টেন্ডুলকারকে ছুঁতে পারবে না কেউ
শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে একসময় জোর লড়াই হতো দুজনের। সেই লড়াই থেমে গেছে অনেক আগেই। সময়ের পরিক্রমায় ব্রায়ান লারা তো বটেই, সমসাময়িক আর সব গ্রেটকেও অনেকটা ছাড়িয়ে গেছেন শচীন টেন্ডুলকার। অন্তত পরিসংখ্যান তাই বলবে। সেই লারাও এখন বলছেন, টেন্ডুলকারের সব মাইলফলক ছুঁতে পারবে না কেউই। আর বহু আলোচিত শততম সেঞ্চুরিটাও এই এল বলে...।
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরসঙ্গী হিসেবে লারা এখন ভারতে। ক্রিকেটের লোক সরকারি সফরে কেন, মনে এই প্রশ্ন জাগলে জেনে রাখুন ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ লারা। তবে যতই সরকারি সফর হোক, ক্রিকেট নিয়ে কথা না বললে কি আর হয়? তা ছাড়া ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা যখন তুঙ্গে।
অনুমিতভাবেই সবার আগে বলতে হয়েছে সময়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রসঙ্গটি নিয়ে, ‘শততম সেঞ্চুরিটা স্রেফ সময়ের ব্যাপার। শচীন একজন কিংবদন্তি। আর একটা সেঞ্চুরি না পাওয়ার মতো এতটা খারাপ ব্যাটসম্যান মনে হয় ও নয়! সিডনির সেঞ্চুরিটার আগে রিকি পন্টিংও প্রায় দুই বছর সেঞ্চুরি পায়নি। সেরাদেরও কখনো কখনো এমন সময় আসে। সেঞ্চুরিটা নিয়ে নিজের, ভক্ত-সমর্থক ও চারপাশের মানুষের প্রত্যাশায় কিছুটা দুশ্চিন্তা ভর করতে পারে। তবে শততম সেঞ্চুরিটা শচীন শিগগিরই পেয়ে যাবে।’ সঙ্গে এটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন, এমন সেঞ্চুরি-খরা তাঁর নিজের ক্যারিয়ারেও এসেছে।
রান-সেঞ্চুরির সংখ্যায় একসময় পিঠাপিঠিই ছিলেন দুজন। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, দুজনের শততম টেস্ট শেষে রানসংখ্যা শ-পাঁচেক বেশি ছিল লারারই। কিন্তু লারার টেস্ট ক্যারিয়ার থেমে গেছে আরও পাঁচ বছর আগে, ৩৭ বছর বয়সে, ১৩১ টেস্ট খেলে। টেন্ডুলকার খেলে যাচ্ছেন এই ৩৯ ছুঁই-ছুঁই বয়সেও, কাল খেলতে নামছেন ১৮৭তম টেস্ট। রান-সেঞ্চুরির সংখ্যাসহ অনেক রেকর্ডের ধারেকাছে নেই কেউ। লারার ধারণা, কেউ সেখানে পৌঁছাতেও পারবে না কখনো, ‘যেসব মাইলফলক শচীন গড়ছে, এর বেশির ভাগই আর সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাবে। কেউ সেগুলো ছুঁতেও পারবে না।’
উঠেছে সময়ের আরেক আলোচিত প্রসঙ্গও। লারার ৪০০ রানের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি উপেক্ষা করে নিজে থেকেই থেমে গেছেন মাইকেল ক্লার্ক। মুচকি হেসে রসিকতা করেছেন লারা, ‘সম্ভবত ও আমার বড় এক ভক্ত!’ ওয়েবসাইট।
অনুমিতভাবেই সবার আগে বলতে হয়েছে সময়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রসঙ্গটি নিয়ে, ‘শততম সেঞ্চুরিটা স্রেফ সময়ের ব্যাপার। শচীন একজন কিংবদন্তি। আর একটা সেঞ্চুরি না পাওয়ার মতো এতটা খারাপ ব্যাটসম্যান মনে হয় ও নয়! সিডনির সেঞ্চুরিটার আগে রিকি পন্টিংও প্রায় দুই বছর সেঞ্চুরি পায়নি। সেরাদেরও কখনো কখনো এমন সময় আসে। সেঞ্চুরিটা নিয়ে নিজের, ভক্ত-সমর্থক ও চারপাশের মানুষের প্রত্যাশায় কিছুটা দুশ্চিন্তা ভর করতে পারে। তবে শততম সেঞ্চুরিটা শচীন শিগগিরই পেয়ে যাবে।’ সঙ্গে এটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন, এমন সেঞ্চুরি-খরা তাঁর নিজের ক্যারিয়ারেও এসেছে।
রান-সেঞ্চুরির সংখ্যায় একসময় পিঠাপিঠিই ছিলেন দুজন। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, দুজনের শততম টেস্ট শেষে রানসংখ্যা শ-পাঁচেক বেশি ছিল লারারই। কিন্তু লারার টেস্ট ক্যারিয়ার থেমে গেছে আরও পাঁচ বছর আগে, ৩৭ বছর বয়সে, ১৩১ টেস্ট খেলে। টেন্ডুলকার খেলে যাচ্ছেন এই ৩৯ ছুঁই-ছুঁই বয়সেও, কাল খেলতে নামছেন ১৮৭তম টেস্ট। রান-সেঞ্চুরির সংখ্যাসহ অনেক রেকর্ডের ধারেকাছে নেই কেউ। লারার ধারণা, কেউ সেখানে পৌঁছাতেও পারবে না কখনো, ‘যেসব মাইলফলক শচীন গড়ছে, এর বেশির ভাগই আর সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাবে। কেউ সেগুলো ছুঁতেও পারবে না।’
উঠেছে সময়ের আরেক আলোচিত প্রসঙ্গও। লারার ৪০০ রানের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি উপেক্ষা করে নিজে থেকেই থেমে গেছেন মাইকেল ক্লার্ক। মুচকি হেসে রসিকতা করেছেন লারা, ‘সম্ভবত ও আমার বড় এক ভক্ত!’ ওয়েবসাইট।
No comments