Sunday, December 30, 2012
২০১৪ সালে পরিবর্তন দিয়ে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরুঃ ড. কামাল by মাহমুদ মেনন ও আশরাফুল ইসলাম
২০১৪ সালে পরিবর্তন দিয়ে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরুঃ ড. কামাল by মাহমুদ মেনন ও আশরাফুল ইসলাম
চলমান রাজনৈতিক টানাপোড়েন থেকে দেশ ২০১৪ সালে মুক্তি পাবে বলেই মনে করছেন বিশিষ্ট আইনজীবী সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেছেন, সামনে আরও ১২ মাস সময় আছে এই সময়ের মধ্যেই এ নিয়ে কাজ করা হবে।
সারাদেশ থেকে ভালো মানুষগুলোকে খুঁজে বের করতে হবে।
মানুষ এখন পরিবর্তন চায় বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের পর প্রধানমন্ত্রীসহ অনেককেই দেশের মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চাইবে না।
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও চলমান রাজনীতি’ শীর্ষক অনলাইন সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বুঝতে হবে তিনি গণতন্ত্রের সেবক, জনগণের
সেবক। তিনি যদি সেটা বুঝতে না পারেন তা হলে তখন সেটা আমাদের বোঝানোর
দায়িত্ব নিতে হবে।
প্রয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের আগের মতো আবারও জনগণের ঘরেঘরে গিয়ে জনমত গঠন করা হবে বলেও ঘোষণা দেন ড. কামাল।
তিনি বলেন, ষাটের দশকের তরুণদের কাছে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর
আচরণ গা-সওয়া হয়নি বলেই তারা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলেন। তাই এখন আমাদের
গা-সওয়া হলে চলবে না। আমাদেরও রুখে দাঁড়াতে হবে।
রাজনীতিতে পুলিশ বাহিনীকে নিকৃষ্টভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে মত দিয়ে ড. কামাল বলেন, পুলিশকে রুগ্ন রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করতে হবে। তাদের জনগণের বন্ধু করতে হবে।
রাজনীতিতে পুলিশ বাহিনীকে নিকৃষ্টভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে মত দিয়ে ড. কামাল বলেন, পুলিশকে রুগ্ন রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করতে হবে। তাদের জনগণের বন্ধু করতে হবে।
নিরপেক্ষ, দলীয়করণমুক্ত কোনো দল আমরা দেখতে পাইনি।
সুপ্রিমকোর্ট আরও দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার সুযোগ
রেখেছিলেন, নির্দেশনা দিয়েছিলেন কিন্তু সে নির্দেশনা না মেনেই সরকার মাত্র
১০ মিনিটে একটি সাংবিধানিক ব্যবস্থা বাতিল করেছে। যা হতে পারে না--- অভিমত
ড. কামালের।
ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘‘নতুন বছরের প্রাক্কালে-বিজয়ের মাসের শেষে আমরা
একটা পরিবর্তন চাই। যেখানে নাগরিকদের ভূমিকা থাকবে। রুগ্ন রাজনীতির
নেতিবাচক প্রভাবের বদলে একটি সুস্থ রাজনীতি হবে। যে রাজনীতির জন্য আমরা
অতীতে বহির্বিশ্বে অনেক সম্মান পেয়েছি।’’
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পর আমাদের দেশ গরীব ছিলো। তারপরও
বিদেশে গিয়ে অনেক সম্মান পেয়েছি। তারা আমাদের বলেছে, তোমরা স্বাধীনতার
জন্য, ন্যায় ও সত্যের জন্য প্রাণ দিয়েছ।’’
ড. কামাল বলেন, ‘‘আমার মনে হয় না সরকারপ্রধান রাতে ভালো ঘুমান। কারণ
একজন প্রধানমন্ত্রী সফল হলে ১৬ কোটি মানুষ সফল হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর
আশপাশে যারা থাকেন তারা তাকে ভালো করতে দেন না।’’
‘১৫ আগস্ট আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিলো’ উল্লেখ
করে তিনি বলেন, ‘যারা জীবন দিয়ে গেছেন তারা কিসের জন্য দিয়েছেন? সেটা
আমাদের বুঝতে হবে। দীর্ঘ সময় আমরা পরাধীনতার গ্লানি ভোগ করেছি। এখনো আমরা
সেই গ্লানি থেকে মুক্ত হতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’’
‘বর্তমান সরকারের কাছে অনেক প্রত্যাশা ছিলো কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ
হয়নি’ বলে উল্লেখ করে ড. কামাল বলেন, ‘‘বিএনপিতেও মুক্তিযোদ্ধা আছে এটা আমি
স্বীকার করি। দেশের স্বাধীনতার জন্য মূল যে রাজনৈতিক শক্তি কাজ করেছে সেই
দল (আওয়ামী লীগ) যখন এবার জনগণের সমর্থন অর্জন করে তখন কি আশা ছিলো আর কি
আনন্দ পেয়েছিলাম তা বোঝানো যাবে না। আশা ছিলো, দেশে সুশাসন ফিরে আসবে।
কিন্তু সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।’’

‘১৫ আগস্টে সপরিবারে জাতির জনকের হত্যাকাণ্ডের সময় কোথায় ছিলেন’—তাকে
ইঙ্গিত করে করা এহেন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জানিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন,
‘‘পনের আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সময় আমি দেশের বাইরে ছিলাম। শেখ হাসিনার সঙ্গে
দেখা করতে আমি জার্মানির বনে ছুটে গিয়েছিলাম। আমার ভুমিকা কি ছিলো তা শেখ
হাসিনাই বলুন। আমি মনে করি সেই ঘটনা (বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড) দেশের
স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আঘাত। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর জুলফিকার আলী ভুট্টো
কেবিনেট বৈঠক ডেকেছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে মুসলিম রিপাবলিক
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন।’’
’৭৫-র পরবর্তী সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘৭২’র সংবিধানকে ফিরিয়ে
আনতেও কম জীবন দিতে হয়নি। কাদের সিদ্দিকীর বাহিনীরই ৮০০ মানুষ জীবন
দিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা সেজে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হয়েছে। অনেক
মুক্তিযোদ্ধাকে জেলবন্দি করা হয়। জেলে বিনা বিচারে ও গোপন বিচারের হাজার
হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে। এসব ভুলে গেলে চলবে না।’’
জাতির জনকের সান্নিধ্য পাওয়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধু
আমাকে বলেছিলেন, জীবনে অনেক খ্যাতি-অর্থ অর্জন করতে পারবে কিন্তু জনগণের
সেবা করার চেয়ে বেশি গৌরব আর কিছুতে নেই। হাজার কোটি টাকাও তার চেয়ে বেশি
কিছু নয়।’’
পাকিস্তান আমলের অপশাসনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘১৯৪৬ সনের ভোটে
বাঙালিরা পাকিস্তানকে ৫০ ভাগ ভোট দিয়েছিলাম, আশা ছিলো আমাদের অধিকার পাবো।
কিন্তু যখনই আমাদের ভাষার উপর আঘাত এলো, অশ্রদ্ধা দেখালো-আমরা একবাক্যে
‘নো’ বলার শক্তি দেখিয়েছি। এ শক্তি প্রদর্শন করতে পেরে আমরা গর্ববোধ করি।’’
রাজধানীতে ৪০-৫০ ভাগ মানুষের বাসস্থান নেই, মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁইন নেই
উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘যারা দেশের জন্য জীবন দিয়ে গেছে-তারা কি এটা
চেয়েছিলো? রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বস্তি উচ্ছেদ করার পর আমি সেখানে গেলে এক
প্রবীণা নারী আমাকে বলেন, আমার স্বামী বঙ্গবন্ধুকে জেল থেকে মুক্ত করে
আনতে সংগ্রাম করেছে। আর আওয়ামী লীগের লোকজনই আমাদের উচ্ছেদ করে। এটা কি
আমরা চেয়েছিলাম?’’
নাগরিকদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেওয়া প্রসঙ্গে ড. কামাল বলেন, “কোনো দলের ৭৫
ভাগ মেজরিটি থাকলেই কি সেই ক্ষমতাসীন দলের সমলোচনা করা যাবে না? যে
সমালোচনা করবে তাকেই দেশদ্রোহী বলা শুরু করবে তারা। এটা যেন রাজা-রাণীর
দেশ! সামন্তপ্রভুর রাজত্বে এমনটা ঘটে, গণতন্ত্রে তো এটা চলতে পারে না!
