Sunday, September 29, 2019
উত্তর প্রদেশের রামপুর আসনে সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী হলেন ড. তাজিন ফাতেমা
![]() |
| ড. তাজিন ফাতিমা |
ড. তাজিন ফাতিমা বর্তমানে সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য এবং তাঁর মেয়াদ এখনও প্রায় দেড় বছর বাকি রয়েছে। কিন্তু সমাজবাদী পার্টির কাছে রাজ্যসভা আসনের চেয়ে রামপুর সদরের বিধানসভা আসনটি রাজনৈতিকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সেখান থেকে তাজিন ফাতেমাকে মনোনীত করা হয়েছে।
গত কয়েকমাস ধরে সমাজবাদী পার্টির সিনিয়র নেতা ও সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আজম খান কার্যত যোগী সরকারের টার্গেটে পরিণত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে ৮৫ টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে মহিষ চুরি, লুটপাট থেকে শুরু করে জমি দখলের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সমাজবাদী পার্টির নেতা মুহাম্মাদ আজম খান আজকাল বেশিরভাগ সময়ে রামপুরের বাইরে থাকেন। কিন্তু গত ঈদের সময়ে তিনি রামপুরে এসে গণমাধ্যমের সাথে কথোপকথনে বলেছিলেন, ‘রামপুরে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেজন্য রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে সরকার তাকে ভুয়ো মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছে।
সমাজবাদী পার্টির প্রধান ও উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবও দলীয় নেতা আজম খানের সমর্থনে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি আজম খানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন। রোববার সমাজবাদী পার্টি উত্তর প্রদেশে পাঁচটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে। সেখানে ১২ আসনে উপনির্বাচন হবে। আগামী ২১ অক্টোবর উপ-নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ হবে। ফল ঘোষণা হবে ২৪ অক্টোবর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তার ফাঁদে রাসেল by জাবেদ রহিম বিজন

তখনই থানার মুন্সির পদে থাকা রাসেলের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। কবিরের অভিযোগ এরপরই রাসেল ফুসলিয়ে তার স্ত্রী’র সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে বিয়ে করে ফেলে তাকে। এরপর তারা দু’জন শহরের কলেজপাড়ায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতে থাকে। প্রবাসে থাকাকালে কবির তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে ১১ লাখ ১৩ হাজার টাকা পাঠান। কবিরের অভিযোগ সেই টাকাও নিয়ে গেছে মুক্তা। কবির বলেন, তার স্ত্রী খুবই পর্দানশীল ছিলেন। তার সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে হোটেলে খাবার খেতে বসেও মুখের ওপর থেকে বোরকার কাপড় সরাতো না। কাপড় একটু উঠিয়ে এর নিচ দিয়ে খাবার খেতো। কিন্তু প্রবাসে থাকার সময় সেই স্ত্রীর বেসামাল অবস্থার ছবি পান দেশ থেকে। মুক্তা সিগারেট টানছে- এমন ছবি পাঠানো হয় তার কাছে। মদের বোতল বিছানায় ছড়ানো এমন ছবিও পাঠানো হয়। ফেসবুকের মাধ্যমেই এসব জানতে পারেন।
কবির জানান, তার শ্বশুর শহরের কান্দিপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। বিদেশে যাওয়ার সময় সেখানেই রেখে গিয়েছিলেন স্ত্রী-সন্তানদের। রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পর সে কান্দিপাড়া ছেড়ে কলেজপাড়ায় বাসা ভাড়া নেয়। তারা দু’জন স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া করে। সেখানে রাসেলের মা এসেও থাকতো। স্ত্রীর এই কাণ্ডকীর্তির খবর পেয়ে ১লা সেপ্টেম্বর দেশে ফিরেন কবির। এরপর ১৭ই সেপ্টেম্বর পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন এএসআই রাসেলের বিরুদ্ধে। তাতে বাসা ভাড়া নিয়ে রাসেল ও মুক্তা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ব্যভিচারে লিপ্ত বলে অভিযোগ করা হয়। এদিকে বিদেশ থাকাকালে গত ৫ই মে কবিরকে তালাক দেয় মুক্তা। তালাকের এই নোটিশ আগস্ট মাসে সৌদিতে তার কাছে পৌঁছে। এরইমধ্যে রাসেলকে বিয়ে করে ফেলে সে। এ বিষয়ে মুক্তা বলেন, আগের স্বামীর সঙ্গে তার গত ২ বছর ধরে বনিবনা ছিল না। রাসেল পারিবারিকভাবেই তার পরিচিত। তার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মানুষ নানা রটনা করে। সেই কারণেই রাসেলকে বিয়ে করেছেন তিনি।
সংসার করা এই বিয়ের উদ্দেশ্য নয় জানিয়ে মুক্তা আরো বলেন, যদি সংসার করার ইচ্ছে থাকতো তাহলে তার সঙ্গে নোয়াখালী চলে যেতাম। আমি তো জানি তার বউ-বাচ্চা আছে। তাছাড়া আমি যদি তার (কবির) সংসার না করি তাহলে আরেকজনকে বিয়ে করার অধিকার তো আমার আছে। রাসেল মিয়া বলেন, তিনি পরিস্থিতির শিকার। তার নাকি ফ্যামিলিগত ভাবে সমস্যা হচ্ছে। বিয়ে না করলে ঝামেলা হবে। সেইজন্য বিয়ে করতে হয়েছে। রাসেল কবিরের এক আত্মীয়ের কাছে কোর্ট ম্যারিজের কথা স্বীকার করে বলেন- চাপে পড়ে বিয়ে করেছেন। আমি চাইছিলাম না। বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে বিয়ে করেছে। ব্ল্যাকমেইলিং করেছে তাকে। রাসেলের এ ঘটনা পুলিশ মহলেও ব্যাপক আলোচিত। ঘটনা জানাজানির পর তাড়াহুড়ো করে সে এখান থেকে বদলি হয়ে যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন বলেন- সে এখান থেকে যাওয়ার পর ঘটনা শুনেছি। তবে এ ঘটনায় সে এখান থেকে তড়িঘড়ি বদলি হয়েছে তেমনটা আমার জানা নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবের বহু সৈন্য আটক করেছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা
কী প্রেক্ষাপটে এই হামলা?
![]() |
| উত্তর ইয়েমেনের অধিকাংশ অঞ্চলই হুতি বিদ্রোহীরা নিয়ন্ত্রণ করে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত: ইকোনমিস্টের মূল্যায়ন

পত্রিকাটি ঋণখেলাপিদের দেয়া সুবিধার কারণে ব্যাংকিং খাতের ওপর নানা অভিঘাত বিশ্লেষণ করে একটি সতর্ক উপসংহার টেনেছে। পত্রিকাটির কথায়, ‘যাই হোক না কেন, যদি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন না ঘটে এবং অর্থনীতির গতি নাটকীয়ভাবে মন্থর না হয়ে পড়ে, তাহলে আমরা বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে একটি পদ্ধতিগত সংকট আশা করি না।’ পত্রিকাটির আরেকটি মূল্যায়ন হলো, ‘আমরা আশা করি যে, সংস্কারের জন্য রেগুলেটরি এবং রাজনৈতিক পরিবেশ আগের মতোই প্রতিকূল থাকবে, আর সেটাই ব্যাংকিং খাতের স্বাস্থ্যের উন্নতিসাধন ঘটাতে পারে।
ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীল করতে অতীতের মতোই, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ‘রিক্যাপিটালাইজেশন’ এবং অধিকতর অ্যাডহক পদক্ষেপ প্রত্যাশিত।’ উল্লেখ্য, দি ইকোনমিস্টের এই প্রতিবেদনে নির্দিষ্টভাবে একটি বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘এটা উদ্বেগজনক যে, সরকার একটি আইন তৈরি করতে যাচ্ছে। এর আওতায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর (এসওই) ক্যাশ রিজার্ভে ঢুকতে সরকার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবে। ২০১৯ সালের মে মাসে এরকম ৬৮টি রাষ্ট্রীয় সংস্থার রিজার্ভ ছিল ২.১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২৪. ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আসন্ন আইনের অধীনে সরকার ওই অর্থের একটি বৃহৎ অংশই রাষ্ট্রের কোষাগারে নিয়ে আসতে পারবে। এই অর্থের সিংহভাগই বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকে ডিপোজিট রয়েছে। সুতরাং এরকম একটি ঝুঁকি রয়েছে যে, নতুন আইন ব্যাংকের জামানতের পরিমাণ আরো হ্রাস করার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। এভাবেই নতুন করে ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোর সামর্থ্য নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।’ পত্রিকাটির একটি নিজস্ব ইন্টেলিজেন্স ইউনিট রয়েছে। পত্রিকাটি তার প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বেসরকারি খাতের ক্রেডিট গ্রুথ বা ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ৮.২ ভাগ প্রবৃদ্ধি ধরে ১৪.৮ ভাগ টার্গেট করেছে। কিন্তু দি ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট মনে করছে, এই টার্গেটে ঘাটতি পড়বে। প্রবৃদ্ধি হবে ৭.৭ শতাংশ। পত্রিকাটি আরো জানাচ্ছে, ‘আমরা আশা করি যে, ঋণখেলাপিদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশই পুনঃতফসিলকরণের সুবিধা নেবেন। এটা এনপিএলের অনুপাত কমাবে। এর ফলে খেলাপি ঋণের ক্ষুদ্র অংশ পরিশোধের ফলে ব্যাংকের রাজস্ব সামান্য হলেও বাড়বে। ২০১৯ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এনপিএল অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। কারণ, গত জুলাইয়ে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ সুপ্রিম কোর্ট উল্টে দিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি দীর্ঘমিয়াদে ব্যাংকিং খাতের জন্য চ্যালেঞ্জ ডেকে আনবে।
