মনের কোণে হীরে-মুক্তো-সমৃদ্ধি ব্যবস্থাপনা : একটি দুর্লঙ্ঘ চ্যালেঞ্জ by ড. সা'দত হুসাইন

১৯৮৭ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত আমি কুমিল্লা বার্ডের মহাপরিচালক পদে কর্মরত ছিলাম। নানা প্রয়োজনে এ সময়ে অনেকবার আমাকে ঢাকায় আসা-যাওয়া করতে হয়েছে। দাউদকান্দি ও মেঘনাঘাটে তখন ফেরি ছিল। ঢাকায় আসা-যাওয়ার কালে ফেরিতে কিছু বাড়তি সময় ব্যয় করতে হতো।


তবু সব কিছু মিলিয়ে কুমিল্লা বার্ড থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে আমরা ঢাকায় পৌঁছে যেতাম। সকালে রওনা দিয়ে বেশ কয়েকবার আমি আড়াই থেকে পৌনে তিন ঘণ্টার মধ্যে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় পৌঁছে গিয়েছিলাম। যাওয়া-আসার সময় আমার মনে হতো, মেঘনা নদীর এ দুটি অংশে ফেরি হলে কমপক্ষে আরো আধা ঘণ্টা আগে ঢাকায় পৌঁছে যাব। ঢাকা-কুমিল্লার যাতায়াত সময় হবে মোটামুটি দুই ঘণ্টা।
নব্বইয়ের দশকের প্রথমদিকে যখন এ দুটি সেতুর নির্মাণকাজ চলছে, তখন অনেক আশা-আনন্দ নিয়ে আমি এর অগ্রগতি দেখতাম আর ভাবতাম, সেতু দুটির নির্মাণকাজ শেষ হলে কী মজাই না হবে। ঢাকা থেকে দুই ঘণ্টার কম সময়ে কুমিল্লা এবং তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টায় নোয়াখালী পৌঁছে যাব। এরপর একসময় দুটি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলো। ফেরি ছেড়ে আমরা সেতুতে উঠলাম। মাত্র দুই থেকে তিন মিনিটে একেকটি সেতু পেরিয়ে গেলাম। ফেরিতে ওঠার বিড়ম্বনা, অযথা সময় নষ্ট হওয়া- এসবের অবসান ঘটল। আমরা মহাখুশি। প্রথম কয়েক মাস বা বলা যায় বছরখানেক আমরা সত্যি আধা ঘণ্টা বা ১৫-২০ মিনিট আগে কুমিল্লা ও নোয়াখালীতে পৌঁছে যেতাম। দ্রুত পৌঁছার এ সুযোগকে আমি উন্নয়ন প্রকল্পের ফসল হিসেবে দেখতাম।
বছর ঘুরতেই দেখলাম, রাস্তায় ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। এর সঙ্গে যোগ হলো দৈত্যের মতো ট্রেলারযুক্ত প্রায় ৪০ ফুট লম্বা আজদাহা ট্রাক এবং বিশাল আকারের কাভার্ড ভ্যানগুলো। হাজার হাজার বাস-ট্রাকে পুরো রাস্তা দখল হয়ে গেল। বেরোখা চালকদের বেপরোয়া আচরণে ঢাকা-কুমিল্লার রাস্তা মরণ ফাঁদে পর্যবসিত হলো। এখানে-ওখানে ট্রাফিক জ্যাম লেগেই আছে। এখনকার অবস্থা হচ্ছে, ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা এবং নোয়াখালী যেতে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা সময় লাগে। মেঘনা ও দাউদকান্দি সেতুর বদৌলতে ট্রাফিক জ্যাম এবং ভ্রমণ সময় অনেক বেড়ে গেছে। অসহায় যাত্রীরা এখন আর কোনো উপকারই পাচ্ছে না, তাদের ভোগান্তি কয়েক গুণ বেড়েছে। সেতু নির্মাণ-উত্তরকালে অর্থনীতির যে স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে এবং ঢাকা-চট্টগ্রামের রাস্তায় যানবাহনের যে ঢল নেমেছে, তা মোকাবিলা করার জন্য যে ধরনের সাধারণ প্রশাসন ও ট্রাফিক প্রশাসন গড়ে তোলার প্রয়োজন ছিল, দীর্ঘ সময়ের ব্যাপ্ত পরিসরে তা গড়ে তোলা হয়নি। এত গুরুত্বপূর্ণ দুটি সেতু প্রকল্পের সফল সমাপ্তি সেতু ব্যবহারকারীদের জীবনে স্বস্তির উপধায়ক না হয়ে চলার পথে দুর্বিষহ যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজধানীতে দেখলাম রাস্তা বড় করা হলো। বড় বড় মহাসড়ক থেকে রিকশা উঠিয়ে দেওয়া হলো। আশান্বিত হলাম- এবার যানজট কমে যাবে, অল্প সময়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারব। যখন রিকশা ছিল তখন বলা হতো, রিকশাই যত জঞ্জাল সৃষ্টি করছে। রিকশা উঠে গেলে আর কোনো ঝামেলা থাকবে না। সড়ক ব্যবস্থাপনা অনেক সহজ ও সুন্দর হবে। অচিরেই আমরা আশাহত হলাম। সমস্যা বেড়েই চলল। রিকশা থাকা অবস্থায় গাড়িতে যেখানে যেতে আধা ঘণ্টা সময় লাগত, এখন সেখানে যেতে কমপক্ষে এক ঘণ্টা লাগছে। বলা হলো, উন্নত প্রযুক্তির সিগন্যাল বসানো হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। বসানো হলো। অবস্থার উন্নতি না হয়ে অবনতি হলো। সিগন্যাল বাতিতে ১০-১৫ মিনিট বসে থাকার পর গাড়ি ছাড়ল। এক মিনিট, এমনকি ৩০ সেকেন্ড চলার পর আবার গাড়ি চলা বন্ধ। পরে কখন সিগন্যাল ছাড়া হবে বোঝার উপায় নেই। বসেই থাকো, বসেই থাকো। অন্য কিছু করার নেই। বাসের যাত্রী যাদের গন্তব্যস্থল কাছে তারা নেমে হাঁটতে শুরু করে। এত টাকা খরচ করে রাস্তা বড় করা হলো, এত রিকশা রাস্তা থেকে উঠিয়ে দেওয়া হলো, এত ইলেকট্রনিক সিগন্যাল লাগানো হলো; কিন্তু যাত্রীদের কোনো উপকার হলো না। সমৃদ্ধি থেকে আনন্দ বা স্বস্তি এলো না।
দেশে স্বস্তির জায়গাটা সংকীর্ণ হতে হতে প্রায় শূন্যের কোঠায় মিলিয়ে গেছে। বিদেশ ভ্রমণকালে আমি যখনই প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে পেয়েছি, তখনই তাঁদের জিজ্ঞেস করেছি, বিদেশে তাঁরা কেমন আছেন। প্রায় একই উত্তর পেয়েছি, আল্লাহর রহমতে খেয়ে-পরে, চলে-ফিরে ভালো আছি। নিজের দেশ নয় বলে কারো কারো মনে অতি সামান্য অতৃপ্তি রয়েছে। খাওয়া-পরা ছাড়াও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার সুবিধাই তাঁদের আনন্দের বড় কারণ। পাড়া-মহল্লায়, রাস্তা-ঘাটে, দোকানপাটে মানুষের এবং বিভিন্ন সংস্থা ও কর্তৃপক্ষের আচরণ তাঁদের খুব ভালো লাগে। তাঁরা খুব স্বস্তি অনুভব করেন। পক্ষান্তরে দেশে উচ্চবিত্ত, নিম্নবিত্ত যাঁকেই কেমন আছেন- এ প্রশ্ন করেছি, হতাশা আর দুঃখের ফিরিস্তি দিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। মনে হচ্ছে, সবার মধ্যেই একটা অতৃপ্তি গুমরে মরছে। কারো মনে স্বস্তি নেই।
আমি ক্যাবিনেট সেক্রেটারি থাকাকালে আমার কক্ষে অনেক মন্ত্রী, সচিব এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আসতেন। একা বসার সুযোগ পেলেই তাঁরা নিজের দুঃখগাথা বর্ণনা শুরু করতেন। সবার বক্তব্যের মূল সুর এক : তাঁরা বঞ্চিত, তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। মন্ত্রী বলছেন, তাঁকে ছোট মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়েছে, প্রটোকলে তাঁর নাম নিচে রয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর দুঃখ তাঁর থেকে অনেক জুনিয়র এবং কম দক্ষ লোককে মন্ত্রী বানানো হয়েছে, তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে; তাঁকে এভাবে বঞ্চিত করা সমীচীন হয়নি। কর্মকর্তাদের দুঃখের তো শেষ নেই, সবাই নিজেকে বঞ্চিত এবং অবমূল্যায়িত মনে করছেন। সরকারি কর্মকর্তারা তো বটেই, মন্ত্রীরাও মনে করতেন যে আমি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে একটু বুঝিয়ে বললেই তাঁদের বঞ্চনার অবসান হয়ে যাবে। আমার কাছে মনে হতো, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির কক্ষটি যেন দুঃখ উজাড় করার একটি মোক্ষম জায়গা। আমি সে জন্য রসিকতা করে আমার কক্ষের নাম দিয়েছিলাম 'অশ্রুঘর'।
আমরা প্রতিবছর উন্নয়ন কর্মসূচিতে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছি। রাজস্ব বাজেটেও অনেক নির্মাণকাজ করা হচ্ছে। অর্থ ব্যয়ের কারণে প্রবৃদ্ধির হারও কিছুটা বাড়ছে। হিসাবের খাতায় সমৃদ্ধি বাড়ছে বলে মনে হয়, তবে নাগরিক জীবনে এর প্রভাব পড়েছে বলে মনে হয় না। আজও ঢাকা-চট্টগ্রামের রেলপথে ডবল লাইন হয়নি, ট্রেনের গতি আগের মতোই; বরং কোনো কোনো সেক্টরে কিছুটা কমেছে। ট্রেনে ঢাকা-চট্টগ্রামের ভ্রমণ সময় তিন-সাড়ে তিন ঘণ্টায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। সড়কপথ চার লেনের হয়নি। ঢাকার চারপাশের নদীপথ সংস্কার করে নিয়মিত সার্কুলার নৌ-রুট সচল করা যায়নি। মাঝেমধ্যে এর একাংশে যন্ত্রচালিত নৌযান চলাচল ঘটা করে শুরু করা হয়, এর পরই আবার বন্ধ হয়ে যায়। এত দিন পরও ঢাকায় গ্রহণযোগ্য মানের ট্যাক্সি সার্ভিস চালু করা সম্ভব হয়নি। নগরীর যেকোনো স্থান থেকে মিটারে ট্যাক্সি ভাড়া করে বাড়ি ফিরবেন- এ কথা এখনো চিন্তাই করা যায় না। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ বঙ্গের নিয়মিত প্লেন সার্ভিসও বন্ধ হয়ে গেছে। ঈদের সময় ট্রেনে ও বাসে বাড়ি ফেরা একটি ভয়ংকর অভিজ্ঞতায় পর্যবসিত হয়েছে। উন্নতমানের কোনো বিকল্প ব্যবস্থা আপাতত চোখে পড়ছে না।
জীবন এবং সম্পত্তির নিরাপত্তাব্যবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়েছে বলে মনে হয় না। কয়েক যুগ ধরে ক্রমে পরিস্থিতির যেন অবনতি হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সংখ্যা বাড়ছে, গাড়ি-ঘোড়া, সাজসরঞ্জাম অনেক বেড়েছে। কিন্তু সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তাবোধ বাড়েনি। নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থতার অজুহাত বেড়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিনব সব পরামর্শের সংখ্যাও বেড়েছে। কেউ উপদেশ দিচ্ছে নাগরিকদের নিরাপত্তা বাহিনী থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে। কেউ উপদেশ দিচ্ছে নিজ দায়িত্বে বাড়িঘরের নিরাপত্তা বিধান করতে। গুম, হত্যা, অপহরণের সঙ্গে ভেজাল খাদ্য, জাল নোট, বিষ মেশানো ফল ও মাছ জনজীবনকে নিরন্তর আতঙ্কে পর্যুদস্ত করে ফেলেছে। এমন অবস্থায় সমৃদ্ধি বাড়লেও নাগরিকদের স্বস্তি বাড়ার কোনো অবকাশ আছে বলে মনে হয় না।
