দুই হাজার কোটি ডলারের সম্পদ ফেরত পেল লিবিয়া
লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির শাসনামলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া দুই হাজার কোটি মার্কিন ডলারের মতো সম্পদ ফেরত পেয়েছে লিবিয়া। গত মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশুর বিন খাইয়াল এ কথা জানান।
লিবিয়ায় জাতিসংঘ মিশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশুর বিন খাইয়াল বলেন, এ পর্যন্ত ঠিক কী পরিমাণ অর্থ হাতে পাওয়া গেছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।
লিবিয়ায় জাতিসংঘ মিশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশুর বিন খাইয়াল বলেন, এ পর্যন্ত ঠিক কী পরিমাণ অর্থ হাতে পাওয়া গেছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।
তবে তা দুই হাজার কোটি ডলারের মতো হবে। এসব অর্থের অধিকাংশই এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশ থেকে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই দাবি করলেও ওই পরিমাণ অর্থ সেন্ট্রাল ব্যাংক অব লিবিয়ায় জমা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ লিবিয়ার এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এতে বিদেশে আটকে পড়া বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয় গাদ্দাফি-পরবর্তী লিবিয়ার নতুন সরকারের জন্য।
লিবিয়ায় ‘আরব বসন্তে’ উদ্বুদ্ধ হয়ে গাদ্দাফিবিরোধীরা আন্দোলন জোরদার করলে তাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক দমন-নিপীড়ন শুরু করে। এ ঘটনায় একপর্যায়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গাদ্দাফি সরকারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এরপর পশ্চিমা দেশগুলোসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লিবিয়ার সরকার ও সরকারের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের প্রায় ১৫ হাজার কোটি মার্কিন ডলার জব্দ করা হয়।
লিবিয়ার নতুন শাসকেরা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানসহ চলমান অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে তাঁরা বিদেশে আটকে রাখা ওই অর্থ মুক্ত করে দিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এএফপি।
লিবিয়ায় ‘আরব বসন্তে’ উদ্বুদ্ধ হয়ে গাদ্দাফিবিরোধীরা আন্দোলন জোরদার করলে তাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক দমন-নিপীড়ন শুরু করে। এ ঘটনায় একপর্যায়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গাদ্দাফি সরকারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এরপর পশ্চিমা দেশগুলোসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লিবিয়ার সরকার ও সরকারের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের প্রায় ১৫ হাজার কোটি মার্কিন ডলার জব্দ করা হয়।
লিবিয়ার নতুন শাসকেরা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানসহ চলমান অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে তাঁরা বিদেশে আটকে রাখা ওই অর্থ মুক্ত করে দিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এএফপি।
No comments