কারণ, পুনঃতফসিল করা ঋণ অতীতের চেয়ে কম লাভজনক হবে। আর যেহেতু কম লাভজনক এই খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলকরণের আবর্তে টাকাটা আটকে থাকবে, আর তাই ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটে ভুগতে পারে। আর সেই কারণে অর্থনীতির অন্যান্য অংশে ঋণ সরবরাহে ব্যাংকগুলোর সামর্থ্য সংকুচিত হবে। দি ইকোনমিস্ট লিখেছে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছেই। তাই ঋণ প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হয়ে পড়েছে। সরকার সাম্প্রতিককালে যেসব নীতি নিয়েছে, তাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে ব্যাংকগুলোর ঋণ আদায়ের পরিস্থিতি উন্নত করে দিতে সহায়তা দেয়ার কোনো লক্ষণ ফুটে উঠছে না। রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য এনপিএল একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা তৈরি করে রেখেছে। গত তিন বছর ধরে এনপিএল-এর অনুপাত মোট ঋণদানের মধ্যে খেলাপি ঋণ ৯ শতাংশের উপরে রয়েছে। ২০১৯ সালের মে মাসে ব্যাংকিং খাতের ওপর চাপ কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক একটি অ্যামনেস্টি কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। এটা ঋণ খেলাপিদের ঋণ অত্যন্ত উদার নৈতিক শর্তে পুনঃতফসিল করার একটা সুযোগ দিয়েছে। ওই কর্মসূচির অধীনে তারা তাদের মোট ঋণের মাত্র ২ শতাংশ পরিশোধ করে পুনঃতফসিল করতে পারবে। আর বাদবাকি টাকা শোধ করতে ১০ বছর মেয়াদ বেঁধে দেয়া হয়। এর সঙ্গে রয়েছে এক বছরের গ্রেস পিরিয়ড। আর সর্বোচ্চ সুদের হার শতকরা ৯ ভাগ। এই কর্মসূচি ২০শে অক্টোবর শেষ হচ্ছে। সবশেষ প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জুনে মোট বকেয়া ঋণের মধ্যে ১১.৭ শতাংশ এনপিএল হিসেবে চিহ্নিত হয়। ২০১৮ সালের শেষে এই হার ছিল ১০.৩ ভাগ। ইকোনমিস্ট বলেছে, ‘ঋণ খেলাপিদের পুনঃতফসিলিকরণের সুবিধা দেয়ার পেছনে উদ্দেশ্য ছিল ঋণ গ্রহণকারীদের একটা স্বল্প মেয়াদে স্বস্তি দেয়া আর ব্যাংকগুলো যাতে দেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির জন্য ঋণ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পারে। কিন্তু এর সুবিধাটা বেশি পেলো ঋণ খেলাপিরাই। ইকোনমিস্টের রিপোর্টে আরো উল্লেখ করেছে যে, ‘বাংলাদেশি সরকারের কর রাজস্ব/জিডিপির অনুপাত ২০১৮-১৯ সালে ১১.৪ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। এটা এই অঞ্চলের মধ্যে সর্বনিম্নে। অবকাঠোমা প্রকল্প এবং অন্যান্য বিনিয়োগে সরকার ঋণ করতে বাধ্য হচ্ছে।’ ২০১৯-২০২০ সালে সরকার ব্যাংক থেকে ১২.৭ শতাংশ বেশি ঋণ করার পরিমাণ পূর্বাভাস করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনি হামলায় ৩ ব্রিগেড ধ্বংস, হাজার হাজার সৌদি সেনা আটক
শনিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, ইয়েমেন সীমান্তবর্তী সৌদি আরবের নাজরান শহরে ৭২ ঘণ্টাব্যাপী হামলাটি চালানো হয়। হামলায় ইয়েমেনের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো সমর্থন যুগিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হুতিরা সৌদি সেনাবাহিনীর বহু কর্মকর্তাসহ কয়েক হাজার সৈন্য, বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম এবং কয়েকশ সাঁজোয়া যান আটক করেছে। এসময় আগ্রাসী বাহিনীর শতাধিক সেনা হতাহত হয়েছে।আজ (রোববার) আরো পরে আটক সৌদি সেনাদের ছবি এবং ভিডিও ক্লিক আল-মাসিরা টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে বলেও তিনি জানান।
জেনারেল সারি বলেন, আটক সৌদি সেনা ও বিভিন্ন দেশ থেকে আনা তাদের ভাড়াটে সেনাদের সঙ্গে ইসলামি দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী আচরণ করা হচ্ছে। আটক হাজার হাজার সেনাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র বলেন, আটক সেনাদের সঙ্গে সর্বোচ্চ মানবিক আচরণ করা হবে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে তথ্য পাঠানো হবে। আটক সৌদি সেনাদেরকে সম্ভাব্য সৌদি বিমান হামলা থেকেও রক্ষা করা হবে বলে তিনি জানান।
ইয়াহিয়া সারি আরও বলেন, ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর কয়েকটি বিশেষ ইউনিট, সেনাবাহিনী ও তাদের মিত্ররা এলাকায় হামলা চালিয়ে নাজরানের কয়েকটি কয়েকশ’ বর্গকিলোমিটার এলাকার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে ইয়েমনে সৌদি আরব ও তার মিত্রদের নিষ্ঠুর সামরিক আগ্রাসন শুরু পর এটিকে ‘আল্লাহর দেয়া সবচেয়ে বড় জয়’ বলে অভিহিত করেছেন ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর এই মুখপাত্র।
এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের ‘আবকাইক’ ও ‘খুরাইস’ তেল শোধনাগারে ১০টি পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোনের সাহায্যে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। হামলার কারণে দিনে অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন ৫৭ লাখ ব্যারেল কমেছে, যা সৌদির মোট উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক। এমনকি সৌদি আরবের তেল উৎপাদন ও রপ্তানির ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনকে দমন করে পদত্যাগকারী প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় পুনর্বহাল করার লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৬ মার্চ দেশটিতে ভয়াবহ আগ্রাসন শুরু করে সৌদি আরব। গত প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে টানা বোমাবর্ষণ ও গণহত্যা চালিয়েও রিয়াদ তার একটি লক্ষ্যও অর্জন করতে পারেনি উল্টো হুথি আন্দোলনের সমর্থিত সেনাবাহিনীর পাল্টা হামলায় এখন রিয়াদ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
![]() |
| সৌদি আগ্রাসনে ধ্বংসস্তুপে পরিণত ইয়েমেনের একটি বাড়ি (ফাইল ছবি) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অচিরেই দেখতে পাবেন: রহস্যের কেন্দ্রে সম্রাট by শুভ্র দেব

সূত্র জানায়, কাকরাইলের অফিসে নিজেকে অনিরাপদ ভেবে গ্রেপ্তার এড়াতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ সভাপতি সম্রাট আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে লবিং করেছিলেন। সে চেষ্টায় তিনি ব্যর্থ হয়ে একজন প্রভাবশালী নেতার বাসায় গিয়ে আশ্রয় নেন। ওই নেতার বাসা থেকেই তাকে একটি সংস্থার হেফাজতে নেয়া হয় বলে আলোচনা রয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, কয়েকদিন ধরেই সম্রাট গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিলেন। গতকাল সোনারগাঁও হোটেলে একটি অনুষ্ঠানে সম্রাট গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন অপেক্ষা করুন যা ঘটে সবই গিগগিরই দেখবেন। আপনারা অনেক কিছুই বলছেন, আমরা যেটা বলছি সম্রাট হোক যেই হোক অপরাধ করলে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনবো। আমি এটা এখনও বলছি, সম্রাট বলে কথা না যে কেউ আইনের আওতায় আসবে। আপনারা সময় হলেই দেখবেন। তার এমন বক্তব্যের পর সম্রাটের গ্রেপ্তারের আলোচনা আরও তীব্র হয়। এদিকে যুবলীগের এই প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমেছে। প্রকাশ্য অস্ত্র উচিয়ে ক্যাডার বাহিনী নিয়ে চলাফেরা, অস্ত্রের মহড়া, খেলাধুলার ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনো চালানো, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, বিদেশে টাকা পাচার করে সেকেন্ডহোম, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ নানা অভিযোগ। গোয়েন্দাসূত্র থেকে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য পেয়ে যুবলীগ দক্ষিণের বেশ কয়েকজন নেতার প্রতি ক্ষুব্ধ হন। যুবলীগের দক্ষিণের কমিটিও ভেঙ্গে দেয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ১৮ই সেপ্টেম্বর থেকে মতিঝিলের ক্যাসিনো পাড়ায় অভিযান চালায় র্যাব। ওই দিনই গুলশানের বাসা থেকে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সম্রাটের বিষয়টি সামনে চলে আসে।
অভিযোগ আছে, র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ও বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার গুরু ছিলেন সম্রাট। খালেদের সকল অপকর্মের আশ্রয় দিতেন তিনি। খালেদের নেতৃত্বে যতগুলো ক্যাসিনো চলত তার প্রত্যেকটি থেকে ভাগ দিতে হতো তাকে। সূত্রমতে ঢাকার মতিঝিল, বনানী, উত্তরা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১৫টি ক্যাসিনো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করতেন সম্রাট। তিনি নিজে গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রিড়া চক্রে একটি ক্যাসিনো পরিচালনা করতেন। এসব ক্যাসিনো থেকে প্রতি রাতে সম্রাট নিতেন অর্ধকোটি টাকা। সর্বনিম্ন দুই লাখ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা করে নিতেন ক্যাসিনো থেকে। এরমধ্যে ভিক্টোরিয়া ক্লাব থেকে সম্রাট নিতেন চার লাখ টাকা, কলা বাগান ক্লাব থেকে দুই লাখ টাকা, সৈনিক ক্লাব থেকে চার লাখ টাকা, ঢাকা গোল্ডেন ক্লাব থেকে চার লাখ, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব থেকে ৫ লাখ, দিলকুশা ক্লাব থেকে চার লাখ, আরামবাগ ক্লাব থেকে তিন লাখ, ফুয়াং ক্লাব থেকে দুই লাখ, মোহামেডান ক্লাব থেকে পাঁচ লাখ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রিড়া চক্র থেকে পাঁচ লাখ, ইয়ংমেন্স ক্লাব থেকে চার লাখ, এজাজ ক্লাব থেকে তিন লাখ ও উত্তরা এলাকার দুটি ক্যাসিনো থেকে নিতেন চার লাখ টাকা।
