সড়ক ভবনে গুলি-টেন্ডারবাজি চলে দল বেঁধে, লম্বা হাত কর্মচারী কামালের

যোগাযোগ বিভাগের প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত সড়ক ভবন নিয়ন্ত্রণ করছেন সরকারদলীয় অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতা-কর্মী ও শ্রমিক নেতা। অফিস সহকারী ও শ্রমিক লীগ নেতা কামাল উদ্দিন খন্দকার, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শামীম শাহরিয়ার, যুবলীগ নেতা ফরিদ হোসেন সেন্টুসহ সরকারদলীয় কিছু নেতা-কর্মী নিয়ন্ত্রণ করেন কোটি কোটি টাকার টেন্ডার-বাণিজ্য।


অফিস স্থানান্তর করা হবে কি হবে না, তাও ঠিক করেন তাঁরা। নিজের সুবিধায় কোনো প্রতিবন্ধকতা এলে ভয়ংকর রূপ ধারণ করেন তাঁরা। গত মঙ্গলবার গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে কামাল উদ্দিনের স্বার্থে আঘাত ও নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই।
কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানকালে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবারের ঘটনার নায়ক কামাল উদ্দিন খন্দকার সড়ক বিভাগের একজন অফিস সহকারী হলেও বিস্তর ক্ষমতার মালিক। সব সরকারের আমলে সুবিধা গ্রহণ করে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবারের ঘটনার পর কামাল গ্রুপ সড়ক ভবন থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে শামীম-সেন্টু গ্রুপ।
এদিকে মঙ্গলবারের গোলাগুলির ঘটনায় ওই দিন রাতেই শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। ওই মামলায় আবুল কালাম আজাদ নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক শামীম শাহরিয়ার, যুবলীগ নেতা ফরিদ হোসেন সেন্টু ওরফে সাদা সেন্টু ও শাহিন গ্রুপ চাইছে সারা দেশের সব দরপত্র সড়ক ভবনেই জমা দেওয়া এবং গ্রহণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বড় বড় কাজের টেন্ডারের নিয়ন্ত্রণ সড়ক ভবনে রাখার লক্ষ্যেই তারা এমনটি চাইছে। এর বিরোধিতা করছে কামাল গ্রুপ। শামীম গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঠিকাদার ও শ্রমিক ইউনিয়নের অন্য গ্রুপগুলো। কয়েক দিন ধরে এ নিয়ে শীতল যুদ্ধ চলছে গ্রুপগুলোর মধ্যে। গত ৩ জুন সড়ক ভবনে এক সভায় বক্তব্য দেওয়া নিয়ে কয়েকজনের ওপর হামলা চালান কামাল উদ্দিন ও তাঁর সমর্থকরা। এ ছাড়া গত বছর বাতিল হয়ে যাওয়া ২৮২ কোটি টাকার কাজের কমিশনের টাকা নিয়েও বিরোধ ছিল শামীম গ্রুপ ও কামালের মধ্যে।
সূত্র জানায়, ২৮২ কোটি টাকার ১৬টি ঠিকাদারি কাজ পেয়েছিল কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এসব কাজ পাইয়ে দিতে মোটা অঙ্কের কমিশন নেয় কামাল, শামীম, সেন্টু ও শাহীন গ্রুপ। সেন্টু ও শামীম গ্রুপ দুটি কাজ নিজেরাই বাগিয়ে নেয়। বাকি কাজেও কমিশন নেয়। ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে ওই কাজগুলো বাতিল করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। বাতিল হওয়া কাজের কমিশনের কোটি কোটি টাকার ভাগ নিয়ে দুই পক্ষ এখন বিরোধী অবস্থানে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মোহাম্মদ আলী গতকাল বুধবার কালের কণ্ঠকে বলেন, 'গতকালই ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে দুটি আবেদন পাওয়া গেছে। আবেদনে সারা দেশের সব টেন্ডার ড্রপ ও গ্রহণের জন্য সড়ক ভবনে একটি ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়।' তিনি জানান, হাইকোর্টের মামলা ও রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক বিভাগের দুটি ভবন হাইকোর্টের দখলে চলে গেছে। এ কারণে অফিসবিন্যাস নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। তবে এ কারণেই সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে কোনো তথ্য তাঁদের কাছে নেই বলে দাবি করেন কাজী মোহাম্মদ আলী।
বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মাহফুজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা শুনছি। তবে আমরা এসবের সঙ্গে যুক্ত নই।'
বিএনপি সমর্থিত সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান ঝুমু বলেন, 'কামাল উদ্দিন সব সময়ই সুবিধা গ্রহণ করে সড়ক ভবনকে তাঁর কাছে জিম্মি করে ফেলে। বিএনপির আমলেও সে ছিল মহাক্ষমতাধর।'
ঘটনার দিনের বর্ণনা দিয়ে ঠিকাদার হুমায়ুন কবির টুটুল বলেন, 'সড়ক ভবনে নিয়ন্ত্রণ নিতেই ঘটনাটি ঘটনায় কামাল। ফোন করে আলাপ করে সে (কামাল) আসবে বলে জানায়। পরে হুমকি দেয়। গুলি করবে বলে মেসেজও পাঠায়।'
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কামাল উদ্দিন খন্দকার বর্তমানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঢাকা জোনের একজন অফিস সহকারী। মনিটরিং বিভাগের কর্মী কামাল দীর্ঘদিন ধরে প্রেষণে এ অফিসে কর্মরত।
নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে ফরিদ হোসেন সেন্টু বলেন, 'কামালের সম্পদের পাহাড় আছে। সন্ত্রাসী পালন করে ও।'
গতকাল এলেনবাড়ীতে বিআরটিএ অফিস ভবনের চার তলায় সড়ক ও জনপথের ঢাকা জোনাল অফিসে গিয়ে কামাল উদ্দিনের কক্ষটি তালাবদ্ধ দেখা যায়। সহকর্মীরা জানান, তিনি মঙ্গলবার অফিসে এলেও গতকাল আসেননি।
সড়ক ভবনের ঠিকাদার সবুজ মাহমুদ দাবি করেন, 'গুলি করে কামাল প্রমাণ করতে চেয়েছে সড়ক ভবনে তার প্রভাব আছে। নিজেকে নেতা বললেও সে আওয়ামী লীগের কেউ না। শুনেছি, সে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি কর্নেল রশীদের আত্মীয়।'
ঠিকাদার মো. শাহীন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, 'নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য কামাল চায় না ঢাকা জোনাল অফিস সড়ক ভবনে থাকুক। এ কারণেই সে এ হামলা চালিয়েছে।'
এক আসামি রিমান্ডে : শাহবাগ থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গুলিবর্ষণের ঘটনায় ওই দিন রাতেই তাদের থানায় একটি মামলা হয়। বাদী ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঠিকাদার শেখ গোলাম আজম মামুন। মামলায় কামাল উদ্দিন খন্দকার (৪৭), ফজলুর রহমান (৪৫), মো. রফিক উদ্দিন (৩৩), আবুল কালাম আজাদসহ (৪৫) ১৮-২০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এ মামলায় গতকাল ভোরে শ্যামলী এলাকা থেকে আসামি আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এম আবদুল জলিল বলেন, 'বুধবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে শ্যামলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবুল কালামকে গ্রেপ্তার করা হয়।' গতকাল মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করার পর আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আবদুল জলিল আরো বলেন, 'আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই সড়ক ভবনে গুলির ঘটনা ঘটে। বাদী ও বিবাদীপক্ষ একই গ্রুপে কাজ করত। অফিস স্থানান্তর ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের কারণেই এ বিরোধ সৃষ্টি হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গ্রেপ্তারকৃত আবুল কালাম আজাদ পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হামলায় অংশগ্রহণের কথা স্বীকার করেননি। তবে তিনি কামাল উদ্দিনের সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক বলে জানিয়েছেন।'
তদন্তেও অগ্রগতি নেই : সড়ক ভবনে গোলাগুলির ঘটনা তদন্তে ওই দিনই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে দুই দিনেও কমিটি সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য নিতে পারেনি। কমিটির প্রধান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মোহাম্মদ আলী গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'মঙ্গলবারই নোটিশ দিয়ে ঘটনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য দিতে বলা হয়। সাড়া মেলেনি। তাই আজ (বুধবার) নোটিশ দিয়ে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে কয়েকজনকে হাজির হতে বলা হয়েছে। আশা করি তিন দিনের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।' প্রাথমিকভাবে কী জানা গেছে বা অগ্রগতি কতটুকু? এমন প্রশ্নের উত্তরে কাজী মোহাম্মদ আলী বলেন, তদন্তাধীন বিষয় এখনই বলা যাবে না। তবে নিজস্ব গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে ঘটনাটি স্পর্শকাতর এবং অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত হচ্ছে।'
