দরজা খোলাই পাবেন আমির
‘সুখবর’ ব্যাপারটাই যেন তাঁর জীবনে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল। বয়স মাত্র ১৯ বছর। এই বয়সেই যেন জীবনের ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে মোহাম্মদ আমিরের। পাকিস্তানের পদস্খলিত এই প্রতিভা পরপর দুটো সুখবর পেলেন। ছয় মাসের কারাবাসের সাজা কমে নামতে পারে তিন মাসে। ভালো আচরণের জন্য আগেই মুক্তি দিতে পারে তাঁকে ব্রিটিশ সরকার। সে ক্ষেত্রে ২০তম জন্মদিনটা জেলের ভেতরে হয়তো কাটবে না। এর চেয়েও বড় সুখবর, আমিরের জন্য দলের দরজা খোলাই রাখছে পাকিস্তান।
মাত্র ১৪ টেস্টে ৫১ উইকেট পাওয়া বাঁহাতি এই পেসার যে পাকিস্তানের এক সম্পদ, এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। তবে টাকার লোভে স্পট ফিক্সিংয়ের মতো জঘন্য অপরাধে নিজেকে জড়ানোয় তাঁর প্রতি সহমর্মিতা জানানোরও সুযোগ নেই। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) মনে করে, এই কদিনে যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে তাঁর। এই শিক্ষা মনে থাকলে আর কখনোই ভুল পথে আমির পা বাড়াবেন না। এ কারণেই জেলের সাজা শেষ হলে আবারও জাতীয় দলে ফিরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য পিসিবিও অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েছে। তাড়াহুড়ো করতে চায় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার জন্য আইসিসির ছাড়পত্র পাওয়ার পর আমিরকে কাউন্সেলিংয়ে পাঠানো হবে। আমির আগেই মুক্তি পেতে পারেন এমন একটা খবর প্রকাশ হওয়ার পর সাংবাদিকদের পিসিবির প্রধান জাকা আশরাফ বলেছেন, ‘জানি না, ঠিক কবে সে মুক্তি পাবে। তবে মুক্তি পাওয়ার পর আমরা ওর ওপর আরোপিত আইসিসির বিধিবিধান ভালো করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। জানতে হবে, সে যেকোনো পর্যায়ের ক্রিকেটেই খেলতে পারবে কি না। তা ছাড়া আমি চাই, এর আগে ওর নিবিড় কাউন্সেলিং হোক।’
আশরাফের পূর্বসূরিরা মোটামুটি অভিন্ন পথেই হেঁটেছেন। পাকিস্তানি ক্রিকেটার কোনো অন্যায় করলে তাঁকে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আশরাফ দায়িত্ব নেওয়ার পর স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, পিসিবিতে এখন নতুন যুগ। এখানে অপরাধীদের ঠাঁই নেই। আরও একবার নিজের প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দিলেন পিসিবির প্রধান, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আইসিসির নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ওর কোনো আবেদনে পিসিবি বিন্দুমাত্র সাহায্য করবে না। আইসিসি ওকে মুক্ত ঘোষণা করার পরই আমরা দেখব কী করা যায়।’
আমিরের প্রতিভার ওপর অবশ্য আস্থা হারাচ্ছেন না, ‘কোনো সন্দেহ নেই, ওর মধ্যে অমিত প্রতিভা আছে। কিন্তু আমিরসহ আরও দুই ক্রিকেটার পাকিস্তানের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি যেভাবে ক্ষুণ্ন করেছে, সেটাও হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।’ ওয়েবসাইট।
অবশ্য পিসিবিও অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েছে। তাড়াহুড়ো করতে চায় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার জন্য আইসিসির ছাড়পত্র পাওয়ার পর আমিরকে কাউন্সেলিংয়ে পাঠানো হবে। আমির আগেই মুক্তি পেতে পারেন এমন একটা খবর প্রকাশ হওয়ার পর সাংবাদিকদের পিসিবির প্রধান জাকা আশরাফ বলেছেন, ‘জানি না, ঠিক কবে সে মুক্তি পাবে। তবে মুক্তি পাওয়ার পর আমরা ওর ওপর আরোপিত আইসিসির বিধিবিধান ভালো করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। জানতে হবে, সে যেকোনো পর্যায়ের ক্রিকেটেই খেলতে পারবে কি না। তা ছাড়া আমি চাই, এর আগে ওর নিবিড় কাউন্সেলিং হোক।’
আশরাফের পূর্বসূরিরা মোটামুটি অভিন্ন পথেই হেঁটেছেন। পাকিস্তানি ক্রিকেটার কোনো অন্যায় করলে তাঁকে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আশরাফ দায়িত্ব নেওয়ার পর স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, পিসিবিতে এখন নতুন যুগ। এখানে অপরাধীদের ঠাঁই নেই। আরও একবার নিজের প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দিলেন পিসিবির প্রধান, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আইসিসির নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ওর কোনো আবেদনে পিসিবি বিন্দুমাত্র সাহায্য করবে না। আইসিসি ওকে মুক্ত ঘোষণা করার পরই আমরা দেখব কী করা যায়।’
আমিরের প্রতিভার ওপর অবশ্য আস্থা হারাচ্ছেন না, ‘কোনো সন্দেহ নেই, ওর মধ্যে অমিত প্রতিভা আছে। কিন্তু আমিরসহ আরও দুই ক্রিকেটার পাকিস্তানের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি যেভাবে ক্ষুণ্ন করেছে, সেটাও হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।’ ওয়েবসাইট।
No comments