জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-দাবি আদায়ে কাফনের কাপড় পরে শিক্ষকদের মৌন মিছিল
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারসহ ছয় দফা দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার কাফনের কাপড় পরে মৌন মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা।
একই দাবিতে তাঁরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। দাবি আদায় না হলে আগামী সোমবার থেকে ’৭৩-এর অধ্যাদেশ অনুসারে নির্বাচিত উপাচার্য নিয়োগের জন্য কঠোর কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।
গতকাল বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শিক্ষকসমাজের ব্যানারে সাদা কাফনের কাপড় পরে মৌন মিছিল বের করেন শিক্ষকেরা। মিছিলে বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি ক্যাম্পাস ঘুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। এ সময় বিভিন্ন দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন শিক্ষক নাসিম আখতার হোসাইন, মানস চৌধুরী, এ টি এম আতিকুর রহমান, এম এ মতিন, এস এম আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, মালিহা নার্গিস আহমেদ, জামাল উদ্দিন, রুমানা রইছ প্রমুখ।
বক্তারা অবিলম্বে জুবায়ের হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার, ওই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন, প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ, ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবাধ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি নিশ্চিত করা, বিজ্ঞাপনের অতিরিক্ত ও গণনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে যাঁরা অযোগ্য তাঁদের নিয়োগ বাতিল করা, শিক্ষক সমিতির সভাপতিকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে সাবেক প্রক্টরের বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ অনুসারে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন বলেন, ‘কলুষিত রাজনীতি পরিহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞানচর্চার অবাধ বিচরণক্ষেত্র তৈরিতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’ তিনি বলেন, সোমবারের মধ্যে জুবায়ের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদন পেশ ও দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসন ব্যর্থ হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা করা হবে।
৯ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীদের মারধরে মারা যান ইংরেজি বিভাগের ছাত্র জুবায়ের আহমেদ। এ ছাড়া ১২ জানুয়ারি জুবায়ের হত্যার ঘটনায় শিক্ষক সমিতির জরুরি সভায় প্রক্টরের বিরুদ্ধে সমিতির সভাপতিকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক সমাজের ব্যানারে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকেরা।
জুবায়ের হত্যার ঘটনায় চারজন শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গতকাল বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শিক্ষকসমাজের ব্যানারে সাদা কাফনের কাপড় পরে মৌন মিছিল বের করেন শিক্ষকেরা। মিছিলে বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি ক্যাম্পাস ঘুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। এ সময় বিভিন্ন দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন শিক্ষক নাসিম আখতার হোসাইন, মানস চৌধুরী, এ টি এম আতিকুর রহমান, এম এ মতিন, এস এম আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, মালিহা নার্গিস আহমেদ, জামাল উদ্দিন, রুমানা রইছ প্রমুখ।
বক্তারা অবিলম্বে জুবায়ের হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার, ওই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন, প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ, ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবাধ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি নিশ্চিত করা, বিজ্ঞাপনের অতিরিক্ত ও গণনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে যাঁরা অযোগ্য তাঁদের নিয়োগ বাতিল করা, শিক্ষক সমিতির সভাপতিকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে সাবেক প্রক্টরের বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ অনুসারে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন বলেন, ‘কলুষিত রাজনীতি পরিহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞানচর্চার অবাধ বিচরণক্ষেত্র তৈরিতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’ তিনি বলেন, সোমবারের মধ্যে জুবায়ের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদন পেশ ও দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসন ব্যর্থ হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা করা হবে।
৯ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীদের মারধরে মারা যান ইংরেজি বিভাগের ছাত্র জুবায়ের আহমেদ। এ ছাড়া ১২ জানুয়ারি জুবায়ের হত্যার ঘটনায় শিক্ষক সমিতির জরুরি সভায় প্রক্টরের বিরুদ্ধে সমিতির সভাপতিকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক সমাজের ব্যানারে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকেরা।
জুবায়ের হত্যার ঘটনায় চারজন শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
No comments