সাক্ষাৎকার-মেলোডির সঙ্গে রাগের সমন্বয় ঘটিয়েছি

কতারা মাল্টিমিডিয়া প্রডাকশনের ব্যানারে ঈদে প্রকাশিত হয়েছে মমতাজের একক ভিডিও অ্যালবাম 'বাটিচালান'। অ্যালবামের সব গানের সুর ও সংগীত করেছেন আলাউদ্দিন আলী। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন রবিউল ইসলাম জীবন
প্রথমবারের মতো মমতাজের পুরো অ্যালবাম করলেন। অনুভূতি কেমন?চলচ্চিত্রের জন্য মমতাজের বেশ কিছু গান করেছি। একক অ্যালবাম এবারই করলাম। অনেক যত্ন নিয়ে তিনি গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন। পুরো কাজটি করার অভিজ্ঞতা অনেক মজার।কেমন সাড়া পেয়েছেন?


দারুণ সাড়া পেয়েছি। অনেকে গানগুলো সম্পর্কে নিজেদের ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়েছেন। মনে হয়েছে, আমাদের পরিশ্রম কাজে লেগেছে। সরাসরি ভিডিও আকারে বের করায় সবার অভিমতটাও জানা গেছে ভালো। ভিডিওগুলো পরিচালনা করেছে আমার ছেলে শওকত আলী রানা। আর অ্যালবামটির পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য আমার ব্যবসায়ী বন্ধু মান্নান ও মাসুদকে জানাই ধন্যবাদ।
এবার গানগুলো নিয়ে বলুন।
অ্যালবামটিতে গান রয়েছে ১০টি। কথা লিখেছেন জিয়া আহমেদ শেলী। সংগীতায়োজনে ফোয়াদ নাসের বাবু। গানগুলোর শিরোনাম 'বাটিচালান', 'দুখের দুনিয়াদারি, 'কেমন জানি লাগে', 'কাফন হইব জামা', 'কেন জনম দিলা', 'মুখে বুকে বাংলাদেশ', 'পিতলা পরান', 'আমরা উপাস রই', 'কাঁদি যে বৃথা' ও 'মইরা গেলে হায়রে'। আমি সাধারণত মেলোডিপ্রধান সুর করতেই পছন্দ করি। এ অ্যালবামে মেলোডির সঙ্গে রাগের সমন্ব্বয় ঘটিয়েছি।
একতারা মাল্টিমিডিয়া প্রডাকশন তো আপনার নিজেরই?
হ্যাঁ, কিছুদিন হলো এখান থেকে কাজ শুরু করেছি। তিনটি অ্যালবামের পাশাপাশি এখন থেকে আমরা টিভি অনুষ্ঠানও করছি। সামনে ১৩ পর্বের একটি 'ধারাবাহিক' নাটকের কাজ করব। মানসম্মত হলে বাইরের কাজও আমরা নেব।
আপনি তো 'এলসিএস গিল্ড'-এর সভাপতি, সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে বলুন।
আমরা যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছি, এর কিছুটা সফল হয়েছে। আমাদের গান এখন বৈধভাবে আপলোড হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য অনেক সুখের। আবার আমাদের অনেক গান এখনো অবৈধভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেগুলো যেন দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়, আমরা সে জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
অডিও বাজারের অবস্থা ভালো নয়, এর কারণ কী বলে আপনি মনে করেন?
প্রযুক্তির অবৈধ ব্যবহার হলেও বাড়ি বাড়ি গিয়ে তো আর তা রোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য আইন প্রয়োগ করে এর বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজন সবার সতর্কতা এবং আন্তরিকতাও।

No comments

Powered by Blogger.