Monday, January 19, 2026
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক যেসব ঝুঁকি তৈরি করছে by মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক যেসব ঝুঁকি তৈরি করছে by মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার
এরপর লন্ডনভিত্তিক আল–জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরও দুটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, সৌদি আরব ও কুয়েতেও একই ধরনের পোস্টাল ব্যালট নিয়ে অনুরূপ ঘটনা ঘটেছে; কিছু ব্যালট অন্যের কাছে পাওয়া নিয়ে প্রবাসী শ্রমিকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, এসব ভিডিওও ফেক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি নয়।
ঘটনাটি নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে এবং তদন্ত চলছে। তবে বাস্তবতা হলো, ভোট শুধু গণনার প্রক্রিয়া নয়; ভোট একই সঙ্গে জন–আস্থার প্রতীক। তাই বাহরাইনের ঘটনাটি একক ভিডিও হয়ে শুরু হলেও দ্রুতই এটি প্রবাসী ভোটব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে জাতীয় উদ্বেগে পরিণত হয়েছে।
প্রবাসী ভোটিং আসলে কীভাবে হচ্ছে?
অনেকেই মনে করেন, প্রবাসীরা দূতাবাসে গিয়ে ভোট দেন এবং দূতাবাস তা দেশে পাঠায়। বাস্তবে বাংলাদেশে প্রবাসী ভোটদান বর্তমানে দূতাবাসভিত্তিক শারীরিক ভোট নয়; এটি ডাকযোগে ভোটদান পদ্ধতি।
নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপটি মূলত নিবন্ধন ও ব্যালট ট্র্যাকিংয়ের জন্য। অর্থাৎ প্রক্রিয়াটি মূলত এমন: প্রবাসী ভোটার অ্যাপে নিবন্ধন/এনরোলমেন্ট করলে ডাকযোগে ব্যালট ভোটারের বিদেশি ঠিকানায় যায়। ভোটার ব্যালটে ভোট দিয়ে সেটি আবার ডাকযোগে বাংলাদেশে ফেরত পাঠান।
এই প্রক্রিয়ায় দূতাবাস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতাকারী—এমন নির্দেশনা কমিশনের নথিতে নেই; বরং পুরো ব্যবস্থার নির্ভরতা ডাকব্যবস্থা ও ঠিকানার নির্ভুলতার ওপর।
ঠিকানার বাস্তবতা
ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোকে আমাদের সংবেদনশীলভাবে বিচার করতে হবে। শ্রমঘন দেশগুলোয় বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে, অনেক শ্রমিক একই বাসা, ফ্ল্যাট বা ক্যাম্পে বসবাস করেন। ফলে একই ঠিকানা একাধিক মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
আবার মালয়েশিয়ার মতো দেশে অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক অনিয়মিত অবস্থায় থাকায় স্থায়ী ঠিকানা, বৈধ ভাড়া চুক্তি বা নিয়মিত পোস্টাল–সুবিধা অনেক সময়ই তাঁদের থাকে না। সে কারণে কারও সহকর্মী বা পরিচিত ব্যক্তির ঠিকানা ‘কমন অ্যাড্রেস’ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ঘটনাও দেখা যায়।
নির্বাচন কমিশন অ্যাপে ঠিকানা পূরণের ক্ষেত্রে সতর্ক করেছে; বর্তমানে অবস্থানরত ঠিকানা দিতে হবে, রাস্তা-বিল্ডিং-ব্লক/এলাকা স্পষ্টভাবে লিখতে হবে এবং পোস্টাল/জিপ কোড নির্ভুল রাখতে হবে।
কিন্তু বাস্তবে অনেক অভিবাসী শ্রমিক স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় ইংরেজিতে ঠিকানা লেখা, পোস্টাল কোড বোঝা কিংবা কোন ঠিকানাটি ব্যবহার করা উচিত—এসব বিষয়ে বিভ্রান্ত হন। এই সীমাবদ্ধতার সুযোগে দেশে কিছু অনানুষ্ঠানিক ‘সেন্টার’ বা ‘তৃতীয় পক্ষ’ গড়ে ওঠে, যারা শ্রমিকদের হয়ে অনলাইনে আবেদন বা অ্যাপ ফিলআপ (পূরণ) করে দেয়।
এতে কিছু সুবিধা মিললেও বড় ঝুঁকি তৈরি হয়; ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা এবং ভোটসংক্রান্ত পুরো প্রক্রিয়া অল্প কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়তে পারে। তখন প্রশ্ন ওঠে, এই ব্যবস্থায় যে অনৈতিক প্রভাব পড়বে না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে?
এই পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরব, কুয়েত ও বাহরাইনের ঘটনায় প্রথমেই খতিয়ে দেখতে হবে; একটি বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার পেছনে ঠিকানা-সংক্রান্ত বাস্তবতা কাজ করেছে, নাকি অন্য কোনো অনিয়ম রয়েছে?
তবে ঠিকানার যুক্তি দেখিয়ে বিষয়টি পাশ কাটানোও ঠিক হবে না। কারণ, একই জায়গায় ব্যালট পাঠানো স্বাভাবিক হলেও একটি ব্যক্তিগত বাসায় এতগুলো ব্যালট একসঙ্গে জমা হওয়া বা গণনা হওয়া অস্বাভাবিক।
এখানেই তদন্তের মূল বিষয় এবং এখান থেকেই আস্থার সংকট তৈরি হয়। একই সঙ্গে ভোট ডাকযোগে দেশে পৌঁছানোর পর স্থানীয় পোস্ট অফিসসহ মধ্যবর্তী পর্যায়ে অনিয়ম হবে না—এই নিশ্চয়তাও জনমনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ভোট নিয়ে আমাদের সমাজ-মনস্তত্ত্ব
বাংলাদেশি সমাজ ভোটের প্রশ্নে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে, ভোটের অধিকার এখানে মানুষ কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা নয়, ব্যক্তিগত সম্মান হিসেবেও দেখে। তাই ভোটসংক্রান্ত সন্দেহ মানুষের মধ্যে খুব দ্রুত ছড়ায়। এই সন্দেহপ্রবণতা কোনো ব্যক্তিগত দোষ নয়; এটি বহু রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে গড়ে ওঠা একটি জাতীয় মনস্তত্ত্ব।
এখানে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের কথাও মনে রাখতে হবে। সেই আন্দোলনের পেছনে অন্যতম বড় বাস্তবতা ছিল, জনগণের ভোটাধিকার দীর্ঘদিন কার্যকরভাবে সীমিত হয়ে পড়া এবং নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা বদলের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাওয়া। ফলে ভোট নিয়ে মানুষের আবেগ আরও তীব্র হয়েছে এবং ভোট–সম্পর্কিত যেকোনো ঘটনা এখন সহজেই বড় প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।
সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার ইকোনমি অ্যান্ড সোসাইটি বইতে বলেছেন, রাষ্ট্র টিকে থাকে বৈধতার ওপর; বৈধতা দুর্বল হলে শাসন ও প্রতিষ্ঠান প্রশ্নের মুখে পড়ে।
অতএব, ভোটপ্রক্রিয়ায় সন্দেহ তৈরি হলে সেই বৈধতাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এ কারণেই একটি ভিডিও এত বড় রাজনৈতিক আলোড়ন তৈরি করতে পারে।
অন্যান্য দেশের ব্যবস্থা
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখলে বোঝা যায়—প্রবাসী ভোটিং কেবল প্রযুক্তির বিষয় নয়; সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ভোটের গোপনীয়তা ও ‘চেইন অব কাস্টডি’ (ভোট কাগজটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কার কার হাতে গেল) কীভাবে সুরক্ষিত করা হচ্ছে।
ফিলিপাইন
ফিলিপাইনের অভিজ্ঞতা দেখায়—প্রবাসীদের ভোট কেবল একটি নির্বাচনপ্রক্রিয়া নয়; এটি প্রবাসীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তির একটি শক্ত কাঠামো। এ উদ্দেশ্যে ফিলিপাইন ২০০৩ সালে ‘বিদেশে অবস্থানরত ভোটার আইন’ বা রিপাবলিক অ্যাক্ট ৯১৮৯ প্রণয়ন করে, যার মাধ্যমে বিদেশে থাকা নাগরিকদের ভোটদানের একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি হয়।
পরবর্তী সময়ে এই কাঠামো আরও দৃঢ় হয়, কারণ রিপাবলিক অ্যাক্ট ৯১৮৯ সংশোধন করে ২০১৩ সালে রিপাবলিক অ্যাক্ট ১০৫৯০ প্রণয়ন করা হয়, যা ওভারসিস ভোটিং ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করে। (সূত্র: সিনেট ইলেকটোরাল ট্রাইব্যুনাল ও জুডিশিয়ারি ই-লাইব্রেরি, ফিলিপাইনস)
এই আইনের অধীনে বিদেশে থাকা ফিলিপাইন নাগরিকেরা নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রবাসী ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করতে পারেন এবং সাধারণভাবে ভোট প্রদান হয় সংশ্লিষ্ট দূতাবাস/কনস্যুলেট পরিচালিত ওভারসিস ভোটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। (সূত্র: ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স, ফিলিপাইনস)
ফিলিপাইনের প্রবাসী ভোটব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো ভোটার উপস্থিতি (টার্নআউট) কম। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল/ইন্টারনেটভিত্তিক ভোটের দিকে অগ্রসর হওয়ায় প্রবাসী ভোটিং আরও সহজ হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভোট জালিয়াতি’ জাতীয় অভিযোগ ও সন্দেহও বেড়েছে। (সূত্র: এএফপি ফ্যাক্টচেক, ৪ মে ২০২৫)
ফিলিপাইন নির্বাচন কমিশন (কমেলেক) বিভিন্ন সময় ‘অনলাইন ভোটে কারচুপি’ জাতীয় অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেও বাস্তবতা হলো ডিজিটাল ভোটিং নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হওয়ামাত্রই নির্বাচন প্রক্রিয়ার বৈধতা প্রশ্নের মুখে পড়ে (সূত্র: ফিলিপাইন ডেইলি ইনকোয়ারার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫)
মেক্সিকো
মেক্সিকোতে প্রবাসী ভোটিংকে জাতীয় বৈধতা ও নাগরিকত্বের সম্প্রসারণ হিসেবে দেখা হয়; রাষ্ট্র তার নাগরিকদের শুধু ভৌগোলিক সীমার মধ্যে আবদ্ধ করে রাখতে চায় না। মেক্সিকোর উল্লেখযোগ্য দিক হলো, তারা প্রবাসী ভোটকে একক পদ্ধতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে ধাপে ধাপে বহু মাধ্যমভিত্তিক (ডাকযোগে, দূরবর্তী পদ্ধতি এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দূতাবাস/কনস্যুলেট) ভোটিং ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হয়েছে।
বিদেশে থাকা মেক্সিকানদের ভোটার নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা করে দেশটির ন্যাশনাল ইলেকটোরাল ইনস্টিটিউট (আইএনই) এবং নির্দিষ্ট নির্বাচনে প্রবাসীরা বিভিন্ন মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। (সূত্র: সেক্রেতারিয়া দে রেলাসিওনেস এক্সতেরিওরেস, মেক্সিকো)
তবে এসিই ইলেকটোরাল নলেজ নেটওয়ার্ক/প্রজেক্ট ২০২৫ রিপোর্ট এবং ইউএনএএম-এর নর্থ আমেরিকা গবেষণা কেন্দ্রের (সিসান) ২০২৫ বিশ্লেষণ ইঙ্গিত দেয়, মেক্সিকোর প্রবাসী ভোট চালুর প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন বিতর্কের মধ্য দিয়ে গেছে এবং শুরুতে ডাকযোগে ভোটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ছিল।
ডাকযোগে ব্যালট পৌঁছানো–ফেরত পাঠানো, ঠিকানা ও ডেলিভারি জটিলতা এবং কিছু কড়াকড়ি শর্ত প্রবাসীদের অংশগ্রহণকে সীমিত করেছে। ফলে ভোটাধিকার থাকলেও বাস্তবে ভোটার উপস্থিতি প্রত্যাশিত হারে বাড়েনি।
শ্রীলঙ্কা
শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতাও শিক্ষণীয়। দেশটি এখনো প্রবাসী ভোটাধিকার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। কারণ, তারা শুধু প্রযুক্তিগত বা আইনগত দিক নয়, এই সিদ্ধান্ত সমাজে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে, রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়াবে কি না এবং নির্বাচনপ্রক্রিয়ার ওপর জন–আস্থা কীভাবে প্রভাবিত হবে—এসব বিষয়ও গভীরভাবে বিবেচনা করছে। ফলে প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেও শ্রীলঙ্কা তুলনামূলক সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং প্রবাসী ভোটিং চালুর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে সময় নিচ্ছে।
শেষ কথা
ফিলিপাইন, মেক্সিকো বা শ্রীলঙ্কা অভিজ্ঞতা বলে, প্রবাসী ভোটব্যবস্থা প্রযুক্তি দিয়ে নয়, আস্থা দিয়ে টিকে থাকে। বাংলাদেশে এটি নতুন উদ্যোগ। কিন্তু ভোট নিয়ে আমাদের সমাজ অত্যন্ত সংবেদনশীল; শুরুতেই যদি প্রবাসী ভোট কারচুপির সন্দেহে আক্রান্ত হয়, তবে এ ব্যবস্থাটি প্রশ্নের মুখে পড়বে।
এটি শুধু রাজনৈতিক ইস্যু নয়, এর বড় অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ঝুঁকি আছে। রেমিট্যান্স ছাড়া বাংলাদেশের অর্থনীতি দুর্বল হবে। ভোট নিয়ে সন্দেহে বিদেশে শ্রমিকদের পারস্পরিক বন্ধন ভেঙে গেলে সংঘাত বাড়বে আর নিয়োগদাতা দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে লোক নেওয়া নিয়েও নতুন করে ভাবতে পারে। তাই নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল এবং প্রবাসী নেতৃত্ব—সবার দায়িত্ব হলো এই ব্যবস্থাকে কারচুপি-অনিয়ম থেকে রক্ষা করা।
* মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার, শিক্ষক ও গবেষক, রাষ্ট্র ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1280)
-
▼
January
(307)
-
▼
Jan 19
(9)
- দুবাইয়ের ব্লু ভিসা বনাম গোল্ডেন ভিসা: ১০ বছরের ভবি...
- ইরান আন্দোলন ২০২৬: কেন আলাদা ও ব্যাপক? by এস এম জারিফ
- হাততালির রাজনীতিতে ভালো কথার জায়গা নেই by মহিউদ্দি...
- ইরানে আন্দোলন নিয়ে বামপন্থীরা নীরব কেন by ইয়াশা মা...
- খাদের কিনারায় ইরান, ঘুরবে নাকি পতন: বিক্ষোভে নিহত ...
- পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক যেসব ঝুঁকি তৈরি করছে by...
- প্রতীকী সাফল্যের গল্প দিয়ে নয়, বরং টেকসই জাতীয় উন্...
- যে কারণে নতুন বন্ধু খুঁজছেন জার্মান চ্যান্সেলর by ...
- সুন্দরবনে ১০০ কেজি হরিণের মাংস ও ৪ হাজার মিটার ফাঁ...
-
▼
Jan 19
(9)
-
▼
January
(307)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment