Saturday, May 5, 2018
রূপগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ চেষ্টা

শিক্ষার্থীর মা হাসি বেগম তার লিখিত অভিযোগে জানান, তার মেয়ে শারমীন আক্তার ফরিদা (১৪) স্থানীয় বরালু পাড়াগাও বাতেনিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে মাদ্রাসায় আসা-যাওয়ার পথে একই এলাকার হারিস মিয়ার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী ছেলে নাসিরসহ তার বাহিনীর সদস্য আতাবুদ্দিনের ছেলে উজ্জল এবং আবু বক্করের ছেলে আবু তালেব তাকে উত্যক্ত ও অশ্লীল ইঙ্গিত করতো। এছাড়া তারা তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে কুপ্রস্তাব দিতো। এ ঘটনা ফরিদা তার মাকে জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে উক্ত সন্ত্রাসীরা গত ৩রা মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে ফরিদা তার নিজ বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী তার ফুফুর বাড়ি যাবার পথে ৩ বখাটে মুখ চেপে তাকে অপহরণ করে। পরবর্তীতে তারা তাকে পার্শ্ববর্তী নির্জন টেকবাড়ির ঢালে নিয়ে হাত পা বেধে ফেলে। ফরিদার এসময় চিৎকার শুরু করে।
তখন গ্রামের লোকজন টের পেয়ে লাঠিসোটা নিয়ে তারা করে আহত ও বাঁধা অবস্থায় ফরিদাকে উদ্ধার করে। তারা যাতে এ ঘটনায় মামলা করতে না পারে সে জন্য সে রাতেই সন্ত্রাসীরা শিক্ষার্থীটির পরিবারকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলে। অন্যথায় তার দু ভাইকে হত্যা করে লাশ শীতলক্ষা নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দেয়। সেদিন রাতেই ধর্ষিতাকে নিয়ে তার মা অজ্ঞাতস্থানে চলে যায়। এই ঘটনার ৩ দিন শিক্ষার্থীর মা হাসি বেগম আজ শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে গোপনে রূপগঞ্জ থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, আমরা এ ধরণের সংবাদ পেয়ে বিভিন্নস্থানে খোঁজাখোঁজি করে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছি। তার পরিবারের পূর্ন নিরাপত্তার আশ^াস দিয়ে তাদের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করেছি। এরপর প্রয়োজনীয় আইনানুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাম্প্রতিক ইতিহাসের বীভৎস গণহত্যা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে আমিরাতের সৈন্যরা
![]() |
| আহমেদ ওবায়েদ বিন দাঘর |
সোমালিল্যান্ড উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত সোকোত্রা দ্বীপ ইউনেস্কোর স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য। প্রায় ৬০ হাজার মানুষের বসতির দ্বীপটিতে যুদ্ধ বিমান ও বড় সামরিক যান চলাচলের মতো তিন হাজার মিটার দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে। সোমালিল্যান্ডে একটি বাণিজ্যিক বন্দর স্থাপনে বিপুল বিনিয়োগের পর সম্প্রতি আমিরাত দাবি করে থাকে ৯৯ বছরের জন্য দ্বীপটি লিজ নিয়েছে তারা। সেখানে সামরিক কার্যক্রম চালানোর ঘোষণা দেয় আমিরাত।
আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত প্রেসিডেন্ট আবদ-রাবু মনসুর আল হাদী আমিরাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনে আদেন প্রদেশের গভর্নর আদারাস আল জোবাইদিকে বরখাস্ত করেন। এই বছরের মার্চে সৌদি নির্বাসিত প্রেসিডেন্ট আল হাদীর কাছে পাঠানো এক রিপোর্টে একটিভিস্টরা দাবি করেন আমিরাত সোকোত্রার সম্পদ ও দ্বীপটির দখল নেওয়ার চেষ্টা করছে। শুক্রবার সেখানে চারটি বড় সামরিক বিমান ও একশোরও বেশি সেনা মোতায়েন করেছে আমিরাত।
ইয়েমেনের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী আল বাকরি আনাদোলু এজেন্সিকে জানিয়েছেন, আরব সাগরের দ্বীপ সোকোত্রোর জনগণ ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন করে। তারা নিজেদের ভূমি রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার আমিরাতের সৈন্যরা সোকোত্রা দ্বীপে পৌঁছানোর দিনই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপটিতে সফরে যান প্রধানমন্ত্রী আহমেদ ওবায়েদ বিন দাঘর। সেখানে তাকে স্বাগত জানান হাজার হাজার দ্বীপবাসী। দ্বীপে আমিরাতে উপস্থিতির নিন্দা জানিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট আবদ-রাবু মনসুর আল হাদী ও অবিভক্ত ইয়েমেনের সমর্থনে স্লোগান দেয়। ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিওতেও স্থানীয়দের স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
বর্তমানে সৌদি নির্বাসিত প্রেসিডেন্ট আবদ-রাবু মনসুর আল হাদীকে ক্ষমতায় বসাতে গত তিন বছর ধরে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। ওই জোটের অন্যতম সহযোগি আমিরাত। আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে সোকোত্রো দ্বীপের দখল আমিরাতের সৈন্যরা নিয়ে নেওয়ার পর শুক্রবার সকালেই সেখানে সৌদি কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। সেখানে তারা ইয়েমেন ও আমিরাতের মধ্যকার বিরোধ নিস্পত্তিতে মধ্যস্ততা করবেন।
![]() |
| মানচিত্রে ইয়েমেনের সোকোত্রো দ্বীপ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাসফিয়া, আদনান এবং সমাজ by তুষার আবদুল্লাহ
![]() |
| শবেবরাতে স্কুলছাত্রী তাসফিয়ার সাথে -অতঃপর হত্যা |
সম্প্রতি সানশাইন গ্রামার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া হত্যা ঘটনায় মনে পড়লো পুলিশ কর্মকর্তাদের সেই উদ্বেগের কথা। সেদিনের সেই আড্ডায় ভয় ও উৎকণ্ঠা এসে ভর করেছিল আমরা যারা সন্তানের অভিভাবক তাদের সবার কাঁধে।
ঢাকায় আমরা উত্তরার কথা জানি। সেখানে কিশোর বয়সীদের একাধিক গোত্র আছে। এক দল, অপর দলের এলাকা দখলের জন্য রণসজ্জায় নেমে পড়ে পথে। এরাও উচ্চবিত্তের সন্তান। তবে বলে রাখা ভালো, সকল এলাকাতেই উচ্চবিত্তের সন্তানেরা টাকার বিনিময়ে নিম্নমধ্যবিত্ত বা বিত্তহীন পরিবারের ছেলেমেয়েদের দখলে রাখে। তাদের মাধ্যমেই মাদক কেনাবেচা হয়। অস্ত্রের জোগান আসে। কাউকে হত্যার জন্য ওই শ্রেণির সন্তানদের ব্যবহার করা হয়। যেন উচ্চবিত্ত রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরেই। শুধু উত্তরার কথা বলছি কেন, ধানমন্ডি, গুলশান, মীরপুর, ডিওএইচএস, বনশ্রী, বাড্ডা, পুরাতন ঢাকা- কোথায় ওদের এখন দেখা যায় না? এই বয়সী কিশোর তরুণদের উদ্ধত আচরণে কোণঠাসা সবাই। প্রকাশ্যে উদ্ধত আচরণ করে যাওয়ার পরও কেউ বাধা দেওয়ার সাহস দেখাতে পারছে না। দুই-একজন এগিয়ে গিয়েছিলেন, তাদের প্রাণ দেওয়ার কথাও সবার জানা। পুলিশ প্রশাসনও যেন অসহায়। কারণ এদের পেছনে বিত্ত, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব অসীম। ফলে এই অসীম অসুরদের সামনে সাহস করে দাঁড়াতে পারছে না কেউ।
গ্রীষ্মের ফুলের টানে ইদানিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যাওয়া হচ্ছে। বিকেলের দিকে যেদিন যাই, সেদিন ভয়ে বুক কেঁপে ওঠে। গর্জন করে মোটর সাইকেল ও গাড়ির যাওয়া আসা বুক কাঁপিয়ে দিয়ে যায়। বাহনের গর্জনের সঙ্গে আছে আরোহীদের বিভৎস চিৎকার। বাহন ছাড়াও যারা পথ চলছে তারাও এই বিভৎস উৎসবের বাইরে নয়। বয়সে সবাই বড় জোর কলেজ পড়ুয়া। অনেকের শিক্ষার সঙ্গে কোনও যোগাযোগই নেই। এদের কেউই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়। আশপাশের আবাসিক এলাকার। কিন্তু দিনের পর দিন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পরিবেশ দূষণ করে যাচ্ছে তারা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা কী করে, কেন এই তাণ্ডব সয়ে যাচ্ছে? কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন করেও সদুত্তোর পাইনি।
তাসফিয়ার আগেও অনেক নাম এসেছে। আমরা অনেক সন্তানকে হারিয়েছি। হারানোর জন্য সন্তানদের দায় যতো, তারচেয়ে বেশি দায় আমাদেরই, অভিভাবকদের। সন্তানের বন্ধু হচ্ছে কে, কারা? মুঠোফোনে, ইন্টারনেটে সন্তান কার সঙ্গে, কী নিয়ে ব্যস্ত থাকছে তা আমরা খেয়াল রাখছি কতটুকু? আমাদের সম্পদ, প্রতিপত্তি প্রকাশের বাহন বা মাধ্যম হিসেবে কি সন্তানদের ব্যবহার করছি? ব্যবহার করতে গিয়ে কিংবা ছাড় দিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত আর তাদের আয়ত্ত্বে রাখতে পারছি না। নিজ সন্তানদের কাছেই জিম্মি হয়ে পড়ছি। ভুল পথে গিয়ে সন্তানরা অপরাধী হয়ে উঠছে, যার পরিণামে তাদের গন্তব্য হচ্ছে মৃত্যু। তাসফিয়ার মৃত্যু রহস্যের পুরোটা এখনও উন্মোচিত হয়নি। আদনান কতটা জড়িত তাও চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি। তবে নবম শ্রেণির একটি মেয়ের ফেসবুক প্রেম, বন্ধুর সঙ্গে রেস্টুরেন্টে গিয়ে সময় কাটানো এবং আদনানের অস্ত্র মামলার আসামির সঙ্গে বন্ধুত্ব, কোনোটাই শিক্ষার্থী ও কৈশোর সুলভ নয়। এখানে এলোমেলো, অগোছালো ও অনিয়ন্ত্রিত কৈশোর এবং দায়িত্বহীন অভিভাবকত্বের ছায়া স্পষ্ট। তাই তাসফিয়ার মৃত্যু এবং আদনানকে ঘিরে থাকা সন্দেহের বলয়-কোনোটির দায় থেকেই সমাজের মুক্তি নেই।
![]() |
| তুষার আবদুল্লাহ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আমি গুরুতর অসুস্থ-কোর্টকে বলবেন’ -আইনজীবীদের খালেদা জিয়া