সূত্র বলছে, দেশের বড় বড় জুয়াড়িদের কাছে তিনি ক্যাসিনো সম্রাট নামে পরিচিত। বিদেশের মাটিতেও তিনি ভিআইপি জুয়াড়ি হিসাবে পরিচিত। বিশেষ করে সাধারণ জুয়া খেলা থেকে ক্লাব ভিত্তিক ক্যাসিনো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সম্রাটের ভুমিকা অনেক।
সূত্র বলছে, সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় ক্যাসিনো হচ্ছে মেরিনা বে স্যান্ডস। এই ক্যাসিনোতে পশ্চিমা দেশের বাসিন্দারাও জুয়া খেলতে আসেন। আর এই ক্যাসিনোর ভিআইপি জুয়াড়ি হচ্ছেন ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাট। ভিআইপি জুয়াড়ি হওয়াতে সিঙ্গাপুরের একটি বিমানবন্দরে তাকে বিশেষভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়। বিমানবন্দর থেকে মেরিনা বে স্যান্ডস পর্যন্ত বিশাল প্রটৌকলে দেয়া হয়। সূত্র জানায়, সম্রাটের জুয়া খেলার সঙ্গী হতেন তার ভাই বাদল। এছাড়া খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, ডিএসসিসি কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা মোমিনুল হক সাঈদ, যুবলীগ নেতা আরমানুল হক আরমান ছাড়াও আরও কয়েকজন নামকরা জুয়াড়ি। গোয়েন্দাসূত্র বলছে, শুধু সিঙ্গাপুর না দুবাই মালেয়শিয়াও নিয়মিত যাতায়াত ছিল তাদের। এসব দেশে বস্তাভর্তি টাকা নিয়ে তারা জুয়া খেলতেন। এছাড়া সিঙ্গাপুর ও মালেয়শিয়া সম্রাট, খালেদ সেকেন্ডহোম করেছেন। এসব দেশে তাদের ব্যবসায়িক খাতেও বড় অংকের বিনিয়োগ আছে। তাদের ব্যবসায়িক পার্টনার হিসাবে আছেন কয়েকজন পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী। এদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান। টাকার ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি থেকে ভাগ দেয়া হত জিসানকে।
সূত্র বলছে, গণপূর্ত অধিদপ্তরে টেন্ডারবাজির সঙ্গেও জড়িত ছিলেন সম্রাট। খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীমকে টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার জন্য পর্দার আড়ালের নায়ক হিসাবে কাজ করতেন তিনি। মতিঝিল, গুলিস্তান, পল্টন, বায়তুল মোকাররম, হলিডে মার্কেট, ছাড়াও ফুটপাতে দোকানপাঠ বসিয়ে চাঁদা আদায়ের মূল হোতা ছিলেন সম্রাট। ফিতা দিয়ে ফুট মেপে মতিঝিল শাপলা চত্বর, সোনালী ব্যাংকের সামনে, আলিকো অফিসের আশেপাশে দোকানপাট বসানো হত। এসব দোকান থেকে দৈনিক চাঁদা তুলতো সম্রাটের ক্যাডার বাহিনী। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে একাধিকবার ফুটপাত অবমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হলেও সেই চেষ্টা বৃথা যায়। গুলিস্তান এলাকায় দিন রাতে তিন শিফটে দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায় করতো সম্রাট বাহিনী। এক স্থান থেকে দিনে তিনবার চাঁদা উঠত। এছাড়া স্থায়ীভাবেও কিছু দোকানপাট ছিল। একইভাবে পল্টন, বায়তুল মোকাররম, হলিডে মার্কেট থেকে চাঁদা তুলতো তার ক্যাডার বাহিনী। গত বছর চাঁদা দাবি করে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন দাতব্য প্রতিষ্ঠান কাকরাইলের আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের একটি ভবন নির্মাণের। এই দাতব্য প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহেনা নিজে দান করেন।
সম্রাটের চাঁদা দাবির পর প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ওই সময় কিছু দিন আত্মগোপনে ছিলেন সম্রাট। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশে সম্রাটের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সূত্র বলছে, খালেদা মাহমুদ ভূইয়া, মোহামেডানের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূইয়া ও টেন্ডার মুঘল জি কে শামীম রিমান্ডে সম্রাট সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। এছাড়া আরেক পলাতক ডন মুমিনুল হক সাঈদের বিষয়েও অনেক তথ্য এসেছে। সম্রাট এবং সাঈদকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করলে ক্যাসিনো জগতের আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি: -জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর অসন্তুষ্টি ব্যক্ত করে বলেন, এটি বাস্তবিকপক্ষেই দুঃখজনক যে রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধান না হওয়ায় আজ এই মহান সভায় এ বিষয়টি আমাকে পুনরায় উত্থাপন করতে হচ্ছে। ১১ লাখ রোহিঙ্গা আমাদের আশ্রয়ে রয়েছে। যারা হত্যা ও নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা প্রলম্বিত হয়ে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করেছে, কিন্তু মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও চলাফেরার স্বাধীনতা এবং সামগ্রিকভাবে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাও মিয়ানমারে ফিরে যায়নি। এই সমস্যার অনিশ্চয়তার বিষয়টি আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে অনুধাবনের অনুরোধ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সমস্যা এখন আর বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বাংলাদেশের সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বিষয়টি এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপরন্তু, ক্রমবর্ধমান স্থান সঙ্কট এবং পরিবেশগত অবক্ষয়ের কারণে এই এলাকার পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। রোহিঙ্গা ইস্যুকে মিয়ানমার এবং তাঁদের নিজস্ব জনগণের সমস্যা আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন একটি সমস্যার বোঝা বহন করে চলেছি যা মিয়ানমারের তৈরি। এটি সর্ম্পূর্ণ মিয়ানমার এবং তার নিজস্ব নাগরিক রোহিঙ্গাদের মধ্যকার সমস্যা।
তাদের নিজেদেরই এর সমাধান করতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সুরক্ষিত ও সম্মানের সঙ্গে স্বেচ্ছায় রাখাইনে নিজ গৃহে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করতে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের আলাপ-আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলেও বিশ্বকে জানান। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে রোহিঙ্গা সংকট ছাড়াও বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা মোকাবেলায় বিশেষ করে নিরাপদ অভিবাসন, উদ্বাস্তু সমস্যা, জলবায়ু পরিবর্তন, এসডিজি এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের বিষয়ে তার সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। বাঙ্গালীদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জনের প্রসঙ্গ আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী এবং তাদের স্থানীয় দোসরদের পরিচালিত গণহত্যায় ৩০ লাখ নিরপরাধ মানুষ নিহত এবং ২ লাখ নারী নির্যাতনের শিকার হন। আমাদের এই নির্মম অভিজ্ঞতাই সব সময় আমাদের নিপীড়িতদের পাশে দাঁড়াতে সাহস যুগিয়েছে। যতদিন পর্যন্ত আমাদের ফিলিস্তিনী ভাই-বোনদের ন্যায়সঙ্গত ও বৈধ সংগ্রাম সফল না হচ্ছে, ততদিন তাদের পক্ষে আমাদের দৃঢ় অবস্থান অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে শেখ হাসিনা তার ভাষণে বলেন, বাংলাদেশে আমরা মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে তা শুরু হতে যাচ্ছে। তার দর্শন ও চিন্তাধারার প্রতিফলন ঘটিয়ে আগামী বছর জাতিসংঘে আমরা এ উৎসব উদযাপন করতে চাই। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের গতিশীল নেতৃত্বের জন্য তার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের ভূমিকা অপরিসীম। আমরা শান্তির সংস্কৃতি ধারণাকে নিয়মিতভাবে উত্থাপন করে আসছি। সময়ের পরিক্রমায় বর্তমানে এটি জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিপাদ্যে পরিণত হয়েছে। এ মাসের শুরুতে এই সভাকক্ষেই কালচার অব পিস ঘোষণার ২০ বছর পূর্তি উদযাপনের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয়: এদিকে জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে বলেন, এতে মানুষের মনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। ফলে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একটি শক্তিশালী বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে জাতিসংঘের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা এর সংগঠন এবং সনদে বর্ণিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সদা প্রস্তুত। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী মোতায়েনে জাতিসংঘের আহ্বানে নিয়মিতভাবে সাড়া প্রদান করে আসছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। বৈশ্বিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে তুলতে জাতিসংঘ মহাসচিব গৃহীত উদ্যোগের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার ‘অ্যাকশন ফর পিস কিপিং’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা অন্যতম চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে ঐ উদ্যোগে সামিল হয়েছি। এছাড়া, ‘টেকসই শান্তি’-এর ধারণাগত কাঠামো প্রণয়নেও আমরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছি। তিনি বলেন, আমরা মনে করি, বহুপাক্ষিকতাবাদ বৈশ্বিক সমস্যা সমাধান এবং সর্বজনীন মঙ্গলের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। বিশ্বে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির জন্য জাতিসংঘই আমাদের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
