আরেক ধাপ এগিয়ে গেলেন by জাহিদ হাসান
মনে আছে নূরজাহান নামে সেই মেয়েটির কথা? প্রথম আলোর ২৭ জুলাই, ২০১১ তারিখের নারীমঞ্চ পাতায় ‘আলোর পথে নূরজাহান’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল। যে মেয়েটি গৃহকর্মীর কাজ করে নিজেকে গড়েছে উচ্চশিক্ষিতা হিসেবে। নিজেকে জয় করতে যার রয়েছে ১৭ বছরের ইতিহাস। বলেছিলাম, সুযোগ পেলে নূরজাহান জ্বলে উঠবে অন্যদের মতো। সত্যিই তাই। সে তাঁর প্রতিভা দিয়ে জয় করেছে নিজেকে।
আর এ সুযোগটা তৈরি করে দিয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসাসফল অন্যতম প্রতিষ্ঠান অ্যানার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লি.।
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ন রশিদ নিজের হাতে নূরজাহানের চাকরির নিয়োগপত্র তাঁর হাতে তুলে দেন। এ বিষয়ে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পত্রিকায় পড়ে নূরজাহানের প্রতিভার বিষয়ে জানতে পারি। তবে প্রতিষ্ঠানের মানব সম্পদ বিভাগের কর্মীদের বিপুল আগ্রহের জন্যই সফলভাবে এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমি এ পদক্ষেপ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া এর মাধ্যমে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও যেন এ ধরনের কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে সামাজিক দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসে।
মানব সম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কাজী জান্নাতুল মাফুজা বলেন, ‘আমরা একটা সুযোগ তৈরি করে দিয়েছি সত্যি, তবে নূরজাহান তাঁর মেধা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে নিজেকে জয় করেছে। আর এখন তাঁর দায়িত্ব কাজের মাধ্যমে নিজেকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমাদের সহযোগিতা থাকবে সব সময়।’ কথা হয় সদ্য যোগদান করা ডকুমেন্টেশন কর্মকর্তা আলোর পথের নূরজাহান আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘যেদিন জানতে পারি আমার চাকরি হয়েছে, সেদিন ছিল আমার জীবনে সবচেয়ে খুশির দিন। প্রথম আলোর কাছে অনেক কৃতজ্ঞ ও দায়বদ্ধ, যার জন্যই পেয়েছি নতুন জীবন ও পেয়েছি একটি পরিচয়।’ এ সাফল্যে তাঁর মা এবং যে বাড়িতে আছেন সে পরিবারের সবাই অনেক খুশি হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে তাঁর আরও সাফল্য কামনা করেন।
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ন রশিদ নিজের হাতে নূরজাহানের চাকরির নিয়োগপত্র তাঁর হাতে তুলে দেন। এ বিষয়ে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পত্রিকায় পড়ে নূরজাহানের প্রতিভার বিষয়ে জানতে পারি। তবে প্রতিষ্ঠানের মানব সম্পদ বিভাগের কর্মীদের বিপুল আগ্রহের জন্যই সফলভাবে এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমি এ পদক্ষেপ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া এর মাধ্যমে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও যেন এ ধরনের কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে সামাজিক দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসে।
মানব সম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কাজী জান্নাতুল মাফুজা বলেন, ‘আমরা একটা সুযোগ তৈরি করে দিয়েছি সত্যি, তবে নূরজাহান তাঁর মেধা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে নিজেকে জয় করেছে। আর এখন তাঁর দায়িত্ব কাজের মাধ্যমে নিজেকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমাদের সহযোগিতা থাকবে সব সময়।’ কথা হয় সদ্য যোগদান করা ডকুমেন্টেশন কর্মকর্তা আলোর পথের নূরজাহান আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘যেদিন জানতে পারি আমার চাকরি হয়েছে, সেদিন ছিল আমার জীবনে সবচেয়ে খুশির দিন। প্রথম আলোর কাছে অনেক কৃতজ্ঞ ও দায়বদ্ধ, যার জন্যই পেয়েছি নতুন জীবন ও পেয়েছি একটি পরিচয়।’ এ সাফল্যে তাঁর মা এবং যে বাড়িতে আছেন সে পরিবারের সবাই অনেক খুশি হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে তাঁর আরও সাফল্য কামনা করেন।
No comments