাছের আড়ত। একজন নারীর জন্য রাত ২টা বা ৪টার দিকে ওই পুরুষতান্ত্রিক পরিবেশে যাওয়াটা ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। কিন্তু অভিজ্ঞতাটা ছিল একেবারেই ভিন্ন ও ইতিবাচক। সেখানকার তথাকথিত ‘অশিক্ষিত’ শ্রমিক ও মহাজনেরা তাঁকে দেখে কটু কথা বলা তো দূরের কথা, বরং পরম মমতায় মাছ চিনতে সাহায্য করেছেন। ফারজানা আকতার স্মৃতিচারণা করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে দেখে আড়তদারেরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করতেন আপা, এত রাতে এখানে কী করেন? আমি যখন বলতাম মাছের ব্যবসা করার জন্য মাছ চিনতে এসেছি, তাঁরা দারুণ উৎসাহ দেখাতেন। বলতেন, আসেন আপা আপনাকে মাছ দেখাই। কাদা-পানিতে মাখামাখি সেই ভিড়েও কেউ আমাকে ধাক্কা পর্যন্ত দিত না। উল্টো মহাজনেরা যত্ন করে শিখিয়ে দিতেন কোন মাছ কোন জেলা বা কোন নদী থেকে এসেছে।’
সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা যখন ব্যবসায়িক কৌশল
একজন দক্ষ সাংবাদিকের গবেষণার অভ্যাসকে ফারজানা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন তাঁর ব্যবসায়। মাছের সঠিক উৎস নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ করতেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে। এমনকি কোনো নির্দিষ্ট মাছ কোন জনপদে ভালো পাওয়া যায়, তা জানতে সাহায্য নিয়েছেন বাংলাপিডিয়ারও। মাছ যেন ঢাকায় আনার পথে গুণগত মান না হারায়, সে জন্য জেলেদের কাছ থেকে শিখে নিয়েছেন প্যাকিংয়ের বিশেষ কৌশল। মাছের খোঁজে তিনি ছুটে গিয়েছেন দেশের নানা জেলার নদী, খাল আর বিলের পাড়ে।
সাফল্যের জয়গান
শুরুর পথটা ফারজানা পাড়ি দিয়েছেন একদম একা। সারা দিন অফিস করে রাতে নিজেই ক্রেতাদের বার্তার উত্তর দিতেন। ২০১৯ সালের আগস্টে মাত্র দুজন কর্মী নিয়ে শুরু হওয়া সেই ছোট উদ্যোগটি আজ ডালপালা মেলে বিশাল মহিরুহে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে তাঁর প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন ৭০ জন কর্মী। ২০২০ সালে করোনা মহামারির কঠিন সময়ে যখন চারদিকে কর্মসংস্থানের সংকট, তখন ফারজানা সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। সাংবাদিকতার পেশা ছেড়ে পূর্ণকালীন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মনিয়োগ করেন নিজের প্রতিষ্ঠান ‘রিভার ফিশ’-এ। দেশ ছাড়িয়ে প্রবাসেও তারা জায়গা করে নিয়েছে।
বিদেশে অবস্থানরত অনেক বাংলাদেশিই দেশের মাছের স্বাদ মনে মনে খোঁজেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক ভ্রমণে কাঁচা মাছ বহন করা বেশ ঝক্কির ব্যাপার। এই সমস্যার সমাধানে ‘রিভার ফিশ কিচেন’ চালু করেছে এক অভিনব সেবা। তারা গ্রাহকের পছন্দ অনুযায়ী মাছ ঐতিহ্যবাহী বাঙালি স্বাদে ভেজে এমনভাবে প্যাকিং করে দেয়, যা প্রবাসীরা সহজেই সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারেন। এ ছাড়া তারা বিমানবন্দরে সরবরাহের সুবিধাও প্রদান করে থাকে। শুধু মাছই নয়, রিভার ফিশে পাওয়া যাচ্ছে গ্রামের দেশি মুরগি, হাঁস এবং প্রি-অর্ডারের মাধ্যমে খাসির মাংস। যাঁরা শুঁটকিপ্রেমী, তাঁদের জন্য রয়েছে কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত চ্যাপা শুঁটকি, নিরাপদ ছুরি ও লইট্টা শুঁটকি ইত্যাদি।
ফারজানা আকতার প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিজেকে কেবল “নারী” ভাবলে চলবে না, ভাবতে হবে মানুষ হিসেবে। জীবনের যেকোনো পরিস্থিতিতে আত্মবিশ্বাস থাকলে সব বাধা জয় করা সম্ভব।’ ফারজানার এই দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প আর রিভার ফিশের সাফল্য এখন অসংখ্য নারীর জন্য সাহসের উৎস। বর্তমানে তিনি নতুন নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজ করছেন; প্রশিক্ষণ আর ক্ষুদ্র বিনিয়োগের মাধ্যমে তাঁদের স্বাবলম্বী করে তোলাই এখন তাঁর লক্ষ্য।
![]() |
| ফারজানা আকতার। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো: আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী চন্দনা
আজ সন্ধ্যায় ফেরদৌস আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘খবরটা শুনে খুশি হলাম। বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো। পুরস্কারটা নিজে হাতে নিতে পারলে খুশি হতো। বাচ্চুর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আছে। দেরিতে হলেও পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’
২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মারা গেছেন আইয়ুব বাচ্চু। তাঁর মৃত্যুর পর আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা ফেরদৌস আক্তার বলেন, ‘সবার দোয়া চাই। আমরা তার রেখে যাওয়া কাজ যেন শেষ করতে পারি।’
আইয়ুব বাচ্চুর নাম জড়িয়ে থাকা ব্যান্ড এলআরবিও তাঁকে স্মরণ করেছে। এক ফেসবুক পোস্টে ব্যান্ডটি লিখেছে, ‘এটি শুধু একজন শিল্পীর সম্মাননা নয়, এটি বাংলা সংগীতের প্রতি তাঁর আজীবন সাধনা, সততা ও সাহসী সৃজনশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
‘গিটার হাতে তিনি যে ভাষায় গান করেছেন, তা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রেম, প্রতিবাদ, স্বপ্ন আর জীবনের গল্প তিনি সুরে সুরে বলে গেছেন অক্লান্তভাবে।’
এলআরবির ভাষ্য, ‘আইয়ুব বাচ্চু আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর গান আমাদের রক্তে, আমাদের স্মৃতিতে, আমাদের চলার পথে বেঁচে থাকবে চিরকাল। একুশে পদক সেই চিরজীবী সুরেরই প্রাপ্য সম্মান।’
এ বছর আইয়ুব বাচ্চুসহ দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। বাকিরা হলেন ববিতা, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, মেরিনা তাবাশ্যুম, ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিক শফিক রেহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, তেজস হালদার যশ ও অর্থী আহমেদ। আর প্রতিষ্ঠানটি—ওয়ারফেজ।
![]() |
| আইয়ুব বাচ্চু ও ফেরদৌস আক্তার। ফেসবুক থেকে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদে নারায়ণগঞ্জে স্টার সিনেপ্লেক্সের পর্দা উঠছে
এই শাখায় মোট তিনটি হল রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হলের আসন ১৭৮টি করে, আরেকটি হলে থাকছে ৭৫টি আসন।
স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য এটা আমাদের ঈদ উপহার। বিশেষ করে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের জন্য এবারের ঈদে এটা বাড়তি আনন্দ যোগ করবে বলে মনে করি। এখানকার দর্শকদের অনেক দিনের চাহিদা ছিল এটি। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শাখাটি চালু করতে পেরে আমরা সন্তুষ্টি বোধ করছি।’
মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, এই বছরের মধ্যে স্টার সিনেপ্লেক্সের আরও কিছু শাখা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বড় শহরগুলোর পর পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্টার সিনেপ্লেক্সকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
![]() |
| শহরের জালকুঁড়িতে অবস্থিত সীমান্ত টাওয়ারে শাখাটির পর্দা উঠবে। স্টার সিনেপ্লেক্সের সৌজন্যে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কার্বন ডাই–অক্সাইড থেকে তৈরি হবে ইলেকট্রো-বায়োডিজেল
নতুন এ পদ্ধতিতে কার্বন ডাই–অক্সাইড থেকে ইলেকট্রো-বায়োডিজেল তৈরির জন্য ইলেকট্রোক্যাটালাইসিস ব্যবহার করা হয়। এরপর বিশেষ ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ইলেকট্রনের অবস্থান পরিবর্তন করে কার্বন ডাই–অক্সাইডকে অ্যাসিটেট ও ইথানলে রূপান্তর করা হয়।
নতুন এ পদ্ধতি সয়াবিনভিত্তিক বায়োডিজেল উৎপাদন পদ্ধতির তুলনায় ৪৫ গুণ বেশি কার্যকর। শুধু তাই নয়, সয়াবিনভিত্তিক বায়োডিজেল উৎপাদন পদ্ধতির তুলনায় ৪৫ গুণ কম জায়গার প্রয়োজন হয়। জুল বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে এ গবেষণার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সারা বিশ্বে ডিজেলচালিত যানবাহন থেকে অনেক বেশি কার্বন নির্গমন হয়ে থাকে। এতে পরিবেশে কার্বন–দূষণ বাড়ছে। আর তাই এ সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। নতুন এ পদ্ধতি পরিবেশদূষণ কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: ইন্টারেস্টিং ইঞ্জিনিয়ারিং
![]() |
| ইলেকট্রো-বায়োডিজেল তৈরির নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1265)
-
▼
March
(202)
-
▼
Mar 28
(8)
- যুক্তরাষ্ট্রকে ‘খ্রিষ্টান রাষ্ট্র’ বানাতে কেন মরিয়...
- মডেলিং এজেন্ট ব্যবহার করে কীভাবে মেয়েদের ফাঁদে ফেল...
- মঙ্গল গ্রহের পরিবেশ কি পৃথিবীর মতোই ছিল by জাহিদ হ...
- কোটি কোটি টাকার বিমানে কেন স্মার্টফোন বন্ধ করতে বল...
- মাছ নিয়ে ফারজানার সফল উদ্যোগ, এখন কর্মী ৭০ by রাহি...
- বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো: আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী চ...
- ঈদে নারায়ণগঞ্জে স্টার সিনেপ্লেক্সের পর্দা উঠছে
- কার্বন ডাই–অক্সাইড থেকে তৈরি হবে ইলেকট্রো-বায়োডিজেল
-
▼
Mar 28
(8)
-
▼
March
(202)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...