বিকাল ৪টায় পুরনো ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রবেশ করেন তার পাঁচ শীর্ষ আইনজীবী। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী সাক্ষাত শেষে বের হন ৫ টা ১০ মিনিটে। প্রতিনিধি দলে ছিলেনÑ এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, এডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান, সাবেক এটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। এর আগে শুক্রবার বিকালে খালেদা জিয়ার স্বজনরা কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বার কাউন্সিল নির্বাচন: প্রার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে আ.লীগ ও বিএনপির নির্দেশ by বাহাউদ্দিন ইমরান

আগামী ১৪ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে ভোট নেওয়া হবে।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোট নেওয়া হয় গত ২১ ও ২২ মার্চ। ২০১৮-১৯ সালের এ নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে ১০টি পদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিরাট জয় পায় বিএনপি সমর্থিত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবীদের নীল প্যানেল।
সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ৫৪ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন। পাশাপাশি সম্পাদক পদে নীল প্যানেল থেকে ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন ৪৪১ ভোট বেশি পেয়ে টানা ষষ্ঠবারের মতো বিজয়ী হন।
এছাড়াও নীল প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি, কোষাধ্যক্ষ, সহ-সম্পাদক ও সদস্য পদে চারজনসহ সংগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়লাভ করে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। অপরদিকে সাদা প্যানেল থেকে সহ-সম্পাদক ও সদস্য পদে বিজয়ী হন মাত্র তিনজন।
এ বিষয়ে বিএনপির প্যানেলভুক্ত বাংলাদেশে বার কাউন্সিল নির্বাচনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আমরা ঐক্যবদ্ধতার ভিত্তিতে করেছিলাম। তারই ফলে আমরা ঐক্যমতের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন করছি।’
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে নিজেদের ভরাডুবির পর গত ২৪ মার্চ বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য সচিবের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের কাছে তিনি ওই পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘সাংগঠনিকভাবে মনোনিত প্রার্থীরা জয়যুক্ত না হওয়ায় ব্যর্থতার দায় নিজের মনে করে সংগঠনের পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’
কিন্তু দলের সিনিয়র আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে পরাজিত দলীয় প্রার্থী ও দলের কনিষ্ঠ আইনজীবীদের অনুরোধে ব্যারিস্টার তাপস নিজ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এর কিছুদিন পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পরাজয়ের কারণ খুঁজতে ৫ সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি প্রায় ২০ জন আইনজীবীর সঙ্গে বৈঠক করে পরাজয়ের বেশ কিছু কারণ তুলে আনে।
এসব কারণের মধ্যে আছে— ‘আওয়ামী লীগের সিনিয়র আইনজীবীদের বিরোধিতা, নতুন আইন কর্মকর্তা নিয়োগে বিরূপ প্রভাব, অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইন কর্মকর্তাদের অতিমাত্রায় প্রচারণা, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী দুজনের ব্যক্তিগত সমস্যা, ভোটের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়, নির্বাচনি প্রচারণায় থাকা আইনজীবী নেতাদের সক্রিয় না থাকা এবং অন্য আইনজীবী নেতাদের ভূমিকা ও আঞ্চলিক ভোট ভাগাভাগি।’
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের রেশ কেটে যাওয়ার আগেই শুরু হয় বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের আমেজ। এ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী গণভবনে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তার দলীয় আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে বার কাউন্সির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে বলেন বলে আইনজীবীদের একাধিক সূত্র বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেন।
বার কাউন্সিল নির্বাচনকে ঘিরে প্রাধানমন্ত্রীর নির্দেশনা প্রসঙ্গে বার কাউন্সিল নির্বাচনের প্রার্থী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, “নির্বাচনকে ঘিরে তিনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) তেমন কোনও নির্দেশনা দেননি। তবে তিনি একটি বিষয় বলেছেন, ‘আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন। অন্তর্দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে, সবকিছু ভুলে গিয়ে আপনারা একত্রিত হয়ে নির্বাচন করবেন এবং বিজয় নিয়ে আসবেন।’”
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। আইনাঙ্গণে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের সফলতা ধরে রাখতে দলের উচ্চপদস্থ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে নিজেদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে খালেদা জিয়া নির্দেশ দিয়েছেন বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান।
একই বিষয়ে অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের দলীয় আইনজীবীদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়ে বেগম জিয়ার নির্দেশনা রয়েছে।’
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে পাওয়া তথ্যমতে, বার কাউন্সিল মূলত ১৫ সদস্যের কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার-১৯৭২’ অনুসারে প্রতি তিনবছরে একবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন হয়। এ নির্বাচনের মাধ্যমে ১৪ জন সদস্য নির্বাচিত হয়ে বার কাউন্সিল পরিচালনার দায়িত্ব পান। তবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে চেয়ারম্যানের পদ ছাড়া বাকি ১৪ পদে নির্বাচন হয়। এর মধ্যে আইনজীবীদের ভোটে সাধারণ আসনে সাতজন এবং আঞ্চলিকভাবে গ্রুপ আসনে সাতজন আইনজীবী সদস্য নির্বাচিত হন।
এবারের নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন ৪৩ হাজার ৭১৩ জন আইনজীবী। পরে নির্বাচিত ১৪ সদস্যের মধ্যে থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার মতামতের ভিত্তিতে একজনকে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টান পড়েছে রিজার্ভে

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৩০শে জুন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ২৯ লাখ (প্রায় সাড়ে ৩৩ বিলিয়ন) ডলার। মার্চে তা ৩ হাজার ১৯৩ কোটি ডলারে নেমে আসে। যদিও গত কয়েক বছর ধরে অব্যাহতভাবে রিজার্ভ বাড়ার রেকর্ড গড় ছিল। কিন্তু আমদানির পরিমাণ বাড়ায় সার্বিকভাবে চাপ বেড়েছে রিজার্ভে। যদিও দেশে প্রবাসীদের পাঠানো আয় তথা রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। একইভাবে কিছুটা বেড়েছে রপ্তানি আয়ও। তবে সন্তোষজনক নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০১৫ সালের ৩০শে মার্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ২৯৯ কোটি ডলার। ২০১৬ সালের ৩০শে জুন রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩ হাজার ১৩ কোটি ডলার। একইভাবে ২০১৭ সালের ৩১শে মে রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩ হাজার ২২৪ কোটি ডলার। গত বছরের ২১শে জুন রিজার্ভ রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৩০১ কোটি ডলার। এর পর থেকে বাড়া-কমার মধ্য দিয়ে গেছে রিজার্ভের পরিমাণ।
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান দুই খাত রেমিট্যান্স ও রপ্তানি। সামপ্রতিক সময়ে আমদানি যেভাবে বাড়ছে, রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় সেভাবে বাড়েনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রেমিট্যান্স কমে যায় সাড়ে ১৪ শতাংশ। অর্থবছরটিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। তবে চলতি অর্থবছরের নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৭৬ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় এটি ১৭ শতাংশ বেশি। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের আরেক খাত রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধিও অনেকটা শ্লথ। ২০১৬-১৭ অর্থবছর রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয় মাত্র ১.৭২ শতাংশ। ২০১৫-১৬ অর্থবছর ৩ হাজার ৪২৪ কোটি ১৮ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা সামান্য বেড়ে হয় ৩ হাজার ৪৮৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৭৯১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যদিও আমদানি ব্যয় বাড়ছে আরো বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আমদানি ব্যয় বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৫.৭৮ শতাংশ। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে খাদ্য (চাল ও গম) আমদানি বেড়েছে ২১২ শতাংশ। শিল্প স্থাপনের প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বেড়েছে ৩৫ শতাংশের মতো। জ্বালানি তেলের আমদানি বেড়েছে ২৮ শতাংশ এবং শিল্পের কাঁচামালের আমদানি বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশি। রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ড. জায়েদ বখত বলেন, আমদানি ব্যয় বাড়ার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা কমলেও ভয়ের কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু, মেট্রো রেলসহ বেশ কিছু বড় প্রকল্পের কাজ পুরোদমে চলছে। এসব প্রকল্পের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানিতে অনেক খরচ বাড়ছে। গত বছর বন্যায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় খাদ্যশস্য আমদানি অনেক গুণ বেড়েছে। এর কারণে রিজার্ভে কিছুটা চাপ পড়েছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মান অনুযায়ী, যেকোনো দেশে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমান রিজার্ভ থাকলেই তাকে নিরাপদ মাত্রা ধরা হয়। বাংলাদেশে বছরে গড়ে আমদানি ব্যয় হয় ৩৫০ কোটি ডলার। এ হিসাবে বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে ৮ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব নগ্ন দিবসের কাণ্ড

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাঁচার স্বপ্ন দেখছে নিতু by রাশেদ আহমদ খান

