Monday, October 28, 2013
রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উত্তর-দক্ষিণ পারস্পরিক দৃষ্টিপাত by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক
রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উত্তর-দক্ষিণ পারস্পরিক দৃষ্টিপাত by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক

২০১৩
সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ চলছে, জাতি ও সমাজ উৎকণ্ঠিত। এরূপ উৎকণ্ঠা
প্রসঙ্গেই এই নাতিদীর্ঘ কলাম। প্রথমেই একটি অপ্রিয় বক্তব্য এবং সেটি হল এই
যে, অতীতেও অনেকবার বাংলাদেশের মানুষ এবং সমাজ এরূপ উৎকণ্ঠা ও
অনিশ্চয়তাপূর্ণ সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছে এবং এর জন্য যারা দায়ী, তারা কোনো
দিনই এ প্রসঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করেন না। অতীতের কিছু আলোচনা করলে আজ বুকের
ওপর চেপে থাকা ভার একটু হালকা মনে হতেও পারে।
প্রথম অস্থিরতা ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫
১৯৭৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের কথা উল্লেখ করছি। মানুষ শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশে সময় কাটিয়েছিল। কেন? ১৯৭২-এর জানুয়ারির ১০ তারিখ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে ফেরত এসেছিলেন। সরকারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সরকারি দল ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর প্রতি অবিচল ও একনিষ্ঠ ছিল। এতদসত্ত্বেও ১৯৭২-এর অক্টোবরে বিরোধী দল হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিল জাসদ। জাসদ সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামে। ১৯৭২ সালে সব ধরনের শিল্প জাতীয়করণ করা হয় এবং সেই জাতীয়করণ করা শিল্পগুলো লুটপাটের মাধ্যমে ধ্বংস হয়। কারণ, জাতীয়করণকৃত শিল্পগুলো পরিচালনার জন্য আন্তরিকতা ও অভিজ্ঞতার ভীষণ অভাব ছিল। ১৯৭৩-৭৪ সালে বাংলাদেশ থেকে বাইরে ও ভেতরে চোরাচালান মহামারী রূপ নেয়। চোরাচালান রোধ করার জন্য সরকারি হুকুমে সীমান্তে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বহু সেনা কর্মকর্তা তখনকার সরকারি দলের নেতাদের রোষানলে পড়েন এবং অনেকেই চাকরি হারান। জাতীয় অঙ্গনে দুর্বলতা ও আন্তর্জাতিক অসহযোগিতার কারণে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয় এবং অগণিত মানুষ মারা যায়। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সংবিধানে মারাত্মক রকমের সংশোধনী আনা হয় অর্থাৎ বহুদলীয় গণতন্ত্রের বদলে একদলীয় গণতন্ত্র কায়েম করা হয়। সামরিক বাহিনীসহ সরকারি কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের একমাত্র রাজনৈতিক দলের সদস্য বানিয়ে পুরো সমাজকে একদলীয় রাজনীতিকরণ করা হয়। আইন-শৃংখলা রক্ষার নিমিত্তে জাতীয় রক্ষীবাহিনী নামক একটি নতুন বাহিনী সৃষ্টি করা হয়েছিল, যারা যে কোনো কারণেই হোক না কেন, জনমনে আতংকের কারণ হয়, নিপীড়নকারী হিসেবে পরিচিত হয়। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের পর ধ্বংসপ্রাপ্ত ভৌত কাঠামো, দুর্বল অর্থনীতি ইত্যাদি বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল দুর্নীতি এবং আংশিকভাবে আন্তর্জাতিক অসহযোগিতা। ফলে বঙ্গবন্ধু শত আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও সাফল্যের সঙ্গে দেশ শাসন করতে পারেননি। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ আওয়ামী লীগের কতিপয় জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার মদদে সেনাবাহিনীর একটি অংশ বিদ্রোহ বা অভ্যুত্থান ঘটায়। ওই ঘটনায় বঙ্গবন্ধু নিহত হন। আড়াই মাস পর, ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে সেনাবাহিনীর আরেকটি অংশ ১৫ আগস্টের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আরেকটি বিদ্রোহ বা অভ্যুত্থান ঘটায়। ৩ নভেম্বরের বিদ্রোহীরা জেনারেল জিয়াকে গ্রেফতার করেছিলেন। এরূপ ঘন ঘন বিদ্রোহ বা প্রতি-বিদ্রোহের কারণে সেনাবাহিনী তো বটেই, দেশের জনগণও সাংঘাতিক উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়ে। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতেই ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে সৈনিকরা একটি বিপ্লব সাধন করে এবং জেনারেল জিয়াকে মুক্ত করে। জেনারেল জিয়ার চেষ্টা ও সাহসিকতায় ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।