জনগণই এ দেশের ক্ষমতার মালিক। সরকারের কাজের, অন্যায়ের, ভুলের সমালোচনা
করা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। যারা নাক উঁচু করে জানতে চান, ‘নাগরিক সমাজ
কারা?’, তাদের বলতে চাই প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সকল জনপ্রতিনিধি
জনগণের সেবক। আর এটা বলা যদি দেশদ্রোহিতা হয় তাহলে আমি এ কথা বলে গর্ববোধ
করি।’
‘দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না বা দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্তই
সব’-১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের এমন সিদ্ধান্ত প্রকৃত গণতন্ত্র কিনা
বাংলানিউজের কনসালট্যান্ট এডিটর জুয়েল মাজহারের এমন প্রশ্নের জবাবে কামাল
হোসেন বলেন, ‘‘এ প্রশ্নটি আমার জীবনের বড় পুরস্কার। কারণ এ প্রশ্নেই আমি
আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছেড়েছি। আমি দীর্ঘ চিঠি লিখে সেই সময়ে আমার সিদ্ধান্ত
জানিয়েছিলাম।”
সমসাময়িক প্রসঙ্গ টেনে ড. কামাল বলেন, ‘‘দেশে উপর তলায় যারা আছেন, তারাই
দেশের সম্পদ পাচার করছেন। আর প্রবাসীরা মাথার ঘাম ফেলে টাকা উপার্জন করছেন
তারা দেশে টাকা পাঠাচ্ছেন।’’
শেয়ারবাজার থেকে লাখো সাধারণ মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট কারীদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া, পদ্মাসেতু নিয়ে দুর্নীতি, হলমার্কসহ
সাম্প্রতিক অর্থকেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘এতো সব ঘটনা
ঘটছে-কিন্তু এসবের তদন্ত হচ্ছে না কেনো? আর এসব ঘটনায় কত আত্মহত্যার ঘটনা
ঘটছে। এসব বিষয় গা সওয়া হয়ে গেছে মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে গা সওয়া হয়নি। আর
তাই ২০১৪-তে একটি পরিবর্তন এনে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে। নির্বাচনের
মধ্য দিয়েই জনগণ সে পরিবর্তন আনবে।”
“সামনে ১২ মাস আছে। এ সময়ের মধ্যে অন্তত নয় মাসের মধ্যে রাজধানী ঢাকাতে ২০ জন লোক কি আমরা বের করতে পারবো না?’’ প্রশ্ন ড. কামালের।
এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘‘গত নির্বাচনে আমি যাকে ভোট দিয়েছি, তাকে আর
আমি ভোট দেবো না। যাকে বিশ্বস্ত মনে করতে পারি তাকে ভোট দেবো। আর এ
প্রক্রিয়া তিন মাস আগে শুরু করলে হবে না। আজ থেকেই শুরু করতে হবে।‘’
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামা ও
বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইভীর জয়ের উদাহরণ টেনে
ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘‘সাবেক ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিনটনের বিপরীতে
ওবামার বিজয় কিংবা নারায়ণগঞ্জে আইভীর জয় কেউ ভাবতেও পারেনি। তবে আমি মনে
করি ৭০-এর নির্বাচনেও এমনি সাফল্য এসেছিলো। ২০১৪ সালের এমন একটি পরিবর্তন
আসতে পারে।”
তিনি বলেন, “৭০-এ বঙ্গবন্ধু আমাকে চিফ ইলেকশন ইনচার্জ করেছিলেন। হাজার
খানেক ভলান্টিয়ার আর কাগজ-কাঠপেন্সিল নিয়ে কার্বন পেপার দিয়ে কপি করে ভোটার
তালিকার কপি হাতে নিয়ে প্রচারণা শুরু করেছিলাম। রাজধানীতে এমন কোনো বাড়ি
ছিলো না যেখানে যাইনি। মানুষের মধ্যে একটি অভূতপূর্ব সাড়া এসেছিলো। যার ফল
আমরা নির্বাচনে পেয়েছিলাম।’’
“আজ বাঁচতে হলে দেশকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে,’’ মত ড. কামালের।
প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘২০১৪ সালের পরে
প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর বিদায় দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রীকে আমি
শ্রদ্ধা করি। কিন্তু তিনি সুযোগ পেয়ে যা করেছেন, সেজন্য সুযোগ হারিয়েছেন।’’
পদ্মাসেতুর দুর্নীতি প্রসঙ্গে ড. কামাল বলেন, ‘‘পদ্মাসেতুর কেলেঙ্কারির
পর একজন মন্ত্রী পদত্যাগ করলেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে কেন প্যাট্রিয়ট বলেছেন?
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের বিরুদ্ধে এজাহার হলো, তিনি
গ্রেপ্তার হলেন। আমি তো মনে করি, সেক্রেটারির উপরে মন্ত্রী, তার উপরে আরও
প্রধানরা যুক্ত থাকেন। এটা সংবিধানের কথা। তারা কেউ এ ঘটনায় দায় এড়াতে
পারেন না।’’
পুলিশ বাহিনীর প্রসঙ্গে কামাল হোসেন বলেন, ‘‘১৮৬১ সালের পুলিশ আইন
একবিংশ শতাব্দিতেও চলছে। এটি বদলাতে হবে। পুলিশকে টাকা দিয়ে
পোস্টিং-পদোন্নতি নিতে হয়। পুরনো সরকারের সময়কার অনেক পুলিশ সদস্যকে বিদায়
করে দেওয়া হয়। আমি নিজে এমন অনেককে আইনিভাবে পুনর্বহাল করেছি। তারা আমাকে
বলেছে, কিভাবে মন্ত্রীরা ঘুষ নেন। পুলিশকে রাজনীতিবিদরা যারা কুকর্ম করে
তাদের খুশি করতে বাধ্য করে। তাই পুলিশকে জনগণের বন্ধু করতে হবে। তাদের
মুক্ত করতে হবে।’’
আগামি জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে এই সংবিধান প্রণেতা বলেন, ‘‘আমাদের বিবেক
ও সংবিধান থেকে দিকনির্দেশনা নিতে চাই। দেশটা কোনো গোষ্ঠি বা পরিবারের নয়।
সৎ ভাব নির্ভয়ে কাজ করবে, প্রয়োজনে ঝুঁকি নেবে-এমন লোক প্রয়োজন। সারা দেশে
৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় এমন লোক নিশ্চয়ই আছে।’’
তিনি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক শব্দ নিয়ে টানাটানি করতে চাই না। সবাই চাই
অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন। আর এ নিরপেক্ষ বলতে এক দলকে বোঝায় না। তবে
নিরপেক্ষ না থাকার যে প্রবণতা দেশের কোনো রাজনৈতিক দলই সেখান থেকে বের হতে
পারেনি।’’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরের প্রতি ইঙ্গিত করে ড. কামাল
হোসেন বলেন, ‘‘রাজনৈতিক প্রয়োজনে দলীয় কর্মীদের লেলিয়ে দেওয়ার মতো নির্দেশ
যারা দেন আমি মনে করি এটা তাদের মানসিক অসুস্থতা। এমন ব্যক্তিদের
মনোচিকিৎসা দেওয়া উচিৎ।’’
নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘‘আর ২ দিন পর নতুন বছর আসছে।
শহীদরা যে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন, সে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাষ্ট্রকে জনগণের
নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ রাখতে হবে। যদি বর্তমান
সরকারের ঘোষিত পদ্ধতিতেই নির্বাচন হয় তবে দেশে শান্তি আসবে না।’’
সমাধানের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘‘সদিচ্ছা থাকলে সংকটের সমাধান করা ৫ মিনিটের ব্যাপার।”
“চলমান রাজনীতি অস্ত্র, টাকা আর পেশিশক্তি, হত্যা, রেষারেষি ও একটি
রুগ্ন রাজনীতি ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি। নারায়ণগঞ্জে আইভী আমাদের আলো
দেখিয়েছেন। আমরা যদি এগুলো বলতে শুরু করি, তবে মানুষে মানুষে ঐক্যের একটি
বন্ধন নিশ্চয়ই তৈরি হবে। ’৫২-তে, ’৫৪-তে, ৬৯-এ, ১৬-ডিসেম্বরে ও ৯০-এ আমরা
যেমন জয়ী হয়েছি; ২০১৪ তেও ইনশাল্লাহ জয়ী হবো। আগামীতে বাংলাদেশের জন্য একটি
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। আর সে লক্ষ্যে যদি আমরা চেষ্টা না করি
তাহলে আমাদের অনেক মাশুল দিতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মানুষদের অনেক
বেশি মাশুল দিতে হবে।
মাইনাস টু নয় প্লাস ওয়ান প্রয়োজন: তুহিন মালিক
বিশিষ্ট আইনজীবী ড. তুহিন মালিক বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর বড় প্রতিপক্
ষই হচ্ছে সুশাসন, দেশের সংবিধান। দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে দলগুলোর কারোই অগ্রাধিকার নয়।
গণতন্ত্র কেমন হওয়া উচিত এমন প্রশ্নের জবাবে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও কলাম লেখক ড. তুহিন মালিক বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে আমরা আসলে শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটি হারিয়ে ফেলেছি। সে স্থান দখল করে নিয়েছে দুর্বৃত্তায়ন। স্বাধীন দেশের মাটিতে গণতন্ত্রের যে পরিবর্তন হওয়ার কথা ছিলো তা আজ উল্টে পথে হাটছে। এখানে শিষ্টের পালন না হয়ে দুষ্টের পালন হচ্ছে। আইন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার কার্যত মনে হচ্ছে, দুষ্টলোকের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। যখন দেখি রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে বিকাশের মতো শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ভিআইপি মর্যাদায় নিয়ম লঙ্ঘন করে রাতে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আইজিপি, ডিআইজি, ৠাবের প্রধান কেউ জানেন না। অন্যদিকে, তুচ্ছ অপরাধে একজন সাধারণ মানুষ জেলে পচে মরতে হচ্ছে, তাকে উচ্চ মূল্য দিয়ে বিচার কিনতে হয়।’’
এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘‘তাহলে কি আইন লুটেরা-দুর্বৃত্তদের স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে না? এ যেনো এক মাকড়সার জ্বাল-ছোটরা আটকে যায় আর বড়রা জাল কেটে বেরিয়ে যায়।’’
বিদ্যমান এ গণতন্ত্রকে তিনি ‘কোরবানির হাটে’র সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘‘রাজনীতির অবস্থা এমন যে পশুকে চড়ামূল্যে কিনে নেওয়ার মতো। জনগণ সব ক্ষমতার উৎস যদি থাকে, তাহলে বিশ্বজিৎ কেনো সবার সামনে মরতে হলো? আর এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যে বক্তব্য আমরা শুনছি, তাহলে কি বিশ্বজিৎ মুসলমান হলে তার মৃত্যু সঠিক ছিলো?’’
শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশের মুক্তির পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আদালতের গাড়ে বন্দুক রেখে গণতন্ত্রের চর্চা থেকে আমাদের বের হওয়া উচিৎ। ২০ দিন হয়ে গেলো বিকাশকে কেউ খুঁজছে না।’’
চলমান রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘চলমান রাজনীতি মূল পথে হাটছে না। প্রধান দু’দলেই (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি) মূলের চেয়ে কাণ্ড বড় হয়ে যাচ্ছে। দু’দলকেই অশুভ শক্তি চালাচ্ছে। এরশাদ রাজনৈতিক দল করতে পারবেন, এটা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি।’’
বর্তমান তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বিএনপি নেতা শাহাজান সিরাজ, রাশেদ খান মেনন প্রমূখের সমালোচনা করে তুহিন মালিক বলেন, ‘‘আমরা যাদের নিয়ে গর্ব করি, তাদের যদি স্খলন হয়-তাহলে আমরা কাদের অনুসরণ করবো। বুঝা গেলো মন্ত্রীত্বই বড় জিনিস, আদর্শ নয়।’’
‘‘নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে কলঙ্কিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, অপরদিকে, রাষ্ট্রপতি খুনী অপরাধীদের ক্ষমা করে দিচ্ছেন আর মাত্র ৫ হাজার টাকা ঋণের জন্য একজন কৃষককে কোমড়ে দড়ি বাঁধা হয়।’’
তুহিন মালিক প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘‘এ সংবিধান কার? যে সংবিধান নিয়ে কথা বললেই মৃত্যুদণ্ড হবে! যাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে সংবিধান প্রণয়নের জন্য পাঠিয়েছি, তারা তাদের স্বার্থে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে।’’
‘‘বিএনপির সময়ে ১০০ কোটি টাকার বেশি কেলেঙ্কারি হয়নি আর এখন তো ব্রীজই খেয়ে ফেলা হচ্ছে। আগে দেশে দুর্নীতির খ্যাতি জাতীয় পর্যায়ে ছিলো, এখন তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়েছে।’’-যোগ করেন তুহিন মালিক।
দুইনেত্রীর (শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া) প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘দুই নেত্রীই বড় সমস্যা। তারা গৌতম বুদ্ধের মতো পূজনীয় হতে চান। দেবীদের (দু’নেত্রী) এ অসুস্থতাই নাকি গণতন্ত্র? ব্যক্তি কি দলের চেয়ে বড়? রাষ্ট্রকে যারা যোগান দেবেন, তারাই যদি বড় হয়ে যান, তবে মৌলিক মানবাধিকারের স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয়।’’
সংবিধান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা নিয়ে যারা মাথা ফাটাফাটি করলেন, তারাই এখন আর এর মধ্যে নেই। তারা কিসের ভিত্তিতে এটা বাতিল করলেন?’’
সংবিধানকে রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিপক্ষ ভাবে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন-এসব প্রতিষ্ঠানকে কেউ শক্তিশালী করবে না। স্থানীয় সরকার কাঠামোকে কেউ শক্তিশালী করবে না। প্রত্যেক দলের মহাসচিব সবসময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হন। মূলতঃ এ মন্ত্রণালয় থেকে যে রেভিনিউ আসে তা ওই ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করা হয়। তাই একে দুঃস্থ রাজনৈতিক পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে।’’
দপ্তরবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পক্ষে আদালতে এটর্নি জেনারেলের দাঁড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘তাহলে উনার (সুরঞ্জিতের) নিখোঁজ ড্রাইভারের পক্ষে কে দাঁড়াবে। এটর্নি জেনারেলের তো রাষ্ট্রের পক্ষে দাঁড়ানোর কথা। তারা মনে করেন, যাদের জনগণ নির্বাচিত করে ক্ষমতায় পাঠান-তারাই সব সম্পাদ-সুবিধা ভোগ করবেন।’’
বিদ্যমান এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ভাবতে হবে এ পেশিশক্তি-কালোটাকার প্রভাবমুক্ত হওয়ার উপায় কি? এর জন্য প্যারাসিটামল দিলে হবে না। ব্যবচ্ছেদ(সার্জারি) করতে হবে। থ্রিজি (নতুন বিকল্প) কিংবা ‘এ’-‘বি’র বাইরে কে না চায়। বিকল্প বের করতেই হবে। এটা বলা ধৃষ্ঠতা হবে, তারপরও বলবো হাসিনা-খালেদার চেয়ে ভালো বিকল্প হতে হবে। যারা বিকল্প হিসেবে আসছেন তারা কার্টুন মার্কালোক। হাসিনা-খালেদার বিরুদ্ধে তাদের চেয়ে কম যোগ্যতার লোক দিলে হবে না। জনগণ ভালো জিনিস দিলে মন্ত্রমুগ্ধের মতো নেবে। একটা পুরুষ লাগবে। আরব্যরজনীর মতো তেজস্বি পুরুষ। মাইনাস টু দিয়ে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে না। প্লাস ওয়ান দরকার। এ পরিবর্তনের জন্য দুই নেত্রীর চেয়ে বড় দেবতা হতে হবে।’’
রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘‘ফেসবুক-টুইটারের প্রতিক্রিয়া দেখলে বোঝা যায়। পরিবর্তন এখন সময়ের ব্যাপার। ভয়কে জয় করতে হবে। ন্যাচারাল জাস্টিস বলতে কিছু একটা আছে। একজন নিশ্চিয়ই দাঁড়িয়ে যাবে, বঙ্গবন্ধুর মতো। সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।
ষই হচ্ছে সুশাসন, দেশের সংবিধান। দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে দলগুলোর কারোই অগ্রাধিকার নয়।গণতন্ত্র কেমন হওয়া উচিত এমন প্রশ্নের জবাবে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও কলাম লেখক ড. তুহিন মালিক বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে আমরা আসলে শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটি হারিয়ে ফেলেছি। সে স্থান দখল করে নিয়েছে দুর্বৃত্তায়ন। স্বাধীন দেশের মাটিতে গণতন্ত্রের যে পরিবর্তন হওয়ার কথা ছিলো তা আজ উল্টে পথে হাটছে। এখানে শিষ্টের পালন না হয়ে দুষ্টের পালন হচ্ছে। আইন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার কার্যত মনে হচ্ছে, দুষ্টলোকের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। যখন দেখি রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে বিকাশের মতো শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ভিআইপি মর্যাদায় নিয়ম লঙ্ঘন করে রাতে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আইজিপি, ডিআইজি, ৠাবের প্রধান কেউ জানেন না। অন্যদিকে, তুচ্ছ অপরাধে একজন সাধারণ মানুষ জেলে পচে মরতে হচ্ছে, তাকে উচ্চ মূল্য দিয়ে বিচার কিনতে হয়।’’
এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘‘তাহলে কি আইন লুটেরা-দুর্বৃত্তদের স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে না? এ যেনো এক মাকড়সার জ্বাল-ছোটরা আটকে যায় আর বড়রা জাল কেটে বেরিয়ে যায়।’’
বিদ্যমান এ গণতন্ত্রকে তিনি ‘কোরবানির হাটে’র সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘‘রাজনীতির অবস্থা এমন যে পশুকে চড়ামূল্যে কিনে নেওয়ার মতো। জনগণ সব ক্ষমতার উৎস যদি থাকে, তাহলে বিশ্বজিৎ কেনো সবার সামনে মরতে হলো? আর এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যে বক্তব্য আমরা শুনছি, তাহলে কি বিশ্বজিৎ মুসলমান হলে তার মৃত্যু সঠিক ছিলো?’’
শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশের মুক্তির পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আদালতের গাড়ে বন্দুক রেখে গণতন্ত্রের চর্চা থেকে আমাদের বের হওয়া উচিৎ। ২০ দিন হয়ে গেলো বিকাশকে কেউ খুঁজছে না।’’
চলমান রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘চলমান রাজনীতি মূল পথে হাটছে না। প্রধান দু’দলেই (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি) মূলের চেয়ে কাণ্ড বড় হয়ে যাচ্ছে। দু’দলকেই অশুভ শক্তি চালাচ্ছে। এরশাদ রাজনৈতিক দল করতে পারবেন, এটা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি।’’
বর্তমান তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বিএনপি নেতা শাহাজান সিরাজ, রাশেদ খান মেনন প্রমূখের সমালোচনা করে তুহিন মালিক বলেন, ‘‘আমরা যাদের নিয়ে গর্ব করি, তাদের যদি স্খলন হয়-তাহলে আমরা কাদের অনুসরণ করবো। বুঝা গেলো মন্ত্রীত্বই বড় জিনিস, আদর্শ নয়।’’
‘‘নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে কলঙ্কিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, অপরদিকে, রাষ্ট্রপতি খুনী অপরাধীদের ক্ষমা করে দিচ্ছেন আর মাত্র ৫ হাজার টাকা ঋণের জন্য একজন কৃষককে কোমড়ে দড়ি বাঁধা হয়।’’
তুহিন মালিক প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘‘এ সংবিধান কার? যে সংবিধান নিয়ে কথা বললেই মৃত্যুদণ্ড হবে! যাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে সংবিধান প্রণয়নের জন্য পাঠিয়েছি, তারা তাদের স্বার্থে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে।’’
‘‘বিএনপির সময়ে ১০০ কোটি টাকার বেশি কেলেঙ্কারি হয়নি আর এখন তো ব্রীজই খেয়ে ফেলা হচ্ছে। আগে দেশে দুর্নীতির খ্যাতি জাতীয় পর্যায়ে ছিলো, এখন তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়েছে।’’-যোগ করেন তুহিন মালিক।
দুইনেত্রীর (শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া) প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘দুই নেত্রীই বড় সমস্যা। তারা গৌতম বুদ্ধের মতো পূজনীয় হতে চান। দেবীদের (দু’নেত্রী) এ অসুস্থতাই নাকি গণতন্ত্র? ব্যক্তি কি দলের চেয়ে বড়? রাষ্ট্রকে যারা যোগান দেবেন, তারাই যদি বড় হয়ে যান, তবে মৌলিক মানবাধিকারের স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয়।’’
সংবিধান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা নিয়ে যারা মাথা ফাটাফাটি করলেন, তারাই এখন আর এর মধ্যে নেই। তারা কিসের ভিত্তিতে এটা বাতিল করলেন?’’
সংবিধানকে রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিপক্ষ ভাবে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন-এসব প্রতিষ্ঠানকে কেউ শক্তিশালী করবে না। স্থানীয় সরকার কাঠামোকে কেউ শক্তিশালী করবে না। প্রত্যেক দলের মহাসচিব সবসময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হন। মূলতঃ এ মন্ত্রণালয় থেকে যে রেভিনিউ আসে তা ওই ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করা হয়। তাই একে দুঃস্থ রাজনৈতিক পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে।’’
দপ্তরবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পক্ষে আদালতে এটর্নি জেনারেলের দাঁড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘তাহলে উনার (সুরঞ্জিতের) নিখোঁজ ড্রাইভারের পক্ষে কে দাঁড়াবে। এটর্নি জেনারেলের তো রাষ্ট্রের পক্ষে দাঁড়ানোর কথা। তারা মনে করেন, যাদের জনগণ নির্বাচিত করে ক্ষমতায় পাঠান-তারাই সব সম্পাদ-সুবিধা ভোগ করবেন।’’
বিদ্যমান এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ভাবতে হবে এ পেশিশক্তি-কালোটাকার প্রভাবমুক্ত হওয়ার উপায় কি? এর জন্য প্যারাসিটামল দিলে হবে না। ব্যবচ্ছেদ(সার্জারি) করতে হবে। থ্রিজি (নতুন বিকল্প) কিংবা ‘এ’-‘বি’র বাইরে কে না চায়। বিকল্প বের করতেই হবে। এটা বলা ধৃষ্ঠতা হবে, তারপরও বলবো হাসিনা-খালেদার চেয়ে ভালো বিকল্প হতে হবে। যারা বিকল্প হিসেবে আসছেন তারা কার্টুন মার্কালোক। হাসিনা-খালেদার বিরুদ্ধে তাদের চেয়ে কম যোগ্যতার লোক দিলে হবে না। জনগণ ভালো জিনিস দিলে মন্ত্রমুগ্ধের মতো নেবে। একটা পুরুষ লাগবে। আরব্যরজনীর মতো তেজস্বি পুরুষ। মাইনাস টু দিয়ে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে না। প্লাস ওয়ান দরকার। এ পরিবর্তনের জন্য দুই নেত্রীর চেয়ে বড় দেবতা হতে হবে।’’
রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘‘ফেসবুক-টুইটারের প্রতিক্রিয়া দেখলে বোঝা যায়। পরিবর্তন এখন সময়ের ব্যাপার। ভয়কে জয় করতে হবে। ন্যাচারাল জাস্টিস বলতে কিছু একটা আছে। একজন নিশ্চিয়ই দাঁড়িয়ে যাবে, বঙ্গবন্ধুর মতো। সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।
দেশে রাজনীতি নয়, অপরাজনীতি চলছে: বদিউল আলম
বিশিষ্ট গবেষক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, দেশে এখন রাজনীতি নয়,
অপরাজনীতি চলছে। দেশে ক্ষমতা আজ জনগণের কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে না। ব্যক্তি বা
পরিবারের জন্যই চলছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড।
বদিউল আলম মজুম
দার
বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও সংসদীয় কমিটিগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ
করতে পারছে না। এর কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর এ নিয়ে মাথাব্যথা নেই।
বদিউল আলম মজুম
দার
বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও সংসদীয় কমিটিগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ
করতে পারছে না। এর কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর এ নিয়ে মাথাব্যথা নেই।
সংসদীয় কমিটি অনেকটা রাবার স্ট্যাম্প বডি’তে পরিণত হয়েছে বলেও মত দেন তিনি।
বিরোধী দলের মধ্যে সংসদকে কার্যকর করার সদিচ্ছা নেই বলে তারা সংসদের
বাইরে থাকছে। তাদের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্বই হচ্ছে সংসদে যাওয়া, বলেন
বদিউল আলম।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ না করলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
গণতন্ত্র কি এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) এর সম্পাদক ড. বদিউল
আলম মজুমদার বলেন, ‘‘গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের সম্মতির শাসন। প্রশ্ন হচ্ছে, এ
সম্মতি লাগবে কেন? সংবিধানে তো বলাই আছে, জনগণ সব ক্ষমতার উৎস। ভোটের
মাধ্যমে কি আমরা সব সম্মতি দিয়ে দিচ্ছি। আমি মনে করি, ভোট দেওয়ার মাধ্যমে
জনপ্রতিনিধিদের আমরা ক্ষমতার একটি অংশ বিশেষ দেই। পাঁচ বছরের জন্য যা খুশি
তাই করার ক্ষমতা দিয়ে দেওয়া হয়, এটা মনে করা ভুল।’’
গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য কিছু রক্ষাকবচ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘গণতন্ত্র ও আইনের শাসনকে রক্ষায় আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কিছু প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে ক্ষমতা কুক্ষিতগত না হয়। এসব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে-জাতীয় সংসদ, আদালত, নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও মানবাধিকার কমিশন। এসব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে ক্ষমতার যথেচ্ছাচার না হয়।’’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘‘সাংবিধানিক এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরেও কিছু বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-মানবাধিকার কমিশন, দুদক ও তথ্য কমিশস ইত্যাদি। রাজনৈতিক দলও একটি প্রতিষ্ঠান-যা গণতন্ত্র রক্ষায় কাজ করে থাকে।’’
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ দিন বদলের সনদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। আজ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল হচ্ছে। তাদের দলের কেউ কী প্রশ্ন তুলবেন-দলীয় প্রধানের কাছে, গত ৪ বছরে নির্বাচনী সনদের কি কি বাস্তবায়ন করেছেন। দলীয় প্রধান ও সরকার প্রধান ভিন্ন হতে হবে, তাহলে সে রকম হয়তো কিছু দেখতে পেতাম। তাহলে নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হতো। দলে যদি গণতন্ত্রের চর্চা না হয় তাহলে রাষ্ট্রেও গণতন্ত্রের চর্চা হবে না।’’
সিভিল সোসাইটি এখন ইভিল সোসাইটি হয়ে গেছে- মত দিয়ে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘‘সিভিল সোসাইটি জনগণের স্বার্থে কথা বলবেন-এটাই প্রত্যাশা। যে দেশে নাগরিক সমাজ যতো শক্তিশালী সে দেশে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রথিষ্ঠার পথ ততো সুগম হয়। কিন্তু তা হচ্ছে কী?’’
