Wednesday, January 21, 2026
ইসরায়েলের সঙ্গে ২০২৫ সালে কোন দেশ কত বড় চুক্তি করেছে
এসব চুক্তির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মিসরের সঙ্গে জ্বালানি চুক্তি। গত ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ওই জ্বালানি চুক্তির অনুমোদন দেন। চুক্তির আওতায় ২০৪০ পর্যন্ত লেভিয়াথান গ্যাসক্ষেত্র থেকে মিসরকে সাড়ে তিন হাজার কোটি ডলারের গ্যাস দেবে ইসরায়েল। এর ফলে ইসরায়েলের ওপর মিসরের জ্বালানিনির্ভরতা আরও বাড়বে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েল বিশেষ করে ফিলিস্তিন এবং অঞ্চলজুড়ে ‘যুদ্ধে পরীক্ষিত’ সামরিক এবং নজরদারি সরঞ্জাম বিক্রি করে লাভবান হয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় গত বছর ইসরায়েল প্রযুক্তি ও সামরিক খাতে বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মার্কিন টেক জায়ান্ট গুগল (অ্যালফাবেট) সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক কোম্পানি ‘উইজ’ কেনার জন্য ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের চুক্তি চূড়ান্ত করছে। এ ছাড়া হাইফা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার (১৯ মাইল) দূরে ইসরায়েলের বৃহত্তম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য এনভিডিয়াকে ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগে রাজি করিয়েছে।
ইউরোপের দেশ জার্মানি ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি ৩১০ কোটি ডলার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৬ শ কোটি ডলার করেছে, যার আওতায় দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অত্যাধুনিক ‘অ্যারো–৩’ পাবে জার্মানি। জার্মানির সঙ্গে এই চুক্তি ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক রপ্তানি।
জনসমক্ষে প্রকাশিত ইসরায়েলের স্বাক্ষরিত কিছু বড় চুক্তি তুলে ধরা হলো:
সাড়ে তিন হাজার কোটি ডলার
মিসরের জ্বালানি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের স্বাক্ষরিত সাড়ে তিন হাজার কোটি ডলারের চুক্তির আওতায় দীর্ঘ মেয়াদে প্রাকৃতিক গ্যাস পাবে মিসর। ইসরায়েল ১৩০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি করবে ২০২৬ থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত। এটি ২০২৫ সালে ইসরায়েল স্বাক্ষরিত সবচেয়ে বড় প্রকাশ্য চুক্তি।
৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের চুক্তি
গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেট ইসরায়েলি সাইবার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান ‘উইজ’ কিনতে চুক্তি করেছে, যা ইসরায়েলের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম প্রযুক্তি চুক্তি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি এটা চূড়ান্ত হওয়ার কথা।
আড়াই হাজার কোটি ডলারের চুক্তি
পালো অল্টো নেটওয়ার্কস ইসরায়েলি সাইবার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান সাইবারআর্ক কেনার ঘোষণা দিয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ও শেয়ারহোল্ডার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এটি চূড়ান্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাণিজ্যের বড় অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
ইসরায়েল ২০১৯ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১৪ হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্য করেছে, যা ইসরায়েলের মোট বাণিজ্যের ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ।
এ ছাড়া চীনের সঙ্গে ৮ হাজার ৬৫০ কোটি ডলারের (১১.৬%), জার্মানির সঙ্গে ৪ হাজার কোটি ডলারের (৫.৫%) এবং তুরস্কের সঙ্গে ৩ হাজার ৫৭০ কোটি ডলারের (৪.৮%) বাণিজ্য করেছে ইসরায়েল।
সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ইসরায়েলের বাণিজ্য ছিল ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের। এই তালিকায় বেলজিয়াম, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, তাইওয়ান, হংকং, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের নাম রয়েছে।
২০২৪ সালে ইসরায়েলের আমদানি ও রপ্তানির তালিকায় দেখা যায়, দেশটি ফোন, কম্পিউটার, বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস, ট্রাক, বাস এবং উড়োজাহাজসহ খনিজ পণ্য পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও সিমেন্ট আমদানি করে। দেশটির রপ্তানির তালিকায় রয়েছে হীরা, সোনা, অপটিক্যাল, প্রযুক্তিগত ও চিকিৎসা যন্ত্রসরঞ্জাম ইত্যাদি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানে আন্দোলনে মধ্যবিত্তের ভূমিকা কেন নির্ধারক হয়ে উঠল by চাগাতাই বালজি
ইরানি সমাজের বড় একটি অংশের মধ্যে রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি অসন্তোষ এখন আর সাময়িক কোনো আবেগ নয়। এটি একটি কাঠামোগত সমস্যায় রূপ নিয়েছে। এই অসন্তোষ শাসনব্যবস্থার বৈধতার ভিত্তিকে ক্রমাগত দুর্বল করে দিচ্ছে। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর যে ধর্মতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তা শুরুতে ন্যায়বিচার, সামাজিক মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সেই প্রতিশ্রুতি ও মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে। এর ফল হিসেবে ১৯৯৯, ২০০৯, ২০১৭-১৮ এবং ২০২২ সালে বড় ধরনের সামাজিক আন্দোলন দেখা যায়।
এই আন্দোলনগুলোর পুনরাবৃত্তি দেখায় যে ইরানের মৌলিক সমস্যাগুলো এখনো অমীমাংসিত। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, ব্যাপক দুর্নীতি, ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ এবং কার্যকর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকা সামাজিক অসন্তোষকে বারবার নতুন করে জন্ম দিচ্ছে। রাষ্ট্র এসব সংকট মোকাবিলায় মূলত শক্তিশালী নিরাপত্তাকাঠামোর ওপর নির্ভর করেছে। বিক্ষোভ বাড়লে বিপ্লবী গার্ড, বাসিজ মিলিশিয়া ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সরাসরি হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইরানি শাসনব্যবস্থার সংকট মোকাবিলার কৌশল দীর্ঘদিন ধরেই দমনমূলক। কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে বৈধতার ঘাটতি কমানোর বদলে নিরাপত্তাব্যবস্থার মাধ্যমে সাময়িক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। এর ফলে সংকটের মূল কারণ অক্ষত থেকে যায়। প্রতিটি নতুন আন্দোলন আগের চেয়ে বেশি মৌলিক দাবি নিয়ে সামনে আসে এবং সংঘাতের মাত্রাও বাড়ে।
