সাদাকালো-গৈ-গেরামের দুস্থ মুক্তিযোদ্ধার খবর কে রাখে by আহমদ রফিক

বিজয়ের মাস শেষ হয়ে গেছে। জমজমাট আনুষ্ঠানিকতার পর বিদায় নিয়েছে ডিসেম্বর। এ নিয়ে আসছে ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতার মাস, আসলে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাস। স্বাধীনতাযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলা বিষয়ে এ দুটো মাস আমাদের সামনে প্রতিবছরই ধ্রুবতারার মতো জ্বলজ্বল করে। বাকি ১০ মাস ওই সব বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাই না। ঠিক যেমন ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি পার হলে ভাষাবিষয়ক সমস্যাও আমাদের ভাবনার আড়ালে চলে যায়।
যা হোক, আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কিছু সমস্যার কথা বলতে চাইছি। আজ ৪০ বছর যাবৎ আমরা সেগুলো জিইয়ে রেখেছি।
অথবা বলা যেতে পারে, সমস্যার দিকে ফিরে তাকাইনি। কেন তাকাইনি, সে প্রশ্নের জবাব পেতে স্বাধীনতাযুদ্ধের কারণ ও চরিত্র সম্পর্কে কিছু ভাবতে হয়, কিছু তথ্য বা ইতিহাস স্মরণে আনতে হয়। সেসব হয়তো জানি, কিন্তু তাতে গুরুত্ব দিই না। অথবা দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করি না।
যেমন আমরা যুদ্ধ চাইনি, চাইনি অসংখ্য মৃত্যু, রক্তপাত ও নির্যাতনের অমানবিকতা। চেয়েছি নির্বাচনে জয়ের পর ক্ষমতার ন্যায্য ও গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবেন একজন বাঙালি, এমন একজন বাঙালি, যিনি প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের প্রবক্তা, তাঁকে মেনে নেওয়া যায় না। মেনে নিলে হয়তো সামরিক বাহিনীর বিশাল বাজেটে টান পড়বে, পশ্চিম পাকিস্তানের স্বার্থ নষ্ট হবে।
পাকিস্তান কে শাসন করবে তা নিয়ে তৈরি হয় ক্ষমতার ত্রিভুজ। যেমন- প্রেসিডেন্ট ও সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া, জটিলতা সৃষ্টিতে নাটেরগুরু জেনারেল গুল হাসান ও তার মদদপ্রাপ্ত ক্ষমতালিপ্সু রাজনীতিক জুলফিকার আলী ভুট্টো; অন্যদিকে বাংলার নির্বাচিত প্রতিনিধি আওয়ামী লীগ। অপ্রিয় সত্য হলো, ক্ষমতা লাভের পারস্পরিক সংঘাতে বেরিয়ে আসে আগুনের ফুলকি। স্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানল। তাতে অনেক ধ্বংস, অনেক মৃত্যু, শ্যামল সবুজ পুড়ে ছাই।
রোমান্টিকতা নয়, এটা বাস্তবতা। ইয়াহিয়া-টিক্কা বাহিনীর আক্রমণে ছাত্রাবাস পুড়েছে, বস্তি পুড়েছে, অনেক ঢাকাই মহল্লা পুড়েছে। রাজধানীর পর শহর, শহরের পর গ্রাম- মার্চ পেরিয়ে জুন। তবু ধ্বংস ও খুনখারাবি বন্ধ হয়নি। নির্যাতন বন্ধ হয়নি। নারী, পুরুষ ও শিশু প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত অতিক্রম করেছে। লাখ লাখ বাঙালি হিন্দু-মুসলমান ভারতীয় মাটিতে শরণার্থী। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ওদের এ দুর্গতি। সর্বশেষ হিসাবে এ সংখ্যা এক কোটি।
তাই শুধু শহর থেকে রাজনৈতিক কর্মী, নির্দলীয় তরুণ যেমন সীমান্ত অতিক্রম করেছে, তেমনি করেছে গ্রামাঞ্চল থেকে। যাদের বয়সের জোর আছে বা মনে আগুন আছে- নানা বয়সী তেমন মানুষ বিশেষত তরুণ গ্রাম ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে ও যুদ্ধ করতে ওপারে পাড়ি জমিয়েছে। এদের মধ্যে কৃষক, কারিগর, স্বল্পবিত্ত বা বিত্তহীন শ্রেণীর সংখ্যা কম নয়।
এই যে অনভিজাত মুক্তিযোদ্ধার শ্রেণী স্বাধীনতাযুদ্ধে এদের সংখ্যা যথেষ্ট। ছাত্রদের পর সংখ্যায় এরা সর্বোচ্চ। আর স্বাধীনতাযুদ্ধে এরাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। কারণ এদের চাওয়া-পাওয়ার দাবি ছিল সামান্য। অথচ যুদ্ধে এদের প্রায় সবাই সফল সেনানী। এমনটাই অভিমত স্বাধীনতাযুদ্ধের দুই বীর-উত্তম কর্নেল তাহের ও মেজর রফিকুল ইসলাম এবং আরো কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির। তাঁদের মধ্যে আরো রয়েছেন ইপিআর বা নিয়মিত বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশ সদস্য। ইপিআর ও পুলিশই প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে, যা পরে স্বাধীনতাযুদ্ধে পরিণত হয়। স্বল্পসংখ্যক ব্যতিক্রম বাদে সামরিক কর্মকর্তারা স্বাধীনতাযুদ্ধে ছিলেন দ্বিধান্বিত। পরিস্থিতি তাঁদের সেদিকে ঠেলে দেয়। এককথায়, সমাজের নিম্নস্তর থেকে আসা মানুষগুলোই স্বাধীনতাযুদ্ধের মূল ভিত গড়ে তোলে। অবশ্য সেই সঙ্গে ছাত্রসমাজ।
ওই নিম্নবর্গীয় যোদ্ধারা অন্যদের মতোই কেউ শহীদ, কেউ পঙ্গু, বাদবাকি যুদ্ধ শেষে ঘরে ফিরে দেখেছে- ঘরদোর পুড়ে ছাই পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকার বাহিনীর কল্যাণে! মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। কী করবে তারা। সে ইতিহাস সামান্যই লেখা হয়েছে। যুদ্ধ শেষে বিজয় ও স্বাধীনতার অমৃত এদের কাছে সামান্যই পৌঁছেছে। সে অমৃত শিক্ষিত শ্রেণী, পেশাজীবী শ্রেণী এবং রাজনীতিকদের ভোগে লেগেছে। তাঁরা ওই নিম্নবর্গীয়দের অমৃত-ভোজে ডাক দেননি। ভাগ দেওয়া দূরে থাকুক।
অবশ্য যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলায় দেশ গঠন, ধ্বংসস্তূপ থেকে এর পুনর্নির্মাণ, অস্ত্র উদ্ধার ও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিকতা রক্ষা এবং শাসন প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো সন্দেহ নেই সর্বাধিক জরুরি হিসেবে বিবেচ্য। হয়তো তাই মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসনে সংখ্যাগুরু ওই নিম্নবর্গীয় মানুষগুলোর দিকে যথাযথ গুরুত্বে তাকানোর অবকাশ মেলেনি। অবশ্য সন্দেহ নেই, জাঁকজমক করে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। কিন্তু এর সুফলও মনে হয় ওই সব অন্ধকার ঘরগুলোতে পৌঁছেনি। পৌঁছেনি ঘরহারা দিশেহারা মানুষগুলোর কাছে, যাঁদের পরিচয় দুস্থ মুক্তিযোদ্ধার। যদি সত্যি তাঁদের পুনর্বাসন বা অন্তত দেখভাল করার ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে প্রতিবছর ডিসেম্বরের দৈনিকগুলোতে মুক্তিযোদ্ধাদের করুণ দুঃখগাথার সাতকাহন প্রকাশ পেত না।
প্রাসঙ্গিক আরো একটি বিষয়- আমরা যে কতটা আনুষ্ঠানিকতাপ্রিয়, কাজের আন্তরিকতায় বিশ্বাসী নই, তার প্রমাণ ওই ডিসেম্বরে বা মার্চে বা ফেব্রুয়ারিতে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে আটকে থাকা। ডিসেম্বরে তথ্য তুলে ধরে যে জাতীয় দায়িত্ব পালন করে কাগজগুলো, বছরব্যাপী সে কাজ দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক উপকারে আসতে পারে। অন্তত আমরা জানতে পারি, দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা কত?
আসলে দরকার দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের তত্ত্বতালাশে দেশব্যাপী জরিপ। এ কর্তব্য সরকারের। যাঁদের কল্যাণে গঠিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, তারা শাসন ক্ষমতায়; তাঁদের ভালো-মন্দের খবর রাখা, তাঁদের সমস্যার সমাধানে সাহায্যের হাত বাড়ানো- যে দলীয় হোক না কেন, সরকারের কর্তব্য। সে কর্তব্য পালনে তাদের মন নেই।
মুক্তিযুদ্ধ ও যোদ্ধাদের নিয়ে দেশে এত সংগঠন এবং এত কথকতা, তবু তারাই বা কেন উলি্লখিত দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিচ্ছে না তা বুঝে ওঠা দায়। এটা তো অনুমেয় যে পত্রিকায় প্রকাশিত ওই হিসাবের বাইরে অনেক দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা অসহায়, অমানবিক জীবন যাপন করছেন। তাঁদের কেউ অর্থের অভাবে, কেউ সুচিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। এ তাঁদের জীবনে আরেক লড়াই, নতুন লড়াই এবং তা স্বাধীন বাংলাদেশে। যে দেশের স্বাধীনতা তাঁদের লড়াইয়ে অর্জিত। ওই লড়াইয়ে গর্ব ও গৌরব দুই-ই ছিল, যা বর্তমান লড়াইয়ে নেই।
তাঁদের কতজন যে এভাবে শেষ নিঃশ্বাস ফেলেছেন, কতজন আত্মহত্যা করেছেন সে সংখ্যাও আমাদের জানা নেই।
মনে পড়ছে, কয়েক দিন আগে কাগজের খবর- ষাটোর্ধ্ব বয়সের গাইবান্ধার জনৈক মুক্তিযোদ্ধার পিঠে আড়াই মণি চালের বোঝা। সরকারি চালের গুদামে কুলির কাজ করছেন। প্রৌঢ় এই মুক্তিযোদ্ধাকে দেশ এমন দুঃসহ জীবন উপহার দিয়েছে। অথচ শিক্ষিত শ্রেণীর, মধ্যবিত্ত-বিত্তবান শ্রেণীর, পেশাজীবী শ্রেণীর মুক্তিযোদ্ধারা তো বেশ আছেন। চোখের সামনে অনেক জ্বলজ্বলে উদাহরণ এ সত্যই প্রমাণ করে যে যুদ্ধের সুবিধাভোগী শিক্ষিত, বিত্তবান ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী। এ বিজয় তাঁদের শ্রেণীস্বার্থই পূরণ করেছে।
আর তাতে করেই মুক্তিযোদ্ধা নামে পরিচিত, যাঁদের হরহামেশা 'জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান' নামে অভিহিত করি, তাঁদের বেশ বড়সড় অংশ আজ রোগে-অভাবে-অনটনে জর্জরিত। বড় কথা হলো, তাঁদের দেখাশোনার বা তত্ত্বতালাশের কেউ নেই। তাঁদের অনেকে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। স্বচ্ছন্দ জীবিকার কোনো ব্যবস্থা নেই। একটি দৈনিকে এমন অনেকের কাহিনী প্রকাশিত হয়েছে, যা আমাদের চেতনাকে আঘাতে আহত করে। সে চেতনা সুস্থ জাতীয়তার।
আর তা আহত হতে বাধ্য, যখন গ্রেনেডের স্প্লিন্টারবিদ্ধ আবদুল মালেক এখনো- ২০১১ সালের ডিসেম্বরে যুদ্ধের বাস্তবতা শরীরে বহন করে দিনমজুরি ছাড়াও গ্রামে গ্রামে আইসক্রিম বিক্রি করে জীবনটাকে ধরে রাখার চেষ্টা চালান। কষ্ট আরো তীব্র হয়ে ওঠে, যখন দেহের অভ্যন্তর থেকে স্প্লিন্টার তাঁকে রণাঙ্গনের কথা মনে করিয়ে দেয়। কিংবা যখন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল আজিজ চার বছর যাবৎ পক্ষাঘাতে শয্যাশায়ী, কিন্তু চিকিৎসার সামর্থ্য নেই, ভাতার টাকায় বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়, তখন ক্ষুব্ধ না হয়ে উপায় কী? অভাব-অনটনে ক্লিষ্ট এমন অনেক নাম আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে- শাসকশ্রেণী তাদের জাতীয় দায়িত্ব পালন করছে না।
যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্বে যার পরিচিতিটাই 'ফাইটার কম্যান্ডার' সেই যুদ্ধজয়ী আমজাদ মলি্লক আজ স্বাধীন বাংলাদেশে জীবনযুদ্ধে পরাজিত। তেমনি দুঃসাহসী মুক্তিযোদ্ধা বাগেরহাটের আবদুল মান্নান পাঠান রোগশয্যায় শুয়ে ভাবছেন- কে তাঁকে চিকিৎসা এবং শেষজীবনে একটু স্বস্তি এনে দেবে। অন্যদিকে আগৈলঝাড়ার নারী মুক্তিযোদ্ধা মনা রানী ব্যানার্জি চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। পরিবারের তিনজন মুক্তিযোদ্ধা। ভাতা পান একজন। তাতে সংসার চলে না।
চলে না মানিকগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা 'টাইগার' লোকমান হোসেনের। তাঁর হাতে এখন নৌকার হাল। ছেলের একটা পিয়নের চাকরি জোটাতে ঘুরেছেন নানাজনের দরজায়। কাজ হয়নি। আর টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনীর আহত মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহের আলী বেঁচে আছেন ফুটপাতে তোলা একটি পান-সিগারেটের দোকান সম্বল করে। চুয়াডাঙ্গার মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলামের আরো বেহালদশা। স্ত্রীর ঝিয়ের কাজ তাঁদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু তাতে সংসার চলে না।
মানসিক পীড়ন বাড়ে নড়াইল শহরের খোকন দেবনাথের, যখন ফেরিঘাটে তাঁর ছোট্ট চায়ের দোকানে সচ্ছল রাজাকার এসে নিশ্চিন্তে চায়ে চুমুক দেয়। অথচ এ আয়ে তাঁর দিন চলে না। একইভাবে চুনারুঘাটের বীর মুক্তিযোদ্ধা খবরের কাগজ ফেরি করেন, আর নাগেশ্বরীর সাহসী মুক্তিযোদ্ধা এখন পেশায় সাপকারবারি। এমনি বিচিত্র পেশায় কোনোমতে জীবন যাপন করেন আবদুল কাদির, বেলাল উদ্দিন, তপন কুমার দাস, দেলোয়ার হোসেন, মোবারক আলী, হাশেম মাঝি প্রমুখ বীর মুক্তিযোদ্ধা। তবে আশ্চর্য যে পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনের শিকার আজম খান লতাপাতা চিবিয়ে এখনো নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, চিকিৎসার সামর্থ্য নেই।
দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা এত বড় যে তা কলামে আটবে না। তাই তাঁদের কথা না বাড়িয়ে প্রশ্ন : জাতি এঁদের জন্য কি কিছুই করতে পারে না, পারে না সাদামাটা জীবনযাপনের ব্যবস্থা করে দিতে? কী করছে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট? দেশে তো ধনাঢ্য শিল্পপতির অভাব নেই। এই মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানেই তো দেশের স্বাধীনতা আর তাঁদের বিত্তবৈভব! তাঁরা কি একটু তৎপর হতে পারেন না?
বেসরকারি খাতে কি ধনপতিদের দানে গড়ে উঠতে পারে না দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সাহায্য সংস্থা। তাঁদের আটপৌরে জীবন ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে? আমাদের অবশেষ কথা : জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা কি এভাবে বিনা সহায়তায় শেষ হয়ে যাবেন জাতির ললাটে কলঙ্করেখা এঁকে? এবং তাঁরা গৈ-গেরামের সাধারণ মানুষ হওয়ার কারণে? এ প্রশ্নের জবাব কে দেবেন?
লেখক : ভাষাসংগ্রামী, কবি ও প্রাবন্ধিক

No comments

Powered by Blogger.