ঢাকায় জলবায়ু কেন্দ্র স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে: ওদিকে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সদ্য সমাপ্ত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিট’র মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক যে কার্যক্রম গ্রহণের ঘোষণা এসেছে তা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের অংশ হিসেবে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়নকে আরও বেগবান করবে। ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স এন্ড অ্যাডাপটেশন’ সংক্রান্ত জোটের অংশীদার হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নানা বাধা-বিপত্তি ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ রূপান্তরযোগ্য এবং জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তি ও শস্য উদ্ভাবন করেছে এবং এ নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, অভিযোজন ও সহনশীলতার জন্য আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০ গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি অর্থ-প্রযুক্তিগত, সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। এতে খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ পানি, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই পরিবেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং সমপ্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপটেশন’ সভার ঘোষণা অনুযায়ী আমরা ঢাকায় একটি গ্লোবাল সেন্টার ফর অ্যাডাপটেশন’ স্থাপনের জন্য কাজ করছি, বলেন প্রধানমন্ত্রী। অভিবাসন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ, সুষ্ঠু ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন’ সফলভাবে গৃহীত হওয়ার পর, বাংলাদেশ এটি বাস্তবায়নের কার্যবিধি প্রণয়ন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ অভিবাসনের বিভিন্ন ইস্যুকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে অঙ্গীভূত করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারকে বৈশ্বিক সমস্যা আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মূলে রয়েছে জটিল ও সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র। জাতীয় পর্যায়ে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানবপাচার সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমপ্রতি মানবপাচার বিষয়ক ‘পালেরমো প্রোটোকল’-এ যোগদান করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তার দীর্ঘ ভাষণে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ফিরিস্তি বিশ্ববাসীর বিবেচনায় উপস্থাপন করেন। বলেন, এ কারণেই বাংলাদেশের মানুষ টানা তৃতীয়বারের মত তাকে সরকার গঠনের ম্যান্ডেড দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের ২১ দফার রাজনৈতিক অঙ্গীকার মূলত জনগণের কল্যাণের নিমিত্তে গৃহীত অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সমুদ্র সীমার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বাংলাদেশের জন্য সুনীল অর্থনীতি তথা ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনার আরেকটি নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে বলেও উল্লেখ করেন। দেশের ৯৩ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মূলনীতিকে উপজীব্য করে আমরা রূপপুরে আমাদের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছি। তিনি বলেন, পারমাণবিক শক্তির শান্তি ব্যবহারের প্রতি অঙ্গীকার মূলত পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানেরই বলিষ্ঠ প্রতিফলন। আমরা সমপ্রতি ২৬তম দেশ হিসেবে ‘ট্রিটি অন দ্যা প্রহিবিশিন অব নিউক্লিয়ার উইপন্স’ অনুস্বাক্ষর করেছি। শেখ হাসিনা তার ভাষণে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মানব সভ্যতার জন্য একটি শক্তিশালী জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় সকলকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিশংসন সংকট: নিজ দলের সমর্থন হারাচ্ছেন ট্রাম্প

লন্ডনভিত্তিক দ্য টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধীরে ধীরে প্রেসিডেন্টের সমর্থন থেকে সরে যাচ্ছেন তার সতীর্থরাই। শুক্রবার এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, অভিশংসন তদন্ত শুরুর পর থেকে জনসমর্থনও হারাচ্ছেন তিনি। মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষের সদস্যরাই তার বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
এই বিতর্কের শুরু হয় এক গোপন সংবাদদাতার (হুইসেলব্লোয়ার) অভিযোগকে ঘিরে। তিনি দাবি করেন, ২৫শে জুলাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রামপ। এক পর্যায়ে বাইডেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তথ্য খতিয়ে দেখতে চাপ দেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ইউক্রেনের তৎকালীন শীর্ষ প্রসিকিউটর একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করছিলেন। ওই প্রতিষ্ঠানের সদস্য ছিলেন বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। জো বাইডেন তখন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। ট্রামেপর অভিযোগ, নিজের ছেলেকে বাঁচাতে ওই প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করে তাকে পদচ্যুত করেন বাইডেন। তবে ওই সময় আরো বহু পশ্চিমা নেতা ওই প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে তার পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল। পরবর্তীতে তার জায়গায় আসা নতুন প্রসিকিউটর তদন্ত শেষ করেন। তদন্তে নির্দোষ প্রমাণ হয় হান্টার বাইডেন। ট্রামেপর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠার পর তার বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্ত চালু করে ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ। এক পর্যায়ে ট্রামপ- জেলেনস্কির ফোনকলের রেকর্ড প্রকাশ করে হোয়াইট হাউস। কিন্তু তাতে ট্রামপকে অভিশংসন করার মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে হুইসেলব্লোয়ার জানান যে, হোয়াইট হাউস ওই ফোনকলের রেকর্ড ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে। এতে ট্রামেপর প্রতি নতুন করে অবিশ্বাস সৃষ্টি হয় তার সতীর্থদের। এর মধ্যে শুক্রবার পদত্যাগ করেন ইউক্রেনে নিযুক্ত বিশেষ মার্কিন দূত কার্ট ভোলকার। তদন্তের আওতায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পমেপওকে সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে লিখিত নির্দেশ দিয়েছে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের তিন কমিটি। কমিটি আরো জানায়, তারা এই ঘটনায় আরো পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
এদিকে, অন্তত তিনটি জরিপে দেখা গেছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার অভিশংসন তদন্তকে সমর্থন করে। জরিপ সংগঠন পিবিএস/ম্যারিস্ট পরিচালিত এক জনমত জরিপে দেখা যায়, ফোনকলের তথ্য ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ ওঠার আগে ৪৯ শতাংশ অংশগ্রহণকারী তদন্তের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এর মধ্যে ৬ শতাংশ রিপাবলিকানও ছিল। আর তদন্তের বিপক্ষে ছিল ৪৬ শতাংশ।
রিপাবলিকান পার্টিতেও সমর্থন হারাচ্ছেন ট্রামপ। শুক্রবার রিপাবলিকান কংগ্রেসমেন মার্ক আমোদেই ট্রামেপর বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্তের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বলেছেন, এটা চলুক। দেখা যাক কী হয়। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান সিনেটর রিচার্ড বুরও। বৃহসপতিবার তিনি জানান, এ ব্যাপারে একটি স্বাধীন তদন্ত চালু করবে তার প্যানেল। সাবেক রিপাবলিকান সিনেটর জেফ ফ্লেক বলেন, গোপন ভোটের আয়োজন হলে অন্তত ৩৫ জন রিপাবলিকান ট্রামেপর বিরুদ্ধে ভোট দেবে। মধ্যপন্থি দুই রিপাবলিকান চার্লি ব্যাকার ও ফিল স্কট উভয়ে অভিশংসনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন। অপর এক রিপাবলিকান সিনেটর মিট রমনি জানিয়েছেন, ট্রামেপর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে সত্য ঘটনা সামনে আসা উচিত।
