শেয়ারবাজার-দায়িত্ব ও দায় এসইসিকেই নিতে হবে

পুঁজিবাজারে সরকারের সরাসরি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কিছু নেই; এটি বেসরকারিভাবে পরিচালিত একটি ব্যবস্থা, যেখানে ইচ্ছুক কম্পানিগুলো তাদের শেয়ার বিক্রি করে মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বিনিয়োগ করবে। আর সেসব শেয়ার সেকেন্ডারি মার্কেটে লেনদেন হবে। অবয়বহীন, বর্তমানে ইলেকট্রনিক, এ বাজার পরিচালিত হবে স্টক এঙ্চেঞ্জের মাধ্যমে, যার মূল ভূমিকায় থাকবে স্টকব্রোকার ও ডিলারদের সংগঠন স্টক এঙ্চেঞ্জ।


বিভিন্ন পর্যায়ে যুক্ত থাকবে মার্চেন্ট ব্যাংক, ইস্যু ম্যানেজার, পোর্টফোলিও ম্যানেজারসহ বিভিন্ন কুশীলব। বিনিয়োগকারীরা, তা ব্যক্তিই হোক আর প্রাতিষ্ঠানিকই হোক, শেয়ার ব্যবসার ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার কথা মাথায় রেখে নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তারা বিনিয়োগ করবে। লাভ-লোকসানের দায়িত্বও তাদেরই। পুরো বাজার প্রক্রিয়া দেখভালের দায়িত্ব শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি)। এ জন্য আলাদা আইনে তাদের ব্যাপক ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। তবু এ নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের ১৭ বছরের মাথায় দুবার বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে শেয়ারবাজারে। প্রথমটি হয়েছিল তিন বছরের মাথায়, ১৯৯৬ সালে, পুরো বাজার প্রক্রিয়া এসইসি বুঝে ওঠার আগেই। এর ধকল কাটতে সময় লেগেছিল এক দশকের বেশি। তারপর শুরু হয় বাজারের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত ঊর্ধ্বগতি, যার করুণ পরিণতি ঘটে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে। শেয়ারবাজারে নিবন্ধিত প্রায় ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর সিংহভাগই সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসে। আর বাজার থেকে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সটকে পড়ে কারসাজির একটি সংঘবদ্ধ চক্র, যার মধ্যে ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারির খলনায়কদেরও কেউ কেউ ছিল।
অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির ব্যর্থতার কারণেই শেয়ারবাজারে এ ধরনের বিপর্যয় ঘটে, যার দায় বর্তায় সরকারের ঘাড়ে। তদন্ত কমিটি গঠন করতে হয়, জনমতের চাপে পড়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অর্থমন্ত্রীকে পুঁজিবাজারে কালো টাকার শর্তমুক্ত বিনিয়োগের ঘোষণা দিতে হয়, শেয়ারে বিনিয়োগের আয়কে করমুক্ত ঘোষণা দিতে হয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে, সাধারণ মানুষের আমানতের টাকা আরো বেশি করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের কথা ব্যাংকগুলোকে বলতে হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের। শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে শেষ পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রীকেও উদ্যোগ নিতে হয়।
অথচ পুরো কাজটিই করার কথা এসইসির_আর তা ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর নয়, আগে থেকে প্রতিদিন, প্রতিটি লেনদের ওপর তীক্ষ্ন নজর রেখে; কোনো ব্যত্যয় দেখলে আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে।
১৯৩৪ সালের সিকিউরিটিজ আইন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বপুঁজির রাজধানী ওয়াল স্ট্রিটসহ আমেরিকার পুঁজিবাজার। সেখানে কারসাজি হচ্ছে, প্রতিনিয়ত তদন্ত হচ্ছে, ধরা পড়ছে কারসাজির হোতারা, তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হচ্ছে বিপুল অঙ্কের জরিমানা, সোপর্দ করা হচ্ছে আইনের আওতায়। কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে গেলে সেখানে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে উদ্যোগ নিতে হয় না, নিজস্ব আইন ও ক্ষমতাবলে ইউএস এসইসি একাই পরিস্থিতি সামাল দেয়। ২০০৭ সালের বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব যখন শেয়ারবাজারে পড়েছিল, কম্পানিগুলো যখন শর্ট সেলিংয়ের মাধ্যমে বাজার থেকে বিপুল অর্থ উঠিয়ে নিচ্ছিল, ইউএস এসইসি কঠোরভাবে দমন করেছিল সেই অনৈতিক বাণিজ্য।
