Sunday, February 11, 2018
‘ব্যাটেলিং বেগমদের’ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ by জাস্টিন রাওলাত

দেশে সবচেয়ে শীর্ষে থাকা দু’নারীর মধ্যে কয়েক দশক ধরে চলছে লড়াই। বাংলাদেশের বিরোধী দল বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়াকে শাস্তি দেয়া হলো তার সর্বশেষ সুবিধা নেয়া। বাংলাদেশিরা তাদের ‘ব্যাটেলিং বেগম’ নামে অভিহিত করেন। ‘বেগম’ শব্দটি মুসলিম নারীদের উচ্চ পদ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে যে সংঘাত তা নারীসুলভ কিছু নয়।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ঘোর বিরোধী বিএনপির খালেদা জিয়ার মধ্যে ভয়াবহ শত্রুতা দেশকে সহিংসতার সর্পিল পথে টেনে নিয়ে গেছে। বাসে বোমা মারা, গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যাকা- বিরক্তিকরভাবে নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে ঘটনা সব সময় এমন ছিল না। তারা (হাসিনা-খালেদা) ১৯৮০ দশকে সামরিক স্বৈরশাসক জেনারেল (অব.) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে উৎখাত করে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রকৃতপক্ষেই একসঙ্গে কাজ করেছেন। দু’নারীই রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরাধিকারী। তিক্ত এক যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে পাকিস্তানের কাছ থেকে। ওই স্বাধীনতা যুদ্ধে শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিদের উত্তরাধিকারী তারা।
এরপরে ট্র্যাজেডি তাদের দু’জনকেই রাজনীতিতে নিয়ে এসেছে। শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের জাতির জনক, স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দেখা হয়। তিনি ছিলেন দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তাকে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালে। অন্যদিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ডার, স্বাধীনতার অন্য এক নায়ক জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া। জিয়াউর রহমান ১৯৭০ দশকের শেষের দিকে গঠন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তিনি প্রেসিডেন্ট হন ১৯৭৭ সালে। তাকেও হত্যা করা হয় ১৯৮১ সালে।
কিন্তু এই দুই নারী এরশাদকে পরাজিত করতে নিজেদের শক্তি এক করে লড়াই করলেও তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে লেগে পড়েন। ১৯৯০ দশকের শুরু থেকে তাদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ক্ষমতার পালাবদল হয়। এই মুহূর্তে শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ একেবারে শীর্ষে রয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে তারা ভীষণ সাহস দেখিয়েছেন। আর নিষ্ঠুরভাবে ক্ষমতা সুরক্ষিত করেছেন। শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন, এমনকি নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ভোট নেয়া শুরুর আগেই তিনি বিজয়ী হয়েছেন। এটা এ জন্য নয়, তার নেতাকর্মীরা ব্যালট বাক্স ভরাট করেছে। তিনি এমনভাবে জিতেছেন কারণ নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। এর ফলে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ৩০০ আসলের জাতীয় সংসদে ১৫৩টি আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আর এর ফলে দলটি সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
বাংলাদেশি রাজনীতির একজন পর্যবেক্ষককে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যখন প্রধান বিরোধী দলের প্রার্থীরা সরে গেলেন তখন অন্য প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি?
আমার প্রশ্ন শুনে তিনি বড় করে একটি দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। বললেন, অবশ্যই তারা করেছিল। তারা শুধু মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিল। অথবা তাদের দিয়ে সেটা করানো হয়েছিল।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন প্রভাবিত হওয়া ক্যারেক্টার অনেক।
গত নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর শেখ হাসিনা তার বিরোধী পক্ষ বিএনপির নেতাকর্মীদের পিছু নেন। তিনি তাদের জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেন।
এর ওপর আগামী ডিসেম্বরে নতুন আরেকটি নির্বাচন। তার আগে এ সপ্তাহে খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের জন্য জেল দেয়া হয়েছে। এতে খালেদা জিয়াকে ওই নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার চেষ্টা হতে পারে। আর তা হলে শেখ হাসিনা চতুর্থ দফায় বড় বিজয় পাবেন। এর কারণ, বাংলাদেশের আইনের অধীনে কোনো ব্যক্তিকে যদি দুই বছরের বেশি সাজা দেয়া হয় তাহলে তিনি রাজনৈতিক কোনো পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন খালেদা জিয়া। ফলে আদালত যদি রায়ে স্থগিতাদেশ দেন, এবং তা যতদিন বহাল থাকবে, সে সময়ে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। শাস্তি হওয়ার আগের দিন তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বলেছেন, ‘বিরোধী দলবিহীন ফাঁকা মাঠে কাউকে গোল দিতে দেয়া হবে না’। কিন্তু তিনি জানেন তার বিরুদ্ধে মামলার পাহাড় আছে। দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রদ্রোহিতা পর্যন্ত প্রতিটি অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৩০টি ফৌজদারি অভিযোগ মুলতবি আছে।
