রেইনকোট পেলেন আরও ৬৪ জন সংবাদপত্র বিক্রয়কর্মী

নীলফামারীর সৈয়দপুর ও কুড়িগ্রামের উলিপুরে গতকাল সোমবার ৫৯ জন সংবাদপত্র বিক্রয়কর্মীকে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে রেইনকোট দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় পাঁচজনকে রেইনকোট দেওয়া হয়।


ঢাকার বাইরে প্রথম আলোর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
সৈয়দপুর (নীলফামারী): গতকাল সন্ধ্যায় প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সৈয়দপুরে ৫০ জন পত্রিকা বিক্রেতার হাতে রেইনকোট তুলে দেওয়া হয়। শহরের শহীদ তুলসীরাম সড়কে জমে ওঠে পত্রিকা বিক্রেতাদের মিলনমেলা। রেইনকোট পেয়ে বেজায় খুশি পত্রিকা বিক্রেতা নওশাদ। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কাইল থাকি আর ভিজিপুড়ি হামাক পেপার দেওয়া নাগিবে না। এখন থাকি হামরা এনকোট পিন্দি পেপার ধরি বাড়ি বাড়ি যাইম।’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর বিপণন ও উৎপাদন প্রধান রিফাত আবদুল্লাহ শেখ, উত্তরাঞ্চলের বিপণন নির্বাহী জাকির হোসেন, পরিবেশক খালিদ নিয়াজি, মাজিদুল ইসলাম মণ্ডল, সৈয়দপুর প্রতিনিধি এম আর আলম প্রমুখ।
উলিপুর (কুড়িগ্রাম): উপজেলার নয়জন বিক্রয়কর্মীকে গতকাল রেইনকোট দেওয়া হয়। এখানে বিক্রয়কর্মীর হাতে রেইনকোট তুলে দেন প্রথম আলোর উৎপাদন ও বিপণন বিভাগের প্রধান রিফাত আবদুল্লাহ। এ সময় প্রথম আলোর বগুড়ার আঞ্চলিক বিক্রয় নির্বাহী মো. জাকির হোসেন, প্রথম আলোর উলিপুর প্রতিনিধি মনজুরুল হান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট): উপজেলার পাঁচজন সংবাদপত্র বিক্রয়কর্মীকে রেইনকোট দেওয়া হয় শুক্রবার। রেইনকোট পেয়ে বিক্রয়কর্মী ইউসুফ আলী (৫৫) বলেন, ‘আর হামাক ঝরিত ভিজা নাগবার নয় বাহে। ঝরিত পেপার ভেজে, মুইও ভেজং। এলা থাকি তা হবার নয়।’ রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী আঞ্চলিক বিক্রয় নির্বাহী আখতারুজ্জামান সরকার ও ক্ষেতলাল প্রতিনিধি আজিজার রহমান।

No comments

Powered by Blogger.