এই বিতর্কের মধ্যে শুক্রবার রাতে মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এক গোপন নথি প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, ট্রামপ ২০১৭ সালে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভকে বলেছিলেন যে, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের ব্যাপারে তিনি মোটেও উদ্বিগ্ন নন। কেননা, পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রও এমন কাজ করেছে। ওই খবর প্রকাশের পর ট্রামেপর ওপর চাপ আরো বেড়ে গেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনাস্থা ভোটের সম্মুখীন হতে পারেন বরিস জনসন

আর আপাতদৃষ্টিতে সেটা করার একমাত্র উপায় অনাস্থা ভোটে সরকারকে পরাজিত করে অস্থায়ী সরকার গঠন করা। লেবার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে চাইবে না। এদিকে, এসএনপি সমর্থন দিলেও জো সুইনসন নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটসরা করবিনকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে। হোসি এই ব্যাপারে বলেন, করবিনের বদলে যদি অন্য কাউকে সব দল সমর্থন দেয় তাহলে অবশ্যই তাকে সরকার গঠন করতে দেয়াটা ভালো হবে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে দ্বিতীয় বৃহত্তম দলকে সরকার গঠনের প্রথম সুযোগ দেয়াটাই যুক্তিযুক্ত। জো সুইনসন ও লিবারেল ডেমোক্রেটরা যদি চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকে তাহলে তাদের উচিত এসব রাজনৈতিক খেলা বন্ধ করে, বাকি সবার সঙ্গে মিলে কাজ করা। গত শুক্রবার এক টুইটে স্টার্জন জানান, তিনি জনসনের জায়গায় করবিনকে অস্থায়ী সরকার গঠনের সুযোগ করে দিতে ইচ্ছুক। বাকি দলগুলোর উদ্দেশ্যে এ বিষয়ে তিনি এই প্রস্তাবে সম্মতি জানান। অনাস্থা ভোট, ব্রেক্সিট পেছানোর খাতিরে একজন ব্যক্তিকে ঘিরে বিরোধী ঐক্য গঠন ও এরপর তাৎক্ষণিক নির্বাচন আয়োজন। তিনি আরো বলেন, কোনো কিছুই ঝুঁকিহীন নয়। কিন্তু জনসনের হাতে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট বা নিম্নমানের কোনো চুক্তির ক্ষমতা ছেড়ে দেয়াটা আমার কাছে ভালো বুদ্ধির কাজ বলে মনে হয় না। গত সপ্তাহে জনসন জানান, তিনি অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব মোকাবিলা করতে প্রস্তুত আছেন। যেকোনো বিরোধী দল চাইলে প্রস্তাব তুলতে পারে, তার সরকার ভোটের অনুমোদন দেবে। প্রসঙ্গত, ফিক্সড টার্ম পার্লামেন্ট অ্যাক্ট অনুসারে, কেবলমাত্র প্রধান বিরোধী দল অনাস্থা ভোটের প্রস্তাবে ভোটের অনুমোদন দিতে বাধ্য ক্ষমতাসীন সরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হুইপপুত্রের হুমকির অডিও নিয়ে তোলপাড়: মিথ্যা প্রমাণে ২০ কোটি টাকার চ্যালেঞ্জ! by ইব্রাহিম খলিল

জুয়া-ক্যাসিনোয় কলুষিত ক্রীড়া সংগঠন চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব জব্দ নিয়ে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ও নগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সমপাদক দিদারুল আলম চৌধুরীকে প্রাণনাশের হুমকিসহ কুরুচিপূর্ণ কথা বলার অভিযোগ উঠে শারুনের বিরুদ্ধে।
এই অডিও গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর হুইপপুত্র শারুন ভিডিও বার্তায় এটি মিথ্যা দাবি করে তার প্রতিবাদ জানান। আবার হুইপপুত্রের ভিডিওর প্রতিবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে অডিওটি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য পৃথকভাবে ২০ কোটি টাকার চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করেন দিদারুল আলম চৌধুরী।
এ বিষয়ে সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডির টাইমলাইনে একটি স্ট্যাটাসও দেন দিদারুল আলম চৌধুরী। দিদারুল আলম চৌধুরী লিখেন, শারুনের সঙ্গে কথোপকথনের অডিও রেকর্ডটি এডিট করা হয়েছে এমন দাবি তার। এতে নিশ্চিত হলাম যে, রক্ত তার নিজস্ব গতিতে চলে এটাই স্বাভাবিক। অডিও রেকর্ডে একটি শব্দও যদি এডিট করা হয়েছে প্রমাণ করতে পারলে আমি ১০ কোটি টাকার চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করলাম।
এছাড়া আমি তাকে বার বার কল করেছি বলে যে উক্তি করেছে সে উক্তির পরিপ্রেক্ষিতে বলছি, গত কয়েক বছরের মধ্যে তার সঙ্গে আমার মোবাইলে কথোপকথন হয়েছে- কললিস্ট থেকে এমন কিছু প্রমাণ করতে পারলে আরো ১০ কোটি টাকার চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করলাম। তিনি লিখেন, গত রোববার ওই কথোপকথনে শারুন বলেছিল, আংকেল আমাকে ফোন করতেন। আমি আমার মোবাইল সেটটি চুরি হওয়ায় তার নাম্বারটি হারিয়ে ফেলেছি বলে তাকে জানাই। যা ওই অডিও রেকর্ডের কথোপকথনে আছে। দিদারুল আলম টাইমলাইনে লিখেন, ১৯৮৪ সালের ২১শে জানুয়ারি আমার শিশুপুত্র মো. জাবের চৌধুরী ১ মাস ৭ দিন বয়সে মৃত্যুবরণ করলে তার দাফন সেরে আমি ক্রিকেট দল নিয়ে ফাইনাল খেলায় মাঠে নেমে বিজয় দিবস ক্রিকেটে চ্যামিপয়ন হয়েছিলাম।
গত শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ টুর্নামেন্ট চলাকালীন শামসুল হক চৌধুরীর ছেলে শারুনের সঙ্গে উপরোক্ত বিষয়ে আলাপচারিতায় সে বলে, আংকেল আমার জন্মও তো ১৯৮৪ সালে। ওই মুহূর্তে আমি তাকে বুকেজড়িয়ে ধরে আমার ছেলে বলে সম্বোধন করি।
মোবাইলে আলাপচারিতার বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠন ও বিভিন্ন জনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার চাপ সৃষ্টি করলেও ওই ছেলে সমপর্কটি মনে এনে কিছু করিনি এবং কাউকে করতেও দিইনি। আজ প্রমাণিত হলো যে, আমি ছেলের আদরে যতই দামি কোর্ট পরাই না কেন প্রতারকের রক্ত থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ও নগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সমপাদক দিদারুল আলম চৌধুরীকে প্রাণনাশের হুমকিসহ কুরুচিপূর্ণ কথা বলার অভিযোগ উঠে চট্টগ্রামের পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ শামসুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা চেয়ে গত ১৯শে সেপ্টেম্বর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি আবেদনও করেছেন ক্রীড়া সংগঠক দিদারুল আলম চৌধুরী।
অভিযোগে দিদারুল আলম চৌধুরী উল্লেখ করেন, তিনি আবাহনীর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সাল থেকে তাকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হলেও ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রাখা হয়। সেই হিসেবে প্রিমিয়ার ব্যাংক জিইসি মোড় শাখায় চট্টগ্রাম আবাহনী ফুটবল কমিটি নামে একটি যৌথ হিসাব খোলা হয়।
হিসাবের স্বাক্ষরকারী হিসাবে ক্লাবের মহাসচিব শামসুল হক চৌধুরী, ম্যানেজার সাইফুদ্দিনের পাশাপাশি দিদারুল আলমের স্বাক্ষর নেয়ারও কথা সব ধরনের লেনদেনে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তাকে অন্ধকারে রেখে ওই হিসাব থেকে টাকা পয়সা লেনদেন করা হচ্ছিল। সেজন্য দিদারুল আলম চৌধুরী এ মাসে অ্যাকাউন্ট বন্ধের আবেদন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সব ধরনের লেনদেন স্থগিত রাখে।
এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে শামসুল হকের ছেলে নাজমুল করিম শারুন গত ১৭ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে দিদারুলের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। কথা বলার এক পর্যায়ে বন্ধ হওয়া ব্যাংক হিসাব খুলে দিতে তিনি চাপ দিতে থাকেন। সেটা না মানলে প্রবীণ এ ক্রীড়া সংগঠককে হুমকি-ধমকিসহ অশ্রাব্য ভাষায় গালি দেন। এমনকি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় ‘চোয়ারাই দাত ফেলায় দিয়ুম’ (চড় মেরে দাত ফেলে দেব) এমন হুমকিও দেন। আর এ নিয়ে চট্টগ্রামের রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়।
এছাড়া চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডে জুয়া-ক্যাসিনো নিয়ে অভিযানের পর হুইপ শামসুল হক চৌধুরী ক্লাবে তাস খেলার পক্ষে মত দেন। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরশেনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। ফলে দলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উত্তাপ। এ নিয়ে হুহুপপুত্র শারুন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সমপাদক মফিজুর রহমান এবং নগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সমপাদক দিদারুল আলম চৌধুরীকে দায়ী করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মরণোত্তর দেহদান: অঙ্গীকারে সায় মেলে না পরিবারের by মরিয়ম চম্পা