২০২৬ সালের বিক্ষোভ কয়েকটি কারণে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। এই আন্দোলন শুরু হয় এমন এক সময়ে, যখন আঞ্চলিক পর্যায়ে ইরান বড় ধরনের কৌশলগত চাপের মুখে ছিল। ইসরায়েলের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি সামরিক সংঘাতের পর ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব ও মিত্র নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়ে। সিরিয়ায় আসাদ সরকারের পতন এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর শক্তি কমে যাওয়ায় ইরানের প্রতিরোধ কৌশল প্রশ্নের মুখে পড়ে। এর প্রভাব দেশের ভেতরের রাজনীতিতেও পড়ে এবং শাসনব্যবস্থার আত্মবিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটও এবারের বিক্ষোভকে আলাদা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে বিক্ষোভকারীদের সমর্থন জানান। তাঁর প্রশাসনের সর্বোচ্চ চাপনীতি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা এবং সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি এই আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। একই সময়ে ইরানের অর্থনৈতিক দুর্বলতা আরও গভীর হয়। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, মুদ্রার অবমূল্যায়ন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের অসন্তোষ বাড়িয়ে তোলে।
এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র আগের মতোই কঠোর দমনমূলক কৌশল গ্রহণ করেছে। বিক্ষোভের শুরুতেই নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপ দেখা গেছে। ইন্টারনেট সংযোগ সীমিত করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করা এবং শারীরিক সহিংসতা ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকার আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করছে, যাতে জনসমর্থন দুর্বল করা যায়।
তবে ইরানি সমাজের একটি বড় অংশ স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেয়। সিরিয়া ও লিবিয়ার অভিজ্ঞতা অনেক ইরানির কাছে ভয়াবহ উদাহরণ। হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে এই আশঙ্কা অনেক মানুষকে আন্দোলন থেকে দূরে রাখছে। পাশাপাশি বিদেশি হস্তক্ষেপের ভাষা ইরানি জাতীয়তাবাদকে উসকে দিতে পারে এবং শাসনব্যবস্থাকে সাময়িকভাবে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের বিক্ষোভ ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা কম। শক্তিশালী নিরাপত্তাকাঠামো, সমাজের স্থিতিশীলতাকামী মানসিকতা এবং আন্তর্জাতিক চাপের বিপরীত প্রতিক্রিয়া আন্দোলনের গতি সীমিত করছে। তবে এতে কাঠামোগত সমস্যাগুলোর সমাধান হয়নি। দমন যত বাড়বে, সংকট তত গভীর হবে। দীর্ঘ মেয়াদে প্রকৃত সংস্কার ছাড়া এই বৈধতা সংকট শাসনব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি হয়েই থাকবে।
● চাগাতাই বালজি, তুর্কি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ।
- তুরস্কের ডেইলি সাবাহ থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
![]() |
| ইরানে খামেনি শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে অনড় ট্রাম্প: পিছু হটার কোনো পথ নেই
এ খবর দিয়ে অনলাইন বিবিসি বলছে- সুইজারল্যান্ডে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) এক বৈঠকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব এখন ‘নিয়মবিহীন এক ব্যবস্থার দিকে সরে যাচ্ছে’। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি বলেন, ‘পুরোনো বিশ্বব্যবস্থা আর ফিরে আসছে না।’ আজ বুধবার দাভোসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ট্রাম্পের। তিনি জানিয়েছেন, সেখানে গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে ‘অনেক বৈঠক নির্ধারিত আছে’।
দীর্ঘ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিনল্যান্ডের ক্ষেত্রে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই মিটে যাবে। বিবিসি যখন তাকে জিজ্ঞেস করে, গ্রিনল্যান্ডের জন্য ন্যাটো জোট ভেঙে যাওয়াটা কি এমন কোনো মূল্য, যা দিতে তিনি রাজি? ট্রাম্প জবাবে বলেন, ন্যাটো’র জন্য আমার চেয়ে বেশি কেউ করেনি, কোনো দিক থেকেই না। তিনি আরও বলেন, ন্যাটো খুশি থাকবে, আমরাও খুশি থাকব। তিনি আরও বলেন, বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য আমাদের এটি দরকার।
তবে এর আগেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন হলে ন্যাটো আদৌ কি তার পাশে দাঁড়াবে? তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি জানি আমরা ন্যাটোকে বাঁচাতে এগিয়ে আসব। কিন্তু সত্যি বলতে আমি সন্দেহ করি যে তারা আমাদের বাঁচাতে আসবে কি না।
নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো বর্তমানে ৩২টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ১২টি প্রতিষ্ঠাতা দেশের একটি। সমষ্টিগত প্রতিরক্ষার মাধ্যমে স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই জোটের মূল উদ্দেশ্য। ন্যাটোর অন্যতম মৌলিক নীতি অনুচ্ছেদ ৫। সেখানে বলা হয়েছে, এক বা একাধিক সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।
গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করেননি ট্রাম্প। এনবিসি নিউজ তাকে জিজ্ঞেস করে, তিনি কি বলপ্রয়োগে অঞ্চলটি দখল করবেন? ট্রাম্প উত্তরে বলেন, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিবিসি নিউজনাইটকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রিনল্যান্ডের শিল্প ও প্রাকৃতিক সম্পদবিষয়ক মন্ত্রী নাজা নাথানিয়েলসেন বলেন, ট্রাম্পের দাবিতে গ্রিনল্যান্ডবাসী হতবাক। তিনি বলেন, আমরা আমেরিকান হতে চাই না। এ কথা আমরা স্পষ্টভাবেই জানিয়েছি। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, আমাদের সংস্কৃতি আর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকারকে আপনি কতটা মূল্য দেন?
