সেঁজুতির আত্মহনন-শোকসভায় বখাটেদের গ্রেপ্তারের দাবি

খাটেদের অত্যাচারের ঠিক ৯ দিন আগে স্কুলছাত্রী সেঁজুতি আক্তার আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিয়েছিল। ঘটনার পর জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা দোষীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত বখাটেদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তাই আমরা দোষীদের (বখাটে) গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।' সেঁজুতির আত্মহননের ঘটনায় আয়োজিত শোক সভায় এভাবেই ক্ষোভের সঙ্গে বক্তারা এসব কথা বলেন।


পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী সেঁজুতি আক্তার বখাটেদের নির্যাতনে আত্মহননের পথ বেছে নেয়। গতকাল রবিবার শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে এক শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. হুমায়ুন কবির শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন।
বক্তব্য দেন আখতার হোসেন চৌধুরী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. সোহেল মাহমুদ, মো. জাকির হোসেন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাখাওয়াত কবির, শামীম আহম্মেদ, খলিলুর রহমান, জেসমিন আরা পারভীন, জাকিয়া সুলতানা, আলমগীর হোসেন, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বাকেরগঞ্জ উপজেলার বড় রঘুনাথপুর গ্রামের বাড়ি থেকে সেঁজুতিকে ১৩ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে বখাটেরা ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সাত বখাটের বিরুদ্ধে সেঁজুতির মা বাদী হয়ে ১৭ অক্টোবর অপহরণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা করেন। বখাটেদের আত্মীয়স্বজন ও সালিসদাররা মামলা তুলে নিতে হুমকিধামকি দেন। এই ঘটনার জের ধরে ২১ অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে সেঁজুতি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

No comments

Powered by Blogger.