জিয়া হত্যার আগে ও পরে অস্থিরতা ১৯৭৮ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমান নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান হন। তিনি তার আমলে সংবিধানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ, সুদূরপ্রসারী ও তাৎপর্যপূর্ণ সংশোধনী আনেন। ১৯৭৫-এর জানুয়ারিতে হারিয়ে যাওয়া বহুদলীয় গণতন্ত্র আবার বহাল করেন। নিজে নতুন দল সৃষ্টি করেন। পুরনো দলগুলো পুনরুজ্জীবিত করেন, যার মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে কোণঠাসা হয়ে পড়া আওয়ামী লীগও পুনরুজ্জীবিত হয়। তিনি লেফটেনেন্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সেনাবাহিনীপ্রধান বানান। ১৯৮০ সাল থেকে সেনাবাহিনীপ্রধান ইশারা-ইঙ্গিতে তার রাজনৈতিক অভিলাষ প্রকাশ করতে থাকেন, তথা ওই সময়ের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে তার সমালোচনা প্রকাশ করতে থাকেন। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে মুক্তিযোদ্ধা ও অমুক্তিযোদ্ধা বা পাকিস্তান ফেরত অফিসারদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠেছিল। জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের সরকারে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের সংশ্লেষের কারণে তার সমালোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এরূপ প্রেক্ষাপটে ৩০ মে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম অঞ্চলের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর বীরউত্তমের নেতৃত্বে একদল সেনা অফিসার এবং তাদের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম ডিভিশনের একটি অংশ বিদ্রোহ বা ক্যু সাধন করে। জেনারেল মঞ্জুর মনে করতেন, দক্ষ ও জ্যেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা অফিসার হিসেবে তারই সেনাপ্রধান হওয়া উচিত এবং অন্য মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের অধিকতর মূল্যায়ন হওয়া উচিত। সেই বিদ্রোহের প্রক্রিয়ায় জেনারেল জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নিহত হন। বিদ্রোহকারীদের বিচার হয়। অনেকের ফাঁসি হয়, অনেকের জেল হয়। জিয়া হত্যার পরও সাংবিধানিকভাবেই বিএনপি সরকার চালাতে থাকে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা চলে। চূড়ান্ত পর্যায়ে সরকার অদক্ষ, দেশ বিপদে আছে ইত্যাদি অভিযোগে ২৪ মার্চ ১৯৮৪ তারিখে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ একটি রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ এই প্রক্রিয়াকে পরোক্ষভাবে স্বাগত জানিয়েছিল।
এরশাদ আমলের আগমন, প্রস্থান এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সামরিক শাসক লে. জেনারেল এরশাদ নিজেকে এবং তার শাসনকে রাজনৈতিক শাসনে পরিণত করতে প্রচেষ্টা নেন। জাতীয় পার্টি সৃষ্টি করেন। সংসদ নির্বাচনের প্রয়োজন ছিল। এই সব কিছুই তিনি করান। তৎকালীন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি একমত হয়েছিল যে, তারা কেউই এরশাদের জাতীয় পার্টির সঙ্গে নির্বাচনে যাবে না। কারণ, নির্বাচনে গেলেই জাতীয় পার্টি এবং এরশাদের সামরিক সরকার বৈধতা পাবে। ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচনটি ঐতিহাসিক ছিল। কারণ, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সরকারকে বৈধতা দেয়। এরশাদ আমলে অনেক ভালো কাজ হয়েছিল; বিশেষত প্রশাসনিক সংস্কার ও উন্নয়ন খাতে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি এরশাদ রাজনৈতিক অঙ্গনের মন জয় করতে পারেননি। অতএব, বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তার বিরুদ্ধে লেগেছিল। ১৮ অক্টোবর ১৯৯০ থেকে এরশাদ সরকারের পতনের লক্ষ্যে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ওঠে। হরতাল, ধর্মঘট, আন্তঃনগর বা আন্তঃজেলা যাতায়াত ইত্যাদি ভীষণভাবে বিঘ্নিত হতে থাকে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দফতরে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্বে নিয়োজিত, যথা সামরিক অপারেশন্স পরিদফতরের পরিচালক বা ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশন্স। ১৮ অক্টোবর ১৯৯০ থেকে ক্রমান্বয়ে অবনতিশীল আইন-শৃংখলা পরিস্থিতিতে এবং রাষ্ট্রপতিকে সহায়তার নিমিত্তে সেনাবাহিনী ক্রমান্বয়ে নিয়োজিত হচ্ছিল। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি স্থানে সেনা সদস্যরা জনগণের আক্রমণের শিকার হয়। জনগণ কর্তৃক সেনা সদস্যকে আক্রমণের কারণ ছিল অনেকটা এরকম- ‘তোমরা কেন স্বৈরশাসক এরশাদকে সমর্থন দিয়ে এখনও টিকিয়ে রাখছ?’ এরূপ পরিস্থিতিতে নভেম্বর ১৯৯০-এর একেবারে শেষদিকে ডাক্তার মিলন নিহত হওয়ার কারণে ঢাকা মহানগরে হঠাৎ করেই আন্দোলন তীব্রতা পায়। সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। কার্ফ্যু বা সান্ধ্য আইন জারি করা হয়। এ প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি এরশাদকে আর ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা সমীচীন কি-না, সেনাবাহিনীর মধ্যে এ প্রশ্ন দেখা দেয়। সেনা কর্তৃপক্ষ নীরব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, সেনাবাহিনী নিজেদের বিতর্কিত ও জনবিরোধী করবে না। ঘটনাবলীর প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং সামরিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় বহুলাংশে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি হিসেবে আমি আমার মূল্যায়ন আমার লেখা সর্বশেষ বই ‘মিশ্র কথন’-এ লিপিবদ্ধ করেছি ইতিহাসের স্বার্থে। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার স্বার্থে ওই আমলের সেনাবাহিনী পরবর্তী তিন মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে এবং বাংলাদেশে আবার নির্বাচিত সরকার ফিরে আসে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের নবযাত্রায় সরকার গঠন করে বিএনপি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবিতে আওয়ামী আন্দোলন ১৯৯৪ সালের শেষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি উত্থাপিত হতে থাকে। ১৯৯৫ সালে দাবি জোরালো হয়। আন্দোলন কঠোর হয়। ১৯৯৬ সালের শুরুটা জ্বলন্ত ছিল। আন্দোলনকারীরা ছিল আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী। আন্দোলনের তীব্রতার ফল হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে মোট ১৭৩ দিন হরতাল হয়েছিল, ঢাকা-চট্টগ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং চট্টগ্রাম বন্দর সাময়িকভাবে অচল হয়ে গিয়েছিল। ২৫ ডিসেম্বর ১৯৯৫ থেকে মেজর জেনারেল র্যাংকে আমি যশোর অঞ্চলের জিওসি ছিলাম। অতএব, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির সঙ্গে পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলাম অন্য জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের মতোই। সরকারে ছিল বিএনপি। ১৫ ফেব্র“য়ারি ১৯৯৬ নতুন করে বিএনপি সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর বিএনপি মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে সংবিধান সংশোধন করে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটায়। ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে বিএনপি ক্ষমতা ছেড়ে দেয় এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়। কিন্তু একটি অঘটন ঘটে। ১৯৯৬ সালের মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস এবং তৎকালীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম বীর বিক্রমের মধ্যে ঘোরতর মতপার্থক্য দেখা দেয়। এই মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে রাষ্ট্রপতি বিশ্বাস এবং সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল নাসিম সেনাবাহিনীর ওপর কর্তৃত্ব বহাল বা অব্যাহত রাখতে নিবিড় চেষ্টা করেন। কিন্তু সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অংশ এমন কিছু কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করে যেগুলোকে বিদ্রোহমূলক বা সরকার উৎখাতমূলক বলা যায়। সেনাবাহিনীর বৃহদাংশ সেনাপ্রধানের হুকুম মানতে অস্বীকার করায় সেনাবাহিনী আনুগত্য ও শৃংখলার আঙ্গিকে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। এরূপ উত্তপ্ত ও বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর দুটি অংশ প্রায় পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল। যা হোক, বহুমাত্রিক চেষ্টার ফলে বিদ্রোহী অংশ শান্ত হয় এবং সেনাবাহিনী ও দেশে শান্তি ফিরে আসে। ১০ জুন ১৯৯৬ অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থান পায়। তারা সরকার গঠন করে। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমের নেতৃত্বাধীন ৩ নভেম্বর ১৯৭৫-এর সেনা বিদ্রোহের মতো লে. জেনারেল নাসিম বীর বিক্রমের নেতৃত্বাধীন ২০ মে ১৯৯৬-এর ঘটনাবলীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে চিন্তাশীল ব্যক্তিদের একটি অংশ মনে করে।
অক্টোবর ২০০৬-এর রাজনৈতিক সাইক্লোন ২০০১ থেকে অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। ক্ষমতা ছাড়ার আগে থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবে এই নিয়ে প্রচণ্ড মতবিরোধ চলছিল। ২৮ অক্টোবর ২০০৬ ঢাকার রাজপথ রাজনৈতিক রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যেই কর্মীদের লগি-বৈঠা হাতে নিয়ে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছিল। ২৮ অক্টোবর ঢাকা মহানগরে যে রক্তাক্ত সংঘর্ষ হয়েছিল, সেই স্মৃতি এখন পর্যন্ত বিশেষ কেউই ভোলেনি। তার দায়-দায়িত্ব একাধিক রাজনৈতিক দলের ওপর পড়ে। তিন মাস পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান লে. জেনারেল মইন ইউ আহমেদের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী কর্তৃক তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে উৎখাত করা হয় এবং নতুন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সৃষ্টি করা হয়। ২০০৭ সালের প্রথম মাসের ১১তম দিনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এই ঘটনাটিকে ওয়ান-ইলেভেন বলা হয়। সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থদের দ্বারা বিএনপি-সংশ্লিষ্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার এটা দ্বিতীয় ঘটনা। প্রচুর সংখ্যক সেনা অফিসার জরুরি অবস্থা বাস্তবায়ন এবং একাধিক সংস্কারমূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে জড়িত হয়ে পড়েন। রাজনৈতিক অঙ্গন তথা রাজনৈতিক নেতাদের ওপর মারাত্মক অত্যাচার নেমে এসেছিল। তুলনামূলকভাবে বিএনপি ও বিএনপিপন্থীরা চাপ ও অত্যাচারের শিকার হয়েছিল বেশি। তারপরও বলতে হয়, মধ্যম ও কনিষ্ঠ পর্যায়ের সেনা অফিসাররা প্রচুর পরিশ্রম করেছিলেন জাতীয় স্বার্থে। প্রথমদিকে তারা জনগণের প্রচুর প্রশংসা পান। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রশংসা কমে আসতে থাকে। সাধারণভাবে রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহল ১/১১-কে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছিল। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন, তাদের আন্দোলনের ফসল ১/১১-এর সরকার।
১/১১-এর দুই বছর
১/১১ সম্পর্কে জেনারেল মইন ইউ আহমেদের লেখা নিজের বইয়ে যে বিবরণ আছে, সেটাকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায়। সাক্ষ্যটা সম্পূর্ণ সত্য নাও হতে পারে। ক্রমান্বয়ে আরও সাক্ষ্য উপস্থাপিত হতেই থাকবে। ২৪ মার্চ ১৯৮২ জেনারেল এরশাদের মার্শাল ল’-এর মাধ্যমে অপসারিত হয়েছিল একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার। দলের নাম ছিল বিএনপি এবং রাষ্ট্রপতির নাম ছিল বিচারপতি আবদুস সাত্তার। ১১ জানুয়ারি ২০০৭ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়নি, কিন্তু সদ্য সাবেক রাজনৈতিক সরকার তথা বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে উৎখাত করা হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা (অর্থাৎ ১/১১) বিএনপির বিরুদ্ধেই বিপ্লব ছিল। ২৪ মার্চ ১৯৮২-এর পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদ স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি থেকে কোনো সহযোগিতা আশা করেননি। তাই কৌশলে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে সহযোগিতা নিয়ে ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচন করিয়েছিলেন।
উৎকণ্ঠিত কিন্তু দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশ
এখন অক্টোবর ২০১৩। অক্টোবর ২০০৬-এর কথা উপরের অনুচ্ছেদেই বললাম। এ মুহূর্তে আমাদের চিন্তা ও দুশ্চিন্তা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিয়ে। সাংবিধানিক সংকট নিয়ে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার বলছেন, তিনি বর্তমান সংবিধানের বাইরে যাবেন না এবং সংবিধানের ভেতরে থেকেই আগামী নির্বাচন করবেন বা করাবেন। অপরপক্ষে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের বক্তব্য হচ্ছে, আওয়ামী লীগের নিজস্ব সুবিধার জন্যই অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে যেন জিততে পারে সেই অন্তর্নিহিত লক্ষ্য সামনে রেখে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। বিরোধী দলের মতে, নিরপেক্ষ-নির্দলীয় সরকার ছাড়া নির্বাচনকালে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। অতএব, বিরোধী দল কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। এ মুহূর্তের সংকট কঠিন। সংকটের উৎপত্তি ২০১১ সালের জুন মাসে সংসদ কর্তৃক পঞ্চদশ সংশোধনী আনার মাধ্যমে। সংকট সৃষ্টিতে বর্তমান বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের কোনো ভূমিকা নেই। তারপরও বিরোধী শিবির যথাসম্ভব শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে সরকারকে বোঝাতে চেষ্টা করেছে যে, তাদের দাবি ন্যায্য এবং তা বাস্তবায়ন করা হোক। বিরোধী শিবিরের দাবিটা এমনই একটা দাবি যেটা মূলত ১৯৯৪-৯৬ সময়ে বর্তমান সরকারি দলেরই দাবি ছিল। এ প্রেক্ষাপটে মানুষ যখন উৎকণ্ঠিত, আতংকিত, তখন ১৮ অক্টোবর ২০১৩ প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং একটি প্রস্তাব দেন। ২১ অক্টোবর ২০১৩ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া একটি প্রস্তাব দিয়েছেন; তথা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের রূপরেখা দিয়েছেন। উভয় নেত্রীর প্রস্তাবের বিবরণ বা মূল্যায়ন আমি এখানে স্থানাভাবে করছি না। বিজ্ঞ পাঠক নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন কোন প্রস্তাবটি ভালো বা কোন প্রস্তাবটি মন্দ। পূর্ণাঙ্গ না হলেও আংশিকভাবে। অথবা দুটি প্রস্তাবের ভালো অংশ নিয়ে একটি তৃতীয় ভালো প্রস্তাব প্রস্তুত করা যায় কি-না সেটা ভেবে দেখা যেতে পারে।
উপসংহার
সবশেষে আমি এই কলামের শিরোনাম নিয়ে একটু কথা বলি। শিরোনামের শেষাংশ হচ্ছে উত্তর-দক্ষিণ পারস্পরিক দৃষ্টিপাত। উত্তর বলতে আমি ঢাকা মহানগরের উত্তর অংশকে বুঝিয়েছি। দক্ষিণ বলতে সেনানিবাস ছাড়া অবশিষ্ট ঢাকা মহানগরকে বুঝিয়েছি। প্রতীকী অর্থে বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের বা জনসমষ্টির মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক সম্পর্কের কথা, সহযোগিতার কথা, অসহযোগিতার কথা সবকিছুকেই বুঝিয়েছি। ১/১১-এর একদিন আগে, ১০ জানুয়ারি ২০০৭-এ প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠার অষ্টম কলামে একটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল। এতে ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তার পক্ষ থেকে দেশের বিদগ্ধ রাজনৈতিক সমাজের প্রতি একটি আবেদন ছিল। এ মুহূর্তে অবসরপ্রাপ্তরা কী চিন্তা করছেন জানি না, কিন্তু সমাজের সবাই যে উদ্বিগ্ন এটুকু জানি।
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
