প্রযুক্তিতে নারী-তিনটি দল

তথ্যপ্রযুক্তির উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতার আসর ইমাজিন কাপে গোটা দুনিয়ার শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে থাকে। এবার সিডনিতে হলো এর দশম আসর। আয়োজকেরা বারবার একটা বিষয় উল্লেখ করছিলেন, ১০ বছর পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে এবার ২০ শতাংশ নারী প্রতিযোগী পেয়েছে ইমাজিন কাপ, যাকে একটা বড় অর্জন বলে মনে করা হচ্ছে।


এবার ৭৫টি দেশের ১০৬টি দলের মধ্যে তিনটি দল ছিল, যেগুলোর সব সদস্য নারী। দল তিনটি হলো ওমান, কাতার ও ইকুয়েডর।
ওমান দলের মেন্টরও একজন নারী। দলের নাম ‘গ্রসাম’। নামের অর্থ কী? মেন্টর আমাল আল মাশাইকি জানালেন, ‘গ্রেট আইডিয়া অ্যান্ড অসাম লেডিস।’ এই দলের প্রতিযোগীরা হলেন ওমাইমা আল মুরাইখি, জুহুর বানি সা’দ ও ব্যালকিস। সবাই সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্রী। তাঁরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে জরুরি রক্ত সরবরাহ ব্যবস্থার একটা সফটওয়্যার তৈরি করেছেন। সফটওয়্যার ডিজাইন প্রতিযোগিতার ৭২টি দলের মধে সেরা ২০-এ স্থান পেয়েছিল দলটি।
কাতারের নারী দলটিও উঠে এসেছিল সেরা ২০-এর তালিকায়। থ্রিডি-কিনডিও নামে একটি সফটওয়্যার বানিয়েছেন ফাতমা আল-মেসাইফ্রি, মারিয়াম আল-আনসারি, রোকেয়া আল-শাবি ও ইয়াসমিন হালবানি। সবাই কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা যাতে বিশ্বের যেকোনো রাস্তায় একা একাই চলাচল করতে পারে, সে কাজে সহায়তা করবে তাঁদের সফটওয়্যার।
সমাজের সব কাজকর্মে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ আরও সহজ করার সফটওয়্যার নিয়ে এসেছিল ইকুয়েডরের কানি ওয়ারমিস দলটি। কারলা পেরেজ, গিজেল বাস্তিদাস গুয়াচো, মাগ্যালি পেরেজ ও অ্যান্ড্রে হিবরোবো নিনা—দলের সব সদস্যই এসকুয়েলা সুপিরিয়র পলিটেকনিক ডি চিমবোরাজোর ছাত্রী। এই তিনটি দলই সাড়া জাগাতে পেরেছে এবারের ইমাজিন কাপে।

No comments

Powered by Blogger.