এ যুগের টাইটানিক

টাইটানিকের আদলে নতুন একটি জাহাজ নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ধনকুবের ক্লিভ পালমার। নামও দিচ্ছেন টাইটানিক-২। তিনি আশা করছেন, ২০১৬ সাল নাগাদ প্রথম সমুদ্রযাত্রায় বের হবে এ যুগের টাইটানিক।


পালমার জানান, এটি হবে টাইটানিকের আধুনিক সংস্করণ। জাহাজটিতে ঐতিহাসিক সেই টাইটানিকের মতো প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর মোট নয়টি কামরাসহ সব বৈশিষ্ট্যই থাকছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত একটি ‘নিরাপত্তা ডেক’ থাকবে।
এক বিবৃতিতে পালমার বলেন, একটি যাত্রীবাহী জাহাজের বর্তমান যুগের সব প্রবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতেই কিছুটা পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পানিসীমা ও লাইফবোট চালনাকারী অঞ্চলের দূরত্ব যতটা সম্ভব কমানো। নিরাপত্তা ডেকে থাকবে পর্যাপ্ত লাইফবোট, তাড়াতাড়ি নেমে পড়ার স্বার্থে ঢালু পথ এবং সবার ব্যবহারের জন্য একটি কক্ষ।
জাহাজের নকশা এঁকেছে ফিনল্যান্ডের নকশা ও প্রকৌশলবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ডেল্টামেরিন। আর এটি নির্মিত হবে চীনে। প্রায় ৮৮৫ ফুট লম্বা জাহাজটির বহনক্ষমতা আনুমানিক ৫৬ হাজার টন।
পালমারের আশা, প্রথমে চীন থেকে জাহাজটি যুক্তরাজ্যে আনা হবে। এরপরই জাহাজটি প্রথমবারের মতো যাত্রী নিয়ে উত্তর আমেরিকার উদ্দেশে রওনা হবে।
পালমার অবশ্য এখনো জাহাজটি নির্মাণের অনুমোদন পাননি। এর পরও তাঁর আশা, চীনা প্রতিষ্ঠান সিএসসি জিনলিং শিপইয়ার্ড শিগগিরই জাহাজটির নির্মাণকাজ শুরু করবে।
আসল টাইটানিক জাহাজটি নির্মিত হয়েছিল আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে। পরে সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে জাহাজটি প্রথম সমুদ্রযাত্রায় ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল একটি বরফখণ্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ডুবে এক হাজার ৫০০ যাত্রী ও নাবিকের মৃত্যু হয়। এএফপি।

No comments

Powered by Blogger.