টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-এমন এমপি চাই না

গ্রন্থনা করেছেন একরামুল হক শামীম পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের সাংসদ গোলাম মাওলা রনির বেপরোয়া কর্মকাণ্ড ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ আর তার নিজস্ব বাহিনীর টেন্ডারবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকার সাধারণ মানুষ।
এ নিয়ে সমকালে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য গ্রহণ  করা হয়েছে।


গ্রন্থনা করেছেন একরামুল হক শামীম



মোঃ সানাউল্লাহ
চাকরিজীবী, দশমিনা, পটুয়াখালী
আমার দাবি, যেন অবিলম্বে রনিকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাকে যত দ্রুত সরানো হবে আওয়ামী লীগের জন্য ততই ভালো হবে, আমাদের এলাকার জন্যও ভালো হবে। এলাকার মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে নৌকা ও শেখ হাসিনার কথা ভেবে। তার মতো এমপি আমরা চাই না।
রজত চৌধুরী
ব্যবসায়ী, সিলেট
রনির মতো সন্ত্রাসী, গুণ্ডাদের যেন আওয়ামী লীগ আগামীতে নমিনেশন না দেয়। পাশাপাশি আগামীতে ক্ষমতায় যেতে চাইলে আওয়ামী লীগ যেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণ ক্ষুব্ধ।

ইকবাল মাহমুদ মোশাররফ
চাকরিজীবী, দশমিনা, পটুয়াখালী
রনি সম্পর্কে যে তথ্যগুলো এসেছে তার সঙ্গে আমি আরও কিছু যোগ করতে চাই। আমাদের এলাকা চরহাজী মৌজার কিছু ভূমি আছে যেগুলো সেটেলমেন্ট হয়েছে সেগুলো ভূমি অধিদফতরের অনুমতি ছাড়াই এলাকার মেম্বার রনির সমর্থনে স্থানীয়ভাবে মেপে দিয়েছে এবং প্রতিজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে।

আতিয়ার রহমান আকাশ
ব্যবসায়ী, মধুখালী, ফরিদপুর
এ রকম রনি অনেক আছে। তাদের ব্যাপারেও ফলোআপ জরুরি।

মোঃ কামাল হোসেন
ব্যবসায়ী, মিরপুর, ঢাকা
আমার মনে হয় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত। তিনি দলের সাংসদ হয়ে দলের বিরুদ্ধে কথা বলেই চলেছেন।

হারুনুর রশিদ
ব্যবসায়ী, মধুপুর, টাঙ্গাইল
আওয়ামী লীগ এমন একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল, যে দলের ওপর নির্ভর করে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে সুনামের সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছেন তখন পটুয়াখালী-৩ আসনের এমপির এ ধরনের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
হারুন
ব্যবসায়ী, কুমিল্লা
এমপি রনির নামে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় খুব ভালো কাজ হয়েছে। সরকারের জন্য এটি সতর্ক সংকেত। সরকারকে বলব, দলের এমপিরা যেভাবে চাঁদাবাজি চালাচ্ছেন তাতে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। তা না করে বিরোধী দলের প্রতি দমন-পীড়ন চালাচ্ছে সরকারি দল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, গলাচিপা, পটুয়াখালী
আমি ১৯৯১ সাল থেকে ছাত্রলীগ করছি, অথচ এমপি রনির কারণে এখন আমাকে হেনস্থা হতে হচ্ছে। আমি জানি এমপি সাহেবের আপন ভগি্নপতি মকবুল খান আওয়ামী লীগের অফিসে আগুন দিয়েছিলেন। গোলাম মাওলা রনির পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এমপি রনি ২০০৯ সালে প্রকাশ্যে মাইকে ঘোষণা করে একটি খেয়া ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ তার স্ত্রী সেই খেয়ার ইজারা পাননি। এ ব্যাপারে গলাচিপা থানায় একটি মামলাও রয়েছে।
মনজিলা খান
চাকরিজীবী, আটঘরিয়া, পাবনা
আওয়ামী লীগের ওবায়দুল কাদের সাহেব প্রায়ই হাইব্রিড নেতাদের কথা বলেন। আওয়ামী লীগ এখন হাইব্রিড নেতায় ভরে গেছে। বিএনপি-জামায়াত সরকারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু এখন জনগণ কী দেখছে? যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা তো ঠিকই আছে। সমকাল পাবনার ডিলুর ঘটনা তুলে ধরল। প্রধানমন্ত্রী কী পানিশমেন্ট দিলেন? বরং এসব রিপোর্ট প্রকাশের পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

সিজান
শিক্ষার্থী, গলাচিপা, পটুয়াখালী
রনি সম্পর্কে পড়লাম। কিন্তু গলাচিপার মানুষ এর চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট ভোগ করছে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব তিনি যেন রনিকে আর নমিনেশন না দেন।

মোঃ নাসিরুদ্দিন
চাকরিজীবী, মানিকগঞ্জ
এমপিদের পাশাপাশি মন্ত্রীদের কার্যকলাপও আমলনামায় দেখার আশা করছি।

মোঃ সায়েম চৌধুরী
চাকরিজীবী, গলাচিপা, পটুয়াখালী
পত্রিকায় উলি্লখিত অভিযোগগুলোর মধ্যে সবই কমবেশি সত্য বলে মনে হয়। তাছাড়া সাংসদ রনি এলাকার উন্নয়নে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছেন তার মধ্যে উত্তম গণতান্ত্রিক পরিকল্পনা আছে কি-না তাও বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তার ভাই মামুন ও শ্যালক মকবুল খান সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, কমিশন বাণিজ্য করছে বলে যে অভিযোগ আমরা পত্রিকায় পড়েছি তাতে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

দেবাশীষ বিশ্বাস
শিক্ষার্থী, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর
জড়িতদের আইনানুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, যেখানে গোলাম মাওলা রনির কোনো তদবির থাকবে না।

সাইদুর রহমান
চাকরিজীবী, ঢাকা, স্থানীয় বাড়ি গলাচিপা
রনি এলাকায় আওয়ামী লীগ বলে কিছু রাখেননি। এলাকার আওয়ামী লীগ শেষ করে এখন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগকে বিতর্কিত করতে দলের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, গলাচিপা, পটুয়াখালী
রনি যা বলেন তা তিনি করেন না, আবার যা করেন তা বলেন না। এটাই তার চিরাচরিত নিয়ম।

মোস্তফা কামাল
সমাজসেবক, কুমিল্লা
রনি সাহেব একসময় আমার বন্ধু ছিলেন। তাকে ভালোই জানতাম। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর খুশি হয়েছিলাম। দুঃখ লাগছে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন পড়ে। আশা করছি তিনি নিজের ভুল বুঝতে পারবেন এবং নিজেকে শুধরে নেবেন।

মাসুদ মৃধা
অর্থ সম্পাদক, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ
আমরা নির্বাচনের পর একদিনও পার্টি অফিসে বসতে পারিনি, এমপি রনি আমাদের বসতে দেননি। তার বহিষ্কার চাই।

নাজিম উদ্দিন শোভা
শিক্ষক, টাঙ্গাইল
শুধু রনি নয়, এ রকম আরও এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান রয়েছেন, যাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

মোঃ হোসেন
ব্যবসায়ী, গলাচিপা, পটুয়াখালী
রনির বিরুদ্ধে অনেক আগেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। তার কারণে গলাচিপায় আওয়ামী লীগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

কামরুল ইসলাম
চাকরিজীবী, তেজগাঁও, ঢাকা
রনির বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তিনি তার কাজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িত করছেন।

সঞ্জয় কুমার দাশ
সাবেক সভাপতি, দশমিনা উপজেলা যুবলীগ, পটুয়াখালী
এই লোক নমিনেশন কীভাবে পেয়েছেন জানি না। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের লোক তার কাছে গেলে তিনি ঝামেলা মনে করেন।

মোঃ সাইফুল ইসলাম
ব্যবসায়ী, দশমিনা, পটুয়াখালী
এমপি রনির কারণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ তিন ভাগে বিভক্ত। এখন আওয়ামী লীগ করতে কষ্ট হয়। আওয়ামী লীগ থেকে যেন রনি সাহেবকে আর নমিনেশন দেওয়া না হয়।

সোহরাব হোসেন
শিক্ষার্থী, ফেনী সরকারি কলেজ, ফেনী
এমপি রনির মতো বিতর্কিত ব্যক্তি যারা দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত।

মোঃ আবদুল কুদ্দুস
শিক্ষার্থী, সৈয়দপুর, নীলফামারী
গোলাম মাওলা রনি আওয়ামী লীগে থেকে যেভাবে দুর্নীতি চালাচ্ছেন তাতে সরকারের জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে। দুর্নীতির কারণে পদ্মা সেতুর কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে দুর্নীতি চলতে থাকলে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে।

শেখ মিলন
ছাত্রলীগ কর্মী, ঝালকাঠি
এমপি রনি আমাদের নেত্রীর তৈরি। তিনি যখন কারও বিরুদ্ধে কিছু বলেন তখন তার উচিত নিজের কর্মকাণ্ডের দিকে তাকানো। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে রনির মতো এমপিদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

মোঃ জামিল হোসেন
শিক্ষার্থী, তারাগঞ্জ, রংপুর
মন্ত্রী থেকে শুরু করে এমপিরা যদি দুর্নীতি করে তাহলে দেশের উন্নতি কীভাবে হবে? রনির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

গোলাম মোস্তফা খান
সভাপতি, তালতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, গলাচিপা
আমরা এত ভোটের ব্যবধানে তাকে এমপি বানালাম অথচ তিনি এখন এলাকার প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতাদের অপমান করে চলেছেন। রনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের যেভাবে অবহেলা করছেন তাতে সামনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বই থাকবে বলে মনে হয় না। তিনি পার্টির গলাচিপা উপজেলা অফিসে বলেছেন, ২ কোটি টাকা দিয়ে মনোনয়ন নিয়েছেন, এই টাকা উঠাতে হবে। সংসদে কেন কথা বলেন না_ এ প্রশ্নে তিনি বলেছেন, সংসদে কথা বলতে হলে হুইপদের টাকা দিতে হয়। এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। তার কারণে এলাকায় আওয়ামী লীগের কোনো সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নেই।

মোঃ দেলোয়ার হোসেন
ব্যবসায়ী, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
রনি সাহেব সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য দিতে চাই। অন্যায় করার কারণে তার চাকরি চলে যায়। তৎকালীন জয়েন্ট সেক্রেটারি ফজলু সাহেবের বাসায় তিনি একসময় লজিং থাকতেন। সেই পরিচয় সূত্রে তিনি ফজলু সাহেবকে ব্যবসার প্রস্তাব দেন। ফজলু সাহেবের স্ত্রী ও রনি মিলে তখন সেবোল্ট অ্যাডজাস্টার নামে একটি সার্ভে ফার্ম করেন। পরে ফজলু সাহেবকে বের করে দেন। এক সময় রনি সাহেব ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

অনীক
ছাত্রলীগ কর্মী, গলাচিপা, পটুয়াখালী
আমরা এমপি রনির বহিষ্কার চাই। পটুয়াখালী-৩ আসনের এমপি হিসেবে তাকে আমরা চাই না।

সাজিদ আল আহসান
সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী, দশমিনা, পটুয়াখালী
ছাত্রলীগ করার কারণে একসময় গোলাম মাওলা রনির শ্যালক মকবুল খান আমাদের নির্মমভাবে নির্যাতন করে গলাচিপা ছাড়তে বাধ্য করেছিল। গলাচিপায় রনির কর্মকাণ্ড, পাবনায় ডিলুর কর্মকাণ্ড সরকারের জন্য অশনিসংকেত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, তিনি যেন যারা প্রকৃত দল করে তাদের কথা বেশি গুরুত্ব দেন। রনিরা আওয়ামী লীগে থাকবে না। তারা আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করে দুর্নীতি করে প্রচুর টাকা আয় করেছে। এখন নিরীহ মানুষের ভূমি দখলে নেমেছে। আমরা তাদের শাস্তি চাই।

এমবি রায়হান
শিক্ষার্থী, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ
দেশের সর্বত্র একই অনিয়মের চিত্র। এমপি রনি একাই সব খেতে চান। এ কারণেই দলের অন্যরা ক্ষুব্ধ।

হারুনুর রশিদ
চেয়ারম্যান, গলাচিপা উপজেলা পরিষদ, পটুয়াখালী
সমকালকে ধন্যবাদ প্রতিবেদনটি প্রকাশের জন্য। এমপি রনির আরও অনেক অনিয়ম রয়েছে। যেভাবে চলছে, তাতে দলের সর্বনাশ হবে। সংসদীয় কমিটি তার এমপি পদ বাতিলের জন্য নোটিশ করবে, এটাই আশা করি।

হোসেন কবির
ব্যবসায়ী, ফকিরাপুল, ঢাকা
চট্টগ্রামের একজন নারী এমপি সম্পর্কেও গোলাম মাওলা রনির মতো অভিযোগ রয়েছে।

শাহরিয়ার কামরুল
শিক্ষার্থী, গলাচিপা, পটুয়াখালী
তিনি এমপি হওয়ার পর মিথ্যা মামলায় আমাকে ১৮ দিন জেল খাটতে হয়েছে। তার কারণে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছি ৪ বার। গলাচিপায় চলছে 'রনি লীগ'।

এমজেকে শাহজাহান
শিক্ষার্থী, সুরমা মার্কেট, সিলেট
এমপি রনি টিভি টক শোতে সুন্দর কথা বলেন কিন্তু সমকালের প্রতিবেদন থেকে বুঝতে পারলাম কথায় আর কাজে মিল নেই। কথায় বলে, 'চোরের মার বড় গলা'। প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা করি।

কাজী আজাদ
সাংবাদিক, বরিশাল
দেশের পারিবারিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারার কারণেই এমনটি ঘটতে পেরেছে। এর লাগাম টেনে ধরতেই হবে।

সৈয়দ আলম টিপু
অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা
প্রতিবেদনটি যথাযথ। অপকর্মের জন্য তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে পুনর্নির্বাচন দিতে হবে।

মুহাম্মদ হায়দার রশীদ
ব্যবসায়ী, দশমিনা, পটুয়াখালী
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তার পক্ষে ছিলাম। তিনি সে সময় দলে যুক্ত ছিলেন না। এমপি হয়েও দলের সঙ্গে নেই। তিনি দশমিনা আওয়ামী লীগকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। এমপি তো দূরের কথা, এখন তিনি ইউপিতেও নির্বাচিত হতে পারবেন না।


হাবিবুর রহমান স্বপন
চাকরিজীবী, মানিকগঞ্জ
তিনি একজন বিতর্কিত সংসদ সদস্য। নিজের দুর্নীতি, সন্ত্রাস, অপকর্ম আড়াল করার জন্য মিডিয়াতে অন্যের নামে সমালোচনা করেন। বিভিন্ন সময় তার অপকর্ম পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় তিনি সংবাদপত্রের ওপর ভীষণ ক্ষুব্ধ। বেশ কয়েকটি পত্রিকার বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছেন। আমরা চাই সরকারদলীয় এমপির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার তদন্ত হোক এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।


শরিফুল ইসলাম
চাকরিজীবী, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ
এমন বিতর্কিত ব্যক্তিদের কারণেই আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এ ধরনের বসন্তের কোকিলরা যাতে ভবিষ্যতে দলে আসতে না পারে সে জন্য সতর্ক থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এখন তাকে 'মীরজাফর' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু নমিনেশন দেওয়ার আগে এসব খোঁজ নেওয়া উচিত ছিল। স্পষ্টতই দলের সিদ্ধান্ত ছিল ভুল। এ ধরনের বিতর্কিতদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
 

No comments

Powered by Blogger.