সমৃদ্ধি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুখ ও স্বস্তি আনে না। সমৃদ্ধি থেকে সুফল পেতে হলে যথোপযুক্ত সমৃদ্ধি-ব্যবস্থাপনা কার্যকর করার প্রয়োজন রয়েছে। সমৃদ্ধি বিভিন্ন রকম চাহিদার জন্ম দেয়, বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করে। এ চাহিদা ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে একটি সঠিক ধারণা প্রণয়ন করতে হবে এবং সে ধারণার ভিত্তিতে পূর্বাহ্নেই কর্মসূচি গ্রহণ করে ভৌত-অবকাঠামো, আর্থিক, প্রশাসনিক ও আইনি প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। যেমন- একটি মহাসড়ক নির্মিত হলে তার আকর্ষণে জেলা, উপজেলা এমনকি আরো প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও হাজার হাজার যানবাহন শহরে-নগরে ছুটে আসবে। বন্দর ও বড় শহর থেকে বৃহদাকার ট্রাক এবং কনটেইনারবাহী ট্রেলার চলতে শুরু করবে। এগুলোর চাপে সেতু ও মহাসড়কের এখানে-সেখানে ভাঙন দেখা দেবে, নিয়মিত মহাসড়ক মেরামতের প্রয়োজন হবে। বড় কোনো সার্ভিস সৃষ্টি হলে তার ব্যবহার-পদ্ধতি সুনির্ধারিত ও সুনিয়ন্ত্রিত হতে হবে, যাতে নৈরাজ্য ও অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরো সার্ভিস ভেঙে না পড়ে। পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে মহানগরীতে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে, যাতে অগুনতি জনসংখ্যার চাপে নগরীর ভৌত-অবকাঠামো এবং নাগরিক সার্ভিসগুলো বিপর্যস্ত হয়ে না পড়ে।
সম্পদ অর্জনের চেয়ে অর্জিত সম্পদ (কিংবা আয়) রক্ষা করা অনেক কষ্টকর কাজ। ব্যক্তি ও জাতি উভয়ের জন্য এ কথা সত্য। আমি অনেক ব্যক্তিকে দেখেছি, অপচয় ও অসতর্কতার কারণে অর্জিত আয় ও সম্পদ বিনষ্ট করে প্রায় নিঃস্ব হতে, করুণ অবস্থার মধ্যে কালাতিপাত করতে। হঠাৎ পাওয়া সম্পদ ভিসতি নিজাম রক্ষা করতে পারেনি, তার জীবনও রক্ষা করতে পারেনি। আফ্রিকার কয়েকটি দেশ তাদের তেল ও খনিজ সম্পদের সদ্ব্যবহার করেনি। লোভী শাসকগোষ্ঠীর অপরিণামদর্শী ও স্বার্থান্ধ কর্মকাণ্ডে দেশের নব আবিষ্কৃত অমূল্য সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে। আপামর জনসাধারণ এ সম্পদ থেকে কোনোভাবে উপকৃত হয়নি। আমাদের দেশের সব সম্পদ আমরা সদ্ব্যবহার করতে পারি না। কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর সক্রিয় সহায়তায় এসব সম্পদের অনেকাংশ সাধারণ নাগরিকের আওতার বাইরে চলে যায়। সম্পদ সৃষ্টি হয়; কিন্তু নাগরিকরা তা পুরোমাত্রায় ভোগ করতে পারে না।
সুশাসন ছাড়া নতুন উপার্জিত আয় এবং নবলব্ধ সম্পদ আপামর জনসাধারণের স্বার্থে ব্যয় করে, তাদের জীবনে সুখ-স্বস্তি বাড়ানো সম্ভব নয়। সুশাসন নিশ্চিত করা যেকোনো সরকারের পক্ষে একটি দুর্লঙ্ঘ চ্যালেঞ্জ। গণচিত্তাকর্ষক স্লোগান বা কর্মসূচি দিয়ে সমৃদ্ধির সুব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যায় না। এর জন্য বাস্তব পরিকল্পনা, কল্যাণধর্মী কর্মসূচি ও কিছু নাগরিক-বান্ধব নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়। সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীন ও নৈরাজ্যকর পদক্ষেপ আপাতত মধুর পদক্ষেপ মনে হলেও পরিণামে সম্পদ বিনষ্ট করে এবং নাগরিকদের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সমস্যা হচ্ছে, আপাতত কঠোর কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কল্যাণকর সিদ্ধান্ত কোনো সরকার বা প্রশাসক সাধারণত নিতে চান না।
লেখক : পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব

No comments

Powered by Blogger.