খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়-বাসচালকের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

বাসচাপায় ছাত্র নিহতের ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল বুধবার থেকে তিন দিনের শোক দিবস পালন করা হচ্ছে। ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি বাসচালকের গ্রেপ্তারের দাবিতে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন হয়েছে। এদিকে, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এতে এ ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বাসচালককে চাকরিচ্যুতি ও তার সুষ্ঠু বিচারের সুপারিশ করা হয়। তিন সদস্যের এই তদন্ত দলের নেতৃত্ব দেন


বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক মনিরুল ইসলাম। অন্যদিকে, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নয় দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি উপাচার্যের কাছে জমা দিয়েছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: বাসচালককে গ্রেপ্তার করে শাস্তি প্রদান, মাস্টাররোলের চালকদের বরখাস্ত ও দক্ষচালক নিয়োগ এবং ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে গাড়ি চলাচল বন্ধ করা।
শিক্ষার্থীদের এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল দুপুরে সিন্ডিকেটের জরুরি সভা বসে। সভায় বাসচালককে গ্রেপ্তার করে শাস্তি প্রদান বাদে আটটি দাবি মেনে নেওয়া হয়। বিকেলে উপাচার্য এ ঘোষণা দিলে শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনার থেকে তাঁদের অবস্থান ধর্মঘট তুলে নেন। তবে তাঁরা বাসচালক গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণীকক্ষে ফিরে যাবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষের ছাত্র হাদিউল ইসলাম গত মঙ্গলবার দুপুরে ক্যাম্পাসের চার রাস্তার মোড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাসের চাপায় মারা যান। তাঁর বাড়ি খুলনা নগরের বানিয়াখামার এলাকায়।
উপাচার্য মো. সাইফুদ্দিন শাহ জানান, বাসচাপায় ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে খুলনা থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

No comments

Powered by Blogger.