এনাটমি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. হুমায়রা নওশাবা বলেন, নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুন মেনে মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সাক্ষর করতে হয়। মারা যাওয়ার পর ওই ব্যক্তির পরিবার যদি নিজ উদ্যোগে লাশ হস্তান্তর করেন তাহলে আমরা গ্রহণ করি। এসকল মৃতদেহ শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার কাজে ব্যবহৃত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শফিকুর রহমান বলেন, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বা পড়ালেখার জন্য মরণোত্তর দেহদান ধর্মে বৈধ বলে জানি। মৃতব্যক্তির শরীর এবং কঙ্কাল থেকে তারা যে শিক্ষা গ্রহণ করে এদিক থেকে দেহদান বৈধ। এতে করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে। আগে কিছু বিধি নিষেধ থাকলেও এখনতো একজন ব্যক্তির শরীরের অনেক কিছুই দান করা যায়। বিশেষ করে চক্ষু দান, অঙ্গদান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল করিম বলেন, আমাদের দেশে প্রথম দেহদান করেছিলেন, আরজ আলী মাতুব্বর। এরপর দেহদান করেছেন অধ্যাপক আহমেদ শরীফ, ড. নরেন বিশ্বাস প্রমুখ। এদের সকলের দেহদান করার অর্থটা হচ্ছে মৃত্যুর পরেও মানুষের কাজে লাগা। সবচেয়ে বড়কথা মেডিকেলের ছাত্রদের আগে লাশ কিনতে হতো। কিন্তু এখন যদি আমরা আমাদের মৃতদেহগুলো দেই তাহলে ছাত্রদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কাজে আসবে।
২০১৪ সালে বাংলাদেশে মরণোত্তর চক্ষু, অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও দেহদানের অঙ্গীকার করেছিলেন ২২ জন। মরণোত্তর অঙ্গ ও দেহদান উৎসাহিত করার জন্য ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা এ অঙ্গীকার করেন। দেশে একসঙ্গে এতো মানুষের অঙ্গ ও দেহদানের ঘটনা এটিই প্রথম।
কবি বেলাল মোহাম্মদ ছিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠকদের একজন। ২০১০ সালে স্বাধীনতা পদক পেয়েছিলেন তিনি। কেবল মুক্তিযুদ্ধ নয়, বিজ্ঞান, মানবতাবাদ আর যুক্তিবাদও ছিল তাঁর মানস গঠনের অনুপ্রেরণা। কবির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁর মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দান করা হয়।
কৃষক-দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর বরাবরই দুঃসাহসী, দুর্বিনীত মানুষ ছিলেন। আরজ আলী বিনা প্রমাণে কিছু মেনে নেননি, প্রশ্ন করেছেন, জানতে চেয়েছেন। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারীরাও যে প্রশ্ন করতে ভয় পেতেন, সে সব প্রশ্নগুলো তিনি করে গেছেন অবলীলায়। শুধু জীবিত অবস্থায় নিজেকে আর অন্যদের জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেননি। তিনি তাঁর মৃত্যুর সময়েও এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি তাঁর মৃতদেহ মানব কল্যাণে দান করার সিদ্ধান্ত নেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগে লেখা ‘কেন আমার মৃতদেহ মেডিকেলে দান করেছি’ শীর্ষক প্রবন্ধে তিনি বলেন ‘আমি আমার মৃতদেহটিকে বিশ্বাসীদের অবহেলার বস্তু ও কবরে গলিত পদার্থে পরিণত না করে, তা মানব কল্যাণে সোপর্দ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আমার মরদেহটির সাহায্যে মেডিকেল কলেজের শল্যবিদ্যা শিক্ষার্থীগণ শল্যবিদ্যা আয়ত্ত করবে। আবার তাদের সাহায্যে রুগ্ন মানুষ রোগমুক্ত হয়ে শান্তিলাভ করবে। আর এসব প্রত্যক্ষ অনুভূতিই আমাকে দিয়েছে মেডিকেলে শবদেহ দানের মাধ্যমে মানব-কল্যাণের আনন্দ লাভের প্রেরণা।’
আরজ আলী মাতুব্বরের মতো অধ্যাপক আহমদ শরীফও তাঁর মৃতদেহকে মেডিকেলে মানব কল্যাণে দান করে গেছেন। আরজ আলী মাতুব্বরের মৃতদেহ দানপত্রের মতো আহমদ শরীফের সম্পাদিত (মৃত্যুর চার-পাঁচ বছর আগে) তাঁর ‘অছিয়তনামা’ আর ‘মরদেহ হস্তান্তরের দলিল’ দুটিও বাংলা আর বাঙালির মুক্তবুদ্ধির ইতিহাসে অনন্য কীর্তি। সেখানে তিনি লিখেছিলেন ‘আমি সুস্থ শারীরিক এবং সুস্থ মানসিক অবস্থায় আমার দৃঢ় সঙ্কল্প বা অঙ্গীকার স্থির সিদ্ধান্ত-রূপে এখানে পরিব্যক্ত করছি। ‘মৃত্যুর পরে আমার মৃতদেহ চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের এনাটমি এবং ফিজিওলজি সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য ঢাকার ধানমন্ডিস্থ বেসরকারী মেডিকেল কলেজে অর্পণ করতে চাই।
‘মধ্যরাতের অশ্বারোহী’ খ্যাত সাংবাদিক ফয়েজ আহমদ মারা যান ২০১২ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি। জীবিত অবস্থায় তিনি জনকল্যাণে মরণোত্তর দেহ ও চক্ষু দানের ঘোষণা দিয়ে গিয়েছিলেন। ফয়েজ আহমদ মারা যাওয়ার পর প্রদীপ দেব তাঁর ‘ফয়েজ আহমদ: একজন মুক্তমনার প্রতিকৃতি’ শিরোনামের লেখাটিতে লিখেছিলেন,চিরকুমার ফয়েজ আহমদ ব্যক্তিগত সুখের কথা ভাবেন নি কখনো। সারাজীবন মানুষের জন্য গঠনমূলক কাজে ব্যস্ত থেকেছেন। সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করার জন্য চিরদিন সংগ্রাম করে গেছেন। মৃত্যুর পরেও মানুষেরই কাজে লাগিয়েছেন নিজের শরীর। চোখ দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন দু’জন মানুষের দৃষ্টি। তাঁর চেয়ে মুক্তমনা মানুষ আমরা আর কোথায় পাবো?
তিনদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ৪৩ বছর বয়সে ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর মারা যান গায়ক-সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরী। তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। সাংবাদিকতা আর গানের জগতের লোক ছাড়াও অনেকের কাছেই যিনি শুধু ্তুসঞ্জীবদা্থ নামেই পরিচিত ছিলেন। স্ত্রী প্রজ্ঞা নাসরিন শিল্পী ও মেয়ে কিংবদন্তীকে (৪) নিয়েই ছিল তাদের সংসার। দলছুটের এই জনপ্রিয় গায়ক সঞ্জীব চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার মৃতদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনাটমি বিভাগে শিক্ষার্থীদের গবেষণার কাজে দান করা হয়। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তার একটি কংকাল তৈরি করে ঢামেকের এনাটমি বিভাগে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। যেখানে বিভিন্ন সময়ে তার পরিবারের সদস্যরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসেন। দেখে আসেন তাদের প্রিয় মানুষটিকে।
বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়কে ২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার দিন রাতে অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনি খুন হন। বইমেলাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ৪২ বছর বয়সী ব্লগার অভিজিৎ রায়ের মরদেহ পরিবারের পক্ষ থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে দান করা হয়েছে।
গবেষণা থেকে জানা গেছে, মানুষের একটিমাত্র মৃতদেহের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে ২২ জন অসুস্থ মানুষ উপকৃত হতে পারে। আমেরিকান ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ এন্ড হিউম্যান সার্ভিসের দেয়া তথ্য মতে একটি মৃতদেহের অন্ততঃ পঞ্চাশটি অঙ্গকে নানাভাবে অন্য মানুষের কাজে লাগানো যায়। এ ছাড়াও মেডিকেলের ছাত্রদের জন্য মৃতদেহ উন্মুক্ত করবে ব্যবহারিকভাবে শরীরবিদ্যাশিক্ষার দুয়ার।
২০১৭ সালে চীনে ৫১৪৬টি মানব-অঙ্গদানের ঘটনা ঘটে এবং ১৬ হাজার অঙ্গ-প্রতিস্থাপন সার্জারি করা হয়। এর মধ্যে ৮৬ শতাংশ অঙ্গ নেয়া হয়েছে স্বেচ্ছায় দানকারীদের মৃত্যুর পর তাঁদের শরীর থেকে এবং বাকিগুলো সংশ্লিষ্ট রোগীদের স্বজনদের দান-করা। সারা বিশ্বে বছরে ৬০ থেকে এক লাখ অঙ্গ-প্রতিস্থাপনের ঘটনা ঘটে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১৭,০৮৫ জন চীনা মানুষ মরণোত্তর দেহ দান করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খাশোগি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার ও বিন সালমানের ভবিষ্যত

তবে একইসঙ্গে বিন সালমান জোর দিয়ে বলেছেন যে তিনি ওই দুঘর্টনা সম্পর্কে একবারেই জানতেন না। সৌদি ভিন্ন মতাবলম্বি সাংবাদিক,ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাশোগি ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর প্রশাসনিক কাজে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওই ভবন থেকে আর প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে আসতে পারেন নি। সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী একটি বিশেষ বিমানে ইস্তাম্বুলে গিয়ে জামাল খাশোগিকে হত্যা করার পর তার মৃতদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলে।
এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সৌদি সরকার এ পর্যন্ত চারটি কৌশল অবলম্বন করেছে। প্রথম কৌশলটি ছিল এই ঘটনার সাথে যে-কোনো প্রকার সম্পৃক্তি "অস্বীকার" করা।
দ্বিতীয় কৌশলটি ছিল, হত্যাকাণ্ডটি সৌদি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ঘটালেও এই অপরাধের সঙ্গে বিন সালমানসহ সৌদি কর্মকর্তাদের কোনো হাত ছিল না। আলে-সৌদের ওপর ব্যাপক আন্তর্জাতিক চাপের পরিপ্রেক্ষিতিই কৌশলটি গৃহীত হয়েছিল।
তৃতীয় কৌশলটি ছিল একটা ক্যাঙ্গারু আদালত গঠন করে খুনিদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দেওয়া।
চতুর্থ কৌশলটি স্বয়ং বিন সালমান গ্রহণ করেছেন। তিনি এই প্রথমবারের মতো খাশোগি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। এখন প্রশ্ন হল গত এক বছর ধরে যেই বিন সালমান খাশোগি হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব কোনোভাবেই গ্রহণ করেন নি তিনি এখন কেন তা মেনে নিলেন?
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এখন আর ধামাচাপা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেননা খাশোগি হত্যার যেসব তথ্যপ্রমাণ প্রকাশিত হয়ে পড়েছে সৌদি আরবের পক্ষে সেগুলো অস্বীকার করার কোনো পথ খোলা নেই। এখানে আসলে নতুন কিছু ঘটে নি। বিন-সালমানসহ সৌদি কর্তৃপক্ষ এর আগেও এই হত্যাকাণ্ডে সৌদি সরকারি কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে, এখনও করছে। তারপরও আনুষ্ঠানিকভাবে এর দায় মেনে নেয়ার একটা সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য আছে। সেটা হলো, সৌদি আরবের বাদশাহ হতে যাচ্ছেন বিন সালমান। তাই কিছু আর্থিক খেসারত দিয়ে হলেও নিজেকে সৎ ও দায়িত্বশীল হিসেবে প্রমাণ করে তাঁর চেহারাটাকে পূত-পবিত্র ও ভারসাম্যপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরতে চান।
আরও একটি কারণ হতে পারে ক্রাউন প্রিন্স বিন সালমান এই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যে সৌদি আরবেও অন্যান্য দেশের মতো এমন সব ঘটনা ঘটতে পারে যেসব ব্যাপারে সৌদি কর্মকর্তারা অবহিত নাও থাকতে পারেন।
এক বছর পর এই দায় স্বীকার করার অপর উদ্দেশ্য হলো নিজেকে এবং সৌদি শাসকদেরকে খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নির্দোষ হিসেবে তুলে ধরা। প্রকৃতপক্ষে বিন সালমান এভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। কারণ জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক আনিস কালামার কয়েক দিন আগেও বলেছেন, বিন সালমানসহ সৌদি সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তারা যে জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল তার অকাট্য তথ্য-প্রমাণ তার হাতে রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে গ্রামের সবাই খালি পায়ে থাকে by সাদ তারেক
তামিলনাড়ু রাজ্যের এক জঙ্গলের ছোট্ট পল্লী ভিলাগাবি। ১০০ পরিবারের গ্রামটি এখনও সেভাবে ভ্রমণপিপাসুদের নজরে আসেনি। পাশের কোদাইকানালে পর্যটকের ভিড় থাকলেও ভিলাগাবির বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য আড়ালেই পড়ে আছে। তবে এখানকার সব মানুষের খালি পায়ে থাকার গল্প শোনার পর ধীরে ধীরে ভ্রমণপ্রেমীদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে।
![]() |
| ভিলাগাবি গ্রামে যাওয়ার ট্রেকিংয়ের পথ |
৩০০ বছরের পুরনো এই গ্রামের বাসিন্দারা যুগের পর যুগ খালি পায়ে চলাফেরা করছেন। গ্রামে ঢোকার মুখেই বোর্ডে স্পষ্ট লেখা আছে– ‘অনুগ্রহপূর্বক পায়ের জুতা খুলুন।’ গ্রামের ভেতর একটু পরপরই মন্দির থাকায় তারা কেউ পায়ে কিছু পরেন না। আরামে চলার চেয়ে ঈশ্বরের প্রতি সম্মান দেখানোকে গুরুত্ব দেন তারা।
![]() |
| ভিলাগাবি গ্রামের মন্দির |
গ্রামে ঢুকতেই চোখে পড়বে মন্দির। তার অভ্যর্থনা পেয়ে ভেতরে একে একে পাওয়া যায় ২৫টি মন্দির। বাড়িগুলোর ফাঁকে ফাঁকে থাকা মন্দির আছে গ্রামের শেষ মাথা পর্যন্ত। তবে মন্দিরকে পূজা করলেও এই গ্রামের লোকজনের দুঃখ-কষ্টের শেষ নেই। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা গ্রামটি সব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
![]() |
| ভিলাগাবি গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য |
>>>সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্ষণ: 'নিজে ধর্ষিত হলাম, ভয় পাচ্ছি মেয়েদের নিয়েও'
![]() |
| সারাহ মিডগ্লে |
২০১০ সালে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন তিনি
ছোট সার্জারিও করাতে হয়েছে
সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ুর পরিবর্তনঃ পৃথিবীকে বাঁচাতে সময় আছে আর মাত্র দেড় বছর?
![]() |
| পৃথিবীকে বাঁচানোর সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে দ্রুত |
কেন আগামী ১৮ মাস এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ
কিন্তু সেই লক্ষ্যে কী পদক্ষেপ নিতে হবে
কিন্তু আশংকার কারণও কী আছে
![]() |
| কৃষির ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে জলবায়ুর পরিবর্তনের |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন রূপে কাজল আগরওয়াল

জন-কাজল ছাড়াও ‘মুম্বই সাগা’তে আরো অভিনয় করছেন সুনীল শেঠি, জ্যাকি শ্রফ, রোহিত রয়, সামির সনি, আমল গুপ্ত এবং প্রতীক বাবর। আগামী বছরের ১৯শে জুন সিনেমাটি মুক্তি পাবে। ছবিটিকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে মানছেন এ অভিনেত্রী। কাজল বলেন, এ ছবির গল্প অত্যন্ত চমৎকার। গ্যাংস্টার সিনেমা ‘মুম্বই সাগা’তে যুক্ত হতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত। এতে সঞ্জয় স্যার ও জনের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। মজার বিষয় হলো সিনেমাটিতে আমার চরিত্রের তিনিটি ধরন রয়েছে- কলেজ ছাত্রী, স্ত্রী ও শক্তিশালী নারী। এতে এক চরিত্রে তিন ধরনের ছাপ থাকায় আমি বেশ উপভোগ করছি। বরাবরের মতো এখানে হট কাজলকেই দেখতে পাবেন দর্শক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘উইঘুরদের নিয়ে চুপ কেন পাকিস্তান’ ইমরানকে কটাক্ষ

এর আগে সোমবার ইমরান খানের কাছে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, চীনের উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতন নিয়ে তিনি কী ভাবেন? কিন্তু ইমরান খান ওই প্রশ্নে উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানান। খান বলেন, চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। আর এ মন্তব্য করেই বিতর্কের মধ্যে পরেন তিনি। শুক্রবার ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে মুসলিমদের নিয়ে ইমরান খানের উদ্বেগের বিষয়ে অ্যালিস ওয়েলসকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, চীনের পশ্চিমাংশে মুসলিমদের আটক করে রাখা হয়েছে। আমি দেখতে চাই ইমরান খান সেটি নিয়েও একইরকম উদ্বেগ জানিয়েছেন। সেখানে কাশ্মীরের থেকে কয়েকগুণ বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও চীনে আটক কয়েক লাখ উইঘুর ও তুর্কিভাষী মুসলিমদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে কথা জানিয়ে অ্যালিসের প্রশ্ন, সেখানে কেন পাকিস্তান একটি কথাও বলল না?