নিতুর পরিবার জানায়, পড়ালেখাসহ ছবি আঁকায় দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও সমবয়সী শিশুর সঙ্গে স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়নি সে। বাধ্য হয়ে তার পিতামাতা তাকে একটি প্রতিবন্ধী স্কুলে ভর্তি করেছেন। যদিও সে বিচার-বুদ্ধিতে স্বাভাবিক শিশুদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। দিনমজুর বাবা কামরুল হাসান ও মা জোসনা বেগমের সঙ্গে হবিগঞ্জের শায়েস্তানগরের একটি জীর্ণ বাসায় থাকে নিতু। ১১ বছর বয়সী এই শিশু দেখতে অনেকটাই প্রবীণদের মতো। এই বয়সেই সে মাথার চুল হারিয়েছে। ধীরে ধীরে পায়ের নখ পড়ে যাচ্ছে। শরীরের রগগুলো শক্ত হয়ে চামড়ার ওপর দিয়ে বেরিয়ে গেছে। সেই সঙ্গে শরীরের চামড়ায় পড়েছে বার্ধক্যের ছাপ। এরই মধ্যে শারীরিক নানা জটিলতায় ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট শিশু নিতু। চোখ, নাক দিয়ে পানি পড়াসহ ঘন ঘন জ্বরে ভুগছে শিশুটি। হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. কায়সার রহমান জানান, এ রোগে আক্রান্তদের গড় আয়ু মাত্র ১৩ থেকে ঊর্ধ্বে ১৫ বছর। বৃদ্ধদের মতোই নিতুকে সেবা করতে হবে। ক্রমেই শিশুটির জীবন আয়ু ফুরিয়ে যাবে। নিতুর মা জোসনা বেগম মানবজমিনকে জানান, জন্মের পর থেকে ৩ মাস পর্যন্ত দেখতে সুস্থ বাচ্চা মনে হতো। ৩ মাস পর হঠাৎ তার পায়খানা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকেই জ্বরসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। অন্য শিশুদের মতো নিতুও বড় হলেও দেখতে বৃদ্ধদের মতো হতে থাকল। তখন থেকে আত্মীয়-স্বজনসহ প্রতিবেশীরা আড় চোখে দেখতে শুরু করে। তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। ওর সঙ্গে সহজে মিশতেও চায় না। যখন সাত বছর বয়স তখন স্থানীয় হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর পর জানতে পারি নিতু প্রজেরিয়া নামক রোগে আক্রান্ত। এই রোগের কোন চিকিৎসা নেই। যতদিন সে বাঁচবে এভাবেই তাকে বাঁচতে হবে। আবেগ জড়িত কণ্ঠে তিনি জানান, মেয়েটিকে যখন সবাই অবজ্ঞা করে দূরে সরে যায় মা হিসেবে তখন খুব কষ্ট হয়। এ কারণে ওকে নিয়ে বাইরে বের হওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম। আর এ কারণে মেয়েটিও নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিল। নিতুর বাবা কামরুল হাসান মানবজমিনকে জানান, নিতুকে এতদিন আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা করিয়েছি। একবার ঢাকাও নিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। কিন্তু অর্থের অভাবে বেশিদিন চিকিৎসা করাতে পারিনি। সকলে সহযোগিতার হাত বাড়ালে আমার মেয়ের উন্নত চিকিৎসা করাতে পারব। আল্লাহ চাইলে আমার মেয়ে সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। হবিগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু জাহির জানান, আমি প্রাথমিকভাবে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করেছি। পরে সিভিল সার্জন প্রয়োজনে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে নিতুর উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে তার পরিবারের গৃহ নির্মাণের আর্থিক বরাদ্দ প্রদান করা হবে। জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবির মুরাদ জানান, আমরা সমাজসেবা ও প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে নিতুর চিকিৎসার জন্য অর্থ বরাদ্দ দেব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘প্রতিবাদ করেই যাবো, না হয় মরবো’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন, ‘ধর্ষণের পর হত্যা’

ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা সদর ডেইলপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্নের পর শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন মোহাম্মদ আমিন। তিনি বলেন, তাসফিয়ার গোপনাঙ্গে পাষণ্ডদের গণধর্ষণের ছাপ রয়েছে।
তিনি বলেন, আদনান মির্জা ও তার বন্ধুরা মিলে তাসফিয়ার ওপর গণধর্ষণ চালিয়েছে। এরপর তার বুকে, পিঠে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পরে অত্যন্ত গোপনে তাসফিয়ার লাশ পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের নেভালে ফেলে দিয়েছে।
তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিনের দেয়া তথ্যের সঙ্গে মিল রয়েছে সিআইডির প্রদত্ত সুরতহাল প্রতিবেদনেও। প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে তাসফিয়ার ওপর চালানো নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র। নিহত তাসফিয়ার পিঠজুড়ে রয়েছে অসংখ্য আঘাত। বুক ও সপর্শকাতর অঙ্গসহ সব স্থানেই আঁচড়ের দাগ রয়েছে। এ ছাড়া মুখমণ্ডল থেঁতলানো, চোখ দুটোও নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। নিহতের হাতের নখগুলোও ছিল নীলবর্ণ। সুরতহাল রিপোর্টের এ তথ্য প্রকাশ করেছেন পতেঙ্গা মডেল থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার।
তিনি জানান, তাসফিয়ার বয়স ১৫ বছর। চট্টগ্রাম নগরীর সানশাইন গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী। চট্টগ্রাম নগরীর ও আর নিজাম রোডে নাসিরাবাদ আবাসিক এলাকায় মা-বাবার সঙ্গে থাকে তাসফিয়া। তার বাবা মোহাম্মদ আমিন একজন সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী।
গত ২রা মে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের নেভালে ১৮ নম্বর ব্রিজের উত্তর পাশে পাথরের ওপর উপুড় হয়ে পড়ে থাকা তাসফিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে তার পরিচয় পাওয়া না গেলেও বুধবার দুপুরের দিকে থানায় এসে লাশ শনাক্ত করেন বাবা মোহাম্মদ আমিন।
বাবার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বুধবার রাতে তাসফিয়ার প্রেমিক আদনান মির্জা (১৬) কে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদনান মির্জা ও তার ৬ বন্ধুকে আসামি করে মোহাম্মদ আমিন পতেঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এর আগে তাসফিয়ার লাশ উদ্ধারের সময় সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন পতেঙ্গা থানার এসআই মোহাম্মদ আনোয়ার। আর যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন সিআইডি।
পতেঙ্গা থানার এসআই মোহাম্মদ আনোয়ার বলেন, লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সুমন মুর্শিদীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি টিম দীর্ঘ এক ঘণ্টা সময় নিয়ে ময়নাতদন্ত শেষ করেন। বৃহস্পতিবার বিকালে তাসফিয়ার লাশ তার বাবার হাতে তুলে দেয়া হয়। সন্ধ্যার দিকে লাশ নিয়ে টেকনাফে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে মোহাম্মদ আমিন। সেখানে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাতে হাজার হাজার মানুষের জানাজা শেষে তাসফিয়ার লাশ দাফন করা হয়।
তাসফিয়ার চাচা নুরুল আমিন বলেন, আদনান কথিত বড় ভাই ও তার তৈরি করা রিচকিডস গ্যাংয়ের সদস্যরাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় তারা হত্যা করে লাশটি সমুদ্র উপকূলে ফেলেছে, যাতে তাদের কেউ ধরতে না পারে। এরা শুধু একজন বা দু’জন নয়। এই গ্যাংস্টার গ্রুপের অনেক সদস্যই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। আদনানকে তিনি ঠান্ডা মাথার খুনি বলে মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ফেসবুকে পরিচয় থেকে আদনানের সঙ্গে তাসফিয়ার প্রেম গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানির পর তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন আদনানকে ডেকে শাসিয়ে দেয় এবং তাসফিয়ার পথ থেকে সরে যেতে কড়া নির্দেশ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আদনান তাসফিয়াকে গণধর্ষণের পর এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার বিকালে তাসফিয়া কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। পরে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে আমিন তার বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আদনানের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে। আদনান এ সময় নগরীর গোলপাহাড় মোড়ের চায়না গ্রিল রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পর বাসায় আসার জন্য তাসফিয়াকে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে দেয়ার পর কিছুই জানে না বলে জানান। পরে মঙ্গলবার রাতে আদনানকে অভিযুক্ত করে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আমিন।
এরপর পাঁচলাইশ থানা পুলিশ আদনানকে আটক করে নিয়ে এলেও এক ঘণ্টা পর তার সন্ত্রাসী দুই বড় ভাই ফিরোজ ও আকরাম চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এক নেতার প্রভাব খাটিয়ে আদনানকে ছাড়িয়ে নেয়। আর পরদিন বুধবার তাসফিয়ার লাশ পাওয়া যায় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে।
সুরতহাল রিপোর্ট ও তথ্য-উপাত্ত থেকে পুলিশ বুধবার রাতে আবার আদনানকে গ্রেপ্তার করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদনান ও তার ৬ বন্ধুর নামে থানায় হত্যা মামলা করে পুলিশ। এরপর সন্ধ্যায় আদনানকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেয়া হয়। সেখানে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হলেও আদালত ৬ই মে রোববার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে আদনানকে কারাগারে পাঠায় বলে জানান পতেঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, বুধবার দিনগত মধ্যরাতে নগরীর দক্ষিণ খুলশীর জালালাবাদ আবাসিক এলাকা থেকে আদনান মির্জাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দ করা হয়েছে মোবাইল ফোন সেট। তার মোবাইলের কললিস্ট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপসের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত আদনানের বন্ধুরা পলাতক রয়েছে।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ইস্কান্দর মির্জার ছেলে আদনান মির্জা। থাকে দক্ষিণ খুলশী এলাকায়। নগরীর বাংলাদেশ অ্যালিমেন্টারি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে সে। তার রয়েছে একটি কিশোর গ্যাং।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে ৩৫ বালুমহালের ইজারা নিয়ে ‘টালবাহানা’ by ওয়েছ খছরু

আবেদনকারী সংক্ষুব্ধ ঠিকাদার মশউদ আহমদ ২২শে এপ্রিল সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের কাছে যে আবেদন দিয়েছেন সেখানে তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে আগে আহ্বানকৃত টেন্ডার বাতিলের আবেদন জানিয়েছেন। ওই আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১০ই জুলাই সিলেটের জেলা প্রশাসক সিলেট সদর, গোলাপগঞ্জ, কানাইঘাট, বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, ফেঞ্চুগঞ্জ, বিশ্বনাথ গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের ১৫টি জলমহালের ইজারা আহ্বান করেন। ন্যূনতম ১৫ দিন সময়সীমা হাতে রেখে টেন্ডার জমার সুযোগ দেয়ার কথা থাকলেও ১৮ই এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেয়া হয়। এতে কাগজে-কলমে মাত্র সাতদিন টেন্ডার প্রচারণার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। এতে করে অনেক প্রথম শ্রেণির ঠিকাদাররা টেন্ডার প্রক্রিয়ার কোনো সুযোগ পাননি। পাশাপাশি অধিকতর কম প্রচারিত গণমাধ্যমে এই টেন্ডার আহ্বান করা হয়।
এদিকে, সিলেটের জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, মাত্র সাতদিনের ব্যবধানে যে টেন্ডার প্রক্রিয়ার আহ্বান করা হয়েছিল সেখানে মাত্র ৯টি বালুমহালকে টেন্ডারের প্রক্রিয়ায় আনা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া বাকি চারটি জলমহাল পড়েছে মামলার বেড়াজালে। ২২টি বালুমহালে কোনো আবেদনই পড়েনি। এ কারণে সিলেটের জেলা প্রশাসন থেকে বাদপড়া ওই বালুমহালের জন্য পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করার প্রস্তুতি চলছে।
আবেদনকারী সিলেটের জেলা প্রশাসনের তালিকাভুক্ত প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার মশউদ আহমদ গতকাল মানবজমিনকে জানিয়েছেন, মাত্র সাতদিনের প্রচারণায় যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে সেটিতে প্রশাসন ও বালুমহাল সিন্ডিকেটদের দুরভিসন্ধির বিষয়টি ফুটে উঠেছে। কোনো একটি পক্ষকে টেন্ডার পাইয়ে দিতে জেলা প্রশাসনের একশ্রেণির কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। মশউদ বলেন, দেশের কোনো বালুমহালে ১৫ দিনের আগে টেন্ডার জমা নেয়া হয় না। কিন্তু সিলেটে এবারের ব্যতিক্রম কার্যক্রম সব বৈধ ঠিকাদারকে মর্মাহত করেছে। বিষয়টি জানার পর তারা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আবেদন করেছেন। বিভাগীয় কমিশনার আগামী ৬ই মের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল্লাহ মানবজমিনকে জানিয়েছেন, অর্থবছর ধরে তারা টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্ত নিয়েই তারা সাতদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে টেন্ডার জমা দেয়ার তারিখ নির্ধারণ করেছে। যেসব বালুমহালে টেন্ডার জমা পড়েছে, সেগুলো তারা যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কাজ সমঝিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছেন। মামলা ছাড়া যেসব বালুমহালে কোনো টেন্ডার জমা পড়েনি সেগুলো তারা ফের গণমাধ্যমের মাধ্যমে টেন্ডার জমা দেয়ার নির্দেশ দেবেন। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েই এসব কিছু করছে। এখানে অভিযোগের কোনো সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন প্রশ্নে ঐক্যের আহ্বান ড. কামালের

সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে ঐক্যের ডাক দিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন, ঐক্যের ডাক আমরা দিয়ে রেখেছি। বদরুদ্দোজা চৌধুরী সাহেব আমি আমরা সবাই মিলে এই ডাক দিয়েছি। আসেন সবাই। সাত দফা সেখানে দেয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে সাতের মধ্যে আট হতে পারে। মূল কথাগুলো সবই আছে। তিনি আরো বলেন, আসুন, আমরা এটা নিশ্চিত করি যে, দলমত নির্বিশেষে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই, আমরা পাহারা দেই এবং বাইরে থেকেও দেখবে সবাই বলবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে হবে। আর সেই নির্বাচন ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো না। তিনি বলেন, কি লজ্জার ব্যাপার বাইরে থেকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বলে দিচ্ছে, এরকম নির্বাচন দেবেন না, দেবেন সুষ্ঠু নির্বাচন। আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের পক্ষে প্রহরীর ভূমিকা সারাজীবন রেখে এসেছি এবারো প্রহরীর ভূমিকা রাখার জন্য আপনারা এগিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, যে বাংলাদেশ আমরা একাত্তরে পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশকে নিয়ে আমরা আগামীতে এগিয়ে যাবো। জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করবে, সুশাসন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে, সংবিধানকে রক্ষা করবে। আর যারা দুর্নীতি করে, রাজনীতির নামে অন্য জিনিস করে তাদের ব্যাপারে জনগণ, রাষ্ট্র, দেশকে রক্ষা করবেন। কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রদের অভিনন্দন জানিয়ে আলোচনা সভায় ড. কামাল হোসেন বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ নেই। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাগ্রত হয়েছে। তাদের অভিনন্দন জানাই। সরকার জেনে নিক, এই দেশে স্বৈরাচার কোনোদিন টিকে থাকতে পারবে না, গণতন্ত্রের পরিবর্তে স্বৈরতন্ত্র কেউ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। এটা আমার বিশ্বাস। এটা আমরা একবার না বহুবার প্রমাণ করেছি। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভূমিকার বিষয়টি গতকাল আলোচনাসভায় স্মরণ করেন সমিতির সাবেক এই সভাপতি। তিনি বলেন, অন্তত বাংলাদেশের আইনজীবীরা একবার না বহুবার প্রমাণ করেছে যে, দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিবেককে জাগ্রত করা, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা, আন্দোলন করার ব্যাপারে আইনজীবীরা অগ্রণী, প্রসংশনীয় ভূমিকা রেখেছে। সেই জিনিসটি আমাদের মধ্যে আছে। সেই কারণে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আমরা সামনে দেখতে পাচ্ছি। তিনি বলেন, আমাদের অসাধারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এর পূর্ব শর্ত হলো সুশাসন, আইনের শাসন, গণতন্ত্র। কেননা, জবাবদিহিতা যদি না থাকে, যদি পাইকারিভাবে চুরিচামারি হয়, যদি দুই নাম্বারি কায়দায় কন্ট্রাক্ট দেয়া হয়, বিভিন্নভাবে সরকারের যে ক্ষমতা এটা কোনো নীতির মধ্যে না থেকে যদি দুর্নীতির মধ্যে চলে যায়, দুঃশাসনের মধ্যে চলে যায়, দলীয়করণের মধ্যে চলে যায়, সবচেয়ে বড় রোগ আমাদের রাজনীতিতে ঢুকেছে। তা হলো দলীয়করণ।
২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের পর একটি অংশগ্রহণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বর্তমান সরকার রক্ষা করেনি এমন অভিযোগ করে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ২০১৪ তে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের পর আমাকে আদালতের অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ডাকা হয়েছিল। আমি বললাম পেছনের দিকে না তাকিয়ে, তারা (সরকার) নিজেই বলেছে কিছুদিনের মধ্যে সবার সঙ্গে আলোচনা করে আরেকটা নির্বাচন দেয়া হবে। আমি আদালতকে বললাম এটা করতে পারলেতো আর কিছু বলার থাকে না। ওরা নিজেরাই যখন বলছে তখন সুন্দরভাবে হয়ে যাক। তিনি বলেন, ২০১৪ গেল, ১৫ গেল, ১৬ গেল, ১৭ গেল। নির্লজ্জায় এরা দাঁড়িয়েছে। লজ্জা নাই, দায়িত্ববোধ নাই, নীতি নাই, বিবেক নাই, কিচ্ছু নাই। তিনি বলেন, এরা আমাদের ওপর চাপিয়ে বসবে আর আমরা এটা মেনে নেব? চলেন আমরা জেলায় জেলায় মানুষকে জানাই একটা সুষ্ঠু নির্বাচন লাগবে। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র সিনহা ও আপিল বিভাগের সাবেক জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার পদত্যাগ প্রসঙ্গে ড. কামাল হোসেন বলেন, একজনের আড়াই মাস ছিল। সরকার কি রকম অনৈতিক কাজ করলো! ওনাকে অপমান করলো। সরিয়ে দিলো। এটা ওনার অপমান তো না, সারা জাতির অপমান হয়েছে। আমাদের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধানকে অন্যায়ভাবে এভাবে অপমান যারা করেছে তারা অসাংবিধানিক কাজ করেছে। আজকে হোক কালকে হোক তাদের বিচার হতে হবে। আমরা বিচার করা ভুলে গেছি বলে এই অন্যায় বার বার হচ্ছে। ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ের দিকে ইঙ্গিত করে ড. কামাল হোসেন বলেন, সাত জন বিচারপতি করলো (রায় দিলেন)। সাহস থাকলে বাকি ছয় জনকে বাদ দেয়া হচ্ছে না কেন? কোনো যুক্তি নাই। আমি বলি না যে তাদের বাদ দাও। কিন্তু এই সরকার কত অনৈতিক, কত নীতিহীন, কত স্বৈরাচার।
আলোচনায় অংশ নিয়ে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্ট্রি ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশে এখন ভেজাল গণতন্ত্র চলছে। আমাদের দেখতে হবে এই ভেজাল গণতন্ত্রের জন্য খায়রুল হকের (সাবেক প্রধান বিচারপতি) ভূমিকা কতটুকু। তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতি বাতিল করে ১৬ মাস পর রায় লিখলেন। আজকের ভেজাল গণতন্ত্রের শুরু সেখান থেকেই। তিনি বলেন, আজকে দেশে কঠিন পরিস্থিতি। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ড. কামাল হোসেনদের সামনে আসতে হবে। ভেজাল গণতন্ত্রমুক্ত দেশ প্রতিষ্ঠায় কামাল হোসেন, বি চৌধুরীদের দায়িত্ব আছে। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, প্রত্যেকটা জায়গায় দলীয় লেজুরবৃত্তির কারণে যারা কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করতে চায়, তাদের আমরা সফলতা এনে দিয়েছি। এতটা লেজুরবৃত্তি আগে কখনো ছিল না। এই লেজুরবৃত্তির কারণে এবং রাজনীতিতে অসমতার কারণে এখন সমাজ সাংঘাতিকভবে বিভাজিত। রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণেই এ বিভাজন। তিনি বলেন, যেসব দেশে বিভাজন শার্প হয় সেসব দেশে নির্বাচন হয় না, গণতন্ত্র থাকে না- এটাই সোজা কথা। তিনি বলেন, পেশাজীবীদের মধ্যে লেজুরবৃত্তি কিছুটা হলেও কমাতে হবে। কিছু কিছু জায়গায় নিজেদের স্বার্থেই ঐক্যমতে আসতে হবে। ড. শাহদীন মালিক বলেন, সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগে আইন হতে হবে, নীতিমালা দিয়ে হবে না। এই আইনের ব্যাপারে আমরা বিভাজনটা একটু কমাতে পারি কি না।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশে আইনের শাসন নেই। আর আইনের শাসন প্রতিবিধান করার মতো কোনো আইন নেই। তিনি বলেন, আজকের মূল দাবি হলো একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। বিএনপির পেশাজীবী নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, গণতন্ত্র যদি মনে করেন পাঁচ বছর পরে একটি ভোট। তাহলে আমি নাই। আপনারা বলেন, আপনারা একটা ভোট করবেন সমাজের পরিবর্তন ও গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপূর্ণ নিশ্চয়তা, অন্ন বস্ত্রের নিশ্চয়তার আন্দোলন যদি হয় তাহলে সেই লড়াইয়ে আমি নিঃশঙ্কচিত্তে, নিঃশর্তভাবে আমি আছি। সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ বলেন, পুরো সমাজকে যখন ভীতি গ্রাস করে তখন গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সুশাসন থাকে না। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার তার ক্ষমতা যতক্ষণ পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারছে না ততক্ষণ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, দেশ চলবে আইন অনুসারে এবং আইন প্রয়োগ হবে সমভাবে। কিন্তু আমরা আজকে যে বাংলাদেশ দেখি সেখানে গুমের বিচার দেখি না, ক্রসফায়ারের বিচার দেখি না, ব্যাংকলুটের বিচার দেখি না। তাহলে এখানে আইন কিভাবে প্রয়োগ হবে। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি সমস্ত জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। কিন্তু আজকে এত অন্যায়, এত অবিচার সবাই বলেন আজকে কত রকমের অন্যায় হচ্ছে কিন্তু কোন রাজনৈতিক, আইনজীবী ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সবাই মিলে, জনগণের ভোটে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে- কেন এ রকম হয় না। আমি মনে করি প্রকৃত ও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে বাংলাদেশের সংবিধানই থাকে না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই থাকে না। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুব্রত চৌধুরী, বাংলদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা খান প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাসিরনগরে অপহৃত শিশুর লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে: তাসফিয়ার বাবা by হুমায়ুন মাসুদ