বিরোধের যত কারণ : জানা যায়, ঠিকাদার সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ সেন্টু ওরফে সাদা সেন্টু এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক শামীম শাহরিয়ারের সঙ্গেই ছিলেন কামাল উদ্দিন খন্দকার। তবে সম্প্রতি কয়েকটি ইস্যুতে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ে। সড়ক ও জনপথ বিভাগে চারটি শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন আছে। এ ছাড়া বিএসসি ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের আলাদা সংগঠন আছে। চারটি শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন হলো- বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ কর্মচারী ইউনিয়ন, বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ শ্রমিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ ইমপ্লয়ার্স ইউনিয়ন। কামাল উদ্দিন বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সংগঠনটি আওয়ামী লীগ সমর্থক। বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ শ্রমিক ইউনিয়ন বিএনপিপন্থী। অপর সংগঠন দুটি অরাজনৈতিক বলে দাবি করেন সংগঠনের নেতাদের। সড়ক ও জনপথ বিভাগে আলাদা কোনো সিবিএ নেই। তবে শ্রমিক লীগ সক্রিয়। শ্রমিক লীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন।
জানা গেছে, সড়ক ভবনের তিনটি ব্লকে জমির মালিকানা নিয়ে গত জানুয়ারি মাসে হাইকোর্ট একটি মামলা দায়ের করে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক রায়ের পর সড়ক ভবনের 'বি' এবং 'সি' ব্লক থেকে সড়ক ভবনের অফিস সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। ওই আদেশের পর 'বি' ব্লক, 'সি' ব্লক ও 'এ' ব্লকের দুটি কক্ষ ছেড়ে দেয় সড়ক বিভাগ। 'এ' ব্লকে প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থাকায় ওই অফিসের সঙ্গে সংযুক্ত বিভাগগুলো রেখে বাকি সব বিভাগ সরিয়ে নেওয়া হয়। ১২ ডিভিশন নিয়ে গঠিত ঢাকা জোনকে এলেনবাড়ীতে স্থানান্তর করা হয়।
সূত্র আরো জানায়, সড়ক বিভাগে কাজের ক্ষেত্রে ছোট রাস্তাগুলো এলজিইডিএর অনুকূলে। তিন কোটি টাকার ওপরের দরপত্র আহ্বান ও প্রদান করা হয় জোনাল অফিস থেকে। আর ১০ কোটি টাকার বেশি বড় প্রকল্প হলে দরপত্র আহ্বান ও প্রদান করা হয় প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে। এ কারণে অফিস স্থানান্তরের ফলে ঢাকার দরপত্র দাখিল, ক্রয় ও প্রদানের কাজগুলো ভাগ হয়ে গেছে।
এদিকে আদালতে মামলার শুনানি এবং এ ব্যাপারে করণীয় নিয়ে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেন গত ৩ জুন। অফিস স্থানান্তর এবং আদালতের আদেশের পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আলোচনা করতে বিএসসি ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের চারটি সংগঠনকে ডাকেন। ওই দিন বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ ইমপ্লয়ার্স ইউনিয়নের সভাপতি ইকবাল হোসেনের বক্তৃতা করার সময় তাঁকে বাধা দিয়ে নিজে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন কামাল। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে ইকবাল ও কয়েকজন প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত করে কামাল গ্রুপ। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ওই ঘটনার পর থেকে কামালের বিরোধীপক্ষ আরো সক্রিয় হয়। ফলে কামাল আর সড়ক ভবনে যেতে পারেননি।
কামালের সম্পদের পাহাড় : সেন্টুসহ কয়েকজন জানান, শ্রমিক লীগের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামালের বাবার নাম মৃত আব্দুল হাকিম খন্দকার। আদি বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে। তবে তাঁর পরিবার কুমিল্লার বরুড়া থানার মুদাফ্ফরগঞ্জের মানিকসার গ্রামে এখন বাড়ি করেছে। সেখানে ১০ কাঠা জমির ওপর রাজকীয় বাড়ি নির্মাণ করেছেন কামাল। ঢাকায় মিরপুর ২ নম্বর সেকশনের বড়বাগে এ/৫১/২ শেখ মঞ্জিলের তৃতীয় তলায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন তিনি। উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টর ও নিকুঞ্জ এলাকায় তাঁর দুটি প্লট আছে। মিরপুরের চিড়িয়াখানা রোডে ছয়তলা ভবন নির্মাণের কাজ করছেন কামাল। অফিস সহকারী কামাল ব্যক্তিগত রুপালি এঙ্ করোলা প্রাইভেট কারে চলাফেরা করেন। এ ছাড়া আছে তিনটি মাইক্রোবাস। এগুলো ভাড়ায় চলে। জানা যায়, মূলত ঠিকাদার কম্পানিকে কাজ পাইয়ে দিয়ে মোটা অঙ্কের কমিশন নেন কামাল।

No comments

Powered by Blogger.