এ বছরেই চলচ্চিত্র by মামুন মিজানুর রহমান
টেলিভিশনের তরুণ নাট্য নির্মাতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও উৎকর্ষের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে আছেন নাট্য পরিচালক আলভী আহমেদ। তাঁর পরিচালক হয়ে ওঠার খুঁটিনাটি নিয়ে লিখেছেন মামুন মিজানুর রহমান আলভী আহমেদ একজন সম্ভাবনাময় বিচ্যুত গল্পকার। টেলিভিশনের প্রচলিত ধারার নাটকের বাইরে অভিনব কিছু রচনা ও বানানোর নিয়মিত প্রচেষ্টা তাঁর। তাঁর রয়েছে সমৃদ্ধ শিল্পবোধ। না, তিনি নাট্যকার হতে চাননি। ছিলেন মূলধারার সাহিত্যকর্মী।
পত্রপত্রিকায় গল্প লিখে কিছুটা নামযশও কামিয়েছিলেন। কিন্তু গল্প লেখায় নানা কারণে আর লেগে থাকা হয়নি। আলভীর জন্ম ও বেড়ে ওঠা গোপালগঞ্জ শহরে। বরিশাল ক্যাডেটে পড়ার সময় সংস্কৃতিচর্চায় ধীরে ধীরে জড়িয়ে যাওয়া। আবৃত্তি, টুকটাক লেখালেখি ও কলেজকেন্দ্রিক সংস্কৃতিচর্চায় তিনি ছিলেন নিবেদিত। বরিশাল ক্যাডেটে তাঁর শিল্পের প্রতি প্রেম জাগে ও শিল্পবোধ গড়ে ওঠে। লেখালেখির শুরু সেই থেকে। এরপর বুয়েটে এসে ঝাঁপিয়ে পড়েন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে। মাসিক শৈলীতে বহুদিন লিখেছেন নিয়মিত। লিখেছেন অনন্যা, জনকণ্ঠসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় কাগজে। মূলধারার লেখালেখি অনর্থকরী কাজ মনে হওয়ায় গল্প-উপন্যাস থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। এরপর নাটক লেখার দিকে এগিয়ে যাওয়া।
বুয়েটে তিনি ছিলেন চলচ্চিত্র সংসদের সক্রিয় কর্মী। সিনেমা দেখতে দেখতে চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতি আগ্রহী হন তিনি। শখের বশেই বানিয়ে ফেলেন একটি শর্টফিল্ম। চলচ্চিত্র তৈরির আশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আর্থিক ও নানা সীমাবদ্ধতার ফলে নাটক দিয়েই শুরু।
বুয়েটে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন হওয়ার আগেই একটি মোবাইল কম্পানিতে চাকরি হয়। কিছুদিন চাকরি করে জমিয়ে ফেলেন অল্প টাকা-পয়সা। নাটক বানানোর মতো টাকা সঞ্চয় করেই চাকরিতে ইস্তফা দেন। সেই টাকায় তৈরি করেন প্রথম নাটক 'স্টেশন একাত্তর'। ২০০৬ সালের এ নাটকটির পর তিনি পা রাখেন সাফল্যের সিঁড়িতে। এটি প্রচারিত হওয়ার পর আরটিভি থেকে ধারাবাহিক নাটক নির্মাণের প্রস্তাব পান। নির্মাণ করেন ২৬ পর্বের ধারাবাহিক 'নিরন্তর'। এ নাটকের একটু দুঃখের গল্প আছে। ১৪ পর্ব প্রচারিত হওয়ার পর নাটকটি আর এগোয়নি।
আলভী আহমেদ বরাবর সাধারণত নিজের লেখা নিজে পরিচালনা করেন। মাঝেমধ্যে অন্যদের লেখা নাটকও পরিচালনা করতে হয়। তাঁর নির্মিত নাটক প্রায় ৬০টির মতো। 'মানিব্যাগ', 'ভালোবাসার প্লাবনকাল', 'ভালোবাসি আশ্চর্য মেঘদল', 'লোকাল নন্দিনী', 'জুয়ারাশি', 'রোড টু সাকসেস' তাঁর সাম্প্রতিক নির্মাণ। এ ছাড়া এখন নির্মাণ করছেন ১৩ পর্বের ধারাবাহিক 'সমীকরণ'।
নাটকে তিনি জীবনবাদিতায় বিশ্বাসী। তাঁর নাটকের ধারালো ভাষায় থাকে মানুষের চেতনার কথা, যন্ত্রণার কথা। ফলে তাঁর বেশির ভাগ নাটক টেলিভিশনের সেন্সর থেকে প্রথমত আপত্তির শিকার হয়। টেলিভিশনের সাম্প্রতিক নাট্যনির্মাণ নিয়ে বেশ আশাবাদী আলভী। তিনি মনে করেন, অনেকেই এখন দুর্দান্ত জীবনমুখী নাটক তৈরি করছেন। আলভী এখন কিছুদিন নাটক নির্মাণ থেকে দূরে থাকতে চান। কারণ, কিছুদিনের মধ্যেই শুরু করছেন চলচ্চিত্রের শুটিং। তাই পুরো সময়টা দিতে চান চলচ্চিত্রে। নাম এখনো ঠিক হয়ে ওঠেনি। তবে ইচ্ছা আছে এ বছরই ছবিটি মুক্তি দেওয়ার।
বুয়েটে তিনি ছিলেন চলচ্চিত্র সংসদের সক্রিয় কর্মী। সিনেমা দেখতে দেখতে চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতি আগ্রহী হন তিনি। শখের বশেই বানিয়ে ফেলেন একটি শর্টফিল্ম। চলচ্চিত্র তৈরির আশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আর্থিক ও নানা সীমাবদ্ধতার ফলে নাটক দিয়েই শুরু।
বুয়েটে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন হওয়ার আগেই একটি মোবাইল কম্পানিতে চাকরি হয়। কিছুদিন চাকরি করে জমিয়ে ফেলেন অল্প টাকা-পয়সা। নাটক বানানোর মতো টাকা সঞ্চয় করেই চাকরিতে ইস্তফা দেন। সেই টাকায় তৈরি করেন প্রথম নাটক 'স্টেশন একাত্তর'। ২০০৬ সালের এ নাটকটির পর তিনি পা রাখেন সাফল্যের সিঁড়িতে। এটি প্রচারিত হওয়ার পর আরটিভি থেকে ধারাবাহিক নাটক নির্মাণের প্রস্তাব পান। নির্মাণ করেন ২৬ পর্বের ধারাবাহিক 'নিরন্তর'। এ নাটকের একটু দুঃখের গল্প আছে। ১৪ পর্ব প্রচারিত হওয়ার পর নাটকটি আর এগোয়নি।
আলভী আহমেদ বরাবর সাধারণত নিজের লেখা নিজে পরিচালনা করেন। মাঝেমধ্যে অন্যদের লেখা নাটকও পরিচালনা করতে হয়। তাঁর নির্মিত নাটক প্রায় ৬০টির মতো। 'মানিব্যাগ', 'ভালোবাসার প্লাবনকাল', 'ভালোবাসি আশ্চর্য মেঘদল', 'লোকাল নন্দিনী', 'জুয়ারাশি', 'রোড টু সাকসেস' তাঁর সাম্প্রতিক নির্মাণ। এ ছাড়া এখন নির্মাণ করছেন ১৩ পর্বের ধারাবাহিক 'সমীকরণ'।
নাটকে তিনি জীবনবাদিতায় বিশ্বাসী। তাঁর নাটকের ধারালো ভাষায় থাকে মানুষের চেতনার কথা, যন্ত্রণার কথা। ফলে তাঁর বেশির ভাগ নাটক টেলিভিশনের সেন্সর থেকে প্রথমত আপত্তির শিকার হয়। টেলিভিশনের সাম্প্রতিক নাট্যনির্মাণ নিয়ে বেশ আশাবাদী আলভী। তিনি মনে করেন, অনেকেই এখন দুর্দান্ত জীবনমুখী নাটক তৈরি করছেন। আলভী এখন কিছুদিন নাটক নির্মাণ থেকে দূরে থাকতে চান। কারণ, কিছুদিনের মধ্যেই শুরু করছেন চলচ্চিত্রের শুটিং। তাই পুরো সময়টা দিতে চান চলচ্চিত্রে। নাম এখনো ঠিক হয়ে ওঠেনি। তবে ইচ্ছা আছে এ বছরই ছবিটি মুক্তি দেওয়ার।
No comments