এ ব্যাপারে তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন বলেন, ‘ওইদিন আদনান ফোন করে আমার মেয়েকে বাসা থেকে বের করেছে। তারা এক সঙ্গে রেস্টুরেন্টেও গিয়েছিল। আদনানই তার সহযোগীদের সহায়তায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’ আদনানের সহযোগীদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানান তিনি।
আদনানকে এ ঘটনার জন্য দায়ী করে তিনি আরও বলেন, ‘আমার সঙ্গে কারো শত্রুতা নেই। কারো সঙ্গে আমার কখনও দুই কথা হয়নি। আমার মেয়ের মৃত্যুর পেছনে আর কোনও কারণ থাকতে পারে না।’
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি ফিরোজ ও আসিফ মিজানের সঙ্গে কোনও দ্বন্দ্ব ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি তাদের চিনতাম না। ঘটনার পর আদনানকে ডেকে আনলে তারা তাকে ছাড়ানোর জন্য আসে। ওই দিন প্রথমে মিজান, পরে ফিরোজ আদনানকে ছাড়ানোর জন্য আসে। তখন তাদের সঙ্গে কথা হয়। এর আগে আমি কখনও তাদের দেখিও নাই।’
আদনানকে সন্দেহ করার কারণ হিসেবে তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন বলেন, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যখন তাসফিয়াকে আমরা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তখন তার এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারি- সে আদনানের সঙ্গে রেস্টুরেন্টে গিয়েছে। পরে আমরা কৌশলে আদনানকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তাসফিয়াকে নিয়ে বের হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। আমরা তার মোবাইলে মেসেজ আদান প্রদানের বিষয়গুলো দেখি।’
মোহাম্মদ আমিন আরও বলেন, ‘সম্ভাব্য সকল আত্মীয়-স্বজনের বাসায় খোঁজ খবর নিয়ে তাসফিয়াকে না পেয়ে আমরা আদনানকে ডেকে এনে বসিয়ে রাখি। তাকে তার অভিভাবকদের ফোন করে ডাকতে বলি। কিন্তু সে কোনভাবেই তার অভিভাবকদের আনতে রাজি হননি। সে ফোন করে ফিরোজ ও মিজানকে নিয়ে আসে। তারা আমার মেয়েকে এনে দেবে বলে আদনানকে ছাড়িয়ে নেয়।’
তাসফিয়ার মোবাইল ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাসফিয়ার কাছে একটা মোবাইল ছিল। গেমস খেলার জন্যই মূলত তাকে মোবাইলটা দেওয়া হয়। আমরা তাকে কোনও সিম কার্ড কিনে দিইনি। কিন্তু ঘটনার দিন আমরা জানতে পারি, আদনান তাকে একটা এয়ারটেল সিম কিনে দিয়েছে। ওই সিম কার্ডের মাধ্যমে তারা দু’জন একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতো।’
তাসফিয়ার বাবার অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে আদনানের চাচা সোহেল মির্জা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের ছেলেকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে। ওই দিন রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আদনান পশ্চিম খুলশিতে তার ফুফুর বাসায় যায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাসফিয়ার বাবা ফোন করলে তাসফিয়াদের বাসায় যায়। রাত ১১টা পর্যন্ত তাসফিয়ার বাবার সঙ্গে থাকার পর সাড়ে ১১টার দিকে সে বাসায় ফিরে আসে। যেখানে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আদনান তো ব্যস্তই ছিল। তাহলে সে এ ঘটনার সঙ্গে কীভাবে জড়িত থাকে?’
তিনি আরও বলেন, ‘তাসফিয়ার বাবা টেকনাফ থেকে মালামাল এনে ব্যবসা করেন। তার বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যবসার অভিযোগও আছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক পাচারের মামলা আছে। ব্যবসায়িক কোনও ঝামেলা নিয়ে তৃতীয় কোনও পক্ষ তাসফিয়াকে হত্যা করে থাকতে পারে।’
আদনানকে নির্দোষ দাবি করেছেন তার চাচা সোহেল। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে তাসফিয়ার মরদেহ উদ্ধারের পর বৃহস্পতিবার (৩ মে) দুপুরে আদনানকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন। মামলার অপর আসামিরা হলেন- সোহায়েল, শওকত মিরাজ, আসিফ মিজান, ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম ও ফিরোজ।
আসামিদের মধ্যে ফিরোজ নগরীর মুরাদপুর এলাকায় থাকেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিজেকে যুবলীগ নেতা দাবি করা ফিরোজ এক সময় ‘ভারতে বন্দি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শিবির ক্যাডার’ সাজ্জাদের সহযোগী ছিলেন। তার নামে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অস্ত্র মামলা রয়েছে। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি এবং ২০১৩ সালের জুলাই মাসে অস্ত্রসহ দু’বার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ২০১৫ সালে জেল থেকে বের হয়ে যুবলীগের কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয় ফিরোজ।
ফিরোজের সঙ্গে আদনানের পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে আদনানের চাচা সোহেল মির্জা বলেন, ‘আদনান তার বন্ধু সোহায়েলের মাধ্যমে তার সঙ্গে পরিচিত হয়। এর চেয়ে বেশি কিছু তার বিষয়ে আমরা জানি না।’
অন্যদের মধ্যে শওকত মিরাজ ও আসিফ মিজান সানশাইন গ্রামার স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে। ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম আশেকানে আউলিয়া ডিগ্রি কলেজের এইচএসসির ছাত্র এবং সোহায়েল ওরফে সোহেল পরিচিত ফিরোজের সহযোগী হিসেবে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২ মে) সকালে নগরীর পতেঙ্গার ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটে কর্ণফুলী নদীর তীরে লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে লাশের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন থানায় গিয়ে জানায়- মরদেহটি তাসফিয়া আমিনের।
তাসফিয়া নগরীর সানশাইন গ্রামার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি টেকনাফের ডেইলপাড়া এলাকায়। সে পরিবারের সঙ্গে নগরীর ওআর নিজাম আবাসিক এলাকার তিন নম্বর সড়কের কেআরএস ভবনে থাকত। এক মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তার সঙ্গে আদনানের পরিচয় হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্নো তারকা কেলেঙ্কারি: ড্যানিয়েলকে পরিশোধ করা অর্থ কোহেনকে ফেরত দিয়েছিলেন ট্রাম্প

গুলিয়ানি বলেন, ‘আমি এখন এমন একটি বিষয় জানাবো, যা আপনারা জানেন না। মাইকেল কোহেনকে অর্থ ফেরত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। আর এটা নির্বাচনী প্রচারণা তহবিলের অর্থ না। নির্বাচনী প্রচারণা তহবিলের অর্থে কোনো গরমিল হয়নি। পর্নো তারকাকে অর্থ দিয়েছিলেন ট্রাম্পের আইনজীবী। পরে নিজের আইনজীবীকে ওই অর্থ পরিশোধ করেন ট্রাম্প।’ গুলিয়ানির মন্তব্যের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি হোগান গিডলে বলেন, এটি একটি চলমান মামলা। নিষ্পত্তি হওয়ার আগে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা উচিত না।
গুলিয়ানির উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, পর্নো তারকাকে অর্থ পরিশোধের বিষয়ে জনসম্মুখে কথা বলার পূর্বে তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ট্রাম্প এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। তার ধারণা, এজন্য ট্রাম্প তাকে বহিষ্কার করবেন না।
পরে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া আরেক সাক্ষাৎকারে গুলিয়ানি আবারো বলেন, পর্নো তারকাকে পরিশোধ করার অর্থ কোহেনকে ফিরিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। গুলিয়ানির দাবি, এটা কোনো অপরাধ না। প্রেসিডেন্টের পূর্বের দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে গুলিয়ানি বলেন, এটা কোনো বড় বিষয় না। ট্রাম্প হয়তো কোহেনকে অর্থ পরিশোধের বিষয়টি ভুলে গিয়েছেন বা খেয়াল করেননি। ২০১৬ সালের অক্টোবরের সব ঘটনা বিস্তারিত মনে রাখা কষ্ট। আমিও সব ঘটনা স্পষ্টভাবে স্মরণ করতে পারি না।
এর আগে ড্যানিয়েলকে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তবে তার আইনজীবী মাইকেল কোহেন স্বীকার করেন যে, ড্যানিয়েলকে অর্থ পরিশোধ করেছিলেন তিনি। তবে তা ব্যক্তিগত তহবিল থেকে। এজন্য ট্রাম্প তাকে কোনো অর্থ দেন নি।
উল্লেখ্য, গুলিয়ানি নিউইয়র্কের প্রাক্তন মেয়র। সম্পতি তাকে নিজের ব্যক্তিগত আইনজীবীদের দলে অন্তর্ভুক্ত করেন ট্রাম্প। মূলত ট্রাম্প রাশিয়া কানেকশনের বিষয়ে স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুয়েলারের তদন্ত নিষ্পত্তি করার জন্য ব্যক্তিগত আইনজীবী দলকে আরো জোরদার করছেন। সম্প্রতি তিনি জন ডাউডকে ব্যক্তিগত আইনজীবীর দল থেকে বহিষ্কার করেন। তার জায়গায় গুলিয়ানিকে নিয়োগ দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন: বহিরাগত ইস্যুতে জাহাঙ্গীর-হাসান পাল্টাপাল্টি by ইকবাল আহমদ সরকার

