মিরপুরে বিধ্বস্ত বিমান

ল্ড ডিওএইচএসের স্পিনের ফাঁদে পড়ে মাত্র ১৩২ রানে গুটিয়ে গেল বিমান। আর ১২৫ রানে ম্যাচ জিতে প্রিমিয়ার ক্রিকেটে চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে ওল্ড ডিওএইচএস। চমক অব্যাহত রেখেছে প্রাইম দোলেশ্বর। আগের ম্যাচে শেখ জামালকে হারিয়ে দেওয়ার পর গতকাল তারা ব্রাদার্সের ২৭৩ রান টপকে গেছে ৩ উইকেট হাতে রেখে। জয়ের ধারায় ফিরেছে অঘটনের শিকার হওয়া শেখ জামালও। গতকাল তারা ২ উইকেটে হারিয়েছে সূর্যতরুণকে।


৯ জনই স্পিনার!    বিমানের বিপক্ষে নয়জন বোলার ব্যবহার করেছেন ওল্ড ডিওএইচএস দলপতি মোহাম্মদ আশরাফুল। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এ নয়জনের মধ্যে একজনও পেসার নেই, সবাই স্পিনার। অবশ্য বলতে গেলে, তারা কোনো পেসার নিয়েই মাঠে নামেনি। ১১ জনের মধ্যে একমাত্র জিয়াউর রহমান মিডিয়াম পেস বোলিং করেন; কিন্তু ব্যাটিংয়ে ওপেন করতে নেমে দলের সর্বোচ্চ ৬১ বলে ৬৪ রান করায় এবং স্পিন কাজ করতে থাকায় তার ওপর আর বাড়তি দায়িত্ব দেননি অধিনায়ক। ডিওএইচএসের বোলিং শুরু করেন দুই ডানহাতি অফ স্পিনার নাবিল সামাদ এবং শুভগত হোম। শুভগত আবার প্রথম বলেই উইকেট পান। এরপর আশরাফুলের দুই উইকেট এবং একটি রান আউটে মাত্র ১৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে যায় বিমান। পাকিস্তানি ফয়সাল ইকবাল ম্যাচের সর্বোচ্চ ৬৮ রান করলেও পরাজয়ের ব্যবধানকে একটা ভদ্রস্থ জায়গায় নিতে পারেননি। সকালে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে জিয়াউর ও শুভগতর হাফ সেঞ্চুরিতে ২৫৭ রান করে ওল্ড ডিওএইচএস।
দোলেশ্বরের টানা দ্বিতীয়
ফতুল্লায় দুই পাকিস্তানি ইমরান নাজির এবং সোহেল তানভিরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের সঙ্গে আফতাব আহমেদ ও আবদুর রাজ্জাকের দুটি কার্যকরী ইনিংসে ৮ উইকেটে ২৭৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল ব্রাদার্স। এর মধ্যে ওপেন করতে নেমে ৪০ বলে ৫৯ রান করেন নাজির। আর সোহেল তানভির ৬ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে করেন ৩৮ বলে ৪৭ রান। কিন্তু এই রান করেও ম্যাচ জিততে পারেনি ব্রাদার্স। তরুণ ওপেনার মিজানুর রহমান এবং ভারতীয় মিডল অর্ডার মানভিন্দর সিং উভয়ের দুটি ৭৬ রানের ইনিংস টানা দ্বিতীয় জয় এনে দেয় প্রাইম দোলেশ্বরকে। তবে ৯ রানের মধ্যে আগের ম্যাচের নায়ক কামরান আকমল এবং ওপেনার নায়েম আলমকে হারিয়ে ভীষণ চাপে পড়ে গিয়েছিল দোলেশ্বর। প্রথমে মিজানুর এবং শেষ দিকে মানবিন্দর দুর্দান্ত ব্যাটিং করে সব চাপ কাটিয়ে দলকে জয় এনে দেন।
জয়ের ধারায় শেখ জামাল
সূর্যতরুণের ২৪৪ রান তাড়া করতে নেমে ১২ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার মাইশুকুর এবং শামসুর রহমানকে হারিয়ে বসেছিল শেখ জামাল। কিন্তু রুখে দাঁড়ান মেহরাব জুনিয়র এবং দীপক জুন। আর শেষ দিকে অধিনায়ক সোহরাওয়ার্দী শুভ ২৬ বলে ৪২ রান তুলে দলকে চমৎকার এক জয় এনে দেন। সকালে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার জুপিটার ঘোষ এবং লোয়ার মিডল অর্ডারের তাইবুর পারভেজ ৬২ রানের দুটি ইনিংস খেললে ২৪৪ রানের ফাইটিং স্কোর সংগ্রহ করেছিল সূর্যতরুণ। কিন্তু এই রান তাদের লীগের প্রথম জয়ের স্বাদ দিতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে শেখ জামালের তৃতীয় জয় এটি।

No comments

Powered by Blogger.