Friday, February 10, 2012
রস, কষ, শিঙাড়া, বুলবুলি, মস্তক by হুমায়ূন আহমেদ
রস, কষ, শিঙাড়া, বুলবুলি, মস্তক by হুমায়ূন আহমেদ
গল্প লেখার পেছনের গল্প: বিশ্বসাহিত্যে কল্পবিজ্ঞানের গ্র্যান্ড মাস্টার আমেরিকান লেখক আইজ্যাক অ্যাসিমভ। ভূতের গল্পের আরেক গ্র্যান্ড মাস্টার হলেন স্টিফান কিং। ইনিও আমেরিকান। এই দুই লেখকই গল্প লেখার গল্প লিখতে পছন্দ করেন। আইজ্যাক অ্যাসিমভ আবার স্টিফান কিংয়ের এক কাঠি এগিয়ে। তিনি গল্পটি লিখে কত টাকা পেয়েছিলেন, কত পাওয়া উচিত ছিল, তাও লিখেন।
আমি এই দুজনের অনুপ্রেরণায় মাঝে মাঝে গল্প লেখার পেছনের গল্প লিখি। আমার গল্পগ্রন্থ আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রণ-এ এই কাজটি করেছি। কারও দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়া দোষের কিছু না, হজম হয়ে যাওয়াটা দোষের।
‘রস কষ শিঙাড়া বুলবুলি’ লেখার পেছনে আছে প্লাটিনামঘটিত একটি রসায়নিক যৌগ। প্লাটিনাম অতি মূল্যবান ধাতু। ধনবান তরুণীদের গায়ে প্লাটিনামের তৈরি গয়না রুচি ও বিত্তের বিজ্ঞাপন হিসেবে কাজ করে। দেখো, আমার কী রুচি, আমার কত টাকা। আমি প্লাটিনামের গয়না পরি।
সমস্যা হয়, এই প্লাটিনাম যখন শরীরের বাইরে না থেকে কেমোথেরাপির একটি যৌগ হিসেবে শরীরের রক্তে মেশানো হয়, তখন। এ শরীর বিষাক্ত করে তোলে। নার্ভের ওপর চেপে বসে। হাত এবং পায়ের আঙুল অবশ হতে শুরু করে। অবস্থা একপর্যায়ে এমন হয় যে, কোনো কিছু হাতের আঙুল ব্যবহার করে ধরা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। যেমন, এখন আমি শার্টের বোতাম নিজে লাগাতে পারি না। অন্যকে এগিয়ে আসতে হয়। পুত্র নিষাদ জুতার ফিতা লাগাতে পারে না, তবে শার্টের বোতাম লাগাতে পারে। জুতার ফিতা বাঁধার কাজটি আদর্শ পত্নীর মতো শাওন করে। তার এবারের আমেরিকা ভ্রমণ হলো শিক্ষাসফর।
কেমোথেরাপি যে আমাকে এই পর্যায়ে নিয়ে যাবে, তা আমার অনকোলজিস্ট প্রথম দিনেই বলেছেন। আমি লেখক এবং কম্পিউটারে লিখি না, আঙুলে কলম ধরে লিখি শুনে তিনি কিছুটা চিন্তিত হলেন। আমাকে বললেন, তুমি আঙুল দিয়ে লেখার চেষ্টা করে যাবে। এটা ব্যায়ামের মতো কাজ করবে। আর যদি এমন হয়, তুমি একেবারেই লিখতে পারছ না, তখন তুমি মুখে বলবে, তোমার স্ত্রী লিখবে। এই বুদ্ধি কেমন?
আমি বললাম, ভালো বুদ্ধি। ‘রস, কষ, শিঙারা, বুলবুলি’ গল্পটি আমি নিজের আঙুল ব্যবহার করেই লিখছি। ভবিষ্যতে কী হবে, তা বলতে পারছি না। গল্প কী লিখব ঠিক করা আছে। জাপানি কথাশিল্পী হারুকি মোরাকামির একটি গল্পের ছায়ায় ব্যাঙ নিয়ে গল্প। আদি গল্পে টোকিও শহরের এক লোক তার অ্যাপার্টমেন্টের দরজা খুলে দেখে ঘরে প্রকাণ্ড এক ব্যাঙ। ব্যাঙ মানুষের ভাষায় কথা বলতে থাকে। নিতান্তই রূপকথা-টাইপ গল্প, কিন্তু গল্প শেষ করার পর মনে হবে—এমন হতেও তো পারে। গল্পকারের এখানেই বাহাদুরি।
আমি ঠিক করেছি, ক্যানসারে আক্রান্ত এক যুবক তার অ্যাপার্টমেন্টের দরজা খুলে দেখবে, প্রকাণ্ড এক ব্যাঙ তার বসার ঘরের সোফায় বসে কফি খেতে খেতে খবরের কাগজ পড়ছে। মামুনকে ঢুকতে দেখে সে বলল, আহারে, পুরা তো ভিজে গেছেন। জ্বর তো বাঁধাবেন। গরম পানিতে একটি হট শাওয়ার নিন। আমি এর মধ্যে চা বানিয়ে দিচ্ছি। চায়ে চুমুক দিন। চায়ে চিনি ক’চামচ খান?
কলম হাতে নেওয়ার পর মনে হলো, আরেকজনের গল্পের ছায়ায় গল্প লেখার দরকারটা কী? আমি আমার মতো করে লিখি না কেন? জাপানি কথাশিল্পী ব্যাঙ নিয়ে গল্প ফেঁদেছেন, আমি ফাঁদব বিড়াল নিয়ে। সে মানুষের ভাষায় কথা বলবে না। তার মানুষের ভাষায় কথা বলার প্রয়োজন নেই। বিড়াল হচ্ছে বিড়াল। তার জন্য এক শব্দের ভাষা ‘ম্যাঁও’ যথেষ্ট। তবে বিড়ালটা মোরাকামির ব্যাঙের মতো কথা বলা শুরুও করতে পারে। লেখক কলম হাতে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই কলমের নিয়ন্ত্রণ অন্য কারোর কাছে চলে যায়। এ জন্যই গল্পে কী ঘটবে না ঘটবে, তা আগ বাড়িয়ে বলা যাবে না।
ভালো কথা, গল্পের নামকরণ আমি ধার করেছি, এটা বলা দরকার। নিউইয়র্ক মুক্তধারার বিশ্বজিৎ সাহা আমাকে একগাদা বইয়ের তালিকা দিয়ে গেছে। কলকাতা বইমেলায় এই সব বই প্রকাশিত হবে, আমি চাই কি না! একটি প্রকাশিতব্য বইয়ের নাম—রস কষ শিঙাড়া বুলবুলি মস্তক। আমি ভাবলাম, ভালো তো। নাম হজম করে ফেললাম।
আরেকটা কথা, এই গল্প উত্তম পুরুষে শুরু করে থার্ড পারসনে চলে গেছি। বিষয়টা ইচ্ছাকৃত না, নিজের অজান্তেই ঘটেছে।
আসুন এখন মূল গল্পে—
আমার নাম মামুন। আমার বয়স ত্রিশ, তবে সার্টিফিকেটে আছে সাতাশ। এসএসসির ফরম ফিলাপের সময় আমাদের হেডস্যার সবার বয়স তিন বছর কমিয়ে দিলেন। এতে নাকি পরে অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে। তিনি শুধু যে বয়স কমালেন, তা-না, সবার জন্মতারিখ করে দিলেন ১ জানুয়ারি। এই কাজটি তিনি কেন করলেন, তা ব্যাখ্যা করলেন না। কুতুবপুর আদর্শ বালক বিদ্যালয়ের আমার ব্যাচের সব ছাত্রের জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি।
আজ পয়লা জানুয়ারি। সার্টিফিকেট হিসাবে আমার জন্মদিন। মূল জন্মদিনের তারিখ (১২ অক্টোবর, তুলা রাশি) আমার প্রায়ই মনে থাকে না, তবে ১ জানুয়ারি মনে থাকে। এই উপলক্ষে কেক কাটা হয় না, তবে আমি আগোরা সুপার মার্কেট থেকে এক পিস পেস্ট্রি কিনি, দাম ১০ টাকা।
জন্মদিন পালন করি একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে। না, আমার সঙ্গে কেউ থাকে না। আমি একা মানুষ। জ্বলন্ত মোমবাতি ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে বেসুরা গলায় গান ধরি।
হ্যাপি বার্থ ডে ডিয়ার মামুন
হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ।
তারপর পেস্ট্রি খাওয়া। পেস্ট্রি খাওয়ার সময় মাথা দুলাতে দুলাতে গাই—আই অ্যাম এ জলি গুড ফেলো...