আমাদের দেশের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩-এর আওতায় গঠিত এসইসির তিনটি লক্ষ্যের প্রথমেই রয়েছে শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা। যথার্থ, স্বচ্ছ ও দক্ষ একটি পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করা এবং সঠিকভাবে শেয়ার ছাড়া ও সংশ্লিষ্ট আইন মেনে চলা নিশ্চিত করাও সংস্থাটির ঘোষিত লক্ষ্য। এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংস্থাটির যেসব কাজ করার কথা তার মধ্যে রয়েছে: স্টকব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংক, ইস্যু ম্যানেজার, মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ সংশ্লিষ্ট সবার নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ; সব ধরনের কারসাজি ও অনৈতিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করা; বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, কম্পানিগুলোর কাছে পর্যাপ্ত শেয়ার আছে কি না তা দেখা, স্টক এঙ্চেঞ্জ ও ডিলারদের কর্মকাণ্ড নজরদারি করা।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বাজারে অর্থপ্রবাহ বাড়ানো ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনার জন্য সেদিন এসইসি যে ২১ দফা পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে, তার মধ্যে ১৩টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব এসইসির নিজেরই। এগুলোকে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করে বাস্তবায়নের জন্য সময় নেওয়া হয়েছে তিন থেকে ছয় মাস। যে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষা এসইসির প্রথম লক্ষ্য, তাদের ক্ষতি নিরূপণ করে করণীয় নির্ধারণের জন্য সময় নিয়েছে দুই মাস। ঘোষণার দিন, অর্থাৎ ২৩ নভেম্বর থেকে হিসাব করলে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এসইসি সময় নিয়েছে সর্বোচ্চ ২২ মে পর্যন্ত।
আর এখনই বাস্তবায়নযোগ্য অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের তালিকায় রাখা হয়েছে পুঁজিবাজারে অর্থ ও শেয়ারের জোগান বাড়ানোর সিদ্ধান্তগুলো, যেগুলো বাস্তবায়নের দায় পড়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী অর্থাৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর ওপর। যেসব সিদ্ধান্তের সঙ্গে জনগণের আমানতের হেফাজতকারী ব্যাংক, কম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা ও লাখ লাখ ক্ষুদ্র শেয়ারহোল্ডার বা ব্যক্তি বিনিয়োগকারীর অস্তিত্ব জড়িত, সেসব সিদ্ধান্ত এখনই বাস্তবায়নযোগ্য ঘোষণা করলেও নিজের করণীয়গুলোর জন্য এসইসি রেখেছে বেশি সময়। অথচ এ কাজগুলো করার জন্যই এসইসির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। গুজবনির্ভর ও নিউজ সেন্সেটিভ শেয়ারবাজারের পরিবর্তে একটি পূর্ণ সচেতন মূলধন বাজার তৈরির লক্ষ্যে ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজরি সার্ভিস উন্মুক্ত করার মতো সহজ কাজটি করার জন্য এসইসির কেন তিন মাস সময় লাগবে তা বোধগম্য নয়। বিনিয়োগকারী, গবেষক ও নীতিনির্ধারকদেরকে তথ্যে প্রবেশাধিকার দিতে অথবা করপোরেট গভর্ন্যান্স গাইডলাইন তৈরি করতেই বা কেন তিন মাস লাগবে তাও জানায়নি এসইসি।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অ্যাকাউন্টিং এবং অডিটিং ডিসক্লোজারের গুণগত মান উন্নত করার জন্য ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট (এফআরএ) প্রণয়ন করা হবে। এসইসি নিজেই স্বীকার করেছে তার ইনসাইডার ট্রেডিং আইন ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার আইন অনেক দুর্বল। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এসব আইন কঠোর করতে এসইসির সময় লাগবে চার থেকে ছয় মাস। ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতকে আরো শক্তিশালী করা ও উন্নত সার্ভিল্যান্স সিস্টেম প্রতিষ্ঠার মতো নিয়মমাফিক কাজগুলো করতেও এসইসি সময় লাগাবে চার থেকে ছয় মাস।
শেয়ারবাজারের মতো অতিমাত্রায় সংবেদনশীল একটি খাতের জন্য যেকোনো সিদ্ধান্ত বা উদ্যোগেই ঝুঁকি থেকে যায়। কোনো একটি সিদ্ধান্ত বা খবরে তরতর করে উঠে গেছে শেয়ারের সূচক, পরদিনই আবার তা মুখ থুবড়ে পড়েছে, আর দু-একটি ব্যানারে সমবেত হয়ে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর, এসইসি চেয়ারম্যান, এমনকি ডিএসই সভাপতিরও পদত্যাগ দাবি করেছে। অবশ্য খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত কমিটিতে ২০১০ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির জন্য যাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের শাস্তির ব্যাপারে খুব কমই সোচ্চার হতে দেখা