১৯৭৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের কথা উল্লেখ করছি। মানুষ শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশে সময় কাটিয়েছিল। কেন? ১৯৭২-এর জানুয়ারির ১০ তারিখ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে ফেরত এসেছিলেন। সরকারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সরকারি দল ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর প্রতি অবিচল ও একনিষ্ঠ ছিল। এতদসত্ত্বেও ১৯৭২-এর অক্টোবরে বিরোধী দল হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিল জাসদ। জাসদ সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামে। ১৯৭২ সালে সব ধরনের শিল্প জাতীয়করণ করা হয় এবং সেই জাতীয়করণ করা শিল্পগুলো লুটপাটের মাধ্যমে ধ্বংস হয়। কারণ, জাতীয়করণকৃত শিল্পগুলো পরিচালনার জন্য আন্তরিকতা ও অভিজ্ঞতার ভীষণ অভাব ছিল। ১৯৭৩-৭৪ সালে বাংলাদেশ থেকে বাইরে ও ভেতরে চোরাচালান মহামারী রূপ নেয়। চোরাচালান রোধ করার জন্য সরকারি হুকুমে সীমান্তে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বহু সেনা কর্মকর্তা তখনকার সরকারি দলের নেতাদের রোষানলে পড়েন এবং অনেকেই চাকরি হারান। জাতীয় অঙ্গনে দুর্বলতা ও আন্তর্জাতিক অসহযোগিতার কারণে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয় এবং অগণিত মানুষ মারা যায়। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সংবিধানে মারাত্মক রকমের সংশোধনী আনা হয় অর্থাৎ বহুদলীয় গণতন্ত্রের বদলে একদলীয় গণতন্ত্র কায়েম করা হয়। সামরিক বাহিনীসহ সরকারি কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের একমাত্র রাজনৈতিক দলের সদস্য বানিয়ে পুরো সমাজকে একদলীয় রাজনীতিকরণ করা হয়। আইন-শৃংখলা রক্ষার নিমিত্তে জাতীয় রক্ষীবাহিনী নামক একটি নতুন বাহিনী সৃষ্টি করা হয়েছিল, যারা যে কোনো কারণেই হোক না কেন, জনমনে আতংকের কারণ হয়, নিপীড়নকারী হিসেবে পরিচিত হয়। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের পর ধ্বংসপ্রাপ্ত ভৌত কাঠামো, দুর্বল অর্থনীতি ইত্যাদি বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল দুর্নীতি এবং আংশিকভাবে আন্তর্জাতিক অসহযোগিতা। ফলে বঙ্গবন্ধু শত আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও সাফল্যের সঙ্গে দেশ শাসন করতে পারেননি। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ আওয়ামী লীগের কতিপয় জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার মদদে সেনাবাহিনীর একটি অংশ বিদ্রোহ বা অভ্যুত্থান ঘটায়। ওই ঘটনায় বঙ্গবন্ধু নিহত হন। আড়াই মাস পর, ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে সেনাবাহিনীর আরেকটি অংশ ১৫ আগস্টের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আরেকটি বিদ্রোহ বা অভ্যুত্থান ঘটায়। ৩ নভেম্বরের বিদ্রোহীরা জেনারেল জিয়াকে গ্রেফতার করেছিলেন। এরূপ ঘন ঘন বিদ্রোহ বা প্রতি-বিদ্রোহের কারণে সেনাবাহিনী তো বটেই, দেশের জনগণও সাংঘাতিক উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়ে। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতেই ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে সৈনিকরা একটি বিপ্লব সাধন করে এবং জেনারেল জিয়াকে মুক্ত করে। জেনারেল জিয়ার চেষ্টা ও সাহসিকতায় ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।
জিয়া হত্যার আগে ও পরে অস্থিরতা ১৯৭৮ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমান নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান হন। তিনি তার আমলে সংবিধানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ, সুদূরপ্রসারী ও তাৎপর্যপূর্ণ সংশোধনী আনেন। ১৯৭৫-এর জানুয়ারিতে হারিয়ে যাওয়া বহুদলীয় গণতন্ত্র আবার বহাল করেন। নিজে নতুন দল সৃষ্টি করেন। পুরনো দলগুলো পুনরুজ্জীবিত করেন, যার মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে কোণঠাসা হয়ে পড়া আওয়ামী লীগও পুনরুজ্জীবিত হয়। তিনি লেফটেনেন্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সেনাবাহিনীপ্রধান বানান। ১৯৮০ সাল থেকে সেনাবাহিনীপ্রধান ইশারা-ইঙ্গিতে তার রাজনৈতিক অভিলাষ প্রকাশ করতে থাকেন, তথা ওই সময়ের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে তার সমালোচনা প্রকাশ করতে থাকেন। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে মুক্তিযোদ্ধা ও অমুক্তিযোদ্ধা বা পাকিস্তান ফেরত অফিসারদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠেছিল। জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের সরকারে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের সংশ্লেষের কারণে তার সমালোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এরূপ প্রেক্ষাপটে ৩০ মে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম অঞ্চলের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর বীরউত্তমের নেতৃত্বে একদল সেনা অফিসার এবং তাদের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম ডিভিশনের একটি অংশ বিদ্রোহ বা ক্যু সাধন করে। জেনারেল মঞ্জুর মনে করতেন, দক্ষ ও জ্যেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা অফিসার হিসেবে তারই সেনাপ্রধান হওয়া উচিত এবং অন্য মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের অধিকতর মূল্যায়ন হওয়া উচিত। সেই বিদ্রোহের প্রক্রিয়ায় জেনারেল জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নিহত হন। বিদ্রোহকারীদের বিচার হয়। অনেকের ফাঁসি হয়, অনেকের জেল হয়। জিয়া হত্যার পরও সাংবিধানিকভাবেই বিএনপি সরকার চালাতে থাকে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা চলে। চূড়ান্ত পর্যায়ে সরকার অদক্ষ, দেশ বিপদে আছে ইত্যাদি অভিযোগে ২৪ মার্চ ১৯৮৪ তারিখে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ একটি রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ এই প্রক্রিয়াকে পরোক্ষভাবে স্বাগত জানিয়েছিল।
এরশাদ আমলের আগমন, প্রস্থান এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সামরিক শাসক লে. জেনারেল এরশাদ নিজেকে এবং তার শাসনকে রাজনৈতিক শাসনে পরিণত করতে প্রচেষ্টা নেন। জাতীয় পার্টি সৃষ্টি করেন। সংসদ নির্বাচনের প্রয়োজন ছিল। এই সব কিছুই তিনি করান। তৎকালীন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি একমত হয়েছিল যে, তারা কেউই এরশাদের জাতীয় পার্টির সঙ্গে নির্বাচনে যাবে না। কারণ, নির্বাচনে গেলেই জাতীয় পার্টি এবং এরশাদের সামরিক সরকার বৈধতা পাবে। ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচনটি ঐতিহাসিক ছিল। কারণ, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সরকারকে বৈধতা দেয়। এরশাদ আমলে অনেক ভালো কাজ হয়েছিল; বিশেষত প্রশাসনিক সংস্কার ও উন্নয়ন খাতে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি এরশাদ রাজনৈতিক অঙ্গনের মন জয় করতে পারেননি। অতএব, বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তার বিরুদ্ধে লেগেছিল। ১৮ অক্টোবর ১৯৯০ থেকে এরশাদ সরকারের পতনের লক্ষ্যে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ওঠে। হরতাল, ধর্মঘট, আন্তঃনগর বা আন্তঃজেলা যাতায়াত ইত্যাদি ভীষণভাবে বিঘ্নিত হতে থাকে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দফতরে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্বে নিয়োজিত, যথা সামরিক অপারেশন্স পরিদফতরের পরিচালক বা ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশন্স। ১৮ অক্টোবর ১৯৯০ থেকে ক্রমান্বয়ে অবনতিশীল আইন-শৃংখলা পরিস্থিতিতে এবং রাষ্ট্রপতিকে সহায়তার নিমিত্তে সেনাবাহিনী ক্রমান্বয়ে নিয়োজিত হচ্ছিল। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি স্থানে সেনা সদস্যরা জনগণের আক্রমণের শিকার হয়। জনগণ কর্তৃক সেনা সদস্যকে আক্রমণের কারণ ছিল অনেকটা এরকম- ‘তোমরা কেন স্বৈরশাসক এরশাদকে সমর্থন দিয়ে এখনও টিকিয়ে রাখছ?’ এরূপ পরিস্থিতিতে নভেম্বর ১৯৯০-এর একেবারে শেষদিকে ডাক্তার মিলন নিহত হওয়ার কারণে ঢাকা মহানগরে হঠাৎ করেই আন্দোলন তীব্রতা পায়। সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। কার্ফ্যু বা সান্ধ্য আইন জারি করা হয়। এ প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি এরশাদকে আর ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা সমীচীন কি-না, সেনাবাহিনীর মধ্যে এ প্রশ্ন দেখা দেয়। সেনা কর্তৃপক্ষ নীরব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, সেনাবাহিনী নিজেদের বিতর্কিত ও জনবিরোধী করবে না। ঘটনাবলীর প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং সামরিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় বহুলাংশে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি হিসেবে আমি আমার মূল্যায়ন আমার লেখা সর্বশেষ বই ‘মিশ্র কথন’-এ লিপিবদ্ধ করেছি ইতিহাসের স্বার্থে। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার স্বার্থে ওই আমলের সেনাবাহিনী পরবর্তী তিন মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে এবং বাংলাদেশে আবার নির্বাচিত সরকার ফিরে আসে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের নবযাত্রায় সরকার গঠন করে বিএনপি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবিতে আওয়ামী আন্দোলন ১৯৯৪ সালের শেষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি উত্থাপিত হতে থাকে। ১৯৯৫ সালে দাবি জোরালো হয়। আন্দোলন কঠোর হয়। ১৯৯৬ সালের শুরুটা জ্বলন্ত ছিল। আন্দোলনকারীরা ছিল আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী। আন্দোলনের তীব্রতার ফল হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে মোট ১৭৩ দিন হরতাল হয়েছিল, ঢাকা-চট্টগ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং চট্টগ্রাম বন্দর সাময়িকভাবে অচল হয়ে গিয়েছিল। ২৫ ডিসেম্বর ১৯৯৫ থেকে মেজর জেনারেল র্যাংকে আমি যশোর অঞ্চলের জিওসি ছিলাম। অতএব, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির সঙ্গে পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলাম অন্য জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের মতোই। সরকারে ছিল বিএনপি। ১৫ ফেব্র“য়ারি ১৯৯৬ নতুন করে বিএনপি সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর বিএনপি মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে সংবিধান সংশোধন করে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটায়। ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে বিএনপি ক্ষমতা ছেড়ে দেয় এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়। কিন্তু একটি অঘটন ঘটে। ১৯৯৬ সালের মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস এবং তৎকালীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম বীর বিক্রমের মধ্যে ঘোরতর মতপার্থক্য দেখা দেয়। এই মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে রাষ্ট্রপতি বিশ্বাস এবং সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল নাসিম সেনাবাহিনীর ওপর কর্তৃত্ব বহাল বা অব্যাহত রাখতে নিবিড় চেষ্টা করেন। কিন্তু সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অংশ এমন কিছু কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করে যেগুলোকে বিদ্রোহমূলক বা সরকার উৎখাতমূলক বলা যায়। সেনাবাহিনীর বৃহদাংশ সেনাপ্রধানের হুকুম মানতে অস্বীকার করায় সেনাবাহিনী আনুগত্য ও শৃংখলার আঙ্গিকে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। এরূপ উত্তপ্ত ও বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর দুটি অংশ প্রায় পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল। যা হোক, বহুমাত্রিক চেষ্টার ফলে বিদ্রোহী অংশ শান্ত হয় এবং সেনাবাহিনী ও দেশে শান্তি ফিরে আসে। ১০ জুন ১৯৯৬ অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থান পায়। তারা সরকার গঠন করে। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমের নেতৃত্বাধীন ৩ নভেম্বর ১৯৭৫-এর সেনা বিদ্রোহের মতো লে. জেনারেল নাসিম বীর বিক্রমের নেতৃত্বাধীন ২০ মে ১৯৯৬-এর ঘটনাবলীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে চিন্তাশীল ব্যক্তিদের একটি অংশ মনে করে।
অক্টোবর ২০০৬-এর রাজনৈতিক সাইক্লোন ২০০১ থেকে অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। ক্ষমতা ছাড়ার আগে থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবে এই নিয়ে প্রচণ্ড মতবিরোধ চলছিল। ২৮ অক্টোবর ২০০৬ ঢাকার রাজপথ রাজনৈতিক রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যেই কর্মীদের লগি-বৈঠা হাতে নিয়ে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছিল। ২৮ অক্টোবর ঢাকা মহানগরে যে রক্তাক্ত সংঘর্ষ হয়েছিল, সেই স্মৃতি এখন পর্যন্ত বিশেষ কেউই ভোলেনি। তার দায়-দায়িত্ব একাধিক রাজনৈতিক দলের ওপর পড়ে। তিন মাস পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান লে. জেনারেল মইন ইউ আহমেদের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী কর্তৃক তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে উৎখাত করা হয় এবং নতুন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সৃষ্টি করা হয়। ২০০৭ সালের প্রথম মাসের ১১তম দিনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এই ঘটনাটিকে ওয়ান-ইলেভেন বলা হয়। সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থদের দ্বারা বিএনপি-সংশ্লিষ্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার এটা দ্বিতীয় ঘটনা। প্রচুর সংখ্যক সেনা অফিসার জরুরি অবস্থা বাস্তবায়ন এবং একাধিক সংস্কারমূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে জড়িত হয়ে পড়েন। রাজনৈতিক অঙ্গন তথা রাজনৈতিক নেতাদের ওপর মারাত্মক অত্যাচার নেমে এসেছিল। তুলনামূলকভাবে বিএনপি ও বিএনপিপন্থীরা চাপ ও অত্যাচারের শিকার হয়েছিল বেশি। তারপরও বলতে হয়, মধ্যম ও কনিষ্ঠ পর্যায়ের সেনা অফিসাররা প্রচুর পরিশ্রম করেছিলেন জাতীয় স্বার্থে। প্রথমদিকে তারা জনগণের প্রচুর প্রশংসা পান। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রশংসা কমে আসতে থাকে। সাধারণভাবে রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহল ১/১১-কে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছিল। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন, তাদের আন্দোলনের ফসল ১/১১-এর সরকার।
১/১১-এর দুই বছর
১/১১ সম্পর্কে জেনারেল মইন ইউ আহমেদের লেখা নিজের বইয়ে যে বিবরণ আছে, সেটাকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায়। সাক্ষ্যটা সম্পূর্ণ সত্য নাও হতে পারে। ক্রমান্বয়ে আরও সাক্ষ্য উপস্থাপিত হতেই থাকবে। ২৪ মার্চ ১৯৮২ জেনারেল এরশাদের মার্শাল ল’-এর মাধ্যমে অপসারিত হয়েছিল একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার। দলের নাম ছিল বিএনপি এবং রাষ্ট্রপতির নাম ছিল বিচারপতি আবদুস সাত্তার। ১১ জানুয়ারি ২০০৭ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়নি, কিন্তু সদ্য সাবেক রাজনৈতিক সরকার তথা বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে উৎখাত করা হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা (অর্থাৎ ১/১১) বিএনপির বিরুদ্ধেই বিপ্লব ছিল। ২৪ মার্চ ১৯৮২-এর পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদ স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি থেকে কোনো সহযোগিতা আশা করেননি। তাই কৌশলে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে সহযোগিতা নিয়ে ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচন করিয়েছিলেন।
উৎকণ্ঠিত কিন্তু দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশ
এখন অক্টোবর ২০১৩। অক্টোবর ২০০৬-এর কথা উপরের অনুচ্ছেদেই বললাম। এ মুহূর্তে আমাদের চিন্তা ও দুশ্চিন্তা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিয়ে। সাংবিধানিক সংকট নিয়ে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার বলছেন, তিনি বর্তমান সংবিধানের বাইরে যাবেন না এবং সংবিধানের ভেতরে থেকেই আগামী নির্বাচন করবেন বা করাবেন। অপরপক্ষে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের বক্তব্য হচ্ছে, আওয়ামী লীগের নিজস্ব সুবিধার জন্যই অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে যেন জিততে পারে সেই অন্তর্নিহিত লক্ষ্য সামনে রেখে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। বিরোধী দলের মতে, নিরপেক্ষ-নির্দলীয় সরকার ছাড়া নির্বাচনকালে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। অতএব, বিরোধী দল কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। এ মুহূর্তের সংকট কঠিন। সংকটের উৎপত্তি ২০১১ সালের জুন মাসে সংসদ কর্তৃক পঞ্চদশ সংশোধনী আনার মাধ্যমে। সংকট সৃষ্টিতে বর্তমান বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের কোনো ভূমিকা নেই। তারপরও বিরোধী শিবির যথাসম্ভব শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে সরকারকে বোঝাতে চেষ্টা করেছে যে, তাদের দাবি ন্যায্য এবং তা বাস্তবায়ন করা হোক। বিরোধী শিবিরের দাবিটা এমনই একটা দাবি যেটা মূলত ১৯৯৪-৯৬ সময়ে বর্তমান সরকারি দলেরই দাবি ছিল। এ প্রেক্ষাপটে মানুষ যখন উৎকণ্ঠিত, আতংকিত, তখন ১৮ অক্টোবর ২০১৩ প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং একটি প্রস্তাব দেন। ২১ অক্টোবর ২০১৩ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া একটি প্রস্তাব দিয়েছেন; তথা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের রূপরেখা দিয়েছেন। উভয় নেত্রীর প্রস্তাবের বিবরণ বা মূল্যায়ন আমি এখানে স্থানাভাবে করছি না। বিজ্ঞ পাঠক নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন কোন প্রস্তাবটি ভালো বা কোন প্রস্তাবটি মন্দ। পূর্ণাঙ্গ না হলেও আংশিকভাবে। অথবা দুটি প্রস্তাবের ভালো অংশ নিয়ে একটি তৃতীয় ভালো প্রস্তাব প্রস্তুত করা যায় কি-না সেটা ভেবে দেখা যেতে পারে।
উপসংহার
সবশেষে আমি এই কলামের শিরোনাম নিয়ে একটু কথা বলি। শিরোনামের শেষাংশ হচ্ছে উত্তর-দক্ষিণ পারস্পরিক দৃষ্টিপাত। উত্তর বলতে আমি ঢাকা মহানগরের উত্তর অংশকে বুঝিয়েছি। দক্ষিণ বলতে সেনানিবাস ছাড়া অবশিষ্ট ঢাকা মহানগরকে বুঝিয়েছি। প্রতীকী অর্থে বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের বা জনসমষ্টির মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক সম্পর্কের কথা, সহযোগিতার কথা, অসহযোগিতার কথা সবকিছুকেই বুঝিয়েছি। ১/১১-এর একদিন আগে, ১০ জানুয়ারি ২০০৭-এ প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠার অষ্টম কলামে একটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল। এতে ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তার পক্ষ থেকে দেশের বিদগ্ধ রাজনৈতিক সমাজের প্রতি একটি আবেদন ছিল। এ মুহূর্তে অবসরপ্রাপ্তরা কী চিন্তা করছেন জানি না, কিন্তু সমাজের সবাই যে উদ্বিগ্ন এটুকু জানি।
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 28
(28)
- সময়চিত্র- দুই নেত্রীর নিয়ত by আসিফ নজরুল
- রাজনীতি- পথের শেষ কোথায়, খালেদা জিয়া কি জানেন? b...
- গল্প- তান্নিরা তিন বোন by মীম নোশিন নাওয়াল খান
- ভারতের ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট প্রথমবারের মতো বাংলাদে...
- গ ল্প:- ছেলে আর মেয়ে by অ্যালিস মানরো অনুবাদ: শি...
- গল্প- একটি সাধারণ সংবাদ by শাহনাজ মুন্নী
- এসেছে নবান্ন আজ by অরুণ কুমার বিশ্বাস
- গল্প- উষ্টা by হরিশংকর জলদাস
- রম্য গল্প- এক দল এক দফা by আহসান হাবীব
- চারু শিল্প- বিশ্ব-পরিমণ্ডলে শিল্পাচার্য by আশীষ-উর...
- সাহিত্যে নোবেল ২০১৩ অ্যালিস মানরো- সরলতার ধোঁকা by...
- শাহবাগিরা লাপাত্তা! : এখন আর আসে না ‘প্রতিরোধের’ ঘ...
- শামসুর রাহমানের অগ্রন্থিত অনুবাদ কবিতা
- সহিংসতা পরিহার করে শান্তি বজায় রাখুন- ব্যাপক প্রা...
- পথের শেষ কোথায়, খালেদা জিয়া কি জানেন?
- শিল্পবর্জ্যে মৃতপ্রায় বংশী by পার্থ শঙ্কর সাহা
- কই আছে ঢাকার শতবর্ষী বৃক্ষরা
- নদী দূষণকারীর শাস্তি নেই
- দুই নেত্রীর নিয়ত
- শৃঙ্খলিত গণতন্ত্র by কাজী জেসিন
- সমঝোতা আর কত দূর by বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম
- আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় দুই নেত্রীর ফোনালাপ
- ‘এবার বাধা এলে উপড়ে ফেলবো’ by কাজী সুমন
- হরতালে সহিংসতা, নিহত ৫
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উত্তর-দক্ষিণ পারস্পরিক দৃষ্ট...
- রাষ্ট্রকে বিপন্ন করা চলবে না by মোহাম্মদ বেলায়েত হ...
- সংলাপ ও সংঘাত পাশাপাশি চলে না সংলাপে আসতেই হবে by ...
- ভারতে বছরে ৩০০ রেলকর্মী প্রাণ হারান
-
▼
Oct 28
(28)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment