খুলনাসহ ৩৩ জেলায় জ্বালানি তেল নিয়ে ধর্মঘট চলছে
খুলনাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৩৩টি জেলায় চার জ্বালানি তেল পরিবহন ও বিতরণকারীদের ডাকা ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। টানা ধর্মঘটের কারণে এই অঞ্চলের অধিকাংশ পেট্রলপাম্প এর মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে সংকট তৈরি হয়েছে এবং বোরো চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছেন। জ্বালানি তেলের ডিলার্স কমিশন ও ট্যাংকলরির ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ৮ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয়।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৫ জেলায় এই ধর্মঘট শুরু হলেও ১০ জানুয়ারি থেকে বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের আরও ১৮টি জেলার ব্যবসায়ীরা এ আন্দোলনে যোগ দেন। ফলে ৩৩টি জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে।
এদিকে ধর্মঘটের চতুর্থ দিনে গতকাল বুধবার বিকেলে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে এক যৌথ সভা হলেও এতে কোনো সমঝোতা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। সমিতির নেতারা একপর্যায়ে সভা ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।
জ্বালানিসচিব মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গাজী হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক, পদ্মা ডিপোর ম্যানেজার মো. সামছুদ্দোহা, মেঘনা ডিপোর ম্যানেজার আবুল খায়ের ও যমুনা ডিপোর ম্যানেজার মিজানুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সমিতির নেতাদের মধ্যে সাজেদুল কবির, মিজানুর রহমান, আবদুল মমিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজী হাফিজুর রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সভা শুরুর পর তারা পূর্বনির্ধারিত কমিশন দাবি করলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তা না মেনে লিটারপ্রতি কমিশন প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে আমরা মিটিং থেকে বের হয়ে আসি।’
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৭০টি তেলের পাম্পের মধ্যে ৯০ শতাংশেরই তেল ফুরিয়ে গেছে।
এদিকে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এখন চড়া দামে ডিজেল কিনতে হচ্ছে বলে বোরো চাষিরা অভিযোগ করেছেন।
সংশোধনী
গতকাল প্রথম আলোর ১৫ পাতায় ‘ডুয়েডার পুনর্মিলনী’ বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে জনাব আমিনুল করিমের ফোন নম্বরটি ভুল হয়েছে বলে জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ডুয়েডার সাধারণ সম্পাদক ফরিদউদ্দিন আহমেদ। প্রকৃত নম্বরটি হলো: ০১৭১৩১২২৪৯৫। —বি.স
এদিকে ধর্মঘটের চতুর্থ দিনে গতকাল বুধবার বিকেলে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে এক যৌথ সভা হলেও এতে কোনো সমঝোতা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। সমিতির নেতারা একপর্যায়ে সভা ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।
জ্বালানিসচিব মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গাজী হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক, পদ্মা ডিপোর ম্যানেজার মো. সামছুদ্দোহা, মেঘনা ডিপোর ম্যানেজার আবুল খায়ের ও যমুনা ডিপোর ম্যানেজার মিজানুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সমিতির নেতাদের মধ্যে সাজেদুল কবির, মিজানুর রহমান, আবদুল মমিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজী হাফিজুর রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সভা শুরুর পর তারা পূর্বনির্ধারিত কমিশন দাবি করলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তা না মেনে লিটারপ্রতি কমিশন প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে আমরা মিটিং থেকে বের হয়ে আসি।’
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৭০টি তেলের পাম্পের মধ্যে ৯০ শতাংশেরই তেল ফুরিয়ে গেছে।
এদিকে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এখন চড়া দামে ডিজেল কিনতে হচ্ছে বলে বোরো চাষিরা অভিযোগ করেছেন।
সংশোধনী
গতকাল প্রথম আলোর ১৫ পাতায় ‘ডুয়েডার পুনর্মিলনী’ বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে জনাব আমিনুল করিমের ফোন নম্বরটি ভুল হয়েছে বলে জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ডুয়েডার সাধারণ সম্পাদক ফরিদউদ্দিন আহমেদ। প্রকৃত নম্বরটি হলো: ০১৭১৩১২২৪৯৫। —বি.স
No comments