আমার পড়াশোনা, বিদ্যা-বুদ্ধি সম্পর্কে এখন বলা যেতে পারে। এসএসসিতে ফার্স্ট ডিভিশন, পাঁচটি লেটার। এইচএসসিতে ফার্স্ট ডিভিশন, লেটার নেই। বিএতে সেকেন্ড ক্লাস। এমএতে টেনেটুনে থার্ড ক্লাস। এমএ থার্ড ক্লাস হলো, এমএ ফেলের চেয়েও নিচে। কাজেই আমি কাউকে এমএ রেজাল্টের কথা বলি না।
যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করি, তাদের বিএ পাসের কথা জানাইনি। জানলে তারা আমাকে চাকরি দিত না। আমি ওভার কোয়ালিফাইড হয়ে যেতাম। আমি একটা প্রতিষ্ঠানের টি ম্যান বাংলায় কী হবে? চাওয়ালা? অফিস চলাকালে যে চা চায় তাকে চা বানিয়ে দিই। কফি বানিয়ে দিই। প্রতিষ্ঠানের নাম ‘অন্য প্রকাশ’। এরা নানা বইপত্র ছাপায়। বইয়ের প্রুফ নিয়ে মাঝে মাঝে অনেক লেখককে বাসায় যেতে হয়। হুমায়ূন স্যারের বাসায় আমি অনেকবার গিয়েছি। তিনি আমাকে নামে চেনেন। আমার সঙ্গে রসিকতাও করেন। একদিন আমাকে বললেন, তোমার মামুন নাম শর্ট করে দাও। শেষের ‘ন’টা ফেলে দাও। তাহলে সবাই তোমাকে মামু ডাকবে। আমি মাজহারকে বলে দেব, সেও তোমাকে মামু ডাকবে।
মাজহার স্যার হচ্ছেন আমাদের প্রতিষ্ঠানের মালিক। হুমায়ূন স্যার এই কথা বললে তিনি অবশ্যই আমাকে মামু ডাকা শুরু করবেন।
মামু ডাকার দরকার নেই, আমাকে তিনি যে তুই তুই করে বলেন, এটা অসহ্য লাগে। আমি একজন গ্র্যাজুয়েট, এই খবরটা জানলে তিনি অবশ্যই তুই বলতেন না, তবে আমাকে চাকরিতেও রাখতেন না। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে কিছু লোক দরকার, যাকে মালিকপক্ষ তুই-তোকারি করতে পারে। মানুষকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করায় আনন্দ আছে।
আচ্ছা, থাক উনার কথা। আমি জন্মদিনের কথা বলি। অফিস থেকে বের হয়ে একটা চায়ের দোকানে ঢুকলাম। আমি টি ম্যান। সারা দিন অন্যের চা বানাই বলেই মনে হয় নিজের বানানো চা খেতে ভালো লাগে না। ‘বিসমিল্লাহ’ হোটেলে পাঁচ টাকা দিয়ে একটা মালাই চা খাই। এরা চা-টা ভালো বানায়। দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে। সেই দুধে চা-পাতা দিয়ে আবার জ্বাল দেওয়া, জ্বাল দেওয়া। যারা এই চায়ের মজা পেয়ে যায়, তারা অন্য চা মুখে দিতে পারে না। মনে হয় এরা চায়ে সামান্য আফিমও দেয়, কারণ চা খাওয়ার পরপর নেশার মতো হয়।
চা শেষ করার আগেই ঝুম বৃষ্টি লেগে গেল। বৃষ্টি না থামা পর্যন্ত আমি বের হতে পারব না। আমার সঙ্গে ছাতা নেই। আমাকে যেতে হবে হেঁটে হেঁটে। রিকশায় করে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
আমি পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিয়ে চুপ করে বসে রইলাম। পাঞ্জাবির পকেটে হাত দেওয়ার বিষয়টা বলি। পাঞ্জাবির পকেটে আমার ধানমন্ডি ৩/এ-র অ্যাপার্টমেন্টের দুটো চাবি। একটা তালারই দুটো চাবি। প্রথমে একটা চাবি দিয়ে ক্লক ওয়াইজ ঘোরাতে হয়, তারপর দ্বিতীয় চাবি অন্য একটা ফুটায় ঢুকিয়ে এন্টিক্লক ওয়াইজ ঘোরাতে হয়। এই চাবি আমার দূরসম্পর্কের মামা হাশেম আলী খান জার্মানি থেকে এনেছেন। তাঁর অ্যাপার্টমেন্টের মূল দরজার চাবি।
আপনারা কি বুঝে ফেলেছেন আমি হাশেম মামার অ্যাপার্টমেন্টের একজন কেয়ারটেকার? হাশেম মামা থাকেন জার্মানিতে। আমি হাশেম মামার অ্যাপার্টমেন্টে থাকি। তিন হাজার বর্গফুটের বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট। ফ্রিজ আছে দুটো। একটা ফ্রিজের বোতাম টিপলে হড়হড় করে বরফ বের হয়। বসার ঘরে সোফার দাম এক লাখ পঁচাত্তর হাজার টাকা। বসলে মনে হয় মাখনের দলায় বসেছি। এ থেকেই বোঝা যায় ঘটনা কী?
মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের মাজহার স্যারের অ্যাপার্টমেন্ট ৩/এ-র গলিতে। আমি যে একই গলিতে থাকি, তা তাঁকে জানাইনি। জানালেই ঝামেলা। নতুন অনেক কাজ ঘাড়ে নিতে হবে। তাঁর জন্য বাজার করে দেওয়া। তাঁর দুই ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসা। মাজহার স্যার অবশ্য কয়েকবার আমাকে এই গলিতে দেখেছেন। প্রথম যেদিন দেখেন, সেদিন বলেছিলেন, এদিকে কী?
আমি বললাম, স্যার, আমার এক দূরসম্পর্কের মামার বাসা এই গলিতে। তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। এখন চলে যাচ্ছি।
তিনি বললেন, ও, আচ্ছা আচ্ছা।
আমি বললাম, কিছু লাগবে, স্যার? আমার কোনো কাজ কি আছে?
তিনি বললেন, না। তুই কাল সকাল সাতটার আগে বাসায় চলে আসবি। ছেলে দুটোকে স্কুলে নিয়ে যাবি। তাদের মায়ের জ্বর।
আমি বললাম, জি, আচ্ছা, স্যার।
আমি নিশ্চিন্ত হয়ে গেলাম, তিনি এ গলিতে আমাকে দেখলেও কখনো ভাববেন না এখানকার কোনো অ্যাপার্টমেন্টে আমি মোটামুটি রাজার হালেই বাস করি এবং আমার অ্যাপার্টমেন্ট তাঁরটার ডাবল। প্রতিটি ঘরে ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি আছে। মূল শোবার ঘরের খাটে আছে ওয়াটার বেড, তোষকের ভেতর তুলার বদলে পানি ভরা। বিছানায় শুলে মনে হয় পানির ওপর শুয়ে আছি। এই জিনিস মাজহার স্যার চোখে দেখেছেন বলেও মনে হয় না। উনাকে একবার আমার অ্যাপার্টমেন্ট দেখাতে পারলে ভালো লাগত। না, উনাকে আনা যাবে না। উনাকে যেদিন আনব, তার পরদিন আমার চাকরি চলে যাবে। তবে হুমায়ূন স্যারকে একদিন দাওয়াত করে খাওয়াব। উনি আসবেন কি না, জানি না। মনে হয়, আসবেন না। উনাকে মাই ডিয়ার মনে হলেও উনি ভয়ংকর অহংকারী। তবে তিনি যদি আসতেন, তাঁকে একটা বিড়ালের গল্প শোনাতাম। বিড়াল নিয়ে দুটো উপন্যাস লিখেছেন। একটার নাম বিড়াল, আরেকটার নাম পুফি। দুটো আমি পড়েছি। তেমন কিছু হয়নি। আমি যে গল্পটা জানি, সেটার কাছে বিড়ালের কোনো গল্প দাঁড়াবে না। আল্লাহর কসম, নবীজির কসম।
অনেকক্ষণ হলো মামুনের চা শেষ হয়েছে, বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ নেই। পৌষ মাস, বৃষ্টির মাস না। কোনো কারণে নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে যে বৃষ্টি হয়, সেটা থামে না। যতক্ষণ নিম্নচাপ, ততক্ষণ বৃষ্টি।
রাস্তায় নেমে মামুনের শরীর হিম হয়ে গেল। বৃষ্টির পানিতে না, আসমান থেকে বরফ পড়ছে। সেই সঙ্গে ঠান্ডা হওয়া। এই ঠান্ডায় হেঁটে ধানমন্ডি পর্যন্ত যাওয়া যাবে না, তার আগেই নিউমোনিয়া ধরে যাবে। মামুনের শরীরের অবস্থা যা, তাতে নিউমোনিয়া ধরলে আর বাঁচানো যাবে না। তার পাকস্থলীতে ক্যানসার হয়েছে। সে কেমোথেরাপি শুরু করেছে। নীলগঞ্জে বসতবাড়ি বিক্রি করে কেমোর খরচ চালাচ্ছে।
প্রতি পনেরো দিন পরপর একবার করে কেমোর ডেট থাকে। মামুনের কাছে আটটা কেমো দেওয়ার মতো টাকা আছে। তবে তার ধারণা, চারটা কেমোর পরপরই সে শেষ হয়ে যাবে। বাকি টাকাটা তখন কী হবে?