শুক্রবার সকালে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বেশিসংখ্যক ভোটারের কাছে ছুটে যেতে সকাল সকালই বাসা থেকে বেরিয়ে যান বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। ভোটের মাঠে বের হয়ে নগরের ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুরা এলাকা থেকে তিনি প্রচারণা শুরু করেন। সাতইশসহ বিভিন্ন স্থানে করেন পথসভা। এসময় তার সঙ্গে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে পথসভায় উপস্থিত ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। গাজীপুরকে পরিকল্পিত আধুনিক নগর গড়তে এলাকার উন্নয়নে জলাবদ্ধতা, যানজট নিরসন, শ্রমিকদের কর্মবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাসহ নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন তিনি। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীর নির্বাচনী মাঠে তার সঙ্গে রয়েছেন জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, আমরা আতঙ্কে রয়েছি, কেননা আপনারা জানেন এই মাটিতেই একজন সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টারকে খুন করা হয়েছে। দলীয় পরিচয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গাজীপুরের বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে এবং বিভিন্ন জায়গায় অপরাধীদের জড়ো করছে বিএনপি। অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় হতে পারে না। আজকে আমাকে, নৌকাকে বিজয়ী করতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসছেন। তিনি আরো বলেন, এখানে চীন এবং জাপানের সহযোগিতায় আমি একটি আধুনিক শহর করতে চাই। সে হিসেবে আমি ৫৭টি ওয়ার্ড নিয়ে একটি মাস্টার প্লান করতে চাই। সে জন্য আমি সবার কাছে ভোট চাই, সহযোগিতা চাই। নির্বাচনী প্রচারে নেমে সকাল থেকে জাহাঙ্গীর আলম যেখানে গেছেন, সেখানেই স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। বড় আকারের দলীয় প্রতীক হাতে নিয়ে মিছিল করছেন তরুণরা। পথসভা এমনকি যে পথে তিনি গেছেন সেসব পথে পথে তরুণদের ঢল নামে নৌকার পক্ষে, জাহাঙ্গীরের পক্ষে। জাহাঙ্গীর আলমের এই অভিযোগের জবাবে বলেন, একজন অপরাধী বা সন্ত্রাসীর নাম তিনি বলুক। তিনি বলেন, আমি তাকে অনুরোধ করবো- নির্বাচনে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষের সামনে যেন এত বড় মিথ্যা কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, মাইকিং, বিলবোর্ড, পোস্টার ও অধিকসংখ্যক নির্বাচনী অফিস করেসহ তারা পদে পদে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তিনি অবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, যারা অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য নয়, এমন অনেক লোক তাদের সময় অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছে। সকাল আটটার আগেই বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার বেরিয়ে যান নির্বাচনী প্রচারে। দিনের শুরুতেই তিনি নগরের ভাওয়াল গাজীপুর এলাকা থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। প্রচারে নেমে জুমার নামাজের আগেই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তিনি হাতিয়াব, ভাওরাইদ, পোড়াবাড়ী বাজারে পথসভা করেন। পরে তিনি নগরের উত্তর এলাকার গাজরিয়াপাড়া, বাংলাবাজার, ভীমবাজার, মাস্টারবাড়ী, কাউলতিয়া, জোলারপাড়া, বিপ্রবর্থা, মিরেরগাঁও, জালামার্কেট, সালনা, কাথোরা শৈশানবাড়ী বাজার ও মজলিসপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচার চালান তিনি। হাসান সরকার সারা দিনে অন্তত ১৫টি স্থানে পথসভা করেন। নির্বাচনী প্রচারপত্র ধানের শীষের লিফলেট তুলে দেন ভোটারদের হাতে। বর্তমান মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নানের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। হাসান সরকারের এসব পথসভায় প্রবীণ শ্রেণির লোকজনের উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। এক বৃদ্ধাকে দেখা গেছে হাসান সরকারের পথসভায় এসে তার মাথায় হাত বুলাতে। পথসভাগুলোতে তিনি নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন, প্রশাসনকে তিনি আবারও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান। আর নিরপেক্ষ ভোট না হলে তিনি প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন বলে হুমকি দেন।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণসংযোগে প্রার্থীরা
শুক্রবার আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের সাতাইশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মুসল্লিদের উদ্দেশে কথা বলেন। তিনি জুমার নামাজের পূর্বে ৫০ ও ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের কাজী মোজাম্মেল হক সড়ক এবং সাতাইশ রোডে গণসংযোগ করেন। গাজীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে, সিকদার মার্কেট, বাইগার টেক, সাতাইশ রোডের ভিয়েলাটেক্স কারখানার সামনে, খরতৈল মোড়, সাতাইশ চৌরাস্তায় পথসভায় বক্তব্য দেন। প্রচারণা চলার সময়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়। নেতাকর্মীরা বৃষ্টিতে ভিজেই গণসংযোগ অব্যাহত রাখেন। পরে সাতাইশ স্কুলে কেন্দ্র কমিটির আহ্বায়ক, সচিব এবং সদস্যদের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠকে নেতৃবৃন্দ ঘরে ঘরে ভোট চাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। বিকালে ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের মিলগেটে পথসভার মাধ্যমে প্রচারণার শুরু হয়। পরে লামাবাজার, মুন্নু গেট, স্টেশন রোড, নোয়াগাঁও, তিস্তার গেট, হকের মোড়, দত্তপাড়া চেরাগ আলী মার্কেটের সামনে পথসভায় বক্তব্য দেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মোজাম্মেল হক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান মতি, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইলিয়াস আহমেদ, অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন মহি, উপদেষ্টা জালাল উদ্দিন মাস্টার, টঙ্গী থানা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রজব আলী, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আবু বকর, ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নুরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান টিটু, টঙ্গী থানা যুবলীগ সহ-সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি মহানগর সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ ইমাম সমিতি গাজীপুর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ, ৫০নং ওয়ার্ড যুবলীগ সা. সম্পাদক কাজী জামাল, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আলীম, গাজীপুর জেলা শ্রমজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আবুল হাসেম মোল্লা, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিক ঐক্যপরিষদের গাজীপুর জেলা সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডরেশন গাজীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক নাসরিন আক্তার, টঙ্গী থানা ছাত্রলীগ সভাপতি কাজী মঞ্জুর, সা. সম্পাদক রেজাউল করিম, প্রাইভেট মাদরাসা সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মাওলানা এইচএম শাহ আলম, গাজীপুরস্থ রংপুর বিভাগ জনকল্যাণ সংস্থার সভাপতি আশরাফ আহমদ খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনভর বিএনপির প্রার্থী হাসান সরকারের গণসংযোগে তার সঙ্গে ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় নেতা কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, গাজীপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি শাহজাহান ফকির, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, কাপাসিয়া থানা বিএনপির সেক্রেটারি সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, গাজীপুর বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সুলতান উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান, শ্রীপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট এমদাদ খান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক। নগরীর ১৮নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম। তার সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা ভিপি হারুনূর রশিদ, মশিউর রহমান বিপ্লব, শাহানা আক্তার, আব্দুল খালেক হাওলাদার, ডা. হারেছ মোল্লা, আবুল কালাম, যুবদল নেতা সবুজ, মাহিম, হাবিব, ওয়ার্ড সমন্বয়কারী হজরত আলী প্রমুখ। নগরীর ৩১ নং ওয়ার্ডে প্রচার কাজ করেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ। তার অ্যাডভোকেট ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা ফিরোজ উজ জামান, হাবিবা, শামীম, ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর প্রমুখ। নগরীর ২নং ওয়ার্ডে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে প্রচার কাজ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শিশুবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, পেশাজীবী গাজীপুর জেলার সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুবনেতা আনোয়ার হোসেন। নগরীর ১১ নং ওয়ার্ডে প্রচার কাজ করেন বিএনপি কেন্দ্রীয়সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তফা খান সফরী, মিজানুর রহমান সরকার, নাজমুল হাসান, কাজী সামসুল হুদা প্রমুখ। নগরীর ২৫ নং ওয়ার্ডে প্রচার কাজ করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য একরামুল হক বিপ্লব, সালাউদ্দিন ভূঁইয়া, বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা কামাল আনোয়ার, ভিপি ইব্রাহিম, ছাত্রনেতা টিটু, তন্ময় হাসান প্রমুখ। নগরীর ৪১নং ওয়ার্ডে প্রচার কাজ করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল জুমার নামাযের পর ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান।
সিপিবির প্রার্থীর ইশতেহার
অপরদিকে নির্বাচনের বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ মনোনীত মেয়র প্রার্থী কাজী মো. রুহুল আমিন বাসযোগ্য, উন্নত, মানবিক সিটি গড়ার লক্ষ্যে ৯ দফা কর্মপরিকল্পনার ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। নগরের জয়দেবপুরের রাজবাড়ী রোডের সিপিবি জেলা কার্যালয়ের সামনে ইশতেহার ঘোষণার সময় সিপিবির কেন্দ্রীয় সম্পাদক কমরেড সর্দার রুহিন হোসেন প্রিন্স, সম্পাদক কমরেড সাজ্জাদ জহির চন্দন, আহসান হাবিব লাবলু, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশিদ ফিরোজ, সিপিবির জেলা সভাপতি জয়নাল অবেদিন খান, বাসদের জেলা সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল কাইয়ুম, জিয়াউল কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইশতেহার ঘোষণার সময় সিপিবি ও বাসদের প্রার্থী কাজী মো. রুহুল আমিন, বলেন, যথার্থ পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের অভাবে এই শহরটি যানজট, জলাবদ্ধতাসহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হয়ে অচল শহরে পরিণত হয়েছে। এমতাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবার জন্য মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এদিকে মেয়র পদে মোমবাতি মার্কায় ভোট চাইতে সকাল থেকেই ছুটছেন ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন। তিনি জয়দেবপুরের ছায়াবীথি, বরুদা, পানির ট্যাঙ্কিসহ ২৮ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করে ভোট প্রার্থনা করেন। তার পক্ষে লিফলেট হাতে নিয়ে মইনীয়া মহিলা ফোরামের নিবেদিত প্রাণ কর্মীরাও বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোটের জন্য মাঠে ছুটছেন।
অন্যদিকে, ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী মাওলানা ফজলুর রহমানের শুক্রবার সকালে শালনা এলাকায় ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে টঙ্গী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন এবং জুমার খুতবার আগে মুসুল্লিগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ও মিনার প্রতীকে সকলের দুয়া ও সমর্থন কামনা করেন। বিকালে টঙ্গী কলেট গেট ও আশপাশের এলাকায় গণসংযোগে করেন। এ সময় ইসলামী ঐক্যজোটের জেলার মহাসচিব মাওলানা ফয়জুল্লাহ ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুখলেছুর রহমান মাওলানা মুফতী আব্দুল কাদের মোল্লা, মাওলান শফিকুল ইসলাম এলাকায় দলের স্থ্ানীয় নেতাকর্মীরা সঙ্গে ছিলেন। তার পক্ষে
ইসলামী ছাত্র খেলাফতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমবাগ, নছের মার্কেট, হাজি মার্কেট, নূর মার্কেট এলাকায় গণসংযোগ করেন ও হ্যান্ডবিল বিলি করেন।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনের অন্য মেয়র প্রার্থী ছাড়াও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এসময় তাদের কর্মী ও সমর্থকরা বিভিন্ন স্লোগানে নিজেদেরে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। নগরের ৩৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের ভোটের লড়াইয়ে জমজমাট হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে ‘নৌকা’ ও ‘ধানের শীষ’-এর জমজমাট প্রচারণায় যেমন জমজমাট হয়ে উঠছে তেমনি আবার প্রার্থী ও সমর্থকদের বাইরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে উত্তাপ। মেয়র প্রার্থী ছাড়াও কাউন্সিলর প্রার্থীরাও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হুমকি, কালো টাকা ও নানা কৌশলে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলছেন এরই মধ্যে। তারাও চাচ্ছেন ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ। নগরের ৫৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পর এখন ৫৬টি সাধারণ ওয়ার্ডে ২৫৫ জন সাধারন ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ও ৮৪ জন সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ ওয়ার্ডে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট চাইছেন। এ সিটিতে ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে ১৫ই মে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুমিল্লায় ভুয়া ডাক্তারের অপচিকিৎসায় প্রাণ গেল ২ নবজাতকের