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সব থেকে বড় অর্থনৈতিক অংশীদার চীন। বিশ্লেষকরা দাবি করে আসছেন, দেশটির শিনজিয়াং প্রদেশে অন্তত ১০ লাখ মুসলিমকে বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। তাদেরকে জোরপূর্বক চীনের সেক্যুলার ও কমিউনিস্ট চিন্তাধারায় প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। তবে এ নিয়ে কখনো উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়নি পাকিস্তানকে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের চীন কৌশলের ঘুঁটি নেপাল? by দিং গ্যাং

ভারত দখল করার পরই ব্রিটেন ধীরে ধীরে নেপালে তার উচ্চাভিলাষ সম্প্রসারণ করতে থাকে। ব্রিটেনের বৃহত্তর কৌশলগত লক্ষ্য ছিল চীনের তিব্বতে যাওয়ার পথ পাওয়া এবং এর মাধ্যমে রাশিয়ার আগে ভূমিটি দখল করে নেয়া।
তবে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী তিব্বত আক্রমণে তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে। কিং রাজবংশের (১৬৪৪-১৯১১) কেন্দ্রীয় সরকারের সমর্থন, হিমালয়ের ভূ-প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা ও ব্রিটিশ জাতীয় শক্তির পতনের কারণে শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশরা তিব্বত দখল করতে ব্যর্থ হয়।
১৯১৮ সালে শেষ হওয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ধীরে ধীরে ব্রিটেনকে ছাপিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ১৯২৩ সালে নেপাল-ব্রিটেন চুক্তি সই হয়, নেপালকে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ব্রিটেন।
ইতিহাসে নেপালের কৌশলগত অবস্থান দেখা যায়। বর্তমানে এটি চীনের কারণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, নেপালের নিকট প্রতিবেশী চীন এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি।
এর মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে (ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ) নেপালের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান হারে জোর দেয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত উপসহকারী মন্ত্রী ডেভিড জে র্যাঞ্জ ১৪ মে কাঠমান্ডুতে বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি থেকে নেপাল উপকৃত হবে। এই স্ট্র্যাটেজি অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করবে, যুক্তরাষ্ট্র ও নেপাল উভয়ের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
এখনকার দিনে যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিকে চীনকে টার্গেট করে বা চীনকে দমন করার উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করছে না। বরং দাবি করছে, যে এটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালক। কিন্তু বক্তব্য অবাস্তব বলে মনে হয়। এই কৌশলের একমাত্র ফলাফল হতে পারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো।
নেপাল কি এটাই চায়? দুই পরাশক্তি ভারত ও চীনের লাগোয়া নেপালের জরুরি প্রয়োজনের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র অবগত। কিন্তু নেপালের প্রয়োজনের আলোকে যুক্তরাষ্ট্র তার নীতি নির্ধারণ করছে না।
ভূ-রাজনৈতিক ভূমিকা বিবেচনা করলে বলতে হবে, নেপালের প্রয়োজন পরাশক্তিগুলোর মধ্যে আরো বেশি ভারসাম্য, এই পার্বত্য দেশটির উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে অনুকূল বহিরাগত রাজনৈতিক পরিবেশ। কিন্তু বর্তমানের দ্রুত বিশ্বায়নের মধ্যে সীমিত শক্তি দিয়ে নেপালের পক্ষে পরাশক্তিগুলোর মধ্যে এ ধরনের ভারসাম্য বিধান করা কঠিন হবে। দেশটি তার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনটিই গ্রহণ করতে পারে।
নেপালের জনমত সাধারণভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পুনঃনির্বাচন নিয়ে ইতিবাচক। তারা আশা করছে, মোদির নীতি অব্যাহত থাকতে পারে। এসব নীতির মধ্যে রয়েছে নেপালে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বিনিয়োগ, চীনের সাথে সম্পর্ক ক্রমাগত উন্নয়ন। উভয়টিই নেপালের জন্য কল্যাণকর।
আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চীনের উন্নয়নের ফলে অন্য কোনো শক্তিকে চীনের প্রভাব মোকাবিলায় কৌশলগত ব্যবস্থায় ঘুঁটি হিসেবে নেপালকে ব্যবহার করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
চীনের উন্নয়ন নেপালকে কল্যাণের অংশীদার করেছে। চীনা প্রস্তাবিত বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ দেশটির জন্য নজিরবিহীন সুযোগ নিয়ে এসেছে আশপাশের ও বিশ্বের সাথে একে সংযুক্ত করার মাধ্যমে। নেপাল এখন আর বদ্ধ ও গরিব দেশ থাকবে না, বরং পূর্ব, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াকে সংযুক্তকারী কেন্দ্রে পরিণত হবে।
গত ২০০ বছর ধরে ব্রিটশ উপনিবেশবাদীরা নেপালের দিকে চলছে, তাদের পরবর্তী টার্গেট চীনের তিব্বত। কিন্তু ৫০০ বছর ধরে চলা পাশ্চাত্যের সম্প্রসারণ এখন চিরদিনের মতো অবসান হতে শুরু করেছে। সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সমৃদ্ধ প্রতিবেশ সৃষ্টির চীনা নীতি নেপাল ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের জনগণকে তাদের জীবনমান উন্নয়রেনর এরা সুযোগ দেবে।
>>>গ্লোবাল টাইমস/সাউথ এশিয়ান মনিটর
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৮০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের একাংশ ডুবে যাবে সাগরে! -জলবায়ু নিয়ে নতুন রিপোর্ট

এতে বলা হয়, এতদিন সকল গবেষণা অনুযায়ী ২১০০ সালে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বৃদ্ধি পাবার কথা বলা হতো। তবে ওইসব গবেষণা ছিল একান্তই রক্ষণশীল। বাস্তবতা হচ্ছে কার্বন নিঃসরণের হার পরিবর্তন না হলে এই সময়ের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে ২ মিটারের মতো। ফলে বিশ্বজুড়ে তলিয়ে যাবে প্রায় ৮০ লাখ বর্গ কিলোমিটার। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের একটি বড় অংশও। কোটি কোটি লোককে এর ফলে বাড়িঘর ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে হবে। যে জায়গাগুলো পানির নিচে চলে যাবে তার অনেকগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ফসল ফলানো অঞ্চল, যেমন নীল নদের ব-দ্বীপ। মিশরের নীল নদ ব-দ্বীপ কৃষির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটিও তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর লেখকরা অবশ্য বলছেন যে, এমন পরিণতি এড়ানোর জন্য এখনো সময় আছে, যদি আগামী কয়েক দশকে কার্বন নির্গমন বড় আকারে কমানো যায়। গবেষকরা বলছেন নতুন জরিপে বলা হচ্ছে, ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে এখনকার চাইতে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতর, যদি কার্বন নির্গমন এখনকার হারেই চলতে থাকে তাহলে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বাড়বে ৬২ সেন্টিমিটার থেকে ২৩৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত। এর আগে ২০১৩ সালের রিপোর্টে বলা হয়েছিল সমুদ্রস্তরের উচ্চতা ৫২ থেকে ৯৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রীনল্যান্ড ও এ্যান্টার্কটিকায় বরফ গলার প্রক্রিয়ার অনেক দিকই তাতে অন্তর্ভুক্ত হয় নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একাধিক পরিচালকের ‘গিভ এন্ড টেক’এর প্রস্তাব নায়িকাকে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
September
(820)
-
▼
Sep 29
(20)
- উত্তর প্রদেশের রামপুর আসনে সমাজবাদী পার্টির প্রার্...
- মুক্তার ফাঁদে রাসেল by জাবেদ রহিম বিজন
- সৌদি আরবের বহু সৈন্য আটক করেছে বলে দাবি করেছে ইয়ে...
- বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত: ইকোনমিস্টের মূল্যায়ন
- ইয়েমেনি হামলায় ৩ ব্রিগেড ধ্বংস, হাজার হাজার সৌদি স...
- অচিরেই দেখতে পাবেন: রহস্যের কেন্দ্রে সম্রাট by শুভ...
- রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি: -জাতি...
- অভিশংসন সংকট: নিজ দলের সমর্থন হারাচ্ছেন ট্রাম্প
- অনাস্থা ভোটের সম্মুখীন হতে পারেন বরিস জনসন
- হুইপপুত্রের হুমকির অডিও নিয়ে তোলপাড়: মিথ্যা প্রমাণ...
- মরণোত্তর দেহদান: অঙ্গীকারে সায় মেলে না পরিবারের by...
- খাশোগি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার ও বিন সালমানের ভবি...
- যে গ্রামের সবাই খালি পায়ে থাকে by সাদ তারেক
- ধর্ষণ: 'নিজে ধর্ষিত হলাম, ভয় পাচ্ছি মেয়েদের নিয়েও'
- জলবায়ুর পরিবর্তনঃ পৃথিবীকে বাঁচাতে সময় আছে আর মা...
- তিন রূপে কাজল আগরওয়াল
- ‘উইঘুরদের নিয়ে চুপ কেন পাকিস্তান’ ইমরানকে কটাক্ষ
- যুক্তরাষ্ট্রের চীন কৌশলের ঘুঁটি নেপাল? by দিং গ্যাং
- ৮০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের একাংশ ডুবে যাবে সাগরে! -...
- একাধিক পরিচালকের ‘গিভ এন্ড টেক’এর প্রস্তাব নায়িকাকে
-
▼
Sep 29
(20)
-
▼
September
(820)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