খালেদা জিয়ার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মনে করেন, খালেদা জিয়াকে ও তার দলের ক্ষতি করার উদ্দেশে এসব ঘটনা ঘটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপি নেতারা বলছেন, রায় দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির কয়েকশ’ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার ও আটক করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারবিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে খেয়ালখুশিমতো গ্রেপ্তার ও আটক বন্ধ করতে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ঠেকানোর মাধ্যমে সরকার মতপ্রকাশের অধিকার ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার লঙ্ঘন করছে বলেও দাবি করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। রায়কে কেন্দ্র করে রাস্তায় নেমে আসা খালেদা জিয়ার কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে এবং লাঠিচার্জ করেছে। এক্ষেত্রে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়াবিষয়ক পরিচালক ব্রাড এডামস। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার দাবি করে তারা উদার ও গণতান্ত্রিক। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে এভাবে দমন করার মাধ্যমে তাদের সেই দাবি অন্তঃসারশূন্য হয়ে গেছে।
তবে প্রকৃত সত্য হলো, দুই বেগম ও তাদের মধ্যকার সীমাহীন লড়াইয়ে ক্রমশ ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন অনেক বাংলাদেশি।
আপনি যদি বাংলাদেশের রাস্তায় কোনো ক্যাফেতে রাজনীতি নিয়ে কথা বলা শুরু করেন তাহলে আপনি সব সময়ই একই রকম কণ্ঠ শুনতে পাবেন। একই রকম মত পাবেন। বাংলাদেশিরা মনে করছেন এই ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে তারা শেষ হয়ে যাচ্ছেন। এই ব্যক্তিগত শত্রুতাই এখন রাজনীতিতে বড় ঘটনা। এতেও বাংলাদেশের রাজনীতির প্রাণকেন্দ্রে আছেন এই দু’নারী। তারা থামবেন না, যদিও তাদের বয়স এখন ৭০ উত্তীর্ণ। কিন্তু কেউই সরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত নন।
বৃহস্পতিবার তিনি আদালত ছেড়ে যাওয়ার সময় ক্রন্দনরত আত্মীয়-স্বজন ও নেতাকর্মীদের বলেছেন- আমি ফিরে আসবো। কান্না করো না।
(জাস্টিন রাউলাত, বিবিসির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক করেসপন্ডেন্ট। অনলাইন বিবিসিতে প্রকাশিত তার লেখার অনুবাদ)
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ায় ইসরাইলের প্রবল হামলা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাইওয়ানে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিয়ার ভূমিকা : ইতিহাস কী বলে by এ কে এম এনামুল হক

১৫ আগস্টের ক্যু এবং নভেম্বর বিপ্লব
‘আমার বাইরের ঘরের দরজায় ধাক্কাধাক্কিতে ঘুম ভাঙতেই আমি ভাবলাম, কি হচ্ছে! এত সকালে দরজার ওপর এরকম ধাক্কাধাক্কি! দ্রুত গিয়ে দরোজা খুলে দিতেই যা দেখলাম, তার জন্য তৈরি ছিল না সদ্যঘুমভাঙা চোখ। আমার একটু দূরে দাঁড়িয়ে মেজর রশিদ (পরে লে: কর্নেল (অব:) সশস্ত্র। তার পাশে আরো দুইজন অফিসার। প্রথমজন মেজর হাফিজ, আমার ব্রিগেড মেজর, অন্যজন লে. কর্নেল আমীন আহমদ চৌধুরী আর্মি হেড কোয়ার্টাসে কর্মরত। তাদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই। মনে হলো, এ দুইজনকে জবরদস্তি করে ধরে আনা হয়েছে। আমার চমক ভাঙার আগেই রশিদ উচ্চারণ করল ভয়ঙ্কর একটি বাক্য- উই হ্যাভ কিলড শেখ মুজিব। অস্বাভাবিক একটা কিছু যে ঘটেছে সেটা আগন্তুকদের দেখেই বুঝেছি। তাই বলে একি শুনি! আমাকে আরো হতভম্ব করে দিয়ে রশিদ বলে যেতে লাগল, উই হ্যাভ টেকেন ওভার দ্য কন্ট্রোল অব দ্য গভর্নমেন্ট আন্ডার দ্য লিডারশিপ অব খন্দকার মোশতাক।’ মেজর রশিদ ছিল আমার অধীনস্থ আর্টিলারি রেজিমেন্টের অধিনায়ক। মাস খানেক আগে সে ভারত থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দেশে ফেরে। তার পোস্টিং হয় যশোর। কয়েক দিন পরই সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল শফিউল্লাহ মেজর রশিদের পোস্টিং পাল্টে তাকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে আসেন। উল্লেখ্য, এ ধরনের পোস্টিং সেনাপ্রধানের একান্তই নিজস্ব দায়িত্ব। রশিদের কথা শেষ হতে না হতেই পেছনে বেজে উঠল টেলিফোন। দরজা থেকে সরে গিয়ে রিসিভার তুললাম। ভেসে এল সেনাপ্রধান শফিউল্লাহর কণ্ঠস্বর ‘শাফায়াত, তুমি কি জান বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে কারা ফায়ার করেছে?
নভেম্বর বিপ্লব
১৫ আগস্ট ’৭৫ সালে কতিপয় সেনা অফিসার কর্তৃক বিদ্রোহের মাধ্যমে নিষ্ঠুরভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারকে হত্যার পর আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশতাক আহমদ ক্ষমতা গ্রহণ করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের বৃহৎ অংশের আনুগত্য লাভে তাকে বেগ পেতে হয়নি। তিনি বঙ্গভবনে কেবিনেটের নেতৃত্বে থাকলেও বিদ্রোহী মেজররা বঙ্গভবনেই অবস্থান করছিলেন। এ দিকে, সেনাবাহিনীতে ছিল ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। তৎকালীন চিফ অব জেনারেল স্টাফ খালেদ মোশাররফ এবং ৪৬ ব্রিগেড কমান্ডার কর্নেল শাফায়াত জামিল ২-৩ নভেম্বর ’৭৫ সালে পাল্টা ক্যু করেন সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠার নামে। যখন খালেদ-শাফায়াত সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করে রেডিও-টেলিভিশন স্টেশনের দখল নিতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ফারুক-রশিদ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করান। ৩ নভেম্বর সারা দিন প্রেসিডেন্ট মোশতাক এবং ক্যু-এর নেতাদের মধ্যে আলোচনায় বিদ্রোহী মেজরদের বাংলাদেশ বিমানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার সাপেক্ষে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পাঠিয়ে দেয়া হয় এবং তাদের বিদেশে ফরেন অফিসে চাকরি দিয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়। এ দিকে, দুপুরে জিয়ার পদত্যাগ, খালেদ মোশাররফের সেনাপ্রধান নিযুক্তি, প্রধান বিচারপতি সায়েমের প্রেসিডেন্ট পদ গ্রহণ এবং মোশতাকের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো। সেনানিবাসে ও দেশব্যাপী দ্রুত নানা গুজবের ডালপালার বিস্তার প্রসারিত হতে থাকে। সেনানিবাসে কে বা কারা উসকানিমূলক লিফলেট ছড়াল। সেনাপ্রধান জিয়াকে গৃহবন্দী করা ও অন্তরীণ করাকে সাধারণ সৈনিকেরা সঠিকভাবে গ্রহণ করেননি। তাই সেনানিবাসে বেশ উত্তেজনা দেখা দিলো। জাসদের গণবাহিনী ও বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জিয়াকে মুক্ত করে নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালায়। তারা ‘সিপাহী সিপাহী ভাই ভাই অফিসাদের কল্লা চাই’- স্লোগান দিয়ে বারো দফা দাবি উত্থাপন করে, যা ছিল সৈনিকদের সংশ্লিষ্ট। এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বেশ কিছু অফিসার ‘বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা’ কর্তৃক নিহত হন। এ দিকে, জিয়া সমর্থক সৈনিকেরা তাকে তাদের ইউনিট লাইনে নিয়ে যায়। কর্ণেল তাহের তার পরিকল্পনামতো জেনারেল জিয়াকে রেডিও-টেলিভিশনে বক্তব্য রাখতে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হলেন। তাই বলা যায়, জাসদ ও কর্নেল (অব.) তাহের তাদের মিশন বাস্তবায়নে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তারা মূলত জিয়ার ভাবমর্যাদা ব্যবহার করে দেশে এক অরাজক অবস্থা সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জিয়া ও তার অনুগতদের বিচক্ষণতায় ও ত্বরিত পদক্ষেপে তা বাস্তবায়ন করা যায়নি। তাহেরের পরিকল্পনা নিখুঁত ছিল। কিন্তু জিয়ার বুদ্ধি ও কৌশলের কাছে তাকে হার মানতে হয়। পরে এর জন্য তাকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। জাসদ ও তাহেরের হঠকারিতায় ১৭ জন অফিসার প্রাণ হারান, যারা ছিলেন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ সেনানীদের কয়েকজন। ‘৭ নভেম্বর এবং এর অব্যহিত কয়েক দিনের মধ্যে জিয়া তার একক নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। এ দিকে, তাহের ও তার রাজনৈতিক সহযোগীরা আত্মগোপন করার মাধ্যমে আত্মরক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এক পক্ষ কালের মধ্যে জাসদের উল্লেখযোগ্য নেতারা অন্তরীণ হন। আর তাদের সেনা বিদ্রোহ, অফিসার হত্যার উসকানির জন্য আইনানুগভাবে ফাঁসির দণ্ডে দণ্ডিত হতে হয়।’ কর্নেল শাফায়াত জামিল পৃ: ১৫০।তাহেরের চরম হঠকারী কর্মকাণ্ডকে এখনো কিছু জাসদ নেতা অপব্যাখ্যা দিয়ে ইতিহাস বিকৃতির আশ্রয় নিচ্ছেন।
স্বাধীনতার ঘোষণা
‘৩ মার্চ ১৯৭১ সালে। সকাল সাড়ে ৯টা। এই প্রথম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সশস্ত্রভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ার ব্যাপারে প্রথম প্রকাশ্য আলোচনা। এ দিকে, ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছিল। সামরিক বাহিনীর অন্যান্য বাঙালি অফিসাররা অস্থির হয়ে উঠছিলেন। তাদের সবার মনে একটি চিন্তা পাক খেয়ে ফিরছিল- কী করা যায়? কী করব? বিভিন্ন খবরা-খবর নিয়ে তারা বারবার ছুটে আসছিলেন মেজর জিয়ার কাছে। মেজর জিয়া ছিলেন তখনকার অষ্টম বেঙ্গল ব্যাটালিয়ানের বাঙালি অফিসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত।’ (দক্ষিণ রণাঙ্গন- মেজর রফিক)। ‘২৫ মার্চ রাত ১১টায় অষ্টম ব্যাটালিয়নের অফিসার কমান্ডিং জানজুয়া আকস্মিকভাবে মেজর জিয়ার কাছে নির্দেশ পাঠালেন- এক কোম্পানি সৈন্য নিয়ে বন্দরে যাওযার জন্য। এ আকস্মিক ও রহস্যজনক নির্দেশের অর্থ মেজর জিয়ার কাছে বোধগম্য হলো না। রাত সাড়ে ১১টায় জানজুয়া নিজে এসে মেজর জিয়াকে নৌবাহিনীর একটি ট্রাকে তুলে ষোল শহর ক্যান্টনমেন্ট থেকে বন্দরের দিকে রওয়ানা করে দেয়। কিন্তু রাস্তায় ব্যারিকেড সরিয়ে সরিয়ে যেতে তার দেরি হচ্ছিল। আগ্রাবাদে যখন একটা বড় ব্যারিকেডের সামনে বাধা পেয়ে তার ট্রাক দাঁড়িয়ে পড়ে, তখন পেছন থেকে ছুটে আসে এক ডজ গাড়ি। ক্যাপ্টেন খালেকুজ্জামান গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে আসেন মেজর জিয়ার কাছে। হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে যান রাস্তার একধারে।’ ‘পশ্চিমারা গোলাগুলি শুরু করেছে’ শহরে বহু লোক হতাহত হয়েছে। খালেকুজ্জামানের উত্তেজিত কণ্ঠস্বর থেকে কথাকটি ঝরে পড়ে। কী করবেন জিয়া ভাই এখন? মাত্র আধমিনিট গভীর চিন্তায় তলিয়ে যান মেজর জিয়া। তারপর বজ্রনির্ঘোষে বলে ওঠেন-উই রিভোল্ট।’ সাথে সাথে তিনি খালেকুজ্জামানকে ফিরে যেতে বললেন। বললেন, ব্যাটালিয়নকে তৈরি করার জন্য ক্যাপ্টেন অলি আহমদকে নির্দেশ দিতে। আর সে সাথে নির্দেশ পাঠান ব্যাটালিয়নের সব পশ্চিমা অফিসারদের গ্রেফতারে।’
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত স্কোয়াড্রন লিডার., বাংলাদেশ বিমানবাহিনী
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিথ্যা মামলায় সত্য সাক্ষী by তৈমূর আলম খন্দকার

লেখক: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা
taimuralamkhandaker@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেগম জিয়া প্রতিহিংসার শিকার by ড. আবদুল লতিফ মাসুম

লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
Mal55ju@yahoo.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্দেশ পালন : ট্রাম্প প্রশাসনে by শফিক রেহমান

আমি ছাত্রদের উত্তর দেই মূলত তিনটি বিষয় বিবেচনা করতে হবে : প্রথমত, মনে রাখতে হবে, কোনো ব্যক্তিবিশেষের চাইতে (তিনি যদি একজন প্রেসিডেন্টও হন) বেশি ইম্পরট্যান্ট হচ্ছে দেশ। আর তাই তোমার উচিত মোটামুটি কিভাবে তুমি তোমার দেশকে সেবা করতে পার সেটা সব সময় ভাবতে হবে। প্রশাসনে থাকলেও দেশের চিন্তা সবচেয়ে বেশি করবে। দ্বিতীয়ত, আমি উপদেশ দেব, এমন কোনো কাজ নিও না যেখানে প্রেসিডেন্টের সরাসরি অধীনে থাকতে হবে। আমার কোনো ছাত্রই প্রেসিডেন্টের মন্ত্রী বা উপদেষ্টা সভায় এখনই চাকরি পাবে না। আমি বলছি এমন কাজের কথা, যেটা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার নিকট বৃত্তের মধ্যে পড়ে, যেমন হোয়াইট হাউসে কোনো চাকরির কথা। এই ধরনের পদে কোনো চাকরি নিও না। আমার বলতে দুঃখ হচ্ছে, তবুও বলছি, এই প্রেসিডেন্টের সংগঠনের যত কাছাকাছি তুমি যাবে ততই তোমার সুনাম ও সততা বিষয়ে ঝুকির মধ্যে পড়তে হবে। আর তৃতীয়ত, আদর্শ ও নৈতিক কারণে যদি কোনো প্রেসিডেন্টের কোনো কাজ বা নীতির সাথে তোমার মৌলিক মতভিন্নতা হয়, তাহলে তোমার পদত্যাগ করা উচিত হবে। ছাত্রদের প্রতি শেষ কথা হলো, সরাসরি ট্রাম্পের অধীনে বা হোয়াইট হাউসে কাজ না নিয়ে তোমার উচিত হবে ইউএসএইড (USAID) অথবা সিআইএ (CIA) অথবা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অথবা স্বদেশ নিরাপত্তা দফতরে (Department of Homeland Security) কাজ নেয়া। সেই কাজে খুব পরিশ্রম করে বোঝাবে যে তুমি সুযোগ্য ও দক্ষতর কর্মচারি। তুমি যে কাজে খুব ভালো, স্মার্ট, বাকপটু (আর্টিকুলেট) সেটা বুঝলে তোমার ব্যক্তিগত ভীতি ও আদর্শ যাই থাকুক না কেন, ওপরওয়ালারা নিজেদের স্বার্থে তোমার ওপরই নির্ভর করবে। নিজের গুণ ও যোগ্যতা বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হও। দুঃখের বিষয় আমার উপদেশ বহু ছাত্রই নিচ্ছে না এবং তারা সরকারি চাকরির দিকে যেতে চাইছে না। এখানে বলা উচিত, সম্প্রতি আমেরিকার ৬০% ক্যারিয়ার রাষ্ট্রদূতরা চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। পররাষ্ট্র দফতরে কাজ করার আবেদনপত্র কমে গেছে ৫০%। আমি আশা করি, এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী (সেক্রেটারি অফ স্টেট) রেক্স টিলারসনের উচিত হবে তার দফতরের এসব সমস্যার দিকে নজর দেয়া।
আমার এই উপদেশমূলক লেকচার আমি শেষ করি গৃসের একটি উপকথা বলে : দায়েদালাস একজন উদ্ভাবক (ইনভেন্টর) ছিলেন। তিনি বন্দি হয়েছিলেন। তখন তিনি মুক্তি কিভাবে পাওয়া যেতে পারে সেটি উদ্ভাবনের চিন্তা করেন। তিনি কৃত্রিম ডানা উদ্ভাবন করেন যেটা তিনি ও তার ছেলে ইকারাস তাদের গায়ে লাগিয়ে কৃট দ্বীপ থেকে পালাতে পারেন। ইকারাস ডানা পেয়ে খুব খুশি হয়ে উড়তে থাকল এবং যতটা পারে সূর্যের কাছাকাছি যাবার চেষ্টা করছিল। এক পর্যায়ে তার পিতা তাকে সাবধান করে বললেন, তুমি সূর্যের বেশি কাছে যেও না। যদি কাছে যাও তাহলে বিপদে পড়বে। কিন্তু ইকারাস তার পিতার সতর্কবাণীকে পাত্তা দিল না। সে সূর্যের আরো কাছে উড়তে গেল। ফলে যে মোম দিয়ে তার ডানা দুটি দেহের সঙ্গে আটকান ছিল সেই মোম গলে গেল। ইকারাস ধপাস করে সমুদ্রে পড়ে মারা গেল। এটা নিছকই গল্প। কিন্তু এই গল্পে আমার ছাত্রদের হুশিয়ারি দেই এই প্রেসিডেন্ট পদধারী সূর্যের খুব কাছে উড়তে যেও না। তাহলে তোমার ডানা দুটিকে যে মোম আটকে রেখেছে সেটা দ্রুত গলে যাবে। প্রফেসর জেমস স্টাভরাইডিসের উপদেশে হোক বা নাই হোক, ইতিমধ্যে আমেরিকায় ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে মতামত প্রকাশ করে কিছু আমলা পদত্যাগ করেছেন অথবা অন্য কোনো দফতরে ট্রান্সফার নিয়েছেন। ১২ জানুয়ারি ২০১৮-তে পানামায় নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত জন ফিলি ((John Feeley) পদত্যাগ করেন। রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে তার গভীর মতবিরোধিতার কারণে তিনি পদত্যাগ করেন। রয়টার্স বলেছে, পররাষ্ট্র দফতরে ল্যাটিন আমেরিকা বিশেষজ্ঞ এবং সিনিয়র স্টাফদের অন্যতম ছিলেন। জন ফিলি স্পষ্টভাবে বলেছেন, তিনি এমন একটা জায়গায় পৌছেছেন যে ট্রাম্পের অধীনে কাজ করা তার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছিল না। ফিলি বলেন, পররাষ্ট্র দফতরে জুনিয়র অফিসার রূপে যোগ দেয়ার সময়ে আমাকে সই করতে হয়েছিল একটা অঙ্গীকারনামায় যেখানে লেখা ছিল, আমি প্রেসিডেন্ট ও তার প্রশাসনের চাকরি করব সম্পূর্ণ অরাজনৈতিকভাবে- এমনকি কোন বিশেষ নীতিতে একমত পোষণ না করলেও। পররাষ্ট্র দফতরের আমার টিচাররা স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, যদি আমি সেটা করতে পারছি না এখন বিশ্বাস করি তাহলে আমার পদত্যাগ করাটাই সম্মানজনক হবে। সেই সময়টা এখন এসেছে।
জন ফিলি পানামায় রাষ্ট্রদূত হয়েছিলেন ফেব্রুয়ারি ২০১৬-তে।
১৫ জানুয়ারি ২০১৮-তে রয়টার্সে সংবাদ প্রকাশিত হয় : কয়েক দিনের মধ্যেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিতে চলেছেন আমেরিকার শরণার্থীবিষয়ক শীর্ষ কূটনীতিক সাইমন হেনশো। এমনটি হলে তিনি হবেন তৃতীয় আমেরিকান কর্মকর্তা, যিনি সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শরণার্থী সম্পর্কিত চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বা ওই পদ ছেড়ে ভিন্ন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব সাইমন হেনশো তার শরণার্থী খাতের সহকর্মীদের এক ই-মেইলে জানিয়েছেন যে, তিনি আগামী সপ্তাহের শেষের দিকে ব্যুরো থেকে বিদায় নেবেন। ২৯ জানুয়ারি ২০১৮-তে এফবিআইয়ের উপপরিচালক এনড্রু ম্যাককাব স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এফবিআইয়ের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে আসছিলেন অনেক দিন ধরে। তিনি দাবি করছিলেন এফবিআই ও তার বিশেষ কৌসুলি রবার্ট মুয়েলার, রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক বিষয়ে যে তদন্ত করছে, সেটা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এফবিআই যে তার বিরুদ্ধে কাজ করছে তার প্রমাণ হিসেবে ট্রাম্প এনড্রু ম্যাককাবের নাম বলেছিলেন। ম্যাককাবের স্ত্রী বিরোধী দল ডেমক্রেটস পার্টির সমর্থক। এটাও ম্যাককাবের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করেছিল। তাই ম্যাককাব পড়ে যান সেই সংকটে- তিনি কার নির্দেশ মেনে চলবেন? নিজের বিবেকের- নাকি ওপরের নির্দেশ? ম্যাককাবের ওপর ট্রাম্প অব্যাহত চাপ রেখেছিলেন। অবশেষে ম্যাককাব অবসরে যেতে অবিলম্বে ছুটিতে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮-তে সিএনএনের একটি রিপোর্টে জানানো হয়, অস্থিতিশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যে একের পর এক খালি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের পদ। পদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী রাষ্ট্রদূতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে স্বেচ্ছা অবসরে যাচ্ছেন অনেকে। এমন সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক সম্পর্ক বিভাগ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৭১-এ ইয়াহিয়া প্রশাসনের বৈদেশিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে কিছু বাঙালি রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক তাদের বিবেকের নির্দেশে পাকিস্তানি পক্ষ ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে একাত্মতা ঘোষণা করেছিলেন। আমেরিকায় জন ফিলি, সাইমন হেনশো, এনড্রু ম্যাককাব প্রমুখ তাদের বিবেকের নির্দেশ অনুযায়ী চলেছেন। কিন্তু তাদের ও তাদের পারিবারিক সদস্যদের বেচে থাকার সমস্যায় পড়তে হবে নাÑ যেটা হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানে সাইদুর রহমানের পরিবারের। স্বাধীন বাংলাদেশে এখন সরকারি চাকরির বাইরে অন্য ধরনের জব অপরচুনিটি সৃষ্টি হলেও কেউ যদি সরকার বিরোধীরূপে ছাপ পেয়ে যান তাহলে তার জন্য নতুন চাকরির সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। সুতরাং প্রফেসর স্টাভরাইডিসের উপদেশ মেনে বিবেকের নির্দেশ অনুসারে পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব নাও হতে পারে। আর তাই ওপরের নির্দেশ মেনে চলার নিরাপদ পথটিই খুজে নেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তারা হয়তো নিজেদের প্রবোধ দেন ওপরওয়ালার ওপর সব দোষ চাপিয়ে। যেমন, নাৎসি জার্মানিতে বিভিন্ন পাপাচারের সব দায় সেখানে সেনাতন্ত্র ও আমলাতন্ত্র চাপিয়েছিল সর্বোচ্চ পদের অধিকারী চান্সেলর এডলফ হিটলারের ওপর। যুদ্ধে পরাজিত হবার পরে এদের মধ্যে যাদের বিচার হয়েছিল বিখ্যাত নুরেমবার্গ ট্রায়াল-এ, সেখানে বিচারপতিরা রায় দিয়েছিলেন, না, একটা সময় আসে সেখানে, যখন মানুষের চলা উচিত বিবেকের নির্দেশে।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলাদা লেন : ‘সাধারণ’ বনাম ‘অসাধারণ’ by মীযানুল করীম

ভিআইপি বনাম ইআইপি
আমরা ভিআইপি, ভিভিআইপি, সিআইপি প্রমুখের সাথে পরিচিত। তাদের অনেকেই হয়তো এসব মর্যাদা লাভের সমান যোগ্য নন। আর এসব শ্রেণীকরণের সূত্রে ব্রাহ্মণ-শূদ্র সম্পর্কগোছের বর্ণবিভেদ বা বৈষম্য তো একেবারেই অবাঞ্ছিত। এবার ভিআইপি লেনের তোড়জোড় দেখে কেউ কেউ বলছেন, আসলে গুরুত্ব দিতে হবে সব ‘ইআইপি’কে। প্রশ্ন হলো, ‘ইআইপি’ আবার কী জিনিস? জবাব হলো, এর পুরো অর্থ- Everybody is Important Person. এ কথার সমর্থনে বলা হচ্ছে, সব মানুষ যে সমান, তা বহু আগেই বিভিন্ন ধর্ম বলেছে। আর বাংলাদেশ সংবিধানেও স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে সব নাগরিকের আইনি সমতার কথা। আমাদের সংবিধানের উৎস মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। সেই যুদ্ধের সূচনাকালেই বাংলাদেশের ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ প্রণীত হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র অনুসারে বাংলাদেশের মূল স্তম্ভতুল্য নীতি ও আদর্শ তিনটি- জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। এখন যদি কোনো বিশেষ শ্রেণী কিংবা কিছু ব্যক্তির বিশেষ সুবিধার্থে জনগণের চলাচলের রাস্তায় আলাদা লেন করা হয়, তা বাংলাদেশের স্বাধীনতার এই সুমহান চেতনার সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে?
পাদটীকা : একটি পত্রিকার কার্টুনে দেখা যায়, প্রচণ্ড যানজটে গাড়ির দীর্ঘ সারির ওপর দিয়ে এবং টাকার স্তূপের জোরে ভিআইপি গাড়ি পার হয়ে যাচ্ছে। আর একজন ভিআইপি সে গাড়ি থেকে কালো চশমা পরে মাথা বের করে আছেন।
শহীদ সঙ্গীতজ্ঞ আলতাফ মাহমুদের কন্যা শাওন মাহমুদ লিখেছেন, ‘আসুন, ভিআইপিদের হাতে হাত মিলাই। জনগণের রাজপথের যানজটে আটকে গেলে শুধু তাদের জন্য তৈরি করা আলাদা লেনে তাদের হাতে হাত রেখে ব্যবহার করি। হুম্’
পুনশ্চ : সরকার ভিআইপির সাথে জরুরি কাজের যানবাহন চলাচলের জন্যও আলাদা লেন বানাতে চান। এ দেশে ‘জরুরি’ কথাটার কত ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে, তা সবার জানা। এমনও দেখা যায়, গাড়ির গায়ে লেখা আছে ‘জরুরি ডিশ মেরামতের কাজে নিয়োজিত।’ এমনকি, কখনো কখনো ‘জরুরি’ লেখা দামি গাড়িতে সাজগোজ করা তরুণী ও মহিলাদের দেখা যায়, বাচ্চাকাচ্চাসমেত। হয়তো তারা যাচ্ছেন বেড়াতে বা পিকনিকে। এসব দেখে রসিক পথচারী টিপ্পনী কাটেন, ‘তারা জরুরি ভ্রমণে নিয়োজিত!’
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকার কি আগেই জানত? by ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী

লেখক : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক
rezwansiddiqui@yahoo.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলা গদ্যকে বাঁচাও by এবনে গোলাম সামাদ

লেখক : প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমাচার by প্রাণ গোপাল দত্ত

The original Latin word 'universitas' refers in general to 'a number of persons associated into one body, a society, company, community, guild, corporation, etc.'
'An institution of higher education offering tuition in mainly non vocational subjects and typically having the power to confer degrees,' with the earlier emphasis on its corporate organization considered as applying historically to Medieval universities.’ অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় হলো ছাত্র, শিক্ষক ও পণ্ডিত শিক্ষাবিদদের এক মহান কর্মস্থল, যেখান থেকে উচ্চশিক্ষা প্রদান করা হয়। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয় একজন শিক্ষার্থীকে উপযুক্ত শিক্ষাদান করে, যাচাইয়ের মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর ডিগ্রি প্রদান করে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে শুধু যে পত্রপত্রিকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে তা নয়, খোদ ইউজিসির চেয়ারম্যান, শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় এবং রাষ্ট্রের অভিভাবক মহামান্য রাষ্ট্রপতিও অনেক নির্দেশনা প্রদান ও অনুরোধ করেছেন, উষ্মাও প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে। ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান শুধু একজন সজ্জন বা ভালো শিক্ষক নন, একজন পণ্ডিত ব্যক্তিও। আমার শ্রদ্ধার পাত্র এবং অনেক দিন ধরে তাকে একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি হিসেবে চিনি। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আপ্রাণ চেষ্টা করেও কিছু করতে পারছেন না। না পারছেন প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করতে, না পারছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বাড়াতে। এ কথা বলা নিশ্চয়ই অত্যুক্তি হবে না যে, সরকারি বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানও বেশ ঊর্ধ্বমুখী নয়। এমনকি সত্তরের দশকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যে নামিদামি শিক্ষকরা ছিলেন, যাদের শুধু শিক্ষক হিসেবে খ্যাতি নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর কাছে তারা ছিলেন নমস্য। আমরা ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় ঘুরেছি একনজর MAC স্যার অর্থাৎ মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী স্যারকে দেখার জন্য। আবদুল মতিন চৌধুরী স্যারকে দেখার জন্য কত যে চেষ্টা করে দর্শন পেয়েছি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখনও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে খ্যাতিমান শিক্ষক নেই আমি বলব না, তবে সংখ্যায় তারা অনেক কম। গোবিন্দ দেব স্যারকে দেখলে শুধু দার্শনিক মনে হতো না, মনে হতো আরও বেশি কিছু। মহামান্য রাষ্ট্রপতি, শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষাবিদ-পণ্ডিত প্রিয় শিক্ষক অধ্যাপক আবদুল মান্নান, আপনাদের সমীপে বিবেচনার জন্য আমার সামান্য নিবেদন। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় নিয়মিত আয়-ব্যয়ের হিসাব দিচ্ছে না, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসির আইন-কানুন মেনে চলছে না, তাদের ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ করা কঠিন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, শিক্ষামন্ত্রী এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে বিনীত অনুরোধ, যখন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কনভোকেশন অনুষ্ঠিত হয়, দয়া করে ওইসব জটিল অর্থাৎ নিয়ম না মানা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যাবেন না। কী হবে, একদিন না হয় সংবাদমাধ্যমে আপনাদের দেখানো হবে না। ওইসব তৃতীয় ক্যাটাগরির বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশনে গিয়ে আপনারাও দ্বৈত বিশ্বাসের আশ্রয় নেন। আপনাদের ওইসব অনুষ্ঠানে দেখে ভবিষ্যৎ ছাত্ররাও মনে করে, নিশ্চয়ই বিশ্ববিদ্যালয়টি খুবই ভালো, নতুবা এরকম স্বনামধন্য ব্যক্তিরা কী করে আসেন?
পুনশ্চ: যেসব বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শর্ত পূরণ করেনি, অডিট অ্যাকাউন্টস সময়মতো দাখিল করে না, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু কনভোকেশন গাউন পরার জন্য বা টেলিভিশনে প্রদর্শিত হওয়ার জন্য আপনারা যাবেন না, তাহলে নিশ্চিতভাবেই ছাত্ররা ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যাবে না।
অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত : বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক; সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক শিক্ষামন্ত্রীকে দুষে কী লাভ! by তারেক শামসুর রেহমান

২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে যখন আলোচনা করছি, তখন সঙ্গত কারণেই উচ্চশিক্ষা নিয়ে কিছু কথা বলা প্রয়োজন। শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যান। সেখানে তিনি প্রতিবারই একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলেন। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কথা বলেন। কথাগুলো শুনতে ভালোই শোনায়। আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি, তারা উৎসাহিত হই তার কথায়। কিন্তু এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগটি কী? পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় কী হচ্ছে, সে ব্যাপারে তিনি কি জ্ঞাত আছেন? সেখানে যে অনিয়ম হচ্ছে, তা দূরীকরণে তার কোনো উদ্যোগ তো পরিলক্ষিত হচ্ছে না। প্রায় ৩৫-৩৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশে তরুণ প্রজন্মের সংখ্যা বেড়েছে। প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পাস করে। তাদের জন্য উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্তটি অযৌক্তিক নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, সেখানে কারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন? রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে। শুধু তাই নয়, টিআইবি আমাদের জানিয়েছে, টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে! টিআইবি বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে সংবাদ সম্মেলনে ভয়াবহ এ তথ্যটি উপস্থাপন করেছিল। তারপর কেটে গেছে অনেকটা সময়। আমার নিজের বিশ্ববিদ্যালয়েও যখন এ ধরনের কথা শুনি, তখন আমাকে একধরনের হতাশায় পেয়ে যায়। যদি যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ না হয়, তাহলে দক্ষ জনশক্তি আমরা গড়ে তুলব কীভাবে? যারা টাকার বিনিময়ে এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক হন, তারা পড়ানো ও গবেষণার পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক রাজনীতিতে জড়িয়ে যান। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ছাত্ররা। এতে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণের যে উদ্যোগ, তা ভেস্তে যেতে বাধ্য। আরও একটা কথা। নতুন নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে একধরনের বৈষম্য তৈরি হয়েছে। ভালো শিক্ষকরা পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকায় সেখান থেকে ভালো ছাত্ররা বের হচ্ছে। অন্যদিকে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় যোগ্য শিক্ষকের অভাব থাকায় সেখানকার ছাত্ররা বঞ্চিত হচ্ছে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন রাষ্ট্রপতির কাছে একটি সুপারিশ করেছে, যেখানে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের নতুন প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেষণে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। দেখা যাবে পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একেকটি বিভাগে সিনিয়র শিক্ষকের (প্রফেসর) সংখ্যা এত বেশি যে তাদের অনেকেরই পড়ানোর মতো কোর্স থাকে না। ফলে তাদের কিছুটা আর্থিক সুবিধা দিয়ে (যা মঞ্জুরি কমিশনের সুপারিশে আছে) প্রেষণে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পাঠানো যায়।
সেই সঙ্গে আরও একটি সুপারিশ রাখছি : অনেক সিনিয়র শিক্ষক সাম্প্রতিক সময়ে অবসরে গেছেন। কিন্তু তারা শারীরিকভাবে সুস্থ। তাদের কাউকে কাউকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান করতে দেখি। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের ‘বিশেষ বিবেচনায়’ নিয়োগদান করা যেতে পারে। এজন্য হয়তো প্রচলিত আইন সংশোধন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এ উদ্যোগটি নিতে পারে। তাহলে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকের অভাব দূর হবে। একজন শিক্ষকের ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনঃনিয়োগের সুযোগ নেই। অথচ অবসরপ্রাপ্ত এসব শিক্ষক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছেন। ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা উপকৃত হচ্ছে। তাহলে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ সুযোগটি পাবে না কেন? আমি আমার অনেক সিনিয়র সহকর্মীকে জানি যারা নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়ে এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছেন। জামালপুর ও নেত্রকোনায় দুটি নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হতে যাচ্ছে। আমার ভয় হচ্ছে- এখানে শিক্ষকতায় কারা যাবেন? শুধু প্রভাষক আর সহকারী অধ্যাপকদের দিয়ে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন চলছে। উচ্চশিক্ষার জন্য এটা ভালো খবর নয়। প্রধানমন্ত্রী উচ্চশিক্ষাকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে চান। উদ্যোগটি ভালো। কিন্তু উদ্যোগটি নিতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কেই। কাজটি মঞ্জুরি কমিশনের করা উচিত। কিন্তু মঞ্জুরি কমিশনের নেতৃত্ব এখানে ব্যর্থ। তারা কোনো উদ্যোগ নিতে পারছে না। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা এখন অনেক- ১৩৫ কিংবা আরও বেশি। মাত্র ৫ সদস্য নিয়ে মঞ্জুরি কমিশনের পক্ষে এসব বিশ্ববিদ্যালয় দেখভাল করা কঠিন একটি কাজ। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আলাদা একটি কমিশন করা জরুরি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একেকটি ‘সনদ তৈরির’ কারখানায় পরিণত হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তাই একধরনের নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এ মুহূর্তে সমাজের বাস্তবতা। এর প্রয়োজনীয়তা আমরা অস্বীকার করতে পারব না। কিন্তু যা প্রয়োজন তা হচ্ছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে তাদের ‘সাহায্য’ করা। এটা মঞ্জুরি কমিশন পারছে না। মাত্র একজন সদস্য এ কাজে নিয়োজিত। তার একার পক্ষে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দেখভাল করা সম্ভব নয়। এ কারণেই একটি কমিশন গঠন করা জরুরি। একসময় কথা উঠেছিল একটি ‘অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল’ গঠন করা হবে, যাদের কাজ হবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাংকিং করা। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মালিক পক্ষের চাপে সেই ‘অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল’ আজও গঠন করা সম্ভব হয়নি। আমরা চাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গ্রহণযোগ্যতা বাড়–ক। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যদি পারিবারিকভাবে পরিচালিত হয়, যদি সেগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি কাজ করে, তাহলে কোনোদিনই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যর্থতাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। তাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে হবে। সেখানে যোগ্য ও মেধাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। আমাদের রয়েছে একটি বিশাল তরুণ প্রজন্ম। এ তরুণ প্রজন্মকে আমরা দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে পারি, যা চীন করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া করেছে। এজন্যই চীন, দক্ষিণ কোরিয়া আজ প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমরা অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। ব্যক্তিবিশেষকে সামনে রেখে নতুন নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে, যার কোনো চাহিদা নেই অভ্যন্তরীণ বাজারে কিংবা বিশ্ববাজারে। বিবিএ’র নামে ‘শিক্ষিত কেরানি’ তৈরি করছি আমরা, যারা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিচয় দিতে পারছেন না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এখন ধীরে ধীরে ‘বেসরকারি’ চরিত্র পাচ্ছে। প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রতিটি বিভাগে এখন সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু করে অর্থ আয়ের একটি ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। কিছু শিক্ষক এ থেকে লাভবান হচ্ছেন। কিন্তু শিক্ষাক্ষেত্রে তা কোনো অবদান রাখছে না। এখানেও ‘সনদ বিক্রির’ অভিযোগ উঠেছে। ফলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয়েছে নৈরাজ্য। উপাচার্যরা নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। দুদক তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে। এক্ষেত্রেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। অথচ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চলে জনগণের টাকায়।
ড. তারেক শামসুর রেহমান : প্রফেসর ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য
tsrahaman09@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার সাজার পর আওয়ামী লীগ নেতাদের উল্লাস by বদরুদ্দীন উমর

বদরুদ্দীন উমর : সভাপতি, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
February
(1210)
-
▼
Feb 11
(68)
- ‘ব্যাটেলিং বেগমদের’ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ...
- সিরিয়ায় ইসরাইলের প্রবল হামলা
- প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন
- তাইওয়ানে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭
- জিয়ার ভূমিকা : ইতিহাস কী বলে by এ কে এম এনামুল হক
- মিথ্যা মামলায় সত্য সাক্ষী by তৈমূর আলম খন্দকার
- বেগম জিয়া প্রতিহিংসার শিকার by ড. আবদুল লতিফ মাসুম
- নির্দেশ পালন : ট্রাম্প প্রশাসনে by শফিক রেহমান
- আলাদা লেন : ‘সাধারণ’ বনাম ‘অসাধারণ’ by মীযানুল করীম
- সরকার কি আগেই জানত? by ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
- বাংলা গদ্যকে বাঁচাও by এবনে গোলাম সামাদ
- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমাচার by প্রাণ গোপাল দত্ত
- এক শিক্ষামন্ত্রীকে দুষে কী লাভ! by তারেক শামসুর রে...
- দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার সাজার পর আওয়ামী লীগ ...
- এদের কঠোর হস্তে দমন করা উচিত
- ফ্যান্টাসি কিংডমে অপ্রীতিকর ঘটনা
- শিউরে ওঠা রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ
- নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ৭ ভাগ অ্যাপল ডিভাইস
- বইমেলায় ডিজিটাল পেমেন্টে বৈষম্য
- যেভাবে তৈরি করবেন সুস্বাদু মুরালি
- ঘরেই তৈরি করুন শামী কাবাব
- খালেদা জিয়ার জেল
- পাল্টা মামলার হুমকি আরসিবিসির
- লোকসানে দায়ী তিন ‘অ’
- বাতিল হওয়া রুপি ফেরত নেবে না ভারত
- পানের খিলি ১০ টাকা!
- ধন নয় মান নয় একটুখানি বাসা
- খালেদার রায়: নির্বাচনে বড় ইস্যু হবে by সোহরাব হাসান
- ফয়জুন্নেছা কলেজের দুর্দশা
- সংসারে স্ত্রীর অধিকার ও সম্মান by শাঈখ মুহাম্মদ উছ...
- মালদ্বীপের অশান্তির পেছনের কারণ by মারুফ মল্লিক
- ফাঁস প্রশ্ন ‘ভুয়া’ কেন? জবাব চাই by আনিসুল হক
- হকার উচ্ছেদ নিয়ে রাজনীতি by আলী ইমাম মজুমদার
- খালেদা নির্বাচনে যেতে পারবেন? by মিজানুর রহমান খান
- সুরমা নদীর ভাঙন
- ডজন ডজন সৌদি টিভি by আসিফ নজরুল
- জোর করে জেলে রাখলে জনগণ জবাব দেবে by শরিফুজ্জামান
- শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাক
- আফগান নীতির পরিণতি ভয়াবহ by আফ্রাসিয়াব খটক
- অলিম্পিক কূটনীতি ও সম্ভাবনা by মনজুরুল হক
- নিন্দিত হবেন, না সহানুভূতি পাবেন? by মহিউদ্দিন আহমদ
- ‘শনিবার রাতের কুরুক্ষেত্রের’ অপেক্ষায় by হাসান ফেরদৌস
- ব্যাংক–শেয়ার লুটকারীদেরও বিচার হোক by সোহরাব হাসান
- সন্দেহের বশে গণ-আটক
- অ্যাটর্নি জেনারেল সব কথা বলেননি by আলী ইমাম মজুমদার
- তিন ধর্মের সংস্কৃতির এক শহর
- দেড়শ কোটি টাকার ফুলবাণিজ্য
- সোনার দাম চড়া
- সৌদি নারীদের বোরকা পরতে হবে না
- বিমানবন্দরের বাথরুমে প্রসব, নবজাতককে ফেলে চলে গেলে...
- সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ৬ বছরেও শেষ হয়নি তদন্ত ‘ছেল...
- গবেষণাগারে প্রথমবারের মতো বেড়ে উঠছে মানুষের ডিম্বাণু
- পুঁজিবাজারের সূচকে রয়েছে ঊর্ধ্বগতি
- দুই নেত্রীর বিরোধ আরো তীব্র হবে -ইন্ডিয়ান এক্সপ্রে...
- চাই মাতৃভাষায় প্রেমের চেতনা by মাহমুদা আখতার নীনা
- মসজিদুল আকসার গ্র্যান্ড ইমাম বললেন by তানজিল আমির
- নির্ধারিত সময়ে পদ্মা সেতুতে গাড়ি চড়বে তো? by ড. শে...
- বই, বইয়ের মেলা by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক কাম্য নয় by আবদু...
- বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান
- নীতিহীন শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা নয়
- প্রশ্নফাঁসের নিরবচ্ছিন্ন ঘটনা
- এবার টাকা পাঠাতে পারবেন হোয়াটসঅ্যাপেও
- প্রাকৃতিক উপায়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
- শীতকালের ঠাণ্ডা কীভাবে শরীরের উপকারে লাগে
- ভালোবাসা দিবসের কেক
- ঘরেই তৈরি করুন পেড়া সন্দেশ
- 'রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যার পেছনে রয়েছে ইসরাইলের হাত'
-
▼
Feb 11
(68)
-
▼
February
(1210)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...