গেছে এসব বিক্ষোভকারীদের। বরং এর আগে এসইসি বিক্ষিপ্ত দু-একটি উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করলেও 'বাজার পড়ে যাওয়ার' অজুহাতে অনেকেই বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কেলেঙ্কারির জন্য অভিযুক্তদের কেউ কেউ আবার পড়ন্ত বাজারে উদ্ধারকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বাজার থেকে শেয়ার কেনার ঘোষণাও দিয়েছিল। পাঁচ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিল ব্যাংক পরিচালকদের একটি সংগঠন। এসবের কিছুই হয়নি। সবশেষে দেওয়া এসইসির গুচ্ছ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হাতে ৩০ শতাংশের নিচে শেয়ার আছে যে ৪৬টি কম্পানির পরিচালকদের, তাদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাজার থেকে শেয়ার কিনে নিয়ে সেই কোটা পূরণ করতে হবে। এ ঘোষণার পর গত তিন দিনের দুই দিনই শেয়ারের দাম পড়ে যাওয়ায় অভিযোগের আঙুল এখন সেই পরিচালকদের দিকে। বাজারসংশ্লিষ্টদের সন্দেহ, কারসাজির মাধ্যমে দাম কমিয়ে কমদামে বাজার থেকে শেয়ার কিনে কোটা পূরণের পাঁয়তারা করছে সেসব পরিচালকের একটি অংশ।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের পর যে ২১ দফা সিদ্ধান্ত ঘোষিত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে দীর্ঘ মেয়াদে স্থিতিশীলতা আসবে_সে কথা জোর দিয়ে বলেছেন শেয়ারবাজার বিশ্লেষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই। তবে তাঁরা মনে করেন, এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিতে হবে এসইসিকেই। সবার আগে এসইসির নিজের করণীয় কাজগুলোই দ্রুততম সময়ে শেষ করতে হবে। তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতার বুনিয়াদ রচিত হবে। আর বন্ধ হবে শেয়ারবাজারের রন্ধ্র, যে রন্ধ্র দিয়ে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর হাজার হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে। ২১ দফা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক ও কালো টাকার বিনিয়োগ বাড়বে। তবে সে টাকা যাতে ছিদ্রপথে বাজার থেকে আবার উধাও হয়ে না যায়, আবারও যাতে বাজার অস্বাভাবিক ওঠানামার মধ্যে না পড়ে, আবারও যাতে বিনিয়োগকারীরা নিঃস্ব না হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে এসইসিকেই।
১৯৯৬ সালের কেলেঙ্কারির হোতারা শাস্তি পেলে ২০১০ সালের ঘটনা ঘটত না। আবার ২০১০ সালের কেলেঙ্কারির খলনায়করা পার পেয়ে গেলে এ রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধ হবে না। সেই খলনায়করা যে এখনো বাজারে সক্রিয় রয়েছে তার আলামত স্পষ্ট। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এদেরকে আইনের আওতায় আনার দায়িত্ব ছিল এসইসির। প্রাথমিক কাজটি তো সরকারই করে দিয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তা প্রকাশ করে দেখিয়ে দিয়েছে, কারা কিভাবে শেয়ারবাজারে কারসাজি করে ধস নামিয়েছে। অধিকতর তদন্ত করে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করে তাদের আইনের আওতায় আনার কাজটি করার কথা এসইসির। অথচ গত সাত মাসেও এসইসি তা শুরুই করতে পারেনি।
শেয়ারবাজারে দামের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে দেখতে দেখতে গুচ্ছ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ ছয় মাসের সময়সীমা হয়তো কেটে যাবে। প্রতিষ্ঠার ১৮ বছরে যা পারেনি, ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের মধ্যে নিজের করণীয় কাজগুলো শেষ করতে হবে এসইসিকে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে সংশ্লিষ্ট অন্য সংস্থার করণীয়গুলোর বাস্তবায়নও তদারকি করতে হবে তাদেরই। বাজারে চাহিদা বাড়বে, তাই ভালো শেয়ারের জোগান বাড়ানোর উদ্যোগও নিতে হবে এসইসিকে। ঘোষণায় যে বিষয়টি এসইসি এড়িয়ে গেছে, কেলেঙ্কারির হোতাদের বিচারের আওতায় আনার সে গুরুদায়িত্ব এ সংস্থাটিরই। এসইসির ব্যর্থতার দায় বারবারই বর্তেছে সরকারের ওপর। শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা আনার জন্য সরকারপ্রধানের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে গৃহীত ঘোষণার বাইরে সরকারের আর কী করার আছে, বিশেষজ্ঞরাও তা খুঁজে পাননি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ আস্থা, কারণ এরপর তাদের আর যাওয়ার জায়গা নেই। সে আস্থা ধরে রাখার মূল দায়িত্ব এসইসির; সরকারের নয়।

No comments

Powered by Blogger.