বিচার ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ঝুঁকি নিয়েই বলছি, এখন আদালতে বিএনপি বেঞ্চ, আওয়ামী লীগের বেঞ্চ শোনা যায়। বিচারকদের আচরণেরও যা দেখছি তা অত্যন্ত করুণ। একজন বিচারক বলেছিলেন, আদালতে প্রলয় ঘটে গেছে, এখন বলতে হবে- চার বছরে মহাপ্রলয় ঘটে গেছে- অনেক জল গড়িয়েছে। জাতীয় সংসদ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা ছিলো, যাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত না হয়। কিন্তু সংসদ স্বাধীন সত্ত্বা হিসেবে কাজ করলে ১০ দিনে কিভাবে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হলো। সবার মতামতকে উপেক্ষা করে একতরফাভাবে পাশ করা হয়েছে এ সংশোধনী।’’
সংসদ সদস্যদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘সংসদ আইন প্রণয়ন, সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, নীতি-নির্ধারণী বিতর্ক ও আয়-ব্যয়ের বাজেট প্রণয়ণের প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে সাংসদদের আইন প্রণয়নের আগ্রহ নেই। কোনো সংসদীয় কমিটিকে দেখলাম না সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সক্রিয় হতে। কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে। তাহলে এ কমিটি রেখে লাভ কি? সংসদে বিতর্কের নামে গালাগালি আর বন্দনা হয়। আমলা যে ড্রাফট তৈরি করে দেয়, তাই আইন পাশ হয়। অপরদিকে বিরোধী দল যে বাগাড়ম্বর করতে চায়-তারও কোনো যুক্তি নেই। যে কোনো অযুহাতে সংসদের বাইরে থাকার যুক্তি নেই।’’
‘‘সিভিল সোসাইটি এখন সরকারের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের স্পেস দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কাজ না করে তাহলে গণতন্ত্র হতে পারে না। নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্র হতে পারে- যথেচ্ছাচার হতে পারে’’-যোগ করেন বদিউল আলম মজুমদার।
যুক্তরাষ্ট্রের ফিসক্যাল ক্লিফ’র (খাদের প্রান্তে) প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের রাজনীতিও খাদের প্রান্তে অবস্থান করছে। যদি এর সমাধান না করি তবে সামনে বড় বিপর্যয়। ২০০৬ সালে ছোট ক্লিফ সৃষ্টি হয়েছিলো। তখন গণতন্ত্র ভেঙ্গে পড়েছিলো। তবে পঞ্চোদশ সংশোধনীরে প্রেক্ষাপটে আমরা এখন বড় খাদের প্রান্তে। এ অবস্থার পরিবর্তন হতেই হবে।’’
সংকট নিসরন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘‘সরকার পাতানো বিরোধী দল করে নির্বাচন করার চেষ্টা করলে তা টিকে থাকবে না-অনেকটা আন সাসটেইনেবল সিচুয়েশন বলা যায়। আমি মনেকরি, নাগরিকরা যদি সোচ্চার হই, মিডিয়াগুলো যদি তাদের দায়িত্ব পালন করে, সর্বোপরি সবাই যদি নিজেদের করণীয়টুকু পালন করে তবে অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়া ঠেকানো যাবে। তবে উত্তরণ না ঘটানো গেলে বড় মাশুল দিতে হবে- বিশেষ করে ভবিষ্যত বংশধরদেরকে।’’
‘‘বহুদলীয় গণতন্ত্র হলে সংসদে থাকতে হবে। প্রশাসনকে দলীয়করণ, দলবাজি ও ফায়দাতনন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
ইয়ারুল ইসলাম, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট
যারা নতুন শক্তি হিসেবে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন, তারাও বিষবৃক্ষ (চলমান দূষিত রাজনীতি অর্থে) থেকে আসছেন। সংকট উত্তরণে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনাও তারা দিতে পারছেন না। আমি মনে করি, সুশীল সমাজের যারা নির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাদের নিজস্ব স্বাধীন অবস্থান থেকে নির্দেশনা দিতে হবে। বেতনভূক্ত গবেষক হয়ে নির্দেশনা দিলে হবে।
ব্যারিস্টার আল মামুন
গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য কিছু রক্ষাকবচ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘গণতন্ত্র ও আইনের শাসনকে রক্ষায় আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কিছু প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে ক্ষমতা কুক্ষিতগত না হয়। এসব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে-জাতীয় সংসদ, আদালত, নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও মানবাধিকার কমিশন। এসব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে ক্ষমতার যথেচ্ছাচার না হয়।’’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘‘সাংবিধানিক এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরেও কিছু বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-মানবাধিকার কমিশন, দুদক ও তথ্য কমিশস ইত্যাদি। রাজনৈতিক দলও একটি প্রতিষ্ঠান-যা গণতন্ত্র রক্ষায় কাজ করে থাকে।’’
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ দিন বদলের সনদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। আজ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল হচ্ছে। তাদের দলের কেউ কী প্রশ্ন তুলবেন-দলীয় প্রধানের কাছে, গত ৪ বছরে নির্বাচনী সনদের কি কি বাস্তবায়ন করেছেন। দলীয় প্রধান ও সরকার প্রধান ভিন্ন হতে হবে, তাহলে সে রকম হয়তো কিছু দেখতে পেতাম। তাহলে নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হতো। দলে যদি গণতন্ত্রের চর্চা না হয় তাহলে রাষ্ট্রেও গণতন্ত্রের চর্চা হবে না।’’
সিভিল সোসাইটি এখন ইভিল সোসাইটি হয়ে গেছে- মত দিয়ে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘‘সিভিল সোসাইটি জনগণের স্বার্থে কথা বলবেন-এটাই প্রত্যাশা। যে দেশে নাগরিক সমাজ যতো শক্তিশালী সে দেশে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রথিষ্ঠার পথ ততো সুগম হয়। কিন্তু তা হচ্ছে কী?’’
বিচার ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ঝুঁকি নিয়েই বলছি, এখন আদালতে বিএনপি বেঞ্চ, আওয়ামী লীগের বেঞ্চ শোনা যায়। বিচারকদের আচরণেরও যা দেখছি তা অত্যন্ত করুণ। একজন বিচারক বলেছিলেন, আদালতে প্রলয় ঘটে গেছে, এখন বলতে হবে- চার বছরে মহাপ্রলয় ঘটে গেছে- অনেক জল গড়িয়েছে। জাতীয় সংসদ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা ছিলো, যাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত না হয়। কিন্তু সংসদ স্বাধীন সত্ত্বা হিসেবে কাজ করলে ১০ দিনে কিভাবে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হলো। সবার মতামতকে উপেক্ষা করে একতরফাভাবে পাশ করা হয়েছে এ সংশোধনী।’’
সংসদ সদস্যদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘সংসদ আইন প্রণয়ন, সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, নীতি-নির্ধারণী বিতর্ক ও আয়-ব্যয়ের বাজেট প্রণয়ণের প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে সাংসদদের আইন প্রণয়নের আগ্রহ নেই। কোনো সংসদীয় কমিটিকে দেখলাম না সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সক্রিয় হতে। কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে। তাহলে এ কমিটি রেখে লাভ কি? সংসদে বিতর্কের নামে গালাগালি আর বন্দনা হয়। আমলা যে ড্রাফট তৈরি করে দেয়, তাই আইন পাশ হয়। অপরদিকে বিরোধী দল যে বাগাড়ম্বর করতে চায়-তারও কোনো যুক্তি নেই। যে কোনো অযুহাতে সংসদের বাইরে থাকার যুক্তি নেই।’’
‘‘সিভিল সোসাইটি এখন সরকারের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের স্পেস দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কাজ না করে তাহলে গণতন্ত্র হতে পারে না। নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্র হতে পারে- যথেচ্ছাচার হতে পারে’’-যোগ করেন বদিউল আলম মজুমদার।
যুক্তরাষ্ট্রের ফিসক্যাল ক্লিফ’র (খাদের প্রান্তে) প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের রাজনীতিও খাদের প্রান্তে অবস্থান করছে। যদি এর সমাধান না করি তবে সামনে বড় বিপর্যয়। ২০০৬ সালে ছোট ক্লিফ সৃষ্টি হয়েছিলো। তখন গণতন্ত্র ভেঙ্গে পড়েছিলো। তবে পঞ্চোদশ সংশোধনীরে প্রেক্ষাপটে আমরা এখন বড় খাদের প্রান্তে। এ অবস্থার পরিবর্তন হতেই হবে।’’
সংকট নিসরন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘‘সরকার পাতানো বিরোধী দল করে নির্বাচন করার চেষ্টা করলে তা টিকে থাকবে না-অনেকটা আন সাসটেইনেবল সিচুয়েশন বলা যায়। আমি মনেকরি, নাগরিকরা যদি সোচ্চার হই, মিডিয়াগুলো যদি তাদের দায়িত্ব পালন করে, সর্বোপরি সবাই যদি নিজেদের করণীয়টুকু পালন করে তবে অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়া ঠেকানো যাবে। তবে উত্তরণ না ঘটানো গেলে বড় মাশুল দিতে হবে- বিশেষ করে ভবিষ্যত বংশধরদেরকে।’’
‘‘বহুদলীয় গণতন্ত্র হলে সংসদে থাকতে হবে। প্রশাসনকে দলীয়করণ, দলবাজি ও ফায়দাতনন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

ইয়ারুল ইসলাম, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট
যারা নতুন শক্তি হিসেবে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন, তারাও বিষবৃক্ষ (চলমান দূষিত রাজনীতি অর্থে) থেকে আসছেন। সংকট উত্তরণে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনাও তারা দিতে পারছেন না। আমি মনে করি, সুশীল সমাজের যারা নির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাদের নিজস্ব স্বাধীন অবস্থান থেকে নির্দেশনা দিতে হবে। বেতনভূক্ত গবেষক হয়ে নির্দেশনা দিলে হবে।
ব্যারিস্টার আল মামুন
গণতন্ত্রকে বাস্তবে রূপ দেওয়া কঠিন। স্বাধীনতার ৪২ বছরে এসেও আমরা
গণতন্ত্রের প্রকৃত চেহারা দেখতে পাচ্ছি না। যোগ্য নেতৃত্ব দেখতে পাচ্ছি না।
গণতন্ত্র থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীন
ভাবে কাজ করতে পারছে না।
পাঠকের মতামত ও প্রশ্ন
বাংলানিউজের এই সংলাপে অনলাইনে অংশ নেন কয়েক হাজার পাঠক। দেশে ও দেশের বাইরের বিভিন্ন স্থান থেকে তারা বাংলানিউজের কাছে মতামত ও প্রশ্ন পাঠান। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রশ্ন এখানে তুলে ধরা হলো।
বাংলানিউজের এই সংলাপে অনলাইনে অংশ নেন কয়েক হাজার পাঠক। দেশে ও দেশের বাইরের বিভিন্ন স্থান থেকে তারা বাংলানিউজের কাছে মতামত ও প্রশ্ন পাঠান। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রশ্ন এখানে তুলে ধরা হলো।
সোহেলুর রহমান, সরকার ও রাজনীতির সাবেক শিক্ষার্থী
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
দেশে গণতন্ত্র ও একটি সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারা অব্যাহত রাখার প্রয়াসে দেশের
বিশিষ্টজনদের নিয়ে ‘গণতন্ত্র ও চলমান রাজনীতি’ শীর্ষক এ সংলাপের আয়োজন
করায় বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমকে ধন্যবাদ।
প্রথম প্রশ্ন: শীর্ষ সন্ত্রাসীরা রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। অথচ ময়লার গাড়ি পোড়ানো মামলায় বিরোধী দলের মহাসচিবকে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
সরকার পুনরায় জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আশাবাদী। তবে তত্ত্বাবধায়ক বা এ ধরনের কোনো সরকারের অধীনে নির্বাচনে তাদের এত অনীহা।এসব কি পরিকল্পিত?
দ্বিতীয় প্রশ্ন: জামায়াতের যুদ্ধাপরাধসহ সব অপরাধের বিচার আমরা চাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন, এর আগে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সমর্থন, তার আগে একসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন নানা কারণে আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের যখন সখ্য ছিল তখন কেন আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধের প্রসঙ্গটা সামনে আনেনি।
রফিকুল ইসলাম সোহাগ, ঢাকা:
আমার দেশের সংবিধান কেন বার বার পরিবতন করা হয়?
আমাদের দেশের আদালত কেন তার নিজের গতিতে চলছে না?
মাহমুদ, ঢাকা, বাংলাদেশ:
প্রথম প্রশ্ন: শীর্ষ সন্ত্রাসীরা রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। অথচ ময়লার গাড়ি পোড়ানো মামলায় বিরোধী দলের মহাসচিবকে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
সরকার পুনরায় জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আশাবাদী। তবে তত্ত্বাবধায়ক বা এ ধরনের কোনো সরকারের অধীনে নির্বাচনে তাদের এত অনীহা।এসব কি পরিকল্পিত?
দ্বিতীয় প্রশ্ন: জামায়াতের যুদ্ধাপরাধসহ সব অপরাধের বিচার আমরা চাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন, এর আগে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সমর্থন, তার আগে একসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন নানা কারণে আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের যখন সখ্য ছিল তখন কেন আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধের প্রসঙ্গটা সামনে আনেনি।
রফিকুল ইসলাম সোহাগ, ঢাকা:
আমার দেশের সংবিধান কেন বার বার পরিবতন করা হয়?
আমাদের দেশের আদালত কেন তার নিজের গতিতে চলছে না?
মাহমুদ, ঢাকা, বাংলাদেশ:
প্রথমে ধন্যবাদ বাংলানিউজকে এই রকম একটা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে
সংলাপ আয়োজন করার জন্য। আমার প্রশ্ন শ্রদ্ধেয় ড. কামাল হোসেন স্যার এর
কাছে: কিছু দিন আগে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম সাহেব একটি অনুষ্ঠানে বলেন
"নির্বাচন না হওয়ার চেয়ে যেনতেন নির্বাচন হওয়াও ভাল" বিষয়টাকে আপনি কিভাবে
মূল্যায়ন করবেন?
নূর, ঢাকা
জামায়াত শিবিরের রাজনীতি বন্ধের বিষয়ে আপনার কি অভিমত?
জামায়াত শিবিরের রাজনীতি বন্ধের বিষয়ে আপনার কি অভিমত?
Khalid, Orlando, Florida, USA
Mr. Hossain! Do you think both of leading parties have their reliable alternative in future leadership as of today?
কাজল কেয়া, ঢাকা
একটি সুন্দর সুশৃঙ্খল দেশ গড়ার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের রাজনীতিকদের ভূমিকা কী? তারা কি সে অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করছেন?
Mr. Hossain! Do you think both of leading parties have their reliable alternative in future leadership as of today?
কাজল কেয়া, ঢাকা
একটি সুন্দর সুশৃঙ্খল দেশ গড়ার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের রাজনীতিকদের ভূমিকা কী? তারা কি সে অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করছেন?
মুস্তাফিজ,আলবার্টা, কানাডা
আমাদের নির্বাচিত সরকারগুলো কেন জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারতেছে না? জবাবদিহিতা ছাড়া গণতন্ত্র কতটুকু কার্যকর? বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্র বলতে যা বোঝাচ্ছে হয় কাউকে শিকার করে বাঁচতে হয় অথবা শিকার হয়ে বাঁচতে হয়। কেন? এই ‘তন্ত্র’ থেকে মুক্তির উপায় কি?
আমাদের নির্বাচিত সরকারগুলো কেন জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারতেছে না? জবাবদিহিতা ছাড়া গণতন্ত্র কতটুকু কার্যকর? বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্র বলতে যা বোঝাচ্ছে হয় কাউকে শিকার করে বাঁচতে হয় অথবা শিকার হয়ে বাঁচতে হয়। কেন? এই ‘তন্ত্র’ থেকে মুক্তির উপায় কি?
মুস্তাফা মাইনুল হক তারেক, সিঙ্গাপুর
ড. কামাল হোসেনের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই কেয়ারটেকার সরকার এর বাইরে কোনো নির্বাচন হলে আপনি কি মনে করেন দেশের মানুষ মেনে নেবে?
আপনি কি মনে করেন দেশে এখন আইনের শাসন চলছে?
একটি গণতান্ত্রিক দেশ এ কি পুলিশ আইনের উর্ধে? যদি তা না ই হবে তবে পুলিশ কেন সারাদেশ এ ঘুষ এর রাজত্ব আর লুটপাট করছে?
সকল সমস্যা এক জায়গায় তথা যুদ্ধাপরাধী ইস্যু কি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে নাকি ধ্বংস করবে?
রাসেল আহমেদ, সাংবাদিক, ঢাকা
দেশের চলমান রাজনীতির অবস্থা খুবই নাজুক, আর গণতন্ত্র তো ছাত্রলীগের
চাপাতির আঘাতে অনেকটাই বিলুপ্ত হবার পথে। বর্তমানে দেশের হানাহানির রাজনীতি বন্ধে প্রধান দুই দলের সংলাপ কতটা জরুরি?
লোকমান, মালয়েশিয়া
গোলাম আযমের বিচার করা হবে কী?
জাবেদুর রশীদ, ঢাকা
আমি ড. কামাল হোসেনকে বলছি, দেশে বর্তমানে যে ধরনের শাসন ব্যবস্থা চলছে এদেশের সাধারণ নাগরিকের কাছে তার বিন্ধুমাত্র গ্রহণযোগ্যতা নেই । দেশের এই দুর্দিনে আপনারা কেন কিছু করছেন না ? কেন আপনারা নিরব? আপনারা না এদেশটার স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন? বলতে পারেন কেন সাধারণ জনগণ স্বাধীনতার স্বাদ থেকে বঞ্চিত? দেশটা কার হাসিনা, খালেদার না ১৬ কোটি মানুষের? আপনারা যোদ্ধা শুনলে আমাদের হাসি পায়, কারণ এই দুর্দিনে যারা দেশের জন্য কিছু করছে না তারা আবার যোদ্ধা হয় কিভাবে? দয়া করে দেশের জনগণের মুক্তির জন্য কিছু করেন, দেশের অপশাসনকে রোখার জন্য আবার যুদ্ধ করুন, আর যদি না পারেন তাহলে কখনো নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেবেন না ।
ইয়াসমিন রত্মা
ড. কামাল হোসেনের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতি কি আমাদের গণতন্ত্রকে আরো সুসংগঠিত করছে নাকি অরাজকতা সৃষ্টি করছে? আমাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে যুগোপযোগী আইন প্রনয়ন হচ্ছে না কেন? আর হলেও প্রয়োগ হচ্ছে না কেন? জনগণের মুক্তির পথ কি?
শিহাব আল মাহমুদ, বাহরাইন
প্রথমেই বাংলানিউজকে ধন্যবাদ জানাই গণতন্ত্র ও চলমান রাজনীতি নিয়ে শীর্ষক অনলাইন সংলাপের আয়োজনের জন্য। আমার প্রশ্ন হল আজকের সংলাপে উপস্থিত সবার কাছে। আপনারা অবশ্যই জানেন যে, আমেরিকার নির্বাচনে প্রচারনা হিসাবে উভয় প্রার্থী দেশের উন্নয়নকে কিভাবে করবে মুখোমুখি আলোচনা করেছেন। আজ বাংলাদেশের তত্ত্ববধায়ক ইস্যু নিয়ে সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিরোধী দলীয় প্রধান মুখোমুখি আলোচনা করলে একটি সুষ্ট সমাধান আসবে কি?
কামাল শাহরিয়ার
সংবাদকর্মী, ঢাকা
আমি শ্রদ্ধেয় ড. কামাল হোসেন স্যারের কাছে জানতে চাই,,
১.দেশের বড় দুই দল (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি)’এর মধ্যে শুধু সংলাপ হলেই চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব?
২. দুই দলের মধ্যে আস্থার সঙ্কট কাটাতে বিশ্বাসের জায়গাটা বাড়ানো উচিত কি?
৩. জামায়াত প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান যৌক্তিক বলে আপনার মনে হয়? নাকি জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা উচিত?
৪. আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহযোগ্য করতে শুধ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই যোগ্য?
৫. এবি নেগেটিভ (এ-আ’লীগ, বি-বিএনপি) রাজনীতি থাবা থেকে বাঁচতে বাম বা তৃতীয় শক্তির উত্থানের কথা থাকলেও বামশক্তির প্রভাব এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়লাভ করাটা সম্ভব কিনা?
Muhammad Noman, Australia
Both Parties have to understand the basic tone of it`s people. There are no ways to be back to pakistan/or to a concept of it and any suggestion of it will destroy the country.
On the same time, respect to the system and to understand that the leaderships are to serve the people not just the party will make a huge impact. It is the people of Bangladesh which are important, not the party. A party is a mechanism to reach the people to serve in a greater way.
Ideologically, placing people with merit, knowledge and academic result into party’s leaderships will gradually decrease the flow of un-wanted people into politics to earn money by muscle. There is great deal of partisans who have no acceptable academic background that they can use in personal life if they are not into politics. To be involved in politics need to be a job now, just to implement economic transitions, not to be a great speech deliver.
পলাশ, বগুড়া
আমাদের বড় যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে তারা নিজেরাই জানে না যে তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতিপক্ষ। আসলে দেশের জন্য কেউই ভাবে না। যদি দেশটাকে তারা সবার উপরে রাখতো তাহলে আমাদের দেশটার আজ এই অবস্থা হতো না। আসলে আমাদের একটা ‘ফাটাকেষ্ট’ দরকার। ‘মারবো এখানে লাশ পড়বে শশ্মানে’।
বেলাল বিন আঃ কুদ্দুছ
মক্কা, সৌদি আরব
স্যার সালাম নিবেন। আমার প্রশ্ন হল অনির্বাচিতদের দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক করা যাবে না বলছে আদালত। অথচ আদালত এবং নির্বাচন কমিশন দুটোই অনির্বাচিতদের দ্বারা গঠিত। এটা কি স্ববিরোধিতা নয়? সরকারের খারাপ কাজের সমালোচনা করতে হলে সাথে সাথে বিরোধীদলেরও সমালোচনা করা বাধ্যতামুলক কিনা?
ড. কামাল হোসেনের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই কেয়ারটেকার সরকার এর বাইরে কোনো নির্বাচন হলে আপনি কি মনে করেন দেশের মানুষ মেনে নেবে?
আপনি কি মনে করেন দেশে এখন আইনের শাসন চলছে?
একটি গণতান্ত্রিক দেশ এ কি পুলিশ আইনের উর্ধে? যদি তা না ই হবে তবে পুলিশ কেন সারাদেশ এ ঘুষ এর রাজত্ব আর লুটপাট করছে?
সকল সমস্যা এক জায়গায় তথা যুদ্ধাপরাধী ইস্যু কি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে নাকি ধ্বংস করবে?
রাসেল আহমেদ, সাংবাদিক, ঢাকা
দেশের চলমান রাজনীতির অবস্থা খুবই নাজুক, আর গণতন্ত্র তো ছাত্রলীগের
চাপাতির আঘাতে অনেকটাই বিলুপ্ত হবার পথে। বর্তমানে দেশের হানাহানির রাজনীতি বন্ধে প্রধান দুই দলের সংলাপ কতটা জরুরি?
লোকমান, মালয়েশিয়া
গোলাম আযমের বিচার করা হবে কী?
জাবেদুর রশীদ, ঢাকা
আমি ড. কামাল হোসেনকে বলছি, দেশে বর্তমানে যে ধরনের শাসন ব্যবস্থা চলছে এদেশের সাধারণ নাগরিকের কাছে তার বিন্ধুমাত্র গ্রহণযোগ্যতা নেই । দেশের এই দুর্দিনে আপনারা কেন কিছু করছেন না ? কেন আপনারা নিরব? আপনারা না এদেশটার স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন? বলতে পারেন কেন সাধারণ জনগণ স্বাধীনতার স্বাদ থেকে বঞ্চিত? দেশটা কার হাসিনা, খালেদার না ১৬ কোটি মানুষের? আপনারা যোদ্ধা শুনলে আমাদের হাসি পায়, কারণ এই দুর্দিনে যারা দেশের জন্য কিছু করছে না তারা আবার যোদ্ধা হয় কিভাবে? দয়া করে দেশের জনগণের মুক্তির জন্য কিছু করেন, দেশের অপশাসনকে রোখার জন্য আবার যুদ্ধ করুন, আর যদি না পারেন তাহলে কখনো নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেবেন না ।
ইয়াসমিন রত্মা
ড. কামাল হোসেনের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতি কি আমাদের গণতন্ত্রকে আরো সুসংগঠিত করছে নাকি অরাজকতা সৃষ্টি করছে? আমাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে যুগোপযোগী আইন প্রনয়ন হচ্ছে না কেন? আর হলেও প্রয়োগ হচ্ছে না কেন? জনগণের মুক্তির পথ কি?
শিহাব আল মাহমুদ, বাহরাইন
প্রথমেই বাংলানিউজকে ধন্যবাদ জানাই গণতন্ত্র ও চলমান রাজনীতি নিয়ে শীর্ষক অনলাইন সংলাপের আয়োজনের জন্য। আমার প্রশ্ন হল আজকের সংলাপে উপস্থিত সবার কাছে। আপনারা অবশ্যই জানেন যে, আমেরিকার নির্বাচনে প্রচারনা হিসাবে উভয় প্রার্থী দেশের উন্নয়নকে কিভাবে করবে মুখোমুখি আলোচনা করেছেন। আজ বাংলাদেশের তত্ত্ববধায়ক ইস্যু নিয়ে সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিরোধী দলীয় প্রধান মুখোমুখি আলোচনা করলে একটি সুষ্ট সমাধান আসবে কি?
কামাল শাহরিয়ার
সংবাদকর্মী, ঢাকা
আমি শ্রদ্ধেয় ড. কামাল হোসেন স্যারের কাছে জানতে চাই,,
১.দেশের বড় দুই দল (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি)’এর মধ্যে শুধু সংলাপ হলেই চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব?
২. দুই দলের মধ্যে আস্থার সঙ্কট কাটাতে বিশ্বাসের জায়গাটা বাড়ানো উচিত কি?
৩. জামায়াত প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান যৌক্তিক বলে আপনার মনে হয়? নাকি জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা উচিত?
৪. আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহযোগ্য করতে শুধ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই যোগ্য?
৫. এবি নেগেটিভ (এ-আ’লীগ, বি-বিএনপি) রাজনীতি থাবা থেকে বাঁচতে বাম বা তৃতীয় শক্তির উত্থানের কথা থাকলেও বামশক্তির প্রভাব এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়লাভ করাটা সম্ভব কিনা?
Muhammad Noman, Australia
Both Parties have to understand the basic tone of it`s people. There are no ways to be back to pakistan/or to a concept of it and any suggestion of it will destroy the country.
On the same time, respect to the system and to understand that the leaderships are to serve the people not just the party will make a huge impact. It is the people of Bangladesh which are important, not the party. A party is a mechanism to reach the people to serve in a greater way.
Ideologically, placing people with merit, knowledge and academic result into party’s leaderships will gradually decrease the flow of un-wanted people into politics to earn money by muscle. There is great deal of partisans who have no acceptable academic background that they can use in personal life if they are not into politics. To be involved in politics need to be a job now, just to implement economic transitions, not to be a great speech deliver.
পলাশ, বগুড়া
আমাদের বড় যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে তারা নিজেরাই জানে না যে তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতিপক্ষ। আসলে দেশের জন্য কেউই ভাবে না। যদি দেশটাকে তারা সবার উপরে রাখতো তাহলে আমাদের দেশটার আজ এই অবস্থা হতো না। আসলে আমাদের একটা ‘ফাটাকেষ্ট’ দরকার। ‘মারবো এখানে লাশ পড়বে শশ্মানে’।
বেলাল বিন আঃ কুদ্দুছ
মক্কা, সৌদি আরব
স্যার সালাম নিবেন। আমার প্রশ্ন হল অনির্বাচিতদের দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক করা যাবে না বলছে আদালত। অথচ আদালত এবং নির্বাচন কমিশন দুটোই অনির্বাচিতদের দ্বারা গঠিত। এটা কি স্ববিরোধিতা নয়? সরকারের খারাপ কাজের সমালোচনা করতে হলে সাথে সাথে বিরোধীদলেরও সমালোচনা করা বাধ্যতামুলক কিনা?
Obaidul Haque, Dhaka
Thanks sir for good comments. But I want to know how to avoid AL & BNP.
Thanks sir for good comments. But I want to know how to avoid AL & BNP.
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
December
(2623)
-
▼
Dec 30
(125)
- এ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
- ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব জাস্টিস সম্মেলনে ঢাকা ই...
- ক্যারিয়ার- পেশা যখন মার্চেন্ডাইজিং
- স্মৃতিবিজড়িত মধুর ক্যান্টিন- যাত্রা হলো শুরু
- পূর্ব এশিয়ায় উর্ধমুখী প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা
- গৃহহীন ও ক্ষুধার্তের সংখ্যা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে
- বাংলাদেশের ৪১ বছর ॥ প্রত্যাশা ও অগ্রগতি
- শঙ্কায় ভিয়েতনামের অর্থনীতি
- বাড়ছে বেকারত্ব, অপচয় হচ্ছে শ্রমশক্তি by মোঃ আরিফু...
- দীর্ঘদিন পরএক চলচ্চিত্রে by মৌসুমী ও শাবনূর
- স্মরণীয়
- বাণী চিরন্তনী
- প্রাথমিক সমাপনীতে জিপিএ-বন্যা শিক্ষার চিত্র বদলাল ...
- সম্পাদক সমীপে- ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সেতু ঝুঁকিতে
- সঙ্গীতগুরু সোহরাব হোসেন তাঁর চলে যাওয়া শুধু একজন স...
- ছোটদের বড় সাফল্য অনেক ছাত্রছাত্রী আছে, যারা শুদ্ধর...
- ডিজিটাল বাংলাদেশ ও তার চার বছর
- নূরজাহান সিরাজীর তিরোধান ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার by...
- ‘সাঈদীর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ by আবদুল মা...
- ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪ লেন প্রকল্পের দুর্নীতি তদ...
- গো. আযমের রি-ট্রায়ালের ওপর আসামিপক্ষের শুনানি শেষ
- ‘যত অত্যাচার চালাবে তত তাড়াতাড়ি সরকারের পতন হবে’
- ডুমুরের ফুল অদৃশ্য নয়...
- আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল্লাহ খানের প্রথম মৃত্যু...
- কেরানীগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ১ আহত দুই
- মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে নেই অগ্রগতির হালনাগাদ তথ্য-...
- যাদবপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী নিহত
- জাবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে সম্মিলিত শিক্ষক পরিষদে...
- বিমানে সিডিউল বিপর্যয়- সিলেট বিমানবন্দরে- আটকা পড়ে...
- সাজানো ছিনতাইয়ের ঘটনা ॥ নওগাঁয় গণপিটুনিতে দুই ভাই ...
- মহাশূন্যে হানিমুন
- পৌরসভাগুলোয় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে পাইপ নেটওয়ার্ক- ম...
- পুলিশের ওপর হিযবুতের চোরাগোপ্তা হামলা
- হাসিনা সভাপতি আশরাফুল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
- ‘এতো শীত হামরা দেখি নাই বাহে’- তিস্তাপারের মানুষের...
- শিক্ষাভবনে শহীদ মিনার, বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ কর্নার
- গণধর্ষিত তরুণীকে বাঁচানো গেল না- শোকে স্তব্ধ ভারত,...
- আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা ।।গণরায় মেনে নে...
- হোমসে একটি এলাকার নিয়ন্ত্রণ সেনাবাহিনীর
- পাকিস্তানে কাশির সিরাপ খেয়ে ১৬ জনের মৃত্যু
- এএফপির বিশ্লেষণ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রত্...
- সেই সহিংসতা রোহিঙ্গাদের এখনো তাড়িয়ে বেড়ায়
- ‘ফিসক্যাল ক্লিফ’- সংকট এড়ানোর ব্যাপারে আশাবাদী বার...
- বন্দুক ও এয়ারগান দিয়ে পাখি মারছেন শিকারিরা
- ভাড়া করা সড়ক দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত
- পদ্মা সেতুর জন্য জমি অধিগ্রহণ- স্থাপনার দাম নির্ধা...
- তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে এখনো সায় দেয়নি পশ্চিমবঙ্গ ...
- গণপিটুনিতে দুই ভাই নিহত
- বর্ণাঢ্য আয়োজনে আওয়ামী লীগের সম্মেলন- খোলসধারীদের ...
- সঠিক তথ্য তুলে ধরার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে: ইনু
- পরমাণু শক্তি কেন্দ্র- রূপপুর: আর কত দূর? by আবদু...
- পাহাড়ে আদিবাসী নারীদের নিরাপত্তা কে দেবে?- ধর্ষিত ...
- মাত্রা কমলেও পরিমাণ উদ্বেগজনক- সেবা খাতে দুর্নীতি
- চারদিক- বাইক্কা বিলে সূর্য উৎসব by মশহুরুল আমিন
- তাদের জন্য ভালোবাসা by আশরাফ উল্লাহ
- থার্টিফাস্ট নাইট- বছরের শেষ রাতে নানা আয়োজন by শ...
- জেএসসিতে চট্টগ্রাম বোর্ডের সেরা ২০ বিদ্যালয়ের মধ্য...
- জেএসসি পরীক্ষা- বোর্ডের সেরা পাঁচ বিদ্যালয়
- প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী- পাসের হারে সেরা চান্দগাঁও ...
- ফিরে দেখা ২০১২
- যুবলীগ নেতা তুষার ইসলাম নিখোঁজ ও গুম- র্যাবের পাঁ...
- রঙিন বর্ষপঞ্জি ও বিশেষ সংখ্যা
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত উৎসব- গণিত দিয়েই ...
- হিযবুত কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৪১
- প্রতি বর্গমিটার ৪০৫.৮৫ টাকা দরের কাজ জালিয়াতির মাধ...
- উৎপাদন বাড়লেও অবস্থা নাজুক by অরুণ কর্মকার
- বিএনপির কাউন্সিল নিয়ে অনিশ্চয়তা by সেলিম জাহিদ
- নয়াদিল্লির ছাত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন
- ২০১২: রাজনীতিতে ছিল ব্যাপক আলোড়ন
- সাংসদেরা এলাকামুখী, কোরাম নিয়ে হিমশিম সংসদীয় কমিটির
- আটকে গেছে ১,২৭,০০০ কোটি টাকার রাজস্
- ২০১৪ সালে পরিবর্তন দিয়ে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু : ড...
- মুক্তিযোদ্ধার বাঁচার লড়াই-দেশমাতৃকার জন্য যাঁরা যু...
- অপচিকিৎসার বলি-বৈদ্যের লাগানো আগুনে জ্বলে শেষ রুশনী
- স্থায়ী কমিটির বৈঠক-মানবপ্রাচীর গড়ার কর্মসূচি দিতে ...
- আ. লীগের কাউন্সিলে শেখ হাসিনা-নির্বাচনে জনগণ যে রা...
- জনসংখ্যাধিক্য-ট্রাম্পকার্ড থেকে উদ্বেগে by একেএম ন...
- আলু by মাহবুব মোর্শেদ
- প্রসঙ্গ :প্রফেসর ইউনূস by আতিকুল হক চৌধুরী
- পাকিস্তান-মৌলবাদ নাকি সংস্কারপন্থি, কে জয়ী হবে? b...
- সমসময়-লিবিয়ায় অস্থিরতা বাংলাদেশেরও পরীক্ষা by আতাউ...
- দুই গ্রামে সংঘর্ষ-তুচ্ছ কারণেই এমন সহিংসতা!
- চট্টগ্রাম বন্দর-সম্ভাবনার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত হোক
- হে তরুণ বন্ধুরা by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
- উত্তরবঙ্গের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ by শাহ...
- রম্য-শিক্ষা বাণিজ্য by সাইফুল আলম
- চূড়া ছোঁয়ার স্বপ্ন by সুভাষ সাহা
- রাজনীতি-জনগণ যেন মুখ ফিরিয়ে না নেয় by গওসল আযম
- সময়ের কথা-এই দিন দিন নয়... by অজয় দাশগুপ্ত
- সোহরাব হোসেন-আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা
- টিআইবির খানা জরিপ-দুর্নীতি হ্রাসের চেষ্টা অব্যাহত ...
- অভিজ্ঞ নেতৃত্বের অভাবে গতিহীন আওয়ামী লীগ-তৃণমূল নে...
- বিক্ষোভ দমনে কঠোর নিরাপত্তা-গণধর্ষণের শিকার ছাত্রী...
- ঢাকা-অটোয়া সম্পর্কে কাঁটা নূর চৌধুরী by মেহেদী হাসান
- কালের কণ্ঠ অনুসন্ধান-এসআইয়ের মৃত্যুতে ওসির হাত! by...
- ৮০০ বছরের পুরনো কঙ্কাল
- 'বুড়ো' বিমান নিয়ে বিপাকে পাকিস্তান
- মিয়ানমারের বাজারে আসছে বেসরকারি পত্রিকা
- ছোট হয়ে আসছে আসাদের গণ্ডি
- বিদেশিদের ফোনে আড়ি পাতা আইনের মেয়াদ বাড়ল
- নিউ ইয়র্কে খুনের ঘটনা রেকর্ড পরিমাণ কমেছে
- তেলেঙ্গানা নিয়ে পৃথক রাজ্য-এক মাসের সময় নিয়েছে সরক...
- বেনজির হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে জারদারির বাধা!
- আসাদের সামনে দুই পথ খোলা-সংকট নিরসন, নয়তো নরক
- ইউটিউব খুলে দিচ্ছে পাকিস্তান
- চীনে নতুন আইন-বয়স্ক স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বাধ্যতা...
- সংকট এড়ানোর বিষয়ে আশাবাদী ওবামা
- গাজায় নির্মাণসামগ্রী আমদানির অনুমতি দিল ইসরায়েল-পশ...
- ধর্ষণ রুখতে মেয়েদের কারাতে-জুডো শেখাবে পশ্চিমবঙ্গ ...
- আটক ছয়জনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হবে
- সিঙ্গাপুরে পাঠানো কতটা যৌক্তিক ছিল?
- বাঁচার তীব্র আকুতি ছিল দামিনীর
- বাংলাদেশ রেলওয়ে-যোগাযোগে রাখতে পারে যুগান্তকারী ভূ...
- ঘুষ বৃদ্ধি উদ্বেগজনক-এ প্রবণতা রোধ করতে হবে
- একাত্তরের এই দিনে
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইব্রাহিম দম্পতিকে সন্তানের সুসং...
- ছাত্ররাজনীতি প্রসঙ্গে by শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ
- আগে রূপরেখা দিন, পরে আলোচনা ও সমাধান হতে পারে by ম...
- স্মরণ-চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন by ফখরে আলম
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্ষমাহীন অনিরাপত্ত...
- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কেমন হওয়া উচিত? by ড. নিয়...
- অর্থমন্ত্রীর সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিলাষ ও...
- ২০১৪ সালে পরিবর্তন দিয়ে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরুঃ ড....
- কাউন্সিলরদের প্রধানমন্ত্রীঃ ‘ভেবেছিলাম নতুন নেতৃত্...
- যোগ্য মায়ের যোগ্য ছেলে সফল হবেন বিলাওয়াল
-
▼
Dec 30
(125)
-
▼
December
(2623)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment