বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ শহরের তালিকায় শীর্ষে টোকিও

পর্যটকদের চোখে পরিপূর্ণ শহরের সংজ্ঞা কী? জাদুঘর, ল্যান্ডমার্ক, সুস্বাদু খাবার ও সন্ধ্যার পর পানীয় উপভোগের স্থান – এসব পাওয়া যাক বা না যাক, বেড়ানোর সময় ভ্রমণপ্রেমীরা নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ঠিকই আশা করে।
ব্রিটিশ গবেষণা ও বিশ্লেষণধর্মী প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ২০১৯ সালের সেফ সিটিস ইনডেক্সে (এসসিআই) বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ৬০টি শহর জায়গা পেয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, অবকাঠামো ও ব্যক্তি নিরাপত্তার নিরিখে র্যাং কিং করা হয়েছে।
জাপানের টোকিও
তালিকায় শীর্ষে আছে জাপানের রাজধানী টোকিও। পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল নগরী এটি। ১০০ নম্বরের মধ্যে টোকিও পেয়েছে ৯২। ডিজিটাল নিরাপত্তার দিক দিয়ে এই শহর অতুলনীয়।
জাপানের আরেক নগরী ওসাকা রয়েছে তিনে। এর ঘরে এসেছে ৯০ দশমিক ৯ স্কোর। অবকাঠামো ও ব্যক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের সুবাদে দুই নম্বরে আছে সিঙ্গাপুর। এটি পেয়েছে ৯১ দশমিক ৫। এসসিআইয়ের ২০১৫ আর ২০১৭ সালের র্যাং কিংয়েও প্রথম তিনটি স্থানে ছিল এই শহরগুলো।
টোকিওতে সেলফি তুলছেন দুই ভ্রমণপ্রেমী
পর্যটকের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাওয়া আমস্টারডাম স্থান করে নিয়েছে চারে। ছবির মতো শহর কোপেনহেগেন আছে ৮ নম্বরে। এবারের শীর্ষ দশে ইউরোপীয় শহর কেবল এই দুটি।
সিঙ্গাপুর
নিরাপদ শহরের তালিকায় সেরা দশে আমেরিকার একমাত্র শহর ওয়াশিংটন ডিসির অবস্থান সাতে। শিকাগো আছে ১১ নম্বরে।
কোপেনহেগেন
এসসিআই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পর্যটকদের দৃষ্টিতে নিরাপত্তার ধরন অনেকখানি বদলেছে। তাই যেকোনও শহরের পরিবহন সুবিধা, বিপর্যয় বীমা, দুর্যোগ-ঝুঁকি উন্নয়ন ও সাইবার নিরাপত্তা প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ইনডেক্সে।
ওয়াশিংটন ডিসি
২০১৭ সালে ৯ নম্বরে থাকা হংকং এবার ছিটকে পড়েছে ২০ নম্বরে। কারণ গত কয়েক মাসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের কারণে সহিংসতায় ভ্রমণপ্রেমীদের উপস্থিতি কমেছে শহরটিতে।
জাপানের ওসাকা
ইনডেক্সের তলানিতে ৬০ নম্বরে আছে নাইজেরিয়ার লাগোস। শেষের দিকের জায়গা হজম করা অন্য চারটি শহর হলো ভেনেজুয়েলার কারাকাস, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন, পাকিস্তানের করাচি ও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।
২০১৯ সালের সবচেয়ে নিরাপদ ১০ শহর
১. টোকিও (জাপান)
২. সিঙ্গাপুর
৩. ওসাকা (জাপান)
৪. আমস্টারডাম (নেদারল্যান্ডস)
৫. সিডনি (অস্ট্রেলিয়া)
৬. টরন্টো (কানাডা)
৭. ওয়াশিংটন ডিসি (যুক্তরাষ্ট্র)
৮. কোপেনহেগেন (ডেনমার্ক)
৯. সিউল (দক্ষিণ কোরিয়া)
১০. মেলবোর্ন (অস্ট্রেলিয়া)
>>>সূত্র: সিএনএন ট্রাভেল

No comments

Powered by Blogger.