ক্যানসার ও কেমোর ব্যাপারটা সে সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছে। এই সব বলে বেড়ানোর বিষয় না।
প্রথম কেমোর পর তাকে তিন দিন বিছানায় শুয়ে থাকতে হলো। চতুর্থ দিনে অফিসে যাওয়ার পর মাজহার স্যার বললেন, ঘটনা কী? অফিসে আসিসনি কেন? মামুন বলল, আমার খালাতো বোন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। তাকে ধরার জন্য দিনাজপুর গিয়েছিলাম।
মাজহার স্যার বললেন, পাওয়া গেছে?
মামুন বলল, না। সে বর্ডার ক্রস হয়ে ইন্ডিয়া চলে গেছে। যার সঙ্গে পালিয়েছে, সে হিন্দু। নাম বিকাশ। আমার মনে হয় রুবিনা এই হিন্দুটাকেই বিয়ে করবে।
মামুন জানে নতুন ধরনের অপ্রচলিত গল্প বললে সহজে পার পাওয়া যায়। ‘জ্বর হয়েছে বলে তিন দিন আসতে পারি নাই’—এই ধরনের গল্প পাত্তা পায় না। দ্বিতীয় কেমোর সময় অফিস কামাইয়ের গল্প সে তৈরি করে রেখেছে।
কোনো রিকশা নেই। মামুন হাঁটতে হাঁটতে এগোচ্ছে। রাস্তায় পানি জমে গেছে। খানাখন্দের মধ্যে পা পড়লে জীবাণু সংক্রমণ হবে। তখন আর রক্ষা নেই। কেমোথেরাপি চলার সময় শরীরের ডব্লিউবিসি কমে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
ঝোড়ো বাতাসের কারণে কারেন্ট চলে গেছে। চারদিক হঠাৎ অন্ধকার। যখন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, তখন আলো হচ্ছে। মোটরগাড়ির হেডলাইটের আলো থাকায় রক্ষা। মামুন বুঝতে পারছে সে কোথায় যাচ্ছে।
পানিতে-কাদায় মাখামাখি হয়ে, গায়ে প্রবল জ্বর নিয়ে মামুন শেষ পর্যন্ত তার অ্যাপার্টমেন্টের সামনে এসে দাঁড়াল। চাবি দিয়ে তালা খোলাটাই এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বরের ঘোরে হাত কাঁপছে। চাবি ঘোরানো যাচ্ছে না। মামুনের কাছে মনে হচ্ছে, সে অনন্তকাল ধরে চাবি ঘোরাচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত দরজা খুলল। মামুন বসার ঘরের বাতি জ্বালাল। ঘর আলো হওয়ামাত্র তার মাথা চক্কর দিয়ে উঠল। ঘরের এক লাখ পঁচাত্তর হাজার টাকা দামের সোফায় নোংরা একটা বিড়াল বসে আছে। বিড়ালটা তার মতো পানি-কাদা মাখানো। তারও হাত-পা কাঁপছে। মামুন ভেবে পেল না, এই বদবিড়াল ঢুকল কীভাবে? বন্ধ ঘরে কুকুর-বিড়াল ঢোকার উপায় নেই। মামুন কঠিন গলায় বলল, নাম। সোফা থেকে নাম বদের বাচ্চা।
মামুনকে হতভম্ব করে দিয়ে বিড়াল বলল, এক্সাইটেড হবেন না। এক্সাইটেড হওয়া কোনো কাজের কথা না। ওভার এক্সাইটেড হলে মাইল্ড স্ট্রোক হয়ে যেতে পারে। আপনি বরং হট শাওয়ার নিন। হট শাওয়ার নিয়ে গরম এক কাপ চা খান। আমাকেও দিতে পারেন। আমার অবস্থাও আপনার মতো।
মামুন নিশ্চিত, তার মাথা এলোমেলো হয়ে গেছে। তার হ্যালুসিনেশন হচ্ছে। পৃথিবী রূপকথার রাজত্ব না। এখানে পশুপাখি কথা বলে না।
বিড়ালটা সোফা থেকে নেমে বসার ঘর থেকে রান্নাঘরের দিকে গেল। আবার ফিরে এসে শরীর টান দিয়ে বলল, আমাকে কথা বলতে দেখে কি অবাক হচ্ছেন, মামুন ভাই?
তাকে মামুন ভাই ডাকছে? বিড়াল তাকে মামুন ভাই ডাকছে?
বিড়াল আবার সোফায় উঠতে উঠতে বলল, আমরা বিড়ালেরা মানুষের ভাষায় কথা বলতে পারি, তবে সচরাচর বলি না। মানুষকে চমকে দেওয়ার প্রয়োজন কী! মামুন ভাই, আপনি মনে হয় ঠান্ডা না লাগিয়ে ছাড়বেন না। ছোট ভাইয়ের একটা কথা শুনুন, টেক এ হট শাওয়ার, প্লিজ।
মামুন একদৃষ্টিতে বিড়ালের দিকে তাকিয়ে আছে। সে ইংরেজি বলছে। মামুনের মাথা কি পুরো খারাপ হয়ে গেছে! উত্তেজিত হলে চলবে না। নিজেকে শান্ত রাখতে হবে। ‘ঘরে কোনো বিড়াল নেই, সবই তার উত্তেজিত মস্তিষ্কের কল্পনা’—এই ভাবতে ভাবতে সে বাথরুমের দিকে রওনা হলো। বিড়ালটা পেছন থেকে বলল, মামুন ভাই, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমরা দুই বোন এক ভাই ছিলাম। আপনি আমাদের বস্তায় ভর্তি করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ফেলে দিয়ে এলেন। মনে পড়েছে?
মামুন হট শাওয়ার নিচ্ছে। তার সারা শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছে। গরম পানির আরামদায়ক উষ্ণতায় তার ঘুম পেয়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ, বস্তায় ভর্তি করে তিন বিড়াল ফেলে দেওয়ার কথা তার মনে আছে।
বিড়াল বাথরুমে চলে এসেছে। সেখান থেকে বলল, মামুন ভাই! আপনার উচিত ছিল বস্তার মুখ খুলে দিয়ে আসা। খুলে দিয়ে যদি আসতেন আমার বোন দুটো মারা যেত না। তিন দিন পর এক পাগল বস্তার মুখ খুলল বলে আমি বেঁচে গেলাম।
মামুন বলল, চুপ। এই হারামজাদা, চুপ।
বিড়াল বলল, অনেকক্ষণ শাওয়ার নিয়েছেন, এখন শুকনা টাওয়েল দিয়ে গা-টা মুছুন। গরম চা বা কফি কিছু একটা খান। শরীরের কাঁপুনি কমবে।
আমি কী করব, কী করব না, তা তোকে বলতে হবে না। বদের বাচ্চা!
বিড়াল বলল, ল্যাঙ্গুয়েজ প্লিজ। মানুষের উচিত সব সময় সব অবস্থায় ভদ্র ব্যবহার করা। আপনার মাজহার স্যার যখন আপনাকে তুই ডাকে, তখন আপনার খারাপ লাগে না? আমারও লাগে।
মামুন বলল, চুপ।
বিড়াল বলল, একটি বিশেষ দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনারা যেমন তিন ভাইবোন, আমরাও তাই ছিলাম। আমার দুই বোন মারা যাওয়ার পরপর আপনার দুই বোন মারা যায়। মিলটা কি লক্ষ করছেন, মামুন ভাই? আপনি বেঁচে আছেন, আমি বেঁচে আছি। আপনার শরীর ভালো না, আমারও শরীর ভালো না। দুধ ছাড়া কিছুই খেতে পারি না। রোজ রোজ কে আমাকে দুধ দেবে?
আপনার চিকিৎসা শুরু হয়েছে, আমার হচ্ছে না। তবে আমরা দুজন একই সময়ে মারা যাব। মামুন ভাই! আপনার বাসায় কি দুধ আছে? আমাকে এক বাটি গরম দুধ কি দেওয়া যাবে?
