কালের পুরাণ-‘মৃদু আঘাত’ ও ‘হালকা নাশতা’র গণতন্ত্র! by সোহরাব হাসান

বাংলা ভাষায় মৃদু শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো নরম, সুকুমার, কোমল, আলত, হালকা, ক্ষীণ, অনুজ্জ্বল, শান্ত, ঠান্ডা ও উত্তেজনামুক্ত। এর কোনোটির সঙ্গে কি বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশের নির্মম ও নির্দয় নির্যাতনের ঘটনা মেলানো যায়? অথচ সেই মিলই খুঁজে পেয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল


আলম হানিফ। বুধবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘পুলিশের ধাক্কাধাক্কিতে বিরোধী দলের চিফ হুইপ মৃদু আঘাত পেতে পারেন। এ জন্য আমরা দুঃখিত। (প্রথম আলো, ৭ জুলাই, ২০১১)
জয়নুল আবদিন ফারুক যে আঘাত পেয়েছেনই, সে ব্যাপারেও হানিফ সাহেব নিশ্চিত নন। তিনি বলেছেন, ‘আঘাত পেতে পারেন।’ কথা হলো, এই মৃদু আঘাত পাওয়ার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী—সবাই দুঃখ প্রকাশ করলেন। অবশ্য সবার দুঃখ প্রকাশও শর্তমুক্ত ছিল না। কেউ কেউ বলেছেন, ফারুক সাহেবের আঘাত পাওয়াটা দুঃখজনক। কিন্তু এ আঘাত তিনিই ডেকে এনেছেন। আজ যাঁরা ক্ষমতার তখতে বসে আছেন, তাঁরাও বিরোধী দলে থাকতে এ রকম বহুবার আঘাত ডেকে এনেছেন। বাংলাদেশে আঘাতপ্রাপ্ত না হয়ে কেউ ক্ষমতায় যেতে পারেন না। যিনি যত বেশিবার আঘাত পান, দল ক্ষমতায় গেলে তিনি তত বড় পদে বসেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জয়নুল আবদিন ফারুক সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়েছেন, বাস লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়েছেন, অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন। ১৫-১৬ জন ব্যক্তি রাস্তায় অবস্থান নিলেই ঢাকা মহানগরের জনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে এমন কথা পাগলও বলবে না। আমরা ধরে নিলাম, পুলিশের অভিযোগ সত্য। সরকার জনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের শায়েস্তা করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত করেছে। পুলিশ তাঁকে সেই ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করতে পারত। তারা তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করতে পারত। তা না করে যেভাবে তাঁকে লাঠিপেটা করল, রাস্তায় ফেলে দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করল, গায়ের টি-শার্ট খুলে ফেলল—তার নজির সভ্য সমাজে নেই।
পুলিশ বলেছে, ফারুক সাহেব তাদের উসকানি দিয়েছেন, গালাগাল করেছেন। পুলিশ কি ফারুক সাহেবকে পাল্টা গালি দেয়নি? তারা কি শ্রীরামকৃষ্ণের মতো মধুর বাণী বর্ষণ করেছে? ‘শুয়োরের বাচ্চার দাঁত ফেলে দেব’ কি প্রেমের ভাষা?
যেসব বাচ্চা, শিশু-কিশোর টেলিভিশনে এই দৃশ্য দেখেছে, এসব অশালীন গালি শুনেছে, তারা কী ভাববে বড়দের সম্পর্কে, পুলিশ সম্পর্কে, জনপ্রতিনিধিদের সম্পর্কে। আমরা তাদের কী শিক্ষা দিচ্ছি? ক্ষমতাবানদের কি রুচি বলতে কিছু থাকবে না? পুলিশ হলেই কি মানুষ পেটাতে হবে? জনপ্রতিনিধি হলেই কি পুলিশের ওপর চড়াও হতে হবে?
সরকারের মন্ত্রীরা, সরকারি দলের নেতারা জয়নুল আবদিন ফারুকের বেয়াদবির কথা বলেছেন। কিন্তু সরকারি দলের সাংসদ আবদুর রহমান বদি সম্পর্কে কিছু বলছেন না। তাঁর হাত তো সব সময় নিশপিশ করে। এ পর্যন্ত বদি প্রকৌশলী পিটিয়েছেন, ম্যাজিস্ট্রেট পিটিয়েছেন, আইনজীবী পিটিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা পিটিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা পিটিয়েছেন, শিক্ষক পিটিয়েছেন, ঠিকাদার পিটিয়েছেন। কই, মুক্তিযোদ্ধা প্রেমিক সরকারের আইন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তো তাঁকে ধাওয়া করেনি। তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে রাখেনি।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে হানিফ সাহেব আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন, ‘জনগণ বিএনপি-জামায়াতের হরতাল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।’ হানিফ সাহেবের এই কথাটি সত্য হলে খুশি হতাম। প্রকৃতপক্ষে জনগণ হরতাল সমর্থনও করেনি, প্রত্যাখ্যানও করেনি। তারা ভয়ে ঘর থেকে নামেনি। নামলেও গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। হানিফ সাহেবরা যতই লম্ফ-ঝম্ফ করুন না কেন—মহাখালী, গাবতলী, সায়েদাবাদ টার্মিনাল থেকে বাস ছাড়াতে পারেননি। সদরঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়াতে পারেননি। যে ঢাকা শহরে যানজটের কারণে রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, সেই ঢাকা শহরের ভিআইপি রোডে রিকশার দুরন্ত ছুটে চলাকে স্বাভাবিক অবস্থা বলে? পুলিশ প্রহরায় গুটিকয়েক বাস-মিনিবাস চলাচল করলেই হরতাল জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়ে যায়?
কই, সরকার তো শত চেষ্টা করেও ঢাকার দোকানপাট সচল করতে পারেনি। মার্কেট চালু রাখতে পারেনি। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলা রাখতে পারেনি। রাস্তায় মানুষ যা-ও নামত, ছাত্রলীগ-যুবলীগের শান্তি মিছিলের ভয়ে নামেনি। আগের আওয়ামী লীগ আমলে হাজী সেলিমের নাইন শুটারের কথা মানুষ ভোলেনি।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, হরতালে বিএনপির নেতাদের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও দেশ অচল ছিল, মানুষ অচল ছিল, জীবনযাত্রা স্থবির ছিল। তৈরি পোশাক কারখানাগুলো চালু থাকলেও পণ্য পরিবহন হয়নি। হরতালে সরকারি দলের নেতা-মন্ত্রী-সাংসদেরা উদ্বিগ্ন না হলেও সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। দক্ষিণাঞ্চল থেকে নির্বাচিত একজন সরকারদলীয় সাংসদ—নিজের নামেই যিনি সুপরিচিত—তিনি বলেছেন, প্রাইভেট গাড়ি নিয়ে শহরে ঘুরেছেন। হরতালের কোনো প্রভাব তিনি দেখেননি। কোথাও পিকেটিং ছিল না। কিন্তু যাঁদের গাড়ি নেই, তাঁরা তো ঘরে বন্দী ছিলেন। মাননীয় সাংসদ বলবেন কি, যদি কোথাও পিকেটিংই না থাকবে তাহলে রাস্তায় কেন এত পুলিশ নামানো হলো? পুলিশ প্রহরায় কয়েকটি বাস-মিনিবাস চললেও তাতে যাত্রীসংখ্যা কত ছিল? ভ্যানে করে বৃষ্টির মধ্যে রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে। মাননীয় সাংসদ যদি তাঁর গাড়িতে তাঁকে হাসপাতালে পৌঁছে দিতেন, বুঝতাম তিনি জনগণের বন্ধু।
আমরা এ কোন গণতন্ত্রে আছি? বিএনপির আমলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ অফিস অবরুদ্ধ থাকে, আওয়ামী লীগ আমলে নয়াপল্টনে বিএনপির অফিস পুলিশ ঘেরাও করে রাখে। একই প্রজাতন্ত্রের পুলিশ দ্বৈত ভূমিকায়। বিএনপি আমলে কোহিনুরদের পোয়াবারো, আওয়ামী লীগ আমলে হারুন-বিপ্লবদের? গণতন্ত্রের নামে এই লাঠিতন্ত্র কত দিন চলবে?
আওয়ামী লীগের নেতারা এখন যেভাবে পুলিশের সাফাই গাইছেন, বিএনপির আমলে বিএনপির নেতারাও তাদের সাফাই গাইতেন।
এখন বিএনপির নেতারা বলছেন, হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার। গণতন্ত্রকে বাঁচাতে, মানুষ ও দেশকে বাঁচাতে তাঁরা হরতাল পালন করছেন। এই কথাগুলো তাঁরা ক্ষমতায় থাকতে কেন বললেন না? আবার আওয়ামী লীগ বলছে, বিরোধী দল হরতাল ডেকে দেশকে, দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে। বিরোধী দলে থাকতে কেন তাদের এ উপলব্ধি হলো না? রাজনীতি কি শুধু ক্ষমতায় যাওয়া ও থাকার সিঁড়ি? যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় থাকতে হবে, যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় যেতে হবে—এই ধনুর্ভঙ্গপণ নিয়ে নেতা-নেত্রীরা রাজনীতি করেন। তাঁরা জনগণের কথা ভাবেন না। ভোটারদের প্রতি আস্থা রাখেন না। রাখলে একটি দেশে নির্বাচন নিয়ে এত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, এত বিতর্ক হতো না। একবার তাঁরা গণতন্ত্র বাঁচাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। আরেকবার তত্ত্বাবধায়ক-ব্যবস্থা বাতিল করেন। অর্থাৎ যখন যেমন, তখন তেমন।

২.
লেখাটি শুরু করেছিলাম ‘মৃদু আঘাত’ দিয়ে। শেষ করতে চাই ‘হালকা নাশতা’ দিয়ে। পাঠকের নিশ্চয়ই মনে আছে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে যে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল, তার প্রধান টার্গেট ছিলেন শেখ হাসিনা। তাঁকে হত্যা করতে চার-চারবার চেষ্টা চালিয়েছিল ঘাতকেরা। আটক হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নান তাঁর জবানবন্দিতে বলেছেন, শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনার সময় তাঁরা একটি কোড (সাংকেতিক ভাষা) ব্যবহার করতেন। সেটি হলো ‘শেখ হাসিনাকে হালকা নাশতা’ করাতে হবে। হালকা নাশতা মানে হলো শেষ করে দেওয়া। এই হালকা নাশতা করাতে মাওলানা তাজউদ্দিন পাকিস্তানের লস্কর-ই-তাইয়েবার নেতা মজিদ ভাট্টির কাছ থেকে অত্যাধুনিক আর্জেস গ্রেনেড নিয়ে এসেছিলেন। লস্কর-ই-তাইয়েবা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সৃষ্টি। তারা পাকিস্তানকে ধ্বংস করেছে। এখন বাংলাদেশের দিকে হাত বাড়িয়েছে। রাজনীতিতে এ ধরনের প্রতিহিংসা ও জিঘাংসা পুষে রাখার পরিণাম কী ভয়ংকর, তা দেশবাসী দেখেছে।
বাংলাদেশে সব দলই এমনভাবে ক্ষমতার কাঠামো তৈরি করে, প্রশাসনযন্ত্র সাজায়, যাতে আজীবন ক্ষমতায় থাকা যায়। ক্ষমতার বাইরে, দলীয় চিন্তা-চেতনার বাইরে তারা কিছুই ভাবতে পারে না। অথচ দুই প্রধান দলের মধ্যে আদর্শগত পার্থক্য অনেকটাই ঘুচে যাচ্ছে, পুরোপুরি না গেলেও। আওয়ামী লীগ বিএনপির বিসমিল্লাহ এবং এরশাদের রাষ্ট্রধর্মকে গ্রহণ করেছে। জিয়া ও এরশাদের সামরিক শাসনকে আদালত পুরোপুরি অবৈধ ঘোষণা করলেও আওয়ামী লীগ কিন্তু রাজনৈতিক বৈধতা দিয়েছে। আমরা পছন্দ করি বা না করি, এটি জাতীয় মতৈক্যের ভিত্তি হতে পারত। কিন্তু হলো না কেন? বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের সেই বিখ্যাত উক্তিটি মনে পড়ে। তিনি বলেছিলেন, চেয়ার তো একটি, দাবিদার দুজন। একজনকে চেয়ারে বসতে হলে আরেকজনের বাইরে থাকতে হয়। কিন্তু সেটি কেউ মেনে নিতে পারছেন না। সেও না হয় মানা গেল, কিন্তু ক্ষমতায় থাকতে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র!
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সম্পূরক চার্জশিটে যেসব তথ্য আছে, তা ভয়ংকর। হত্যার সঙ্গে বিএনপির কোন কোন নেতা জড়িত ছিলেন, তা প্রমাণসাপেক্ষ। কিন্তু দলের অনেক রাঘববোয়াল এবং প্রশাসনের অনেক চাঁই যে অপরাধীদের বাঁচাতে সচেষ্ট ছিল, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। না হলে জজ মিয়া কাহিনি সাজানো হলো কীভাবে?
আজ সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা, সাবেক পুলিশপ্রধানদের কারাগারে পাঠানো নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করছেন; দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। কিন্তু সেদিন অপরাধীদের বাঁচাতে কোন খেলায় মেতেছিলেন তাঁরা? ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাটি তো মিথ্যা নয়। মিথ্যা নয় সেই হামলায় ২২ জন মানুষের মৃত্যু ও কয়েক শ মানুষের আহত হওয়ার ঘটনা। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনতে এ হামলার রহস্য উদ্ঘাটন জরুরি।
বাংলাদেশে ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করে পরের বার ক্ষমতায় যাওয়ার নজির নেই। যে কারণে বিএনপির সংবিধানে চতুর্দশ সংশোধনী এনেছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এবারেও আওয়ামী লীগ যদি একই উদ্দেশ্যে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে থাকে, তার ফলও তাদের ভোগ করতে হবে। জনগণ না চাইলে কোনো সংশোধনীতেই কাজ হবে না। আবার জনগণ চাইলে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন করেও বিএনপি-জামায়াতের জয়ী হওয়া আটকানো যাবে না। তাই আগামী নির্বাচন নিয়ে বিএনপির এত আকুলি-বিকুলির প্রয়োজন নেই। মধ্য মেয়াদে এসে সরকার যেভাবে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, তাতে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনেও ভরাডুবি ঠেকাতে পারবে না। পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট ক্ষমতায় থাকতেই নির্বাচন হয়েছিল। অতি সম্প্রতি থাইল্যান্ডে বিতাড়িত থাকসিনের দলই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। ২০০৬ সালে, মাত্র পাঁচ বছর আগে ভোট কারচুপির কারণে জনগণ যে দলকে বিতাড়িত করেছিল, সেই দলকেই সে দেশের মানুষ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী করেছে।
গণতন্ত্রকে ষড়যন্ত্রমুক্ত করতে চাইছে বর্তমান সরকার। ভালো কথা। কিন্তু নিপীড়নমুক্ত করবে কে? দুটোই সমান বিপজ্জনক।
‘মৃদু আঘাত’ কিংবা ‘হালকা নাশতা’র রাজনীতি কেবল মঞ্চে নয়, মন থেকেও মুছে ফেলতে হবে। সেই কঠিন কাজটি করতে পারবেন কি শেখ হাসিনা? পারবেন কি খালেদা জিয়া?
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohৎab03@dhaka.net

No comments

Powered by Blogger.