বাংলালিংক ও সিটিসেল দিল আরো ১,০০৮ কোটি টাকা-আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিটিআরসি

লাইসেন্স নবায়নের জন্য মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক ও সিটিসেল স্পেকট্রাম চার্জ হিসেবে গতকাল বুধবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে আরো এক হাজার আট কোটি টাকা জমা দিয়েছে। বাংলালিংক দিয়েছে ৮২১ কোটি টাকা এবং সিটিসেল দিয়েছে ১৮৭ কোটি টাকা। এর আগে গত ৩১ অক্টোবর এ দুই অপারেটর লাইসেন্স ফি হিসেবে সাড়ে আট কোটি টাকা করে জমা দেয়।গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও সিটিসেলের লাইসেন্সের প্রথম মেয়াদ আজ বৃহস্পতিবার শেষ হতে যাচ্ছে।


এ চার অপারেটর দ্বিতীয় মেয়াদে ১৫ বছরের জন্য লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করেছে। বিটিআরসি আজ এ বিষয়ে এক বৈঠকের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।
লাইসেন্স নবায়নের জন্য গ্রামীণফোন গত ৩১ অক্টোবর স্পেকট্রাম চার্জসহ নির্ধারিত ফির প্রথম কিস্তির ৪৯ শতাংশ হিসাবে জমা দেয় এক হাজার ৩৫৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। পরে ২ নভেম্বর রবি জমা দেয় ৭৯১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। গত ৩১ অক্টোবর রবি জমা দিয়েছিল সাড়ে আট কোটি টাকা। গতকালই লাইসেন্স নবায়নে স্পেকট্রাম চার্জ জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল।
বিটিআরসি মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্স) এ কে এম শহিদুজ্জামান গতকাল কালের কণ্ঠকে জানান, সংশ্লিষ্ট সব অপারেটর একসঙ্গে টাকা না জমা দেওয়ার কারণে বিটিআরসিকে তাদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, আজ বিটিআরসির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অপারেটররা যে টাকা জমা দিয়েছে, তার বাইরেও বিটিআরসির দাবি রয়েছে। সে দাবির বিষয়টি আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রসঙ্গত, লাইসেন্স নবায়ন নীতিমালা অনুসারে বিটিআরসি ভ্যাট প্রদানের দায়-দায়িত্ব মোবাইল ফোন আপরেটরদের ওপর রেখে কোনো ধরনের বিয়োজন ছাড়াই এ টাকা চেয়েছিল। কিন্তু এই চাহিদার বিরুদ্ধে গ্রামীণফোন আদালতের শরণাপন্ন হয়।

No comments

Powered by Blogger.