মামুন শাওয়ার থেকে বের হয়েছে। সে ঠিক করেছে, বিড়াল কী বলছে না বলছে, তা নিয়ে মাথা ঘামাবে না। তার প্রচণ্ড ক্ষুধা লেগেছে। ঘরে কোনো খাবার নেই, তবে পাউডার মিল্ক আছে। এক গ্লাস গরম দুধ খাওয়া যেতে পারে।
মামুন দুটো টোস্ট বিস্কুট আর আধা গ্লাস দুধ খেল। বিড়ালটা সারাক্ষণই তার সামনে নানা কথা বলে যাচ্ছে। মামুন জানে, এই সবই হ্যালুসিনেশন। এই গলিতেই লেখক হুমায়ূন আহমেদ থাকেন। তাঁর কাছে গেলে তিনি মিসির আলীর মতো সব বুঝিয়ে দেবেন। বিড়াল যা ইচ্ছা বলুক, তার কথায় কান না দিলেই হবে। বিড়াল কথা বলেই যাচ্ছে।
মামুন ভাই! আধা গ্লাস দুধ আমার জন্য রেখে দিয়েছেন? আপনি পুরো গ্লাস শেষ করুন। আপনার শরীরে পুষ্টি দরকার। আমাকে আধা গ্লাস দুধ দিলে খেতে পারব না। বাটিতে ঢেলে দিন। সঙ্গে একটা টোস্ট বিস্কুটও দিতে পারেন। একটু কষ্ট করে বিস্কুটটা যদি দুধে ভিজিয়ে দেন, আমার জন্য সুবিধা হয়।
মামুনের কাছে এখন মনে হচ্ছে, বিড়ালের মানুষের মতো কথা বলা অনেক পরের ব্যাপার, তার কোনো অস্তিত্বই নেই। তার পরেও মামুন বাটিতে গ্লাসের দুধ ঢেলে একটা টোস্ট বিস্কুট ছেড়ে দিল। বিড়াল বলল, থ্যাংক ইউ, ভাইয়া।
মামুন নিজের অজান্তেই বলে ফেলল, বস্তায় ভরে তোমাদের ফেলে আসাটা আমার অন্যায় হয়েছে। আই অ্যাপোলোজাইজ।
বিড়াল বলল, নো মেনশন। ভাইয়া, দুধে এক চামচ চিনি দিয়ে দেবেন? ঘরে চিনি কি আছে?
মামুন এক চামচ চিনি দুধে ঢেলে ঘুমাতে গেল।
ঘরে ভয়াবহ ঠান্ডা। লেপের নিচেও মামুন কাঁপছে। বিড়ালটা খাটের নিচে। কার্পেটে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে কথা বলেই যাচ্ছে। মামুন এখন কথার জবাবও দিচ্ছে।
মামুন ভাই! আপনাকে একটা বুদ্ধি দেব?
কী বুদ্ধি?
মাজহার স্যার মাঝে মাঝে চেক দিয়ে টাকা ভাঙানোর জন্য ব্যাংকে পাঠান না?
হুঁ।
বড় অ্যামাউন্টের চেক দিলে টাকা নিয়ে ডুব দেবেন। আপনার চিকিৎসা চলছে, এখন টাকা দরকার।
অন্যের টাকা নেব?
বিড়াল বলল, আগে তো জানে বাঁচবেন, তারপর অন্য বিবেচনা। আপনার বেঁচে থাকা আমার জন্য জরুরি। আপনি বেঁচে থাকলে আমি বেঁচে থাকব।
তোমার অসুখটা কী?
আপনার যা, আমারও তাই। তফাত একটাই—আপনার চিকিৎসা হচ্ছে, আমার হচ্ছে না।
মামুন বলল, তুমি চাইলে তোমাকে ভেটেরিনারি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে পারি।
বিড়াল হাই তুলতে তুলতে বলল, ওকে।
মামুন বলল, বাইরে প্রচণ্ড ঠান্ডা। লেপের ভেতর ঢুকবে? এসো, চলে এসো। মামুন লেপ উঁচু করল। বিড়ালটা লাফ দিয়ে লেপের ভেতর ঢুকে কুণ্ডলী পাকিয়ে পেটের কাছে শুয়ে পড়ল।
মামুন বলল, সরি!
বিড়াল বলল, সরি কেন বলছেন, ভাইয়া?
তোমাদের বস্তায় ভরে ফেলে দিয়েছিলাম, এই জন্য, সরি।
পুরোনো কথা ভেবে মনে কষ্ট পাবেন না। আরাম করে ঘুমান।
মামুন ঘুমাচ্ছে। ক্যানসার রোগীর পরাবাস্তব জগতে আরামের ঘুম। এই জগতে তার পেটের কাছে কালো একটা বিড়াল একই সঙ্গে আছে এবং নেই। শ্রোডিনজারের বিড়ালের মতো।
ঘুমের মধ্যে মামুন সুখের এক স্বপ্ন দেখল। তার বড় দুই বোন রস কষ শিঙাড়া বুলবুল খেলছে। কালো বিড়ালটা তার দুই বোনকে নিয়ে খেলা দেখছে। বিড়াল ভাইবোন খুবই আনন্দ পাচ্ছে।
অনেক দূর থেকে গম্ভীর গলায় কেউ একজন বলল, খেলা বন্ধ। টাইম ইজ আপ।
মামুনের দুই বোন খেলা বন্ধ করছে না। খেলেই যাচ্ছে—রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক। রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক। রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক।
মাজহার স্যার দুই লাখ টাকার একটা চেক দিয়েছেন, ক্যাশ টাকা আনার জন্য। তিনি বললেন, সঙ্গে কাউকে দিতে হবে, না একা আনতে পারবে?
মামুন বলল, একাই আনতে পারব, স্যার।
গাড়ি আছে কি না দেখো। গাড়ি না থাকলে রিকশা নিয়ে যাও।
মামুন চেক ভাঙিয়ে অফিসে গেল না। দুই হাফ তেহারি কিনে তার অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে গেল। টাকাটা তার কাজে লাগবে। পাসপোর্ট করাই আছে। সে চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়া চলে যাবে। বিড়ালটাকে সঙ্গে নিতে হবে। ট্রাংকে ভরে নিয়ে যাবে, সমস্যা হবে না।
মামুন একাই দুই হাফ তেহারি খেল। বিড়ালটা তেহারি খেল না। তার জন্য দুধ। দুপুরে আরামের ঘুমের জন্য সে শুয়েছে। বিড়ালটা আবারও তার পেটের কাছে। মামুন বলল, ভয় নেই। আমি তোমার চিকিৎসা করাব।
বিড়াল বলল, থ্যাংক ইউ, ভাইয়া।
মামুনের চোখ ঘুমে বন্ধ হয়ে আছে। আগের রাতের স্বপ্ন ফিরে এসেছে। মামুনের দুই বোন অতি দূরের কোনো অঞ্চল থেকে অলৌকিক সুরে গাইছে—রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক। রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক।
‘রস কষ শিঙাড়া বুলবুলি’ লেখার পেছনে আছে প্লাটিনামঘটিত একটি রসায়নিক যৌগ। প্লাটিনাম অতি মূল্যবান ধাতু। ধনবান তরুণীদের গায়ে প্লাটিনামের তৈরি গয়না রুচি ও বিত্তের বিজ্ঞাপন হিসেবে কাজ করে। দেখো, আমার কী রুচি, আমার কত টাকা। আমি প্লাটিনামের গয়না পরি।
সমস্যা হয়, এই প্লাটিনাম যখন শরীরের বাইরে না থেকে কেমোথেরাপির একটি যৌগ হিসেবে শরীরের রক্তে মেশানো হয়, তখন। এ শরীর বিষাক্ত করে তোলে। নার্ভের ওপর চেপে বসে। হাত এবং পায়ের আঙুল অবশ হতে শুরু করে। অবস্থা একপর্যায়ে এমন হয় যে, কোনো কিছু হাতের আঙুল ব্যবহার করে ধরা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। যেমন, এখন আমি শার্টের বোতাম নিজে লাগাতে পারি না। অন্যকে এগিয়ে আসতে হয়। পুত্র নিষাদ জুতার ফিতা লাগাতে পারে না, তবে শার্টের বোতাম লাগাতে পারে। জুতার ফিতা বাঁধার কাজটি আদর্শ পত্নীর মতো শাওন করে। তার এবারের আমেরিকা ভ্রমণ হলো শিক্ষাসফর।
কেমোথেরাপি যে আমাকে এই পর্যায়ে নিয়ে যাবে, তা আমার অনকোলজিস্ট প্রথম দিনেই বলেছেন। আমি লেখক এবং কম্পিউটারে লিখি না, আঙুলে কলম ধরে লিখি শুনে তিনি কিছুটা চিন্তিত হলেন। আমাকে বললেন, তুমি আঙুল দিয়ে লেখার চেষ্টা করে যাবে। এটা ব্যায়ামের মতো কাজ করবে। আর যদি এমন হয়, তুমি একেবারেই লিখতে পারছ না, তখন তুমি মুখে বলবে, তোমার স্ত্রী লিখবে। এই বুদ্ধি কেমন?
আমি বললাম, ভালো বুদ্ধি। ‘রস, কষ, শিঙারা, বুলবুলি’ গল্পটি আমি নিজের আঙুল ব্যবহার করেই লিখছি। ভবিষ্যতে কী হবে, তা বলতে পারছি না। গল্প কী লিখব ঠিক করা আছে। জাপানি কথাশিল্পী হারুকি মোরাকামির একটি গল্পের ছায়ায় ব্যাঙ নিয়ে গল্প। আদি গল্পে টোকিও শহরের এক লোক তার অ্যাপার্টমেন্টের দরজা খুলে দেখে ঘরে প্রকাণ্ড এক ব্যাঙ। ব্যাঙ মানুষের ভাষায় কথা বলতে থাকে। নিতান্তই রূপকথা-টাইপ গল্প, কিন্তু গল্প শেষ করার পর মনে হবে—এমন হতেও তো পারে। গল্পকারের এখানেই বাহাদুরি।
আমি ঠিক করেছি, ক্যানসারে আক্রান্ত এক যুবক তার অ্যাপার্টমেন্টের দরজা খুলে দেখবে, প্রকাণ্ড এক ব্যাঙ তার বসার ঘরের সোফায় বসে কফি খেতে খেতে খবরের কাগজ পড়ছে। মামুনকে ঢুকতে দেখে সে বলল, আহারে, পুরা তো ভিজে গেছেন। জ্বর তো বাঁধাবেন। গরম পানিতে একটি হট শাওয়ার নিন। আমি এর মধ্যে চা বানিয়ে দিচ্ছি। চায়ে চুমুক দিন। চায়ে চিনি ক’চামচ খান?
কলম হাতে নেওয়ার পর মনে হলো, আরেকজনের গল্পের ছায়ায় গল্প লেখার দরকারটা কী? আমি আমার মতো করে লিখি না কেন? জাপানি কথাশিল্পী ব্যাঙ নিয়ে গল্প ফেঁদেছেন, আমি ফাঁদব বিড়াল নিয়ে। সে মানুষের ভাষায় কথা বলবে না। তার মানুষের ভাষায় কথা বলার প্রয়োজন নেই। বিড়াল হচ্ছে বিড়াল। তার জন্য এক শব্দের ভাষা ‘ম্যাঁও’ যথেষ্ট। তবে বিড়ালটা মোরাকামির ব্যাঙের মতো কথা বলা শুরুও করতে পারে। লেখক কলম হাতে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই কলমের নিয়ন্ত্রণ অন্য কারোর কাছে চলে যায়। এ জন্যই গল্পে কী ঘটবে না ঘটবে, তা আগ বাড়িয়ে বলা যাবে না।
ভালো কথা, গল্পের নামকরণ আমি ধার করেছি, এটা বলা দরকার। নিউইয়র্ক মুক্তধারার বিশ্বজিৎ সাহা আমাকে একগাদা বইয়ের তালিকা দিয়ে গেছে। কলকাতা বইমেলায় এই সব বই প্রকাশিত হবে, আমি চাই কি না! একটি প্রকাশিতব্য বইয়ের নাম—রস কষ শিঙাড়া বুলবুলি মস্তক। আমি ভাবলাম, ভালো তো। নাম হজম করে ফেললাম।
আরেকটা কথা, এই গল্প উত্তম পুরুষে শুরু করে থার্ড পারসনে চলে গেছি। বিষয়টা ইচ্ছাকৃত না, নিজের অজান্তেই ঘটেছে।
আসুন এখন মূল গল্পে—
আমার নাম মামুন। আমার বয়স ত্রিশ, তবে সার্টিফিকেটে আছে সাতাশ। এসএসসির ফরম ফিলাপের সময় আমাদের হেডস্যার সবার বয়স তিন বছর কমিয়ে দিলেন। এতে নাকি পরে অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে। তিনি শুধু যে বয়স কমালেন, তা-না, সবার জন্মতারিখ করে দিলেন ১ জানুয়ারি। এই কাজটি তিনি কেন করলেন, তা ব্যাখ্যা করলেন না। কুতুবপুর আদর্শ বালক বিদ্যালয়ের আমার ব্যাচের সব ছাত্রের জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি।
আজ পয়লা জানুয়ারি। সার্টিফিকেট হিসাবে আমার জন্মদিন। মূল জন্মদিনের তারিখ (১২ অক্টোবর, তুলা রাশি) আমার প্রায়ই মনে থাকে না, তবে ১ জানুয়ারি মনে থাকে। এই উপলক্ষে কেক কাটা হয় না, তবে আমি আগোরা সুপার মার্কেট থেকে এক পিস পেস্ট্রি কিনি, দাম ১০ টাকা।
জন্মদিন পালন করি একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে। না, আমার সঙ্গে কেউ থাকে না। আমি একা মানুষ। জ্বলন্ত মোমবাতি ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে বেসুরা গলায় গান ধরি।
হ্যাপি বার্থ ডে ডিয়ার মামুন
হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ।
তারপর পেস্ট্রি খাওয়া। পেস্ট্রি খাওয়ার সময় মাথা দুলাতে দুলাতে গাই—আই অ্যাম এ জলি গুড ফেলো...
আমার পড়াশোনা, বিদ্যা-বুদ্ধি সম্পর্কে এখন বলা যেতে পারে। এসএসসিতে ফার্স্ট ডিভিশন, পাঁচটি লেটার। এইচএসসিতে ফার্স্ট ডিভিশন, লেটার নেই। বিএতে সেকেন্ড ক্লাস। এমএতে টেনেটুনে থার্ড ক্লাস। এমএ থার্ড ক্লাস হলো, এমএ ফেলের চেয়েও নিচে। কাজেই আমি কাউকে এমএ রেজাল্টের কথা বলি না।
যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করি, তাদের বিএ পাসের কথা জানাইনি। জানলে তারা আমাকে চাকরি দিত না। আমি ওভার কোয়ালিফাইড হয়ে যেতাম। আমি একটা প্রতিষ্ঠানের টি ম্যান বাংলায় কী হবে? চাওয়ালা? অফিস চলাকালে যে চা চায় তাকে চা বানিয়ে দিই। কফি বানিয়ে দিই। প্রতিষ্ঠানের নাম ‘অন্য প্রকাশ’। এরা নানা বইপত্র ছাপায়। বইয়ের প্রুফ নিয়ে মাঝে মাঝে অনেক লেখককে বাসায় যেতে হয়। হুমায়ূন স্যারের বাসায় আমি অনেকবার গিয়েছি। তিনি আমাকে নামে চেনেন। আমার সঙ্গে রসিকতাও করেন। একদিন আমাকে বললেন, তোমার মামুন নাম শর্ট করে দাও। শেষের ‘ন’টা ফেলে দাও। তাহলে সবাই তোমাকে মামু ডাকবে। আমি মাজহারকে বলে দেব, সেও তোমাকে মামু ডাকবে।
মাজহার স্যার হচ্ছেন আমাদের প্রতিষ্ঠানের মালিক। হুমায়ূন স্যার এই কথা বললে তিনি অবশ্যই আমাকে মামু ডাকা শুরু করবেন।
মামু ডাকার দরকার নেই, আমাকে তিনি যে তুই তুই করে বলেন, এটা অসহ্য লাগে। আমি একজন গ্র্যাজুয়েট, এই খবরটা জানলে তিনি অবশ্যই তুই বলতেন না, তবে আমাকে চাকরিতেও রাখতেন না। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে কিছু লোক দরকার, যাকে মালিকপক্ষ তুই-তোকারি করতে পারে। মানুষকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করায় আনন্দ আছে।
আচ্ছা, থাক উনার কথা। আমি জন্মদিনের কথা বলি। অফিস থেকে বের হয়ে একটা চায়ের দোকানে ঢুকলাম। আমি টি ম্যান। সারা দিন অন্যের চা বানাই বলেই মনে হয় নিজের বানানো চা খেতে ভালো লাগে না। ‘বিসমিল্লাহ’ হোটেলে পাঁচ টাকা দিয়ে একটা মালাই চা খাই। এরা চা-টা ভালো বানায়। দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে। সেই দুধে চা-পাতা দিয়ে আবার জ্বাল দেওয়া, জ্বাল দেওয়া। যারা এই চায়ের মজা পেয়ে যায়, তারা অন্য চা মুখে দিতে পারে না। মনে হয় এরা চায়ে সামান্য আফিমও দেয়, কারণ চা খাওয়ার পরপর নেশার মতো হয়।
চা শেষ করার আগেই ঝুম বৃষ্টি লেগে গেল। বৃষ্টি না থামা পর্যন্ত আমি বের হতে পারব না। আমার সঙ্গে ছাতা নেই। আমাকে যেতে হবে হেঁটে হেঁটে। রিকশায় করে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
আমি পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিয়ে চুপ করে বসে রইলাম। পাঞ্জাবির পকেটে হাত দেওয়ার বিষয়টা বলি। পাঞ্জাবির পকেটে আমার ধানমন্ডি ৩/এ-র অ্যাপার্টমেন্টের দুটো চাবি। একটা তালারই দুটো চাবি। প্রথমে একটা চাবি দিয়ে ক্লক ওয়াইজ ঘোরাতে হয়, তারপর দ্বিতীয় চাবি অন্য একটা ফুটায় ঢুকিয়ে এন্টিক্লক ওয়াইজ ঘোরাতে হয়। এই চাবি আমার দূরসম্পর্কের মামা হাশেম আলী খান জার্মানি থেকে এনেছেন। তাঁর অ্যাপার্টমেন্টের মূল দরজার চাবি।
আপনারা কি বুঝে ফেলেছেন আমি হাশেম মামার অ্যাপার্টমেন্টের একজন কেয়ারটেকার? হাশেম মামা থাকেন জার্মানিতে। আমি হাশেম মামার অ্যাপার্টমেন্টে থাকি। তিন হাজার বর্গফুটের বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট। ফ্রিজ আছে দুটো। একটা ফ্রিজের বোতাম টিপলে হড়হড় করে বরফ বের হয়। বসার ঘরে সোফার দাম এক লাখ পঁচাত্তর হাজার টাকা। বসলে মনে হয় মাখনের দলায় বসেছি। এ থেকেই বোঝা যায় ঘটনা কী?
মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের মাজহার স্যারের অ্যাপার্টমেন্ট ৩/এ-র গলিতে। আমি যে একই গলিতে থাকি, তা তাঁকে জানাইনি। জানালেই ঝামেলা। নতুন অনেক কাজ ঘাড়ে নিতে হবে। তাঁর জন্য বাজার করে দেওয়া। তাঁর দুই ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসা। মাজহার স্যার অবশ্য কয়েকবার আমাকে এই গলিতে দেখেছেন। প্রথম যেদিন দেখেন, সেদিন বলেছিলেন, এদিকে কী?
আমি বললাম, স্যার, আমার এক দূরসম্পর্কের মামার বাসা এই গলিতে। তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। এখন চলে যাচ্ছি।
তিনি বললেন, ও, আচ্ছা আচ্ছা।
আমি বললাম, কিছু লাগবে, স্যার? আমার কোনো কাজ কি আছে?
তিনি বললেন, না। তুই কাল সকাল সাতটার আগে বাসায় চলে আসবি। ছেলে দুটোকে স্কুলে নিয়ে যাবি। তাদের মায়ের জ্বর।
আমি বললাম, জি, আচ্ছা, স্যার।
আমি নিশ্চিন্ত হয়ে গেলাম, তিনি এ গলিতে আমাকে দেখলেও কখনো ভাববেন না এখানকার কোনো অ্যাপার্টমেন্টে আমি মোটামুটি রাজার হালেই বাস করি এবং আমার অ্যাপার্টমেন্ট তাঁরটার ডাবল। প্রতিটি ঘরে ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি আছে। মূল শোবার ঘরের খাটে আছে ওয়াটার বেড, তোষকের ভেতর তুলার বদলে পানি ভরা। বিছানায় শুলে মনে হয় পানির ওপর শুয়ে আছি। এই জিনিস মাজহার স্যার চোখে দেখেছেন বলেও মনে হয় না। উনাকে একবার আমার অ্যাপার্টমেন্ট দেখাতে পারলে ভালো লাগত। না, উনাকে আনা যাবে না। উনাকে যেদিন আনব, তার পরদিন আমার চাকরি চলে যাবে। তবে হুমায়ূন স্যারকে একদিন দাওয়াত করে খাওয়াব। উনি আসবেন কি না, জানি না। মনে হয়, আসবেন না। উনাকে মাই ডিয়ার মনে হলেও উনি ভয়ংকর অহংকারী। তবে তিনি যদি আসতেন, তাঁকে একটা বিড়ালের গল্প শোনাতাম। বিড়াল নিয়ে দুটো উপন্যাস লিখেছেন। একটার নাম বিড়াল, আরেকটার নাম পুফি। দুটো আমি পড়েছি। তেমন কিছু হয়নি। আমি যে গল্পটা জানি, সেটার কাছে বিড়ালের কোনো গল্প দাঁড়াবে না। আল্লাহর কসম, নবীজির কসম।
অনেকক্ষণ হলো মামুনের চা শেষ হয়েছে, বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ নেই। পৌষ মাস, বৃষ্টির মাস না। কোনো কারণে নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে যে বৃষ্টি হয়, সেটা থামে না। যতক্ষণ নিম্নচাপ, ততক্ষণ বৃষ্টি।
রাস্তায় নেমে মামুনের শরীর হিম হয়ে গেল। বৃষ্টির পানিতে না, আসমান থেকে বরফ পড়ছে। সেই সঙ্গে ঠান্ডা হওয়া। এই ঠান্ডায় হেঁটে ধানমন্ডি পর্যন্ত যাওয়া যাবে না, তার আগেই নিউমোনিয়া ধরে যাবে। মামুনের শরীরের অবস্থা যা, তাতে নিউমোনিয়া ধরলে আর বাঁচানো যাবে না। তার পাকস্থলীতে ক্যানসার হয়েছে। সে কেমোথেরাপি শুরু করেছে। নীলগঞ্জে বসতবাড়ি বিক্রি করে কেমোর খরচ চালাচ্ছে।
প্রতি পনেরো দিন পরপর একবার করে কেমোর ডেট থাকে। মামুনের কাছে আটটা কেমো দেওয়ার মতো টাকা আছে। তবে তার ধারণা, চারটা কেমোর পরপরই সে শেষ হয়ে যাবে। বাকি টাকাটা তখন কী হবে?
ক্যানসার ও কেমোর ব্যাপারটা সে সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছে। এই সব বলে বেড়ানোর বিষয় না।
প্রথম কেমোর পর তাকে তিন দিন বিছানায় শুয়ে থাকতে হলো। চতুর্থ দিনে অফিসে যাওয়ার পর মাজহার স্যার বললেন, ঘটনা কী? অফিসে আসিসনি কেন? মামুন বলল, আমার খালাতো বোন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। তাকে ধরার জন্য দিনাজপুর গিয়েছিলাম।
মাজহার স্যার বললেন, পাওয়া গেছে?
মামুন বলল, না। সে বর্ডার ক্রস হয়ে ইন্ডিয়া চলে গেছে। যার সঙ্গে পালিয়েছে, সে হিন্দু। নাম বিকাশ। আমার মনে হয় রুবিনা এই হিন্দুটাকেই বিয়ে করবে।
মামুন জানে নতুন ধরনের অপ্রচলিত গল্প বললে সহজে পার পাওয়া যায়। ‘জ্বর হয়েছে বলে তিন দিন আসতে পারি নাই’—এই ধরনের গল্প পাত্তা পায় না। দ্বিতীয় কেমোর সময় অফিস কামাইয়ের গল্প সে তৈরি করে রেখেছে।
কোনো রিকশা নেই। মামুন হাঁটতে হাঁটতে এগোচ্ছে। রাস্তায় পানি জমে গেছে। খানাখন্দের মধ্যে পা পড়লে জীবাণু সংক্রমণ হবে। তখন আর রক্ষা নেই। কেমোথেরাপি চলার সময় শরীরের ডব্লিউবিসি কমে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
ঝোড়ো বাতাসের কারণে কারেন্ট চলে গেছে। চারদিক হঠাৎ অন্ধকার। যখন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, তখন আলো হচ্ছে। মোটরগাড়ির হেডলাইটের আলো থাকায় রক্ষা। মামুন বুঝতে পারছে সে কোথায় যাচ্ছে।
পানিতে-কাদায় মাখামাখি হয়ে, গায়ে প্রবল জ্বর নিয়ে মামুন শেষ পর্যন্ত তার অ্যাপার্টমেন্টের সামনে এসে দাঁড়াল। চাবি দিয়ে তালা খোলাটাই এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বরের ঘোরে হাত কাঁপছে। চাবি ঘোরানো যাচ্ছে না। মামুনের কাছে মনে হচ্ছে, সে অনন্তকাল ধরে চাবি ঘোরাচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত দরজা খুলল। মামুন বসার ঘরের বাতি জ্বালাল। ঘর আলো হওয়ামাত্র তার মাথা চক্কর দিয়ে উঠল। ঘরের এক লাখ পঁচাত্তর হাজার টাকা দামের সোফায় নোংরা একটা বিড়াল বসে আছে। বিড়ালটা তার মতো পানি-কাদা মাখানো। তারও হাত-পা কাঁপছে। মামুন ভেবে পেল না, এই বদবিড়াল ঢুকল কীভাবে? বন্ধ ঘরে কুকুর-বিড়াল ঢোকার উপায় নেই। মামুন কঠিন গলায় বলল, নাম। সোফা থেকে নাম বদের বাচ্চা।
মামুনকে হতভম্ব করে দিয়ে বিড়াল বলল, এক্সাইটেড হবেন না। এক্সাইটেড হওয়া কোনো কাজের কথা না। ওভার এক্সাইটেড হলে মাইল্ড স্ট্রোক হয়ে যেতে পারে। আপনি বরং হট শাওয়ার নিন। হট শাওয়ার নিয়ে গরম এক কাপ চা খান। আমাকেও দিতে পারেন। আমার অবস্থাও আপনার মতো।
মামুন নিশ্চিত, তার মাথা এলোমেলো হয়ে গেছে। তার হ্যালুসিনেশন হচ্ছে। পৃথিবী রূপকথার রাজত্ব না। এখানে পশুপাখি কথা বলে না।
বিড়ালটা সোফা থেকে নেমে বসার ঘর থেকে রান্নাঘরের দিকে গেল। আবার ফিরে এসে শরীর টান দিয়ে বলল, আমাকে কথা বলতে দেখে কি অবাক হচ্ছেন, মামুন ভাই?
তাকে মামুন ভাই ডাকছে? বিড়াল তাকে মামুন ভাই ডাকছে?
বিড়াল আবার সোফায় উঠতে উঠতে বলল, আমরা বিড়ালেরা মানুষের ভাষায় কথা বলতে পারি, তবে সচরাচর বলি না। মানুষকে চমকে দেওয়ার প্রয়োজন কী! মামুন ভাই, আপনি মনে হয় ঠান্ডা না লাগিয়ে ছাড়বেন না। ছোট ভাইয়ের একটা কথা শুনুন, টেক এ হট শাওয়ার, প্লিজ।
মামুন একদৃষ্টিতে বিড়ালের দিকে তাকিয়ে আছে। সে ইংরেজি বলছে। মামুনের মাথা কি পুরো খারাপ হয়ে গেছে! উত্তেজিত হলে চলবে না। নিজেকে শান্ত রাখতে হবে। ‘ঘরে কোনো বিড়াল নেই, সবই তার উত্তেজিত মস্তিষ্কের কল্পনা’—এই ভাবতে ভাবতে সে বাথরুমের দিকে রওনা হলো। বিড়ালটা পেছন থেকে বলল, মামুন ভাই, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমরা দুই বোন এক ভাই ছিলাম। আপনি আমাদের বস্তায় ভর্তি করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ফেলে দিয়ে এলেন। মনে পড়েছে?
মামুন হট শাওয়ার নিচ্ছে। তার সারা শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছে। গরম পানির আরামদায়ক উষ্ণতায় তার ঘুম পেয়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ, বস্তায় ভর্তি করে তিন বিড়াল ফেলে দেওয়ার কথা তার মনে আছে।
বিড়াল বাথরুমে চলে এসেছে। সেখান থেকে বলল, মামুন ভাই! আপনার উচিত ছিল বস্তার মুখ খুলে দিয়ে আসা। খুলে দিয়ে যদি আসতেন আমার বোন দুটো মারা যেত না। তিন দিন পর এক পাগল বস্তার মুখ খুলল বলে আমি বেঁচে গেলাম।
মামুন বলল, চুপ। এই হারামজাদা, চুপ।
বিড়াল বলল, অনেকক্ষণ শাওয়ার নিয়েছেন, এখন শুকনা টাওয়েল দিয়ে গা-টা মুছুন। গরম চা বা কফি কিছু একটা খান। শরীরের কাঁপুনি কমবে।
আমি কী করব, কী করব না, তা তোকে বলতে হবে না। বদের বাচ্চা!
বিড়াল বলল, ল্যাঙ্গুয়েজ প্লিজ। মানুষের উচিত সব সময় সব অবস্থায় ভদ্র ব্যবহার করা। আপনার মাজহার স্যার যখন আপনাকে তুই ডাকে, তখন আপনার খারাপ লাগে না? আমারও লাগে।
মামুন বলল, চুপ।
বিড়াল বলল, একটি বিশেষ দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনারা যেমন তিন ভাইবোন, আমরাও তাই ছিলাম। আমার দুই বোন মারা যাওয়ার পরপর আপনার দুই বোন মারা যায়। মিলটা কি লক্ষ করছেন, মামুন ভাই? আপনি বেঁচে আছেন, আমি বেঁচে আছি। আপনার শরীর ভালো না, আমারও শরীর ভালো না। দুধ ছাড়া কিছুই খেতে পারি না। রোজ রোজ কে আমাকে দুধ দেবে?
আপনার চিকিৎসা শুরু হয়েছে, আমার হচ্ছে না। তবে আমরা দুজন একই সময়ে মারা যাব। মামুন ভাই! আপনার বাসায় কি দুধ আছে? আমাকে এক বাটি গরম দুধ কি দেওয়া যাবে?
মামুন শাওয়ার থেকে বের হয়েছে। সে ঠিক করেছে, বিড়াল কী বলছে না বলছে, তা নিয়ে মাথা ঘামাবে না। তার প্রচণ্ড ক্ষুধা লেগেছে। ঘরে কোনো খাবার নেই, তবে পাউডার মিল্ক আছে। এক গ্লাস গরম দুধ খাওয়া যেতে পারে।
মামুন দুটো টোস্ট বিস্কুট আর আধা গ্লাস দুধ খেল। বিড়ালটা সারাক্ষণই তার সামনে নানা কথা বলে যাচ্ছে। মামুন জানে, এই সবই হ্যালুসিনেশন। এই গলিতেই লেখক হুমায়ূন আহমেদ থাকেন। তাঁর কাছে গেলে তিনি মিসির আলীর মতো সব বুঝিয়ে দেবেন। বিড়াল যা ইচ্ছা বলুক, তার কথায় কান না দিলেই হবে। বিড়াল কথা বলেই যাচ্ছে।
মামুন ভাই! আধা গ্লাস দুধ আমার জন্য রেখে দিয়েছেন? আপনি পুরো গ্লাস শেষ করুন। আপনার শরীরে পুষ্টি দরকার। আমাকে আধা গ্লাস দুধ দিলে খেতে পারব না। বাটিতে ঢেলে দিন। সঙ্গে একটা টোস্ট বিস্কুটও দিতে পারেন। একটু কষ্ট করে বিস্কুটটা যদি দুধে ভিজিয়ে দেন, আমার জন্য সুবিধা হয়।
মামুনের কাছে এখন মনে হচ্ছে, বিড়ালের মানুষের মতো কথা বলা অনেক পরের ব্যাপার, তার কোনো অস্তিত্বই নেই। তার পরেও মামুন বাটিতে গ্লাসের দুধ ঢেলে একটা টোস্ট বিস্কুট ছেড়ে দিল। বিড়াল বলল, থ্যাংক ইউ, ভাইয়া।
মামুন নিজের অজান্তেই বলে ফেলল, বস্তায় ভরে তোমাদের ফেলে আসাটা আমার অন্যায় হয়েছে। আই অ্যাপোলোজাইজ।
বিড়াল বলল, নো মেনশন। ভাইয়া, দুধে এক চামচ চিনি দিয়ে দেবেন? ঘরে চিনি কি আছে?
মামুন এক চামচ চিনি দুধে ঢেলে ঘুমাতে গেল।
ঘরে ভয়াবহ ঠান্ডা। লেপের নিচেও মামুন কাঁপছে। বিড়ালটা খাটের নিচে। কার্পেটে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে কথা বলেই যাচ্ছে। মামুন এখন কথার জবাবও দিচ্ছে।
মামুন ভাই! আপনাকে একটা বুদ্ধি দেব?
কী বুদ্ধি?
মাজহার স্যার মাঝে মাঝে চেক দিয়ে টাকা ভাঙানোর জন্য ব্যাংকে পাঠান না?
হুঁ।
বড় অ্যামাউন্টের চেক দিলে টাকা নিয়ে ডুব দেবেন। আপনার চিকিৎসা চলছে, এখন টাকা দরকার।
অন্যের টাকা নেব?
বিড়াল বলল, আগে তো জানে বাঁচবেন, তারপর অন্য বিবেচনা। আপনার বেঁচে থাকা আমার জন্য জরুরি। আপনি বেঁচে থাকলে আমি বেঁচে থাকব।
তোমার অসুখটা কী?
আপনার যা, আমারও তাই। তফাত একটাই—আপনার চিকিৎসা হচ্ছে, আমার হচ্ছে না।
মামুন বলল, তুমি চাইলে তোমাকে ভেটেরিনারি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে পারি।
বিড়াল হাই তুলতে তুলতে বলল, ওকে।
মামুন বলল, বাইরে প্রচণ্ড ঠান্ডা। লেপের ভেতর ঢুকবে? এসো, চলে এসো। মামুন লেপ উঁচু করল। বিড়ালটা লাফ দিয়ে লেপের ভেতর ঢুকে কুণ্ডলী পাকিয়ে পেটের কাছে শুয়ে পড়ল।
মামুন বলল, সরি!
বিড়াল বলল, সরি কেন বলছেন, ভাইয়া?
তোমাদের বস্তায় ভরে ফেলে দিয়েছিলাম, এই জন্য, সরি।
পুরোনো কথা ভেবে মনে কষ্ট পাবেন না। আরাম করে ঘুমান।
মামুন ঘুমাচ্ছে। ক্যানসার রোগীর পরাবাস্তব জগতে আরামের ঘুম। এই জগতে তার পেটের কাছে কালো একটা বিড়াল একই সঙ্গে আছে এবং নেই। শ্রোডিনজারের বিড়ালের মতো।
ঘুমের মধ্যে মামুন সুখের এক স্বপ্ন দেখল। তার বড় দুই বোন রস কষ শিঙাড়া বুলবুল খেলছে। কালো বিড়ালটা তার দুই বোনকে নিয়ে খেলা দেখছে। বিড়াল ভাইবোন খুবই আনন্দ পাচ্ছে।
অনেক দূর থেকে গম্ভীর গলায় কেউ একজন বলল, খেলা বন্ধ। টাইম ইজ আপ।
মামুনের দুই বোন খেলা বন্ধ করছে না। খেলেই যাচ্ছে—রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক। রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক। রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক।
মাজহার স্যার দুই লাখ টাকার একটা চেক দিয়েছেন, ক্যাশ টাকা আনার জন্য। তিনি বললেন, সঙ্গে কাউকে দিতে হবে, না একা আনতে পারবে?
মামুন বলল, একাই আনতে পারব, স্যার।
গাড়ি আছে কি না দেখো। গাড়ি না থাকলে রিকশা নিয়ে যাও।
মামুন চেক ভাঙিয়ে অফিসে গেল না। দুই হাফ তেহারি কিনে তার অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে গেল। টাকাটা তার কাজে লাগবে। পাসপোর্ট করাই আছে। সে চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়া চলে যাবে। বিড়ালটাকে সঙ্গে নিতে হবে। ট্রাংকে ভরে নিয়ে যাবে, সমস্যা হবে না।
মামুন একাই দুই হাফ তেহারি খেল। বিড়ালটা তেহারি খেল না। তার জন্য দুধ। দুপুরে আরামের ঘুমের জন্য সে শুয়েছে। বিড়ালটা আবারও তার পেটের কাছে। মামুন বলল, ভয় নেই। আমি তোমার চিকিৎসা করাব।
বিড়াল বলল, থ্যাংক ইউ, ভাইয়া।
মামুনের চোখ ঘুমে বন্ধ হয়ে আছে। আগের রাতের স্বপ্ন ফিরে এসেছে। মামুনের দুই বোন অতি দূরের কোনো অঞ্চল থেকে অলৌকিক সুরে গাইছে—রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক। রস কষ শিঙাড়া বুলবুল মস্তক।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
February
(3241)
-
▼
Feb 10
(72)
- বিদ্যুতের দাম ও পল্লী বিদ্যুৎ-নিশ্চিত হোক উৎপাদন ও...
- বাকসংযমই কাম্য-অহিংস আন্দোলনের ঘোষণা ইতিবাচক
- স্মরণ-নির্ভীক সাংবাদিক শহীদ শামছুর রহমান by সেলিনা...
- পবিত্র কোরআনের আলো-ঈসা মাসীহ (আ)-এর জন্মের পর ইহুদ...
- সদরে অন্দরে-এত শিক্ষার্থীর মৃত্যুতেও কাঁদে না যে শ...
- ইতিউতি-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ...
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-ক্যাম্পাসে সহিংসতা কাম্য নয়
- নতুন নির্বাচন কমিশন-গুরুদায়িত্ব, কঠিন কাজ
- সত্যনিষ্ঠ আলেম শামছুল হক ফরিদপুরী (রহ.) by মুফতি এ...
- মদিনা সনদ :সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দলিল by আ ফ ম খ...
- বাঙালি সমগ্র জাদুঘর by তারিক রহমান সৌরভ
- সুবিধাবাদী ছাত্র নেতৃত্ব চাই না-ছাত্ররাজনীতি by মো...
- একুশ আমাদের কাছে যা চায়-ধর নির্ভয় গান by আলী যাকের
- চাকরি ছাড়লেন ক্যাপেলো!
- ‘হাতিদের’ মাহুত গেরভিনহো
- ওয়ানডে সিরিজ-ধবলধোলাই জিম্বাবুয়ে
- ছয় দলের সাতকাহন by আরিফুল ইসলাম
- ব্যাংকার্স বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক-মূল্যস্ফীতি এক অ...
- বস্ত্র ও পোশাকশিল্পের যন্ত্রপাতি প্রদর্শনী শুরু-শ্...
- ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুরস্কার দেবে সিটি ফাউন্ডেশন-...
- স্ত্রী ও দুই মেয়ে শ্রীলঙ্কা পালিয়েছেন-মালদ্বীপে না...
- মার্কিন ‘দখলদারদের’ বিদায় উৎসব পালন করল সদরের সমর্...
- সুপ্রিম কোর্টে শুনানি-‘সুইস কর্তৃপক্ষকে চিঠি লেখা ...
- নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের ভাষ্য-দক্ষিণ এশি...
- দানিয়ুব নদীতে বরফ জমে নৌ-চলাচল বন্ধ by সরাফ আহমেদ
- সোনারগাঁয়ে কমিটি বাতিলের প্রতিবাদ-যুবদলের ঢাকা-চট্...
- শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে দাবি মানলেন মালিকপক্ষ
- বউমেলা, শুধুই নারীদের জন্য
- মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রশ্ন ফাঁস-শুভেচ্ছা কোচিংয়ের...
- নগরে গৃহবধূসহ দুজন খুন
- বিজ্ঞান মেলা ২০১২-তরুণ বিজ্ঞানীরা দেশ বদলে দেবে
- বেড়া দিয়ে মাছ শিকার-পদ্মায় বিপুল বাঁশ বেড়া ও জাল ধ...
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে ২ মার্চ পর্যন্ত
- শপথ গ্রহণের পর সিইসি-নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা ক...
- শিল্পীর ভুবন-প্রাচ্যের ক্যাকটাস by সিলভিয়া নাজনীন
- বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে-নিশ্চিত করতে হবে স্বা...
- পবিত্র শবেবরাত-সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার ভিত্তি মজবুত...
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইহুদিরা নিজেদের পিতৃভূমি ফিরে প...
- রাষ্ট্রপতির প্রত্যাশিত উচ্চশিক্ষা by মিল্টন বিশ্বাস
- শবেবরাতের তাৎপর্য by মাসুদা বেগম
- পবিত্র লাইলাতুল বারাত-কল্যাণময় রজনী by সৈয়দ গোলা...
- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস-আইনের শাসন চাই by তামা...
- রঙ্গব্যঙ্গ-ভূরিভোজ by মোস্তফা কামাল
- চারুশিল্প-বাস্তবতা, শিল্পী ও স্বপ্ন by জাফরিন গুলশান
- একুশে বইমেলা ২০১২-লেখকের মুখোমুখি
- একুশের চাওয়া একুশের পাওয়া-বিদেশে বাংলা চর্চা by বি...
- সময়ের প্রেক্ষিত-বাংলাদেশ-জাপান: চার দশকের মৈত্রী b...
- ভারতে লোকপাল নিয়োগের বিতর্ক এবং বাংলাদেশ পরিপ্রেক্...
- রক্তাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়-বন্ধ হোক এ প্রাণঘাতী তাণ্ডব
- সীমান্তে গুলি বন্ধ করবে না ভারত!-বাংলাদেশের কঠোর অ...
- চরাচর-একুশের মাস আমাদের আন্দোলিত করুক
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৬২)-পঁচিশে মার্চের রাত b...
- শেকড়ের ডাক-ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের প্রাকৃ...
- চৈতন্যের মুক্ত বাতায়ন-বেঁচে থাকতে হলে আশাবাদী হতেই...
- ধর্ম-ইসলাম মানবপ্রেমের কথা বলে by মুহাম্মদ আবদুল ম...
- গ্যাসসম্পদ-গ্যাজপ্রমের সঙ্গে পেট্রোবাংলার চুক্তি ক...
- ভাষার রাজনীতি-মাতৃভাষা নিয়ে কেন অহংবোধ থাকবে না? b...
- শিক্ষাঙ্গনে হত্যা-সন্ত্রাস কি সরকারকে বিচলিত করে ন...
- কাজ না দেখেই বিরোধিতা কেন?-নতুন নির্বাচন কমিশন
- ফুকুশিমা বিপর্যয়ের এক বছর-জাপানের অর্থনীতিতে দীর্ঘ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- হাসিনার সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের মতবিনিময়-চট্টগ্রাম নগ...
- যশোরে ১৩ মাসে ১১০ হত্যা by মনিরুল ইসলাম
- বইয়ের মেলা প্রাণের মেলা-মেলায় একুশের আবহ by আশীষ-উ...
- রস, কষ, শিঙাড়া, বুলবুলি, মস্তক by হুমায়ূন আহমেদ
- এই কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়—খালেদা জিয়া
- জনপ্রশাসন মাথাভারী ও ভারসাম্যহীন by অরুণ কর্মকার ও...
- শু ক্র বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-হূদয়ের ‘চকলেট পাঠশা...
- গণতন্ত্র বিশ্বাস করলে নির্বাচনে যেতে হবে —শেখ হাসিনা
- হারিয়ে যাচ্ছে ঢেঁকি
- দর্শকদের টানতেই পারল না বিপিএল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
- পদ্মা সেতু নিয়ে উভয় সংকট by আনোয়ার হোসেন
-
▼
Feb 10
(72)
-
▼
February
(3241)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment