ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী-সাঈদী দহখোলার রওশনের বাড়িতে আত্মগোপন করেন
মুক্তিযুদ্ধ শেষে সাঈদী যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দহখোলা গ্রামের রওশন আলীর বাড়িতে আত্মগোপন করেছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৫তম সাক্ষী মো. সোলায়মান হোসেন (৬০) গতকাল মঙ্গলবার জবানবন্দিতে এ কথা বলেন।
সোলায়মান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই জবানবন্দি দেন।
সোলায়মান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই জবানবন্দি দেন।
জবানবন্দিতে তিনি বলেন, তিনি জানতে পারেন যে মুক্তিযুদ্ধের সময় সাঈদী তাঁর এলাকায় অনেক মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কার্যকলাপ করেছেন। এ জন্য তিনি রওশন আলীর বাড়িতে এসে উঠেছেন।
সোলায়মান বলেন, ২০০৫ অথবা ২০০৬ সালে সাঈদী বাঘারপাড়া পাইলট স্কুলের মাঠে এক সভায় বক্তৃতাকালে বলেন, ‘রওশন ভাই এখানে উপস্থিত আছেন? তিনি আমাকে দুর্দিনে শেল্টার দিয়েছিলেন।’ এরপর রওশন মঞ্চে গিয়ে সাঈদীর সঙ্গে হাত মেলান এবং পাশে বসেন। সভা শেষে রওশনের বাড়িতেও যান সাঈদী।
জবানবন্দিতে সাক্ষী বলেন, ১৯৭০ সালে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনের সময় তাঁর বাড়ির পাশে দহখোলা স্কুল মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী সভা হয়। সেখানে দেওয়া বক্তব্যে সাঈদী আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থলে ‘জগবন্ধু’ বলেন। স্থানীয় ছেলেরা এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সেই থেকে তিনি সাঈদীকে চেনেন।
বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে বেলা পৌনে তিনটার দিকে সোলায়মানের জবানবন্দি শেষ হয়। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম তাঁকে জেরা শুরু করেন। ১৯৭০ সালের ওই জনসভা কত তারিখে ও কী বারে হয়েছিল—এই প্রশ্নের জবাবে সাক্ষী বলেন, তারিখ ও বার তাঁর মনে নেই। ওই সভা কে পরিচালনা করেছিলেন—এই প্রশ্নে সাক্ষী বলেন, সম্ভবত হোসাইন মুন্সী। এরপর মিজানুল দিনের কার্যক্রম মুলতবির আরজি জানালে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।
সাক্ষী হাজির না থাকায় ট্রাইব্যুনালের অসন্তোষ: রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী সময়মতো হাজির না থাকায় ট্রাইব্যুনাল গতকাল অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কার্যক্রম শুরু হলে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি গোলাম আরিফ ট্রাইব্যুনালকে জানান, সাক্ষী মধুসূদন ঘরামী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ট্রাইব্যুনাল অন্য সাক্ষীদের হাজির করতে বললে তিনি বলেন, অন্য সাক্ষীরা ট্রাইব্যুনালে এসে সাক্ষ্য দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। সোমবার রাতে তাঁরা ঢাকায় এসেছেন। ট্রাইব্যুনাল বলেন, নির্ধারিত দিনের অন্তত দু-এক দিন আগে কেন তাঁদের ঢাকায় আনা হলো না? গোলাম আরিফ আরজি জানালে ট্রাইব্যুনাল বেলা দুইটায় সাক্ষ্য গ্রহণের সময় ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সৈয়দ হায়দার আলী বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ ট্রাইব্যুনালের আদেশ ঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করে। তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, মাঝে মাঝে এমন কাজ করেন, যাতে ট্রাইব্যুনাল অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন।
সোলায়মান বলেন, ২০০৫ অথবা ২০০৬ সালে সাঈদী বাঘারপাড়া পাইলট স্কুলের মাঠে এক সভায় বক্তৃতাকালে বলেন, ‘রওশন ভাই এখানে উপস্থিত আছেন? তিনি আমাকে দুর্দিনে শেল্টার দিয়েছিলেন।’ এরপর রওশন মঞ্চে গিয়ে সাঈদীর সঙ্গে হাত মেলান এবং পাশে বসেন। সভা শেষে রওশনের বাড়িতেও যান সাঈদী।
জবানবন্দিতে সাক্ষী বলেন, ১৯৭০ সালে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনের সময় তাঁর বাড়ির পাশে দহখোলা স্কুল মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী সভা হয়। সেখানে দেওয়া বক্তব্যে সাঈদী আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থলে ‘জগবন্ধু’ বলেন। স্থানীয় ছেলেরা এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সেই থেকে তিনি সাঈদীকে চেনেন।
বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে বেলা পৌনে তিনটার দিকে সোলায়মানের জবানবন্দি শেষ হয়। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম তাঁকে জেরা শুরু করেন। ১৯৭০ সালের ওই জনসভা কত তারিখে ও কী বারে হয়েছিল—এই প্রশ্নের জবাবে সাক্ষী বলেন, তারিখ ও বার তাঁর মনে নেই। ওই সভা কে পরিচালনা করেছিলেন—এই প্রশ্নে সাক্ষী বলেন, সম্ভবত হোসাইন মুন্সী। এরপর মিজানুল দিনের কার্যক্রম মুলতবির আরজি জানালে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।
সাক্ষী হাজির না থাকায় ট্রাইব্যুনালের অসন্তোষ: রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী সময়মতো হাজির না থাকায় ট্রাইব্যুনাল গতকাল অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কার্যক্রম শুরু হলে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি গোলাম আরিফ ট্রাইব্যুনালকে জানান, সাক্ষী মধুসূদন ঘরামী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ট্রাইব্যুনাল অন্য সাক্ষীদের হাজির করতে বললে তিনি বলেন, অন্য সাক্ষীরা ট্রাইব্যুনালে এসে সাক্ষ্য দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। সোমবার রাতে তাঁরা ঢাকায় এসেছেন। ট্রাইব্যুনাল বলেন, নির্ধারিত দিনের অন্তত দু-এক দিন আগে কেন তাঁদের ঢাকায় আনা হলো না? গোলাম আরিফ আরজি জানালে ট্রাইব্যুনাল বেলা দুইটায় সাক্ষ্য গ্রহণের সময় ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সৈয়দ হায়দার আলী বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ ট্রাইব্যুনালের আদেশ ঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করে। তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, মাঝে মাঝে এমন কাজ করেন, যাতে ট্রাইব্যুনাল অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন।
No comments