অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন-পচা ডিম ও ভেজাল গুড়ের কারবার
বাসি-পচা ও ভেজাল খাদ্যে বাজার ছেয়ে গেছে। ভোক্তারা আর নিরাপদ নয়। টাকা দিয়ে কেক কিনবেন, তার মধ্যেও রয়েছে পচা ডিম। চড়া দামে কিনতে হবে ভেজাল গুড়। এখন সম্ভবত আসল বলে কিছু আর অবশিষ্ট নেই। ফলমূল, শাকসবজি, মাছ-মাংসে ফরমালিন, খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও রং ব্যবহার করা হচ্ছে নির্বিচারে। এসব খেয়ে রোগ-শোকে ভুগে মানুষ মৃত্যুর পথে যাচ্ছে। মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাউকে গ্রেপ্তার বা জরিমানা করেন।
কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই আবার শুরু হয়ে যায় ভেজালের ব্যবসা। ভোক্তারা অসহায়।গতকাল বুধবার প্রথম আলোর বিশাল বাংলা পাতায় এ বিষয়ে ভয়াবহ খবর বেরিয়েছে। মাদারীপুরে সাড়ে ১২ হাজার পচা ডিমসহ এক অসাধু ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি খামার থেকে নিয়মিত পচা ডিম সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেকারিতে সরবরাহ করেন। সেই পচা ডিমের তৈরি কেক বিক্রি করা হয় উচ্চ দামে। এসব খেলে পেটের পীড়াসহ নানা জটিল রোগ দেখা দেয়।
রাজশাহী, বরিশালের গৌরনদীসহ বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে ভেজাল পাটালি গুড়। কৃত্রিম উপায়ে গুড়ের রং ও স্বাদ ঠিক রাখার জন্য মেশানো হয় সালফেট ও বিষাক্ত রাসায়নিক। এগুলো কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। গৌরনদীর টরকী বন্দরে ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করে তাঁদের কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই তাঁরা আবার ভেজাল গুড় তৈরি শুরু করেছেন। প্রশাসনের কোনো না কোনো অংশের মৌন সম্মতি না থাকলে এ রকম হওয়ার কথা নয়।
সরকারের নীতিনির্ধারকেরা কীভাবে এমন নির্বিকার থাকেন, সেটাই অবাক ব্যাপার। নিরাপদ খাদ্য পাওয়া নিশ্চিত করা একটি আধুনিক সমাজের ন্যূনতম চাহিদা। কিন্তু চোখের ওপর চলছে ভেজালের রাজত্ব। খোদ রাজধানী ঢাকায় মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালান। জেল-জরিমানা সত্ত্বেও ভেজাল তৎপরতা বন্ধ হয় না। অতিমুনাফার লোভে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ স্প্রে করে কাঁচা টমেটো, কলা, আমসহ বিভিন্ন ফল পাকানো হয়। এসব ফল খাওয়া যে কত ক্ষতিকর, তা সবাই জানেন। কিন্তু অবাধে চলছে এ ধরনের অপকর্ম।
বিশ্বের কোনো দেশেই অন্তত খাদ্যে ভেজাল অবাধে চলতে দেওয়া হয় না। সরকারের উচিত জরুরি ভিত্তিতে খাদ্যদ্রব্যের ভেজালরোধে আইন কঠোরতর করা। আইন বাস্তবায়নেও কড়াকড়ি আরোপ করতে হবে। ইউরোপ-আমেরিকার মতো উন্নত দেশে তো খাদ্যে ভেজালের কথা কল্পনাই করা যায় না। বাংলাদেশেও এ রকম সম্ভব, যদি প্রশাসনের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই সততা ও আন্তরিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ভেজাল বন্ধ করতে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এই লক্ষ্য অর্জনে উচ্চপর্যায়ের তদারকি কমিটি গঠন করা হোক। তাদের মূল কাজ হবে ভেজাল শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা।
রাজশাহী, বরিশালের গৌরনদীসহ বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে ভেজাল পাটালি গুড়। কৃত্রিম উপায়ে গুড়ের রং ও স্বাদ ঠিক রাখার জন্য মেশানো হয় সালফেট ও বিষাক্ত রাসায়নিক। এগুলো কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। গৌরনদীর টরকী বন্দরে ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করে তাঁদের কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই তাঁরা আবার ভেজাল গুড় তৈরি শুরু করেছেন। প্রশাসনের কোনো না কোনো অংশের মৌন সম্মতি না থাকলে এ রকম হওয়ার কথা নয়।
সরকারের নীতিনির্ধারকেরা কীভাবে এমন নির্বিকার থাকেন, সেটাই অবাক ব্যাপার। নিরাপদ খাদ্য পাওয়া নিশ্চিত করা একটি আধুনিক সমাজের ন্যূনতম চাহিদা। কিন্তু চোখের ওপর চলছে ভেজালের রাজত্ব। খোদ রাজধানী ঢাকায় মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালান। জেল-জরিমানা সত্ত্বেও ভেজাল তৎপরতা বন্ধ হয় না। অতিমুনাফার লোভে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ স্প্রে করে কাঁচা টমেটো, কলা, আমসহ বিভিন্ন ফল পাকানো হয়। এসব ফল খাওয়া যে কত ক্ষতিকর, তা সবাই জানেন। কিন্তু অবাধে চলছে এ ধরনের অপকর্ম।
বিশ্বের কোনো দেশেই অন্তত খাদ্যে ভেজাল অবাধে চলতে দেওয়া হয় না। সরকারের উচিত জরুরি ভিত্তিতে খাদ্যদ্রব্যের ভেজালরোধে আইন কঠোরতর করা। আইন বাস্তবায়নেও কড়াকড়ি আরোপ করতে হবে। ইউরোপ-আমেরিকার মতো উন্নত দেশে তো খাদ্যে ভেজালের কথা কল্পনাই করা যায় না। বাংলাদেশেও এ রকম সম্ভব, যদি প্রশাসনের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই সততা ও আন্তরিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ভেজাল বন্ধ করতে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এই লক্ষ্য অর্জনে উচ্চপর্যায়ের তদারকি কমিটি গঠন করা হোক। তাদের মূল কাজ হবে ভেজাল শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা।
No comments