দাভোস ফোরামের আগে ট্রাম্প কিছু স্ক্রিনশট শেয়ার করেন, যেগুলোতে তার দাবি অনুযায়ী ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রন ও ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুট্টের পাঠানো বার্তা। সেখানে রুট্টে বলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সমাধানের পথ খুঁজতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ম্যাক্রন লিখেছেন, তিনি ‘বুঝতে পারছেন না আপনি কী করছেন’। তবে প্যারিসে অন্য নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন মঙ্গলবার ফোরামের প্রথম দিনে দেয়া ভাষণে সরাসরি বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে ইউরোপ সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এটি কেবল যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমেই সম্ভব। একই সঙ্গে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত অতিরিক্ত শুল্ককে তিনি ভুল সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দেন।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, যদি ইউরোপের আটটি দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রস্তাবের বিরোধিতা করে, তবে ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি সেসব দেশ থেকে আমদানি করা সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। ভন ডার লিয়েন তার ভাষণে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক রাজ্যের পাশে পূর্ণ সংহতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং তাদের সার্বভৌমত্ব আলোচনার অযোগ্য। তার এই বক্তব্যে সমর্থন জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি। তিনি বলেন, ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫-এর প্রতি কানাডার অঙ্গীকার অটল। কারনি বলেন, আমরা গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের পাশে দৃঢ়ভাবে আছি এবং গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের তাদের অনন্য অধিকারকে পুরোপুরি সমর্থন করি। ম্যাক্রন তার বক্তব্যে বলেন, তিনি ‘বুলিংয়ের চেয়ে সম্মান’ এবং ‘বর্বরতার চেয়ে আইনের শাসন’-কেই বেশি পছন্দ করেন।
এর আগে মঙ্গলবার ট্রাম্প হুমকি দেন, ফরাসি ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। কারণ হিসেবে বলা হয়, ম্যাক্রন গাজা নিয়ে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’ নিয়ে ইসরায়েল কেন এত ক্ষুব্ধ
ট্রাম্প আগামীকাল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় দাভোস ফোরামে নবগঠিত ‘শান্তি পর্ষদ’ উন্মোচনের পরিকল্পনা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মতো ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্ররা এ পর্ষদে আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ধনকুবের মার্ক রোয়ানও এ পর্ষদের সদস্য। এ ছাড়া মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ প্রথম বিশ্বনেতা হিসেবে তাঁর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন।
শান্তি পর্ষদের সনদে গাজার উল্লেখ নেই। তবে মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মারওয়া মাজিয়াদ মনে করেন, ট্রাম্প নিশ্চিতভাবে বিধ্বস্ত গাজাকে শান্তি পর্ষদের প্রথম ‘কার্যক্রম বাস্তবায়ন কেন্দ্র’ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
মাজিয়াদ বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) এই পর্ষদ গঠনের ধারণাটি প্রথমে গাজায়, তারপর ভেনেজুয়েলা ও ইউক্রেনে বাস্তবায়ন করতে চান। তিনি বিভিন্ন দেশে যাবেন এবং তাদের বলবেন পর্ষদে যোগ দিতে, না হলে যুদ্ধ বা সংঘাতের মুখোমুখি হতে হবে।’
মার্ক রোয়ান, স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের মতো কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’–এ সদস্য হিসেবে আছেন।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক আলোচক আরন ডেভিড মিলার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, এতে গাজায় যুদ্ধবিরতি টেকসহ করার গুরুত্ব থেকে মানুষের মনোযোগ সরে যাবে।
মিডল ইস্ট আইকে ডেভিড মিলার বলেন, ‘এটি এমন সমাধান, যা আমাদের দরকার নেই।’
মিলার আরও বলেন, ‘গাজার ক্ষেত্রে এখন যেটা দরকার তা হলো—ট্রাম্প যেন ইসরায়েলের ওপর নিজের প্রভাব খাটান। আবার একইভাবে কাতার, তুরস্ক ও মিসর যেন হামাসের ওপর তাদের প্রভাব ব্যবহার করে।’
মিলারের মতে, ট্রাম্প যদি গাজায় নতুন আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের নিয়ে আসেন, তবে সেটিকে নেতানিয়াহুর কাছে পরাজয়ের মতো মনে হবে।
মিলার বলেন, ‘যদি গাজার আন্তর্জাতিকীকরণ করা যায়, তবে ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের আন্তর্জাতিকীকরণ কেন নয়? আর এটাই নেতানিয়াহু একদমই চান না।’
শান্তি পর্ষদে ধনকুবের রোয়ানের পাশাপাশি সাইপ্রাসের বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি ব্যবসায়ী ইয়াকির গ্যাবেও জায়গা পেয়েছেন।
ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’ কী এবং কারা গাজা শাসন করবে
শান্তি পর্ষদে তুরস্ক ও কাতারের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাঁরা হলেন—কাতারের কূটনীতিক আলি আল-থাওয়াদি ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
গত সোমবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় বলেছে, ‘উপদেষ্টা পরিষদ গঠন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুদের সঙ্গে আমাদের কিছু মতবিরোধ রয়েছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’
যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে কাতার হামাসের নেতা ও সদস্যদের আশ্রয় দিচ্ছে। আর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান তাঁদের ‘স্বাধীনতা সংগ্রামী’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশংসা করেছেন। এ ছাড়া ফিদান ও আল-থাওয়াদি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে সরাসরি কাজ করছেন।
সাবেক তুর্কি গোয়েন্দা কর্মকর্তা ফিদান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারাকে আন্তর্জাতিকভাবে পুনর্বাসিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। আর নেতানিয়াহু সিরিয়ায় নিজস্ব প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন।
থাওয়াদি একজন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কাতারি কূটনীতিক। তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। গত সেপ্টেম্বরে দোহায় হামাসের মধ্যস্থতাকারী কর্মকর্তাদের ওপর হামলার জন্য নেতানিয়াহুকে কাতারের আমিরের কাছে ক্ষমা চাইতে হয়েছিল।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে ক্ষমা চেয়েছিলেন নেতানিয়াহু। ওই সময় তোলা ছবিতে থাওয়াদিতে হোয়াইট হাউসে বসে থাকা অবস্থায় দেখা গেছে।
মাজিয়াদ মিডল ইস্ট আইকে বলেন, পর্ষদে তুরস্ক ও কাতারের অন্তর্ভুক্তি ইসরায়েলের জন্য উদ্বেগের। কারণ, এতে ভবিষ্যতে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’–এর আওতায় তুর্কি ও কাতারি সেনাদের গাজায় পাঠানো হতে পারে।
এই বাহিনীকে গত নভেম্বরে জাতিসংঘ অনুমোদন দিয়েছে। তবে বাহিনীর আওতায় সেনাদের মোতায়েন কাজ এখনো শুরু হয়নি। কারণ, আরব ও মুসলিম দেশগুলো ইসরায়েলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজি নয়।
তুর্কি সেনাদের গাজায় পাঠানোর সম্ভাবনা কতটুকু
মারওয়া মাজিয়াদ বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা তুর্কি ও কাতারি বাহিনীকে মোতায়েন দেখার আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। দুই দেশই সেনা পাঠাতে ইচ্ছুক। এটা ভালো। এ সময় তারা মিসরীয়দের সঙ্গে কোনো সমস্যা ছাড়াই কাজ করতে পারবে।’
গাজা ‘শান্তি পর্ষদের’ আরেক সদস্য হলেন মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান জেনারেল হাসান রাশাদ।
সোমবার ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘গাজা অঞ্চলে তুর্কি বা কাতারি কোনো সেনা থাকবে না।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক আলোচক মিলার বর্তমানে কার্নেগি এন্ডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসে কর্মরত। তাঁর মতে, নেতানিয়াহু মূলত তাঁর দেশের মানুষদের উদ্দেশ করে এ বক্তব্য দিয়েছেন।
মিলার বলেন, কাতারি ও তুর্কিদের পর্ষদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ট্রাম্প দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন।
তবে মিলারের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে অনেক বিরোধ তৈরি হয়েছে ঠিকই, তবে তা ছোটখাটো সমস্যা—সত্যিকারের ফাটল নয়।
জাতিসংঘের সাবেক দূত নিকোলাই মালাডেনভকে গাজায় ‘উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছে হোয়াইট হাউস। তিনি শান্তি পর্ষদ এবং গাজা প্রশাসনের জাতীয় কমিটির মধ্যে মূল সংযোগকারী হিসেবে কাজ করবেন।
গাজা প্রশাসনের জাতীয় কমিটি হলো এমন একটি কমিটি, যেটি প্রযুক্তিগতভাবে গঠিত। মূলত, গাজা উপত্যকাকে পরিচালনার জন্য ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০২০ সালে কুশনার যখন আব্রাহাম অ্যাকর্ডস–এর আলোচনায় অংশ নেন, তখন মালাডেনভ তাঁর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। আরব ও পশ্চিমা কর্মকর্তারা এর আগে মিডল ইস্ট আইকে বলেছেন, ওই আব্রাহাম অ্যাকর্ডস–এর আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদান ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে।
একসময় হামাসের কাছ থেকেও প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন মালাডেনভ। তিনি ব্যাপকভাবে একজন দক্ষ কূটনীতিক হিসেবে সুপরিচিত।
গত অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ এখন বিভক্ত। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইসরায়েল। আর বাকি অংশ হামাসের নিয়ন্ত্রণে।
মিলার মনে করেন, মাঠ পর্যায়ে কঠোর কূটনীতি না চালালে দাভোসে যত বড় আলোচনাই হোক না কেন, তা বাস্তবতাকে পাল্টাতে পারবে না।
রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের একটি উদ্ধৃতিকে সামনে টেনে মিলার বলেন, ‘সিজার বলেছিলেন যে গল অঞ্চল তিন ভাগে বিভক্ত। ঠিক তেমনি গাজা দুটি ভাগে বিভক্ত। এই বিভাজন আরও শক্তপোক্ত হতে যাচ্ছে।’
![]() |
| মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ছবি: এএফপি ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েল ও সোমালিল্যান্ডের এই ‘মধুর সম্পর্ক’ কেন by ফয়সাল আলী
ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রয়েছে ইয়েমেনের হুতিরাও রয়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীটির নেতা আবদেল-মালিক আল-হুতি ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তকে একটি ‘শত্রুতামূলক অবস্থান’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং সতর্ক করেন যে, সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলের যেকোনো উপস্থিতিকে সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে।
এই মাসের শুরুতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার সোমালিল্যান্ড সফর করেন। তাঁর ভ্রমণসূচিতে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বেরবেরাকে অন্তর্ভুক্ত করলে হুতিদের সেই উদ্বেগ আরও জোরালো হয়। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সফরের পর এক বিবৃতিতে জানান, নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টি তাঁদের আলোচ্যসূচিতে ছিল।
সোমালিল্যান্ডের কর্মকর্তারাও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তারা তাঁদের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতির সম্ভাবনার বিষয়ে ইতিবাচক। যদি এটি বাস্তবায়িত হয়, তবে ইসরায়েল সরাসরি এডেন উপসাগরের অপর পাড়ে হুতিদের মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসবে।
হুতিদের সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোমালিল্যান্ডের দেওয়া এই স্বীকৃতি ইসরায়েলের এক বৃহত্তর নীতি পরিবর্তনের অংশ। ইরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পর, ইসরায়েল এখন গোপন রাষ্ট্রীয় যোগাযোগের চেয়ে বিকল্প পক্ষগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার দিকে ঝুঁকছে।
২৬ ডিসেম্বর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতার স্বীকৃতির এই ঘোষণা দেন, তখন তিনি প্রকাশ্যে মোসাদ পরিচালক ডেভিড বার্নিয়াকে ধন্যবাদ জানান। এর মধ্য দিয়ে সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্কের পেছনে গোয়েন্দা সংশ্লিষ্টতার দিকেই ইঙ্গিত করেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লোহিত সাগরের দক্ষিণাঞ্চলে হুতিদের পক্ষ থেকে ক্রমবর্ধমান হুমকির কারণেই এই সময়টিকে বেছে নিয়েছে ইসরায়েল। গাজায় যুদ্ধের সময় থেকেই ইসরায়েল ও হুতিদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে হুতিরা ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে এবং লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
বেরবেরা বন্দর: এক কৌশলগত কেন্দ্র
সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে বেরবেরাকে নিয়ে। এডেন উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত এই শহরটি লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বারে এক অনন্য কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে অটোমান, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ২০১৭ সাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত এখানে অবস্থান শক্ত করেছে। এই বন্দরটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত নৌপথের পাশে অবস্থিত এবং হুতি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেন থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৫০০ কিলোমিটার (৩০০ মাইল)।
ইসরায়েলের ‘ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ’ (আইএনএসএস)-এর একটি মূল্যায়ন অনুযায়ী, সোমালিল্যান্ডের ভূখণ্ডকে ইসরায়েল বহুমুখী অভিযানের জন্য ব্যবহার করতে পারে: ১. হুতিদের কার্যক্রম ও অস্ত্রশস্ত্রের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি। ২. ইয়েমেনের স্বীকৃত সরকারকে কৌশলগত সহায়তা প্রদান। ৩. সরাসরি হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর প্ল্যাটফর্ম।
‘প্রয়োজনের তাগিদে’ সোমালিল্যান্ডের অবস্থান
সোমালিল্যান্ডের জন্য ইসরায়েলের এই কূটনৈতিক সমর্থন এক নাজুক সময়ে এসেছে। ২০২৩ সালে লাস আনোদ শহরটি বিরোধী বাহিনীর কাছে হারানোর ফলে তারা সামরিকভাবে পিছিয়ে পড়ে। এ ছাড়া সোমালিয়ার ফেডারেল সরকার আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ ও ভিসা বিধিনিষেধের মাধ্যমে তাদের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদিল্লাহির প্রশাসন ১৯৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে কূটনৈতিক স্বীকৃতির বিনিময়ে কৌশলগত সহযোগিতা ও প্রবেশাধিকারের প্রস্তাব দিয়েছিল। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট জানান, একমাত্র ইসরায়েলই সেই চিঠির সাড়া দিয়েছে।
স্বার্থ যেখানে গিয়ে এক হয়েছে
সোমালিল্যান্ডে বেশির ভাগ মানুষ ইসরায়েলের সঙ্গে এই চুক্তিকে সমর্থন করেছেন। তারা নিজেদের পশ্চিমা মিত্র হিসেবে তুলে ধরতে চায়—যেমনটি তারা তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে করেছে। তারা চীন, ইরান এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের বিপরীতে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতে আগ্রহী।
সাবেক ইসরায়েলি কূটনীতিক অ্যালন লিয়েল আল-জাজিরাকে বলেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য কেবল ইয়েমেনে হামলা চালানোর ঘাঁটি পাওয়া নয়; বরং গাজা যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিকভাবে যে বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে নতুন মিত্র খুঁজে পাওয়া এবং নিজের প্রভাব বজায় রাখা।
সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে ইসরায়েল সফরে যেতে রাজি হয়েছেন, যেখানে একটি দূতাবাস খোলার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মাহমুদ ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে সোমালিল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে এই বড় কূটনৈতিক অগ্রগতির পর সোমালিল্যান্ডের নেতারা এখন আর সোমালিয়ার সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী নন।
* ফয়সাল আলী, সোমালিয়া ও পূর্ব আফ্রিকার বিষয়ে লেখালিখি ও সাংবাদিকতা করেন। দ্য গার্ডিয়ান ও টিআরটি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন।
- আলজাজিরা থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনুবাদ।
![]() |
| সোমালিল্যান্ডের সেনাবাহিনী। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় নৃশংসতা: আত্মহত্যা বাড়ছে ইসরায়েলি সেনাদের
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এতে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। সেদিন থেকেই উপত্যকাটিতে টানা নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতিতে যায় হামাস–ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় উপত্যকাটিতে ৭১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা সংঘাতের কারণে ইসরায়েলি সেনাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তাঁদের পিএসটিডি বা মানসিক রোগের পরিমাণ ৪০ শতাংশ বেড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৮ সাল নাগাদ তা বেড়ে ১৮০ শতাংশ হবে। গাজায় আগ্রাসনে আহত ২২ হাজার ৩০০ সেনার ৬০ শতাংশ পিএসটিডিতে ভুগছেন।
ইসরায়েলের এমেক মেডিকেল সেন্টারে সংঘাতফেরত সেনাদের ওপর গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন মনোবিজ্ঞানী রোনেন সিদি। তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনারা সাধারণত দুই কারণে পিএসটিডিতে ভুগছেন। একটি হলো সংঘাতের সময় মৃত্যুর ভয়। অপরটি হলো নৈতিক আঘাত। অর্থাৎ সংঘাতের সময় তাঁরা এমন সব কর্মকাণ্ড করেছেন, যার ফলে এখন এসে মানসিক পীড়নে ভুগছেন।
ইসরায়েলের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ম্যাকাবির ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন ইসরায়েলি সেনাদের ৩৯ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্যসহায়তা চাইছেন। আর ২৬ শতাংশ নিজেদের দুশ্চিন্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। গাজা সংঘাতে অংশ নেওয়া এক সেনা বলেন, সংঘাত এখন কমে এলেও দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকেন তিনি।
ইসরায়েলি পার্লামেন্ট কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ২৭৯ জন ইসরায়েলি সেনা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। এটি আগের বছরগুলোর তুলনায় বেশি। এ ছাড়া ২০২৪ সালে ইসরায়েলে যতজন আত্মহত্যা করেছেন, তাঁদের ৭৮ শতাংশই সংঘাতে অংশ নেওয়া ইসরায়েলি সেনা। চিকিৎসা না দিলে এই হার আরও বাড়বে বলে শঙ্কা রোনেন সিদির।
ইসরায়েলের নৃশংসতায় গাজার বেশির ভাগ ধ্বংস হয়ে গেছে। ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি বারবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। খাবার, আশ্রয় ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকটে ভুগছেন তাঁরা। ফিলিস্তিনি চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের পর দিন চরম আতঙ্কের মধ্যে কাটানোর পর গাজার বাসিন্দারা এখন ভয়াবহ মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছেন।
![]() |
| ইসরায়েলের একজন সেনাসদস্য। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুমিল্লায় রাতের আঁধারে কাটা হলো শতবর্ষী ৭টি গাছ, নগরবাসীর ক্ষোভ
এ ছাড়া কুমিল্লা ইপিজেডের সীমানাপ্রাচীর লাগোয়া এলাকা থেকে ৫ থেকে ১০ বছর বয়সী অন্তত ৩০টি বিভিন্ন ধরনের গাছ কাটা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকেরা।
টমছমব্রিজ-মেডিক্যাল কলেজ সড়কের পাশে আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের মূল ফটকের দুই পাশে শতবর্ষী দুটি রেইনট্রি গাছ ছিল। বিশালাকৃতির গাছগুলো দেখে সবাই মুগ্ধ হতেন। আজ বেলা ১১টার দিকে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, গাছগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। সড়কের ডান পাশে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় ঘেঁষে পড়ে আছে বড় বড় কয়েকটি গুঁড়ি।
উপজেলা পরিষদ থেকে একটু সামনে যেতেই হাউজিং এস্টেট গোলমার্কেট সড়কের মাথায় ২০০ বছরের বেশি পুরোনো একটি বটগাছ ছিল। আজ বুধবার সরেজমিন দেখা গেল, গাছটির গোড়ার অংশ উপড়ে ফেলে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ঢুলিপাড়া এলাকায় নার্সারির সামনে ও কুমিল্লা কেটিসিসির সামনে আরও দুটি শতবর্ষী রেইনট্রি গাছ কাটা হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, প্রায় ২০ দিন আগে রাতের আঁধারে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়। পরে টুকরা টুকরা করে নিয়ে যাওয়া হয়। গাছগুলো পুরো এলাকায় ছায়া দিত। টমছমব্রিজ-মেডিক্যাল কলেজ সড়ক প্রশস্ত করার কাজ চলছে। ওই কাজের জন্য গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে তাঁরা জানেন।
টমছমব্রিজ-মেডিক্যাল কলেজ সড়কটি সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের আওতাধীন। বর্তমানে সড়কটির উন্নয়নকাজ করছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন।
গাছগুলো কারা কেটেছে জানতে চাইলে সওজের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘সড়কটি সওজের হলেও সিটি করপোরেশন আমাদের না জানিয়ে গত বছর দরপত্র আহ্বান করে। এরপর ঠিকাদার কাজও শুরু করেন। পরে আমাদের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে এবারের জন্য তাদের উন্নয়নকাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। গাছগুলো কীভাবে কাটা হয়েছে, সেটা আমি বলতে পারব না। এ নিয়ে সিটি করপোরেশনই ভালো বলতে পারবে।’
জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন-উদ্দিন চিশতী প্রথম আলোকে বলেন, ‘সিটি করপোরেশন বা চলমান কাজের ঠিকাদার কোনো গাছ কাটেননি। গাছগুলো সওজ নিলামের মাধ্যমে ২০২০ সালে বিক্রি করলে কেটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সওজের বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী হয়তো বিষয়টি জানেন না। এ জন্য তিনি বলতে পারছেন না। যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে জেনেছেন। এখন সিটি করপোরেশন কাজ করছে বলে অনেকে মনে করছেন, তারা গাছগুলো কেটেছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, সিটি করপোরেশন এ বিষয়ে কিছুই জানে না।’
আদর্শ সদর উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম সড়ক প্রশস্ত করতে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। পরে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি। কাগজপত্র ঘেঁটে জানতে পেরেছি, ২০২০ সালে মোট সাতটি পুরোনো গাছ নিলামের মাধ্যমে কেটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করে সওজ। সাতটি গাছের মধ্যে দুটি মেহগনি আর বাকি পাঁচটি রেইনট্রি। বটগাছটি বুনো গাছ হওয়ায় সেটি নিলামের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ওই সাতটি গাছের মধ্যে একটি কোনো কারণে কয়েক বছর আগে কেটে ফেলা হয়েছিল। এখন ছয়টি কাটা হয়েছে। এগুলো সওজের নিলামে পাওয়া ঠিকাদার বা তাঁর পক্ষের লোকজনই কেটেছেন বলে জেনেছি।’
২০২০ সালের নিলামে ২০২৬ সালে কীভাবে গাছ কাটা হচ্ছে—জানতে চাইলে সওজের কুমিল্লার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আদনান ইবনে হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিলামে এসব গাছকাটার প্রক্রিয়া শুরু হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কয়েক বছর সময় লাগে। এই ক্ষেত্রেও তেমনটা হতে পারে, এটা অস্বাভাবিক কিছু না।’
শতবর্ষী গাছ কাটায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লার ইতিহাস গবেষক আহসানুল কবীর। তিনি বলেন, ‘গাছগুলো ঠিক কবে লাগানো হয়েছে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। আকার দেখেই বোঝা যায়, এগুলো শতবর্ষী। নিলামের ছয় বছর পর কীভাবে গাছগুলো কাটা হলো, এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যাখ্যা দেওয়া দরকার। ২০০ বছরের পুরোনো বটগাছটি না কাটলেও পারত। এভাবে শতবর্ষী গাছ কেটে ফেলার আগে বেশি করে গাছ লাগানোর দরকার ছিল। তা না করে উল্টো পরিবেশের বারোটা বাজানো হচ্ছে।’
![]() |
| কেটে ফেলা শতবর্ষী গাছের গুঁড়ি পড়ে আছে সড়কে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লা নগরের টমছমব্রিজ-মেডিকেল কলেজ সড়কের আদর্শ সদর উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে। ছবি: আবদুর রহমান |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ
গ্রিনল্যান্ডকে দখলে নিতে সোমবার ট্রাম্প সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও নাকচ করেননি এবং বৃটেনসহ ন্যাটোর সাত মিত্র দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি কার্যকর করার বিষয়ে অনড় থাকার কথা জানান। গ্রিনল্যান্ড দখলে তিনি বলপ্রয়োগ করবেন কিনা- এনবিসি নিউজের এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য নেই। তিনি বলেন, বৃটেন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো ‘যেকোনো ও সব পণ্যের’ ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে। তা ১লা জুন থেকে বেড়ে ২৫ শতাংশ হবে, যতক্ষণ না ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে কোনো সমঝোতা হয়। ট্রাম্প জানান, একই নীতি ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ডের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এ দেশগুলো সবাই ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য।
শুল্কের হুমকি সত্যিই কার্যকর করবেন কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প এনবিসিকে বলেন, আমি করবো ১০০ শতাংশ। তিনি আরও বলেন, ইউরোপের উচিত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দিকে মনোযোগ দেয়া। সত্যি বলতে, দেখুন তারা এতে কী অর্জন করেছে। ইউরোপের মনোযোগ সেখানেই থাকা উচিত, গ্রিনল্যান্ডে নয়। ওদিকে ডেনমার্ক সতর্ক করে বলেছে, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ ন্যাটোর সমাপ্তি ডেকে আনতে পারে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইউরোপীয় মিত্ররা গ্রিনল্যান্ডের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। কয়েকটি দেশ প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে গত সপ্তাহে সেখানে অল্পসংখ্যক সেনাও পাঠিয়েছে। তবে এই মোতায়েনের পরপরই ট্রাম্প ওই আট ন্যাটো মিত্রের ওপর শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন স্কাই নিউজকে বলেন, ইউরোপকে দেখাতে হবে যে, শুল্কের হুমকি সঠিক পথ নয়। তিনি বলেন, আমাদের কিছু সীমারেখা আছে যা অতিক্রম করা যাবে না। আপনি হুমকি দিয়ে গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নিতে পারেন না। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।
ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে বলেন, জোট আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে জরুরি শীর্ষ সম্মেলন ডেকেছে। সেখানে নেতারা গ্রিনল্যান্ড দখলের সর্বশেষ হুমকির জবাব কী হবে তা নিয়ে আলোচনা করবেন। ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস বলেন, আমাদের ঝগড়া করার কোনো আগ্রহ নেই। তবে আমরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখবো। তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিক হুমকি কোনো সমাধান নয়। সার্বভৌমত্ব কোনো বেচাকেনার বিষয় নয়।
এর মধ্যেই ট্রাম্প ও নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্তোরের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার জন্য নরওয়ে দায়ী। স্তোরে ব্যাখ্যা করেন, পুরস্কারটি নরওয়ে সরকার নয়, একটি স্বাধীন কমিটি দেয়। গত অক্টোবরে যা ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে দেয়া হয়েছে। স্তোরে আরও লিখেছেন, গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে নরওয়ের অবস্থান স্পষ্ট। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্ক রাজ্যের অংশ এবং এ বিষয়ে নরওয়ে ডেনমার্ককে পূর্ণ সমর্থন দেয়।
সোমবারের সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আবারো দাবি করেন, নরওয়েই আসলে নোবেল পুরস্কার পুরো নিয়ন্ত্রণ করে, তারা যা-ই বলুক। তারা বলে সরকারের কিছু করার নেই। কিন্তু বাস্তবে সবকিছুই তাদের হাতে। এদিকে উত্তর আমেরিকার যৌথ প্রতিরক্ষা সংস্থা নোরাড সোমবার জানিয়েছে, একাধিক সামরিক বিমান গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসের দিকে যাচ্ছে। সংস্থাটি বলেছে, এগুলো দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত নোরাড কার্যক্রমের অংশ এবং ডেনমার্কের সঙ্গে সমন্বয় করেই পরিচালিত হচ্ছে; গ্রিনল্যান্ড সরকারকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। ২০২২, ২০২৩ ও গত বছরেও একই ধরনের নোরাড অভিযান ওই ঘাঁটিতে পরিচালিত হয়েছিল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাখোঁর ব্যক্তিগত বার্তার স্ক্রিনশট ফাঁস করলেন ট্রাম্প, কী আছে তাতে
আজ মঙ্গলবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ওই স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন ট্রাম্প। পোস্টের শিরোনাম—‘ফ্রান্সের হয়ে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর বার্তা।’ স্ক্রিনশটে থাকা বার্তা যে সঠিক, তা সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে নিশ্চিত করেছে মাখোঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র। তবে বার্তাটি কবে পাঠানো, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্ক্রিনশটের থাকা বার্তার শুরুতেই লেখা—‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ।’ এরপর তাতে লেখা—‘আমার বন্ধু, সিরিয়ার বিষয়ে আমরা পুরোপুরি একমত। ইরান নিয়ে আমরা বড় কাজ করতে পারি। আমি বুঝতে পারছি না, আপনি গ্রিনল্যান্ডে কী করছেন। চলুন বড় কিছু করার চেষ্টা করি।’
বার্তায় ‘বড় কিছুর’ তালিকাও তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমেই মাখোঁ বলেছেন, সুইজারল্যান্ডের দাভোস শহরে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার প্যারিসে জি–৭ সদস্যদেশগুলোকে নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করতে পারেন তিনি। সেখানে ইউক্রেন, ডেনমার্ক ও রাশিয়ার প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানাবেন। এরপর প্যারিসে ট্রাম্পকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান মাখোঁ।
গ্রিনল্যান্ড দখল করা নিয়ে ট্রাম্পের একের পর এক হুমকির বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বেশির ভাগ নেতাই সোচ্চার। তবে সবচেয়ে কঠোর হয়েছেন মাখোঁ। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী বাণিজ্যিক হাতিয়ার ব্যবহারের জন্য চাপ দিচ্ছেন। এ ছাড়া ডেনমার্কের সমর্থনে গ্রিনল্যান্ডে ফরাসি সেনাও পাঠাচ্ছেন মাখোঁ।
ট্রাম্পও মাখোঁর বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ফিলিস্তিনের গাজা পরিচালনায় তদারকির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যে ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদ গঠন করা হচ্ছে, তাতে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে রাখতে চান না তিনি। ইসরায়েলের হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় জাতিসংঘের ভূমিকার ওপর এই বোর্ডের প্রভাব পড়বে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্যারিস।
বোর্ড অব পিস নিয়ে ফ্রান্সের অবস্থান সম্পর্কে ট্রাম্পের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকেরা। জবাবে তিনি বলেন, ‘তিনি কি এটি বলেছেন? ভালো কথা, তাঁকে কেউ চান না। কারণ, খুব শিগগির তাঁকে পদ ছাড়তে হবে। তাঁর ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর আমি ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব।’
![]() |
| মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1265)
-
▼
January
(307)
-
▼
Jan 21
(9)
- ইসরায়েলের সঙ্গে ২০২৫ সালে কোন দেশ কত বড় চুক্তি করেছে
- ইরানে আন্দোলনে মধ্যবিত্তের ভূমিকা কেন নির্ধারক হয়ে...
- গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে অনড় ট্রাম্প: পিছু হটার কোনো ...
- ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’ নিয়ে ইসরায়েল কেন এত ক্ষুব্ধ
- ইসরায়েল ও সোমালিল্যান্ডের এই ‘মধুর সম্পর্ক’ কেন by...
- গাজায় নৃশংসতা: আত্মহত্যা বাড়ছে ইসরায়েলি সেনাদের
- কুমিল্লায় রাতের আঁধারে কাটা হলো শতবর্ষী ৭টি গাছ, ন...
- মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ
- মাখোঁর ব্যক্তিগত বার্তার স্ক্রিনশট ফাঁস করলেন ট্রা...
-
▼
Jan 21
(9)
-
▼
January
(307)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





