প্রতিক্রিয়া-বাঙালি নারীর হাতে মণিপুরি তাঁত

বাবার বাড়ি, স্বামীর বাড়ি—সবখানেই অভাব। অভাব-অনটনের জীবন থেকে বের হওয়ার জন্য ভানুবিলের বাঙালি নারীরা দেখতে পেলেন আশার আলো। কিছুটা হলেও অবদান রাখতে পারছেন নিজেদের সংসারে, একটু হলেও দূর করতে পারছেন সংসারের অভাব, হয়ে উঠতে পারছেন সংসারের চালিকাশক্তি, হয়েউঠছেন আত্মনির্ভরশীল। এমন খবরই পড়েছি ৪ জানুয়ারি নারীমঞ্চে।


চারদিকে খুন, হত্যা, সন্ত্রাস, রাহাজানি, বর্বরতা, সবকিছুকেই ছাপিয়ে নারীমঞ্চের এ খবরটা সত্যিই মনে আশা জাগায়। অভাব-অনটনকে পাশ কাটিয়ে অল্প কিছু পুঁজি নিয়ে তাঁরা হয়তো অনেক বেশি কিছু করতে পারেন না। কিন্তু যতটা পারেন, সেটা কি তুচ্ছ করার মতো? সুন্দরী বেগম, আকলিমা বেগম, মনোয়ারা বেগম, শমি বিবি, এশারুন বেগম, লায়লা বেগম, আজিজুন নাহার, নুরুন নাহার—এঁরা নিজেদের জায়গা থেকে নিজেদের উন্নতি করার মাধ্যমে অন্যদের আশা দেখিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। সরকার বিভিন্ন সংগঠন, ব্যাংক—যদি তাঁদের ঋণ দিয়ে সহায়তা করে, তবে হয়তো ভানুবিলের সেই বাঙালি নারীরা নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থানটা আরও সুদৃঢ় করতে পারবে।
শায়লা ইয়াসমিন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

No comments

Powered by Blogger.