নবজাতকরা হচ্ছে, চান্দিনা উপজেলার বিচুন্দাইর-করইয়ারপাড় গ্রামের প্রবাসী সফিকুল ইসলামের পুত্র সন্তান এবং কংগাই গ্রামের ওমর ফারুকের পুত্র সন্তান। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে। শনিবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থলে যাবে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলার সিভিল সার্জন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চান্দিনার নবাবপুর বাজারে ‘নাহার কন্সালটেশন সেন্টার’ এবং নিজের নামের পাশে ‘ডা. আরএ কামরুন্নাহার’ লিখে চিকিৎসাপত্র ব্যবহার করে আসছিলেন এক ভুয়া মহিলা চিকিৎসক। ব্যবস্থা পত্রে নামের পাশে ‘সনোলজিস্ট, মেডিসিন, মা ও শিশু, গাইনি, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ’ বলে উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, অকাল গর্ভপাত, নরমাল ডেলিভারি, সিজার ডেলিভারিসহ বিভিন্ন অপচিকিৎসা চালিয়ে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার ওই ক্লিনিকে এক ঘণ্টার ব্যবধানে মৃত্যু হয় দুই নবজাতকের। এ বিষয়ে নিহত এক নবজাতকের বাবা ওমর ফারুক জানান, আমার স্ত্রীর প্রথম সন্তান ধারণ করার পর এলাকার লোকমুখে ডাক্তার কামরুন্নাহারের নাম শুনে তার কাছে প্রায়ই নিয়ে আসতাম। বুধবার বিকালেও কথিত ডাক্তার কামরুন্নাহার আমার স্ত্রীর আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে বৃহস্পতিবার আমার স্ত্রীকে নিয়ে আসতে বলেন। তার কথা মতো বৃহস্পতিবার তার চেম্বারে আসি। সেখানে আনার পর তিনি আমার স্ত্রীকে ইজেকশন ও স্যালাইন দেন। সন্ধ্যার দিকে আমার ছেলে সন্তান হয়েছে বলে আমাকে জানানো হয়।
কিন্তু এর কিছুক্ষণ পর আবারও জানানো হয়, আমার স্ত্রীর সাইড সিজারে সন্তান ডেলিভারি হওয়ায় সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে এবং সন্তান মারা গেছে। অপর নবজাতকের খালা কুলসুমা সাংবাদিকদের জানান, আমার ছোট বোনের প্রসব ব্যথা শুরু হলে বৃহস্পতিবার আমরা তাকে কামরুন্নাহারের চেম্বারে নিয়ে আসি। বিকালে আমার বোনের সন্তান প্রসব হওয়ার পর থেকে শিশুটির শরীর ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা হয়ে আসছিল। বিষয়টি কামরুন্নাহারকে জানালে তিনি বলেন, ‘আমি ডাক্তার না আপনারা ডাক্তার’ এ কথা বলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সন্ধ্যার দিকে তিনি আমাদের হাতে একটি কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘এই ইনজেকশনটি নিয়ে আসেন, বাচ্চার অবস্থা ভালো না’। এতে আমরা বাজার থেকে ইনজেকশন এনে দিলে তিনি ওই ইনজেকশনটি পুশ করার কিছুক্ষণের মধ্যে নবজাতকের মৃত্যু হয়। এদিকে এক ঘণ্টার মধ্যে দুই নবজাতকের মৃত্যুর পর কামরুন্নাহার ‘বাজার থেকে আসছি’ বলে পালিয়ে যান। পরে রোগীর স্বজন ও বাজারের লোকজন কথিত ওই চিকিৎসক কামরুন্নাহারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তার ফোন বন্ধ পায়। এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ভুয়া ডাক্তারের ক্লিনিকটিতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
চান্দিনা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’টি নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে। শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার পর দুপুরে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর কথিত ডাক্তার কামরুন্নাহার পালিয়ে যায়। চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাছিমা আক্তার জানান, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি, এ নিয়ে জেলা সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি’র সঙ্গে কথা হয়েছে, তবে শুক্রবার বন্ধের দিন থাকায় এখনো ঘটনাস্থলে যাইনি।’ শুক্রবার বিকালে কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. মুজিবুর রহমান জানান, অনুমোদনহীন এই ভুয়া ক্লিনিক ও কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আজ শনিবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যাবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাহাড় অশান্ত, ব্রাশফায়ার, নিহত ৫: শেষকৃত্যে যাচ্ছিলেন ওরা

বৃহস্পতিবার দুপুরে পার্বত্য চুক্তিবিরোধী সংগঠন ইউপিডিএফ-এর সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা। এ সময় তাকে বহনকারী মোটরসাইকেল চালক রূপম চাকমাও গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শক্তিমানের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে গতকাল দুপুরে ব্রাশফায়ার করে সন্ত্রাসীরা। বিভুরঞ্জন চাকমা বলেন, শক্তিমানের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সংগঠনের ১২ জন নেতাকর্মী খাগড়াছড়ি থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে রাঙামাটির নানিয়ারচরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। পথে বেতছড়ি এলাকায় তাদের গাড়িতে ‘ব্রাশফায়ার করে সন্ত্রাসীরা। এতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফের গণতান্ত্রিক) আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা (৪৮), জনসংহতি সমিতির সহযোগী সংগঠন যুব সমিতির (এমএন লারমা) মহালছড়ি শাখার সভাপতি সুজন চাকমা (৩২) এবং সদস্য তনয় চাকমা ঘটনাস্থলেই মারা যান। মাইক্রোবাসের চালক মো. সজীব (৩৬) এবং যুব সমিতির (এমএন লারমা) সদস্য রবিন চাকমা খাগড়াছড়ি হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তপন জ্যোতি চাকমাকে বহন করা মাইক্রোবাস লক্ষ্য করে গুলি করলে চালক গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় বিভক্ত আরো দু’অস্ত্রধারী হামলাকারী গ্রুপ সে গাড়ি লক্ষ্য করে ব্রাশফায়ার করে। এ সময় গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যায়। হাসপাতালে নেয়া পথে মারা যায় আরো ২ জন। এ ঘটনার জন্য সংগঠনটি প্রতিপক্ষ গ্রুপ প্রসীত বিকাশ খীসা নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফকে দায়ী করছে।
রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল লতিফ ও খাগড়াছড়ি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহাদাত হোসেন টিটো জানান, খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে এক মাইক্রোচালক ও ১ জন উপজাতীয় ব্যক্তির লাশ আনা হয়েছে। এ সময় আহত আরো ৩ জনকে খাগড়াছড়িতে এবং গুরুতর আরো ৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল লতিফ জানিয়েছেন, হতাহতদের ব্যাপারে সরজমিনে দেখতে রাঙামাটি সদর সার্কেলের এডিশনাল এসপি মো. জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে রওয়ানা দিয়েছে। তারা ফিরে আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।
ওদিকে ২৪ ঘণ্টায় রাঙামাটি-খাগড়াছড়ির বেশ কয়েকটি এলাকায় পার্বত্য চুক্তিবিরোধী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ-এর সঙ্গে গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফসহ সংস্কারপন্থি জেএসএস(এমএন) এর ব্যাপক বন্দুকযুদ্বের ঘটনা ঘটছে। নিরাপত্তা বাহিনী-গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে পাহাড়ের অনেকগুলো স্থানে যে কোনো সময় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংঘাতের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এই লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ির সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটিশ রাজবিয়েতে যাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন কেলেঙ্কারির জের সাহিত্যে নোবেল স্থগিত

এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বিকালে বৈঠকে বসে সুইডিশ একাডেমির ১০ সদস্য। তারা ২০১৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন। শুক্রবার সকালে দেয়া বিবৃতিতে সুইডিশ একাডেমির সেক্রেটারি বলেন, আমরা মনে করি, নতুন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করার আগে মানুষের আস্থা অর্জন করা জরুরি। স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত অন্যান্য বিষয়ে নোবেল পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। পুরস্কার স্থগিত করার বিষয়ে সুইডিশ একাডেমির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে নোবেল কমিটি। সংস্থাটি বলেছে, সুইডিশ একাডেমিতে সৃষ্ট সঙ্কট নোবেল পুরস্কারকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। তাদের এই সিদ্ধান্ত দীর্ঘ মেয়াদে নোবেল পুরস্কারের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সহায়তা করবে। এই পদক্ষেপ ২০১৮ সালে অন্যান্য ক্যাটাগরিতে নোবেল পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
সংকটের একেবারে কেন্দ্রে আছেন ফরাসি ফটোগ্রাফার জিন-ক্লড আর্নল্ট। তিনি একাডেমির কমিটি সদস্য কাটারিনা ফ্রস্টেনসন এর স্বামী। এছাড়া তিনি একাডেমির অর্থায়নে একটি সাংস্কৃতিক প্রকল্প চালিয়েছেন। কিন্তু সমপ্রতি তার বিরুদ্ধে যৌন হামলার অভিযোগ আনে একাডেমির ১৮ নারী কর্মী। তারা অভিযোগ এনেছে, আর্নল্ট বিভিন্ন সময়ে তাদের যৌন হয়রানি করেছেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে দু’জন সংবাদ মাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে মুখ খোলেন। আর্নল্টের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ হচ্ছে, তিনি সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টরিয়াকেও অযাচিতভাবে সপর্শ করেছেন। আর্নল্ট অবশ্য সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে আর্নল্টের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে সুইডিশ একাডেমি। এ অবস্থায়, সামপ্রতিক সপ্তাহগুলোতে, পদত্যাগ করেছেন সুইডিশ একাডেমির ছয় সদস্য। অনেকে পদত্যাগ করার পেছনে কারণ ছিল, এই সংকট সামলাতে একাডেমির দুর্বল মোকাবিলা। পদত্যাগ করা সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, একাডেমির প্রধান অধ্যাপক সারা ড্যানিয়াস ও আর্নল্টের স্ত্রী ফ্রস্টেনসন। পরবর্তীতে অবশ্য এক বৈঠকে কমিটির সদস্যরা আর্নল্টের স্ত্রী ফ্রস্টেনসনকে সরিয়ে দেয়ার বিপক্ষে ভোট দেন।
সুইডিশ একাডেমির সদস্যরা চাইলেই আজীবন সদস্যপদ থাকার কারণে পদত্যাগ করতে পারেন না। এর জন্য দরকার সুইডেনের রাজার অনুমোদন। তিনি সমপ্রতি জানিয়েছেন, সদস্যদের পদত্যাগ করার সুবিধার্থে এই নিয়মে পরিবর্তন আনা হবে। সব মিলিয়ে বর্তমানে কমিটি সদস্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ জনে। এই ১১ জনের মধ্যে একজন হচ্ছেন কার্স্টিং একমান। তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে নিষ্ক্রিয় সদস্য হিসেবে রয়েছেন। কোনো ধরনের কার্যক্রমে তাকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় না। নতুন সদস্য নিয়োগ দেয়ার জন্য কমিটি সংবিধি অনুসারে অন্তত ১২ জনের ভোটের প্রয়োজন হয়।
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার না দেয়া বা স্থগিত রাখার ঘটনা এইবারই প্রথম ঘটেনি। এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ছয় বছর পুরস্কার প্রদান বন্ধ ছিল। এছাড়া, ১৯৩৫ সালে কোন যোগ্য প্রার্থী না থাকায় পুরস্কার প্রদান করা হয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে চীন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কাজ করবে ওআইসি

প্রতিনিধি দলের প্রধান হাশেম ইউছেফ আরো বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর যে নিপীড়ন চালিয়েছে তা গণহত্যার শামিল। বিশ্ববাসী এ ঘটনার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এখন এ সংকটের সমাধানের জন্য সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে প্রধান আলোচনার বিষয় হবে রোহিঙ্গা ইস্যু।
এর আগে শুক্রবার (৪ঠা মে) সকাল পৌনে ৯টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিতে আসা ৮ জন মন্ত্রী, ৩ জন প্রতিমন্ত্রী, ৮ জন পররাষ্ট্রসচিব সহ ৫৮ দেশের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। এর পর কক্সবাজারের একটি হোটেলে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার কর্মকর্তারা প্রতিনিধি দলটিকে ব্রিফিং করেন। ওই সময় বাংলাদেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী প্রতিনিধিদের রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
এরপর প্রতিনিধিদল বেলা ১১টায় কক্সবাজার থেকে সড়ক পথে সরাসরি উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান। সেখানে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়া নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ, শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে থেকে ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওআইসি সম্মেলন শুরু আজ, ঢাকায় সাজ সাজ রব

অতিথিদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সম্মেলন কেন্দ্র, আবাসস্থল এবং যাতায়াত পথ সাজানো হয়েছে নান্দনিক সাজে। ভেন্যু এলাকা থেকে শুরু করে সংশ্লিস্ট ট্রাফিক পয়েন্ট এবং অতিথিদের আবাসস্থল সংলগ্ন মোড়গুলো লাল-সবুজ বাতি দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। সেখানে ওআইসি, বাংলাদেশ এবং সম্মেলনে অংশ নেয়া দেশগুলোর জাতীয় পতাকা পত পত করে
উড়ছে। সাজগোঁজই নয়, নিরাপত্তার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে আয়োজকদের। সম্মেলনকে ঘিরে রাজধানীতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অতিথিদের চলার পথে পুলিশ স্কট তো আছেই, সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং গোয়েন্দারা মাঠে থাকছেন। প্রশাসনের তরফে প্রস্তুতির বিষয়টি গতকালই রেকি করা হয়েছে। রিহার্সেল হয়েছে পুরো অনুষ্ঠানের। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিয়ে সেই মহড়া প্রত্যক্ষ করেছেন। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে বিভিন্ন সংযোজন-বিয়োজন এবং সংশোধনীর বিষয়ে নির্দেশনাও দিয়েছেন।
দুদিন আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ আয়োজনে অন্তত ৪০ জন মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সহকারী মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন। নন-ওআইসি কান্ট্রি কানাডা, কসোভো ও নর্দান সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও অংশ নিচ্ছেন। পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছেন রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং থাইল্যান্ডের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও। অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন ওআইসির মেগা এ ইভেন্টের রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। সম্মেলন প্রস্তুতির সর্বশেষ অবস্থা জানাতে বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রী। সেখানে তিনি জানান, রোহিঙ্গা সংকট ওআইসির ঢাকা বৈঠকে বিশেষভাবে স্থান পাবে এবং এ নিয়ে একটি বিশেষ অধিবেশনও হবে। যেখানে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রীপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এবং কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গাবিষয়ক বিশেষ দূত বব রে অংশ নেবেন। কানাডা মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তুচ্যুতদের জন্য তাদের দুয়ার খুলে দেয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বিশেষ আমন্ত্রণে ওই আয়োজনে অংশ নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল এবং সুইডেনের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরাও ওআইসির ঢাকা সম্মেলনে আমন্ত্রিত ছিলেন। কিন্তু তারা আসতে পারছেন না।
এদিকে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে আসা মন্ত্রী, সচিবসহ অন্য অতিথিরা গতকাল সরজমিনে কক্সবাজারে সফর করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা দেখেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্টরা অতিথিদের সঙ্গে ছিলেন। ঢাকায় অতিথিদের সম্মানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। কাওরান বাজারের তারাকা এক হোটেলের সেই ভোজে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভিন দেশি অতিথিদের মতবিনিময় হয়েছে।
ওআইসি জানিয়েছে, এবারের ঢাকা সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ইসলামিক ভ্যালুস ফর সাসটেনেবল পিস, সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’। বর্তমানে মুসলিম বিশ্বের বেশকিছু দেশ শান্তি, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় হুমকি, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, মুসলিম রাষ্ট্রে বাইরের হস্তক্ষেপ, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, ইসলামোফবিয়া ও মানবিক বিপর্যয়সহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে এবং একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংস্থাটির সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ঢাকা সম্মেলন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাছাড়া ওআইসির সংস্কার এবং নিজস্ব কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্ট সেন্টার খোলার বিষয়েও ঢাকার সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ। আশা করা হচ্ছে এবারের সম্মেলনে এ বিষয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি হবে। সম্মেলনে রোহিঙ্গা বিষয়ে তিন পাতার একটি রেজ্যুলেশন প্রস্তাব করা হয়েছে। ঢাকা আশা করছে এটিও গৃহীত হবে। ওই রেজুলেশন হবে সামনের দিনগুলোতে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসির আরও ঘনিষ্ঠভাবে ভূমিকার পথ-নকশা।
ওআইসির নির্বাচনে লড়ছে বাংলাদেশ, জয়ের আশাবাদ: এদিকে সম্মেলন আয়োজনের পাশাপাশি এবার ওআইসির সহকারী মহাসচিব (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) পদে লড়ছে বাংলাদেশ। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহীর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওই পদে এশিয়া গ্রুপ থেকে বাংলাদশের প্রতিদ্বন্দ্বী কাজাখস্তান। কূটনৈতিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, দুই পক্ষ সমানে সমান ক্যাম্পেইন করেছে টানা কয়েক মাস। বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল আহসান ছাড়াও মন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক ভোটার-রাষ্ট্রগুলোতে গিয়ে এবং ঢাকায় তাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়েছেন। এশিয়া গ্রুপের ১৮টি রাষ্ট্র ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে আজ। গোপন ব্যালটে ভোট হবে। এতে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ১০ ভোট। জয়ের ব্যাপারে ঢাকা আশাবাদী জানিয়ে সরকারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা ১০ ভোটের বেশি পাবো।’
তবে, কোনো কারণে দুই প্রার্থী সমান সামান ভোট পেলে অর্থাৎ ৯-৯ পেলে ফের ভোট হবে এবং তাতে সব সদস্য রাষ্ট্রেরই ভোটাধিকার থাকবে। তাতে ৫৭ রাষ্ট্রের মধ্যে যে সর্বোচ্চ ভোট পাবে সেই দেশই জয়ী হবে। উল্লেখ্য, প্রায় এক যুগের বেশি সময় পর ওআইসির নীতিনির্ধারণী কোনো পদে লড়ছে বাংলাদেশ। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে সংস্থাটির সর্বোচ্চ পদ মহাসচিব পদে বাংলাদেশ নির্বাচন করেছিল। বিতর্কিত রাজনীতিবিদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুুরীকে ওআইসি মহাসচিব পদে প্রার্থী করায় সেই সময়ে দেশের ভেতরেই সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। ফলে নির্বাচনের ফল বাংলাদেশের পক্ষে যায়নি। এবারের প্রার্থিতা সহকারী মহসচিব পদে। এটি ওআইসির অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী দ্বিতীয় সারিতে। তবে, সময়ের বিবেচনায় ওই পদটি গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া ১৯৮৩ সালের পর ওআইসি পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সম্মেলন (সিএফএম) আয়োজনের দায়িত্বপ্রাপ্ত দেশ হিসেবেও বাংলাদেশের প্রার্থিতার বাড়তি গুরুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশে এ বছরই জাতীয় নির্বাচন হবে। নির্বাচনী বছরে ওআইসির মতো বৈশ্বিক সংস্থায় বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ। সার্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশ ওআইসির এ নির্বাচনে বাড়তি সুবিধা পাবে এবং জয়ী হবে বলে আশাবাদী সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
May
(700)
-
▼
May 05
(24)
- রূপগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ চ...
- সাম্প্রতিক ইতিহাসের বীভৎস গণহত্যা
- ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে আমিরাত...
- তাসফিয়া, আদনান এবং সমাজ by তুষার আবদুল্লাহ
- ‘আমি গুরুতর অসুস্থ-কোর্টকে বলবেন’ -আইনজীবীদের খালে...
- বার কাউন্সিল নির্বাচন: প্রার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে ...
- টান পড়েছে রিজার্ভে
- বিশ্ব নগ্ন দিবসের কাণ্ড
- বাঁচার স্বপ্ন দেখছে নিতু by রাশেদ আহমদ খান
- ‘প্রতিবাদ করেই যাবো, না হয় মরবো’
- শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন, ‘ধর্ষণের পর হত্যা’
- সিলেটে ৩৫ বালুমহালের ইজারা নিয়ে ‘টালবাহানা’ by ওয়ে...
- নির্বাচন প্রশ্নে ঐক্যের আহ্বান ড. কামালের
- নাসিরনগরে অপহৃত শিশুর লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
- আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে: তাসফিয়া...
- পর্নো তারকা কেলেঙ্কারি: ড্যানিয়েলকে পরিশোধ করা অর্...
- গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন: বহিরাগত ইস্যুতে জা...
- কুমিল্লায় ভুয়া ডাক্তারের অপচিকিৎসায় প্রাণ গেল ২ নব...
- পাহাড় অশান্ত, ব্রাশফায়ার, নিহত ৫: শেষকৃত্যে যাচ্ছি...
- বৃটিশ রাজবিয়েতে যাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
- যৌন কেলেঙ্কারির জের সাহিত্যে নোবেল স্থগিত
- দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে চীন
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কাজ করবে ওআইসি
- ওআইসি সম্মেলন শুরু আজ, ঢাকায় সাজ সাজ রব
-
▼
May 05
(24)
-
▼
May
(700)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



